Home আপনাতেই আমি সিজন ২ আপনাতেই আমি সিজন ২ পর্ব ৬৫ (২)

আপনাতেই আমি সিজন ২ পর্ব ৬৫ (২)

আপনাতেই আমি সিজন ২ পর্ব ৬৫ (২)
ইশিকা ইসলাম ইশা

আম্মু কেন আব্বুকে বিয়ে করল দাদি??
রিদির প্রশ্নে নাজমা চৌধুরী দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল,
জানি না!ঐ দিনের পর দিয়ার সাথে কোন যোগাযোগ ছিল না আমাদের।দিয়া নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিল সবার থেকে।
তবে আম্মু কি সত্যিই নানা নানুর মেয়ে ছিল না?

না। আতাউর দিয়াকে পেয়েছিল নদীর কিনারে ঝোপের মধ্যে।সেদিন নদীতে মাছ ধরার জন্য খুব ভোরেই উঠেছিল আতাউর।শখের বশে মূলত মাছ মারতে যেত নদীতে। নদীর পাশেই ছিল বড় বড় নগখাগড়া।যা একটা ঝোপের মতোই ছিল।হঠাৎ বাচ্চার ফুঁপিয়ে কান্নার শব্দে আতাউর আশেপাশে তাকিয়ে দেখে ঝোপের মধ্যে কিছু একটা নড়ছে।তবে আওয়াজ খুব ধীরে আসছে।কান্নার শব্দ কিন্তু অনেক ধীরে। আতাউর আলগা বাতাস ভেবে ভয় পেয়ে চলে যেতে চাইলেও আবার ফিরে আসে। “আয়াতুল কুরসি “পাঠ করে কয়েকবার ফু দিয়ে ঝোপ ঝাড় সরিয়েই দেখতে পাই একটা বস্তা।বস্তা থেকেই ভেসে আসছে কান্নার শব্দ। আতাউর বস্তা খুলতেই দেখতে পায় ছোট্ট দিয়াকে। বাচাটার হাতে পায়ে আঘাত।কতোই বা বয়স ছিলো ১ বা দের বছর।পড়নে দামি জামা।হাতে সোনার চুরি,পায়ে রুপার নুপুর,গলায় একটা চেইন।দেখতে কোনো রাজকুমারীর থেকে কম না। আতাউর দিয়াকে কোলে নিয়ে দেখল বস্তার ভেতরে ৫০,০০০ টাকার কয়েকটা বান্ডিল।আর একটা চেক। ফাঁকা চেক। আতাউর আশেপাশে তাকিয়ে দেখল কেউ আছে কিনা।আবার দিয়ার অবস্থা দেখে আগে দিয়াকে নিয়ে বাসায় আসে। আকলিমা কে সবটা বলে।আকলিমা দিয়াকে পরিস্কার করে ব্যান্ডেজ করে দেয়। এরপর ওকে দুধ খাইয়ে দিতেই বাচাটা ঘুমিয়ে পড়ে।পরে ডাক্তার দেখিয়ে এনেছিল।

আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

সেদিন ই আকলিমা আমাকে আর তোর দাদুকে ডেকে পাঠায়।আমরা গিয়ে জানতে পারি দিয়ার জামার ভেতরে একটা চিরকুট ও ছিল।চিরকুটে বেশি কিছু লিখা ছিল না। শুধু কয়েকটা কথা কিন্তু বার বার একই কথা বলেছে।
“দয়া করে আমার মেয়ের জীবন বাঁচান ।ওরা ওকে মেরে ফেলবে।আমি অসহায় বাবা আজ নিরুপায় হয়েই মেয়েকে এভাবে রেখে যেতে বাধ্য হচ্ছি।ওকে বাঁচিয়ে নিন।এতে যা টাকা আছে তা দিয়ে আপাতত আমার মেয়েটাকে বাঁচান। একটা ফাঁকা চেক আছে। ইচ্ছে মতো টাকার অঙ্ক বসিয়ে নিতে পারবেন।তবে ওর ১০ বছর পূর্ন হওয়ার পর টাকাটা নিতে পারবেন।তার আগে নিলে ওরা খুঁজে পেয়ে যাবে।দয়া করে আমার মেয়েটার প্রান বাঁচান”

সব জানার পর তোর দাদু দিয়াকে চৌধুরী বাড়িতে নিতে চাইল।কারন সেখানে দিয়া সেফ থাকবে। কিন্তু আকলিমা দেয় না দিয়াকে।দিয়ার ওপর আলাদা এক টানে নিজের কাছেই রাখে।আর টাকা গুলো থেকে কিছু টাকা নিয়ে গ্রামের পুরানো ঘরগুলো মেরামত করে চারদিকে ঘিরে দেয়। উঁচু দেওয়াল তুলে দেয় বাড়ির চারপাশে।যাতে কোনভাবে দিয়ার খোঁজ কেউ না পায়।গ্রামের মানুষ হঠাৎ এই নিয়ে সন্দেহ পোষন করলেও তোর দাদু সবটা সামলে নেই।এই বলে যে সে টাকা ধার দিয়েছে।তোর দাদু কে গ্রামের সবাই বেশ শ্রদ্ধা করত তাই অতোটা ভাবে নি।কিন্তু এভাবে কতোদিন!দিয়ার বয়স তখন আড়াই বছর।একটা বাচ্চা লুকিয়ে কি আর মানুষ করা যায়!!তাই তোর দাদু পরিকল্পনা করে বলল,”সবাইকে দিয়ার ব্যাপারে জানাতে।দিয়া কে?? এটা জানতে চাইলে আকলিমা বলবে তার মরে যাওয়া বোনের মেয়ে দিয়া।

প্রথমে গ্রামবাসী এটা ওটা বললেও ধীরে ধীরে সবাই ব্যাপারটা ভুলে যায়।দিয়াও বড় হতে থাকে। আতাউর দিয়ার সেই টাকা থেকে যে টাকা নিয়েছিল তা পরিশোধ করে দিয়ার নামে ব্যাংক এ ফিক্সড করে রাখে।এরপর আতাউর এর উন্নতি হয়। কাঁচামালের ব্যাবসায় লাভবান হয়। এতে তাঁদের ভালোই চলে যেত।আর ঐ ফাঁকা চেক ওটা কখনো ব্যাবহার করে নি আতাউর। সেদিন রাগের মাথায় দিয়াকে সত্যি টাই বলেছিল ওরা।দিয়া যখন জানতে চাইলো তার অতীত!! আকলিমা, আতাউর সবটা বলেছিল ওকে।১৮ বছর যেহেতু হয়েছিল তাই সেই টাকার মালিক ও দিয়া ছিল।
ঐ চেক এখন কোথায়??
হয়তো আকলিমার কাছেই আছে!!
রিদি চুড়ান্ত অবাক হয়ে বলল,
কিন্তু নানা নানু তো!!!
ওরা নেই!ওদের সন্তানরাও আজ পৃথিবীতে নেই। কিন্তু ওদের বাড়ি এখনো আছে!আয় আমার সাথে।
এই নে আকলিমা আর আতাউর এর “মিঠাকুঞ্জ”এর চাবি।এর একটা চাবি তীরের কাছে আছে।
“মিঠাকুঞ্জ!!!”
আতাউর দিয়েছিল এই নাম!! তার এক জোড়া মিষ্টি মেয়ে ছিল তাই!

রাত তখন ১ টা বেজে ৯ মিনিট,
তীব্র নিবাসে নিজের রুমের লক খুলে রুমে ঢুকে তীব্র।সোজা ওয়াসরুম থেকে গোসল সেরে বেডরুমের দিকে তাকিয়ে দেখল বিছানা খালি পড়ে আছে।তীব্রর ভু কুঁচকে যায়।আবার বসার রুমে ফিরে এসে ল্যাপটপ অন করে রুমের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ঠাস করে ল্যাপটপ বন্ধ করে উঠে দাঁড়াই। রুম থেকে বেরিয়ে চৌধুরী নিবাসে প্রবেশ করে সোজা নাজমা চৌধুরীর রুমের কাছে এসে দাঁড়াই।
নাজমা চৌধুরীর রুম ভেতর থেকে লক করা। তীব্রর মেজাজ খারাপ হয়।জোরে জোরে দরজা টোকা দিয়ে বলল,
দাদি দরজা খুলো!ওপেন দ্যা ডোর!!
নাজমা চৌধুরী ঘুম গভীর না। তবে খানিকক্ষণ আগে ঘুমানোর কারনে একটু গভীর ঘুমেই মগ্ন ছিল।পাশেই গুটিশুটি মেরে ঘুমিয়ে আছে রিদি।কান্নার ফলে মুখটা ফুলে আছে।
এদিকে তীব্রর মেজাজ চটে আছে।চোখে মুখে একরাশ বিরক্তি নিয়ে আবারো দরজায় বারি দিল।
দাদি ওপেন দ্যা ডোর!!

নাজমা চৌধুরীর ঘুম ভেঙ্গে গেল জোরে কড়াঘাতের শব্দে।উঠে বসে তাকালো ঘড়ির দিকে।ঘড়িতে ১টা বেজে ১৪ মিনিট।নাজমা চৌধুরী উঠে গিয়ে দরজা খুলতেই দেখে তীব্র দাঁড়িয়ে আছে। তাঁকে দেখেই কটমট করে বলল,
তোমার নামে মামলা করবো থানাই!! সবসময় তোমার আমার বৌ নিয়ে এতো টানাটানি কিসের।
নাজমা চৌধুরী হতভম্ব হয়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে কিছু বলবে তার আগেই করিডোর দিয়ে দৌড়ে তীব্রর সামনে হাজির হয় লাবিব।এদিক ওদিক না তাকিয়ে ফট করে বলল,
বস এই যে দাদির ঘরের চাবি। কিন্তু বস দাদির রুমে চুরি করার মতো কি আছে?
তীব্র রেগে কটমট করে বলল,
সাট আপ ইডিয়ট! তোকে বললাম আমি চুরি করব?
নাজমা চৌধুরী দুইজনের কথায় ভু কুঁচকে তাকাল।লাবিব মাথা চুলকে ক্যাবলা হেসে একবার তীব্র আর একবার নাজমা চৌধুরীর দিকে তাকিয়ে বলল,
সরি বস!ভুল করে ভুল হয়ে গেছে!
তীব্র আবারো কিছু বলার আগেই নাজমা চৌধুরী বিরক্তি প্রকাশ করে বলল,
কি সমস্যা?এতো রাতে এখানে কি করছিস?আর কিসের মামলা করবি?
তীব্রও একরাশ বিরক্তি প্রকাশ করে বলল,
আমার বৌ দাও!!

নাজমা চৌধুরী অবাক হলেন না।সে জানে এমনটাই হবে। তীব্র ঠিক এসে এখানে হাঙ্গামা করবে।বৌ চাই!বৌ চাই! বলে।এতো রাত অব্দি মেয়েটাকে একা তীব্র নিবাসে যেতে দেননি!চৌধুরী নিবাসে থাকলেও সেটা আলাদা ব্যাপার।যদিও কড়া সিকিউরিটি আছে চারদিকে। তবুও মেয়েটা তো একা থাকবে। তাই নাজমা চৌধুরী রিদিকে জোর পূর্বক নিজের কাছে রেখেছে।তাছাড়া সে আজকে অতীতের অনেকটা আজানা পাতা পড়েছে।মায়ের জীবন সম্পর্কে জেনেছে।মা তো!মায়ের কষ্টটা অনুভব করেছে।শেষ প্রান্তে এসে মেয়েটার কান্নায় সেও দূবল হয়ে পড়েছে।জীবনটা এক অদ্ভুত খেলা।যা আমরা কখনো কল্পনাও করিনা সেটাই হয়।নাজমা চৌধুরী ফোঁস করে একটা নিঃশ্বাস ফেলে বললো,
ও ঘুমাচ্ছে!এতো লেট করে তুমি ফিরেছো কেন? তাছাড়া বাধ্য হয়েই তোমার বৌ নিয়ে টানাটানি করতে হয়!
সিকিউরিটি বাড়িয়ে দিয়েছি!

নাজমা চৌধুরী হতাশ হলেন।এই ছেলে এতোটা জেদি কেন?কোনো কিছু একবার না করলে সেটা হ্যাঁ বলানো যেন যুদ্ধ করা।তিনি চান তীব্র চৌধুরী নিবাসেই থাকুক তবে এই ছেলেকে মানানো ভীষণ কঠিন।
ভালো করেছো। এবার যাও ও ঘুমাচ্ছে!
যাও মানে?আমি ঘুমাবো!!ওকে দাও!
তো যাও তুমি ঘুমাও!রিদু আজ আমার সাথে ঘুমাবে!
না!!ঐটা আমার বৌ ও আমার সাথে ঘুমাবে!
নাজমা চৌধুরীও এবার নাতির মতো জেদ ধরে বলল,
ও আমার নাত বৌ ও আমার সাথে ঘুমাবে!
আমার বৌ আমাকে দাও!
দিব না!!
উঠিয়ে নিয়ে যাব বললাম!
আমিও আছি এখানেই!

নাজমা চৌধুরীর পাশেই মিহির রুম।মিহি তীব্র কে জমের মতোই ভয় পায়।যদিও তারা কাজিন।তবে কেন যেন তীব্রর গম্ভীর মুখখানা দেখলে মনে হয় এখুনি এসে জান কবজ করবে।মিহি এতোক্ষণ দরজার আড়াল থেকে তীব্র কে এমন তর্ক করতে দেখলেও এবার সে বেরিয়ে আসে।ভয়েই অবশ্য লুকিয়ে ছিল দরজার ওখানে।মিহি এদের ঝরগা দেখে আনমনেই এসে দাঁড়াই লাবিবের পাশে ।লাবিব তখন মনোযোগ সহকারে তর্ক দেখতে ব্যস্ত। তীব্র চৌধুরীও নাকি এমন বাচ্চামো তর্ক করছে!! এটাই লাবিব মনোযোগ সহকারে দেখছে।এমন দৃশ্য তো ভাগ্যক্রমে দেখা যায়। তবে তীব্রর ধৈর্য বেড়েছে!নয়তো বস এভাবে এতো সময় ধরে দাঁড়িয়ে কথা বার্তা বলার মানুষ না।আর নাজমা চৌধুরীও যেন কঠিন জেদ ধরেছে আজ সে কিছুতেই তীব্র কে ভেতরে ঢুকতে দিবে না।এতে দাদি নাতির মাঝে যুদ্ধ হলে হোক।তিনি যেন প্রস্তুত!

শুনেছি তীব্র চৌধুরী কথা কম কাজ বেশি করে। সত্যি??
মিহির কথায় লাবিব আনমনেই বলল,
সত্যি মানে তিন সত্যি!বৌয়ের ব্যাপার ছাড়া সব ব্যাপারেই বসের ধৈর্য্য শূন্যের কোঠায়।কথাটা বলে পাশে তাকাতেই চমকে উঠে বলল,
একি আপনি??
ভয় পাচ্ছেন কেন?আমি কি কোন ভুত নাকি!
না মানে!আসলে……
বলেন তো কে জিতবে?
মিহির কথায় লাবিব অবাক হয়ে বলল,
বস বৌ ছাড়া ঘুমাতে পারে না। তাই অবিয়েসলি বস জিতবে!!
হাউ রোমান্টিক!!!

লাবিব ভূ কুঁচকে তাকাল মিহির দিকে।দেখতে শুনতে মন্দ না।সে খেয়াল করেছে মিহি তাকে দেখলেই কথা বলতে এগিয়ে আসে।ব্যাপারখানা কি??তবে কোন প্রশ্ন করল না।আফটার অল বসের কাজিন।তাও ডক্টর।লাবিব মিহির দিক থেকে চোখ ফিরিয়ে আবারো বসের দিকে তাকালো।এখনো দুইজনের মিনি ফাইট চলছে। তীব্র এবার জোরে জোরে ডাকল,
এই বৌ!!এই বৌ!! জান!!কলিজা!!বের হন!!এই বুড়ি আপনাকে আমার কাছে থেকে আলাদা করতে চাই!!
ও বৌ!!ও বৌ!!!
নাজমা চৌধুরী এবার রেগে বলল,
চেঁচামেচি করে লাভ নেই!আগে বল তুমি রিদি কে এখানে আসতে কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি করবে না।
তীব্র চরম বিরক্তি প্রকাশ করে বলল,
যেন আমি বললে ওনি শুনবেন!!
তার মানে বলছো তুমিও এখানে থাকবে!
অপশন আছে আর কোন!আজ শুধু দাদু থাকলে আমিও এর প্রতিশোধ নিতাম।বুড়া গেছে তো গেছে এমন জল্লাদ বুড়ি রেখে গেছে!

নাজমা চৌধুরী ঠোঁট চেপে হাসলো। ছোটবেলার সেই হাস্যোজ্জ্বল তীব্রর সাথে একটু একটু মিল খুঁজে পেল আজ। ছোট থাকতে তীব্র যখন জেদ করে খাবার খেতে চাইতো না তখন তিনি তার ফেবারিট কিছু তার কাছে এনে এমন ভাবেই বাধ্য করে খাইয়ে দিতেন। আর তীব্র তখন রেগে মেগে দাদুর কাছে নালিশ করতে যেত।
তীব্র আর অপেক্ষা না করে সোজা নাজমা চৌধুরীর রুমে ঢুকে রিদিকে পাজকোলে তুলে নিল।রিদি তখনো গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন।তীব্রর বুকের উষ্ণতায় আরো মিশে গেল বুকের মাঝে। তীব্র কয়েকপলক তাকিয়ে দেখল বৌ কে। চোখের পানি শুকিয়ে দাগ হয়ে আছে দেখে তার ভূ কুঁচকে গেল।কটমট করে নাজমা চৌধুরীর উদ্দেশ্য বলল,
আমার বৌ কে কাঁদিয়েছ কেন??
নাজমা চৌধুরী তীব্রর কথায় হচকচিয়ে গেলেও নিজেকে সামলে বলল,
দিয়ার অতীত জেনেছে তাই!!ওর জানার অধিকার আছে।

আপনাতেই আমি সিজন ২ পর্ব ৬৫

তীব্র কিছু বলল না।হনহন পায়ে বেরিয়ে গেল রুম থেকে।নিজের রুমের সামনে এসে লক খুলে রুমে ঢুকে রিদিকে বেডে শুইয়ে দিয়ে একটু উঠতেই রিদি ঘুমের ঘোরেই তীব্র কে জরিয়ে ধরলো।বিরবির করে কিছু বলে আবারো গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে গেল। তীব্র রিদিকে সোজা করে শুইয়ে কোলবালিশ এর মতো পেঁচিয়ে ধরে গলার ভাজে মুখ গুঁজে দিল। হ্যাঁ এইতো এখন শান্তি লাগছে!সব অশান্তি অবসান এখানে।শুধু একটু ছোঁয়া।
তীব্র খানিকক্ষণ পর মুখ তুলে রিদির ফোলা ফোলা মুখটা দুহাতে ধরে আলতো করে চুমু এঁকে দিল কপালে।
“আপনার অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ সবটাই আমিময় জান। আপনার শুরুতেও আমি,শেষেও আমিই”

আপনাতেই আমি সিজন ২ পর্ব ৬৬