Home দাহশয্যা দাহশয্যা পর্ব ৪

দাহশয্যা পর্ব ৪

দাহশয্যা পর্ব ৪
Raiha Zubair Ripti

সন্ধ্যার আলো ম্রিয়মাণ, রক্তিম আভা ছড়িয়ে পড়ছে আকাশের বুক জুড়ে। গোধূলির আলোয় ঢেকে যাচ্ছে দিনশেষের ক্লান্তি, যেন প্রকৃতি ধীরে ধীরে রাতের আঁধারে নিজেকে সমর্পণ করছে। বাতাসে এক ধরনের বিষণ্ণতা, এক ধরনের গোধূলি সঙ্গীত বাজছে নিঃশব্দে।
নদীর ধারে বসে থাকা একাকী মানুষটির চোখে হয়তো আজ কিছু প্রশ্ন জমে আছে। কিছু স্মৃতি, কিছু অতৃপ্তি, কিছু হারিয়ে যাওয়া সময় সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত আবেশ ছড়িয়ে পড়ছে তার মনোজগতে। হয়তো কোনো অপেক্ষার গল্প, কিংবা হারিয়ে যাওয়া কারো স্মৃতির ভার, অথবা কেবলই এই সন্ধ্যার নরম আলো তাকে নস্টালজিয়ায় ভাসিয়ে নিয়ে গেছে।

শহরের রাস্তায় বাতিগুলো জ্বলে উঠছে একে একে। দোকানপাটের ঝাপসা আলোগুলো জেগে উঠলেও সন্ধ্যার আবহ এখনো গাঢ়। পাখিরা নীড়ে ফিরছে, বাচ্চারা খেলা থামিয়ে বাড়ির পথে হাঁটছে, আর কেউ কেউ এই সময়টাকে নিজের মতো করে উপভোগ করছে হয়তো একটা পুরোনো বইয়ের পাতায় চোখ রেখে, কিংবা এক কাপ গরম চায়ে চুমুক দিয়ে।

মহাখালীর রাস্তার পাশ ঘেঁষে হাঁটছে ২৫ বছরের এক যুবক। হাতে তার চাকরির ফাইল। অর্থ উপার্জনের জন্য শহরে এসেছিল চাকরির সন্ধ্যানে অথচ টাকা আর লোক ছাড়া এ দেশে চাকরি পাওয়া যেনো বিভীষিকাময় দূর্বিষহ । মাথার উপর বাবার ছায়া ছাড়া যে পৃথিবীতে বাঁচা খুব একটা সহজ নয় তা পদে পদে টের পাচ্ছে এই যুবক। আগে কখনও ভাবে নি এমনও দিন আসবে তার যে চাকরির জন্য এর ওর কাছে দৌড়াদৌড়ি করতে হবে। কি সুন্দর ছিলো সেই মূহুর্ত গুলো যখন সংসার সামলানোর কোন চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খেতো না। মনের সুখে পড়াশোনা বন্ধুবান্ধব আর গান নিয়ে তার কাটতো সময়। এই পুরুষটির অবশ্য এক ছাত্রী ছিলো। নাম তার মেহরিন। প্রায় সময় সেই মিষ্টি মেয়েটাকে গান শিখাতো। বড্ড মিস করছে সেই দিনগুলো। বাবা মা’রা গেছে বছর এক হলো। আর তাতেই বাস্তবতা কত কঠিন তা দোরগোড়ায় এসে কড়া নেড়ে জানান দিলো।
তপ্ত শ্বাস ফেলে ক্লান্ত দেহ টেনে মেসের দিকে পা বাড়াতেই পকেটে থাকা যান্ত্রিক মুঠোফোন টা শব্দ করে বেজে উঠলো। ইচ্ছে না থাকা স্বত্তেও ফোন টা বের করতেই দেখলো ঊর্মির ফোন। রিসিভ করলো।

-“ হ্যালো ভাইয়া।
ইমন পাশে থাকা একটা বেঞ্চে বসলো।
-“ হ্যাঁ বল ঊর্মি।
-“ ভাইয়া কেমন আছিস?
ইমনের খুব বলতে ইচ্ছে করলো — ভালো নেই আমি তোদের ছাড়া এই অচেনা শহরে। কিন্তু বলতে পারলো না। পুরুষ মানুষের বলতে নেই যে এসব।

-“ এই তো আছি ভালো। তোরা কেমন আছিস?
-“ আছি ভালো।
-“ মা কি করছে?
-“ রান্না করতেছে।
-“ কি রাঁধে?
-“ বাড়ির পেছন থেকে কচু শাক তুলেছিলো সেটাই জাটকা মাছ দিয়ে ভেঙে রাঁধবে।
-“ ইলিশ মাছ নেই?
-“ না। তোর চাকরি কি হলো ভাইয়া?
-“ চেষ্টা করছি।
-“ আচ্ছা এখন কোথায় তুই?
-“ বাসায় ফিরছি।
-“ খেয়েছিস কিছু সারাদিন?
ইমনের মনে পড়লো গতকাল রাতে একটা দশটাকা দিয়ে পাউরুটি কিনে খেয়েছিল। এরপর পানি ছাড়া পেটে আর কিছুই পড়ে নি।

-“ হুমম খেয়েছি। আচ্ছা রাখছি এখন। পরে ফোন দিব নি।
ইমন সেই মহাখালী থেকে মালিবাগ অব্দি পায়ে হেঁটে মেসে ফিরলো। মালিবাগ শহরে এসেছে আজ দু মাস হলো। ১০ হাজার টাকা নিয়ে এসেছিলো এই শহরে অথচ আজ তার কাছে আছে মাত্র ২০০ টাকার একটা নোট। এই ২০০ টাকা দিয়ে কয়দিন চলতে পারবে সে, তা জানা নেই৷ রাতে আর ইচ্ছে করলো না এই ২০০ টাকা ভেঙে খাবার খেতে। সেজন্য পানি খেয়ে শুয়ে পড়লো। আবার কাল ছুটতে হবে চাকরির সন্ধানে। না জানি আর কতদিন ছুটবে এই চাকরির পেছনে।
পরের দিন দুপুরে আফিয়া সুলতান আসলেন মেহরিন দের বাড়ি। মেহরিন তখন উঠানে বসে নারকেল ছুলছিল। আফিয়া সুলতান কে মেহরিন খেয়াল করে নি। আফিয়া সুলতান ভেতরে চলে গেলেন একবার মেহরিনের দিকে তাকিয়ে।
মেহরিন নারিকেল টা ছুলে ফাটানোর জন্য উদ্যত হলে সেরিন এসে মেহরিনের হাত ধরে বসা থেকে উঠিয়ে বলল-

-“ তোর শাশুড়ি এসেছে আর তুই এখনও বসে আছিস এখানে। চল ডাকছে তোকে।
মেহরিন ভরকে গেলো। তার শাশুড়ি এসেছে? আচ্ছা উনিও কি এসেছে?
সেরিন বাহিরে কলপাড় থেকে মেহরিন কে হাত ধুয়ে আসতে বলল। মেহরিন হাত, পা,মুখ ধুয়ে আসতেই সেরিন তাকে নিয়ে মায়ের ঘরে গেলো। চোখ পড়লো ভদ্রমহিলা কে মেহরিনের। কালো বোরকা পরিহিত ভদ্রমহিলার মুখ থেকে নেকাব সরানো। মেহরিন কে দেখতেই তার মুখে হাসি ফুটলো। ইশারায় পাশে বসাতে বলল। সেরিন বোন কে বসিয়ে দিলো। আফিয়া সুলতান মেহরিন দের বাসায় এসেছে মেহরিনের জন্য কিছু গয়না নিয়ে। এগুলোর দাবিদার একমাত্র সোলেমানের বউ। গয়না গুলো সাইড ব্যাগ থেকে বের করে মেহরিনের সামনে ধরে বলল-

-“ এসব তোমার শাশুড়ির। এসব তোমারই প্রাপ্য। এই গয়না গুলো পড়িও বিয়েতে কেমন?
মেহরিন বাধ্য মেয়ের মতো মাথা ডানে কাত করলো। আর কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলে ভদ্রমহিলা চলে গেলেন। সেরিন মেহরিনের হাত থেকে গয়না গুলো নিয়ে উল্টেপাল্টে দেখলো। বেশ ভারি গয়না এগুলো। অনেক স্বর্ণ আছে।
সন্ধ্যার দিকে সেরিনের স্বামী অনিক আসলো এ বাড়িতে। বউ তাহার আজ এক সপ্তাহ হলো বাপের বাড়ি। সেজন্য বউকে তার দেখতে আসা। বাড়ির উঠোনে আসতেই একমাত্র শালি মেহরিনের সাথে তার সাক্ষাৎ হলো। আগেই শুনেছে তার শালি সাহেবার বিয়ে ঠিক হয়েছে। শালি সাহেবাকে একটু রাগানোর জন্য এগিয়ে গেলো।

-“ কি ব্যপার মেহরিন শুনলাম তোমার বিয়ে সামনে।
মেহরিন দুলা ভাইয়ের গলার আওয়াজ শুনে চকিতে ঘাড় ঘুরালো। খুশিতে আত্মহারা হয়ে বলল-
-“ ভাই আপনি!
-“ হ্যাঁ আমিই। বউটাকে তো রেখে দিয়েছো। তাকে ছাড়া যে আমার এক মূহুর্ত ও চলে না। সেটা কি ভুলে যাও?
-“ চলেন ভেতরে।
সেরিন অনিক কে দেখে অবাক হলো। দুপুরে ফোনে তার কথা হলো। কই তখন তো বলে নি সে আসবে। সানজিদা বেগম মেয়ের জামাই আসায় ফের মাংস চরালেন চুলোয়। খুব একটা ভালো তরকারি রাঁধে নি রাতের জন্য। সেসব জামাইয়ের পাতে আর দেওয়া তো যায় না।

রাত নয়টার দিকে মোতালেব ভুঁইয়া বাড়ি ফিরলেন। জামাই মেয়েদের সাথে নিয়ে রাতের খাবার খেয়ে উঠানে পাটি বিছিয়ে বসলেন। মূলত মেহরিনের বিয়ের বিষয় নিয়ে কথা বলছেন। অনিক কে খোঁজ খবর নিতে বলেছিল ছেলের সম্পর্কে যার সাথে মেহরিনের বিয়ে হতে যাচ্ছে। অনিক সেজন্যই আজ এসেছে। অনিক খোঁজ খবর নিয়ে যা জানতে পারলো সেসব শ্বশুর কে জানালো। ছেলে বেশ ভালোই,এমপি.বেশ নাম ডাক আছে রাজনীতি তে। শুধু একটাই সমস্যা সেটা হলো ছেলে গ্রামের বাড়িতে আসে না। ঢাকায় থাকে ছোট চাচার সাথে। মোতালেব ভুঁইয়া চিন্তায় পড়ে গেলেন। বোনের জোরাজোরি তে তো রাজি হলো। বিয়ের পর ছেলে কি তার মেয়েকে ঢাকায় নিয়ে যাবে?

সারা রাত আর দু চোখের পাতা এক করতে পারলো না মোতালেব ভুঁইয়া।
ভোরের দিকে অনিক চলে গেলো। দুপুরে ঊর্মি আসলো মেহরিন দের বাড়ি। মেহরিন ঊর্মিকে সব দেখালো তার শ্বশুর বাড়ি থেকে তার জন্য কি কি নিয়ে এসেছিল তার শাশুড়ি। ঊর্মি দেখলো সব। মেহরিন সব ঊর্মির শরীরে দিয়ে দেখলো কেমন লাগে তার ঊর্মি মালাকে। ঊর্মির শরীরে কেমন যেনো এই গয়না গুলো বিঁধল। তড়িঘড়ি করে শরীর থেকে গয়না গুলো খুলে ফেললো। মেহরিন কারন জিজ্ঞেস করলে ঊর্মি জানালো অস্বস্তি হচ্ছিলো এত ভারি গয়নায়। আসলে তাই হচ্ছিল ঊর্মির। মেহরিন ঊর্মিকে নিয়ে ছাঁদে চলে গেলো। ঊর্মি আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। মেহরিন জিজ্ঞেস করলো-

-“ চাচি বকেছে?
-“ উঁহু।
-“ তাহলে?
-“ ভাইকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে। ভাইয়া বোধহয় ভালো নেই ঐ শহরে। মুখ ফুটে হয়তো বলছে না আমাদের। কিন্তু ভাইয়ের কন্ঠ শুনলে বুঝতে পারি। কিভাবে চলছে কে জানে। টাকা পয়সা তো এতোদিনে শেষ হয়ে যাওয়ার কথা।
-“ মন খারাপ করিস না। সব ঠিক হয়ে যাবে।
-“ সেই স্বপ্ন ই দেখে চলছি গত এক বছর ধরে। অথচ কিছুই ঠিক হচ্ছে না মেহু।
-” আরেক টু ভরসা রাখ আল্লাহর উপর। আর শোন একটা সুখবর আছে তোর জন্য।
-” কি?
-” আমরা ঢাকায় যাচ্ছি। যাবি তুই? আম্মাকে আমি বলেছি তোকে নিয়ে যাব। আম্মা রাজি হয়েছে।
-” সত্যি! কিন্তু আমার আম্মা কি আমায় যেতে দিবে?
-” আরে দিবে বলবি ইমন ভাইয়ের সাথে দেখা করবি।
-” সত্যি দেখা করবো?
-” হু। কাছে থাকলে দেখা করিয়ে দিব।
-” আচ্ছা আমি আম্মা কে রাজি করাতে গেলাম মেহু।

রাস্তা ঘাটে আজকাল অনেক প্রেমিক প্রেমিকা দেখা যায়। শহর এলাকার রাস্তাঘাট বোধহয় এসব প্রেমিক প্রেমিকার জন্য ই বানানো হয়েছে। গাড়ির জানালা দিয়ে একবার বাহিরে তাকিয়ে সেটাই দেখলো সোলেমান। এক ছেলে একটা মেয়েকে রাস্তার মাঝে হাঁটু গেড়ে বসে প্রপোজ করছে। চারদিকে গাড়ি গুলো থেমে গেছে। সোলেমানের কপালে রাগ স্পষ্ট হলো। রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ কই? ঐ ছেলেমেয়ে দুটো কে ইচ্ছে করলো চ’ড়িয়ে দাঁ’ত ফেলিয়ে এই জ্যামে থাকা গাড়ি গুলো দেখাতে। ইয়াসিন কে উদ্দেশ্য করে বলল-
-” সংসদে গিয়ে বকবক করে বিল পাশ করিয়ে রাস্তা ঘাট বানাই কি রাস্তার মাঝে এসব রোমিও জুলিয়েটের প্রেম ভালোবাসা দেখার জন্য ইয়াসিন?
ইয়াসিন ভরকে গেলো। ভীরু চোখে বলল-

-” ন..না ভাই।
-” তাহলে গাড়িতে বসে আছিস কেনো এখনও?
ইয়াসিন সাথে সাথে গাড়ি থেকে বের হয়ে বলল-
-” এখন কি করমু ভাই?
-” এক্ষুনি চ’ড়িয়ে এই দুটোকে রাস্তার সামনে থেকে সরানোর ব্যবস্থা করবি। আমি গাড়ি থেকে বের হলে এদের প্রেম ভালোবাসা কিন্তু ছুটায় দিব। সাথে তোকেও দেখে নিব। করোনায় এত মানুষ ম’রলো। এরকম দু চারটে রোমিও জুলিয়েট ছাপড়ি রা মরতে পারলো না?
ইয়াসিন সোলেমানের আদেশ মোতাবেক ছেলে মেয়ে দুটোর সামনে গিয়ে নিজেকে শক্ত করে ধমক দিয়ে বলল-

-“ এই ছেলেমেয়ে প্রপোজ করার জন্য আর জায়গা পাও নি পৃথিবীতে? নর্দমায় গিয়ে প্রপোজ করো,বনজঙ্গলে গিয়ে করো, প্লেনের পাখায় বসে করো সমস্যা নেই আমাদের। তবে এখন এই মুহূর্তে রাস্তার মাঝ থেকে সরো বলছি। পেছনে তাকিয়ে দেখেছো কতবড় লাইন লেগে গেছে গাড়ির। এই মহামারির ভেতরও তোমাদের প্রেম পিরিত এভাবে উপচে পড়ছে কেনো রাস্তা ঘাটে? করোনা তোমাদের চোখে দেখে না নাকি?
ছেলেটা উল্টো ইয়াসিন কে অপেক্ষা করিয়ে বলল-

-“ জাস্ট ফাইভ অ্যা মিনিট ব্রো। ও ফুল টা নিয়ে নিলেই আমি সরে যাব রাস্তা থেকে।
ইয়াসিনের ইগো তে বাঁধলো। ইয়াসিন কে অপেক্ষা করতে বলছে ছেলে! চিনে এই ছেলে ইয়াসিন কে হু? সাহস কত বড়। সহসা ছেলেটার হাত থেকে ফুলটা কেড়ে নিয়ে মেয়েটার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল-
-“ নকশা করার জন্য রাস্তার সাইডে জায়গা আছে যাও সাইডে যাও যত্তসব।
ছেলেটা তেড়ে উঠলো। কতবর সাহস এই লোকটা তার গার্লফ্রেন্ড কে ফুল দিলো!
-” এই মিয়া আপনি আমার গার্লফ্রেন্ড কে ফুল দিলেন কেনো আপনার হাত দিয়ে হু?
-“ তাহলে কি আমার ঠোঁট খানা দিয়ে তোর গার্লফ্রেন্ডের গালে চুমু একে দিব? যদি চাস তাহলে বল আমি রাজি আছি। ক্লোজআপ দিয়ে দাঁত মেজে এসেছি। দিব চুমু?

দাহশয্যা পর্ব ৩

ছেলেটা তেড়ে আসতে চাইলে মেয়েটা ছেলেটার হাত টেনে নিয়ে যায়। ছেলেটা ইয়াসিন কে বকতে বকতে চলে গেলো। তপ্ত শ্বাস ফেললো ইয়াসিন। কি দিনকাল এসে পড়লো। বেলেহাজ ছেলে পেলে গুলো রাস্তা ঘাটে মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি করে বিন্দাসে রঙ্গলীলা করে চলছে। অথচ ইয়াসিনের জীবনে প্রেম পিরিতের দেখা নাই। শা’লার মন্দার কপাল। বিরবির করে বলল। তারপর মনে পড়লো সোলেমানের কথা। ভাই বলছে প্রেম পিরিতের চক্করে না পড়তে। নিজেকে ঝাড়া দিয়ে মাথার চুল গুলো পেছনে ঠেলে দিয়ে ঐ ছেলে মেয়ের উদ্দেশ্যে বলল- শিক্ষার অভাব আছে এদের বেয়াদব ছেলেপেলে। প্রেম পিরিত করে ছ্যা।

দাহশয্যা পর্ব ৫