Home দুইজনাতেই দুইজনাতেই পর্ব ৫

দুইজনাতেই পর্ব ৫

দুইজনাতেই পর্ব ৫
অলকানন্দা ঐন্দ্রি

হুবুহু দেখতে তার সাদা শাড়িটার মতোই যে শাড়িটা তার কাছে এসেছে তার সাথে ছোট্ট চিরকুটটায় খুব সুন্দর হাতের লেখাতেই লেখা,
“ নিন, ক্ষতিপূরণ। তবে আপনি আমার যে ক্ষতিটা করেছেন মিসেস দ্বিতীকা তাসনিম, তা আমি খুব রয়েসয়েই আপনার থেকে উশুল করব। সাক্ষ্য এহসান খুব সহজে ছাড় দেয় না। ”
দ্বিতী ভ্রু কুঁচকাল প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই। কি ক্ষতি করেছে? সাক্ষ্যর কোন ক্ষতি করেছে বলে তো তার মনে পড়ছে না।অথচ এই লোক লিখেছে সে ক্ষতি করেছে? কি ক্ষতি? দ্বিতী কপাল কুঁচকে তাকিয়ে থাকতেই ঠিক এর পরপরই আরেকটা লেখা চোখে পড়ল উল্টোপিঠে। আবারও লিখা,

“ শাড়িটা পরে সবাইকে মুগ্ধ করার কথা ভেবে থাকলে আপনার থেকে আমার ক্ষতিপূরণটা নিতে আমি দেরি করব না মিসেস সাক্ষ্য এহসান৷ বি কেয়ারফুল। যাকে মুগ্ধ করার তাকেই করবেন কেবল। অন্য কাউকে মুগ্ধ করার কথা ভুলেও চিন্তা করবেন না। ওকে? ”
এই লিখাটা পড়েই দ্বিতী সর্বপ্রথম মুখ ভেঙ্গাল। যাকে মুগ্ধ করার তাকেই মুগ্ধ করুন। কি সুন্দর কথা। দ্বিতী তো ঐ নাক উঁচু লোককে মুগ্ধ করতেই শাড়ি পরেছিল। লাভ কি হলো? তাকিয়েছিল ঐ লোক? তাকায়নি তো। দ্বিতী শাড়ি চিরকুট দুটোই একপাশে জমিয়ে রাখল। বেশকিছুটা সময় পায়চারি করে অবশেষে সিদ্ধান্ত নিল শাড়ি সে রাখবে না। ফেরত দিয়ে আসবে। যে লোক তাকে স্ত্রী হিসেবে দুটো ভালো কথা বলর তার থেকে আবার কিসের ক্ষতিপূরণ নিবে? এতই যদি দেওয়ার হতে নিজে এসে দিতে পারত না? এভাবে পাঠাতে হলো কেন? এইটুকু ভেবেই দ্বিতী সর্বপ্রথম কল দিল কথাকে। শান্তস্থির গলাতেই বলল,
“ কথা? তোর ভাইয়া বাসায় আছে এখন? ”
উত্তর এল,

“ এখন তো নেই। কেন দ্বিতী? কোন দরকার? ”
“ না না! তোদের বাসায় আসব তাই। উনি থাকলে যেতাম না আরকি। ”
কথা হেসে উঠল। দ্বিতী আর কথা দুইজনই কলেজজীবন অব্দি একই সঙ্গে পড়েছে। দুইজনেরই বন্ধুত্ব ছিল বেশ গলায় গলায় ভাবের মতো। এখনো আছে। তবে দ্বিতী তখন ও কল করে জেনে নিত সাক্ষ্য আছে কিনা। আর আছে জানলেই কোন না কোন কিছুর অযুহাতে বাসায় আসত। লুকিয়ে চুরিয়ে কথার রুম থেকেই সাক্ষ্যকে দেখত আর বুক ঢিপঢিপ করা রোগ নিয়ে কথাকে বলত,“ আমি তো ফেঁসে গেলাম রে কথা! খুব কঠিন জালে ফেঁসে গেলাম। ”
কথার ঐটুকু ভেবেই হাসি এল। উত্তর দিল,
“ আচ্ছা আয়, বড় ভাইয়া নেই এখন। ”

দ্বিতী শুনল। মনে মনে সবটা ভেবে নিয়ে নিজেও একটা চিরকুট লিখল। তারপরই মাথায় ওড়না ছাপিয়ে বেরও হলো। অতঃপর প্রায় পনেরো কি বিশ মিনিট পর রিক্সায় করে সাক্ষ্যদের বাসায় পৌঁছাল। সাজিয়া বেগম দ্বিতীকে দেখে বেশ খুশিই হলেন যেন। কতবার এটা ওটা খেতে বললেন। অথচ দ্বিতী কেবল সুযোগ খুঁজছিল। চুপচাপ সাক্ষ্যর রুমে গিয়ে শাড়ির প্যাকেটটক রেখে চলে আসবে এইটুকুই। তারপর বাসায়ও চলে যাব। কাহিনী সিম্পল! অথচ দ্বিতীর ভাবনা অনুযায়ী কাহিনী এইটুকুতেই শেষ হলো না। যখন সুযোগ পাওয়া মাত্র চুপচাপ সাক্ষ্যর রুমে ডুকে শাড়ির ব্যাগটা রাখবে আর রেখেই চলে আসবে ঠিক তখনই বারান্দার দরজায় হেলান দেওয়া মানুষটাকে চোখে পড়ল। মানুষটা সাক্ষ্য এহসান। দ্বিতীর চোখে অসহ্যকে পুরুষটি৷ ভ্রু জোড়া কুঁচকানো। দৃষ্টিটা ঠিক তার দিকেই। বোধহয় ভাবার চেষ্টা করছে। দ্বিতী এক মুহুর্তেই অপ্রস্তুত হলো। ভেবেছিল তো এই লোক বাসায় নেই। কথাও তো বলেছিল নেই। তাহলে? এল কোথায় থেকে? এতোটা সময় যে বাইরে বসে গল্পগুজব করছিল তখনও তো দেখতে পেল না।দ্বিতী মনে মনে আফসোস করে। ছিঃ ছিঃ! চোরের মতো ডুকছিল সে। সাক্ষ্য কি লক্ষ্য করেছে তা? অবশ্যই করেছে। তাই তো ওভাবে তাকিয়ে আছে। দ্বিতী মুহুর্তেই চট করে সোজা হয়ে দাঁড়াল। যেন হঠাৎই তার মধ্যে আত্মবিশ্বাসরা এসে জমা হয়েছে। গলায় তেজ দেখিয়ে বলল,

“ ওভাবে তাকিয়ে আছেন কেন? ”
সাক্ষ্য ভ্রু নাচিয়েই বলল,
“ সাক্ষ্য এহসানের রুমে মিসেস সাক্ষ্য এহসানই চোরের মতো ডুকছে। বিষয়টা তাকিয়ে দেখার মতো নয়? ”
“ চোরের মতো ডুকিনি আমি৷ আপনিই চোরের মতো রুমে পড়ে ছিলেন। আমি তো ভেবেছি আপনি ন..”
সাক্ষ্য ফের ভ্রু নাচাল। জিজ্ঞেস করল,
“ ভেবেছিলেন আমি? কি? ”
“ কিছু নয়। আপনার শাড়ি আপনি রাখুন। আমার লাগবে না। ”
এইটুকু বলেই শাড়ির ব্যাগটা এগিয়ে ধরতেই সাক্ষ্য কপাল কুঁচকাল। গম্ভীর কন্ঠে বলে,
“ আপনার না লাগলে কি আমার লাগবে এটা? ”
দ্বিতী মুখ কুঁচকায়। উত্তর দিল,
“ আপনার কি মানুষের অভাব আছে নাকি? কেউ একজনকে দিয়ে দিবেন। কাহিনী শেষ। ”
সাক্ষ্য তাকায়। দ্বিতী মেয়েটার বাচ্চামো দেখে তার মাঝেমাঝে ইচ্ছে হয় এই মেয়েকে সত্যিই সোজা করে ফেলতে। আবার মনে হয়, এই মেয়ে যে মানুষ দেখা গেল সোজা হওয়ার বদলে দ্বিগুণ বেঁকে বসেছে। সাক্ষ্য ভ্রু নাচিয়ে প্রশ্ন করল,

“ ভেবেচিন্তে বলছেন মিসেস দ্বিতীকা তাসনিম? ”
“ অবশ্যই। ”
” শিওর যে অন্য কাউকে দিয়ে দিই এটাই চান? ”
দ্বিতী সরু চোখে চাইল। বাহ! বলার আগেই দেওয়ার মানুষ হাজির। বাহ! উত্তরে বলল,
“ আপনার যে দেওয়ার মানুষ আছে তা আমার জানা আছে স্যার। দিয়ে দিন। দ্বিতী এমন কতশত জিনিসই দান করে। ”
সাক্ষ্য ঠোঁট এলিয়ে হাসল এবারে নিঃশব্দে। দ্বিতী চেয়ে দেখল। কি সুন্দর ঠোঁট এলিয়ে হাসাটা। যে হাসিটা দ্বারা স্পষ্টই বুঝা যায় সে দ্বিতীর কথাকে পাত্তা দিল না। অন্য সময় হলে নিজেকে নিয়ে এভাবে হাসার জন্য দ্বিতীর রাগ হতো। মুখচোখ লাল করত। অথচ আজ রাগ হলো না। প্রতিবারের মতে বুক চিনচিন করছে তার। কেমন এক অস্থিরতা বইল হৃদয়জুড়ে। দ্বিতী আড়চোখেই চেয়ে চেয়ে দেখল পুরুষটাকে। কালো রংয়ের টিশার্ট, টাউজার আর মাথার ঘন কালো চুল আর মুখের খোঁচা দাঁড়ি। এইটুকুতেই এই পুরুষটাকে এত চমৎকার লাগে কেন? বুক ঢিপঢিপ করে কেন? দ্বিতী এই প্রশ্নের উত্তর পায়। শিরদাঁড়া দিয়ে বয়ে যাওয়া শীতল এক অনুভূতিতে বিমূঢ় যখন তখনই সাক্ষ্য এগিয়ে তার দিকে ঝুকল। অতঃপর কানের কাছে বলল,

“ সব জিনিস দান করার ক্ষমতা থাকলেও সাক্ষ্য এহসানের দেওয়া জিনিস এবং সাক্ষ্য এহসানকে দান করার ক্ষমতা যে আপনার নেই তা আমি শিওর। তাই শুধু শুধুই ফাঁকা বুলি আওড়াবেন নাহ। ”
দ্বিতী এই মুহুর্তেই ছিটকে দূরে সরল। ত্যাড়া স্বরে জানাল,
“ কে বলল নেই? আমি সব পারি। ”
সাক্ষ্য ফের হাসল ঠোঁট এলিয়ে দ্বিতীর আড়ালেই। ভ্রু নাচিয়ে বলল,
“ রিয়েলি? ”
“ হ্যাঁ। আপনার শাড়ি আপনি নিন। আমার লাগবে না। ”
এইটুকু বলেই শাড়ির ব্যাগটা সাক্ষ্যর বিছানায় রেখেই যখন পা বাড়াতে নিল ঠিক তখনই সাক্ষ্য দ্বিতীর হাতটা টেনে ধরল। গম্ভীর গলায় বলল,
“ দাঁড়ান, সবসময় আপনি যা ভাববেন তাই হবে ভেবে থাকলে আপনি ভুল ম্যাডাম। সাক্ষ্য এহসানকে মন দিয়েছেন, প্রাণ দিয়েছেন! সাক্ষ্য এহসানের সঙ্গেই সংসার করতে চেয়েছেন অথচ সাক্ষ্য এহসানকেই এড়িয়ে চলে যাওয়ার সাহস করেন কিভাবে? ”
এইটুকু বলেই সাক্ষ্য দ্বিতীর হাতটায় হেঁচকা টান দিয়েই দ্বিতীকে নিয়ে এল একদম সামনে। অতঃপর ব্যাগটা থেকে সাদা শাড়িটা নিয়েই শাড়িটা মেলল।শাড়ির এক কোণা নিয়ে দ্বিতীর একদম কাছে দাঁড়িয়ে ভ্রু নাচিয়ে বলল,

“ আমার হাতেই পরতে চান? তাই এত রংবাহানা করছেন? প্রবলেম নেই, শাড়ি পরাতে না পারলেও আপনার জন্য চেষ্টাটুকু করতেই পারি। ”
এইটুকু বলেই সাক্ষ্য যখন ঝুঁকে শাড়ির কোণায় ধরে রাখা অংশটুকু দ্বিতীর পেটের দিকে নিতে লাগল তখনই দ্বিতী লাফিয়ে পিছাল। দ্রুতই বলল,
“এসব কি অভদ্রতা? ”
সাক্ষ্য নিঃশব্দে হাসে দ্বিতীর আড়ালেই। উত্তরে বলল,
“ এসব সাক্ষ্য এহসানের অধিকারবোধ ম্যাডাম। কেন? পছন্দ হচ্ছে না? ”
দ্বিতী আরো দুই কদম পিছিয়ে গেল। বলল,
“ কয়জনকে পরিয়েছেন এভাবে শাড়ি? নিশ্চয় অনেককে? তাই না? ”
“ পরালেও আপনার কি? ”
প্রশ্নটা করেই সাক্ষ্য আরেকটু এগোল। আরো এক কদম ফেলে দ্বিতীর আরো সামনে আসতে চাইল তখনই দ্বিতী বলে উঠল,

“ এগোবেন না। একটুও না। ”
দ্বিতীর মুখটা দেখার মতো। সাক্ষ্যর হাসি পাচ্ছে। অথচ হাসল না সে। ভ্রু বাঁকিয়ে বলল,
“ সাহসী মিসেস সাক্ষ্য এহসান এখন ভয় পাচ্ছে? ”
“ শাড়ি দিন। এদিকে দিন, নিচ্ছি আমি।”
এইটুকু বলেই একপ্রকার সাক্ষ্যর হাত থেকে ছিনিয়ে নিল শাড়িটা। এলোমেলো শাড়িটা ওভাবেই ব্যাগে ভরে পা ঘুরাল। অদ্ভুত! সাক্ষ্য এহসান মানুষটাই অদ্ভুত! জঘন্য। আরেকটু হলেই তো শাড়ি পরিয়ে দিত যেন।দ্বিতী যেতে যেতে শুধু বিড়বিড় করল,
“ এমন কেন? এই লোক এমন কেন? ভাবখানা এমন আমাকে চেনেই না, আবার কখনো কখনো ভাবখানা এমন বউ এর প্রতি কত তার অধিকার! ”

দ্বিতীর রাগটা এবার এসে জমল কথার উপরেই। কথাকে তো জিজ্ঞেস করে তারপরই এসেছিল। নির্ঘাত মিথ্যে বলেছে এই মেয়েটা। এইটুকু ভেবেই রাগ ফুসে কথার কাছে গিয়ে বলল,
“ এই বেয়াদব মহিলা, তোর ভাইয়া না বাসায় নাই বললি? আসল কোথা থেকে তাহলে? ”
কথা বোচারা বোকার মতো চেয়ে উত্তর করল,
“ ছিল না তো। তুই আসার একটু আগেই এসেছিল। কেন? কিছু বলেছে তোকে? ”
“ কি বলবে? ”
কথা ছোটশ্বাস ফেলে। দুইজনই কেমন যেন। বিয়ে করেছে, কোথায় দুইজনের মধ্যে একটা প্রেম প্রেম ভাব থাকবে। অথচ আছে ত্যাড়ামো। অবশ্য সে নিজেও এক ত্যাড়া মানুষকেই ভালোবাসে। সাম্য এহসান! যে কিনা কথাকে দুই চোখেই সহ্য করতে পারে না ঐ পুরুষটিকেই কথা মন দিয়েছে। আড়ালে আড়ালে ভালোওবেসে ফেলেছে বেশ জটিলভাবে। কথা এইটুকু ভেবেই ছোটশ্বাস ফেলে। দ্বিতীর হাতে শাড়ির প্যাকেটটা দেখে বলে,
“ এই কি! তুই শাড়ির ব্যাগটা নিয়ে ঘুরছিস কেন? জানিস কত খুঁজে ভাইয়া শাড়িটা বের করেছে। কতগুলো দোকান খুঁজলাম অথচ হুবুহু এই শাড়িটা পাচ্ছিলামই না। অবশেষে পেয়েছিলাম। ”
দ্বিতী এবানর চোখ কপালে তুলে বলল,
“ তুই ও ছিলিস এসবে? ”
“ কোনসবে? শুধু শাড়িই তো খুঁজে দিয়েছি ভাইয়ার সাথে গিয়ে। ”
দ্বিতী রাগই ফুঁসল শুধু। বলল,
“ ভালো করেছিস। ”

সাক্ষ্য রুম থেকে বের হলো একদম ভদ্র সভ্য ছেলের মতোই। যেন কিচ্ছু হয়নি, কিচ্ছু জানে না সে। এক পা দুই পা করে সোফায় গিয়ে বসে মাকে উদ্দেশ্য করে বলল,
“ আম্মু? আমার কফিটা দিলে না তো।”
সাক্ষ্যর মা কফি নিয়ে এল একটু পরই। ছেলেকে কফি দিতে দিতেই বললেন,
“ দ্বিতী এসেছে তো সাক্ষ্য।”
সাক্ষ্য যেন দ্বিতী নামের কাউকে চিনেই না এমন একপা ভান করল। ভ্রু নাচিয়ে বলল,
“ তো? ”
“ একটু তো কথা বল মেয়েটার সাথে। মেয়েটা তুই বলতে পাগল, অথচ তুই এমন একটা ভাব করিস যেন চিনিসই না ওকে। ”
সাক্ষ্যর মুখটা গম্ভীর। যেন দ্বিতী এসেছে সে জানেই না। অথচ একটু আগেও মেয়েটাকে একা পেয়ে একপ্রকার হেনস্থা করেছে। ঐটুকু ভেবেই হাসি পেল সাক্ষ্যর। কিন্তু হাসল না। ওভাবেই মুখভঙ্গি রেখে বলল,

দুইজনাতেই পর্ব ৪

” চিনলে কি কথা বলতে হবে? বান্ধবীর মেয়ে তো তোমার। বউ করার জন্য পাগল তো তুমি হয়েছিলে আম্মু। তুমিই তো মাথায় তুলে রেখে আড্ডা দিবে। আমি কেন দিব? ”
সাজিয়া আফরোজ ছেলের কথা শুনে হতাশ হলেন যেন। ছেলের মাথায় একটা থাপ্পড় মেরে মুহুর্তেই বললেন,
“ কারণ ও তোর বউ হয় গাঁধা। ”
সাক্ষ্য জানে না দ্বিতীকা তাসনিম তার বউ? খুব ভালোভাবেই জানে। অথচ উপরে উপরে গম্ভীর ভাব দেখিয়ে বলল,
“ তো? ”

দুইজনাতেই পর্ব ৬