সুখময় যন্ত্রণা তুমি পর্ব ১৩৪+১৩৫
neelarahman
সাদাফ নুরকে নিয়ে রুমে গিয়ে বিছানার কাছে আসতেই সাদাফের মোবাইল ফোন বেজে উঠলো ।নুরকে ধীরে ধীরে বিছানায় বসিয়ে বিরক্ত হয়ে পকেট থেকে ফোন বের করে দেখলো হুমায়ূন রহমানের ফোন।
ফোনের দিকে তাকিয়ে সাদাফ ভ্রু জোড়া কুচকালো।নুর মুচকি মুচকি হাসছে সাদাফের বিরক্তি ভরা চেহারা দেখে ।সাদাফ বললো,” কোথাও নড়বি না এখানে থাকবি ।দ্বারা কথা বলে নেই ।”
বলেই ফোনটা হাতে নিয়ে বেলকনিতে চলে গেল সাদাফ।নূরের সামনে বাবার সাথে এভাবে কথা বলা যাবে না যেভাবে সাদাফ সাধারনত বলে।
ফোন রিসিভ করতেই হুমায়ূন রহমান বললেন,” তোর জন্য কত কিছু করতে হচ্ছে ?মিথ্যা প্রেশারের নাটক বানিয়ে এখন শুয়ে থাকা লাগছে ।অথচ এসেছি বগুড়ায় একটু ঘুরতাম ফিরতাম তানা এখন সাতটার মধ্যে দেখ শুয়ে পড়তে হয়েছে কারণ আমি অসুস্থ।”
সাদাফ মুচকি হেসে বললো ,”তো এমন কি হয়েছে ? শুয়েই তো আছো।তোমাকে তো আর জগিং করতে বলিনি।আরামে শুয়ে আছো তাতেও সমস্যা?”
আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন
“ও আরাম করে শুয়ে আছি তাই না ?অসুস্থ রোগীর মত চুপচাপ পরে শুতে হচ্ছে ।না একটু হাঁটাচলা করতে পারছি না একটু কিছু করতে পারছি ।দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম আর তোর খুব হাসি পাচ্ছে?”বললো হুমায়ূন রহমান।
সাদাফ এবার সিরিয়াস হয়ে বললো,” আচ্ছা ঠিক আছে বাবা এবার ফোন রাখো ।আগামীকাল তো চলেই আসছো ছেলের জন্য না হয় দুইটা দিন একটু কষ্ট করলে ।কি এমন করেছ বলো শুনি? আমিও তোমার জন্য দুইদিন পরে পরে শুয়ে থাকবো ।খুশি এবার ?এবার ফোন রাখো আমার অনেক জরুরী কাজ আছে ।”
বলেই সাদাফ ফোন রেখে দিল ।ফোন রেখে মিটমিট করে হাসছে ।ওপাশে রিয়েকশন আর জানার ইচ্ছা নেই জানে এই মুহূর্তে বাবা শুধু বকাঝকা করবে ।সাদাফ মুড নষ্ট করতে চাইলো না ।ভিতরে তার নুরজাহান বেগম তার জন্য অপেক্ষা করছে দ্রুত ফোন সাইলেন্ট করে ভিতরে ঢুকলো সাদাফ।
এদিকে সন্ধ্যার নাস্তা শেষ করে আটটা নাগাদ উপরে চলে গেল সাইমন ।সাইমন উপরে যেতেই ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে হঠাৎ রুমে ঢুকলো রিমা ।সায়মন রিমা কে দেখে অবাক হয়ে এদিক ওদিক তাকিয়ে বললো,” তুই আমার রুমে কি করছিস কেন এসেছিস?”
রিমা অবাক হয়ে জানতে চাইলো ,”কি করছি মানে ?তুমি যখন আমার রুমে যেতে হঠাৎ হঠাৎ তখন কি কাউকে বলে যেতে ?জিজ্ঞেস করে যেতে ?তাহলে আমার কেন জিজ্ঞেস করে আসতে হবে তোমার রুমে ঢোকার জন্য?”
সায়মন চুপ করে রইলো ।সাইমন জানে রিমা মন খারাপ ।মেজাজ গরম হয়েছে ।সারাদিনও কোন খোঁজ খবর নেয়নি তাই সায়মন এদিক ওদিক তাকিয়ে বললো,” না মানে বড় আম্মু বা অন্য কেউ যদি দেখে ফেলে তাই বলেছি ।আচ্ছা বল কেমন আছিস ?কি করেছিস সারাদিন ?তুই তো চাস আমি যেন তোকে না জ্বা*লাই তাই আজকে জা*লাইনি।”
সাইমনের নরম কন্ঠে কথাগুলো শুনেই রিমার কেন যেন মন খারাপ হয়ে গেল ।কান্না কান্না পাচ্ছে রিমার অনেক কিন্তু কান্না করতে পারছে না ।মাথা নিচু করে চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলো। আসলেই পৃথিবীর নিয়মই এইটা প্রিয়জনের কাছ থেকে পাওয়া অবহেলা কেউ সহ্য করতে পারে না ।হোক সেটা এক মুহূর্ত বা একদিন ।রিমা ও যেন সহ্য করতে পারছে না ।যে ছেলে সারাদিন ওর পিছনে ঘুরঘুর করত সেই ছেলে সারাদিন ওর একটি খোঁজ নেয়নি এমন কি রিমা ফোন দিয়েছে সেই ফোন ব্যাক পর্যন্ত করেনি সাইমন।
সায়মন উঠে এসে রিমার সামনে দাঁড়ালো ।রিমা এখনো মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে ।এই প্রথম রিমা ঝগড়া নয় চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে ।সাইমন একটু মুচকি হাসলো ।হেসে বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে রিমার থুতনি টা একটু উপরের দিকে তুলে তাকিয়ে রইল রিমার দিকে ।রিমার চোখে পানি টলমল করছে যে কোন মুহূর্তেই নিচে পড়ে যাবে।
এদিকে রুমে ঢুকেই দেখল নূর বিছানা থেকে নামবে ঠিক এমন সময় তারাহুরো করে এসে আবার নূরকে ধরে বললো,” বিছানা থেকে নামা যাবে না নুরজাহান বেগম ।আপনার সেলিম এখন প্রস্তুত ।সব ঝামেলা মিটিয়ে এসেছি ।”
বলেই পকেট থেকে ফোনটা বের করে দেখালো ফোন সাইলেন্ট করে রাখা হয়েছে ।তারপর বললো,”প্রয়োজন হলে অফ করে রাখবো।তবুও নুরজাহান বেগমকে আজকে বিছানা থেকে নামতে দেব না ।”
বলেই যেই নূরকে ধরতে যাবে অমনি নুর বলে বসলো,” সরে থাকুন বলছি ।না হলে আমি আমার বাবা দের বলে দিব। নালিশ করবে আপনার নামে।”
সাদাফ মুচকি হেসে সাথে সাথে নুরের শাড়ির আঁচল ধরে টান দিয়ে বললো,” বল তোর বাবাদেরকে কি বলবি ?সাদাফ এভাবে তোর শাড়ি খুলেছে ।”তারপর আর একটু টেনে নুরকে সামনে এনে নূরের বুকে আঙ্গুল দিয়ে স্লাইড করতে করতে বললো,” কি বলবি তোর সাদাব ভাই তোকে এখানে কা*মড় দিয়েছে ?বল আর কি বলবি? আচ্ছা এটা বল গতকাল রাতে সাদাফ ভাই তোকে কিভাবে ……….আর কথা বলে শেষ করতে পারলো না সাদাফ।নুর তার আগেই কান বন্ধ করে বললো,” চুপ করুন কিছু বলব না বাবাদের চুপ করুন প্লিজ।”
সাদাফ নুরের দিকে তাকিয়ে কিছুক্ষণ দুষ্ট হাসলো ।তারপর ধীরে ধীরে নূরের কানে কাছে ঝুকে এসে বললো,” যাকে ইচ্ছা তাকে বল কোন সমস্যা নেই ।আমি আমার বউকে আদর করবো সোহাগ করবো কা*মড় দিব শাড়ি খুলব শাড়ি পরিয়ে দিব যা ইচ্ছা তাই করব ।দেখি কার বাবারা আমাকে আটকাতে পারে ।”বলেই নুরের গালে চু*মু খেলো সাদাফ।
নূর শিহরণে সাথে সাথে চোখ দুটো বন্ধ করে ফেলল ।শরীরে কোথাও যেন ঠান্ডা শীতল স্রোত বয়ে যাচ্ছে নুরের ।থর থর করে কাঁপছে নূরে দেহ মন ।সাদাফ অস্থির হল ।আরেকটু ঘনিষ্ঠ হয়ে নূরের ঠোঁটের কাছে আসতেই হালকা করে একটি চু*মু খেয়ে দীর্ঘ শ্বাস ফেলে বললো,”কি আছে তোর মধ্যে নূর ?তোর থেকে আমি বের হতে পারছি না ।এই নেশার ঘোর মনে হয় আমাকে জীবনে ছাড়বে না।
কেন এত আসক্ত আমি তোর প্রতি নূর বলতে পারিস?”
বলে আবারো একটি চু*মু খেলো থুতনিতে সাদাফ।নুর কোন কথাই বলতে পারছে না ।থরথর করে কাঁপছে ।চোখ দুটো বন্ধ করে আছে ।সাদাফ আবার বললো,” কেন মনে হয় এক মুহূর্ত তোকে না দেখলে যেন আমার হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে যাবে !পৃথিবীর আলো আমার জন্য অন্ধকার হয়ে যাবে !তুই যেন শুধু আমার রক্তে না আমার রুহুর সাথে মিশে গিয়েছিস তুই ।এক মুহূর্ত তুই না থাকলে মনে হবে এই রুহু যেন আর থাকবে না উড়াল দিয়ে কোথাও চলে যাবে ।”
বলেই আরো একটু ঘনিষ্ঠ হয়ে নূরের ঠোঁটে গভীর ভাবে চু*মু এঁকে দিল সাদাফ।নুর যেন নিঃশ্বাস নিতে পর্যন্ত ভুলে গেল ।খা*মচে ধরলো সাদাফের শার্টের কলার।
সাদাফ নুর ছেড়ে দিয়ে নুরের হাত দুটো নিজের হাতের বন্ধনে নিয়ে হাতের পৃষ্ঠে চু*মু খেতে খেতে বললো,” কালকে তো চলেই যাবি আজকে রাতটা নূর আজকে রাতটা তুই আমাকে সপে দে নিজেকে ।আমার কাছে নিজেকে সঁপে দে নুর।”
বলে নূরকে ধীরে ধীরে বিছানায় শুইয়ে দিলো সাদাফ।
সাইমন রিমার থুতনি ধরে মুখ টা উপরে তুলে বললো,”তাকা আমার দিকে ।”
রিমা তাকালো ।চোখ দুটো জলে টই টুম্বুর যেকোনো মুহূর্ত গঙ্গা-যমুনা ভাসিয়ে ফেলবে ।সায়মন বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে রিমার চোখে পানি গুলো মুছতে মুছতে বললো,” একেবাড়ি তেই তো আছি ।কোথাও কি গিয়েছি ?তোর চোখের সামনে আছি ।তাহলে এত রাগ করছিস কেন শুনি ?নিশ্চয় আমি ফোনের সামনে ছিলাম না থাকলে তোর ফোন অবশ্যই ধরতে পারতাম।
বিকেলবেলায় তোর ফোন দেখেছি তখনই আমি সাথে সাথে নাস্তা খাওয়ার বাহানায় নেমেছি যাতে তোকে একটু দেখতে পারি।
সরাসরি তাকাইনি কথা বলিনি কিন্তু আমার দৃষ্টি জোড়া তোর দিকে নিবদ্ধ ছিল ।হ্যাঁ হয়তো সরাসরি দেখিনি আড় চোখে দেখেছি ।তুই কি আমায় একটুও বুঝতে পারিস নি ?আমার নজর আমার মন কি চায় কিছুই বুঝতে পারিস নি?
তোর কি মনে হয় যে ছেলে দিনভর তোর পিছনে ঘুরঘুর করত সেই ছেলে হঠাৎ আজকে থেকে বাইরে যাচ্ছে না বাসায় আছে অথচ তোকে একবারও ডাকেনি ,নিশ্চয়ই কোন কারণ আছে ?কারণটা কি বোঝার চেষ্টা করেছিস?
কারন আমার কাছে আর এক বছর সময় আছে ।এক বছর পর ফাইনাল পরীক্ষা ।ফাইনাল পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করতে হবে ।প্রতিষ্ঠিত হতে হবে তারপর তোর বাবার সামনে গিয়ে দাঁড়াবো ।যদিও আমার চাচা বড় আব্বু হয় কিন্তু তারপরও তোর বাবা তো ।মেয়ের জামাই হিসাবে আমাকে পছন্দ করে কিনা আমাকে উপযুক্ত মনে করে কিনা ,আমাকে তার যোগ্য হতে হবে না?”
রিমা এবার মুখ খুলল ।বললো,”তোমাকে কি এসব কথা আম্মু বলেছে ?”
সায়মন হাসলো ।হেসে বললো,” যে বলুক কথাগুলো তো সত্যি ।এবাড়ির ছেলে হিসেবে আমি ঠিক আছি টাকা পয়সার অভাব নেই কিন্তু একটি মেয়ের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য শ্বশুর-শাশুড়ির সামনে দাঁড়ানোর জন্য সারা জীবন তোকে মাথায় করে রাখার জন্য আমার কি নিজস্ব কোন যোগ্যতা আছে?
এই মুহূর্তে বিয়ে করে বাবাদের ঘাড়ে ফেলা ছাড়া আমার আর কি যোগ্যতা আছে বল ?সাদাফ ভাইকে দেখ না বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে নিজের গাড়ি নিজে ফ্ল্যাট সবকিছু উনার কোন টেনশন নেই ।কোন ঝামেলা নেই ।কিন্তু আমি যদি আজ সাদাফ ভাইয়ের জায়গায় থাকতাম আমি কি করতাম ?আমার তো সাদাফ ভাইয়ের কাছে বা বাবাদের কাছে হাত পাতা ছাড়া আর কোন উপায় নেই।”
এদিকে রাত বাজে দশটা ।বেলকনিতে নূরকে কোলে নিয়ে দোলনায় সাদাফ বসে আছে ।নূর বারবার নামতে চাচ্ছে কিন্তু সাদাফ ছাড়ছে না ।বলছে যতখন আমি দোলনায় বসে থাকবো এভাবে আমার কোলে বসে থাকবি। সাদাফ নুর কে নিজের কোলে পাথালো করে বসিয়ে জড়িয়ে ধরে নূরের কানে ফিসফিস করে বলছে ,”নুর একটি কথা বলবি ?”
নুর বললো,” হুম।”
সাদাফ বললো ,”আমি তো তোকে ভালবাসি বললাম আজকে না হয় তুইও বলে দে ।প্লিজ বল নুর একবার আমাকে বল ভালবাসি।”
নুর লজ্জা পাচ্ছে ।আরেকটু জোরে সাদাফ কে জড়িয়ে ধরলো। যেন সাদাফ নুরের চেহারা দেখতে না পারে ।নুর চোখ বন্ধ করে কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বললো,” হুম বাসি তো।”
সাদাফ নুরের কানে কানে ধীরে ধীরে ঘোর লাগা কণ্ঠে বললো ,”বাসিত মানে কি? কি বাসিস?”
নুর লজ্জানত অবস্থায় বললো,”ভালো ।”
সাদাফ বললো,”ভালো কি ?পুরোপুরি বল ।”
নুর বলে উঠলো,”উফ ভালবাসি ভালবাসি ভালবাসি ভালবাসি বলেছি হয়েছে এবার?”
সাদাফ জোর করে নূরের হাত ছাড়িয়ে গলাটা সরিয়ে নূরের চোখে চোখ রেখে বললো,” হয়নি এভাবে না ।আমার চোখে চোখ রেখে বল “সাদাফ তোমাকে ভালোবাসি।”
নূরের চোখ দুটো যেন বড় বড় হয়ে গেল ।সাদাফের কথা শুনে ।কি বলছে এই লোক !নুর নাকি বলবে সাদাফ তোমাকে ভালোবাসি ?ইহজনমে ও কি সম্ভব ?একথা বলার আগেই নূর ম*রে যাবে না
লজ্জায় ?উনি কি বুঝে না লজ্জা পায় নুর?নুর কোনমতে আমতা আমতা করে বললো,” প্লিজ আমাকে ক্ষমা করুন ।আমি এভাবে আপনাকে বলতে পারব না ।আমার মুখ দিয়ে আসবে না।”
সাদাফ বললো,” প্লিজ একবার বল ।চোখ বন্ধ করে একবার বলে ফেল ।তারপর আর জিজ্ঞেস করবো না ।তারপর তো যেভাবে ইচ্ছা হয় সেভাবে ডাকবি ।প্লিজ একবার বল সাদাফ তোমাকে ভালোবাসি।”
নুর চোখ জোড়া বন্ধ করে ফেলল ।আমতা আমতা করছে ।কোন ভাবে মুখ দিয়ে বের হচ্ছে না ।অনেক চেষ্টা করছে নূর ।বলার চেষ্টা করলো সাদাফ ভাইয়া ……..
সাদাফ বললো,”আবার ভাই?”
নুর বললো,” না না সরি ।আরেকবার বলছি সা.. সা …তো..তোমা….কে সাদাফ ভা..ভা… লো বাসি।”
বলেই চুপ হয়ে গেল দুই নুর। লজ্জায় দুই হাত দিয়ে চোখ জোড়া ঢেকে ফেললো ।নুরের ঠোঁট দুটো তীর তির করে কাপছে। সাদাফ তাকিয়ে রইলো সদ্য ভালবাসি বলা তির তির করে কাঁপতে থাকা ঠোঁট দুটোর দিকে। কাল বিলম্ব না করে সাথে সাথে সাদাফ আঁকড়ে ধরল নূরের ঠোঁট জোড়া।
সুখময় যন্ত্রণা তুমি পর্ব ১৩২+১৩৩
কিছুক্ষণ পর নূরকে ছেড়ে দিয়ে নূরের দিকে তাকিয়ে বললো,” আমিও তোমাকে ভালবাসি নুর ভীষণ ভালোবাসি।শুনছো আমার নুরজাহান বেগম? তোমার সেলিম তোমাকে ভীষণ ভালোবাসে ।”
বলেই নূরকে জড়িয়ে ধরল ।নূর ও সাথে সাথে আঁকড়ে ধরল সাদাফের গলা।
