Home আপনাতেই আমি সিজন ২ আপনাতেই আমি সিজন ২ পর্ব ৬৩

আপনাতেই আমি সিজন ২ পর্ব ৬৩

আপনাতেই আমি সিজন ২ পর্ব ৬৩
ইশিকা ইসলাম ইশা

তিশা মারা যাবার পর তীব্র আমাকে মায়ের সন্মান তো দেয় কিন্তু অধিকার না। আমার কোন কথাই সে কখনো গুরুত্ব দিত না।আমি মেনে নিয়েছিলাম কারন আমি জানতাম তীব্রর শরীরে আমার রক্ত বইছে।ও ঠিক কতোটা জেদি হতে পারে তা হয়তো জন্মদ্রাত্রী হিসেবে বুঝেছিলাম।
বড় হবার সাথে সাথে তীব্রর রাগ,জেদ ও বাড়তে থাকল। একবার স্কুলে কার সাথে মারামারি করে রক্তাক্ত হয়ে ফিরল। স্কুল থেকে কল করে টিচাররা আমাদের যেতে বলল।আমি ওর দাদা,দাদী গিয়ে জানতে পারলাম তিশা কে নিয়ে কোন বাজে মন্তব্য করেছিলো নাকি তাই তীব্র ওকে মেরেছে। শুধু মেরেছে তাই না। হসপিটালের বেডে হাত ভেঙে পড়ে ছিল ছেলেটা ৩ মাস।ওর দাদা দাদী তীব্রর এমন ভয়ঙ্কর রুপ দেখে সেদিন ঘাবরে গেছিলেন। কারন তিশা থাকাকালীন তীব্র রাগলেও এমন ভয়াবহ ভাবে কখনো রাগতে দেখেছিল না।
এরপর ধীরে ধীরে সময় যেতে থাকে,

এরমধ্যে একদিন রাইফার সাথে কথায় কথায় ঠিক করলাম তীব্র আর রুপের বিয়ে দিব সেটা অবশ্যই তাদের বিয়ের বয়স হলে।রুপের মতো এমন সুন্দরী মেয়েই তীব্রর সাথে যায়।রাইফাও সেদিন না করে নি। বরং খুশি হয়েছিল!
এই কথাটা তীব্র শুনেছিল।কথাটা শোনার পর সেদিন পুরো ড্রয়িং রুমের সবটা ভাংচুর করেছিল।আমি সেদিন আশ্চর্য হয়ে তীব্রর রাগ দেখলাম।আর আমি সেদিনই জানতে পারি তোর কথা।তিশা নাকি তোর খেয়াল রাখতে বলে গেছে ।আর তীব্র নাকি দিয়ার মেয়েকেই বিয়ে করবে! সেটা তিশাকে কথা দিয়েছে।তখন থেকেই তোর উপর আমার নজর গেল। সারাক্ষণ তিশা,তিশা আর এবার তুই !!তুই নামক আপদ দূর করতে তোকে মেরে ফেলার জন্য লোক পাঠালাম ।তুই তখন ছোট!কতোই বা বয়স ১০ কি১১!!ঠিক মনে নেই। আমি জানতাম তুই বেঁচে থাকলে তীব্র তোকে অবশ্যই বিয়ে করবে।কারন সে তিশার কথা রাখতে সব করতে পারে।আর এটাই আমি কোনমতেই হতে দিতে চাইনি।

আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

আমারও জেদ চেপে বসল রুপ কেই আমার তীব্রর বৌ করব।তার জন্য তোকে এই দুনিয়া থেকে বিদায় করতে হবে।
প্রথমবার তোকে যখন মারতে লোক পাঠিয়েছিলাম !তুই তখন স্কুল থেকে বাসায় ফিরছিলি।আমি গাড়িতে বসে দেখছিলাম তোকে।স্কুল ড্রেস পরিহিত একটা বাচ্চা মেয়ে।গ্রামের মেঠোপথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে এগিয়ে যাচ্ছে দুই তিনজন মেয়ের সাথে।ওরা তোকে গুলি ছুঁড়তেই তুই কিছুর সাথে বেঁধে নিচে পড়ে গেলি। সেদিন ভাগ্য ক্রমে বেঁচেও গেলি। কিন্তু পরে যতবারই তোকে মারতে লোক পাঠিয়েছি ঠিক ততবারি আমি লোকগুলোর আর কোন খোঁজ পায়নি।আর না জানতে পেরেছিলাম এসবের পেছনে কে?কে তোকে এভাবে প্রটেক্ট করছে।
তীরা একটু থামল।জোরে শ্বাস টেনে আবারো বলতে শুরু করল,

তোকে মারার এতো চেষ্টা বিফলে যেতে দেখে অন্য রাস্তা বেছে নিলাম।সময়টা তখন ছিল শীতকাল।খুব ভোরেই আমার গাড়ি গিয়ে পৌঁছাল তোদের গ্রামে। ।চারদিকে তখন কুয়াশায় ঘেরা।রুপেস মিজার বাসভবনে আমার উপস্থিতি যেন আতঙ্কের সৃষ্টি করল।শীতের মধ্যেও ঘেমে একাকার আমিনা।আমি বাঁকা হাসলাম। রুপেশের পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল আমিনা।আমাকে দেখে ভুত দেখার মতোই চমকেছে ওরা।ওদের ভিতু চেহেরা আমার বেশ পছন্দ হলো তখন।আমি জানতাম আমিনা টাকার লোভী।টাকা দিলে ও সব করতে প্রস্তুত।আমি ওদের সামনে ১০ লাখ টাকা রেখে বললাম,

“এখানে দশ লাখ টাকা আছে।লাগলে আরো পাব। শুধু একটা কাজ করতে হবে।”
“কি এমন কাজ যার জন্য দশ লাখ টাকা দিচ্ছেন!”
“রুহনিয়া বিনতে রিদিতা!!দিয়ার মেয়ে রাইট??”
“ওরে দিয়া আপনার কি কাজ??”
“কাজ আছে বলেই তো এসেছি।তা কতো যেন বয়স ওর??আমার হিসেবে সবেই ১৬ বছরে পড়ল রাইট!!”
“ঐ মাইয়ার এতো খোঁজ কেন?”
“বিয়ের জন্য!!”
“বিয়ের জন্য মানে!!”
“আমি চাই তোমরা ওকে তাড়াতাড়ি বিয়ে দিয়ে দাও!”
“কেন?ওরে বিয়া দিলে আমার বাসার কাজ কেডা করব??”
“তোমার কাজের লোকের ব্যবস্থা আমি করে দিব।”
এবার রুপেস মিজা মুখ খুলল,
“ভনিতা না করে সোজাসুজি বলেন।”

“ওকে ফাইন। সোজাসুজি বলছি।তিশার কথা রাখতে আমার ছেলে তীব্র চৌধুরী দিয়ার মেয়ে রুহনিয়া বিনতে রিদিতা কে বিয়ে করবে।ওর আঠারো বছর বয়স হলেই।আর আমি চাই না তীব্র দিয়ার মেয়ে কে বিয়ে করুক।”
“মগের মুল্লুক নাকি!!খাওয়াই পড়াই বড় করছি আমি আর আইলেই বিয়া দিয়া দিমু!!”
তীরা চৌধুরী রুপেশের কথায় তাচ্ছিল্য হেসে বলল,
“তীব্র সম্পর্কে কোন ধারনা নেই তোমাদের!থাকলে মুখ দিয়ে হয়তো কথাটা উচ্চারণ ও করতে না।সে যাই হোক!!তুমি আমি কেউই যেহেতু এটা চাই না তাই ১৮ হবার আগেই ওর বিয়ে দিতে হবে।পারলে এখুনি!!”
“ঐ কালিরে কেডাই বিয়া করব??”
আমিনার কথায় দিয়া কিছুটা অবাক হয়ে বলল,
“দিয়ার মেয়ে কালো??শুনেছি তো মায়ের মতো হয়েছে।”
“ঐ হয়েছে ঐ বেডি আবার ফর্সা নি!!বলেই আড়চোখে তাকাল রুপেসের দিকে।রুপেস কে নিরুওর দেখে আমি বললাম”

“টাকা দিয়ে বিয়ে দাও।যদি লাগে আরো দিব!আমি শুধু চাই ওর বিয়ে হয়ে যাক ব্যাস!!”
“কিন্তু ঐ তো বিয়া করবার চাই না। তাছাড়া হের চাচা,দাদি হুনলে মেলাই ঝামেলা করবে।”
“কুবুদ্ধি তোমার মাথায় একশ একটা ঘুরে!সেখানে থেকে একটা বের করে কাজে লাগও!তা রুপেস শুনেছি দিয়ার মেয়ের নামে নাকি অনেক টাকার সম্পত্তি লিখে রেখে গেছেন তোমার বাবা।তুমি নিশ্চয়ই সেই সম্পত্তি চাও!!দেখ বাই এনি চান্স তীব্রর সাথে বিয়েটা হলে সেটার কানাকরি ও তুমি পাবে না।কারন তীব্র আগুন!!আগুন নিয়ে খেলা তো দূরে থাক ছোঁয়ার রিস্কও না নেওয়াই ভালো।এটা আমার উপদেশ বলতে পারো।নয়তো জ্বালিয়ে পুড়িয়ে শেষ করে ফেলবে তোমার সাম্রাজ্য।এটা অবশ্যই মাথায় রেখ।”
এরপর আমি সেখানে থেকে থেকে চলে আসি।আমি আসার ঠিক ৩ মাস পরে আমাকে কল করে আমিনা।টাকা চাই!তোর বিয়ের জন্য। আমিও টাকা দিয়ে দিই। কিন্তু!!!এর ঠিক দুদিন পর সকালে আশ্চর্য হয়ে তোকে দেখি চৌধুরী বাড়িতে।আমার সব চেষ্টা ব্যর্থ হয় তোদের আলাদা করতে।

“খুব ঘৃণা হচ্ছে কি আমার উপর ?”
তীরার কথা শেষ হয়েছে আরো মিনিট দশেক আগে।নিজের কথা শেষ করে সে চুপ হয়েছে।সাথে সাথে চুপ হয়েছে রিদিও।তীরা এই প্রথমবার ভয়ে রিদির দিকে তাকালো না।রিদির চোখে নিজের জন্য ঘৃনা দেখার মতো শক্তি তার আর অবশিষ্ট নেই।সে ভয় পাই। হারিয়ে ফেলার ভয়।মেয়েটার চোখে এতো মায়া!সেই মায়ার জায়গায় ঘৃণা কিভাবে সহ্য করবে সে।কিন্তু সময় অতিবাহিত হওয়ার পরেও যখন রিদির থেকে কোন সারা শব্দ পেল না।তখন নিজ থেকেই উক্ত কথাট বলল তীরা।
রিদি উওর করল আরো কিছুক্ষণ পর,

শত মায়ের এতো অত্যাচার সহ্য করেও আমি তাকে ঘৃণা করতে পারিনি আম্মু!কেন জানো??
তীরা এবার চট করে তাকালো রিদির দিকে।রিদির চোখ থৈই থৈই করছে পানিতে।রিদি চোখের পানি মুছে বলল,
কারন আমি লোভী! মায়ের আদর, ভালবাসা পাওয়ার লোভী!যার কাছে মিষ্টি কথাটুকু পর্যন্ত পায় নি তাঁকে আজ পর্যন্ত ঘৃনা করতে পারলাম না। সেখানে তোমাকে কিভাবে ঘৃণা করব বলো!!
রিদির কথা শুনে তীরা চট করেই রিদিকে বুকে জড়িয়ে নিল। কপালে আলতো করে চুমু দিয়ে বুকের মাঝে যত্নে আগলে নিল। কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থেকে মৃদু স্বরে বলল,
“যদি পরের জন্ম বলে কিছু থাকে! তবে আমি আল্লাহর কাছে চাইব,পরের জন্মে আমাকে যেন মেয়ের মা করে পৃথিবীতে পাঠায়।”

রিদি তীরার বুক থেকে মুখ তুলে তীরার শুকিয়ে যাওয়া মুখটার দিকে তাকিয়ে বলল,
আমি কি তোমার মেয়ে না আম্মু!!
তীরা নেতিয়ে পড়া হাতখানা রিদির গালে রেখে বলল,
তুই শুধু আমার মেয়ে!পরের জন্মে আমি দিয়ার কাছে চাইব তোকে।যেন তোকে আমার মেয়ে হতে দেয়।কথাটা বলেই মৃদু হেসে আবারো বলল,

ফিল্মি লাইন তাই না!!কি করব বল!এই ফিল্ম ,এই একটা স্বপ্নই আমাকে সর্বহারা করেছে।নিঃস্ব করেছে।
দুটো সন্তান গর্ভে ধারণ করেও মা ডাকটা শোনার ভাগ্য আমার হয়নি।আমি জানতামই না ” মা ” ডাকটা এতো মধুর।
জানিস!!!যেদিন ফোনে প্রথমবার ভীতু কন্ঠে আম্মু বলে ডাকলি। সেদিন বুকের ভেতর কেমন যেন মোচর দিয়ে উঠেছিল।মনটা ব্যাকুল হয়ে উঠছিল আবারো মিষ্টি কন্ঠে” আম্মু” ডাকটা শোনার জন্য। সেদিন আমি উপলব্ধি করেছিলাম” মা ” ডাকটায় কতোটা মায়া জড়ানো।যাকে মারতে পর্যন্ত আমি দ্বিধা করিনি তার কন্ঠে আম্মু ডাকটা আমার হৃদয়ের গভীরে পৌঁছাল। ইচ্ছে করছিলো বসিয়ে রেখে বার বার আম্মু ডাকটা শুনি।সেদিন আমি উপলব্ধি করেছিলাম আমার সব থেকেও কিছুই নেই।
রিদি তীরার চোখের পানি মুছে দিয়ে বলল,
আমি আছি তো আম্মু!!!

তীরা রিদির কথায় মুচকি হাসল।রিদির কাঁদো কাঁদো আদুরে মুখখানা দেখে বলল,
কাদলেও তোকে ভীষণ আদুরে লাগে রিদি!ঠিক যেন ছোট্ট বাচ্চা!!
রিদি চোখের পানি মুছে আনমনেই বলে,
আপনার ছেলেও তাই বলে!!আমি যদি কান্না করি তো আমাকে না থামিয়ে বলে,”আপনি কাঁদুন আমি দেখি”।
তীরা হেসে বলল,
কাঁদলে এতোটা মিষ্টি লাগে এতে ওরই বা দোষ কোথায়!!
রিদি তীরার কথায় ভু কুঁচকে বলল,
এইতো শাশুড়ি ফরম এ এসেছো!!হু!বুঝি বুঝি সব বুঝি এখন আমি!!এখন আমি ছোট নেই ।১৯ বছর বয়স আমার!

এই শাশুড়ি ফরম টা আবার কি?আর কি বুঝেছিস?
শাশুড়ি ফরম মানে তুমি ছেলের সাপোর্ট করছ!অথচ তোমার উচিত আমাকে সাপোর্ট করা!
আমি সাপোর্ট কোথায় করলাম?
এহহহ তুমি এখনি বললা না,”এতে ওরই কি দোষ” হু!!
এটা সাপোর্ট বলে!!
অবশ্যই বলে!তুমি চিটিং করেছো আম্মু!! তুমি ওনার সাপোর্ট করেছো!!
তীরা খানিকটা সময় নিয়ে কিছু একটা ভেবে বলল,
ঠিক করেছি!ও আমার ছেলে আমি তো ওর সাপোর্ট করবোই!তুই পরের মেয়ে!তোর সাপোর্ট কেন করব!
এহহহ!!তুমি গিরগিটির মতো রং বদলাচ্ছো আম্মু!এই না বললে আমি তোমার মেয়ে!!
বলেছি তো কি হয়েছে!!আমি শাশুড়ি!!টিভি, সিনেমায় দেখিস না জল্লাদ শাশুড়ি যেমন হয় তেমনি!!
না তুমি শাশুড়ি না!তুমি আমার আম্মু!!
এহহহ!বললেই হলো আমি হলাম শাশুড়ি!!

না!
হ্যাঁ!!
আমি কিন্তু এবার কেঁদে দেব!
তীরা রিদির মুখখানা দেখে আর নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারল না।হোহো করে হেসে উঠলো। তীরাকে হাসতে দেখে রিদির রাগও গায়েব হয়ে গেল। রিদিও মুচকি হাসল!সে অবশ্য পুরানো কথা এড়াতেই এসব বলছে।অতীতে যা হয়েছে তা কি আর বদলানো যাবে! যাবে না।তাই অতীত ভুলে বর্তমান আর ভবিষ্যত নিয়ে ভাবাই উওম। তাছাড়া সে তীরাকে কিভাবেই বা ঘৃনা করবে।তার গর্ভে ধারণ করা সন্তান যে তাকে রানীর মতো রেখেছে।এতো ভালোবাসা,এতো মায়া,এতো সন্মান দিয়েছে।এতো ভালোবাসা হয়তো লাখে,কোটিতে একজনেরই হয়।সে ভাগ্যবতী তীব্রকে পেয়ে।তার তীব্র ছাড়া আর কিছুই চাই না।সে চায় তীরা যতদিন বেঁচে আছে এভাবেই যেন হাসিখুশি থাকে।
“রিদি!!কি করছিস? ধ্যান কোথায় তোর?দুধ উতলে যাচ্ছে!!”
নাজমা চৌধুরী ডাকে রিদির হুস ফিরল। তাড়াতাড়ি গ্যাস অফ করে দিতেই নাজমা চৌধুরী রিদির দিকে তাকিয়ে বলল,

তীব্র কি খুব রাগারাগি করেছে??
তেমন কিছু না দাদি!!দাদি আমার আম্মু কেমন ছিলো??
নাজমা চৌধুরী ঠোঁটের কোনে মুচকি হাসি টেনে বলল,
চঞ্চল পাখি ছিল!খুব দূরন্ত!
রিদি উৎসুক হয়ে বলল,
তারপর!!

দিয়া আর তিশা দুই বোন এটাতো জানিসই।ওরা আমাদের খুব কাছের বান্ধবীর মেয়ে ছিল।তিশা শান্ত হলেও দিয়া ছিল চঞ্চল।সারা এখানে ওখানে ঘুরে ঘুরে বেড়াত।গ্রামের পশু,পাখি পর্যন্ত ওকে চিনত।যখন আমার এখানে আসত পুরো বাড়ি মাতিয়ে রাখত।তোর দাদার আফসোস ছিল একটা মেয়ের কিন্তু দিয়া আসলে তা যেন দূর হয়ে যেত।
দাদি রাইফা আন্টি আম্মুকে ঘৃনা করে কেন?শুনেছি ওরা ভালো বন্ধু ছিল?

আপনাতেই আমি সিজন ২ পর্ব ৬২

নাজমা চৌধুরী দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল,
রোশান রেজা!রাইফার ভাই !দিয়াকে খুব পছন্দ করত।দিয়াও রোশান কে পছন্দ করত। মাঝখানে থেকে রুপেস এসে ওদের জীবন বদলে দিল।

আপনাতেই আমি সিজন ২ পর্ব ৬৪