Home এক বিন্দু ভালোবাসা দাও এক বিন্দু ভালোবাসা দাও পর্ব ২

এক বিন্দু ভালোবাসা দাও পর্ব ২

এক বিন্দু ভালোবাসা দাও পর্ব ২
আদ্রিতা জান্নাত অরিন

চৌধুরী বাড়ির সকলের মুখের এখন চিন্তা আর রাগের ছাপ স্পষ্ট ফুটে উঠেছে সমুদ্র সহ বাড়ির সবাই দলিলে নোটনের নাম দেখে অবাক হয়ে যায়। চৌধুরী বাড়ির সকলের এইরকম রিয়েকশন দেখে নোটনের বেশ মজা লাগছে তিনটা বছর অনেক কষ্ট সয্য করে এই সমস্ত সম্পত্তির মালিক হয়েছে। নোটন গিয়ে আহনাফ সাহেবের হাত থেকে দলিল কেঁড়ে নিয়ে আসে আর বলে –
“- থাক শশুড় আব্বা আর দলিল দেখতে হবে না এই নোটন কোনো কাঁচা কাজ করে না সো ভুল ধরার চেষ্টা নাই বা করলেন। তবে আসল সত্যি কি জানেন আজ থেকে এই বাড়ি, অফিস সহ যা যা সম্পত্তি রয়েছে সবকিছু একমাত্র মালিক হলো আপনার বড় ছেলের বউ নোটন “।
নোটন কথাটা বেশ মজা নিয়ে বললো কিন্তু আহনাফ সাহেবের শরীর রাগে জ্বলছে সে ভাবতে পারছে না তার বাবা এইরকম কিছু করতে পারে। আহনাফ সাহেব বলে –

“- এইজন্য তিনটা বছর তুমি এই চৌধুরী বাড়িতে বাড়ির কাজের লোকের মতো থেকেছো তাই না সব অত্যাচার মুখ বুজে সয্য করেছো। আর আমার বাবার এতো সেবা যত্ন শুধু এই সম্পত্তির জন্য করেছো তাই না?
“- দারুণ শশুড় আব্বু কতো সুন্দর নিজের ছেলের বউয়ের সকল পরিকল্পনা সম্পর্কে জেনে গেলেন। তবে একটু দেরি করে ফেলছেন সবকিছু বুঝতে এখন কিছু করার নাই। তবে পাঁচটা বছর দাদার অনেক সেবা যত্ন করেছি আমি তাই এই সম্পত্তির মালিক হওয়া আমি ডিজার্ব করি “।
নোটনের কথা শুনে নাবিলা বেগম বলে –
“- আহনাফ তোমাকে শুরু থেকে বলছি এই ফকিন্নি আর অনাথ মেয়েকে বাড়ি থেকে বের করে দিতে। ওর মতো এইরকম গরিব থার্ড ক্লাস মেয়ের চরিত্র আর কতো ভালো হবে। এতো এতো সম্পত্তি দেখে লোভ সামলাতে পারে নাই তাই বাটপারি করে নিজের নামে লিখিয়ে নিয়েছে। দুধ কলা দিয়ে কাল সাপ পুষেছি “।

আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

নাবিলা বেগমের মুখে অনাথ কথাটা শুনে নোটন একটু হাসে নোটন মনে মনে ভাবে ওর বাবার পরিচয় যদি চৌধুরী বাড়ির মানুষ জানে তাহলে শরীর থেকে এদের আত্মা বের হয়ে যাবে। কিন্তু নোটন এখন সেটা করতে চাই না এতো বড়ো শর্কড আগে এই পরিবার সামলে নিয়ে উঠুক পরে পরে না হয় আরেকটা শর্কড দিবে। নোটন বলে উঠে –
“- ওয়াও শাশুড়ী আম্মু দারুণ এই না হলে আমার শাশুড়ী কি সুন্দর নিজের ছেলের বউয়ের মনের কথা আগে থেকে জেনে গেলেন আপনি। তবে যায় বলুন এখানে দোষ কিন্তু আমার না আপনাদের মতো মানুষ রূপি মুখোশধারী সাপের সাথে থেকে থেকে নিজে ও বিষধর সাপ হয়ে গেছি। কথায় আছে না সঙ্গ দোষে লোহা ভাসে ঘটনা ঠিক তেমন “।
নাবিলা বেগম আরো কয়েকটা কথা শুনাতে থাকে নোটনকে আর নােটন তার যথাযোগ্য উত্তর দেয়। নোটন খেয়াল করে তাদের আশেপাশের মানুষ একে অপরের সাথে কানে কানে কথা বলছে। এতোখন পার্টির মানুষের দিকে ভালো করে খেয়াল করে নাই সে নাবিলা বেগম যখন আরো কিছু কথা বলতে যাবে নােটন হাতের ইশারা দিয়ে তাকে চুপ করিয়ে দেয়। আহনাফ সাহেবের হাতে থাকা মাইক নিয়ে নোটন বলে

“- হ্যালো গাইস আমি হলাম নোটন এই বাড়ির বড় ছেলে সমুদ্র চৌধুরীর ওয়াইফ। আসলে পরিবারের সদস্য সাথে কথা বলতে গিয়ে আপনাদের কথা ভুলে গেছি সেইজন্য সরি। আর আরকেটা কথা যেহেতু আপনারা শুরু থেকে এখানে উপস্থিত ছিলেন তাই বুঝে গেছেন যে অনিক চৌধুরী মারা যাওয়ার আগে তার সমস্ত সম্পত্তি আমার নামে লিখে দিয়ে গেছে। তাই আজ থেকে চৌধুরী বাড়িরস্থাবর অস্থাবর সকল সম্পত্তির নতুন মালিক হলো মিসেস নোটন চৌধুরী “।
পার্টির সবাই তাদের একে অপরের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে এখানে কি হচ্ছে তারা বুঝতে পারছে না। তবে নোটনের যেহেতু চৌধুরী বাড়ির নতুন মালিক তাই তাকে খুশি করা পার্টির সকলের জন্য জরুরি। পার্টির সবাই হাততালি দিয়ে উঠে নোটনের কথা শুনে এরপর ওকে বলে –

“- কনগ্রেচুলেশন মিসেস নোটন চৌধুরী ভাবতে পারি নাই পার্টিতে এসে এতো বড়ো চমক পাবো। তবে আপনার সাথে পরিচয় হয়ে ভালো লাগলো আশা করি ভবিষ্যতে একসাথে কাজ করা হবে।
“- হুম অবশ্যই যেহেতু আপনারা এই শহরের সবচেয়ে বড়োলোক আর আমি ও এই শহরের সবচেয়ে বড়ো কোম্পানির এমডি কাজ অবশ্যই করা হবে “।
নোটন কথাটা একটু খোঁচা মেরে বলে সেটা চৌধুরী বাড়ির অন্য সদস্যরা খুব ভালো করে বুঝতে পারে। তবে নোটনের চোখ যায় পার্টিতে থাকা সকল লোকের হাতে থাকা মদের গ্লাসে সেটা দেখে তার মাথা কিছুটা গরম হয়। নোটন পাশে থাকা ওয়েটারকে বলে সেখানে থাকা সব মদ ফেলে দিতে। নোটন বলে –
‘- আপনাদের সবাইকে বিরক্ত করার জন্য আবার সরি বলছি তবে আমি মদ খাওয়া বা মদের ব্যবসা করা একদম পছন্দ করি না।তাই যদি কোনো আপনারা দয়া করে মদ নিচে রাখুন আর সত্যি বলতে আমার মাথায় বেশ ব্যাথা করছে তাই যদি আপনারা এখন চলে যান তাহলে একটু খুব ভালো হতো ” ।
পার্টিতে থাকা সকলের হাত দেখে ওয়েটার মদের গ্লাস নিয়ে বাহিরে ফেলে দেয় নোটনের কথা শুনে সবাই অবাক। নোটন বলে –

“- আপনাদের সাথে খুব তাড়াতাড়ি একটা মিটিং করবো কিন্তু এখন আর পার্টি ভালো লাগছে না। তাই দরজা খোলা রয়েছে “।
নোটনের কথা শুনে পার্টতে থাকা সকলে হয়তো একটু অপমানিত বোধ করলো তবে কোনো কথা না বলে চলে যায় সবাই। আহনাফ চৌধুরী নোটনের ব্যবহার দেখে তার দিকে রাগী দৃষ্টিতে দেখে আর বলে –
“- এই মেয়ে তুমি এইটা কি করলে পার্টিতে থাকা সকলকে তাড়িয়ে কোনো দিলে? তুমি যানো এখানে শহরের কতো বড় বড় বিজনেস ম্যান ছিলো তুমি তাদের কি করে অপমান করতে পারলে।ওদের সাহায্য ছাড়া আমাদের বিজনেস চলবে কি করে তোমার মাথায় কি নূন্যতম বুদ্ধি ও নাই?
আহনাফ চৌধুরীর এই গুরুত্বপূর্ণ কথাটা নোটনের কাছে যেনো একটা কৌতুক কারণ নোটন সব ইচ্ছে করে করেছে। নোটন বলে –

“- দেখুন শশুড় আব্বু বিজনেসটা আর দুইটা আমার তাই কখন কি করবো বা কার সাথে কি ব্যবহার করব সেটা ও আমি ঠিক করব। আর আমি একদম এইরকম মানুষের সাথে বন্ধু বা বিজনেস করি না যারা গিরগিটির মতো রং বদলায়। তাই ওদের সাথে যা ব্যবহার করেছি সেটা আমি একদম ঠিক করেছি আর এই বিষয় নিয়ে কোনো কথা আমি শুনতে চাই না “।
আহনাফ চৌধুরী বলে –
“- তুমি শুনতে না চাইলে ও শুনতে হবে কারণ তুমি কি করছো সে তুমি নিজে বুঝতে পারছো না? কোনো তুমি সবাইকে তাড়িয়ে দিলে?
“- আপনি কি করে এই বাড়িতে মদ নিয়ে আসলেন আর পার্টিতে থাকা সকলকে মদ খেতে দিলেন। আপনি যানেন না মদ খাওয়া হারাম?

“- তোমার মতো এইরকম একটা লোভী আর হাঁটুর বয়সী মেয়ের থেকে নিশ্চয়ই হালাল হারাম শিখতে হবে না?
“- অবশ্যই শিখতে হবে যদি আপনার মধ্যে সাধারণ জ্ঞান না থাকে তাহলে একটা হাঁটুর বয়সী মেয়ের থেকে জ্ঞানের কথা শিখতে হবে। একটা কথা খুব ভালো করে মনে রাখবেন যদি কখনো এই বাড়ির কেউ বা এই বাড়িতে মদের একটা ফোঁটা ও দেখি তাহলে নোটনের সবচেয়ে জঘন্য রূপ আপনারা দেখবেন “।
নোটন কথাটা বলে সিঁড়ি দিয়ে যখন উপরে উঠে যাবে তার আগে সমুদ্রের দিকে দেখে পরে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে যায়। নোটনের সিঁড়ি দিয়ে যাওয়া দেখে বাড়ির সবাই পাশে থাকা ছোফায় বসে পড়ে আহনাফ সাহেব মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়ে। আহনাফ সাহেব বলে –
“- বাবা কি করে এই সমস্ত সম্পত্তি এইরকম একটা রাস্তার মেয়ের নামে লিখে দিলো? এই মেয়ের কাছে আমাদের বিজনেস অফিস সব থাকে তাহলে আমরা একমাসের মধ্যে আমরা ফকির হয়ে যাবো।
নাবিলা বেগম বলে –

-‘” হুম একদম ঠিক বলেছো তুমি আহনাফ ভুল আমার কোনো যে এই মেয়েকে আগেই বাড়ি থেকে বের করে দিলাম না। তবে এখন আপসোস করলে হবে না নোটনের কাছ থেকে আবার আমাদের সম্পত্তি ফিরে পেতে হবে ?
“- কিন্তু কি করে সম্ভব এইটা নাবিলা?
‘- সম্ভব একজন মানুষ পারবে এই নোটনের থেকে সবকিছু কেঁড়ে নিতে? এই নোটনকে কি করে শিক্ষা দিতে হয় সেটা ও খুব ভালো করে জানে “।
নাবিলা বেগম একটা হাসি দেয় আহনাফ সাহেব বুঝতে পারে নাবিলা বেগম কার কথা বলছে তাই সে ও একটু হাসে। সমুদ্র এতোখন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সব শুনেছিলো রাইমা পাশে রয়েছে রাইমা এখনো সবকিছু বিশ্বাস করতে পারছে না। রাইমা বলে –

“- সমুদ্র রুমে আসো তোমার সাথে আমার কথা রয়েছে?
“- হুম রাইমা চলো “।
সমুদ্র আর রাইমা সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে সমুদ্রের রুমে চলে যায় সেখানে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। রাইমা গিয়ে সমুদ্রকে জড়িয়ে ধরে আর কান্না করে দেয় আর বলে –
“- সমুদ্র এখন কি হবে? নোটনের সাথে তোমার ডিভোর্স হয় নাই ছয়মাস পর তোমাদের ডিভোর্স হবে তাহলে আমরা কি করে বিয়ে করব।আর এই সমস্ত সম্পত্তি নোটনের নামে রয়েছে তাহলে কি করে আমাদের বিয়ে সম্ভব?
রাইমার কথা শুনে সমুদ্র বলে –
“- রাইমা তুমি একদম টেনশন করো না আমি তোমাকে বিয়ে করব। আর ওই নোটন যায় করুক ওকে নিজের বউ হিসাবে কখনো মেনে নিবো না আমি। ছয়মাস পর নোটনের থেকে ডিভোর্স নিয়ে তোমাকে বিয়ে করব কোনো টেনশন করো না রাইমা “।
“- আচ্ছা সমুদ্র বিয়ে আমরা করব ভবিষ্যতে তবে সম্পত্তি কি করে নোটনের থেকে নিয়ে আসা যায় সেটা বড়ো সমস্যা এখন।আন্টি কার কথা বলেছে তখন কে নোটনের থেকে সমস্ত সম্পত্তি ফিরিয়ে নিয়ে আসতে পারবে তাকে তাড়াতাড়ি ফোন করো সমুদ্র “।
“- রাইমা তুমি চিন্তা করো না আম্মু যখন বলেছে তাহলে ওনি ফোন করবেন তাকে। রাইমা আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি “।

“- মি টু সমুদ্র “।
সমুদ্র আর রাইমার কথা মধ্যে দরজা খোলার শব্দ শুনা যায় তারা পিছনে তাকিয়ে দেখে নোটন ওয়াশরুমের দরজা খুলে বের হয়। নোটন বলে –
“- এইসব মি টু সি টু ভালোবাসা কথা আমার রুমে শুনতে চাই না যদি খুব ভালোবাসা পায় তাহলে অন্য রুমে গিয়ে এইসব করবেন। কারণ চরিত্রহীনদের নোংরামি করার জন্য এই না কথাটা যেনো মাথায় থাকে “।
সমুদ্রকে যে নোটন চরিএহীন বলছে সেটা সে ভালো বুঝতে পারছে সমুদ্র রাগী দৃষ্টিতে নোটনের দিকে তাকায়।কিন্তু নোটন এইসব দৃষ্টির ধার ধারে না সে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মাথা মুছতে থাকে। সমুদ্র বলে –
“- নোটন আপনি কি আপনাকে ইনডিরেক্টরলি চরিএহীন বললেন?
“- না সমুদ্র আমি ডিরেক্টরলি বলেছি আপনি একজন চরিএহীন পুরুষ। যে নিজের বউকে রেখে বিদেশে অন্য মেয়ের সাথে প্রেম করে আবার তাকে নিজের রুমে নিয়ে তার বউয়ের এসে জড়িয়ে ধরে তাকে আমি চরিএবান পুরুষ মনে করি না “।

নোটনের কথা শুনে সমুদ্র রাইমাকে দূরে সরিয়ে দেয় তবে নোটনের কথাটা সমুদ্রের বেশ গায়েঁ লাগে। সমুদ্র বলে –
“- বউ কে বউ আপনি আমার কোনো বউ হন না। আপনার মতো এইরকম লোভী আর থার্ড ক্লাস মেয়ে কখনো সমুদ্র চৌধুরী বউ হওয়ার যোগ্যতা রাখে না। আর আমার চরিএের সার্টিফিকেট নিশ্চয়ই আমি আপনার থেকে চাই নাই নোটন.
“- শরিয়ত মতো তিনবার কবুল বলে আমাদের বিয়ে হয়েছে কিন্তু আপনি যদি সেটা মেনে নিতে না পারেন তাহলে সমস্যা আপনার। আর যোগ্যতার কথা যদি আসে তাহলে এখন আপনার কি যোগ্যতা রয়েছে চৌধুরী বাড়ির মালিকের জামাই হওয়ার।
“- কি বললেন আপনি নোটন সমুদ্র চৌধুরী কোনো যোগ্যতা নাই আপনার মতো রাস্তার মেয়ের জামাই হওয়ার?
“- না নাই কোনো যোগ্যতা নাই আর রাস্তার মেয়ে কাকে বলছেন ভুলে যাবেন না আপনি এখন যেই বাড়িতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন সেটা আমার। আর যদি ক্লাসের কথা বলি আমি তাহলে ও থার্ড ক্লাস কিন্তু আপনি কি একটা ভিখারির কাছে ও বাড়ি রয়েছে আপনার কাছে নাই।
‘- নোটন আপনি আমাকে ভিখারির সাথে তুলনা করলেন সাহস কি করে হয় আপনার “।
“- সাহস আমার সবসময় অনেক বেশ সমুদ্র যদি তিনবছর দেশে থাকতেন তাহলে সময় করে দেখিয়ে দিতাম। কিন্তু এখন আপনার সাথে ঝগড়া করার মুড নাই তাই যদি আপনাদের নোংরামি আরো বাকি থাকে দয়া করে রুম থেকে বের হয়ে যান। ঘুম পাচ্ছে ঘুমাতে দেন “।

নোটন যখন বিছানার দিকে যেতে যাবে তখন রাইমা ওর কাছে আসে রাইমা নোটনকে আঙ্গুল দেখিয়ে বলে –
“- দেখো নোটন তুমি কিন্তু অতিরিক্ত করছো তুমি কি মনে করেছো ছয়মাসে তুমি আমার সমুদ্রকে আমার থেকে কেঁড়ে নিবে। কখনো পারবে না সমুদ্রের দেহ মন শুধু আমার এই রাইমার “।
রাইমার কথা শুনে নোটনের হাসি পায় নোটন বলে –
“- দেখো রাইমা তুমি একদম ভুল বুঝছো সমুদ্র চৌধুরী উপর আমার বিন্দু মাএ আগ্রহ নাই। আর সমুদ্র চৌধুরী দেহ মন সব তুমি রেখে দাও শুধু টাকা আমাকে দিয়ে দাও। কারণ টাকা এইরকম সমুদ্র আকাশ বাতাস আমি হাজারটা কিনে নিয়ে আসতে পারবো।
“- নোটন মানে তোমার সমুদ্রের মধ্যে কোনো আগ্রহ নাই?
“- একদম নাহ সমুদ্রকে শুধু আমার টাকার জন্য দরকার এর চেয়ে বেশি আর কিছু নাই। আর রাইমা তুমি সারাজীবন সমুদ্রকে বিয়ে করে দুইটা কমদামি শাড়ি আর দুমুঠো ভাত খেয়ে থাকতে পারবে আমি পারব না। সো এতো পেনিক হয়ো ও না। আর তোমার সমুদ্রকে নিয়ে দয়া করে রুম থেকে বের হয়ে যাও বাহিরে গিয়ে যতো ইচ্ছা নোংরামি করার করো সত্যি আমার খুব ঘুম পাচ্ছে “।

এক বিন্দু ভালোবাসা দাও পর্ব ১

নোটনের কথা শুনে রাইমা কি যেনো একটা ভাবতে থাকে সেটা নোটন হয়তো বুঝতে পারে। নোটন মনে মনে একটা ডেভিল হাসি দেয় সে যেটা চেয়েছে তাই হচ্ছে রাইমার মাথায় সে যে ভাবনা ঢুকিয়ে দিয়েছে সেটাই হবে সমুদ্র আর ওর সম্পর্ক ভাঙ্গার কারণ। নোটন একটু ঝুঁকে রাইমার কানে কাছে গিয়ে বলে –
“- you knou what Raima . Love is beautiful but money is powerful And that’s why i love money. So Get lost okay.
আমি নতুন লেখিকা যদি গল্পে কোনো ভুল হয়ে থাকে তাহলে মাফ করে দিবেন।এইটা আমার প্রথম গল্প তাই ভুল হওয়া স্বাভাবিক আর ভালো লাগছে কমেন্ট করবেন

এক বিন্দু ভালোবাসা দাও পর্ব ৩