এমপি রুশভিয়ান মির্জা পর্ব ১৪
ফাতেমা তুজ জোহরা
দুজনের শ*রী*র একসাথে মিশে গেল। রুশভিয়ান আরো শ*ক্ত করে ইনানের কো*ম*ড় চেপে ধরলো….
রুশভিয়ান ইনানকে নিয়ে পানির নিচে নেমে চলে গেল। পানিতে দুজনের শরীর ঢেকে গেল। ইনান ভ**য়ে আরো শক্ত করে রুশভিয়ানের গ*লা আঁকড়ে ধরলো। রুশভিয়ানের গলার চা*ম*ড়া*য় তার নখ হালকা ভাবে গেঁ*থে গেল। দুজনের শ*রী*র একসাথে মিশে গেল। রুশভিয়ান আরো শ*ক্ত করে ইনানের কো*ম*ড় চেপে ধরলো । ইনান হাঁ*সফাঁ*স করছে পানির মধ্যে। কয়েক সেকেন্ড বাদে রুশভিয়ান মাথা তুলে পানির উপরে উঠে এলো। ইনান ও সাথে সাথে উঠে এলো। অনবরত কাশতে লাগলো ইনান। রুশভিয়ান ইনানের অবস্থা দেখে বাঁকা হাসলো। পরক্ষণেই ধীর গলায় বলল,” ভ**য় লাগছে? বলেই ইনানের দিকে তাকায়।
ইনান কাশি থামিয়ে রুশভিয়ান দিকে তাকালো। এখনো সে শক্ত করে রুশভিয়ানের গ*লা*টাকে আকড়ে ধরে আছে। ইনান কিছু বলল না।শুধু কাঁপতে কাঁপতে মুখটা নিচু করে নেয় । রুশভিয়ান তার কানের পাশ থেকে চুল সরিয়ে কানের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে ফিসফিস করে বলল,” ভ**য় পাওয়ার কিছু নাই, সবকিছু আগের মতোন আছে কিন্তু তোর চেহারা দেইখা মনে হইতাছে অন্য দিনের থেইকা আজকে বহুত ক**ষ্ট পাবি।ইনান কিছুই বুঝতে পারলো না, সে ভ্রু কুচকে আবারো রুশভিয়ানের দিকে তাকায়।
রুশভিয়ান ইনানের থুতনি ধরে মুখ তুললো। দুজনের দৃষ্টি মিললো একসাথে। ইনানের চোখে ভ**য় আর ক্লান্তি বিদ্যমান। আর রুশভিয়ানের চোখে ইনানকে আবারো নিজের করে পাওয়ার নে*শা। রুশভিয়ান ধীরে ধীরে ইনানের ভেজা ঠোঁ*টে শুকনো চু*মু খেলো, প্রথমে হালকা করে খেলো। তার পর নিজের ঠোঁ*টে*র সাথে ইনানের ঠোঁ*ট গুলোকে আকড়ে ধরলো। ফেটে যাওয়া ঠোঁ*ট গুলোকে জি*ভ দ্বারা স্পর্শ করতে লাগলো রুশভিয়ান। ইনানের পুরো শরীর কাঁপতে লাগলো।কিন্তু এই কাঁপুনি জ্বরের কারনে না রুশভিয়ান বেশামাল স্প**র্শ তার ছোট শরীর স**হ্য করতে পারছে না তাই এত কাঁপা-কাঁপি।
এভাবে অনেকক্ষণ ধরে চু*মু খাওয়ার পর রুশভিয়ান ইনানের ঠোঁ*ট গুলো ছেড়ে আস্তে আস্তে গলায় নেমে চু**মু খেতে লাগলো সাথে হালকা কা*ম*ড়। ইনান এবার পুরোটাই বে*শা*মা*ল হয়ে গেল। না স*হ্য করতে পারছে, আর না পারছে বারন করতে। ইনান দাঁতে দাঁত চেপে স*হ্য করতে লাগলো সব অ*ত্যা*চা*র। তার চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে পানি। রুশভিয়ান ইনানের কো*ম*ড় ধরে আরো কাছে টেনে আনলো। রুশভিয়ান দেখে মনে হচ্ছে ইনানকে তার শ*রী*রে সাথে মি*শি*য়ে নিবে।রুশভিয়ান ইনানকে বাথটবের সাথে আরো চেপে ধরে ব*ক্ষ*বি*ভা*জ*নে মুখ ডুবিয়ে দেয়। কিয়তক্ষন বাদে কি মনে করে ছে*ড়ে দিয়ে ইনান কে একঝটকায় কোলে তুলে নেয়। ইনান হকচকিয়ে আবারো আকড়ে ধরলো রুশভিয়ানের গ*লা। রুশভিয়ান এগিয়ে গেল ঘরের দিকে। ইনানের কোন হুঁশ নেই সে রুশভিয়ানের বুকে মাথা রেখে চোখ বন্ধ করে। সে বুঝতে পারছে এই ন*র*ক থেকে কোনদিন ও মু*ক্তি পাবে না সে। হয়তো এটাই তার কপালে লেখা আছে। এরইমধ্যে রুশভিয়ান ইনান বিছানায় আ*ছ*রে ফেলে শুকনো কম্বলটা চাপিয়ে দেয় ইনানের শরীরে।
পরক্ষণেই নিজের শ*রী*র থেকে শেষ ব*স্ত্র টুকু খুলে ইনানের কম্বলের মধ্যে ঢুকে পড়লো। ইনান মনে মনে ভ**য়ে কুঁকড়ে গেল, এইবার হয়তো প্রতিদিনের মতো আবারো অ*ত্যা*চা*র শুরু করবে। কিন্তু তার ভাবনাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রুশভিয়ান ইনানকে টেনে নিয়ে এসে তার প্রশস্ত বুকে আ*ছ*রে ফেলে বলল,” ঘুমা ” এই কথাটুকু বলে রুশভিয়ান ইনান কে বুকে জড়িয়ে চোখ বন্ধ করে নেয়। আর ইনানের ঘুম পালিয়ে গেল। সে হরিণের মতো বড় বড় চোখ করে রুশভিয়ানের দিকে তাকিয়ে আছে। তার বিশ্বাস হচ্ছে এই বেয়া*দপ লোকটা তাকে ছেড়ে দিলো। ইনানের মুখে এক চিলতে হাসি ফুটলো। পরক্ষণেই রুশভিয়ানের কথা শুনে হাসিটুকু মুখ থেকে মিলিয়ে গেল।
রুশভিয়ান চোখ বন্ধ করে বলল,” এত দেখার কিছু নাই, আমি দূর্বল প্রানী শি*কা*র করি না, এমপি হইয়া তোর মতো আ*ধ*ম*রা*কে কাছে টানলে পরে আমার সম্মানে লাগবো তাই ছাড় দিলাম। কালকে সব উসুল কইরা নিবো!
ইনানের হাসিটুকু দপ করে নিভিয়ে গেল। সে রুশভিয়ানের কথা শুনে ভেংচি কেটে মনে মনে বলল,” আমি তোকে অ*ভি*শা*প দিলাম তোর বউ তোকে উঠতে বসতে ঝাটাপেটা করবে।আর তুই সে ভ*য়ে এঘর ওঘর লুকিয়ে বেড়াবি লু**চ্চা এমপি কোথাকার ” ইনান কথা গুলো বলে চোখ বন্ধ করে নেয় । এখন তার মনটা শান্তি শান্তি লাগছে।
রাত সাড়ে তিনটা,,
চারপাশে এমন নিস্তব্ধতা নেমে এসেছে। যেন পুরো পৃথিবী গভীর ঘুমে ডুবে আছে। আকাশ জুড়ে কালো মেঘের আস্তরন, মাঝেমধ্যে চাঁদের ফ্যাকাশে আলো মেঘের ফাঁক গলে বের হওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করছে। দূরে কোথাও রাত জাগা শিয়ালের করুন ডাক ভেসে আসছে। শুকনো পাতার ওপর দিয়ে শীতল বাতাস বয়ে যাচ্ছে। সেই বাতাসে গাছের ডালপালা গুলো কাঁপছে অদ্ভুত এক ছন্দে। মাঝে মাঝে ঝিঁঝি পোকার একটানা ডাক রাতটাকে আরো ভারী করে তুলছে
ঘন অন্ধকার চিড়ে ধীর অথচ দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে যাচ্ছে একজন মানুষ।
তার পুরো শরীর ঢাকা কালো আলখাল্লায়। ভারী কাপড়ের আলখাল্লাটি হাঁটু পেরিয়ে গোড়ালি পর্যন্ত নেমে এসেছে। মাথার উপরে কালো হুড টেনে রাখায় মুখের বেশিরভাগ অংশ ছায়ার আড়ালে লুকিয়ে আছে। দুই হাতে কালো চামড়ার দস্তানা, পায়ে চকচকে কালো চামড়ার ব্যুট।প্রতিটি পদক্ষেপ শুকনো পাতার মচমচ শব্দ করে ভেঙে যাচ্ছে। তার চলার ভঙ্গিতে কোন তাড়াহুড়া নেই, কিন্তু অদ্ভুত এক আত্মবিশ্বাস আর ভ*য়ং*ক*র স্থিরতা স্পষ্ট।
কয়েক মুহূর্তের পর লোকটার পায়ের গতি থেমে গেল। তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে বহু বছরের পুরনো এক পরিত্যাক্ত বাড়ি। বাড়িটির দেয়ালের পলেস্তারা জায়গায় জায়গায় খসে পড়ছে। লাল ইটগুলো বাইরে বেরিয়ে এসেছে, যেন সময়ের নির্মম আঁচড়ে ক্ষ*তবি*ক্ষ*ত হয়ে গেছে। ছাদের অনেক অংশ ভেঙে পড়েছে। জানালার কাঁচ চূ*র্ন*বি*চূ*র্ন, কোথাও কোথাও কাঠের পাল্লা আধখোলা অবস্থা বাতাসে নড়ে উঠছে। মাথায় মোটা মোটা স্তম্ভ গুলো ভেঙে পড়ে আছে। লোকটা কয়েক সেকেন্ড বাড়িটার দিকে তাকিয়ে ভাঙা লোহার গেট পেরিয়ে ভেতরে প্রবেশ করলো।
বাড়ির ভেতরটা আরো ভ*য়ং*ক*র হয়ে আছে। ছাদের কোনায় মাকড়সার জাল ঝুলছে। বাতাসে পুরনো কাঠ, ধূলো আর স্যাঁতসেঁতে গন্ধ মিশে এক অস্তিত্বকর পরিবেশ। মেঝের অনেক জায়গায় ফেটে গিয়েছে, ফাটলের ভেতরে গজিয়ে আছে অনেক আগাছা। ছাদের এক কোনা দিয়ে টুপ টুপ করে গড়িয়ে পড়ছে পানি লোকটা এগিয়ে গিয়ে একটা ভা*ঙা চেয়ারের আরাম করে বসে পড়লো। তার থেকে কিছুদূরে দেয়ালে ঝুলানো আছে একটা ফটোফ্রেম। ফটোফ্রেমে একটা মেয়ের ছবি। মেয়েটার পরনে লাল বেনারসী, পুরো শরীরে গহনাতে ভর্তি হয়ে আছে তার । সব জায়গায় ধুলোর আস্তরন থাকলে ও আশ্চর্যজনক ভাবে ফটোফ্রেমে একটু ময়লা অবধি নেই। । লোকটার ছবিটির দিকে তাকাতেই তার ঠোঁটের কোনে ফুটে উঠলো এক টুকরো হাসি যা অন্ধকারে আড়ালে থেকে গেল।
লোকটা আস্তে আস্তে উঠে এগিয়ে গেল ছবিটির দিকে। কাঁপা কাঁপা হাত বাড়িয়ে স্পর্শ করলো ছবিটাকে। এমন ভাবে স্পর্শ করলো যেন ছবিটা ক**ষ্ট না পায়।পরক্ষণেই লোকটা পুরো ঘর কাঁপিয়ে হাসতে লাগলো। তার হাসির শব্দ পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে আবারো ফিরে এসে পুরো ঘর কাঁপিয়ে তুললো।
ছেলেটা কিয়তক্ষন পর তার পকেট থেকে বের করলো একটা কালো পলিথিন। পলিথিন থেকে গড়িয়ে পড়ছে লা*ল লা*ল তরল পদার্থ। লোকটা পুরো পলিথিন ছুঁড়ে মারলো ফ্রেমটার উপরে, তরল পদার্থ গুলো ছড়িয়ে পড়লো ছবিটার উপরে তরল পানি গুলো চুঁইয়ে চুঁইয়ে পড়তে লাগলো। লোকটা পকেট থেকে সাদা কাপড় বের করে পরম যত্ন মুছতে লাগলো। লোকটা বিরবির করে বলতে লাগলো, ” আই হে*ই*ট ইউ,” কথাগুলো বলতে বলতে লোকটা জোরে ছবিটাকে মুছতে লাগলো। পুরো ছবিটাতে লাগানো আছে অদৃশ্য কাঁটা যা লোকটার হাতে বিঁ*ধে গিয়ে গ*ল*গ*ল করে র*ক্ত গড়িয়ে পড়লো। লোকটা হাত তবু থামলো না এক নাগারে মুছতে লাগলো আর আই হে*ই*ট ইউ বলতে লাগলো লোকটা।
ভেতরের নরম আলো ধীরে ধীরে ভারী পর্দার ফাঁক গলে ঘরের ভেতর ঢুকতে শুরু করেছে। বাইরের গাছে ডালে বসে পাখিরা ডাকছে। রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে নতুন সকালের আর্বিভাব হলে ও ঘরের ভেতর এখনো ভারী হয়ে আছে। সবার আগে ইনানের ঘুম ভাঙল। চোখ খুলতেই কিছুক্ষণ ছাদের দিকে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো। কালকে রাতের ঘটনা গুলো মনে পড়তেই ইনানের বুকের ভেতর হালকা ভাবে কেঁপে উঠলো। ইনান শুকনো ঢোক গিলে চোখ বন্ধ করে নেয়। কিয়তক্ষন বাদে নড়তে গিয়ে বুঝতে পারলো সে কারো বাহুবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আছে।
ইনান ধীরে ধীরে মুখ তুলে তাকালো রুশভিয়ানের মুখের দিকে। গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকা মানুষটাকে এখন আর অতটা ভ*য়ং*ক*র লাগছে না। কপালের উপরে পড়ে আছে এলোমেলো চুল, মুখটা অদ্ভুত এক শান্ত হয়ে আছে। তবু ইনান জানে এই শান্ত মুখের আড়ালে লুকিয়ে আছে ঝড়ের মতো রা*গ আর এ*ক*গু*য়ে*মি*তা
ইনান কোন শব্দ না করে নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করতে লাগলো।
ঠিক তখনই রুশভিয়ান কপাল কুঁচকে ধীরে ধীরে চোখ খুলল। ঘুম জড়ানো দৃষ্টিতে কয়েক সেকেন্ড ইনানের দিকে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় বলল,” এত সকালে কই যাবি? ইনান চমকে উঠলো অতঃপর কোনরকমে বলল,” আ আমি ” তার কথা শেষ হওয়ার আগেই রুশভিয়ান ইনানকে টে*নে তার বু*কে ফেলে বলল,” আমি আমি কি? ইনান আর কিছু বলল না সে শান্ত চোখে রুশভিয়ানের দিকে তাকালো।
রুশভিয়ান ইনানের চুলে না*ক ডুবিয়ে ফিসফিস করে বলল,” রাত থেইকা রোজা রাখছি, এখন রোজা ভাঙমু তারপর তুই মু*ক্তি পাবি?
রুশভিয়ানের কথার মানে বুঝতে পেরে ইনানের কান গ*রম হয়ে গেল। সে লজ্জায় চোখ নিচু করে নেয়। রুশভিয়ান সে সায় পেল ইনানের চোখ নামানো দেখে। রুশভিয়ান তার বলিষ্ঠ একহাত দিয়ে ইনানের চু*ল আকড়ে ধরলো। আরেক হাত গিয়ে ঠেকলো উ*দ*রে। ইনানের সারা শরীর ঘৃ*ন ঘৃ*ন করতে লাগলো রুশভিয়ানের ছোঁয়ায়, কিন্তু কিছু করার নেই। তার হাত পা গুলো অদৃশ্য শি*ক*ল দ্বা*রা আ*ব*দ্ধ। হয়তো আজীবন এই লোকটার বি*ছা*না*র স*ঙ্গী হতে হবে তাকে। রুশভিয়ান একটু নিচু হয়ে ইনানের ঠোঁ*টে*র কাছে গিয়ে আকড়ে ধরলো ইনানের ঠোঁ*ট জো*ড়া।
এমপি রুশভিয়ান মির্জা পর্ব ১৩
পরম যত্নে চু*ষে নিতে লাগলো ঠোঁ*ট গুলো। একহাতে সরিয়ে দিলো চা*দ*র টা।।ইনান চোখের কোন বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে। রুশভিয়ান থেমে থাকলো না ইনানের পুরো শ*রী*র*টা*কে নিজের আ*য়*ত্তে নিয়ে মে*তে উঠলো ই*না*নে। আর ইনান এক হাতে শক্ত করে আ*কড়ে ধ*রলো বিছানার চাদরটাকে। আরেক হাতে আকড়ে ধরলো রুশভিয়ানের পেশিবহুল হাত। ইনানের ন*খ গুলো রুশভিয়ানের চা*ম*ড়া ভেদ করে র*ক্ত বের হয়ে এলো। তবুও রুশভিয়ানের কোন ভ্রুক্ষেপ।
