দুইজনাতেই পর্ব ২১
অলকানন্দা ঐন্দ্রি
“ তবুও আপনি চাইলে আমি পাঞ্জাবী খুলে খালি গায়েই ঘুরে বেড়াব নাহয় বিয়ে বাড়িতে। নো প্রবলেম! ”
সাক্ষ্য এইটুকু বলেই ভ্রু নাড়িয়ে চোখে হাসল। অতঃপর আচমকাই পাঞ্জাবীটায় হাত রেখে দ্বিতীর সামনেই খুলে ফেলল। চোখে হেসে বলল,
“ এভাবেই থাকি হুহ? কি বলেন? ”
দ্বিতী মুহূর্তেই রাগে অগ্নিমূর্তি ধারণ করে তাকাল। পাঞ্জবীটা সাক্ষ্যর হাতে তখন। পরনে তখন হাতা বিহীন সাদা গেঞ্জিটা। ফর্সা বাহুদ্বয় মুহূর্তেই চোখে পড়ল বেশ করে। দ্বিতী চাইল। বুকের দিকটায়ও বেশ উম্মুক্ত। দ্বিতী অন্যসময় হলে হয়তো কিঞ্চিৎ হলেও লজ্জা পেত। বাইরে লজ্জা না দেখালেও ভেতরে লজ্জা ঠিকই পেত। অথচ আজ রেগে শুধাল,
“ সোজা কথায় বলুন, মেয়েদের এটেনশন পেতে চান। এম আই রাইট?”
“ এবসলুটলি রাইট। তবে মেয়েদের নয়, মেয়েটার। ”
মেয়েটার? কোন মেয়েটার? দ্বিতীর নাক লাল হলো তীব্র রাগে। ভ্রু নাচিয়ে টেনে টেনে বলল,
“ ওহ, মেয়েটারররর? গুড! তো, কে সে মেয়ে? ”
সাক্ষ্য হাসল আড়ালে। একদম দ্বিতীর কাছাকাছি দাঁড়িয়ে আচমকায় বাম হাতে দ্বিতীর কোমড় আঁকড়ে টেনে নিল নিজের দিকেই৷ অতঃপর ঝুঁকে গিয়ে দ্বিতীর মুখের কাছাকাছি মুখ ঝুঁকিয়ে, চোখে চোখ রেখে উত্তর করল,
“ ইউ, মিসেস সাক্ষ্য এহসান, অদিতি আন্টির ঘাড়ত্যাড়া মেয়ে এবং আমার আম্মুর আদরের পুত্রবধূ। সো, ক্যান আই গেট ইউর এটেনশন ম্যাম? ”
কথাগুলো বলেই সাক্ষ্য আরেকটু মুখ এগোল। ঠোঁটের কোণে অদ্ভুত এক হাসি রেখে দ্বিতীর দিকে ঠোঁট এগোতেই দ্বিতী কেমন চুপসে গেল যেন। রাগ রাগ মুখটা এবার কেমন নাজেহাল দেখাল পুরুষালি সান্নিধ্যে। তাছাড়া সাক্ষ্যর মুখের হাসিটা? হাসিটা কেমন যেন। সে হাসিটা চোখে পড়তেই শিরশিরে এক অনুভূতি বয়ে গেল দ্বিতীর সারা শরীর জুড়ে। সাক্ষ্য ফের বাঁকা হাসল। ফের বলল,
“ একটু আগের নাক লাল করা দ্বিতীকা তাসনিম এখন ঘাবড়াচ্ছে? কারণ কি? ”
দ্বিতী এতোটা কাছে এবং সাক্ষ্যর হাসিতে নাজেহাল হলেও খুব দেখানোর চেষ্টা করল যে সে ঠিক আছে। খুব ঠিক আছে। তাই তো ভ্রু কুঁচকে বলে উঠল,
“ ঘাবড়াব কেন? সরুন এক্ষুনি। এসব পাঞ্জাবী টাঞ্জাবী খুলে শরীর দেখিয়ে এটেনশন পাওয়া যায় না বুঝলেন? এটেনশন পেতে হলে… ”
দ্বিতী থেমে গেল৷ সাক্ষ্য ততক্ষনে আবার ভ্রু নাচিয়ে বলল,
“ এটেনশন পেতে হলে কি? ”
দ্বিতীর অবস্থান নাজেহাল ঠেকল যেন। বুকের ভেতর স্পষ্ট কম্পন টের পাচ্ছে। নিঃশ্বাস যেন রুদ্ধ হয়ে আসবে। দ্বিতী একদম গা সিঁটকে রইল যেন। তবুও এতোটা কাছাকাছি, তাও যাকে সে অনেককাল যাবৎ ভালোবেসে আসছে সেই। সামান্য পাঞ্জাবী পরলেই, ভার্সিটিতে চোখে পড়লেই তার হৃদস্পন্দের হার বেড়ে দ্বিগুণ হয়। আর এখন হবে না? দ্বিতী তবুও বহু চেষ্টা করল পরিস্থিতি সামলানোর। নিজেকে একদস স্বাভাবিক দেখানোর চেষ্টা করল। বলল,
“ নাথিং! আপনার মতো এটিটিউড দেখানো মানুষজনকে মানুষ এমনিতেই এটেনশন দিবে না ভাই৷ সরুন তো।”
সাক্ষ্য সরল না। বরং একইভাবে দ্বিতীর কোমড় খিচে টানল আরেকটু।আগের মতোই দাঁড়িয়ে থেকে ভ্রু নাচিয়ে বলল,
“ ভাই? ”
“ মানে, স্যার। ”
“ স্যার? ”
দ্বিতীর এবার কেঁদে ফেলতে মন চাইল যেন।হুট করে টের পেল যেন সে নিঃশ্বাস ফেলতে পারছে না। দম আটকে আসবে। তাই তো দ্রুতই সাক্ষ্যকে ঠেলে সরে এল যেন। উত্তর করল,
“ আমার মাথা। এমন ভাবে থাকলে তো আরেকটু হলেই আমি এ্যাটাক ফ্যাটাক করে ফেলব.. ”
সাক্ষ্য হেসে ফেলল কেমন। পিছন থেকেই ভ্রু নাচিয়ে বলল,“এইটুকুতেই? রিয়েলি? ”
দ্বিতী চাইল ঘাড় বাঁকিয়ে। সাক্ষ্যর মুখে তখনও একই রকমের হাসি। যে হাসিটা শরীর শিরশর করতে যথেষ্ট। দ্বিতী মনে মনেই আওড়াল,
“ আল্লাহ এই লোক তো খুব ডেঞ্জারাস পার্সন। দূর থেকে তাকিয়ে থাকি ওটাই বেটার। এত কাছে এলে তো এমনিই হার্ট ফেইল করবে আমার..”
এইটুকু বলেই খেয়াল করল সাক্ষ্য হাসছে ঠোঁট চেপে। যেন বেশ মজা পেয়েছে সে দ্বিতীর ওভাবে সরে যাওয়াতে। দ্বিতী রেগে তাকাল। বলে উঠল,
“ ওভাবে হাসলে একদম মে’রে দিব। চিনেন না আমায় বুঝেছেন? ”
সাক্ষ্য ফের ঠোঁট বাঁকিয়ে হাসে। উত্তর করল,
“ চিনতেই তো চাইছি। দিচ্ছেন আর কোথায় ম্যাম? ”
দ্বিতী আর দাঁড়াতে চাইল না যেন। বুক ধুকফুক করছে তার। দূর থেকে সাক্ষ্য এহসান যতোটা ভদ্র, গম্ভীর, শান্তশিষ্ট কাছ থেকে ততোটাই চালাক মানুষ। দ্বিতী আর দাঁড়িয়ে না থেকে পা বাড়িয়েই বলল,
“ এটিটিউড ওয়ালা লোকজনদের এসব ফ্লার্টিং এ মানায় না। জঘন্য যাচ্ছে আপনার সাখে এই ফ্লার্টিং। ”
সাক্ষ্য ফের ঠোঁট চেপে হাসে। দ্বিতী যেতেই পাঞ্জাবীটা ফের শরীরে জড়াতে জড়াতেই হেসে বলে উঠল
“ উমম! মানায় মানায়। বউয়ের কাছে এলে পৃথিবীর সকল পুরুষের এটিটিউডই ভ্যানিশ হয়ে যায় ম্যাম। ”
বলতে বলতেই হাসল সে। একটু এগিয়ে দরজা দিয়ে চাইল বাইরের দিকে। দ্বিতী ততক্ষনে শামিমদের বারান্দার সোফাটায়। শামিমের মা বাবা কেউ না থাকার দরুনই ঘরটা একদম খালি।জেঠারা, চাচাদের ঘরেই অনুষ্ঠানের সব আয়োজন বলা চলে।
শামিম, নিষাদ একটু আগে এ ঘরে থাকলে ও কিছু সময় আগে বেরিয়েছিল। বাকি সাক্ষ্য আর দ্বিতীই ছিল এতক্ষন। যার কারণেই সাক্ষ্য ইচ্ছে করে বউকে জ্বালিয়েছিল৷ সাক্ষ্য হাসে। রুম ছেড়ে বের হয়েই বলল,
“ সবাই উঠোনে, আপনি কেন এই ভুতুড়ে ঘরে পড়ে থাকবেন? ”
“ আমার ইচ্ছে। ”
“ ঠিকাছে, থাকুন বসে। ”
দ্বিতী ওভাবেই বসে থাকল। শামিমদের ঘরে অনেকদিন যাবৎই কেউ থাকে না দেখেই বুঝা যাচ্ছিল। শামিমও বাড়ি এলে এ ঘরে আসে না। চাচাদের ঘরেই থাকে। এখন অনুষ্ঠান হওয়াতে খুলেছে। দ্বিতী দাঁড়িয়ে চেয়ে চেয়েই দেখছিল। এরই মধ্যে এল এক লম্বা, চওড়া যুবক। প্রথমেই হাত বাড়িয়ে বলে উঠল,
“ হাই ভাবি। আমি রাদিফ। সাক্ষ্যর ফ্রেন্ড। চিনেন? ”
দ্বিতী ফিরে চাইল। রাদিফ? হ্যাঁ। দ্বিতী তো চেনে এই ছেলেকে। চতুর্দশী দ্বিতী যখন সাক্ষ্যকে আড়াল থেকে পরখ করত সর্বদা তখন সাক্ষ্যর সাথে এই ছেলেটাই ঘুরত ফিরত বেশি সময়। দ্বিতী এই রাদিফের থেকে মাঝে মাঝে ভাবও জমিয়েছে সাক্ষ্যর খোঁজখবর নিতে। তাই তো চিনতে অসুবিধা হলো না এত বছরেও। বলল,
“ রাদিফ ব্রো? রিয়েলি? ”
“ ইয়াহ। চিনতে পেরেছো ডিয়ার? ”
দ্বিতী উচ্ছ্বাস নিয়ে বলল,
“ হু হু। কেন চিনব না? অবশ্যই। ”
রাদিফ হাতের দিকে ইশারা দিয়েই বলল,
“হাতটা কবেই মেলে ধরেছি ভাবি…”
দ্বিতী খেয়াল করল এতক্ষনে। হাত বাড়াতে নিয়েই বলে উঠল,
“ হু? সরি সরি.. ”
অতঃপর দ্বিতী প্রায় হাতটা বাড়িয়ে ফেলেছিলই। রাদিফের হাতে হাত মিলাবে ঠিক তখনই কোথাং থেকে যেন সাক্ষ্য ছুটে এল। দ্বিতীর হাতটা এক হাত দিয়ে চেপে ধরেই সরিয়ে ফেলে নিজের অন্য হাত বাড়িয়ে মিলিয়ে নিল রাদিফের হাতটা। অতঃপর মুখে বিস্তর হাসি রেখে দ্বিতীর দিকে চেয়ে বলল,
“ আপনার হাজব্যান্ডের হাত থাকতে আপনার হাতটা কেন শুধু শুধু কষ্ট করবে বলুন? রেস্টু করুক বরং আপনার বাচ্চা বাচ্চা হাতটা। ”
অতঃপর ঐটুকু বলেই রাদিফের কাঁধ চাপড়াল সে৷ হেসে রাদিফকে বাইরে নিয়ে যেতে যেতে বলে উঠল,
“ রাদিফ? নেচে নেচে চলে এসেছিস? ”
“ বিয়ে করেছিস না জানিয়ে, একটু তো ভাবির সাথে পরিচয় হবোই। তাই না? ”
“ তোর মতো প্লেবয় আর ভেজাল লাগানো মানুষ এর সাথে আমার বউ এর পরিচয়ের কোন দরকারই নাই। শুকরিয়া, ভাগ্যিস হাত মিলানোর আগে চোখে পড়েছে আমার। ”
রাদিফ চোখ ছোট ছোট করে জানাল,
“তোর বউ আমার বইনের মতো যা। ”
“ তবুও না। ”
“ যা বইনই হয়। তবুও না? ”
“ আমার বউয়ের সাথে ফ্লার্ট করে এমনিও পার পাবি না। তবুও বৃথা চেষ্টা করে নিজের দুঃখ বাড়াতেই পারিস। তবে ভেজাল লাগানো নিয়ে আমি নিশ্চিন্ত হতে পারব না। দেখা গেল কখন কি ঝামেলা লাগিয়ে দিবি। ”
রাদিফ মুখ কুঁচকে বলে উঠল,
“ ছিঃ! একটু আধটু ফ্লার্টিংই করি আমি, ভেজাল লাগাই না। ”
“ তোকে আমার বিশ্বাস নেই। ”
সাম্য আর কথা শামিমদের গ্রামের বাড়িতে এসে পৌঁছাল একটু আগেই। এসেই শুরু হলো সাম্য একগাঁধা বিচার। কথা গাড়িতে এ করেছে, ও করেছে আরো কত কি। সাক্ষ্য শুধু চুপচাপ শুনে। অতঃপর গম্ভীর স্বরেই জিজ্ঞেস করল,
“ তুই বাসে যাবি ? না গেলে গাড়িতে গিয়ে বস। ”
শামিমের আকদ উপলক্ষ্যে একটা বড়সড়ো রকমের বাস ও ভাড়া করা হয়েছে। সাম্য সেটা একবার দেখেই সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠল,
“ বাসে যাব, বাসে। বাসে কত সুন্দর সুন্দর মেয়ে থাকবে। ”
দ্বিতী হেসে ফেলল। সাম্যর দেখাদেখি সেও বলল,
“ বাসে যাব,বাসে। বাসে কত….”
বাকিটুকু বলতে নিয়েই থেমে গেল দ্বিতী। সাক্ষ্য ভ্রু নাচিয়ে বলল,
“ বাসে কত? কম্প্লিট করুন.. ”
“ বাসে সুবিধা হবে তাই। ”
সাক্ষ্য শুনল। অতঃপর শামিম কিসের জন্য ডাক দেওয়াতে আবার ছুটল। সাম্য ততক্ষনে বাসে উঠে বসল। একটা সিটে আরাম করে বসল। কথা আর দ্বিতী তখনও নিচে দাঁড়ানো। দুইজনের বিভিন্ন রকমের ছবিই তুলছিল দুইজনে৷ সাক্ষ্য ফিরে এসে বাসে বসেছে সাম্যর সিটের পাশাপাশি থাকা একটা সিটেই। ভ্রু নাচিয়ে বলল,“ এই দুইজন কোথায়? ”
“ ঐ যে ঢং করে। গাড়ি ছেড়ে দিবে, অথচ এদের ছবি তোলাই শেষ হয় না ভাইয়া। ”
সাক্ষ্য ভ্রু কুঁচকে সাম্যর ইশারা বরাবরই চাইল। হু, ছবি তুলছে দুই রমণী। আশ্চর্য! সাক্ষ্য চোখ ছোট ছোট করেই চেয়ে রইল পলক না পেলে। অদিতি আন্টির মেয়েটা একটু রাগটাগ করে বলেই কি এই ভালো লাগা? নাকি ড্যাবড্যাব করে চেয়ে থাকত বলে? কোন কারণে? সাক্ষ্য বহু চেষ্টা করেও কারণ পেল না। তবে দ্বিতীরা তারও অনেকটুকু সময় পর গাড়িতে উঠল। সিট তখন প্রায় বেশির ভাগই পূর্ণ। দ্বিতী যখন উঠতে নিচ্ছিল তার আগেই প্রায় হন্তদন্ত হয়ে নিধি উঠল। অতঃপর সাক্ষ্য এবং সাম্য দুইজনের সিটের কাছে গিয়েই থামল। দুইজনের পাশেই একটা করে সিট খালি। দ্বিতী শুধু ভ্রু কুঁচকে ছিল। অপেক্ষায় ছিল নিধি মাত্রই বুঝি সাক্ষ্যর পাশে বসে পড়বে। বোধহয় বসেও পড়ত। তবে তার আগেই সাক্ষ্য বলে উঠল,
“ নিধি, পিছনে সিট আছে নিষাদের পাশে। দেখো। ”
নিধি বোধহয় চাইলেও আর দাঁড়াতে পারল না। দ্বিতী শুধু দেখল নিধির চলে যাওয়া। পরমুহূর্তেই সাম্যকে জিজ্ঞেস করল উচ্ছ্বাস নিয়ে,
“ সাম্য ভাই? আমি তোমার পাশে বসি হুহ? ”
সাক্ষ্য ভ্রু জোড়া কুঁচকে শুনল। দ্বিতী যে মাত্রই সাম্যর পাশে বসতে নিচ্ছিল ঠিক তখনই হাত দিয়ে টেনে ধরল দ্বিতীর বাহু। দ্রুতই টেনে বসাল নিজের পাশে। সাম্য তখন মাত্রই অন্যদিকে ফিরেছিল। চোখ ফিরিয়ে এদিক তাকাতেই দেখল দ্বিতী উধাও৷ পাশ ফিরে চাইতেই দেখল সাক্ষ্যর পাশে বসেছে। কথা ততক্ষনে তার পাশে বসেছে। সাম্য তা দেখেই নাক মুখ কুঁচকে নিল কেমন করে যেন।বলল,
“ যারে সহ্য করতে পারি না সেই সবসময় আমার আগে পিছে পাশে থাকে। কেন ভাই কেন? কোন দুঃখে? ”
সাক্ষ্য অবশ্য ওদিকে মন দিল না। দ্বিতীকে পাশে বসিয়েই ফিসফিস স্বরে দ্বিতীকে বলে উঠল,
“ জ্বলজ্যান্ত হাজব্যান্ড থাকতে অন্যের পাশে বসবেন কোন দুঃখে? ”
দ্বিতী উত্তর করল না। যদি নিধি না আসত সে অবশ্যই বসত সাক্ষ্যর পাশে। নিজে থেকেই বসত। কিন্তু নিধি এসে এখানে দাঁড়াল কেন হুহ? এইটুকু ভেবে যখন চুপ থাকল ঠিক তখনই শামিমের কোন এক আত্মীয়া যাচ্ছিল পাশ দিয়ে। দ্বিতীকে দেখে নিয়েই বলে উঠল,
দুইজনাতেই পর্ব ২০
“ শামিমের বন্ধুর বউটা বুঝি এ মেয়েটাই? মাশাল্লাহ দুইজনকেই খুব মানিয়েছে তো। ”
সাক্ষ্য মাথা নাড়াল দ্রুতই। হেসে বলল,
“ জ্বী, জ্বী আন্টি। ”
দ্বিতী ভ্রু বাঁকাল। সাক্ষ্য হেসে বলল কথাটা? বাহ!আওড়াল, “ জ্বী, জ্বী আন্টি।”
