Home নীরব উন্মাদনা নীরব উন্মাদনা পর্ব ১৪

নীরব উন্মাদনা পর্ব ১৪

নীরব উন্মাদনা পর্ব ১৪
সুরাইয়া জিয়াসমিন

_আরহাম চুপ করো,, অনেক হয়েছে,,এই বিষয়ে তুমি interfere করবে না মানে করবে না,,,একটু লাজ লজ্জা রাখো এটা তো বিদেশের মাটি না এটা দেশের মাটি,,যেখানে তুমি বসবাস করছো,,,এখানে তোমার খোলা মেলা ভাব চলবে না,,,
আরহামের মায়েয় কথায় প্রচন্ড রাগ হলো,,সে কেনো এই বিষয়ে নাক গলাবে না,,,তবে বেশি জুরাজুরি করলো না,, যেহেতু তার মা না করছে তাহলে এই বিষয় সে পাশে রেখে দিক,,

নুবা নিচু কন্ঠে বলে উঠলো
_ আজ না করলে হয় না,,,
_ না নুবা,,, doctor বলেছে প্রতিদিন করতে,
নুবা মাথা ঝুঁকিয়ে বললো
_ জানি,, কিন্তু আমার কেমন জানি লাগছে,,
নুবার লজ্জায় গাল লাল হয়ে যাচ্ছে,,সে আগে যদি জানতো শুধু ওষুধ না এই সবো করতে হবে তাহলে সে নির্ঘাত ওখানেই মরে যেতো,,,
আমিনা বেগম নুবার রক্তিম গাল দেখে বুঝে গেলো মেয়েটা বেশ লজ্জা পাচ্ছে,,তাই নরম কন্ঠে বললো
_ তোর যা আছে আমারো তাই আছে,,এতো কিসের লজ্জা,,
নুবা হাত কচলে বললো,,
_ তার পড়েও,, কেমন জানি,,,
আমিন বেগম দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বললো
_ আমার কাছে লজ্জা লাগলে তোর মাকে বলি,,
নুবা মাথা ঝুঁকিয়ে বললো

_ না না মায়ের কাছে আরো uncomfortable ফিল করবো,,,এর থেকে ভালো আমিই করি,, হ্যাঁ,,তোমরা যাও,,
_ তুই একা পারবি না মা
_ পারবো,,
_ আচ্ছা শিখিয়ে দি,,শিখিয়ে তো দিতে হবে
নুবা মাথা ঝুকালো,,,
আমিনা বেগম হাজেরা আর আরশিকে রুম থেকে বেড় করে দিলো,,,নুবা দাঁত দিয়ে নক খুঁটতে লাগলো বেশ সময় ধরে,, আমিনা বেগম নিরাশ হয়ে বললো,,
_ ড্রেসের উপড় দিয়ে pump দিবো নাকি বলদ,,
নুবা শুকনো ঢোক গিললো,,,এতোটা লজ্জা লাগছে যা হয়তোবা তার বাসর ঘড়েও লাগবে না,,
অনেক সময় অতিবাহিত হওয়ার পর নুবা বাধ্য হলো এই কাজটা করতে,,
নুবা চোখ মুখ খিচে নিলো,,, শরীর কাঁপছে তার,,গাল গড়ম হয়ে গেছে,,নুবা বারবার শুকনো ঢোক গিললে লাগলো,,
আমিনা বেগম নুবার অবস্থা দেখে তাকে স্বাভাবিক করার জন্য বললো

_ আমার সামনেই এমন করছিস জামাই এর সামনে কি করবি,,
নুবা আরো গুটিয়ে গেলো,,,বিরবির করে বললো
_ চাচিইইইই,,,
আমিনা বেগম টিস্যু দিয়ে বু ক পরিষ্কার করতে নিলেই নুবা চমকে উঠলো,, হঠাৎ স্পর্শকাতর জায়গায় হাত লাগায় তার মস্তিষ্ক তাকে সচেতন করলো,,,
নুবার এরপর কাপাকাপি দেখে আমিনা বেগম দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বললো
_ নুবা,,তোর এরকম বেহাল অবস্থা দেখলে আমার নিজেকে দোষ দিতে ইচ্ছে করছে,মনে হচ্ছে আমি তোর সাথে কোনো অপরাধ করে ফেলেছি,,,
আমিনা বেগমের এরকম কতর কন্ঠ শুনে নুবা কম্পিত কন্ঠে বললো
_ ,,আ,,আসলে প্রথম তো তাই এমন হচ্ছে,,i think সব ঠিক হয়ে যাবে,,, তুমি এভাবে বলো না,,
পরবর্তী ধাপে নুবা নিজেকে শক্ত করে চেপে রাখলো,,,আমিনা বেগম ব্রেস্ট পাম্প সুন্দর করে বসিয়ে বললো,,
_ এভাবে সেট করবি তার পর পাম্প দিবি,৩/৪ ঘন্টা পর পর ১৫/১০ মিনিট করে পাম্প করবি বুঝেছিস,,,
নুবা মাথা ঝুকালো,,,আমিনা বেগম সব প্রসেস বুঝিয়ে দিলো,,,তিনি নিজে ৩/৪ বার পাম্প করে বুঝিয়ে দিলেন,,

তবে নুবা নুবা অনুভব করলো ৪ বারের বার তার বুকে শুক্ষ ব্যা থা অনুভব করছে সে,,
আমিনা বেগম নুবাকে চেষ্টা করতে বললো তবে তার দাঁড়া হলো না,,নুবা হাত বাকিয়ে ঠিক মতো শক্তি প্রয়োগ হয়ে পাম্প করতে পারছে না,,তার সাহায্যে প্রয়জন,,,একে তো সে খুব নার্ভাস,,তার উপর বুকে হালকা ব্যথা হচ্ছে,,তাই নুবা সাহস জুগিয়ে শক্তি প্রয়োগ করতে পারছে না,,
নুবা আমিনা বেগমের দিকে তাকিয়ে বললো
_ আমার দাঁড়া হবে না চাচি,,, অনেক কষ্টদায়ক আমার হাত বাঁকিয়ে যাবে,,,
_ বলেছিলাম পারবি না,,, 🫠
নুবা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে মাথা ঝুকালো,,,আমিনা বেগম নিজ দায়িত্বে নিজের মেয়ের জায়গায় নুবাকে বসিয়ে সৎ মনে নুবাকে সাহায্য করলো,,তবে suction যতো বাড়লো নুবা হতভম্ব হয়ে গেলো,, কারণ ১০ মিনিটেই তার বুক ব্য থা শুরু হয়ে গেছে,,নুবা না পেরে আমিনা বেগমের হাত ধরে বসলো বিরবির করে বললো

_ এখন আর না চাচি,,বুক ব্য থা করছে,, প্রচন্ড,,
_ আর ৫ টা মিনিট সহ্য কর,,,
নুবা ব্য থা সহ্য না করতে পেরে কেঁদে ফেললো,,প্রথব বার এরকম অনুভুতি হওয়ায় ভয় আর ব্যথায় তার চোখ গড়িয়ে পানি পড়লো,,,নুবার কান্না কাটি দেখে আমিনা বেগম নুবাকে ছেড়ে দিলো,,,
নুবা বিরবির করে বললো
_ এটা ৩/৪ ঘন্টা পড় পড় করলে আমি মরেই যাবো,,এর থেকে ভালো আরয়াকে দিয়ে বুক টানাও চাচি,, ahhh,,
আমিনা বেগম হেসে ফেললো,,নুবার মাথায় হাত বুলিয়ে বললো
_ অন্ততপক্ষে ২/৩ দিন এটা করতে হবে মা,,,তার পর না হয় আয়ারকে দিয়ে ফিড করানো হবে,,
নুবার শরীর ছেড়ে দিলো,,বুক লাল হয়ে গেছে,,,

হাজেরা বেগম মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে বললো
_ কি হয়েছে,,
নুবা তার মাকে জিরিয়ে ধরে বললো
_ মা,, আমার মনে হচ্ছে আমার এই সিদ্ধান্ত আমার উপর অনেক ভারি পড়বে,,,৩/৪ ঘন্টা পর পর পাম্প করতে হবে আমি মরেই যাবো,,
হাজেরা বেগম মেয়ের খারাপ লাগার কথা বুঝতে পেরে একটু রাগ হলো তার তবে কিছু বললো না কারণ এখন আর কি করার তাই মেয়েকে শান্তনা দিয়ে বললো
_ প্রথমবার তাই খারাপ লাগছে,,,আর যেহেতু সিদ্ধান্ত নিয়েছিস পিছনে তো সারতে পারবি না,,,
নুবা চুপ করে রইলো আসলেই সে পারবে না,,

তখন প্রায় সন্ধ্যা,,বাইরে কালো মেঘ জমেছে,,নুবা বিছানায় লুটিয়ে আছে একটু আগেই ব্রেস্ট পাম্প করেছে ,,পাশে পড়ে আছে ফল,,,এখন তার অবস্থা খারাপ,,,সে না পরছে কান্না করতে আর না পারছে কিছু বলতে,,, কারণ এটা তারি নেওয়া সিদ্ধান্ত,, এদিকে পাশে পড়ে আছে ফল,,হালকা খাবার,,আমিনা বেগম দিয়ে গেছেন,,যাতে একটু পর পর নুবা খেতে পারে ,,

আমিনা বেগম রাতের রান্না চড়াতে চড়াতে চিল্লিমে বললো
_ বাইরে বৃষ্টি আসছে,,ছাদে কত গুলো কাপড়,, আমার হাতে কাজ,,এই তানিয়া কোথায় গেলে তুমি,,
_ আফা আমিও কাজ করতেছি,,হাতে মচির বাটা,,
_ আমার হাতেও কাজ কি যে করি,,,
নুবা এত সময় সবি শুনছিলো সে উঠে বসলো,,বুকে হাত দিয়ে বাইরে এসে বললো
_ মা আমি যাচ্ছি,, তুমি কাজ করো
হাজেরা বেগম বিচলিত কন্ঠে বললো
_ যেতে পারবি তো,,
নুবা যেতে যেতে বললো
_ আমি এতোটাও অসুস্থ না,,

নুবা সব কাপড় হাতে তুলে নিচ্ছে,,আকাশ কালো হয়ে আসছে,,তুমুল ভাবে বাতাস বইছে,,,
হঠাৎ নুবার কাজে বাঁধা পড়লো,,কেউ তার পিছনে দাঁড়িয়ে আছে,,নুবা চট করে পিছনে তাকালো,, পরপরই দেখলো আরাফ দাঁড়িয়ে আছে,, হয়তোবা আজ তাড়াতাড়ি এসেছে,,
নুবা আরাফকে দেখে একটু ভয় পেলো তাই তাড়াতাড়ি কাপড় তুলে নিচে যাওয়ার পায়ে তার করলো তবে আরাফ নুবাকে থামিয়ে দিয়ে বললো
_ সম্পর্ক ব্যতিত আমার সাথে শু তে পারবি না কিন্তু সম্পর্ক ব্যতিত অন্যের বাচ্চকে দুধ খাওয়াবি তাই না,,
নুবা দাতে দাত চেপে বললো
_ আমার ইচ্ছা,,
_ কেন করলি এমন,,না করলেও পারতি,, তুই তো জানতি আমি তোর বডি ফিটনেস কতো পছন্দ করি
নুবা চোখের পলক ফেলে শান্ত কন্ঠে বললো
_ যদি পারতাম তবে আপনার এই শকুনের নজর আর হাত যেখানে যেখানে পড়েছে তা সব পুড়িয়ে ফেলতাম,,তবে তা সম্ভব না,,,
আরাফ হেসে বললো
_ সামান্য বুক চাপলে সহ্য করতে পারিস না,, কান্না কাটি করে ঘড় ভাসাস আবার শরীর ঝলসে দিতে চাস,,আর কি যেনো হ্যাঁ,তুই নাকি বিয়ে করে সংসার পাততে চাস,, জামাইকে কিভাবে কন্ট্রোল করবি,,, হ্যাঁ,দেখা গেলো কিছু করতে দিলি না পরে অন্য নারীর কাছে না চলে যায়,,(বলেই আরাফ ঠোঁট হেলিয়ে হাসলো,)
নুবার কান ধরে গেলো সে রাগি কন্ঠে বললো

_ মুখ সামলে কথা বলুন,,,
_ মুখকে সামাল দিয়েই রেখেছি না হলে এতো সময় তোর কোথায় কোথায় মুখ মারতো জানিস,,
নুবার সহ্য হলো না ঠাস করে আরাফের গালে চড় বসিয়ে দিলো,,,রাগে কম্পিত কন্ঠে বললো
_ আর কিভাবে বললে আপনি বুঝবেন আপনি একটা জঘন্য মানুষ,, আপনার নিজের বিবেকে বাঁধে না নিজেকে আমার কাছে এতো ছোটো করতে ছি,,, এখন আপনার চেহারা দেখলেও আমার গা গুলিয়ে আসে,,এখনো সময় আছে মানুষ হোন না হলে আমি সবাইকে সব কিছু বলে দিবো,,,
বলেই নুবা চলে যেতে লাগলো,,,আরাফ যেতে দিলো না,,নুবার কাপড়ের ডের থেকে একটা ওরনা নিয়ে নিলো আরাফ,,ছাদ পার কররা আগেই আরাফ নুবাকে পিছন থেকে হামলা করলো,,, হঠাৎ মুখের উপর কাপড়ে পড়েই নুবা হকচকিয়ে গেলো,,হাত থেকে কাপড় গুলো পড়ে গেলো,,
নুবার কিছু বুঝে উঠরা আগেই আরাফ ওরনা দিয়ে শক্ত করে নুবার মুখ পেঁচিয়ে দিলো,,,নুবা দুই হাত দাঁড়া আরাফকে আঘাত করলে,,আরাফ তার দুই হাত পিছন দিয়ে মুচরে ধরলো,,, পরপরই তাকে ছাদের উচু নিচু পাকায় ফেলে দিলো,

হঠাৎ এরকম পড়ে যাওয়ার নুবার এক পাশের গাল ছিলে গেলো,,নুবা উহু উহু করতে লাগলো কারন সে মুখে ওরনা পেচানোর কারনে কথা বলতে পারছে না,,,,
আরাফ অন্য একটা কাপড় দিয়ে নুবার হাত বেঁধে দিলো,, অতঃপর নুবার কমড় অবদি কুকুড়ানো চুলের খোঁপা খুলে চুল নিজের হাতে পেঁচিয়ে তাকে হেচরে টেনে ছাদের এক কোনায় নিয়ে যেএ ফেললো,,,
দেওয়ালের সাথে ধাক্কা খেএ নুবার কপাল ফুলে উঠলো,, উল্টো করে টেনে আনায় নুবার বুক,,পেট সবে ছিলে গেলো,, রক্ত ঝড়তে শুধু করলো,,,
ব্যথায় নুবার চোখ দিয়ে ঝড়ঝড় করে পানি পড়লো,,,আরাফ নুবার চুলের মুঠি আরো শক্ত করে
ধরলো অতঃপর নুবার সামনে হাঁটু গেড়ে বসে লাগে দাঁতে দাঁত চেপে বললো,,,
_ ১ বার নয় ,,২,, দুই বার তুই আমার গায়ে হাত তুলেছিস,, তুই কি ভাবছিস আমি কিছু বলবো না,,,আজ তোর এমন অবস্থা করবো যে সারাদিন আমার দিকে গলা উঁচু করে কথা বলার আগে ১০০ বার ভাববি,,,
নুবার শরীর তিরতির করে কেঁপে উঠলো,,,নুবা মাথা ঝুঁকিয়ে না করতে লাগলো,,
আরাফ নুবার পা থেকে মাথা পর্যন্ত এক বার দেখে নিলো,,নুবা গুটিয়ে গেলো,,হু হু করে কেঁদে উঠলো,,,
আরাফ নুবার সুন্দর বদনে হাত বাড়ি দেওয়ার আগেই ছাদ থেকে শব্দ ভেসে আসলো,,কেউ ধুপধাপ পা ফেলে ছাদে আসছে,,,আরাফের রাগে মাথা ফেটে গেলো,,,এবারো নুবা তার হাত থেকে গেলো,,আর ১০ মিনিট পর আসলে কি হতো,,

আরাফ নিজের রাগ সংশোধন করে নুবার দিকে তাকিয়ে দাঁতে দাঁত চেপে বললো
_ এই এই বিষয়ে কেউ জানে তবে মনে রাখিস সর্বপ্রথম তোর ইজ্জতে হাত দিবো,,খোলা বাজারে তোকে উলঙ্গ করে ঘুরাবো,,আর তার পর তোকে টুকরো টুকরো করে কুকুরকে খাওয়াবো আর আমার রাগ সম্পর্কে তোর ভালো মতো জানা,,
বলেই আরাফ নুবার হাত মুখ খুলে দিলো,,নুবা টু শব্দও করলো না,,আরাফ পাশের পাইপ বেয়ে একটা রুমের বারান্দায় চলে গেলো,,,

নুবা ওখানেই বসে ফুঁপিয়ে উঠলো,,বুকটা অনাবরত কাঁপছে,,,তার সাথেই কেনো এমন হয়,,,নুবা দুই হাত দিয়ে মুখ চেপে কেঁদে উঠলো,,,এই মানুষ টাকে সে এক সময় ভালোবেছিলো কতোই না স্বপ্ন দেখছিলো,,নুবার ভাববেও কষ্ট হয় যে,,যে আরাফ তাকে আগলে রাখতো সেই এখন তার সম্মান লুটে পুটে খাওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে,, কেনো,,তার ভিতরে তো এমন কিছু নেই,,আরফ কোন মোহো তার পিছনে হাত ধুয়ে পড়েছে,,,সে কি অনেক সুন্দর?
এই প্রশ্ন না নিজেই নিজেকে করলো নুবা,,, মানুষ কতোটা স্বার্থপর নিজের কামনা মিটানোর জন্য নুবার ছোট্ট মনটাকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিলো,,
নুবা যখন বুঝতে পারলো কেউ একজন ইতি মধ্যেই ছাদে চলে এসেছে,,নুবা উঠে দাঁড়ালো,,পাশে পড়া ওরনা গায়ে জড়িয়ে নিলো,,,
নুবা এগিয়ে যেএ দেখলো আরহাম দুই পকেটে হাত গুঁজে দাঁড়িয়ে পড়ে থাকা কাপড় গুলোর দিকে তাকিয়ে আছে,,
আরাহাম যখন টের পেলো সামনে কেউ সে ফিরে তাকালো,,,নুবা কোনো দিকে না তাকিয়ে কাপড় গুলো তুলে নিলো,,,

আরহাম নুবাকে ভূতের মতো চুল ছেড়ে রাখতৈ দেখে বললো
_ এই সময় ছাদে তাও এই অবস্থায় কেন,,
নুবা শুকনো ঢোক গিলে বললো
_ কাপড় নিতে এসেছিলাম,,বাতাসে চুল খুলে গেছে,,
আরাহাম অন্ধকারের তারনায় নুবার রক্তাক্ত মুখ দেখতে পারলো না,,
নুবা কথা টুকু বলে সিরির দিকে এগিয়ে গেলো,,, আরহাম পিছন ফিরে তাকিয়ে রইলো,,তার কাছে কিছু একটা উল্টা পাল্টা লাগলো তবে বেশি প্রশ্ন করলো না কারন সে এতো বেশি কথা বলে মোটেও পছন্দ করে না,, প্রয়জন পড়লে বলে না পড়লে না,,
নুবা দুই সিরি পার করে হাঁটতে যেএ ঝুলতে থাকা কাপড়ে পা বেঁধে ৬ সিরি উল্টে পড়লো,, হঠাৎ এমন হওয়ায় আরাহামো বেশ চম্কে উঠলো,, তাড়াতাড়ি ছুটে গেলো,,,
_ নুবা,,,,,
আরহাম ছুটে যেএ নুবাকে কোলে তুলে নিলো,, অতঃপর সিরিতে লাগানো লাইটের আলোতে চোখে পড়লো মুখের এক পাশ ছিলে গেছে,,কপাল ফুলে আছে,,,আরহাম ভুরু কুঁচকে নিলো,,
_ এই মেয়ে উঠো,,,নুবা,,এই নুবা,,,
তবে নুবা উঠলো না,,,

নুবাকে কোলে নিয়ে লিভিং রুমে আসতে দেখে আরাফের শরীর জ্বলে উঠলো,,,তার জেনো সহ্যই হলো না এই বিষয়টা,,,
আরহাম নুবাকে এনে সোফায় শুইয়ে দিলো ,,এর ভিতরে ঝড়ের তান্ডব শুরু হলো,,,সবাই দৌড়ে আসলো,আর নুবার এই অবস্থা দেখে চম্কে উঠলো,,,
হাজেরা অবিশ্বাস চোখে আরাহামেল দিকে তাকালো,, কারণ তার মনে হচ্ছে,,এই অবস্থার জন্য আরহাম দাই,,,
হাজেরা মেয়েকে বুকে জরিয়ে নিলো,,তানিয়াকে তাড়া দিয়ে বললো
_ পানি,,পানি নিয়ে আসো,,
এরি মধ্যে আরশি আমিন আয়রাকে নিয়ে নিচে নেমে এলো,,,

নুবা চোখ খুলে সব দিকে একবার চোখ গুড়িয়ে নিলো,, হাজেরা কান্না করতে করতে বললো,,
_ কি হয়েছে রে মা,,, এমন হলো কি করে,,,
নুবা মায়ের দিকে তাকিয়ে ফুঁপিয়ে উঠলো,,, পরপরই মাকে জাপটে ধরলো,,হাজেরা বেগম আরো ভেঙ্গে পড়লো,,, কম্পিত কন্ঠে বললো

নীরব উন্মাদনা পর্ব ১৩

_ কি হয়েছে,,, হ্যাঁ,,,,বল,,মাকে বল নুবা,,
হাজেরা বেগম মেয়ের দুই গাল আগলে নিলো,,নুবা মায়ের থেকে চোখ সরিয়ে পিছনে তাকালো,,নজরে পড়লো আরাফ বুকে হাত গুজে দাঁড়িয়ে আছে,,তার চোখ দুটো জ্বলজ্বল করছে,যেনো নুবাকে ঝলসে দিবে
নুবা মায়ের বুকে মুখ গুজে বিরবির করে বললো

নীরব উন্মাদনা পর্ব ১৫

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here