প্রেমঘোর পর্ব ৫+৬
নার্গিস সুলতানা রিপা
ভাবী আর প্রাপ্তি(সাদাদের কাজিন) নৌশিনকে বাইরে নিয়ে যায়।আর এদিকে সাদাদ ঘুমিয়ে পড়ে।
ভাবী নৌশিনকে সবার সাথে দেখা করায়,নৌশিন বাসার টুক টাক কাজে হাত লাগায়।
নিপা:কি ব্যাপার নৌশিন??রাতে ঘুম কেমন হলো?(দুষ্টামি করে)
ভাবী:কি যে বলিস না নিপা তুই…গিয়ে দেখ সাদাদ এখনোও ঘুমায়..রাতে ঘুম হলে কি আর এখন ঘুমাতো নাকি😃😃
!নৌশিন কি বলবে বুঝতে পারছে না!
নিপা:দেখতে তো হবে…এমন কেউ সামনে থাকলে কি ঘুম আসার কথা ☺☺!
ভাবী:যা বলসিস…
!নৌশিন মুচকি হেসে ফলে লজ্জায় পড়ে যাচ্ছে!
ভাবী:হয়েছে আর লজ্জা পেতে হবে না,ঘরে যাও তুমি এখন নাকি!
নৌশিন:না না ভাবী থাকি না, এখানেই তোমাদের সাথে,তাছাড়া একটু কাজ করলে সময় টাও ভালো কাটবে।
নিপা:আচ্ছা থাকুক তবে ও,নৌশিন???কোনো সমস্যা হলে বা কিছু লাগলে ভাবী বা আমাকে সাথে সাথে জানাবা..কোনো ফরমালিটি করার দরকার নেই।কেমন!
নৌশিন :জ্বি আপু।
ভাবী:এই নৌশিন লুচি ভাজতে জানো?
নৌশিন :হ্যাঁ ভাবী..তুমি এই দিক টা দেখ আমি বাকী গুলো ভেজে দিই।
ভাবী:ওরে নতুন বউ☺☺…একদম এতো পাকামো করতে হবে না।হাতে হঠাৎ লেগে গেলে দেবর মশাই পাগল হয়ে যাবে।
আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন
নৌশিন:কিচ্ছু হবে না ভাবী. দিয়েই দেখো না।
!সাদাদের মা রান্না ঘরে এসে যায়!ওদের কথা শুনতে পায়!
“না না বড় বউ মা, এই টুকু মেয়ে ওকে এইসব করতে দিও না”
!নৌশিন শাশুড়িকে সালাম করে!
“এই প্রান্তুি নৌশিনকে ওর রোমে দিয়ে আয়”(ভাবী)
“নৌশিন যাও এবার -অনেক কাজ হয়েছে..রান্না তো শেষই প্রায়..তুমি দেখ সাদাদ ওঠলো কি না..ওকে নিয়ে নিচে এসো,আমি আর নিপা খাবার রেডি করছি”
!নৌশিন রোমে চলে যায়!
!সাদাদ ঘুমাচ্ছে!
!নৌশিন নিজের ফোনটা হাতে নিয়ে, ওর মায়ের কথা ভাবতে থাকে,ফোন করেও ফেললো!
“হ্যালো মা…তুমি তো আমাকে একটা বারও মনে করলা না…একদিনেই এই অবস্থা😞😞”
“না না মা কি বলে..আমি তোকে ফোন দিতাম একটু পরেই..সকাল বেলা তাই দিই নি”
“হুম।। এখন তো বলবাই😞😞”
“আচ্ছা কি করিস মা??আর বাসার সবাই কেমন রে??কোনো সমস্যা হচ্ছে না তো?”
“এই তো বসেই আছি..আর কোনো সমস্যা নেই মা।।সবাই খুব ভালো.,মা বাবা কোথায়?”
“তোর বাবা বাইরে গেল..কিছু কেনা কাটা করতে..”
“ও।।আর তুমি কিন্তু আসবা বিকেলে সবার সাথে…”
“আমি কি করে যাবো বল তো… তুই সবার সাথে আসবি..আমার তো এই দিকে আবার সাদাদের জন্য কত কিছু আয়োজন করতে হবে”
“ওহ্ মা😞”
!নৌশিন কথা বলতে বলতে সাদাদ ওঠে যায়।।।নৌশিনের কোলে হঠাৎ মাথা রাখায় চমকে যায় ও”
“নৌশিন নে তোর ভাবীর সাথে কথা বল”
“হুম।দাও।।”(সাদাদের চুল হাত দিতে দিতে)
“কি রে ননদীনী..কেমন হলো”
“কিছুই হলো না ভাবী…”(সাদাদ নৌশিনের পেটের দিকে নিজের মুখ এগিয়ে নিয়ে যায়।।।নাক ডুবিয়ে দেয়।।।নৌশিন ফোনে কথা বলছে, তাই সাদাদকে কিছু বলতে পারছে না..হাত দিয়ে ফেরানোর চেষ্টা করে বৃথা হয়…সাদাদ হঠাৎ নাভীতে চুমু দিয়ে দিলে শিউরে ওঠে নৌশিন!
“কিচ্ছু হয় নি মানে কি??(নৌশিনের ভাবী)
“নৌশন সাদাদের জন্য ভালো ভাবে কথায় বলতে পারছে না”হুম তো ভাবী…”
“এই শোন আমি ফোন রাখলাম আগে বাসায় আয় পরে তোকে দেখছি..”বলেই ফোন রেখে দেয়”
“কি ব্যাপার এমন কেনো করছো??ফোনে কথা বলছিলাম তো”(সাদাদকে)
“ওমম্….আদর করছিলাম একটু”
“ওহ্ তাই…ঘুম শেষ আপনার?”
“জ্বি মেডাম..এই চুল গুলো তে ভালো ভাবে হাত লাগাও তো!”(সাদাদ)
“ইশ।।।পারবো না”(নৌশিন)
“পারবা না মানে..?”
“হুম পারবো না..”
“ওকে ছাড়ো..লাগবে না..একটু লিপস্টিক খেতে দাও ”
“কিহ্..সেটা খাবার জিনিস😒😒।।।”
“হুম খুব টেস্টি”
“ওকে আনি তবে..”
!ওঠে চলে যেতে যাবে..সাদাদ হাত ধরে ফেলে..”কি হলো??কই যাও..?”
“তুমিই তো বললা লিপস্টিকেরর কথা…”
!সাদাদ বিছানা থেকে ওঠে নৌশিনের কাছে যায়”লিপস্টিক তো…নৌশিনের ঠোঁটের দিক মুখ বাড়িয়ে”এই তোমার ঠোটে জানেমন।। এই খান থেকে যা খাওয়ার খাবো!
(নৌশিনের ঠোট ঠোট রেখে চুমু দিতে শুরু করে..নৌশিন ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে ওর কমড়ে হাত দেয়।।।আস্তে আস্তে এক পর্যায়ে বেডে নিয়ে যায়।।।ওর ঠোটে কিস করতে করতেই ওকে শুইয়ে দিয়ে নিজেও ওর উপর ওঠে গলায় কিস করতে যায়…এবার মেয়েটা কথা বলার সুযোগ পায়”সাদাদ কি করছো?”
“উমমমম্মা…আদর ভালোবাসছি”
“ছাড়ো আমায়।।।কেউ এসে যাবে।। দরজায় খুলা তো…”
“হুম কেউ আসবে না…উমমমমমমা…এবার আমার টা দাও”
“কি দিব তোমায় আমি..ভাবী খাওয়ার জন্য ডাকতে পাঠালো তোমায় আর তুমি শুরু করলা এই সব..এখন সরো।।কেউ এসে গেলে সব শেষ”
“হুম।।সরে যাবো আগে দাও”
“কি দিব আজিব তো”
“ওফফ…পাপ্পি দে রে একটা”
“ওহ আচ্ছা..দিব না”
!তবে ছারলাম না..দরজা ওন থাক এই ভাবেই..(শক্ত করে চেপে ধরে নৌশিনকে)
“আচ্ছা দিচ্ছি দিচ্ছি…
নৌশিন নিজের মুখ বাড়ায় সাদাদের দিকে….এক মুর্হুতে ঘোরে চলে যায় দুজন…
“ভাবী….ভাবী…নিচে চলো…”(প্রাপ্তি)
!ওরা খেয়াল করে নি!.
“ভাবী..ভাইয়া…!ওদের রোমের দিকে আসতে থাকে..
“সাদাদ ওঠো।।কেউ আসছে…!সাদাদকে ধাক্কা দিয়ে…কি হলো ওঠো…
সাদাদের হুস আসে..
কিন্তু দরজা তো খোলা😛😛
প্রাপ্তি ঘরে ডোকে যায়….সাদাদ টাইমলি ওঠতে পারে নি…সো যা হয়😛😛
“ওহ।।। সরি সরি।।।।আই এম ভেরি সরি..আমি কিচ্ছু দেখি নি…
!নৌশিন সাদাদকে সজোরে ধাক্কা দেয়।।।সাদাদও প্রাপ্তির গলা পায় এক লাফে উঠে দাঁড়ায়..
“নক করে আসবি তো…বুচি..”(সাদাদ)
!নৌশিন ওঠে শাড়ি ঠিক করতে লাগে।।।।কেমন লজ্জায় পড়ে গেলো।।সেটাই ভাবছে…
“আরে।।আমি কি জানি তুমি ভাবীর ওপর..😞😡😡(অভিমান করে)(জোরে)
আরও কিছু বলতে যাবে প্রাপ্তি…!নৌশিন ওর মুখে চেপে ধরে..”এই আস্তে।।।কেউ শুনে ফেলবে ☺”
!প্রাপ্তি ছাড়িয়ে নেয়…”ও মা।।।ভাবী তোমারা করবা আর আমি বলতে পারবো না।।।।😒😒”
“প্লিজ প্রাপ্তি সোনা।।মান সম্মান চলে যাবে আমার…প্লিজ মাই ডিয়ার”
“হুম।।।তা তো জানি ই।। তবে বলবো না একটা শর্তে….
“কি শর্ত…বলো……সব মানতে রাজি.
প্রাপ্তি:সত্যি রাজি তো???না হলে কিন্তু নিচে গিয়ে এখনি বলবো কি করেছিলে তোমারা….
সাদাদ:ঐ যাহ্ তো..গিয়ে বল..তোর কথায় ভয পাওয়ার কিছু নেই….u may leave now dear sis(একটু ভাব নিয়ে)
!নৌশিন কাল রাত থেকে এখন পর্যন্ত এটা খুব ভালো ভাবে বুঝে গেছে প্রাপ্তি যথেষ্ঠ চালু টাইপ মেয়ে…ও সবার সামনে যে কোনো কিছু বলতে পারে হাসি মুখে!
প্রাপ্তি:কি বললা?????আমাকে ইগনোর করলা…এতটা…..???ওকে ব্রো…তো নিচে আসো।
!নৌশিন ভয় পেয়ে যায়…নতুন বউ আর কিছু নাকি???সবার সামনে বললে লজ্জায় মাথা কাটা যাবে…..!
সাদাদের দিকে ভ্রু কুচকে চেয়ে”কিহ্..পাগল না তো তুমি??…
!প্রাপ্তি সাদাদের দিকে মুখ ভেঙেয়ি চলে নিতে লাগলো!
::নৌশিন পেছন থেকে দৌঁড়ে হাতটা ধরে ফেলে,নিজের দিকে ঘুরিয়ে নিয়ে”না না কিউট সিস, তুমি বলো কি শর্ত?? সবটাতে রাজি…বাট নিচে গিয়ে বললে তো তোমার ভাইয়ার কিছু হবে না…..ও তো আস্ত নির্লজ্জ(সাদাদের দিকে রাগী নজরে)….তার চেয়ে তুমি আমায় বলো না…
প্রাপ্তু:যা বলবো তাই করবা তো??
ভাবী:১০০%…পাক্কা…বলেই দেখো না…
প্রাপ্তি:ওকে…..ভাইয়া আমাকে ওর বিয়েতে চার আনা পয়সাও দেয় নি😒😒…আর আম্মু তোমার জন্য অনেক দামী গহনা কিনতে গিয়ে আমাকে একটা 3rd class পঁচা জামা দিয়েছে যেটা আমার যায় না…
(প্রাপ্তির জামা খুবই হাই ক্লাস আর নন্দনীয়.. কিন্তু সবাইকে বোকা বানিয়ে গিফ্ট আাদায় করা ওর রোজকার কাজ…বড় লোকের টিনএজার ছোট মেয়েদের তো আবার অদ্ভুদ অদ্ভুত স্বভাব…বলতে গেলে আদুরে দুলালি আর কি….তবে চঞ্চল টাইপ হলেও মানে গুনে ঠিক ঠাক…কেউ দিতে পারবে না এমন কিছু চেয়ে কাউকে ছোট করে না কোনো দিন…বাবার কাছে ফেন্ডদের ট্রিট দিবে বলে হাজার বিশেক তো ছোট কাকার চাকরি নেই তাই কলম বা ফোনে রির্চাজ..বাট ছাড় কারও নেই..দেখা যাক নতুন দম্পতি কি করে)
সাদাদ:গেল….এটাই বাকী ছিল…দেখ কি বলে(নৌশিনকে)….তাহলে বুঝবা এই বুচি কি জিনিস..☺☺
প্রাপ্তি:ওকে..বায় বলবো না কি শর্ত…অপমান সহ্য করতে আসি নি😡😡
…চলে যেতে চাইলে…নৌশিন আটকে নেয় আবারও…
“তুমি একটু চুপ থাকো না”(নৌশিন সাদাদকে)
!সাদাদ মুখে হাত দিয়ে”ওক্কে চুপ একদম”..
নৌশিন:তো মাই ডিয়ার তোমার 1 st cls একটা জামা চাই তাই তো…ব্যাপার না পেয়ে যাবে ☺☺(প্রাপ্তির গাল টেনে)
প্রাপ্তি:কি করে ভাবলে যে তোমারা যা করছো তার জন্য অনলি একটা জামা…না না ভাবী এটা তোমার কাছে আশা করি নি…তবে তোমার বর যা।। ওর ই তো বউ ভাবতেই পারো….।
!সাদাদ মুখে হাত দিয়ে নৌশিনের দিকে চেয়ে চেয়ে হেসে চলছে..আর বুঝে গেছে নৌশিনের হাত ফাঁকা হবে খুব তাড়িতাড়ি…এই জন্যই ও শর্তে রাজি হতে চায় নি!
নৌশিন:আচ্ছা বেশ বলো কি চাই তোমার???
প্রাপ্তি:কি বলো তো ভাবী.. আমার এই ফোন টা না মামা দিয়েছিলো…বাট আমি কানটিনিউয়াসলি সেভেন মান্থ চালিয়ে যাচ্ছি…তো…
!সাদাদ শেষ…..ওর বুজা শেষ কি চায় ওর….এবার আর মুখে হাত দিলে সব শেষ…”তুই যা।। নিচে যা…সব বল..যা…তবু তুই যা আশা করছিস হবে না…যা…”(সাদাদ)
!প্রাপ্তি একটু এক্সক্লুসিভ লাইভ স্টাইল যাপন করে..সব ভাই বোনের ছোট আর এক বাবার একমাত্র মেয়ে তাই বাবার অতি আদরে এই অবস্থা…এক ইয়ারে তিন ফোন লাগে..যদিও কেবল ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পা রাখলো😭😭!
প্রাপ্তি চোখ লাল করে সাদাদের দিকে লক্ষ্য করে..”আমায় এভাবে বলছো তো!…নিচে যাবো… মেহমান আছে কিছু.. বাপ্পি(বাবা)..জেঠু(সাদাদের বাবা)…আম্মু..বড় মা(সাদাদের মা)..ভাইয়া ভাবী..আপু..জিজু(নিলার বর)সবার সামনে বলবো”ভাবী ভাইয়াকে চরম লেভেলে গিয়ে লিপ কিস করতেছিলো”
!নৌশিন 😱😱অবাক কি বলে এই মেয়ে..ও তো এসে জাস্ট সাদাদকে ওর ওপর দেখলো এর বেশি কিছু না… “😱😱আমি কোথায় করলাম???(নৌশিন)
“তুমি করো আর ভাইয়া…দুজনেই তো শামিল ছিলে…যদিও আমি সেটা করতে দেখি না বাট ভাইয়া তো তোমার ওপর লডু খেলতে শুয়ে ছিল না..কুচ কুচ তো গলদ হয়েয়য়…”..
!এ কেমন মেয়ে..বয়স তো এতোটুকু…আর কি সব বলছে…আমারি তো লজ্জা লাগছে আর ও বড় ভাইয়ের সামনে… কিভাবে??….(মনে মনে অবাক হয়ে যায়)!
…সাদাদ প্রাপ্তির কান ধরে জোরে টান দিয়ে”তোর বেশি পাকামি তাই না..কিচ্ছু পাবি না…আর কি সব বলতেসিস?? হুম??”
:::প্রাপ্তি রেগে আগুন:বাদর ভাইয়া…নতুন বউকে পেয়েই কি সব করো…আর আমি বললেই দোষ😡😡।।।কান ছাড়ো আমার..
…কানটা ছাড়িয়েই ভে ভে করে কান্না শুরু করে….”আমি বলবো সব বলে দিবো”
..নৌশিন: কি হলো কাঁদছো কেন???তোমার সাথে সাথে কান্নাটা বেমানান তো☺☺(মুচকি হেসে)
সাদাদ:সব ওর ভন্ডামি…পকেট ফাঁকা করার ধান্দা…
….”বাপ্পি….জেঠু…(চিৎকার করে প্রাপ্তি রোমের বাইরে যেতে থাকে…নৌশিনের কি আর হুস থাকে…আর যাই হোক শুশুড়ের সামনে যদি বলে তো সব শেষ…নৌশিন প্রাপ্তির মুখে শক্ত করে চেপে ধরে রোমে নিয়ে আসে…”আচ্ছা ওকে…ফোন চাই তো তোমার…???”
প্রাপ্তি:(কাঁদো কাঁদো গলায়)হুম…আমি কি এত বড় হয়েছি যে আই ফোন চাইবো..আর দামী ফোন ও তো না..মামা তো এই ফোন টা বারো হাজার টাকা দিয়ে দিল…তো তোমারা আমাকে তের হাজার টাকারও ফোন দিতে পারবা না😭😭😭..(কান্না করতে করতে)
সাদাদ:আমি পারবো না…বিয়ে করতে সব টাকা শেষ…যে কথা দিছে ওকে বল ও ই দিবে..
প্রাপ্তি:তুমি দিবে না ভাবী বলো??(নেকামী করে)
!নৌশিন:তের হাজার টাকার চেয়ে ওর লজ্জাটা বেশি দামী মনে করছে এখন”আচ্ছা বেশ আমিই দিবো তোমায়..এবার তো হাঁসো…”
…বলতে দেরি হলো না…এক গাল হাঁসি দিয়ে”আমার সোনা ভাবী(জড়িয়ে চুমু খেয়ে..)
সাদাদ:এই হলো…আসকারা দাও দেখ মাসে কতো যায়…(নৌশিনকে)
..আর এই তো তুই ভে ভে করছিলি এখন আবার ৩২ টা দাঁত?? “্
প্রাপ্তি:কথা বলবা না তুমি আমার সাথে…বাজে ছেলে….ভাবী কত্ত ভালো…শিখো পারলে..
সাদাদ:তুই যাবি..এখন(রেগে)
প্রাপ্তি:ওওওও(জিহ্বা দেখিয়ে)…যাচ্ছি…নিচে আসো খাবার নিয়ে সবাই ওয়েট করছে…
…প্রাপ্তি চলে গেলে..
“ওর শর্তে রাজি হতে কে বললো তেমায়..এবার বুঝো এখন তো ফোন চাইলো.. আবার কোনো সুযোগ পেলে পার্টি দিয়ে দিতে বলবে…চিনতে পারবা আস্তে আস্তে”(সাদাদ)
“তো কি করতাম…যদি বলতো..আমি তোমায় লিপ কিস করছি তো মান সম্মান সব শেষ হতো..আর ছোট বোন একটা ফোন ই তো..আর এমনি কিন্তু অনেক কিউট…সো এখন কথা না বাড়িয়ে নিচে চলো..”(নৌশিন)
…আচ্ছা ওয়েট…কি বললা…তুমি আমাকে লিপ কিস করছো এটা বললে তোমার মান সম্মান শেষ???”(সাদাদ)(নৌশিনের কাছে এসে)
“তোমার মাথা আছে তো সাথে..শুশুড়..কাকা শুশুড়..ভাসুরের সামনে এই কথা বললে মান সম্মান বাকী থাকবে কিছু??(জোরে)(নোশিন)
“হবে হয়তো…আর আমাকে…”
সাদাদকে আর কথা বলতে না দিতে “আবার আসবে..ব্রেকফাস্ট করে এসে কথা বলি..!চলো!”
সাদাদ:চলো😞।।তাই হোক…
…দুজনে খেয়ে আবার ওপরে চলে আসে…
ভাবী আর নিপাও আসে…
“নৌশিন..এখন তো ৯ টা বাজে….তুমি এক কাজ করবা…এখন একটু রেস্ট নিয়ে ওঠে ফ্রেস হয়ে নিবা..তারপর পার্লার থেকে লোক আসবে কিন্তু”(ভাবী)
“আর ভাই ওকে একটু রেস্ট নিতে দে…দেখে তো মনে হচ্ছে কাল সারা রাত ঘুমাতে দিস নি…এখন রেস্ট না নিলে..বউ ভাতে দেখতে শুকনা লাগবে মুখটা বউমনির…সো ডিস্টার্ব করিস না”(নিপা)
“”নৌশিন ওদের কথা বার্তা শুনে চুপচাপ লজ্জা পাচ্ছে কিছু বলার ভাষা নেই..বড় বোনও বলে রে কি সব””
…ওরা চলে যায়..
নৌশিন ধপাস করে শুয়ে পড়ে….”ওহ্ মা…(জোরে শ্বাস নিয়ে..)কি বলে রে সবাই”
“যা হয় তাই বলে রে..”(সাদাদ)(নৌশিনের পাশে শুয়ে পড়ে)
“আমি শুধু ভাবছি… কাল রাতে কি হলো আমার…(নৌশিনের দিক চোখ দিয়ে)…আর যেটা সব চেয়ে রোমান্টিক ব্যাপার একটা মেয়ের কত যন্তের শরীর তা কি না আমি একটা ছেলে হয়ে সবটা জুড়ে মুখ লাগিয়ে দিলাম..(নৌশিনের কাছে এসে)…আর তার চেয়ে আরও বেশি স্বর্গীয় সুখে কি রে নিয়ে গেলাম তোমায় আর কি এমন আছে তোমার আমার কেন মনে হলো তুমিই আমার পৃথিবী..(কানের কাছে ফিসফিসিয়ে)…তোমার শরীরের সব জায়গায় তো আমার ছোঁয়া নৌশিন..তোমার আগলে রাখা বুকের ক্লিভেজে আমার হাতের চাপ..চুমু..কামড়ে একদম শেষ…তোমার আগলে রাখা শরীরে আমার ভালোবাসার ছোয়া দিতে ভরা শরীরটা ঘায়েল কি করে করলাম…তোমার সতিত্ব কেড়ে নিয়ে হাড় মানালাম তোমায়…ইশ কি করলাম তোমায়…
।।।নৌশিনের সাদাদের কথায়..মরে যাচ্ছে একদম…কি বলছো ও..”
“ধ্যাত কি বলো☺☺☺(লজ্জায়)”
সাদাদের পাশ থেকে ওঠে যাবে…তখন সাদাদ টেনে ওর বুকের ওপর নেয়…
“কই আর যাবা বলো..সব তো আমাকেই দিলা”
!ঘুমাও না একটু…কি সব বলো.(লজ্জায় মাথা নিঁচু করে)!
“ওম।। হু….”
“এই এখন কিন্তু কোনো রকম কিছু না..”
“তুমি তো আমার বোনের সামনে বললা আমি নাকি নির্লজ্জ।।তো আমি আর কি করবো তবে…লজ্জা যে নেই আমার… “(সাদাদ)
“তো ঠিকই বলছি..আর এখন আমার শরীরটা খারাপ লাগছে সো…”
“আই নো দিস মাই ডিয়ার…রাতে যা গেলো তোমার উপর..তাতে তো”
“ইশ তুমি না…”
“আচ্ছা…আমি কিছু করবো না এখন☺☺।।বাট তোমায় বলতে হবে তোমার কি খারাপ লাগছে😜😜”
“এটা কেমন কথা..আমি পারবো না বলতে…ছাড়ো আমায়…”
“ওম হু।।।বলতে হবে…বলো…”
“সাদাদ☺☺।।।ঘুমাও না একটু”
“আচ্ছা শোন আমি কিন্তু জানি তোমার সবচেয়ে কোথায় কষ্ট হচ্ছে☺☺..সে বলো”
“কিহ্… মানে কি?”
“বিশ্বাস হয় না..??এক কাজ করো আমি এই পেডে লিখে ফেললাম..তুমি এবার বলো কোথায় সব চেয়ে বেশি খারাপ লাগছে..দেখবা মিলে যাবে.”(সাদাদ)
“ইন না।।।আমি পারবো না..”
“এতো লজ্জা কিসের..??না বললে কিন্তু সব লজ্জা আবার নিয়ে নিবো সো বলো..”
“ওহ্ সাদাদ..”
“ওম।।।।বলো….”
…নৌশিন বুঝে যায় সাদাদ ওকে ছাড়বে না.. ওকে বলিয়ই ছাড়বে..রিলেশন চলা কালীন যা বলছে তাই করছে আর ওর যা রাগ তাই ভালোই ভালোই বলে ফেলাই বেটার..নৌশিন সাদাদের বুকে নিজের মুখটা রাখে..যেন সাদাদ ওর মুখটা না দেখে..
“ওকে..এবার বলো তো”(সাদাদ)
“আম..আ.মা..মা…র….আমম।।…. ”
“কি হচ্ছে আ আ করছো..বলে ফেলো”
“নৌশিন চোখটা বন্ধ করে সাদাদের শার্ট শক্ত করে ধরে রেখে মুখটা বুকে রেখেই হঠাৎ বলে ফেলে”আমার স্তনে খুব ব্যাথা হচ্ছে এখন…(খুব তাড়াতাড়ি)
…সাদাদ হেসে ফেলে😆😆…নৌশিনের সামনে পেড টা ধরে দেখতে বলে..নৌশিন একটু মুখটা খুলে দেখে হুম সাদাদ তাই লিখছে..!
“!ধুর… ☺☺তুমি না…আসলেই নির্লজ্জ ☺☺”
“ওম…তা ঠিক।।তোমার কাছে আমি সব…আমি জানতাম সকালে তোমার এটাই হবে আর তোমাকে এই ব্যাথা দিয়েই যে সুখটা পেলাম দুজনে…ইভেন আমি তো ভাবছি তোমার বুকটা একদম শেষ করে দিতে বাট পরে অল্পতেই ছেড়ে দিলাম…যতই হোক আমার জান টাকে বেশি ব্যাথা দিতে পারি না…☺☺”
“সাদাদ থামো তো তুমি☺☺”
“ওকে ওকে…উম্মমমমমমমাা জান..একটু সহ্য করো..নেক্স টাইম এই কষ্ট গুলো হবে না।।প্রথম বার তাই এমন লাগছে…এটাই তো সুখ…এজন্যই তো তুমি আমার কাছে সারা জীবন বাঁধা পড়লা..তোমাকে পুরোপুরি করে আমি নিজের করে নিয়েছি☺☺…তুমি আমার শুধু আমার।।।আমার ভালোবাসার পরশে ভরিয়ে রাখবো তোমায়।।।”
!নৌশিন সাদাদের কথাগুলো সাদাদকে জড়িয়ে ধরে শুনে যাচ্ছে শুধু।।।!
…সাদাদ..নৌশিনের মুখটা তুলে.এই মুর্হুত থেকে তোমার সুখ দুঃখ সব আমার।।।। তোমার জন্যই সবটা ভালোবাসা…”
“এই একটা কথা মনে পড়লো(সাদাদকে থামিয়ে)…”
“কি কথা…”(সাদাদ)
!নৌশিন সাদাদের বুক থেকে ওঠলো…সাদাদকে হুকুমের স্বরে বলছে”ওঠো..উঠো…”
“কি হলো…??বলো না”(নরম কন্ঠে)
“জ্বি না..উঠো..নরম স্বরে ভুলছি না”
!সাদাদ ওঠে বসে…”ওফফ বলো কি কথা??”
“তুমি কি করে জানলা??? যে ফার্স্ট ডে তে মেয়েদর কেমন লাগে??কোথায় কোথায় ব্যাথা হয়…??”(রাগী ভাব নিয়ে)
“তোমার ৬ ইয়ারের সিনিয়র সো জানতেই পারি..☺☺”(সাদাদ)
“এই খবর দার হাসবা না…৬ বছরের হও বা ১০ বছরের বিয়ে তো করে নি আগে তো কি করে জানলা??”(আঙুল উঠিয়ে)
“হেয়য়।।।ঝগড়া করবা নাকি..?এত সাহস হঠাৎ…??”
“হুম করবো…ভেবো না আগের মতো চুপচাপ থাকবো…সব জবাব দাও এখন”
“আরে আজিব তো সব ছেলেই জানে😜😜…আর তোমাদের ঐ বাঁধানো বুকে ছেলেদের নজর টা বেশি যায় রে সোনা…তাই যখন বউকে কাছে নিয়ে ভালোবাসার পরশ দেওয়া হয়…নরমালি বোকে হাত মুখ সব দিয়ে বুকটা ঘায়েল করতে মন চায়।।।মনে হয় প্রতিটা স্তনকে চেপে কামড়ে চুষে মিশিয়ে দিই একদম।।।ট্রাস্ট মি কাল রাতে তোমার শ্বাস বেড়ে যাওয়ায় তোমার বুক যে ভাবে ওঠা নামা করছিল.. আমার তাতে দুনিয়া তোলপাড় হয়ে যাচ্ছিল তাই পাগল হয়ে গিয়েছিলাম পুরো…মনে হচ্ছিল”মিশিয়ে দিই একদম।।।।সব শেষ করে দিই…….শরীরে কি থাকে একটা মেয়ের মনে হয় ভরা শরীররে আগুন ধরিয়ে আাবার ঠান্ডা করে দিই..এই শারীরিক সম্পর্কেই একটা ছেলে আার মেয়ের যে মিলন হয় তা যেন জান্নাতের সুখ…কিন্তু বিয়ের আগে যারা এগুলো করে ওরা যে জাহান্নামে লিপ্ত হয় তুমিই আমাকে বলেছিলে..তোমার ঔ শরীরে চুমু আঁকার কারণে ভেঙে পড়েছিলে তুমি ঐ দিন… তোমার এক ফোঁটা জলও দেখতে রাজি নই তাই ঐ দিন ই বিয়ে করলাম…ক্ষমা করতে পেরেছিলে তো আমায়(নৌশিনের হাতটা ধরে)
নোশিন সাদাদের সব কথা শুনছিল…
“এই কি করছো..কিসের ক্ষমা???এভাবে একদম বলবা না…তুমি ঐ দিন আমাকে ছুয়েছো ঠিক বাট আমার সতিত্ব নষ্ট করো নি…আমি জানি একটা মেয়েকে ঔ ভাবে দেখলে কতটা চাপ পড়ে একটা ছেলের উপর।।।আল্লাহ ছেলেদের হাইপোথ্যালামাস সে ভাবেই বানিয়েছে।।।আর আমার ঐ দিন যা অবস্থা ছিল।। আমার প্রমিক হিসেবে ঐ দিনই তুমি আমার ভার্জিনিটি নিয়ে নিতে পারতে।।।কিন্তু করো নি আমার কান্না থামানোর জন্য বিয়েও করেছিলে..তাই তুমি আমার কাছে যেমন আমার ভালোবাসা তেমন আমার শ্রদ্ধা।।।তাই একটুও সেই অতীতকে ১০ আমি ভাবতে চাই না।।
সে সময়ে আমিও দুর্বল হয়ে পড়েছিলাম সত্যি বলতে তোমার যেমন ছাড়তে ইচ্ছা করছিল না -তেমনি আমার এক মুর্হুতের জন্য মনে হয়েছিল”তুমি যেন আমাকে হার মানাও..আমার সবটা জড়ে ছুয়ে যাও…শেষ করে দাও আমার সব কিছু” কিন্তু ঠিক সে সময় মনে হয়..আমার ভালোবাসার মানুষ আজ আমার এতোটা কাছে ও যদি আমায় সবটা দিয়ে নিজের কাছে হারিয়ে সর্বসুখ আমায় দেয় তবে সেটা পাপে উবে যাবে…তার চেয়ে একটু ধৈর্য্য নিয়ে বিয়ের পরে ও যদি আমায় একান্ত নিজের করে নেয় তবে এজীবনেই না পরকালেও সে আমার স্বর্গসুখের কারণ হবে।।আর আমি তোমার কাছে কালকের মতো সারা জীবন এমনি পরকালেও হেরে যেতে চাই…ভেসে যেতে চাই তোমার সাথে পরম সুখে…তাই দু জীবনেই তোমাকে পাওয়ার জন্য সে দিন বাঁধা দিয়ছিলাম।।
প্রেমঘোর পর্ব ৩+৪
তুমি আমার কাছে এতটাই দামী যে শুধু এক মুর্হুতেরর জন্য টাইল ট্রাভেলেও তোমাকেই চাই..তাই এই বৈধতার অপেক্ষায় ছিলাম… আর যাই হোক অবৈধতার বেড়াজালে সুখটা খনিক-পাপে ডেকে যায় ভালোবাসাটুকুও…তাই আমারা সে দিন যা করতে যাচ্ছিলাম আল্লাহর কাছে ক্ষমাপার্থী দুজনেই….সে দায় শুধু তোমাকে দিলে মহাপাপ হবে… তোমাকে যে সে ভাবেই সৃষ্টি করা হয়েছে আর বিবেকের প্রশ্ন তোললে তো আমার দিকেও আঙুল ওঠবে “আমার কি সত্যিই উচিত ছিল তোমাকে ওইভাবে কাজটা করতে বলা…আর তার ওপর তুমার প্রেম আমি…”সো সে সব ভাবার দরকার নেই আমি তো হেরেই গেছি তোমার কাছে☺☺ আপনার কাছে চিরতরে যেখানে শুদু সুখ আর সুখ..যেখানে পাপের ছায়ারও কোনো চিহ্ন মাত্র নেই….
