Home My Husband My Husband part 36

My Husband part 36

My Husband part 36
সামহা সামি

” জান এই ভাবে চেঁচিও না লোকে শুনবে”।
_” আনেয়া এক নাগাড়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে যাচ্ছে তো যাচ্ছেই,তা দেখে প্রহেল,আনেয়া কে নিজের উপে উঠিয়ে বলে।
__” ছোট ফ্লাওয়ার আমি কি নিচে যাবো,নাকি তুমি উপরে উঠবে।
_” আনেয়া ধুম করে বুকে কিল মেরে বসে! কোন দুঃখে যে সে এমন লোকের সাথে ঘুড়তে বের হয়েছে। আনেয়া মিনতি সুরে বলে।

_” ছেঁড়ে দেন না আমার খারাপ লাগছে।
__” প্রহেল নিজের পুরুষত্ব আনেয়ার,নারীষত্বে প্রবল চাপ দিয়ে ঢুকিয়ে দেয়,বুঝানোর সুরে বলে।
__” ললিপপ ঢুকলে খারাপ লাগাও ভালো লাগবে, ছোট ফ্লাওয়ার,নিচ থেকে মুখে নিলে টেস্ট পাবে।
__” আনেয়ার চোখ কপালে উঠে গেল, ছিঃ লোকটা কি সব অসভ্য কথা বার্তা বলছে। দীর্ঘ সময় নিজের কাজ চালিয়ে,এক সময় ক্ষেন্ত হয়ে, ছেঁড়ে দেয় আনেয়ার, নিস্তেজ হয়ে আসা শরীর টা,পড়ে থাকা কাপড় দিয়ে, ঢেকে পাঁজাকোলে তুলে নেয়, ফরহাদ রেজা হোটেল রুমে প্রবেশ করতে, চোখের ইশারায় মেডদের কে ট্রলি রেখে চলে যেতে বলে। মেড গুলো মাথা নেড়ে চলে গেলো, ফরহাদ রেজা ফোন বের করে কল দিলো কাউকে,ওপাশ থেকে ফোন রিসিভ হতে,বলো।

__” তোমাদের ফোনের ইমেইলে একটা ছবি যাবে,তার বর্তমান অবস্থান কোথায় আমাকে খুব শীঘ্রই জানাও।
__” জি বস।
বলেই কলটি তৎক্ষণাৎ বিচ্ছিন্ন করে,বুক বড়ে শ্বাস ফেলে” এই মেয়েটি তাকে পাগল বানিয়ে ছাড়বে,ঘুমতে গেলে মেয়েটির মুখ ভেসে উঠে, মিটিং অফিসের কাজে,কোথাও তার মন বসাতে পারে না। এই অপরিচিতা মেয়েটি তার মস্তিত্ব জোরে বসে থাকে।

__” ইয়ান,ডিনার করতে আসো।
__” বাংলাদেশে এখন রাত ১২ টার কাছাকাছি নাজমা বেগমের ডাকে,উপর থেকে দৌড়ে টেবিলে ধুম করে বসে পড়ে ইয়ান” নাজমা বেগম ছেলের বসা দেখে,আসে পাশে চোখ বুলাতে থাকে,গলা খাঁকারি দিয়ে বলে।
___” তুমি আসছো তোমার গুনদর বাবা কই ডেকে আনো।
_” রফিক সাহেব চোখের চশমা ঠিক করে সিরি দিয়ে নামতে নামতে, গাম্ভীর্য বজায় রেখে বলে।
__” আমাকে ডাকতে হবে না আমি চলে আসছি”এই ভাবে ডাক না দিয়ে একটু ভালোবেসেও ডাক দিতে পারতে।
__” নাজমা বেগম ইয়ানের প্লেটে খাবার বেড়ে দিতে দিতে বলে।
__ বুড়ো বয়সে ভীমরতি কমে না,দুই দিন পর নানা হবে এখন আসছে, ভালোবাসা চাইতে , চুপচাপ খেতে বসুন?
_” মা বাবার এই দুষ্টু মিষ্টি ঝগড়া দেখে,ইয়ান মুখ টিপে হাসে! এটা নতুন না ইয়ান ও আনেয়া ছোট থেকে দেখে আসছে, রফিক সাহেব,কখনো রেগে গিয়ে স্ত্রীর সাথে খারাপ ব্যবহার করতে। এই গাম্ভীর্যের মাঝেও আছে, স্ত্রী ও সন্তানদের প্রতি অসীম ভালোবাসা। রিহান সাগর, বিছানায় শুয়ে আছে,সাগর ফোনে কথা বলছে,সামির সাথে,তাদের এই চুপিচুপি প্রেম ভালোই যাচ্ছে! সামি মিনমিনে গলায় বলে।

__” আচ্ছা আপনি কি সব সময়ই এতো, ভন্ডামি করেন।
__” সাগর মাসুম সেজে বলে।
__” ছিঃ ছিঃ তওবা তওবা কি সব বলো সামি” আমি খুব ভালো ছেলে।
_” তার এই মন গলা কথা বিশ্বাস করতে কষ্ট হলো সামির “সে তো এই ছেলেকে হাঁড়ে হাঁড়ে চিনে। এই নিয়ে চলতে থাকে তাদের কথোপকথন ,সাগর রিহানের পেটের উপর,পা দিয়ে সেই কখন থেকে খুঁচিয়ে যাচ্ছে তো আর বলছে।
__” সামি কিছু বলো? সামি কিছু বলো,।
রিহানের মেজাজ খারাপ হলো কি কক্ষন থেকে বলো বলো করছিস” তাই বিরক্ত সুরে বলে?

_” মুরগীর বাপ রুম থেকে যা, জিজ্ঞেস কর তোর মুরগীর মারে,সে কি বলবে! যা সর,বাল সেই কক্ষন থেকে তুমি বলো তুমি বলো,করে কানের মাথা খাচ্ছিস?
__” সাগর পা সরিয়ে, লজ্জা মাখা কন্ঠে বলে।
_
_” যা দুষ্টু এই ভাবে কেও বলে”রিহু বেবি তুমি না দিন দিন পাজি ছেলে হয়ে যাচ্ছো?
রিহান সুয়া থেকে উঠে বসে, কটমট করে তাকিয়ে আছে,ওপাশ থেকে সামি বলেই যাচ্ছে?
__” কি হয়েছে আপনারা কি ঝগড়া করছেন, মারামারি হবে প্লিজ ভিডিও কল দেন আমি দেখবো।
লাউড স্পিকারে থাকায়, কথাটুকু রিহান ও শুনতে পেল! ভাবা যায় কোন পরিমাণ সয়তান এরা! রিহান সাগরের দিকে তাকিয়ে দাঁতে দাঁত চেপে বলে?

__” দুটোই ছাগলের বাচ্চা, রাবিশ বোগাসের দল?
বলেই,কানে বালিস চেপে সুয়ে পরলো? মালয়েশিয়ার নাম করা ফাইন -ডাইনিং রেস্টুরেন্টে বসে আছে, ফরহাদ রেজা তার অন্য পাশে বসে আছে, রুশি নামের মেয়েটি,সে ফরেনার মেয়ে, ফরহাদ রেজার সাথে তার খুব ভালো সম্পর্ক! ফরহাদ ও রুশি খুব ভালো ফ্রেন্ড! রুশি,এক গাল হেসে প্রশ্ন করে?
__” কি ব্রো হঠাৎ এই দেশে ” কুচ কুচ হোতা হে!
__” রুশি ফরেনার হলেও সে হিন্দি টুক টাক কথা বলতে পারে! রেজা ক্ষুদ্র হাসলো” প্রতি উত্তরে মাথা ঝাঁকিয়ে বললো?

__” হুম একটা কাজ করে দিতে হবে,জীবনে সব থেকে বড়ো কিছু পাওয়ার কাজ!
“_ রুশি বুঝলো না রেজার পেঁচানো কথার সুত্র? প্রহেল আনেয়াকে নিজের বুকে নিয়ে শুয়ে আছে,তখন চিড়িয়াখানা থেকে,বের হয়ে সোজা হোটেলে ফিরে আসছে?প্রহেল আনেয়ার,পিঠ জুড়ে নিজের হাতের বিচরণ করতে থাকে ” আনেয়া ঘুমের মাঝে কেঁপে উঠলো, প্রহেল আনেয়াকে নিচে ফেলে নিজে উপরে উঠে এলো,তার নিঃশ্বাস গরম হয়ে আচরে পড়ছে, প্রহেল আনেয়ার গাঁয়ে প্যাঁচানো নিজের সার্টের বোতাম খুলে দিলো! উন্মুক্ত করলো, আনেয়ার উদর একটা মুখে পুড়ে নিলো,তো অন্যটা টিপতে থাকলো,আনেয়া ঘুমের মাঝে ব্যাথায় ছটফটিয়ে উঠে, প্রহেল আনেয়ার উদর ছেড়ে বুকের মাঝে মুখ চেপে ধরে, টেনে নিতে থাকে তার ছোট ফ্লাওয়ারের শরীরের ঘ্রাণ, মেতে উঠতে থাকে,এক ভালোবাসাময় বৃষ্টিতে, বুক থেকে মুখ তুলে নিচের দিকে নেমে,তার পুরুষাঙ্গ আনেয়ার নারীত্বে ঢুকাতে,আনেয়া মুচড়িয়ে ওঠে,শব্দ করে?

My Husband part 35

___” আ*হ্ ও*হ্ উ*মমম!
প্রহেল আনেয়াকে এমন করতে দেখে,নিচে চাপ দিয়ে ঢুকিয়ে বলে?
__” ছোট ফ্লাওয়ার ললিপপ খাবে নাকি নিচে দিবে!

My Husband part 37