My Husband part 29
সামহা সামি
_ বাজে কথা রাখুন আর দয়া করে নিজের কাজ করুন!
“আনেয়া রেগে যাচ্ছে দেখে প্রহেল আর কথা বারায় না,দেখা গেলো মহারানী ভিক্টোরিয়া রেগে মেগে বোম হয়ে যাবে?রিহান সাগর এই দুই’দিনে যা তা অবস্থা,অফিস, প্রহেলের এক্সিডেন্টের পিছনে থাকা লোক কে খুঁজা,সব মিলিয়ে নাকানিচুবানি খাওয়ার জোগাড়,! রাত ১০:৩০,রিহান সাগর গার্ডেনে বসে কফি খাচ্ছেও নানান বিষয়ে আলোচনা করছে! তাঁদের মূল টপিক হচ্ছে! রিহানের গার্লফ্রেন্ড লিলি, তাদের তিন বছরের সম্পর্ক, তাহলে হঠাৎ করে কেনো রিহান ব্রেকআপ করছে! তবে এটা ভেবেও খুশি লাগছে, শেষ মেষ তাঁর মতো,তো সিঙ্গেল লাইফ ডিল করবে হা! রিহানের সিরিয়াস ও গম্ভীর হয়ে থাকা মুখাবয়ব পর্যবেক্ষণ করে প্রশ্ন করে?
___” প্রেমে পড়লে ঝগরা হবে ইটস্ নর্মাল রিহু বেবি,তবে তোমাদের ব্রেকআপ হয়েছে শুনে খুশি হলাম?
“_ রিহান অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে এ মুরগীর বাপ বলে কি, এতোক্ষণ ধরে তাঁকে শান্তনা বানী শুনিয়ে এখন পল্টি খাচ্ছে,কপাল কুঁচকে প্রশ্ন করে?
__ তুই খুশি হয়েছিস নাকি, কষ্ট পেয়েছিস?
__” তেমন না রিহু বেবি প্রথমে একটু একটু, কষ্ট হয়েছে এখন নেই তুমি চাইলে কান্না করতে পারো আমি কাউকে বলবো না?
আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন
“রিহান রেগে তাকায় আজ তাঁকে নিয়ে সবাই মজা করছে কেনো,আজব সে দুঃখ প্রকাশ করছে,তো এঁরা তাঁর ইমোশনালরে সহবাস করে দিছে, কথাটা ভাবতে ই মেজাজ খিঁটখিটে হয়ে গেছে, সাগর সে দিকে একবার তাকিয়ে,মুখ ভেংচে দিল, পাত্তা না দিয়ে কফির মগে চুমুক দিয়ে,মশা তারানোর মতো ভান করে সুর ধরে?
প্রথম প্রথম প্রেম করলে মিষ্টি মিষ্টি কথা
দুই দিন না যাইতে মনে লাগে ব্যাথা
যারে তুমি ভালোবাইসা বুকে দিবা ঠাঁই
পরে ব্যাটার কাউরে পাইলে সেও তো নাই
অন্যোরটা দেইখা যখন তুমি প্রেম করবা
মনের ভেতর কষ্ট পাইয়া পাগল হইয়া ঘুরবা
বন্ধ লইবো মজা করবো পিরিত এতো সোজা
সিঙ্গেল আছো, ভালো আছো
ওই ওরে একটু বুঝা
“গান শেষ হতেই,ফিক করে হেসে উঠে সাগর,রিহানের আর বুঝতে বাকি নেই যে এই, মুরগীর বাপ তাঁকে টিটকারি মেরে গান শুনিয়েছে! কির’মির করে উঠা কন্ঠে বলে?
__” জাওরা মুরগীর বাপ তুর সমস্যা কি বাপ”আমার সাথে সুবি নাকি সহবাস করবি!
রিহানের তেতে উঠা কথায় হাঁসি পেলেও পর মুহূর্তে,বসা থেকে উঠে দৌড় মারে উচ্চস্বরে চেঁচিয়ে উঠে?
” নাউজুবিল্লাহ ,নাউজুবিল্লাহ রিহু বেবি শেষ পর্যন্ত তুমি আমাকে সহবাসের অফার দিলে,এই দুঃখ আমি কোথায় রাখবো সামিইই ?
“_বলেই নাটকীয় পঙ্গিতে কমর দুলিয়ে উঠে,সামি নামটা মনে পড়তেই তৎক্ষণাৎ কপট করে তাকায় রিহান,সামি এই নামটা কোথায় যেনো শুনেছে, কিছুক্ষণ পর মনে পড়তেই,হেই হেই করে বলে?
“_ এটা কি ওই সামি মেমের কাজিন সামি ও নয় তো মেয়ের কপাল পুড়লো অকালে?
” কপাল শেষ পর্যন্ত কি-না এই মুরগীর বাপ ও পাগলা গারদে নাম লিখানোর ব্যবস্থা করছে হায়! চার-পাশ অন্ধকার ছরিয়ে পড়েছে, শহর জুড়ে, নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে,মাঝে মাঝে জুনাকি পোকার ডাক ভেসে আসছে,নাজমা বেগম খাবারের টেবিলে পরিষ্কার করছেন আর রফিক সাহেবের উদ্দেশ্য প্রশ্ন বানী ছুরছেন?
__” ছেলে টা এতো অসুস্থ,গিয়ে তো পারতে ছেলেটাকে নিয়ে আসতে!
রফিক সাহেব চশমার ফাঁক দিয়ে চোরা চোখে স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে উত্তর করে?
__” ওই হতচ্ছাড়া বেয়াদব ছেলে কে আমি গিয়ে আনবো,।
” রফিক সাহেবের কথা টা ঠিক পছন্দ হলো না নাজমা বেগমের,পাশের বার্টিতে রাখা তরকারির চামচ দেখিয়ে বলে?
__ খবরদার আমার সোনার টুকরো জামাই কে নিয়ে বাজে কথা বলবে না,সে না আসতো তুমি গিয়ে তো জোর করে নিয়ে আসতে পারতে,কি জানি মেয়েটা একা হাতে কতোটুকু করছে?
” রফিক সাহেব গম্ভীর হলো,সে কেন যেচে’পড়ে ওই ছেলেকে আনতে যাবে, তাঁর কি ইগো নেই নাকি,! রাত যতো গভীর থেকে গভীরময় হচ্ছে, তত্ত্বো যেনো,শহর জুড়ে নিস্তব্ধতা বয়ে’চলছে , এতক্ষনে পরিচিত আকাশ টা হঠাৎ করে গুরুম’গুরুম করে মেঘ ডেকে উঠছে, যেকোনো সময় বৃষ্টি নামবে,বলতে বলতে,ঝির’ঝির করে ফোঁটা পড়ছে, আনেয়া নিচ থেকে এসে,ওয়াশ রুমে চলে যায় প্রহেল বিছানায় শুয়ে সে দিকে তাকিয়ে আছে, তাঁর তাকানোর মাঝে,আনেয়া খট করে দরজা খুলে বেরিয়ে আসে,তাওয়াল দিয়ে হাত-মুখ মুছতে মুছতে এক নজর তাকায়, প্রহেল কে ঘোর লাগা দৃষ্টিতে নিজের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে ঢুক গিলে, হাতে রাখা ভেজা তাওয়াল টা বারান্দায় মেলে দিয়ে রুমে আসে,
একটু একটু করে বিছানা দিকে গিয়ে যায় ঠান্ডা হয়ে আসা শরীর টা ব্লাঙ্কেটের ভেতরে ঢুকে , নিজের সাথে জরিয়ে নেয়, প্রহেল সেই এখনো ঘোর লাগা দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে একটু একটু, করে আনেয়ার দিকে গেসে,পিছন থেকে আনেয়ার পেটের উপর হাত রাখে,পুড়ো শরীর কারেন্ট বয়ে যায়! প্রহেল নিজের মুখ আনেয়ার ঘাড়ে ডুবায়,গরম নিঃশ্বাস আচরে পড়ছে, কেঁপে কেঁপে উঠছে আনেয়া, তাঁর বুকের ধুক’পুখানি ক্রুমাগন্ত বেরে চলেছে, প্রহেল হয়তো তাঁর ছোট ফ্লাওয়ারের শরীরের অস্বাভাবিক কাঁপুনি অনুভব করলো,নিজের সাথে আনয়াকে আরো চেপে ধরলো,আনেয়া ছট’ফট করছে, প্রহেল অসুস্থ এটা ভুলে গেলে চলবে না, কিন্তু এই লোকটা তো তাঁকে ঠিক থাকতে দিচ্ছে না, প্রহেল আনেয়ার কে মুচরা’মুচরি করতে দেখে,আনেয়াকে নিচে ফেলে,নিজে উপরে উঠে পড়ে
,আনেয়া দেখলো,লোকটা কে উম্মাদের মতো লাগছে, প্রহেল আনেয়ার ঠোঁটের দিকে তাকিয়ে জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট ভিজায়, চোখে লেগে আছে,মাতাল করা ঘোর আনেয়ার ঠোঁট জোড়া আকরে ধরে,
হঠাৎ আক্রমণে থমকে যায় আনেয়া, প্রহেলের অবাধ্য হাতের বিচরণ বারছে, প্রহেল ঠোঁট ছেড়ে গলায় নেমে আসে, ফিসফিস করে স্লো ভয়েজে বলে?
__ আজকের রাত টা আমাকে দিয়ে দে ছোট ফ্লাওয়ার,এই দুই দিনে অনেক আরাম করে ঘুমিয়েছো আমাকে পুড়িয়ে, আজ না হয় আমি তোমাকে পুড়ালাম আমার দহনে?
“_ বলেই আনেয়ার জামার চেইন খুলে ফেলে,দিরে দিরে ডুব দেয় নিজের, প্রিয়সীর মাঝে, গুংগিয়ে উঠে আনেয়া?
_ উম,
সুখময় ব্যাথা’তুর শব্দ প্রহেলের কানে ভাঁজতে আরো উত্তেজিত হয়ে উম্মাদের নেয় ঝাঁপিয়ে পড়েদিরে দিরে গলা থেকে বুকের কাছে নামতে থাকে,বুকে চাপ প্রয়োভ করতে!
” আ*হ্!
প্রহেল তাকায় তবে এই চাহনিতে কাম্য শুধু ছেড়ে দেওয়ার ইচ্ছা নেই! প্রহেল আনেয়ার বুকের নরম অংশ কামড়ে ধরে!আনেয়ার চোখ থেকে সুখের অশ্রুজল গরিয়ে পড়ছে,একটা সময় নিজেও মেতে উঠে, ভালোবাসার উত্তাপে এই ভালোবাসা সে, স্বেচ্ছায় গ্ৰহন করছে!প্রহেল নিচের দিকে নেমে আনেয়াকে মোহনীয় কন্ঠে জিজ্ঞেস করে?
__ ছোট ফ্লাওয়ার ব্যাথা পাচ্ছো?
__ না!
__ সত্যি ব্যাথা পাচ্ছো না?
” আনেয়া নিশ্চুপ তা দেখে প্রহেল নিচে ছোট জামাইকে ভেতরে নিয়ে বলে?
__ ছোট ফ্লাওয়ার আর একটু জোরে দেই সোনা?
__ এই না ব্যাথা পাবো?
প্রহেল মুখে হাঁসি এনে পেটে চুমু খেতে বলে!
__” প্লিজ জান আর একটু গতি বাড়িয়ে দেই,ফিল আসবে ভালো!
” আনেয়া কিছু বলে না সে যানে এই লোকটা ব্যাথা ছাড়া কিছু করতে পারে না,আনেয়া চোখ বন্ধ করে আছে,তা দেখে প্রহেল আবারো বলে?
My Husband part 28
__ জান তোমার ছোট জামাই জিজ্ঞেস করছে তুমি কি মজা পাচ্ছো?🌚
__ আনেয়া তৎক্ষণাৎ চোখ খিচে বন্ধ করে ঠোঁট কামড়ে ধরে উত্তর করে?
__ হ ছোট জামাই হ ?
