Home My Husband My Husband part 7+8

My Husband part 7+8

My Husband part 7+8
সামহা সামি

‘ মন খারাপ করে কথা গুলো বলে ইয়ান ,
“স্যার মাফিয়া PKআজ শহরের বাহিরে যাবে?
অ্যাসিস্ট্যান্টের কথায় রনি হাতের কিউব বলটা ঘুড়াতে ঘুড়াতে পাশে রাখা ড্রিংকসের গ্লাসে চুমুক দেয় তীক্ষ্ণ চাহনিতে রাসেলের দিকে তাকিয়ে বলে।

” তবে হয়ে যাক আজকে PP এর পাখি কে দিয়ে স্পেশাল বা*সর রেডি করো ।
রনির কথায় কিছু লোক মাথা নেড়ে সম্মতি দিয়ে কাউকে কিছু ইশারা দিতেই চলে যায়,
মাই লেডি আমি অফিসে আচ্ছি তুমি বাসা থেকে বের হবে না কিছু লাগলে গার্ডেদের থেকে ফোন নিয়ে কল দিবে।
নাস্তা শেষ করে টেবিল ছেড়ে টিস্যু নিয়ে হাত মুছতে মুছতে আনেয়া কে উদ্দেশ্য করে বলে, আনেয়া রিনি বিন্বী কন্ঠে বলে।

আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন

বাড়ি থেকে আমার মিমো টা কে এনে দিবেন।
আনেয়ার কথায় প্রহেল চোখ ছোট ছোট করে বলে।
What happened কিসের মিমো।
আনেয়া জিহ্বা দিয়ে ঠোঁ*ট কা*মড়ে ধরে বলে?
আমার মিমো মানে আমার বিড়াল বাচ্ছা।
এখন বিড়ালের বাচ্চা মানুষ করো কিছু’দিন পর আমার ডিএনএ দেওয়া বাচ্চা সামলাতে হবে।
বলেই আনেয়ার কপালে ডিপলি কিস করে টেক কেয়ার বলে নিজের গন্তব্যে চলে যায়,
বন্ধ রুমের এক কোনায় বাঁধা অবস্থায় পড়ে আছে আনেয়া , কিছুক্ষণ আগে প্রহেল বেড়িয়ে যাওয়ার পর পর রেড লাইনে অপরিচিত কারো নাম্বার থেকে কল আসে রিসিভ করে আনেয়া বলে।

” আসসালামু আলাইকুম জি কে বলছেন ,
আনেয়ার কথায় ফোনের ওই পাশে থাকা লোকটি তাড়াহুড়ো করে বলে।
আপনি কি মিসেস আনেয়া বলছেন।
” জি আমি মিসেস আনেয়া বলছি?
মেম আপনার হাসবেন্ড গুরুতর ভাবে আহত হয়েছে সিটি হসপিটাল অপারেশন থিয়েটারে আছেন।
লোকটির কথা সম্পুর্ন না হতেই ফোনটা পড়ে যায় আনেয়ার হাত থেকে চিৎকার দিয়ে ফ্লোরে বসে পড়ে।
” আপনার কিছু হবে না আমি কিছু হতে দিবো না।
বলেই দু হাতে চোখের পানি মুছে উঠে দাঁড়ায় মেইন গেটে গার্ড কম থাকায় আজকে আনেয়া অল্প সময়ে বের হয়ে মেইন রোডে ক্রস করবে ঠিক শেই’সময় একটি কালো গাড়ি আসে, আনেয়া কিছু না ভেবে উঠে পড়ে, কিছু দূর যাওয়ার পরে কিছু একটা স্প্রে করতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে আনেয়া, দীর্ঘ ৪ ঘন্টা পর জ্ঞান ফিরতে কিছুক্ষণ আগের ঘটনা মনে পড়তে আনেয়ার , বুকে চিন’চিন ব্যাথা হচ্ছে প্রহেলের এক্সিডেন্টের কথা মনে পড়তে আনেয়া ছোটার জন্য ছটফট করতে করতে মুখ বাঁধা না থাকায় বলতে থাকে।

” কেউ আছেন প্লিজ আমাকে মুক্ত করেন !
কেউ শুনলো না আনেয়ার বুক ফাটা আর্তনাদ প্রহেল কে নিয়ে আনেয়ার মাঝে দারুন আকাঙ্ক্ষা দেখা গেল ,
বিকাল গরিয়ে সন্ধ্যা ৬:৩০ , বাড়ির পার্কিং ফ্লোরে নিজের সব থেকে ফেভারিট কালো মার্সিডিজ পার্কিং করে বাড়ির ভেতরে ঢুকে প্রহেল, প্রহেল কে দেখে সব বডি’গার্ডা ভয়ে কারো কাপড় খারাপ হওয়ার অবস্থা, কেউ কেউ আবার ভয়ে হাত-পা কাঁপছে, প্রহেল এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করে।
— তোমাদের মেম কোথায় ‘
একজন গার্ড তুতলিয়ে বলে।
স’স্যার মেম তো শেই দূপুরে কোথায় যেনো যায় আর ফিরেনি ।
গার্ডের কথায় হিংস্র বাঘের মত গর্জন করে বলে।

” বাস্টার্ডের বাচ্চারা ঘন্টা,মিনিট,সেকেন্ড পেড়িয়ে গেছে এখন বলছো আমাকে এতো ঘন্টার টাইম যানছ তুই ।
” বলেই সাঁড়া ড্রয়িং রুমে ভাঙ্গচুর করতে থাকে ।
বস মেয়েটা অনেক চিল্লাচিল্লি করছে গার্ডা ভিতরে ঢুকলে আঘাত করছে।
গার্ডের কথায় রনি চোখ মুখ শক্ত করে বলে।
PKএর পাখির দম আছে ড্রাংস সেবন করিয়ে দে আমি আসছি।
” বলেই ফোন কেটে দেয় , আনেয়ার অবস্থা নাজেহাল অতিরিক্ত পরিমাণ পেনিকে নিংস্বাস বন্ধ হয়ে আসছে আধো আধো চোখে কান্না মাখা কন্ঠে বলে।

—’আমার কষ্ট হচ্ছে অদ্ভুত ট্যাটুওয়াল আমার কলিজা ফেটে যাচ্ছে আমি মরে যাচ্ছি আপনার অনুপস্থিতে ।
কথা গুলো বলতে বলতে হাতে ইনজেকশনের মাধ্যমে কিছু পুশ করায় আস্তে আস্তে ঠলে পড়ে গভীর নিন্দায়।
ভাঙ্গচুর করায় হাত কে*টে ফ্লোরে যুপ যুপ রক্তে লাল হয়ে যাচ্ছে , আপাতত আনেয়ার নিখোঁজ হওয়ার ব্যাপারটা আনেয়ার পরিবারের কেউ যানে না,এই ভাবে পেড়িয়ে যায় আরো এক ঘন্টার মতো, প্রহেল চোখ বন্ধ করে আনেয়ার মুখ টা কল্পনা করে বলে।
” কোথায় তুই ফ্লাওয়ার তুই বিহীন আমি শূন্য আরণ্যক খাদে পড়া সহচ্ছ বিছানো চৌকিতে পথিকৃৎ –
না এই ভাবে বসে থাকলে চলবে না তাঁকে কিছু করতে হবে তখনি প্রহেলের মনে পড়ে তার বাসা থেকে মেইন’রোডের আশে-পাশে সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত রক্ত লাল আগুন চোখ জোড়া খুলে উঠে দাঁড়িয়ে ডাকতে থাকে।

” গার্ড ‘ গার্ড।
” জি স্যার –
প্রহেলের ডাকে তথ্যনাত দুইজন গার্ড ছুটে আসে।
বাসার সামনে থেকে অপহূত মেইন রোডের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ আমার চাই এই মুহূর্তে নাও গো first ”
কথা শেষ হতেই গার্ড দু’জন নিজেদের কাজ সম্পূর্ণ করতে চলে , কাবাটের পাশে কিছু একটা করতে ভিতর থেকে বেরিয়ে আসে একটি সিক্রেট রুম ,দিরে দিরে রুমে ঢুকে রিমোট কন্ট্রোল চাপ দিয়ে পুড়ো রুম আলোকিত হয়ে যায় , রিভালবার, দাঁড়ালো ছুরি ও বেশ কিছু ছোট ছোট মাত্রাতিরিক্ত অস্ত্র নিয়ে নেয়,
“স্যার আসবো ”
— হুম কামিং।
বলেই লোকটির হাতে থাকা সিসিটিভির ফুটেজ একটা একটা করে দেখতে থাকে, যদি কিছু ক্লো পায় , আনেয়া বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে একটা কালো রঙের গাড়ি প্রহেলের বাড়ির আশেপাশে অনেকক্ষন ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে, গাড়ির প্লেট নাম্বার দেখে প্রহেল বাঁকা হেঁসে হিংস্র পশুর মত নির্যাতিত গর্জন করে কাউকে কল দিয়ে বলে।

০০৯৮০২১ এই নাম্বারে গাড়ির বর্তমান অবস্থান কোথায় লোকেশন ট্রাক করে বল।
কথা শেষ ফোন কেটে হাত মৃষ্টিবিদ্যা করে উঠে ‘ ভারী পায়ার হাঁটার শব্দে নড়েচড়ে ওঠে আনেয়া মাথাটা কেমন ঘুরছে মনে হচ্ছে ব্যাথায় ছিঁড়ে যাওয়ার উপক্রম , এক জোড়া পা নিজের এতো সামনে দেখে ভয়ে কেঁপে উঠে আনেয়া মুখ তুলে ভাঙ্গা ভাঙ্গা কন্ঠে বলে।
” কে আপনি কি শত্রুতা আপনার আমার সাথে –
তোমার সাথে আমার শত্রুতা না পাখি মনের অগোছরে সুখ নেওয়া আর দেওয়া,
অপরিচিত লোকের থেকে এমন কথা শুনে গা ছমছম করে উঠে আনেয়ার ভয়ার্ত দৃষ্টিতে বলে।
, আমি আপনার পাখি না আমাকে ছেড়ে দেন ।
আনেয়ার কথায় রনি ঠোঁটের আশে’পাশে হাত বুলিয়ে শাড়া শরীর স্ক্যান করে বলে ।
প্রহেলের থেকেও বেশি ভালোবাসা দিয়ে বড়িয়ে দিবো পাখি ট্রারস মি।
অচেনা অপরিচিত লোকের মুখ থেকে প্রহেলের নাম শুনে চম্কে উঠে আনেয়া ক্ষিপ্ত বাঘিনীর মত নির্যাতিত গর্জন করে বলে।

” আমার স্বামীর কিছু হলে তুকে আমি নিজ দায়িত্বে খুন করবো।
আনেয়ার কথায় রনি বুকে বা পাশে-হাত দিয়ে বলে।
‘ আমি অনেকক্ষণ আগেই খুন হয়ে গেছি পাখি তুর হাতে আমি বার বার খুন হতে রাজি।
_ বস লোকেশন ট্রাক করে অধের বর্তমান অবস্থান কক্সবাজারে ঘুড়ি-হার ওইখানে সো করছে।
রিফানের কথায় প্রহেল রহস্য নিয়ে হাঁসি দিয়ে বলে।
ইমারজেন্সি ফ্লাইট বুক করো আমরা বের হবো আর হ্যাঁ অবশ্যই আমার খুদারত পিংওসিং কে নিয়ে আসবে।
বলেই ফোন কেটে দেয়, রাত ১২:৩০ গমগম করে হেলিকপ্টার ভূপাতিত এক শুনশান খালি মাঠে ল্যান্ড করে ভিতর থেকে কালো হুডি পড়ে বেড়িয়ে আসে প্রহেল, রিহান, সাগর।

” দেখুন আমার কাছে আসবেন না দূরে থাকুন প্লিজ আহ্।
” ভয় পাচ্ছো কেনো পাখি ‘
কিছুক্ষণ আগে রনির কিছু লোকরা আনেয়া কে জোর করে সাজিয়ে সুন্দর দেখে একটা গাউন পড়িয়ে দিয়ে গেছে গাউন টা বেশি লম্বা নয় ছোট হাঁটুর উপরে আর বুক প্রজন্ত, রনির কথায় আনেয়ার ভয়ের মাত্রা আরো ভারতে থাকে, রনি এগোচ্ছে তো আনেয়া পিচাচ্ছে আনেয়ার পিছানো দেখে রনি জোরে হেসে উঠে বলে।
” পিচাচ্ছো কেনো পাখি আমাকে তোমার করে নিবে না কাম পাখি।
বলে গাঁয়ের মেরুন রঙের সার্ট দিরে দিরে খুলতে থাকে , প্লেন থেকে বেরিয়ে চার-পাশ পর্যবেক্ষণ করে প্রহেল কিছু একটা ইশারা করতে রিহান, তাঁদের পিছনে আসা বডি গার্ডদের বলে।

বন্দুক নিচে কোন শব্দ হবে না সিগনাল পেলে সুট করে দিবে মনে রাখবে মেমের যাতে কিছু না হয় ওকে,
কথা শেষ করে প্রহেল কে নিজেদের প্লেন মোতাবেক কাজ করতে থাকে, রিহান ও সাগর প্রহেলের পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস আউটরুপ মিশন এই সব কাজেই তাদের নিজের সাথে নেয় প্রহেল, ছোট ছোট পা পেলে খুব দির সাবধানে এক’পা দু পা করে সামনে এগোচ্ছে, রিহান, সাগর প্রহেল, তিন জন নিজেদের সাথে কিছু গার্ড নিয়ে ভাগ ভাগ হয়ে যায়, প্রহেল কিছু টা সামনে যেতে কিছু লোকের কথপোকথন কানে ভেসে আসে।
Pk এর বউয়ের ফি*গার দেখলে মাথায় নেশা চরে বসে,

লোকটির কথা শুনে প্রহেল দাঁতে দাঁত চেপে কটমট দৃষ্টি নিক্ষেপ করে যেনো এই চোখ দিয়েই বর্ষ করে দিতে , হাতে রাখা বন্দুকের ট্রিগারে চেপে সামনে বসে থাকা দুইজন লোকের বক্ষ যুগল বড়া বড় দক্ষ হাতে সুট করে, লোক গুলো চিৎকার করার আগে পিছন থেকে প্রহেলের গার্ডরা মুখ চেপে টেনে’হিচরে নিয়ে যায়, হঠাৎ করে নাজমা বেগম কেমন অস্থির অস্থির লাগছে মেয়েটার কথা মনে পড়ছে, সকালে আনেয়ার মিমো বিড়াল টার কথা মনে পড়তে গার্ড দিয়ে বিড়াল নিয়ে গেছে, প্রহেলের নাম্বারে কল দিচ্ছে অপাশ থেকে
বার বার একি কন্ঠ শুর ভেসে আসে।
আপনার কলটি এই মুহূর্তে সংযোগ প্রদান করা সম্ভব নয়।
হয় তো মায়ের মন দেখে সন্তানের বিপদের আশঙ্কা বুঝতে পারছে, রনি আনেয়ার এক’পা টেনে নিজের কাছে এনে ঠোঁটে ঠোঁট মিলিয়ে দেয়,

,উ*ম, উ*ম
শব্দ করে এক হাতে রনি কে নিজের থেকে ছাড়াতে রনির বুকে পিঠে নিজের দাঁড়ালো নক বসিয়ে দেয়, এতো রনি কে সড়াতে সক্ষম না হয়ে জমজম করে চোখের পানি ছেঁড়ে দেয়, বাহিড়ে তীব্র গুলা গুলির আওয়াজে রনির দেহন কিছু টা অন্যমনস্ক হলে আনেয়া নিজের হাঁটু দিয়ে রনির নিচে লাথি মেরে বসে, ছিটকে দু কদম পিছিয়ে হাত দিয়ে ব্যাথায় ছটফট করতে থাকে রনি, নিজেকে মুক্ত করে পাশ থেকে একটা অয়েনের বোতলের মুখ ভেঙ্গে সামনে দাক করে বলে।
” ছুবি না আমায় মেড়ে দিবো।
রনি এতোক্ষণ ঠিক থাকলেও আনেয়ার পাল্টা আঘাত করায় তেতে উঠে, রাগে উঠে এসে আনেয়ার ডান গালে,
ঠাস, ঠাস,
করে দুটো থাপ্পড় মেরে দেয়, তাল সামলাতে না পেরে ছিটকে নিচে পড়ে ঠোঁটে নিচের অংশ কিছু টা ছিলে যায়।
, আহ্ ‘

ব্যাথা পেয়ে মুখ থেকে বেড়িয়ে আসে না চাইতেও, রনি আবারো তেতে কাছে আসবে ঠিক সেই সময় একপা বাড়তে পিছন থেকে কেউ রনির পায়ে সুট করে দেয়, রনি কিছু বুঝে ওঠার আগে প্রহেল নরখাদকের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে রনির নাক মুখ ফেটে রক্ত পড়ছে প্রহেল হিতাহিত জ্ঞান শূন্য হয়ে রনির গলা চেপে ধরে রাগান্বিত কন্ঠে বলে।
” কি করেছিস তুই আমার ফ্লাওয়ারের সাথে।
প্রহেলের কথায় ঠোঁটের কোণ থেকে গড়িয়ে পড়া রক্তের বিন্দু কণা তর্জনী আঙ্গুল দিয়ে মুছে, রনি বলে।
_ ‘ বেশি কিছু করিনি শুধু তুর বউয়ের এই কোমল পানীয় পান করা ঠোঁট দুটু নিজের ঠোঁটে চেপে ধরেছি?
মুহুর্তের মাঝে রক্ত’ব্রন ধারন করে প্রহেলের চোখ শক্ত চোখে আনেয়ার দিকে তাকিয়ে রনির মুখ বড়া বড় ফ্রান্স মেরে দেয়,দুই জনের হাতহা’হাতড়ির মাঝে ছুটে আসে রিহান, সাগর, প্রহেল কে এখন থামানো উচিত না হলে এই মুহূর্তে খুন করতেও দ্বিধাবোধ করবে না,
‘ বস বস আপনি শান্ত হন প্লিজ মেম ভয় পাচ্ছে।
সাগরের কথায় প্রহেলের হাতের মাঝে পৃষ্ঠ হওয়া রনি ঠোঁটের কোণে বাঁকা হাসি এনে বলে।
‘ তুই আমাকে মারতে পারবি না আমি যানি তো। বলেই প্রহেলের বুকে পড়ে থাকা কাঁচের টুকরো ঢুকিয়ে দেয়, গলগলি তাজা রক্ত দেখে পড়ে থাকা আনেয়া চিৎকার করে উঠে।

_ ‘ উনাকে আঘাত করবি না ছেঁড়ে দে শয়তান উনার কষ্ট হচ্ছে আমার ট্যাটুওয়ালার কষ্ট হচ্ছে।
বলেই আনেয়া নিচ থেকে উঠে প্রহেলকে ধরবে ঠিক শেই সময়, রনি প্রহেল কে নিজের থেকে ধাক্কা দিয়ে আনেয়ার দিকে হাত বাড়াতে প্রহেল চেঁচিয়ে উঠে।
” ডোন্ট টাচ রনি ছুঁবি না ওকে।

প্রহেল কে উত্তেজিত হতে দেখে রক্তচক্ষু নিয়ে এগিয়ে আসে রিহান রনি আনেয়াকে ছুয়ার আগে ধাক্কা দিয়ে দু কদম পিছিয়ে দেয়, কোন রকমে নিজেকে সামলিয়ে প্রহেলের আঘাতপ্রাপ্ত বুকে হামলে পড়ে, পারছে না প্রহেলের বুকের মাঝে নিজেকে মিশিয়ে দিতে, প্রহেল ক্লান্ত মাখা ঠোঁটে একটু হেসে নিজের বুকের মাঝে পড়ে থাকা তার ছোট ফ্লাওয়ার কে নিজের সাথে শক্ত করে জরিয়ে ধরে এলোমেলো হয়ে থাকা শুষ্ক চুলে চুমু খেতে বলে।
” আমি আছি তো ফ্লাওয়ার আমি থাকতে তোমার কিছু হবে না তুমি হিনা নিঃস্ব আমি।
বলেই আরো শক্ত করে নিজের সাথে ধরে, এতোক্ষণ প্রহেলের হাতে মার খেয়ে আর এখন রিহান, সাগরের হাতে মার খেয়ে রনির অবস্থা নাজেহাল, প্রহেল রনির দিকে তাকিয়ে বলে।

ফ্রাস্ট টাইম দেখে ছেঁড়ে দিলাম রনি নেক্সটাইম আমি ছেঁড়ে দিবো না মাইন্ড ইট ।
বলেই আনেয়াকে কোলে তুলে বাহিরে হাঁটা দেয়, আনেয়া অতিরিক্ত সরক্টে নিতে না পেরে ট্রমাতে চলে যায় দুই হাতে এখনো প্রহেলের কালো হুডি খামচে ধরে রেখেছে, রাত ২:৩০ , কক্সবাজারের নামি,দামি রিপোর্ট রুম বুকিং করছে প্রহেল রিসোর্টের ম্যানেজার থেকে রুমের চাবি নিয়ে লক খুলে আনেয়াকে আস্তে করে নরম বিছানায় শুইয়ে দেয় কপালে ভালোবাসার পরশ
দিয়ে বলে।

_’ আমি আসছি জান একটু একা থাকো !
আনেয়া নাছুক শব্দে প্রহেলের কম্পিত হাত নিজের বুকের সাথে চেপে ধরে বলে।
” আপনি গেলে আর আসবেন না ওই লোকটা আবার আসবে আমাকে বাজে স্পর্শে ছুবে।
” হুঁশ কেউ আসবে না কেউ তোমাকে ছুবে না, যেই এই প্রহেলের প্রান কে ছুবে তাকে আমি শেই প্রথিবীর নিকৃষ্ট মৃত্যু উপহার দিয়ে মারবো।

বলেই আনেয়াকে কোন রকমে বুঝিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে যায়, সমুদ্র পার বড়ো গাছের সাথে বেঁধে রেখেছে রনি কে, প্রহেল দাঁড়ালো ছুরি রনির গলায় চেপে দাঁতে দাঁত পিছলে বলে।
তুই আমার কোন এক সময় আপন কেউ ছিলি বলে আজ জানে বেঁচে গেলি নয় তো এই প্রহেলের জিনিসের উপর আরো বিন্দু মাত্র নজর রাখার সাহস কেও করে না।
– আজ তো শুধু এক রাতের জন্য চেয়েছি কিন্তু এখন আমার এক রাত নয় সব রাতে তোর প্রান কে চাই।
_ ব্যাপশা মা*গির ছেলে এই মুখ দিয়ে আর একবার আমার প্রানের কথা বলবি তো তুর মুখ ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিবো।
চুয়াল শক্ত করে ফেলে প্রহেল শেষ বারের মতো হুশিয়ার করে চলে যায় ।
_ কোথায় গিয়েছিলেন আপনি –
রুমে ঢুকার সাথে সাথে আনেয়ার কথায় হকচকিয়ে যায় প্রহেল, নিজেকে স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে বলে।
বল্লাম তো জান কাজ ছিল একটু।
আনেয়া চোখ করে বলে।

_ ওও -:
প্রহেল ওয়াশ রুমে যাবে তখনি পিছন থেকে আনেয়া ডেকে উঠে।
_ কাছে আসেন –
আনেয়ার কথায় প্রহেল কপাল কুঁচকে তাকায় এই এখন বার কাছে ডাকছে কেনো।
_ বলো কি বলবে –
_ ‘ আমার আ*দর চাই।
প্রহেল নড়েচড়ে দাঁড়ায় এই মেয়ের কি মাথা গেছে আগে তো প্রহেল ধরলেই বলতো।
ছাড়েন ছাড়েন।
আর এখন কি-না নিজ থেকে ডাকছে নাছুক শব্দ করে প্রহেল বলে।
জান তুমি অসুস্থ আগে সুস্থ হয়ে নেও তখন আমি আ*দর করবো।

_ না আমার এখন আ*দর চাই মানে চাই।
বলেই আনেয়া বিছানা থেকে নামতে যাবে তখনি পায়ের ব্যাথায় মিতু শব্দ করে ওঠে।
আহ্ –
প্রহেল অস্থির হয়ে ছুটে এসে ধর্মকের শুরে বলে।
বিছানা থেকে নামতে মানা করেছি না আমি কথা কেন শুনো না।
প্রহেলের কথায় অগাররাজ্য করে আনেয়া প্রহেলের গলা জরিয়ে নেশালো কন্ঠে বলে।
আমার এখন এই মুহূর্তে আপনাকে চাই।
বলেই ঠোঁ*টে ঠোঁ*ট মিলিয়ে দেয় আনেয়ার সাঁড়া পেয়ে প্রহেল আর নিজেকে ধরে রাখতে পারে না নিজেও হাড়িয়ে যায় আনেয়ার মাঝে দিরে দিরে প্রহেলের হাতের স্পর্শ বাড়তে থাকে, আনেয়ার জামার চেইন টা খুলে আনড্রেস করে দেয় মিশিয়ে নেয় নিজের অতি পরিচিত নারীটিকে

My Husband part 5+6

_ আহ্ – ।
তুমি অসুস্থ জান বেশি গতি বাড়ালে ব্যাথা পাবে।
_ আপনি আপনার মত করে করেন।
প্রহেল আনেয়ার কথায় বু*ক ছেঁড়ে নিচের দিকে নেমে আসে ।
_ আ*হ্ – উ*ম – উ*ফ্ -‘

My Husband part 9+10