Home Vilen vilen part 10+11

vilen part 10+11

vilen part 10+11
আনু

নিলয় ঠিকানা পেয়ে পরদিন সকালে যায় সেখানে তখন রোজিও বাড়ি থেকে বের হয়। নিলয় তার Lamborghini car এ বসা ছিলো রোজিও ততটা খেয়াল করে নি।
নিলয় রোজিকে দেখে কিন্তু নিজের রাগ ভেতরে চেপে রাখে কারণ রোজিকে এখন নেয়া যাবে না।রোজি গাড়িতে উঠে কলেজের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। নিলয় আস্তে আস্তে রোজির গাড়ি ফলো করতে থাকে।
রোজি কলেজ পৌছায় ক্লাস করে করে সে বের হয় এবং মিওমি ও লিলিকে জিজ্ঞেস করে,
রোজি : তোরা একটু দারা আমি লাইব্রেরি থেকে আসছি।

মিওমি : যা।
লিলি : তাড়াতাড়ি আসবি বলে দিলাম।।।
রোজি : আচ্ছা বাবা।
রোজি লাইব্রেরীর উদ্দেশ্যে চলে যায়। সে এখানে মূলত কয়েকটা বই নেয়ার জন্য এসেছে। রোজি প্রবেশ করতেই লাইট বন্ধ হয়ে যায় যার কারনে লাইব্রেরীর পুরো অন্ধকার হয়ে যায় রোজি ভয় পেয়ে যায়। রোজি এটা উপলব্ধি করতে পারে যে তার আশেপাশে কেউ হাঁটছে।
রোজি : কককে? কে এ এখনো?
সেই মানুষটি কিছু নাহ বলে রোজির কাছে আসে রোজি পালাতে নিলে রোজির কোমর দরে টান দেয় নিজের বুকের সাথে মিশিয়ে ধরে। রোজি ছাড়াা পেতে ছটাছুটি করছে কিন্তু পারছে না।
সেই লোকটি আর কেও নাহ নিলয় রোজি বুঝতে পারে না নিলয় রোজির গাল চেপে ধরে কিন্তু কিছু বলে না কারন নয়তো রোজি বুঝে যারে এটা নিলয়!!

আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন

নিলয় রোজির গাল অনেক জোরে চেপে ধরেছে।
রোজির মনে হচ্ছে এই বুঝি ওর গাল ভেঙে যাবে।
হঠাৎ নিলয় রোজির ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে দেয়,
অনেকদিন সে এই অনাহারে ছিলো আর
রোজির সারা শরীরে হাত বোলাতে থাকে
৫ মিনিট নাহ
১০ মিনিট নাহ
১৫ মিনিট নাহ ঠিক
২২ মিনিট পর সে ছাড়ে রোজি কে!
রোজি তো আহাম্মক হয়ে আছে,

নিলয় সেখান থেকে সে চলে যায়।রোজি দ্রুত লাইট অন করে কিনৃতু কাউকে দেখতে পায় না তাই সে এগুলো নিজের মধ্যে চাপা রাখে কাউকে বুঝতে দেয় নাহ।
সে বেরিয়ে মিওমি ও লিলির কাছে যায় তারা একসাথে বাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
-পেরিয়ে যায় কিছুদিন এইকয়দিন নিলয় রোজির কোনো খোজ নেয় নি অনেক ব্যস্ত ছিলো মিটিং এর জন্যে কারন তার অনেক বড় একটি ডিল হয়েছে এটাকে সে হাত ছাড়া করতে চায় নি।
নিলয় কফি খওয়ার জন্যে বাহিরে আসে কফি খেতে খেতে সে দেখে দুই কপত কপতি একে ওপরকে kiss করছে এটা দেখে আমাদের নিলয় এর রোজির কথ মনে পরে সে কফি খেয়ে বিল দিয়ে বাড়িতে চলে যায়।
রাতে বিছানায় শুয়ে নিলয় ভাবতে থাকে,
নিলয় : কালকেই তোমায় নিয়ে আসবো কিন্তু তোমায় আার ভালোবাসার জন্যে নাহ আমায় এতো বড়ো ধোকা দিলে এর শাস্তিকর তুমি পাবে নাহ? অবশ্যই পাবে।

সকালে রোজি রোজকার মতো কলেজ যায়। নিলয় ও যায় রোজিকে আনার জন্যে। সাথে রোহিদ ও রেদোয়ান।
নিলয় কলেজ যেয়ে দেকে রোজি কলেজ ক্যাম্পাসে বসে কিছু ছেলেদের সাথে বসে কথা বলছে ছেলে মেয়ে উভয় ছিল কিন্তু রোজির সাথে একটি ছেলে চিপকে বসে এবল তারা হেসে হেসে অনেক কথা বলছে।
এটা দেখে নিল এর রাগ সাত আসমান উপর চলে যায় সে দেরি না করে রোজির সামনে যেয়ে কলেজে ওপেনে আকাশের দিকে বন্দুক তাক করে ছয়টা বুলেট চালিয়ে দেয়।
রোজিদের খুব কাছে এসে কাজটি করে রোজি ভয়ে কান চেপে ধরে। নিলয় রাজ এমন রাগে উঠেছে সে রোজ বলে চিৎকার করে ওঠে,

রোজি নিলয়ের গলা শুনে এবং তার মুখ রক্তশূন্য হয়ে চুপসে আসে সে ভয়ে শিটিয়ে যায়। নিলয় এসে রোজির হাত ধরে টানতে টানতে গাড়ির দিকে নিয়ে যেতে থাকে,
রোজি : আ আ আ আপনি?
নিলয় : হ্যা আমি। কেনো অন্য কাউকে আশা করেছিলি?
রোজি : কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন?
নিলয় :।।।।।।।।
রোজি : কিছু জিজ্ঞেস করছি? আমায় এমনি নিয়ে যেতে……………
আর কিছু বলতে পারেনা রোজি নিলায় ওকে গাড়ির ভিতরে উঠিয়ে ফেলে নিজে উঠে বসে এবং নিলায়ের বাসার উদ্দেশ্যে রওনা করে।

লিলি এবং মিওমি বা আশেপাশের কেউই কোন সাহায্য করেনা রোজিকে কারণ ইতালিতেও নিলয় এর জ্যাং আছে নিলয় খুবই ভয়ংকর যা এখনো রোজির সামনে উপস্থাপন করেনি রোজির সামনে খুবই সামান্য রাগ দেখিয়েছে। সে নিজেকে এতদিন রোজির জন্য কন্ট্রোল করেছে।
নিলয়ের পান থেকে চুন খসলেই সে খুন করে বসে তার হাত কাঁপে না। কিন্তু আজ রোজি যা করল তাতে নিলয় তার পৌচাশিক রূপে চলে আসে। নিলয় এত জোরে এই রোজির হাত চেপে ধরেছে রোজির হাত অবশ হয়ে আসছে।
নিলয় বাসায় পৌছানোর পর গাড়ি থেকে নেমে রোজির পাশের গেটটা খুলে দেয়। কিন্তু রোজি ভয়ে জড়োসড় হয়ে আছে সে বের হচ্ছে না। রোজি কাঁদতে কাঁদতে চোখ মুখ লাল বানিয়ে ফেলেছে।
নিলয় দেখল গাড়ি বের হচ্ছে না বের করে আনে চুল ধরে টানতে টানতে বাড়িতে ঢুকে সেখানে রোহিত ও রেদোয়ান নিলয় কে কিছু বলতে যাবে তার আগে নিলয় বলে ওঠে,

নিলয় : কেউ আসবে না এটা আমার আর আমার ওয়াইফের ম্যাটার দূরে থাক তোরা!!
এই বলে নিলয় রোজিকে টানতে টানতে উপরে নিয়ে যেতে থাকে।
রোজি : প্লিজ আমায় ছাড়ুন আমার চুলে অনেক ব্যথা লাগছে।
নিলয় : চুপ তুই আগে রুমে চল, আমার পাগলামি,
আর আমার ভলোবাসা দেখে ছিস এখন আমার ভয়ংকর রুপ দেখবি!
নিলয় রোজিকে টেনে আনে রুমে নিয়ে ছুরে মারে। রোজি ঠাস করে ফ্লোরে পরে।
রোজি : আহহহ,
রোজি ব্যথা ভুলে উঠে দাড়ায় নিলয় রোজিকে নিশ্বাস নেওয়ার ও সময় দেয় নাহ ওর গাল চেপে ধরে,
নিলয় : পালিয়ে এসেছিস কোন সাহসে?
রোজি : ছা ছা ছাড়ুন আমায়…
নিলয় : আবার ছাড়ার কথা বলিস শালী তুই পালওয়ে এসেছিস কেনো তোর ছাড়ুন তোর কাছে রাখ আগে বল আমি কী জিজ্ঞেস করেছি?
রোজি : ম মা মানে?

নিলয় : এই শালী পালিয়ে এসেছিস কেনো?
রোজি : আমার ইচ্ছা!!আপ…….
রোজিকে কিছু বলতে নাহ দিয়ে এক থাপ্পর দেয় শরীরের সর্বচ্চ শক্তি দিয়ে রোজি ছিটকে পরে নিচে উঠার আগেই নিলয় রোজির চুল ধরে টেনে ওঠায়,
নিলয় : আমার অধিকার কী তুই জানিস নাহ?
তুই তো ধোকাবাজ তোর সাথে তোর বাপ ও আমায় ধোকা দিলো বাবা বাবা বলে?
রোজি : মুখ সামলে কথা বলুন।
নিলয় : অনেক সামলেছি নিজেকে, এখন আর পারব না।
রোজি : এভাবে আমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে আমাকে তুলে আনার সাহস হয় কিভাবে আপনার?
নিলয় : শালী এই প্রশ্ন আগে তুই নিজেকে কর তুই আমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে কেন পালিয়ে এলি বাবা মেয়ে কারসাজি করে।

রোজি : আপনার কোন অধিকার নেই আমার উপর।
নিলয় : আছে তুই বউ হস আমার ২ বার বিয়ে করা বউ।
রোজি : মানি নাহ আমি এ বিয়ে।
নিলয় : তুই মানতে রাজি তুই মানতে রাজি তুই মানতে রাজি!!!!
রোজি : কেনো মানবো? আমায় জোর করে বিয়ে করেছেন আ…..
এটা বলার আগে নিলয় দ্রুত গিয়ে রোজির মুখ চেপে ধরে,
নিলয় : শালী,ধান্ধাবাজ তোকে কিছু বলছি না বলে তুই কি মাথায় উঠে যাচ্ছিস? কি বললি তুই এটা কি বললি? তোর সাহস এতো কী করে হলো?
রোজি : ছাড়ুন আমা.. আমায় ছা ছাড়ুন বলছি!
রোজি নিলয়কে ধাক্কা দিয়ে সরায়,
রোজি : আমায় যেতে দিন? আমায় যেতে….
নিলয় আবার রোজিকে চেপে ধরে,

নিলয় : তোকে যাওয়ার জন্যে এখানে আনি নি আমি!
রোজি : আমি যাবোই!! আমার বাবকে ওরা কেউ বলবেই!
নিলয় এটা শুনে হঠাৎ রোজির আর ওই ছেলের কথা মনে পরে। যার সাথে রোজি হেসে হেসে কথা বলছিলো! নিলশ রোজির হাত পিছনে মুচরে ধরে,
নিলয় : পালিয়ে এসেছিস তো এসেছিস আবার নতুন নাগর জুটিয়ে ফেলেছিস?
রোজি : আহহহ!!! ছাড়ুন আমার হাত আউচ!!
নিলয় : কে ওই ছেলে? ওর জন্যে আমায় ছেড়ে এসেছিস।
রোজি : ন…..
কিছু বলতে নাহ দিয়ে নিলয় রোজিকে বিছানায় ছুড়ে মারে,
নিলয় : আমাকে দিয়ে হয় নাহ? আমি একা তোর জন্যে যথেষ্ট নাহ?
রোজি : চুপ করুন। চুপ…

নিলয় : তোর অনেক জালা শরীরে আজ আমি মিটাবো।
নিলয় বিছানায় উঠে রোজির কাপড় এক এক করে খুলে ফেলে আর বলে
নিলয়: তোর জিবন জাহান্নাম করে তুলবো আজ থেকে!
নিলয় নিজেও আনেড্রস হয়ে যায়, রোজির গলায় মুখ ডুবায় কামর দিতে থাকে।
রোজি : ছাড়ুন ছাড়ুন আমায় ছাড়ুন!!
বলে চিৎকার করতে থাকে রোজি।নিলয় আজ ওকে ভালোবেসে নয় ওকে কষ্ট দিতে এমন করেছে। নিলয় রোজি চিৎকার করায় বলে,

নিলয় : চুপ কর নাহলে ডোজ আরও বাড়িয়ে দেব!
রোজি : প্লিজ ছাড়ুন আমায় আমর ব্য’থা লাগছে!
নিলয় কিরমিরিয়ে নিজের বুকে রোজির হাত নিয়ে যেয়ে বলে,
নিলয় : তুই শালী আমায় ধোকা দেয়ায় আমার এইখানে তীব্র ব্যথা হয়েছিল।
রোজি : ছাড়ুন আপনি পাগল হয়ে গেছেন।
নিলয় : আমার ভালোবাসা তোর কাছে পাগলামি লাগে?
রোজি : হ্যা।
এটা বলতে দেরি নিলয়ের কামড় দিতে দেরি হয় নাহ!নিলয় রোজির বুক, গলা,ঘর,পেট,হাত,পা সকল জায়গায় নিজের দাঁত বসাতে শুরু করে।
রোজি : আহহ, আল্লাহ, মা গো ছাড়ুন নিলয় ছাড়ুন আমায় ছেড়ে দিন আমি পারছি নাহ।
নিলয় : আমাকে আবার ছাড়ার কথা বল্লি?
নিলয় এমনি রেগে আছে আবার ওকে ছাড়ার কথা বলায় নিলয় রেগে এত জোরে রোজিকে কা’মড় দিতে লাগলো রোজির কামড় দেওয়ার স্থান থেকে রক্ত বের হতে লাগলো। নিলয় না থেকে এন্টি’মেট হতে লাগলো!
রোজি : আহ এমন টা করবেন নাহ আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে।

নিলয় : তোর শরীরে তো অনেক জালা আমি মিটিয়ে দেই নাহ হয় আবার নতুন নতুন নাগর জুটাবি!
রোজি ছটপট করছে চিৎকার করছে এতে নিলয় আরও আনন্দ পাচ্ছে। রোজি নিলয় কে আজ সহ্য করতে পারছে নাহ। নিলয় আজ খুবই ডেসপারেট। নিলয় আজ পাশান হয়ে উঠেছে রোজির প্রতি এতোদিন যেই মায়া কাজ করতো সেই মায়া চলে গেছে। রোজি নিলয়পর কাছ থেকে দূরে যেতে চাইলে নিলয় রোজিকে ২ টা থাপ্পর মা’রলো!
নিলয় : এই শালী এই উঠে যাস কেনো?
রোজি : চুপ করুন কা’মড় বন্ধ করুন আহহহ!!
নিলয় তাও থামে নাহ কামড়ে কামড়ে রোজির পুরো দেহ রক্তাক্ত করে ফেলে। রোজি নিভু নিভু চোখে নিলয় এর দিকে তাকায় আর বলে,

vilen part 9

রোজি : অপনি মানুষ নাহ আপনি জানোয়ার।
নিলয় : জানোয়ার যেহেতু বলেছিস এখন দেখ জানোয়ার কাকে বলে!
নিলয় আটও ডেসপারেট হয়ে উঠলো। রোজি ব্য’থা পাচ্ছে তার উপর এতো কা’মড় আর সহ্য করতে নাহ পেরে রোজি অ’জ্ঞান হয়ে যায়। কিন্তু নিলয় রোজিকে ছাড়ে নি।

vilen part 12