Home Vilen vilen part 4

vilen part 4

vilen part 4
আনু

বেশকিছু দিন পেরিয়ে গেছে নিলয় মাঝে মাঝে রোজির সাথে দেখা করতো রোজির ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিন্তু ওইরাতের ওর থেকে রোজি নলয়কে ভয় পায়!
নিলয় এটা বুঝতে পারে নাহ কারণ সে heartless মাঝে মাঝে রাতে নিলয় এা রোজিকে দেখর তৃষ্ণা উঠলে সে রোজির বাসায় চলে যায় রোজি মাঝে মাঝে টের পায় মাঝে মাঝে পায় নাহ!
রোজি চায় কীভাবে এই আপদ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়!
একদিন রোজির বাবা রোজিকে ডেকে পাঠান,

আশা : আপুনি বাব ডাকছে।
রোজি শোয়া ছিলো সে আশাকে আসতে দেখে উঠে বসে।
রোজি : তুই যা আমি আসছি।
রোজি নিচে নেমে আসে এসে দেখে তার বাব সোফায় বসে আছেন।
রোজিকে দেখে সে বলে :
রোজির বাবা : ব্রেকফাস্ট করেছো মা?
রোজি : জি বাবা তুমি করেছ?
রোজির বাবা : হুম। মা কিছু কথা ছিলো!
রোজি : বলো বাবা।

আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন

রোজির বাবা : তোমাকে আজ ছেলে পক্ষ দেখতে আসবে যদি তাদের পছন্দ হয়ে যায় তাহলে তারা এক সপ্তাহ পর বিয়ে করাবে। আশা করি তুমি আমার সম্মানের কথা ভেবে হলেও বিয়েটা করে ফেলবে।
তখন রোজি মনে মনে ভাবে এখনই নিলয়ের থেকে ছাড়া পাওয়া যাবে বিয়েটা করে ফেলে। রোজি আর কিছু না বলে বাবাকে হ্যাঁ বলে দেয়।
এদিকে নিলয় কিছুই জানে নাহ!
বিকেল ৫ টায় তারা দেখতে আসে ছেলের নাম লিমন বয়স ২৬ বছর দেখতে ভালোই। রোজিকে দেখেই তারা পাগল হয়ে গেছে।
লিমনতো তার নাকে ইসশারা দিয়ে দিয়েছে এইমেয়ে তার চাই বউ হিসেবে।
তারা কথা পাকাপাকি করে চলে যায় হালকা নাস্তা করে।

এদিকে রোজিই লুঙ্গি ডান্স দিচ্ছে কারণ এখন সে নিলয়ের কাছ থেকে মুক্তি পাবে।
নিলয় রোজিকে বেশ কয়েকদিন ডিস্টার্ব করছে না কারণ নিলয় তার বিজনেসের উদ্দেশ্যে থাইল্যান্ড গিয়েছে। সেখানে নিলয়ের কিছু কাজ রয়েছে। নিলয় বাংলাদেশের ফিরলো রোজির বিয়ের আগের দিন রাত্রে।
পরদিন রোজির বিয়ের তোরজোর শুরু হয়েগেছে নিলয় ব্যস্ততায় রোজির খোজ নেওয়া হয় নি।নিলয় এর হঠাৎ রোজির কথা মনে পরায় সে রোজির ঘরে লাগানো সিসিক্যামেরা চালু করে তার ল্যাপটপে সে অনেকদিন যাবত রোজের ঘরে একটি সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে রেখেছে রোজি কি করে না করে সে জানতে পায় সেই উদ্দেশ্যে।
অবশ্য রোজি তার বউ রোজি জানে না তা। সে সিসি ক্যামেরা চালু কর তার মাথা গরম হয়ে যায় চোখ রক্তবর্ণ হয়ে আসে। সে দেখতে পায় রোজি সুন্দর করে সেজেগুজে শাড়ি পড়ে বসে আছে একদম বিয়ের সাজসজ্জা সে দেখেই বুঝা যায় আজ রোজের বিয়ে।

ঠিক তখনই রোজির বাহিরে পাহারাদার গার্ডগুলো তাকে কল করে কারণ তারা রোজির বাসার ভেতর থেকে হইচই শুনতে পেয়েছিল। তারা একজন লোককে জিজ্ঞেস করে জানতে পারে আজকে রোজির বিয়ে। তারা ভয়ে তাড়াতাড়ি নিলয় কে কল করে বলে :
গার্ড : বস রোজি ম্যাডামের বাসার ভেতর থেকে হইচই এর আওয়াজ আসছে। একজনকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম আজ রোজি ম্যাডামের বিয়ে আপনি তাড়াতাড়ি চলে আসুন।
নিলয় : আমাকে না জানিয়ে বিয়ে? আমি ওই রাতে সে ভুলটা করার কারণে আমি নিলয় অনেক অনুতপ্ত ছিলাম কিন্তু এখন দেখাবো আমি তোমার সাথে কি করতে পারি! এতদিন আমার ভাল রূপ দেখেছো কিন্তু এখন দেখবে আমার খারাপ রূপ!
নিলয় এটা ভেবেই রওনা হয় রোজির বাড়ির উদ্দেশ্য!
(লেখিকা :আজকে যে রোজির কী হবে 😹)

এদিকে,
রোজির বিয়ে পারিবারিকভাবে হওয়ায় ততটা সাজসজ্জা করা হয়নি ঘরের মধ্যেই বিয়ে করানো হবে। তাই রোজির বাসার বাহিরে পাহারাদার গার্ড গুলো জানতেই পারলো না যে ভিতরে রোজির বিয়ে হচ্ছে।
রোজী আজ একটা লাল কালারের শাড়ি পড়েছে লাল কালারের দোপাট্টা সব জুয়েলারি সব গোল্ডের চুলগুলো ব্রাইডাল ভাবে বেঁধে চুলের ফাঁকে ফাঁকে ফুল দেওয়া ছোট ছোট শুনে চুলগুলো ছেড়ে দেয়া। রোজী আজকে একটু ভারী মেকাপ করেছি যেহেতু আজকে তার বিয়ে তবে তথ্য ভারী মেকআপ না ন্যাচারাল টাইপ। ঠোটে হালকা চেরি ওয়াইন রেড কালারের লিপস্টিক দেওয়া চোখে হালকা আইসেডো ও আইলাইনার মাশকারা।
ঠিক এতোটুকুতে রোজিকে আগুন সুন্দরী লাগছে লাল পরীর মত লাগছে।
রোজি সেজেগুজে তার ডেসিন টেবিলের সামনে বসে ছিল। হঠাৎ তার বোন আশা এসে বলে,
আশা : বর চলে এসেছে আপু চলো।
রোজী কে সে আলতো করে ধরে নিচে নিয়ে যায়।
রোজিকে দেখে তো লিমন তাই পাগল। ইতিমধ্যে কাজী চলে এসেছে।শুরু হল তাদের বিয়ে পড়ানো।
রোজিত নিলয়কে ভুলেই গিয়েছে

হঠাৎ করে একটা গলির শব্দ হয় রোজি ভয়য়ে কানে হাত চেপে চোখ বন্ধ করে ফেলে। নিলয় ঘরে ঢুকে পড়ে রোজিকের লিমনের পাশে বসা দেখে তার মাথা গরম হয়ে যায় আরো সে দ্রুত প্রায় রোজি কাছে যেয়ে তার চুলের মধ্যে ধরে উঠায়।
সবাইতো নিলয় করছে বাংলাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ বিজনেসম্যান কে দেখে অবাক হয়ে যায় আবার ভয় পাই কারণ নিল একজন বড় গ্যাংস্টার তারা ভয়ে কেউ এগোচ্ছে না রোজিকে ছাড়ানোর জন্য!
রোজি ব্যথায় শব্দ করে ওঠে,
রোজি : আহহহহ!!! লাগছে ছাড়ুন
নিলয় : লাগার জন্যেই ধরেছি। তুই আমার বিয়ে করা বউ হয়ে তুই এই গর্ধবকে বিয়ে করছিস!!!!
রোজি : কিহহহহহ আমি আপনার বিয়েকরা বউ মানে?
নিলয় : চল তোকে আসতে দেওয়াই আমার সবচেয়ে বড় ভুল ছিলো!
এদিকে রোজির বাবা-মাকে কিছু বুঝতে পারছে না রোজির বাবা নিলয়ের কাছে এসে রোজিকে ছাড়তে বললে নিলয় বলে,

নিলয় : আপনার মেয়ের সাথে আমার বিয়ে হয়ে গিয়েছে আমরা বাসরও করে ফেলেছি। আপনার মেয়ে কি আপনাকে বলেনি আপনি আমার বউকে আরেকজনের হাতে তুলে দিচ্ছেন?
রোজির বাবা : কিহ? কি বল্লে তুমি? রোজি তোমার বউ কীভাবে?
নিলয় : এটা আপনার মেয়ে কে জিজ্ঞেস করুন শশুর মসাই।
রোজির বাবা : রোজি কী বলছে এই ছেলে? রোজি মা, ও করি ঠিক বলছে? মা বল মা?
রোজি : বাবা আমি ওনাকে চিনি ন…….
নিলয় রোজির চুল আরও জোরে ধরে গর্জে উঠে বলে,

নিলয় : কী বলতে চাস? কী বলতে চাস? আমাকে চিনিস নাহ? সেই রাতের কথা মনে নেই? আমার স্পর্শে তোর পুরো দেহ যে কাপছিলো? ভুলে গিয়েছিস নাকি? আবার মনে করিয়ে দিবো তোকে? তোর শরীরে এমন কোনো জায়গা আছে যেখানে আমি স্পর্শ করিনি বা আমার স্পর্শ লাগে নি? আর তুই আমায় বলিস আমি চিনি নাহ? হাহাহা!
রোজির বাবা স্তব্ধ, তার মুখে কোনো শব্দ নেই!
রোজির বাবা রোজিকে জিজ্ঞেস করে,

রোজির বাবা : মা এই ছেলে টা কী সব সত্যি বলছে? মা বল? রোজি এই রোজি
রোজি নিজেও স্তব্ধ সে তখন থেকে নিলয়ের দিকে তাকিয়ে আছে তার মুখে শব্দ নেই নিলয় এক পলক রোজির দিকে তাকাতেই তার খারাপ লাগে রোজি কাঁদতে কাঁদতে চোখ মুখ ফুলিয়ে ফেলেছে নিলয় রোজির চুলগুলো ছেড়ে দেয় রোজি ছাড়া পেয়ে দৌড়ে বাবার কাছে যায়। রোজি বাবাকে জরিয়ে ধরে বলে,
রোজি : বাবা উনি মিথ্যে বলছে। বাবা আমি এমন কিছু করি নি বাবা সত্যি বাবা আমি কিছু করিনি
এটা বলেই চিৎকার করে কাঁদতে থাকে নিলয়ের বুকে অনেক কষ্ট হলেও সে বুঝতে পারে নাহ কারন সে পাশান, হার্টলেস!!

vilen part 3

নিলয় : হাহাহা মিথ্যে বলছো রোজ?
এটা বলে মোবাইল বের করে সেই রাতের কয়েকটা ছবি দেখায় যেখানে রোজি নিলয়ের বুকে তাদের শরীরে কিছু নেই শুধু সাদা কম্ফোর্টার এটা দেখে রোজি নিচে বসে পরে। রোজির বাবা চুপ হয়ে যান!

vilen part 5