Home কোন গোপনে মন ভেসেছে কোন গোপনে মন ভেসেছে পর্ব ৪১

কোন গোপনে মন ভেসেছে পর্ব ৪১

কোন গোপনে মন ভেসেছে পর্ব ৪১
মিসরাতুল রহমান চৈতী

রাতুল শুয়ে ছিলো ঠিক সেই সময় আসিফ এসে বললো – ভাই।
হুম বল শুনচ্ছি বলে উঠে বসলো।
নাহিদ হাসান ইনভাইট করেছে সমস্ত নেতাদের এবং সেই লিস্ট এ আপনিও আছেন।
কবে পার্টি?
ঈদের দিন। শুধু তাই নয় সাথে ভাবীকেও ইনভাইট করেছে।
কিহ্?
জ্বী ভাই। এখন কি করবেন আপনার ঘা টাওতো শুকাইনি দুইদিন পর তো ঈদ।
আসিফ দুইদিন আগে হোক বা দুইদিন পরে হোক আমাকে তো শহরে ফিরতেই হতো একটা কাজ করো গাড়ি রেডি করো একটু পরে আমরা বের হবো।
কিন্তু ভাই এইভাবে কি যাওয়া ঠিক হবে আমাদের কথা বাদই দিলাম ভাবী ওনার সেফটি তো ভাবতে হবে। যদি কিছু হয়ে যায়।

বিশ্বাস রাখ আসিফ কিছুই হবে না। আমি আছিতো ওকে আগলে নেওয়ার জন্য আমার বাহুডোরে ওকে আগলে নিবো ভাবিস না তোর ভাবী বাঘিনী ও এতো সহজে হার মানার মেয়ে না। তোকে যা বলেছি তাই কর আর তোর ভাবীকে বাগান থেকে ডেকে আন বলবি আমি ডেকে পাঠিয়েছি।
আসিফ মাথা নেড়ে চলে গেলো। আসিফ চলে যেতে দীর্ঘ শ্বাঃস ফেললো রাতুল।
আসিফ চৈতীকে খবর দিতে চৈতী ছুটল রাতুলের পানে রাতুলের সামনে এসে থামতে চৈতী বললো– কিছু কি হয়েছে? আমাকে ডেকে পাঠালেন যে।
এমনি শুনো রেডি হয়ে নেও একটু পরে আমরা রওনা দিবো ঢাকার উদ্দেশ্যে।
কি আমাদের তো আরও দুই দিন থাকার ছিলো আপনার ঘা টা তো শুকায়নি।
ওটা নিয়ে ভেবো না চৈতী আমার এইসব ঘা ক্ষতে অভ্যাস আছে। খু্ব জরুরি কাজ তাই না গেলেই নয় বোরকা আর নিকাব পড়ে রেডি হয়ে নেও।

আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

চৈতী বোরকা টা পড়ে নিয়ে হিজাবটা বেঁধে নিয়ে মুখে নিকাব টা বেঁধে নিয়ে রাতুলের সব মেডিসিন নিয়ে নিলো।
একটু পরে আসিফ এসে বললো,, ভাই গাড়ি রেডি তাহলে দেরি না করে আমরা রওনা দিয়ে দেই।
রাতুল মাথা নাড়িয়ে বিছানা থেকে নেমে চৈতীর হাত ধরে রুম থেকে বের হয়ে কেয়েটারকার কে সব কিছু দেখে রাখতে বলে গাড়িতে ওঠে ওরা চারজন রওনা দিলো ঢাকার উদ্দেশ্য।
বাহিরের তপ্ত রোদে চৈতীর নাজেহাল অবস্থা। গাড়ির পিছনে রাখা টিস্যু বক্স থেকে রাতুল টিস্যু নিয়ে চৈতীকে নিজের দিকে ঘুরিয়ে মুখের নিকাব টা একটু তুলে সযত্নে ঘাম মুছে দিয়ে টিস্যু টা ফেলে দিয়ে আসিফকে বললো আসিফ এসিটার পাওয়ার বাড়িয়ে তোর ভাবীর কষ্ট হচ্ছে।
আসিফ এসির পাওয়ার টা বাড়িয়ে দিয়ে গাড়ির স্প্রিড টা বাড়িয়ে দিলো যাতে তারা দ্রুত পৌঁছাতে পারে।

রাস্তার যানজট হৈচৈ পেড়িয়ে তারা পৌঁছালো বাড়িতে। চৈতী আর রাতুল গাড়ি থেকে নামতে আসিফ বললো,, ভাই আপনারা থাকেন আমি একটু পতিতালয়ের কাজটা দেখে আসি কতটা কি হলো?
রাতুল বললো,, আচ্ছা যা তবে সাবধানে থাকিস বর্ডিগাড সাথে নিস আর দরকার পড়লে কল করিস।
ঠিক আছে ভাই বলে গাড়িটা স্টার্ট দিয়ে আসিফ চলে গেলো। আসিফ চলে যেতে রাতুল আর চৈতী বাড়ির ভিতরে ঢুকে সোজা তাদের রুমের চলে গেলো।
রুমে আসতেই চৈতী বোরকা আর হিজাব টা খুলে আলমারি টা খুলে জামা কাপড় নিয়ে ফ্রেশ হতে গেলো। রাতুল বিছানায় হেলান দিয়ে বসলো।
চৈতী শাওয়ার নিয়ে বের হতে রাতুল মুগ্ধ নয়নে তাকিয়ে রইলো ভেজা চুলে খুব সিগ্ধ লাগছে চৈতীকে যেনো কোন এক আকাশের উপচেয়ে আসা বৃষ্টি পড়ছে। রাতুল বিছানা থেকে নেমে ধীরে পায়ে চৈতীর দিকে এগিয়ে গেলো হুট করে পিছন থেকে চৈতীর কোমরটা জড়িয়ে ধরে নাক ডুবিয়ে গন্ধ নিচ্ছে চৈতীর ভেজা চুল থেকে।
ঈর্ষা কেঁপে উঠলো চৈতী। রাতুল যেনো সেই কম্পন টা অনুভব করলো।
একটু পর রাতুল চৈতীকে ছেড়ে দিয়ে ওয়াশরুমে চলে গেলো।
চৈতী যেনো এখনো তব্দা খেয়ে তাকিয়ে রইলো রাতুলের যাওয়ার পানে।

রমজান চলে গিয়ে চারো দিকে ঈদ ঈদ আমেজ বয়ে বেড়াচ্ছে। চৈতী ঘুমিয়ে আছে ঘুমির ঘোরে কখন যে চৈতী রাতুলকে জড়িয়ে ধরেছে সে নিজেও জানেনা।
রাতুল ঘুম আড়মোড়া দিতেই টের পেলো একটা নরম হাত তার শক্ত পোক্ত শরীরটাকে আঁকড়ে ধরেছে। চকিত হয়ে তাকিয়ে দেখলো চৈতী। ঈদের দিন এর থেকে আনন্দের আর কি হতে পারে? খুব ইচ্ছে হলো চৈতীর কপালে তার অধরখানা ছুঁয়ে দিতে আজ আর নিজেকে সংযত করলো না তার অধর খানা ছুঁয়ে দিলো চৈতীর কপালে।
ঘুমের মধ্যে কেঁপে উঠলো চৈতী। রাতুল ঠোঁট কামড়িয়ে হাসে। মনে ইচ্ছে হলো চৈতীকে ডাক দেওয়ার বরং বড্ড ভালো লাগছে তার ঘুমন্ত মুখটা দেখতে।
রাতুল ধীরে বিছানা থেকে উঠে নেমে গেলো ফ্রেশ হতে নামাজে যেতে হবে। রাতুল খুব সাবধানে আলমারি থেকে জামা নিয়ে ওয়াশরুম এ গেলো ফ্রেশ হতে। দ্রুত ফ্রেশ হয়ে সে একটা চিরকুট লিখতে বসে। চিরকুটা লিখা হলে ভাঁজ করে রেখে দিলো চৈতীর হাতের মুঠোতে। তারপর সে ধীরে পা এ রুম থেকে বের হয়ে চলে গেলো মসজিদের উদ্দেশ্যে।
মসজিদের প্রাঙ্গনে এসে মনটাই শান্তিতে ভরে গেলো রাতুলের বুক ভরে নিঃশ্বাস নিলো। তারপর মসজিদের কলের দিকে গেলো ওযু করতে মসজিদের কলে ওযু করটাই এক ধরেন আনন্দ। রাতুলের মনে পড়ে ছোট বেলার কথা যখন ছোট ছিলো তখন মসজিদের কলে ওযু করতো আর একজন আরেকজনের গা এ পানি ছিটিয়ে দিতো। সোনালীর সেই অতীত মনে পড়তে হাসলো রাতুল ঠিক তখনই মাইকে বলে উঠলো এখনি ঈদের নামাজ শুরু হবে আপনারা যারা এখনো মসজিদে আসেননি তারা দ্রুত মসজিদে আসুন।
রাতুল দ্রুত ওযু করে মসজিদে ঢুকলো। একে একে সব মুসল্লীরা আসতে শুরু করলো মসজিদে।

চৈতীর ঘুম ভাঙ্গতে দেখতে পেলো একটা চিরকুট। চিরকুটের ভাঁজটা খুলে দেখতে পেলো,,
আমার জীবনসঙ্গিনী,
তোমায় ঘুমের মাঝে রেখে যেতে মন চাইলো না একটুও…
তবুও নামাজের ডাক এড়ানো যায় না।
ঈদের নামাজ পড়তে যাচ্ছি মসজিদে—
তুমি ঘুমিয়ে আছো, একটুখানি হাসি মুখে…
এই হাসিমাখা মুখটাই আমার জন্য ঈদের সবচেয়ে বড় উপহার।
তুমি যখন উঠবে, আমি হয়তো ফিরে আসবো না-ও তখনো,
তবুও চিন্তা কোরো না… আমি ঠিক তোমারই কাছে ফিরবো।
তোমার রান্নাঘরে গন্ধ হবে সেমাইয়ের,
আমার মনে গন্ধ হবে তোমার ভালোবাসার।
ঈদের প্রথম সালামটা তোমার জন্য রেখেছি…
আর প্রথম দোয়াটাও—
যাতে সারাজীবন এইভাবে তোমার পাশে জেগে থাকি,
আর কখনো না যাই চিরতরে কোথাও…
ঈদ মোবারক।
ভালোবাসি… সব সময়।
ইতি,,

— তোমার স্বামী
এমপি আহাম্মেদ।
চৈতীর ঠোঁটের কোন একটু হাসির রেখা দেখা দিলো। চৈতী দ্রুত বিছানা থেকে নেমে ফ্রেশ হতে গেলো ফ্রেশ হয়ে সোজা রুম থেকে বের হয়ে চলে গেলো রান্না ঘরে।
সার্ভেমেন্টরা রান্না করচ্ছে চৈতী যাওয়াতে ওনারা বললেন,, কিছু লাগবে?
চৈতী বললো,, না আমি সেমাই রান্না করবো কোথায় কি রাখা আছে আমাকে দেখিয়ে দেও?
ওরা একে একে সব দেখিয়ে দিলো চৈতী কোমরে ওড়না গুঁজে কাজ করা শুরু করলো।

রাতুল মসজিদ থেকে বের হয়ে হাটা দিলো বাড়ির দিকে এমন সময় এক দল বাচ্চারা এসে ঘিরে ধরলো রাতুলকে সালামি দেওয়ার জন্য রাতুল পকেট থেকে টাকা বের করে সবাইকে সালামি দিয়ে তারপর আবার হাটা ধরলো বাড়ির দিকে।
অবশেষে বাড়ি এসে পৌঁছাতে রাতুল স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললো তারপর কলিং বেলে চাপ দিলো কলিং বেল এর শব্দে ছুটে গেলো চৈতী দরজার দিকে দরজাটা খুলে দিতে রাতুল রুমের ভিতরে ঢুকতেই চৈতী সালাম দিলো।
রাতুল হেসে সালামের উওর দিয়ে তারপর পকেট থেকে একটা চ্যাক বের করে চৈতীর হাতে দিয়ে বললো,, তোমার ঈদ সালামি এইটা আগে থেকেই চৈতীর জন্য রেডি করা ছিলো।
চৈতী চ্যাক টা হাতে নিয়ে এমাউন্টটা দেখে নিয়ে অবাকের শীর্ষে চলে যায় ৫ লাখ টাকা সালামি ঈদে এত টাকা সালামি কে দেয়?

চৈতী রাতুলের পিছু পিছু রুমে ঢুকে বললো,, এতো টাকার সালামি কে দেয়? আর আমি তো কোন সালামি চাইনি।
রাতুল ফিচলে হেসে বললো,, কে দেয় জানিনা তবে আমি আমার চৈত্ররাঙ্গা আমার সবটা উজার করে দিতে চাই।
চৈতী কিছু বললো না চ্যাকটা যত্ন করে আলমারিতে রেখে দিয়ে তারপর রুম থেকে বের হয়ে গিয়ে কিচেন রুমে ঢুকে সেমাই একটা পিরিচে করে নিয়ে গেলো রুমে। পিরিচ ভর্তি সেমাইটা রাতুলের মুখের সামনে ধরলো চৈতী।
রাতুল অবাক হয়ে চৈতীকে জিজ্ঞেস করলো – তুমি রান্না করেছো আমার জন্য?
বিনিময়ে চৈতী একটু হাসে।
রাতুল খুশি হয়ে পিরিচটা হাতে নিয়ে সেমাইটা মুখে দেয়। রাতুল চোখ বন্ধ করে বলে উঠলো পুরো অমৃত স্বাদ চৈত্ররাঙ্গা।
চৈতী আবারও হাসলো।
রাতুল বললো,, এইভাবে হেসো না আমি মরে যাবো।
চৈতী রাতুলের এঁটো করে রাখা পিরিচ টা নিয়ে চলে গেলো কিচেন এ পিরিচটা রেখে দিয়ে রুমে আসতে রাতুল বললো –”চৈতী আজ সন্ধ্যায় রেডি থেকো একটা পার্টি আছে তোমাকে নিয়ে যেতে হবে।”
চৈতী আমতা আমতা করে কিছু বলতে নিলে রাতুল বললো এতো চিন্তা করো কেনো? আমি আছিতো বিশ্বাস নেই আমার উপর ভরসা নেই আমার উপর?
চৈতী মাথা নাড়িয়ে বললো আছে।
ব্যাস তাহলে রেডি থেকো।
চৈতী মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ বললো।
সারাদিন দুইজন খুনসুটিতে পার করে কাটিয়ে দিলো। চৈতী ধীরে ধীরে রাতুলের সাথে সহজে মিশে যাচ্ছে।

সন্ধ্যা হতে রেডি হয়ে রাতুল আর চৈতী বের হয়ে পড়ে পার্টির উদ্দেশ্যে সাথে আসিফ ও ছিলো চৈতীর সিকিউরিটি নিয়ে কোন রিস্ক রাতুল নিতে চায় না।
পার্টিতে ঢুকতে নাহিদ হাসান এসে রাতুলের সাথে হ্যান্ডশেক করলো। তারপর বললো,, কি এমপি রাতুল আগামী এমপির নির্বাচনে তুমি দাঁড়াচ্ছো তো না কি পালিয়ে যাবে? ঠিক বোধকম্য হচ্ছে না।
রাতুল বাঁকা হেসে বললো,, ওয়েট এন্ড ওয়াচ!
চৈতীর দিকে হাত বাড়িয়ে দেয় হ্যান্ডশেক এর জন্য চৈতী হ্যান্ডশেক না করে সুন্দর করে সালাম দেয়।
বাড়ানো হাত গুঁটিয়ে নিয়ে সালামের উওর নেয় নাহিদ হাসান।
রাতুল চৈতীর কাঁধ ধরে এগিয়ে যায় বসার জায়গাতে চৈতীকে বসিয়ে দিয়ে নিজেও বসলো। লাউডস্পিকার এ গান বাজার ফলে চৈতীর মাথাটা প্রচন্ড ব্যথা করচ্ছে।
রাতুল চৈতীর দিকে ঠান্ডা সফট ড্রিংক এগিয়ে দিয়ে বললো,, এইটা খেয়ে নেও ভালো লাগবে।
চৈতী রাতুলের হাত থেকে গ্লাসটা নিয়ে নিকাবটা একটু উঠিয়ে খেতে লাগলো বেশ কিছুক্ষণ পর চৈতীর মাথাটা কেমন যেন করতে লাগে।

রাতুলের কাঁধে মাথা রেখে একা একাই হাসতে লাগে কান্না শুরু করে দেয়। রাতুলের যা বুঝার ছিলো বুঝা হয়ে গেছে একমিনিট ও দেরি না করে খুব সাবধানে সবার চোখে ফাঁকি দিয়ে আসিফ কে নিয়ে বের হয়ে পড়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে আসিফ গাড়ি চালাচ্ছে আর রাতুল চৈতীর পাশে বসা। চৈতী বসে বসে পাগলামো করচ্ছে।
আসিফ চিন্তিত হয়ে বললো– “ভাই এইটা কি হলো?”
রাতুল ঠান্ডা কন্ঠে বললো–”কিছুনা আসিফ আমার জন্য পাতা ফাঁদে আমি পা না দিয়ে চৈতী পড়েছে সিম্পল।”
আসিফ চকিত হয়ে বললো– কিহ্? আপনাকে ফাঁদে ফেলতে চেয়েছিলো?
হুম। এই বিষয়ে কাল কথা হবে এখন দ্রুত গাড়ি চালা।
আসিফ স্প্রিডে গাড়ি চালানো শুরু করলো।

অবশেষে তারা বাড়ি পৌঁছালো রাতুল চৈতীকে কোলে নিয়ে দরজার সামনে এসে হাতে থাকা চাবিটা দিয়ে দরজাটা খুলে বাড়ির ভিতরে ঢুকে চৈতীকে নামিয়ে দিয়ে দরজাটা ভালো করে লক করে চৈতীকে আবার কোলে তুলে নিয়ে হাটা দিলো রুমের দিকে।
রুমে নিয়ে এসে চৈতীকে নামিয়ে দিয়ে একটা তপ্ত শ্বাঃস ফেলে দরজাটা লক দিয়ে চৈতীকে রাতুল বললো,, চৈত্ররাঙ্গা তাড়াতাড়ি বোরকা টা খুলে নিকাবটা খুলে ফেলো।
চৈতী খিলখিল করে হাসছে। তারপর রাতুলের কাছে গিয়ে নেশা জড়ানো কন্ঠে বললো,, আপনি খুব পচা আমাকে একটুও আদর করেন না।

কোন গোপনে মন ভেসেছে পর্ব ৩৯+৪০

রাতুল বললো,, ঠিক আছে আমি তোমাকে আদর করবো তার আগে তুমি বোরকাটা খুলে নিকাবটা খুলে নেও।
চৈতী খুলবে না বলে পণ ধরেছে। রাতুল বুঝলো এইভাবে হবে তারই কিছু একটা করতে হবে ভেবে সে এগিয়ে এসে খুব যত্ন করে সবার প্রথম হিজাব খুলে দেয় তারপর নিকাব খুলে তারপর বোরকাটা খুলে দেয়।
চৈতী একটা কান্ড করে বসে হুট করে রাতুলের ঠোঁটের সাথে নিজের ঠোঁট মিলিয়ে দিয়ে।
রাতুল পুরো স্তব্ধ। সে চৈতীকে সড়াতে চাইলো চৈতী সড়তে চায়ছে না বরং আর গভীর হচ্ছে তাদের ওষ্ঠচুম্বন।

কোন গোপনে মন ভেসেছে পর্ব ৪২