প্রেমসুধা সিজন ২ পর্ব ৮৯
সাইয়্যারা খান
বুকের উপর চারটা ছোট ছোট হাত কিলবিল করছে। ঘুম ভেঙেছে পৌষের। কপালে ভাজ স্পষ্ট। দুটো ছোট দেহ এবার ঘুমন্ত পৌষের বুকে হামলো পড়লো। ধরফরিয়ে ওঠে পৌষ। চেঁচিয়ে উঠে সহসা,
“কে কে কে!”
চোখের সামনে দৃশ্যমান হলো নিজ অবস্থান। বুকে ইনি, মিনি। পিহাটা বুকের পাশে। চৈত্র আর জৈষ্ঠ্য বসা হাসিমুখে বোনের পায়ের কাছে। পৌষের বুকে পানির জোয়ার বয়ে গেলো। বুকের মাঝে অসহনীয় পীড়া অনুভব হলো। আবেগের তাড়নায় পৌষর কায়া সামান্য কাঁপলো অতঃপর নিজেকে লুকাতে চেঁচিয়ে উঠলো,
“পাকবাহিনীর দল! তোদেরকেতো দেখে নিব আমি। কত্তোবড় বেয়াদব, বড় বোনের উপর ঝাপিয়ে পড়িস! খবিশ সবকটা!”
“আপাআআআআ!”
কানে তালা লাগানোর মতো চিৎকার। পৌষের কানেও তালা লেগে গেলো ততক্ষণাৎ। ইনি, মিনি বোনের গলাটা শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো। ঠেসেঠুসে দুই গালে চুমু খেলো দুটো। পৌষের বুক জুড়ালো, মন খারাপি পালালো। চোখ দুটো বুজে এলো। ওর পাশে প্রায় কাত হয়ে পিহা কোমড়টা জড়িয়ে ধরলো। দুই পায়ের বুড়ো আঙুল ধরে টান দিলো জৈষ্ঠ্য, চৈত্র। তাদের মনে বিশাল আশা তাদের আপাকে ওভাবে জড়িয়ে ধরা কিন্তু তা সম্ভব না। ছোট হলে হয়তো সম্ভব হতো কিন্তু এখন তো একেবারেই অসম্ভব। দুই ভাই মন উদাস করলেও বোনের সানিধ্য পেতেই যেন শান্তি পাচ্ছে। মাথায় একটা শক্ত হাতের আদুরে স্পর্শ পেতেই পৌষ চোখ দুটো তুলে তাকালো। হেমন্ত কখন আসলো? পৌষ তাকে দেখে নি। পাশেই সাইড টুলে বসা ছিলো। পৌষের ঠোঁটে ফুটে ওঠা হাসিতে হেমন্তের ঠোঁটেও হাসি চলে এলো। মনটা প্রফুল্ল হলো। চিত্ত আনন্দিত হলো। পৌষ বুকে থাকা দুই বোনকে আরেকটু বুকে জড়ালো। হাসি মুখে তার কণ্ঠের দাপট বাড়ালো,
“কিরে, জোঁকের বাচ্চা সবকটা। ছাড় আমাকে। ছাড় বলছি।”
“আপা!”
“অ্যাঁই, চুপ! একদম চুপ। কিসের আপা? কান ফাটিয়ে দিলো। বেয়াদব সবকটা। কখন এসেছিস?”
ইনি, মিনি বোনের বুকে মুখ ঘঁষলো। বিড়ালের ন্যায় আদর চাইলো। পৌষ আদর ফেরালো। চুল গুলোয় দুই হাত নাড়তে নাড়তে বললো,
“চুল খোলা কেন? তোদের বাপ-মা নেই? যাদের মা-বাপ আছে তাদের চুলের এই বেহাল দশা কেন?”
“তুমি বেদে দাও আপা।”
“এ্যাহ্। ঠ্যাকা আমার?”
বললো শুধু মুখেই অথচ খুব যত্ন নিয়ে আঙুল চালালো বোনদের চুল ঠিক করতে। হেমন্তের দিকে তাকিয়ে রইলো একটু পরপর জিজ্ঞেস করলো,
“ভাবী আর আমার ভাতিজা কোথায় হেমু ভাই?”
“এসেছে। শ্রেয়ান একটু কাঁদছিলো তাই ভাই কোলে নিয়ে পাশের রুমে ঘুম পাড়িয়েছে।”
“কে? উনি?”
“তোমাল উনি বাবুকে এত্তো এত্তো পাপ্পি দিলো আপা। আমালে দিলো না।”
গোল্লা চোখে তাকালো পৌষ। দুই বোনের গাল টেনে বললো,
“হিংসুটে।”
হেমন্ত পাশে বসে ইনি, মিনিকে সরালো। পিহাটা বুকে লেগে রইলো কিছুক্ষণ। হেমন্ত ছোট্ট দুই বোনকে তখন আদর করতে ব্যাস্ত। পৌষের মুখের দিকে তাকিয়ে রইলো কিছুক্ষণ অতঃপর সংশয় নিয়ে প্রশ্ন করলো,
“তোর মুখটা ওমন দেখায় কেন পৌষ? শরীরটা খারাপ?”
“দুইটা মাস আরেক দেশে নিয়ে ফেলে রেখেছিলো৷ ভালো লাগছিলো না৷ বমি করে আজ জীবন শেষ।”
“ভাই বলেছেন আমাকে। দেখি কপালটা।”
বলেই হাত বাড়িয়ে কপালে রাখলো। ইনি, মিনিও হাত দিয়ে দেখলো তবে তাপমাত্রা বুঝলো না৷ পিহাও দেখলো। দেখেই জানালো,
“গরম আছে আপা।”
চৈত্র একটু আগ বাড়িয়ে সামনে এলো। বললো,
“আপা, আমিও দেখি?”
জৈষ্ঠ্যটা একটু চুপচাপই থাকে সবর্দা। পৌষ ওর দিকে তাকিয়ে খেঁকালো,
“কিরে জৈষ্ঠ্যমাস, তুই বাদ যাবি কেন?”
ওদের হাসাহাসির মধ্যে পৌষ উঠে দাঁড়ালো। চুলটায় হাত খোঁপা করতে করতে বললো,
“খেয়েছিস কেউ কিছু? কটা বাজে! তোরা কখন এসেছিস?”
“আমরা এসেছি সেই ভোরে।”
পৌষ চোখ ডললো। অবাকই হলো বেশ। ওদের রেখে উঠে গেলো বাথরুমে। মুখটা ধুয়েমুছে যেই না বের হবে ওমনি মাথাটা ঘুরলো একটু। পেটে চাপ লাগলো। মুখে ব্যাথাতুর শব্দ তুললো পৌষ,
“আহ্, আল্লাহ।”
পেট চেপে বসে পড়লো পৌষ। দরজায় ঠক ঠক শব্দ হচ্ছে তখন।
“পৌষরাত? হানি, ডিড ইয়্যু জাস্ট মেইক এনি সাউন্ড?”
পৌষ চুপ রইলো। কণ্ঠনালী ভেদ করে শব্দ হলো না৷ কোনমতে পানির ট্যাপটা অন করে দিলো। পৌষ পুণরায় গুমরে উঠলো। মুখটা চেপে ধরলো। শরীর হঠাৎ করে ঘাম ছেড়ে দিয়ে ব্যথাটা কমে এলো। দম ছাড়লো পৌষ। তৌসিফ তখন আবারও ডাকছে। বসে থেকেই মুখে পানি দিলো পৌষ। উঠে কোনমতে দরজা সামান্য ফাঁকা করে বললো,
“আমাকে ড্রেস দিন একটা।”
“কি হয়েছে? তুমি শব্দ করেছিলে? আমি শুনেছি পৌষরাত।”
“না তো। ড্রেস দিন একটা।”
“আমাকে ঢুকতে দাও। দেখি দরজা খুলো।”
“সরুন মিয়া। ড্রেস দিন।”
“গোসল কেন করবে? আমি তো গতরাতে দুষ্টামি করি নি।”
“মামাতো ভাই, আমি খুব রেগে যাচ্ছি।”
কণ্ঠে তেজ কম। তৌসিফ এটাই ভাবছে, তার পৌষরাতের কণ্ঠের জোরটা নেই। দরজা ঠেলে সে ঢুকেই পড়লো। পৌষ থতমত খেয়ে গেলো। চাপা স্বরে বললো,
“বাসায় সবাই৷ বের হন।”
তৌসিফ ওর ভেজা মুখটা দুই হাতের আজলায় তুললো। চিন্তিত মুখে বললো,
“এমন দেখায় কেন মুখটা?”
বলেই বেসিন দেখলো। বমি করলো কিনা তাও বুঝতে পারছে না৷ পৌষের কি জানি হলো। ও খুব সন্তপর্ণে তৌসিফের বাহুটা জড়িয়ে ধরে তাতে কপাল ঠেকালো। এই কপালটা এত ভালো কেন? কোন কালিতে লিখেছে উপরওয়ালা? এত সুন্দর, এত চমৎকার, এমন প্রশান্তিকর জাদুময় মানুষটা কিভাবে পেলো পৌষ? সোনায় গড়া কপাল তার। পৌষের এহেন আচরণে তৌসিফের কপালে চিকন তিনটা ভাজ পড়লো। ঝট করে টেনে বুকে নিলে। পৌষ দাঁড়িয়ে থেকেই বুকটায় মুখ গুঁজে রইলো। জড়িয়ে ধরলো দুই হাতে। তৌসিফের দেহটা অস্বাভাবিক ভাবে কেঁপে ওঠে একবার। হঠাৎ কি হলো? তার পৌষরাত তো একান্ত মূহুর্তেও এভাবে শান্ত থাকে না৷ ওর মুখটা তুললো তৌসিফ। কপালে চুমু খেয়ে বললো,
“শরীরটা কি খারাপ?”
পৌষ মাথা নাড়লো। তৌসিফ গাল দুটোয় আবারও চুমু খেয়ে জিজ্ঞেস করলো,
“গোসল করবে? আমি সাহায্য করি?”
“আরে না৷ ভিজেছি একটু। চেঞ্জ করব শুধু।”
“আসছি আমি।”
তৌসিফ ওকে ছেড়ে কাপড় আনলো। পৌষ চেঞ্জ করতেই তৌসিফ বললো,
“তোমাকে খুব ক্লান্ত লাগছে পৌষরাত৷ কোন কাজ না, শুধু রেস্ট।”
“কাজ করলে আমার ভালো লাগে। এটা আমার শরীরের ক্লান্তি দূর করে।”
পৌষ বেরিয়ে আসতেই দেখলো টেবিল বুয়া গোছগাছ করছে। শ্রেয়া রান্নাঘরে৷ পৌষ আগে পাশের রুমে ঢুকলো। ঘুমন্ত শ্রেয়াণকে আদর করে কপালে চুমু খেয়ে বললো,
“আমার বাবাটা।”
“কত সুন্দর লাগে। তাই না?”
“অনেক সুন্দর।”
“এত মায়া মায়া চেহারাটা। হেমু ভাই বলে আমার মতো।”
তৌসিফ পেছন থেকে জড়িয়ে ধরলো হালকা হাতে৷ কপালের পাশটায় চুমু খেয়ে বললো,
“এসো৷ খাবে।”
দু’জন বেরিয়ে আসতেই তৌসিফ মিনুকে ডাকলো। বললো,
“শ্রেয়াণের পাশে বসো তো মিনু।”
“আচ্ছা মামা৷”
পৌষ ক্ষণে ক্ষণে লোকটাকে দেখে শুধু মুগ্ধই হয়। আজ যেন পৌষ চোখে হারাচ্ছে তৌসিফকে। মনটা হঠাৎই নরম হয়ে আসছে তৌসিফের প্রতি। শ্রেয়া কিছুক্ষণ জড়িয়ে রাখলো পৌষকে। সেই শুরুতে একবার হেমন্ত বলেছিলো পৌষকে জড়িয়ে ধরতে সেই থেকে এখন পর্যন্ত দেখা হলেই শ্রেয়া জড়িয়ে রাখবে পৌষকে অতঃপর আলগোছে হেমন্তকে জড়িয়ে রাখবে। আজও হেমন্ত হাহাকার করা এক বাবা যে কিনা সখ পুষেছিলো চাচাতো বোনকে নিজের সন্তান হিসেবে আগলে নেওয়ার।
“আয়, খেতে বস।”
পৌষ শুনলো না। শ্রেয়াকে বসালো খেতে৷ সব নাস্তা বুয়ারা করেছে, বাকিটা করেছে শ্রেয়া। সেই সকালে এসেছে ওরা। এখন বাজে দশটা। ইনি, মিনি সহ বাকিদের মুখে তুলে খাওয়াচ্ছে পৌষ। নজরটা যাচ্ছে দরজায় বারবার। তৌসিফ একবার জিজ্ঞেস করলো,
“কিছু লাগবে?”
“না৷ আপনাকে পরোটা দিব আরেকটা?”
বলতে বলতে পৌষ তুলে দিলো। পৌষের মনটা মানলো না শেষে। তৌসিফের দিকে তাকিয়ে বলেই ফেললো,
“তুহিন ভাইয়া আসলো না যে?”
“ঘুমে হয়তো।”
“কল দিন তাহলে। খাবে না?”
“ওর সংসার আছে, বউ আছে।”
পৌষ ঠোঁট কামড়ালো। বললো,
“পরে রেগে যাবে না?”
“তোমার দেবর বিবাহিত। বউ আছে না? খাচ্ছে হয়তো।”
“আমাকে বলেছিলো এখানেই খাবে।”
তৌসিফ বুঝলো। দেখলোও। পৌষ খেলো না। সবার খাওয়া প্রায় শেষ পথে তখন সত্যিই দরজায় শব্দ হলো। পৌষ দ্রুত পায়ে এগিয়ে গেলো। দরজা খুলেই খ্যাঁকালো,
“কয়টা বাজে? মানুষ খাবে না সেটা বলবে না? শক্ত চাড়া পরোটা খাওয়াব৷ বারবার বানাতে পারব না।”
তুহিন কপাল কুঁচকে তাকালো। হাতে থাকা বোতল পৌষের হাতে দিলো। ঠেলে ঘরে ঠুকে বললো,
“একশবার বানাবে। ফুপাতো বোনগুলোই শয়তান হয়।”
বলেই সামনে তাকিয়ে চমকে গেলো। আর্তনাদের মতো শব্দ করে ফেললো,
“আয়হায়! কি সর্বনাশ! ফুপাতো বোনের চাচাতো ভাই-বোন এসেছে।”
ইনি, মিনিকে টেনে কোলে তুললো তুহিন। দুই বোন ওর গাল ধরে তোতলালো,
“তুমি ভালো আথো?”
“আবার জিগায়? তোমাদের শয়তান বোনটাকে পাহাড়া দিয়েছি দুই মাস।”
পৌষ তাড়া দিলো,
“খেতে বসুন।”
পৌষের জন্য মাঠা নিয়ে এসেছে তুহিন। গ্লাসে ঢেলে পৌষ গটগট করে গিলে ফেললো। ভেবেছিলো বাকিটা সাধবে কাউকে কিন্তু লোভ সামলানো দায় হয়ে গেলো। পৌষ একাই সবটা খেয়ে বললো,
“হাফ লিটার কে আনে? বেশি আনবেন না? কিপ্টে কোথাকার।”
“তুমি পুরোটা কেন খেলে? নাস্তা খাবে হানি।”
“ভালোর দাম নেই। এনেছি একটা ধন্যবাদও দিলো না।”
“আবার এনে দিবেন। মজা ছিলো।”
দুপুরে খেয়েদেয়ে উঠতেই তৌসিফ লাগেজ গুলো টেনে আনলো। মাঝে রেখে চৈত্র আর জৈষ্ঠ্য উদ্দেশ্য করে বললো,
“এগুলো খুলো তোমরা।”
দুই ভাই বোনের দিকে তাকালো। পৌষ তৌসিফের দিকে তাকালো। আপাতত সে শ্রেয়ানকে কোলে নিয়ে আদর করছে। হেমন্ত একবার বললো,
“থাকুক না ভাই৷ পরে রেস্ট নিয়ে খুলবেন।”
“আমি তো আর খুলছি না৷ ওগুলো ওদের, ওরাই খুলবে।”
ইনি, মিনি লাফিয়ে উঠলো। তৌসিফ তাড়া দিলো।
“খুলে ফেলো। দুই লাগেজে শুধু কাপড় চোপড় বাকিসব তোমাদের জন্যই।”
আদিত্য আর অদিতির জন্য আনা জিনিস গুলো ভিন্ন লাগেজে রাখা। এই দুটো বড় লাগেজ ওদের জন্য আনা হয়েছে। দুই ভাই খুলতেই অবাক হলো। তৌসিফ শুধু বলে বলে দিলো। ইনি, মিনি আর পিহার জন্য আনা টেডি গুলো দেখে বাকিসবে তাদের নজর নেই। শ্রেয়া অবাক হয়ে গেলো যখন দেখলো তৌসিফ শ্রেয়ার মা-বাবার জন্যও উপহার এনেছে। শ্রেয়াণের জন্য এত এত কাপড় আর খেলনা। একটু পরই এখানে তুহিন ফিরে এসেছে। তার দুই হাত ভর্তি করা ব্যাগপত্র। এসেই ওগুলো মাঝে রাখলো। গা এলিয়ে বসে বললো,
“পৌষ, বোরহানি দাও।”
প্রেমসুধা সিজন ২ পর্ব ৮৮ (২)
দুপুরে পলকের সাথেই খেয়েছে। এখন এসেছে। পৌষ বোরহানি এনে দিতেই তুহিন খেতে খেতে উপহারগুলো খুলে ওদের হাতে দিলো। এগুলো সব ওদের জন্য এনেছে। পিহা, জৈষ্ঠ্য আর চৈত্র হাসিমুখে ধন্যবাদ জানালেও ইনি, মিনি খুব আদর করে দিলো ওকে। পৌষ অপলকভাবে তাকিয়ে রইলো। তৌসিফ এতসব কখন কিনলো? হঠাৎ পেটটা মুচড়ে টক ঢেকুর উঠলো ওর। পৌষ ছুটে গেলো নিজের রুমে। গলগলিয়ে বমি করে ফেললো। পরপর তিনবার বমি হতেই শরীর ছেড়ে দিলো ওর। তৌসিফ ওকে না দেখেই উঠে এলো ওখান থেকে। রুমে ঢুকেই অবাক হলো। পৌষ বমি করছে। তৌসিফ শব্দ পেয়েছে। দরজা ধাক্কানোর আগেই খট করে খুলে গেলো। তৌসিফ অবাক হওয়ারও সুযোগ পেলো না। কিছুটা উড়ে এলো পৌষ। ওর বুকের মধ্যে ঢুকে পড়লো। তৌসিফ দুই হাতে জড়িয়ে ধরা মাত্রই পৌষ কানের কাছে মুখ নিলো। কানের লতিতে চুমু খেয়ে চেঁচিয়ে উঠলো,
“ইয়েএএএএএ! হয়ে গেছে।”
