ভয়েজের মায়াজাল পর্ব ৫৪
ছায়া
ভোরের আলো তখনো মালদ্বীপের নীল জল রাশিকে পুরোপুরি ছুঁতে পারেনি। সমুদ্রের গর্জন আর মৃদু বাতাসের শব্দে ইলার ঘুমটা ভাঙল। সে দেখল আরিয়ানের শক্ত বাহুবন্ধনে সে একদম লেপ্টে আছে। আরিয়ানের শান্ত মুখটা দেখে ইলার ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে উঠল। কাল রাতের সেই মান অভিমান আর ভালোবাসার স্মৃতিগুলো মনে পড়তেই ও আবার লজ্জায় আরিয়ানের বুকে মুখ লুকাল।
আরিয়ান আধো ঘুমে থাকা অবস্থাতেই ইলাকে আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরল।
আরিয়ানঃ- (ঘুমু ঘুমু কণ্ঠে) এত সকালে পালানোর চেষ্টা করছ কেন ইলাফুল? সূর্য তো এখনো পুরোপুরি ওঠেনি।
ইলা আরিয়ানের বুকের লোমে আঙুল দিয়ে নকশা আঁকতে আঁকতে বলল,
ইলাঃ- ছাড়ুন না অনেক বেলা হয়ে গেছে পরি আর হালিমা নিশ্চয়ই উঠে পড়েছে আমাদের নাস্তা করার জন্য ডাকবে এখুনি।
আরিয়ান চোখ মেলে তাকাল ওর সেই গভীর মায়াবী দৃষ্টিতে ইলা আবারও কুপোকাত।
আরিয়ানঃ- ওরা ডাকলে ডাকুক আমার রাজ্যের সূর্য আজ একটু দেরিতেই উদয় হবে। আর তাছাড়া রায়েদ আদিব তো এখন নিজেদের স্ট্র্যাটেজি নিয়ে ব্যস্ত, আমাদের ডিস্টার্ব করার সাহস পাবে না।
ইলা খিলখিল করে হেসে দিল। ঠিক সেই মুহূর্তেই ভিলার বাইরে থেকে এক বিকট শব্দ আর চিৎকারের আওয়াজ পাওয়া গেল।
রায়েদঃ- ওরে বাবা রে বাঁচাও আরিয়ান ভাই! আদিব ভাই! ডাইনোসর না কি অক্টোপাস… কিছু একটা আমাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে!
আরিয়ান আর ইলা ধড়ফড় করে বিছানা থেকে উঠে বসল। ইলা কপালে হাত দিয়ে বলল,
ইলাঃ- এই ছেলেটাকে নিয়ে আর পারা গেল না।
আরিয়ান কোনোমতে টি-শার্টটা গায়ে চড়িয়ে বারান্দায় গিয়ে দেখল এক অদ্ভুত দৃশ্য। রায়েদ লাইফ জ্যাকেট পরে উল্টো হয়ে পানির ওপর ভাসছে আর পা ঝাপটাচ্ছে। আদিব আর পরি বারান্দায় দাঁড়িয়ে পেট চেপে হাসছে হালিমা তো ভয়ে কাঁপছে।
আরিয়ানঃ- রায়েদ কী হয়েছে তোমার? এভাবে সকালে কাকের মতো চিৎকার করছো কেনো?
রায়েদঃ- (পানির মধ্যে হাবুডুবু খেতে খেতে) ভাই আমি শখ করে একটু পা ভেজাতে গিয়েছিলাম, কিন্তু একটা বিশাল ঢেউ আমাকে টেনে নিয়ে গেল! আর পানির নিচে কী যেন একটা আমার পা কামড়ে ধরেছে! নির্ঘাত কোনো হাঙ্গর বা শয়তানি মাছ।
আদিব হাসতে হাসতে বলল,
আদিবঃ- আরে বলদ ওটা হাঙ্গর না তোমার লাইফ জ্যাকেটের ফিতা কোরালের সাথে আটকে গেছে। তুমি শান্ত হয়ে দাঁড়াও সেখানে মাত্র তিন ফিট পানি।
রায়েদ থমকে গেল সে সোজা হয়ে দাঁড়াতেই দেখল সত্যিই পানি মাত্র তার কোমর পর্যন্ত। সবাই একসাথে হো হো করে হেসে উঠল। ইলাও বারান্দায় এসে রায়েদের এই করুণ দশা দেখে হাসি থামাতে পারল না।রায়েদ গাল ফুলিয়ে ডাঙায় উঠে এসে বলল,
রায়েদঃ- তোমরা সবাই খুব খারাপ আমি মারা গেলে আমার এই মাসুম চেহারার স্বামীটাকে হালিমা কোথায় পেত? আরিয়ান ভাই, তোমার এই রোমান্টিক রিসোর্ট থেকে আমাকে নিয়ে চলো এখানে পানির মাছগুলোও দেখি ফাজিল হয়ে গেছে।
আরিয়ান রায়েদের মাথায় একটা গাট্টা মেরে বলল,
আরিয়ানঃ- তোমার নাটক শেষ হলে ফ্রেশ হয়ে নেও আজ আমরা সবাই মিলে মাঝসমুদ্রে ইয়ট (Yacht) নিয়ে যাবো। সেখানে লাঞ্চ হবে আর সারাদিন সমুদ্রের মাঝে কাটাবো।
রায়েদঃ- অকে ডিল ডান
Time skip…..
দুপুরবেলা…
সাদা রঙের একটা লাক্সারি ইয়ট নীল সমুদ্র চিরে এগিয়ে যাচ্ছে। আদিব আর পরি ডেকে বসে সেলফি তোলায় ব্যস্ত। রায়েদ আর হালিমা ইয়টের একদম সামনে গিয়ে টাইটানিক পোজ দেওয়ার চেষ্টা করছে, যদিও রায়েদের ব্যালেন্স ঠিক থাকছে না বলে হালিমা বারবার বিরক্ত হচ্ছে।
আরিয়ান আর ইলা ইয়টের পেছনের দিকে নির্জনে বসে ছিল। ইলা সমুদ্রের বাতাসের তোড়ে উড়তে থাকা চুলগুলো সামলাতে হিমশিম খাচ্ছিল। আরিয়ান ওর পেছনে এসে বসল এবং ইলার দুই হাত নিজের হাতের ভেতর নিল।
ইলাঃ- দেখুন চারদিকে শুধু নীল আর নীল। মনে হচ্ছে আকাশ আর সমুদ্র মিশে গেছে।
আরিয়ান ইলার চুলে একটা চুমু দিয়ে বলল,
আরিয়ানঃ-ইলাফুল আমার কাছে আকাশ মানে তুমি, আর সমুদ্র মানে তোমার প্রতি আমার ভালোবাসা। যে ভালোবাসার কোনো তল নেই, কোনো সীমানা নেই।
আরিয়ান পকেট থেকে ছোট একটা মখমলের বক্স বের করল। ইলা অবাক হয়ে তাকাল।
আরিয়ান বক্সটা খুলতেই দেখা গেল নীল রঙের একটা হীরের লকেট, যা একদম সমুদ্রের পানির মতো স্বচ্ছ।
ইলাঃ- আরিয়ান… এটা?
আরিয়ান লকেটটা বের করে ইলার গলায় পরিয়ে দিতে দিতে বলল,
আরিয়ানঃ- এটা আমাদের এই নীল স্মৃতির স্মারক। যখনই এটা তোমার গলায় থাকবে, মনে করবে আমি তোমার প্রতিটি নিশ্বাসের সাথে আছি।
ইলা আবেগপ্লুত হয়ে আরিয়ানকে জড়িয়ে ধরল। আদিব দূর থেকে ক্যামেরা দিয়ে এই মুহূর্তটা বন্দি করে ফেলল।রায়েদ হঠাৎ চিৎকার করে উঠল
রায়েদঃ- আরিয়ান ভাই ডিনারের বাজেটটা কিন্তু একটু বাড়ান। ইয়টের বাতাসে আমার পেটের চর্বি সব শুকিয়ে গেছে, এখন বিশাল খিদে পেয়েছে!
ইয়টের ওপর বিকেলের মিষ্টি রোদ আরিয়ান আর ইলা যখন নিজেদের রোমান্টিক জগতে হারিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক তখনই ইয়টের অন্য প্রান্তে শুরু হলো ‘রায়েদ-হালিমা স্পেশাল কমেডি শো’।
রায়েদ একটা সানগ্লাস চোখে দিয়ে খুব ভাব নিয়ে ইয়টের রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে আছে। তার পরনে একটা বিচিত্র রঙের হাওয়াইন শার্ট, যাতে বড় বড় আনারসের ছবি। পাশে হালিমা বেচারি একটা লাইফ জ্যাকেট পরে একদম রোবটের মতো সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
রায়েদঃ- হালিমা বেগম, তোমার কি মনে হয় না আমাদের এই প্রেমটা একদম ‘টাইটানিক’ সিনেমার রোজ আর জ্যাকের মতো? এই যে উত্তাল সমুদ্র, এই যে বাতাস… আহ!
হালিমাঃ- (বিরক্ত হয়ে) টাইটানিকের কথা মুখে আনবেন না তো ওই সিনেমার শেষে জ্যাক মরে গিয়েছিল। আমার মোটেও অত শখ নেই পানিতে ডুবে মরার। আর আপনি কি আমার লাইফ জ্যাকেটের ফিতাগুলো একটু ঢিল করে দেবেন? আমি তো নিশ্বাস নিতে পারছি না!
রায়েদঃ- আরে বোকা মেয়ে, এটাকে বলে ‘সেফটি’। আর তাছাড়া তুমি টাইটানিক নিয়ে চিন্তা করো না। আমি হলাম এই যুগের আধুনিক জ্যাক। আমি ডুববো না বরং আমি তোমাকে নিয়ে নীল পানির ওপর ‘মুনওয়াক’ করবো এসো আমার হাত ধরো।
রায়েদ রেলিংয়ের ওপর এক পা তুলে দিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে টাইটানিক পোজ দিল। হালিমা ভয়ে ভয়ে ওর হাত ধরতে যেতেই ইয়টটা হঠাত একটা বড় ঢেউয়ের ধাক্কায় দুলে উঠল।
রায়েদঃ- ওরে বাবা রে গেল রে আমার কোমর!
রায়েদ নিজেকে সামলাতে না পেরে পেছনের দিকে উল্টে পড়তে নিচ্ছিল, কিন্তু হালিমা ওর লাইফ জ্যাকেট ধরে টেনে ধরল। ফলে রায়েদ না পড়লেও তার সাধের আনারস ছাপানো শার্টের একটা বোতাম ছিঁড়ে হালিমার হাতে চলে এল।
হালিমাঃ- এই দেখুন আপনার শার্ট ছিঁড়ে গেছে।
রায়েদ বুক পকেটে হাত দিয়ে বোতামটা খুঁজতে খুঁজতে করুণ মুখে বলল,
রায়েদঃ- আমার কপালটাই খারাপ আরিয়ান ভাই রোমান্স করতে গেলে ব্যাকগ্রাউন্ডে মিউজিক বাজে, আর আমি করতে গেলে শার্টের বোতাম বাজে হালিমা তুমি বরং এক কাজ করো, আমার সামনে দাঁড়াও।আমি তোমার কোমরে হাত দিয়ে একটা পোজ দেব আদিব ভাই ছবি তুলে দেবে।
হালিমা লাজুক হেসে রায়েদের সামনে গিয়ে দাঁড়াল।
রায়েদ যেই না রোমান্টিক ভঙ্গিতে হালিমার কোমরে হাত রাখতে যাবে, অমনি পেছন থেকে আদিব চিৎকার দিল
আদিবঃ- এই রায়েদ তোর পায়ের নিচে ওটা কী? হাঙ্গর নাকি?
রায়েদ ‘হাঙ্গর’ শব্দটা শুনেই লাফ দিয়ে হালিমার কোলে ওপর উঠে পড়ল।
রায়েদঃ- বাঁচাও হালিমা বেগম আমাকে ধরো হাঙ্গর চলে এসেছে ও আমাকে চিবিয়ে খাবে আমি এইগুলো অনেক ভয় পাই।
হালিমা রায়েদের ভার সইতে না পেরে ইয়টের ডেকে ধপাস করে বসে পড়ল।রায়েদ তখনো হালিমার কোল জাপ্টে ধরে চোখ বন্ধ করে আছে।
আদিব আর পরি দৌড়ে এল আদিব পেট চেপে হাসতে হাসতে বলল,
আদিবঃ- আরে গাধা ওটা হাঙ্গর না ওটা একটা বড় প্লাস্টিকের বোতল ভাসছে তুমি কি জীবনে কোনোদিন সাহসী হবে না তুমি চায়নাতে ছিলা কিভাবে?
আরিয়ান আর ইলাও হাসতে হাসতে সেখানে হাজির হলো।
আরিয়ানঃ- রায়েদ কোথায় তুমি হালিমাকে কোলে তুলবে তা না নিজেই ওর কোলে চড়ে বসে আছো সিনটা তো উল্টো হয়ে গেল রে ভাই।
রায়েদ চোখ খুলে দেখল সবাই তাকে নিয়ে হাসছে। সে আমতা আমতা করে হালিমাকে টেনে তুলতে তুলতে বলল,
রায়েদঃ- তোমরা বুঝবেন না এটা হলো আমাদের ‘রিভার্স রোমান্স’ হালিমা হলো আমার বডিগার্ড। আমি চেক করছিলাম ও আমাকে বিপদে বাঁচাতে পারে কি না। হালিমা তুমি পাস করেছো চলো এখন আমরা গিয়ে ওই আদিব ভাইয়ের আর পরির চিপসের প্যাকেটটা চুরি করে খেয়ে ফেলি। অনেক ক্যালোরি লস হয়েছে আমার।
হালিমা হাসতে হাসতে রায়েদের হাত ধরে কেবিনের দিকে গেল। আরিয়ান ইলার কানে কানে বলল,
আরিয়ানঃ- আমাদের হানিমুনে টা যে এত সুন্দর হবে এটা আমাদের ভাগ্য ইলাফুল।
মালদ্বীপের আকাশ এখন গাঢ় নীল, আর তাতে হাজারো তারার মেলা। রিসোর্টের এক প্রান্তে আদিব আর পরির জন্য সাজানো হয়েছে এক নির্জন ডিনার সেটআপ। সমুদ্রের ঢেউগুলো বালুচরে আছড়ে পড়ার শব্দ ছাড়া আর কোনো শব্দ নেই।
আদিব পরির হাত ধরে সমুদ্রের একদম কাছে নিয়ে গেল। পরির পরনে একটা সাদা ড্রেস, যা চাঁদের আলোয় তাকে কোনো অপ্সরার মতো দেখাচ্ছে।আদিব পরির সামনে হাঁটু গেড়ে বসল পরির চোখে তখন বিস্ময়।
আদিবঃ- পরি আমরা তো অনেক দিন হলো একসাথে। কিন্তু কখনো এভাবে বলা হয়নি। আমার অগোছালো জীবনটাকে সাজিয়ে দেওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। এই সমুদ্র সাক্ষী, আমি তোমাকে ছাড়া আর কাউকে কোনোদিন ভাবিনি।এটা আমাদের প্রথম রোজ ডে তাই এটা আমার জন্য একটু বেশি স্পেশাল। ~~Happy Rose Day~~
পরি লাজুক হেসে আদিবের চিবুক ছুঁয়ে দিল আদিব উঠে দাঁড়িয়ে পরিকে জড়িয়ে ধরে ওর কপালে একটা দীর্ঘ গভীর চুমু খেল। চাঁদের আলোয় দুই হৃদয়ের এই নীরব ভালোবাসা যেন মালদ্বীপের বাতাসকে আরও রোমান্টিক করে তুলল।
অন্যদিকে, আরিয়ান আর ইলা বসে আছে তাদের ভিলার ওপেন ডেক-এ সামনে অসীম সমুদ্র। ইলা আরিয়ানের বুকের ওপর হেলান দিয়ে বসে আকাশের তারা গুনছে। আরিয়ান ওর চুলে বিলি কাটছে।
আরিয়ানঃ- ইলাফুল মালদ্বীপ তো প্রায় শেষ হতে চলল। ফিরে গিয়েই কিন্তু আমাদের একটা বিশাল মিশন শুরু হবে।ইলা মুখ তুলে তাকাল।
ইলাঃ- কী মিশন আবার কোনো নতুন প্লান?
আরিয়ান মুচকি হাসল।
আরিয়ানঃ- না, আমাদের জীবনের প্লান আমি ভাবছি ফিরে গিয়েই আমাদের একটা ছোট্ট স্বপ্নের বাড়ি বানাব। যেখানে একটা বিশাল লাইব্রেরি থাকবে তোমার জন্য, আর একটা মিউজিক স্টুডিও আমার জন্য। আর হ্যাঁ,আমাদের বাড়ির আস পাশ জুরে শুধু ফুল আর ফুল থাকবে যেখানে তুমি আর আমি বুড়ো বয়েসে রোজ বিকেলে চা খাব।
ইলা আরিয়ানের হাতটা নিজের গালের সাথে চেপে ধরল।
ইলাঃ- আর আমাদের সন্তানদের নাম কী হবে সেটা কি ভেবেছেন?
আরিয়ান হেসে ফেলল এবং ইলাকে নিজের আরও কাছে টেনে নিল।
আরিয়ানঃ- সে তো অনেক পরের কথা তবে আগে আমি চাই তুমি তোমার পড়াশোনাটা শেষ করো। আমি চাই আমার ‘ভয়েজ কিং’ হওয়ার পেছনে যে মেইন অনুপ্রেরণা, সে যেন নিজের একটা পরিচয় গড়ে তোলে। আমি সবসময় তোমার পাশে থাকব।
ইলা আরিয়ানের চোখের দিকে তাকিয়ে এক মায়াবী ঝিলিক দেখতে পেল।আরিয়ান ইলার কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বলল,
ভয়েজের মায়াজাল পর্ব ৫৩
আরিয়ানঃ- কিন্তু তার আগে, আজ রাতের এই মায়াবী জোৎস্নায় আমি শুধু আমার এই নীল পরীটাকে চাই।
আরিয়ান ইলার চিবুক ধরে ওর ঠোঁটে নিজের ঠোঁট ডুবিয়ে দিল। সমুদ্রের ঠান্ডা বাতাস আর আরিয়ানের উষ্ণ ছোঁয়া মিলে ইলার সমস্ত সত্তায় এক শিহরণ বইয়ে দিল। চাঁদের আলোয় ভেজা এই রাতটি যেন তাদের ফিউচার প্ল্যান আর বর্তমানের ভালোবাসার এক অভূতপূর্ব মিলনস্থল হয়ে উঠল।
