Home রোমান্টিক ভাইয়া রোমান্টিক ভাইয়া পর্ব ৩৮

রোমান্টিক ভাইয়া পর্ব ৩৮

রোমান্টিক ভাইয়া পর্ব ৩৮
মহাসিন

শাপলা বারান্দার এক কোণে উদাস হয়ে বসে আছে। মৃদু বাতাস এসে তার এলোমেলো চুলে আঙুল বুলিয়ে যাচ্ছে। চুলগুলো উড়ছে… ঠিক তার জীবনের মতোই, এলোমেলো, দিশাহীন।
ঠোঁট দুটো শুকিয়ে কাঠ। চোখের নিচে জমেছে রাত জাগা কালি। মুখটা ফ্যাকাশে, যেন বহুদিন রোদ দেখেনি।
ঐশী ধীর পায়ে এগিয়ে এলো। শাপলার পাশে বসে তার কাঁধে হাত রাখলো।
“এই শাপলা, কি হয়েছে তোর? এভাবে কিছু না বলে চলে এলি যে? ওই বাড়ি থেকে কি তোকে তাড়িয়ে দিয়েছে নাকি? কথা বল…”
শাপলা আকাশের দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল,

“না রে… আমি নিজেই চলে এসেছি। অন্যের বাড়িতে আর কতদিন থাকবো বল? তারা তো আর সারাজীবন আমাকে রাখবে না। তাই… চলে এলাম।”
ঐশীর বুকটা মুচড়ে উঠলো। গলার স্বর নরম করে বলল,
“কিছু খাবি? রাতের বাসি ভাত আর আলু ভর্তা আছে। খেতে চাইলে এনে দিই?”
শাপলা মাথা নাড়লো। শুকনো গলায় বলল,
“হ্যাঁ, খাবো। নিয়ে আয়। অনেক খিদে লেগেছে…”
ঐশী রান্নাঘরে চলে গেল।সে চলে যেতে শাপলার চোখ থেকে শ্রাবণের মেঘ নামলো। টপটপ করে অশ্রু গড়িয়ে পড়তে লাগলো। বুকের ভেতরটা ধুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে কলিজাটা কেউ ছিঁড়ে নিচ্ছে। শুধু একটা মুখ ভাসছে চোখের সামনে,সিয়াম। চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছা করছে। পৃথিবীটা কাঁপিয়ে দিতে ইচ্ছা করছে। কিন্তু গলা দিয়ে আওয়াজ বের হচ্ছে না। বুকের ভেতর জমে থাকা কষ্ট পাথরের মতো আটকে আছে।
কিছুক্ষণ পর ঐশী ভাতের প্লেট হাতে ফিরে এলো।

“এই নে, খেয়ে নে।” বলে ওর পাশে বসলো।
শাপলা প্লেটের দিকে তাকিয়ে বলল,
“আমাকে খাইয়ে দিবি?”
ঐশী কিছু বলল না। চুপচাপ ভাত মেখে লোকমা বানিয়ে শাপলার মুখে তুলে দিলো।
শাপলা ভাত চিবোতে পারছে না। কষ্টগুলো গলায় আটকে যাচ্ছে।
ঐশী তার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল,
“কি হলো? চিবা। এভাবে ভাত মুখে নিয়ে বসে আছিস কেন? তাড়াতাড়ি খা…”
শাপলা বুক ভরা যন্ত্রণা নিয়ে দুই লোকমা খেলো। তারপর থেমে গেল।
“আর খেতে পারব না রে…”
“আচ্ছা, ঠিক আছে। আর খেতে হবে না।”
এই বলে হাত দুটো ধুয়ে প্লেট সড়িয়ে রাখলো।
তার পর বলল,

“তুই বস। আমি একটু হাটে যাই। বাবা দোকানে একা সামলাতে পারছে না।তাই মাও গেছে । তেল ফুরিয়ে গেছে। নিয়ে আসি।”
ঐশীর বাবার একটা মুদি দোকান। এই মুদি দোকানের মাধ্যমে তাদের সংসার চলে।
ঐশী চলে যেতেই বারান্দাটা নিস্তব্ধ হয়ে গেল। এর পর বাঁধ ভাঙলো। শাপলা দুই হাতে মুখ ঢেকে হু হু করে কেঁদে উঠলো। চোখ দিয়ে বৃষ্টি নামছে। হৃদয়টা কষ্টে ফেটে যাচ্ছে।
ফিসফিস করে বলল,
“সিয়াম ভাইয়া… আপনাকে কেন ভুলতে পারছি না? আর যে এই কষ্ট সহ্য করতে পারছি না। কিভাবে নিজেকে সামলাবো? আমার হৃদয়টা কষ্টে পু*ড়ে ছা*ই হয়ে যাচ্ছে। আমি যে আপনাকে ছাড়া বাঁ*চতে পারছি না… কি করবো আমি? সবকিছু অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে…!”
তার করুন কান্নার শব্দে বাতাসও থমকে গেল। দূরের কাকগুলো পর্যন্ত ডাকা বন্ধ করে দিলো। শুধু শাপলার বুক ফাটা কান্না আর শ্রাবণের অশ্রু… বারান্দার রেলিং বেয়ে নিচে গড়িয়ে পড়তে লাগলো।
হঠাৎ করেই সদর দরজায় ঠক ঠক শব্দ।
শাপলার কান সোজা হয়ে গেল। বুকের ভেতর ধুকপুকানি শুরু হলো। ধীর পায়ে বারান্দা থেকে বসার ঘরে এলো। হাত কাঁপছে। নিঃশ্বাস ভারী।

দরজা খুলতেই সিয়াম। চোখ দুটো লাল, চুল এলোমেলো, শার্টের বোতাম খোলা। যেন পাগল হয়ে গেছে।
এক সেকেন্ডের জন্যও সময় নিলো না। শাপলাকে ঝড়ের বেগে বুকের ভেতর টেনে নিলো। ওর নিঃশ্বাস শাপলার ঘাড়ে পড়ছে—গরম, অস্থির, পাগল করা। এত শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো, যেন ছেড়ে দিলেই শাপলা হাওয়ার মতো মিলিয়ে যাবে। যেন সারাজীবনের হারানো সম্পদ ফিরে পেয়েছে।
শাপলার চোখ থেকে টপটপ করে পানি পড়তে লাগলো। গলা বেয়ে কান্না আসছে। কিন্তু সে নিজেকে সামলালো। দুই হাতে সিয়ামকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলো।
কাঁপা গলায় বলল,

“আপনি আমাকে জড়িয়ে ধরলেন কেন?”
সিয়ামের চোখ দুটো লাল। সে শাপলার মুখটা দুই হাতে ধরে বলল,
“আমি তোর স্বামী । আমি জড়িয়ে ধরবো না তো কে ধরবে?”
শাপলা মুখ ঘুরিয়ে নিলো। ঠোঁট কামড়ে বলল,
“আমি আপনাকে আর স্বামী বলে মানি না। আপনি আমাকে ডি*ভো*র্স দিয়ে দেন। তাহলে চিরকালের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পাবো।”
সিয়াম কেঁপে উঠলো। শাপলার কাঁধ দুটো ঝাঁকিয়ে বলল,
“এসব কি ধরনের কথা বলছিস তুই? আমি তোকে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসি। তোকে ফিরিয়ে নিতে এসেছি…”

“আমি আপনার সাথে কোথাও যাবো না। আপনাকে ভালোবাসি না। কখনো ভালোবাসিনি। সব নাটক ছিল। শুধু নাটক। আপনার টাকা পয়সা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য এসব করেছি। পারেন তো পুলিশে দিন আমাকে…”
সিয়ামের চোখ থেকে আগুন বের হচ্ছে। সে শাপলাকে আরও জোরে ঝাঁকি দিলো।
“চুপ কর! এসব বলা বন্ধ কর! আমি জানি তুই আমাকে কতটা ভালোবাসিস। আমি ওই বাড়ি থেকে চিরদিনের মতো চলে এসেছি। চল, আমরা অন্য কোথাও যাই। দুজন একসাথে থাকবো। কেউ আর বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না…”
শাপলা সর্বশক্তি দিয়ে সিয়াম কে ধাক্কা দিলো। চিৎকার করে উঠলো,
“বলাম না, আমি আপনাকে ভালোবাসি না! আপনার সাথে যাবো না! প্লিজ চলে যান… শান্তিতে থাকতে দিন আমাকে!”
সিয়াম পাগলের মতো হয়ে গেল।

“আমি তোকে পাগলের মতো ভালোবাসি শাপলা! তোকে ছাড়া বাঁচতে পারবো না!”
“আমি আপনাকে ভালোবাসি না”
কথা কথা শেষ হওয়ার আগেই সিয়াম শাপলার ঠোঁট দুটো দখল করে নিলো। এটা চুম্বন না—এটা শাস্তি। এটা জেদ। এটা দখল।
গভীর, পাগল করা চুম্বন। সাথে কা*মড়—যেন র*ক্ত বের করে দেবে। যেন শাপলার শরীরে নিজের নাম লিখে দেবে।
শাপলা ছ*টফট করছে। হাত পা ছুড়ছে। নখ দিয়ে সিয়ামের পিঠ আঁ*চড়ে দিচ্ছে। কিন্তু সিয়াম আরও শক্ত করে ওকে নিজের সাথে মিশিয়ে নিচ্ছে। যেন দুইটা শরীর এক হয়ে যাবে।
অনেক কষ্টে, অনেক ধাক্কাধাক্কির পর শাপলা নিজেকে ছাড়ালো।
শাপলা গলা ফাটিয়ে চিৎকার করলো,

“কি করছেন এসব? মাথা ঠিক আছে আপনার? আমার কাছে আসবেন না! আপনার স্প*র্শ গায়ে লাগলে আমার গা জ্বলে যায়!”
বলেই সিয়ামের পায়ে লুটিয়ে পড়লো।
“আপনি আপনার পরিবারের কাছে ফিরে যান। আমার জন্য নিজের পরিবার থেকে দূরে সরে যাবেন না প্লিজ…”
সিয়াম শাপলা কে আলতো করে টেনে তুলল। কপালে কপাল ঠেকিয়ে ফিসফিস করলো,
“তুই কেন বুঝতে পারছিস না, আমি তোকে কতটা ভালোবাসি? তোর জন্য সব ফেলে চলে এসেছি। আমাকে ফিরিয়ে দিস না… চল আমার সাথে। কেউ আমাদের আলাদা করতে পারবে না…”
“যাবো না আমি! ভালোবাসি না আপনাকে!” শাপলা ছটফট করছে।
সিয়াম তার কথা শুনলো না।

“আমি জানি তুই আমাকে ভালোবাসিস।”
বলে শাপলাকে কোলে তুলে নিলো। শক্ত হাতে আগলে ধরে গাড়ির দিকে হাঁটতে লাগলো।
শাপলা ছ*টফট করছে, কাঁদছে, চিৎকার করছে “ছাড়ুন আমাকে! আমি যাবো না! ভালোবাসি না আপনাকে!”
গাড়ির কাছে গিয়ে দরজা খুলে শাপলাকে ধপ করে সিটে ফেলে দিলো। শক্ত করে সিটবেল্ট বেঁধে দিলো।
শাপলা কাঁদতে কাঁদতে বলল,
“আপনি পাগল হয়ে গেছেন। আমাকে ছেড়ে দিন…”
সিয়াম ড্রাইভিং সিটে বসে শাপলার দিকে তাকালো। তার চোখ দুটো ভেজা, কিন্তু কণ্ঠটা পাথরের মতো শক্ত।
“তুই নেশা ছড়িয়ে মায়া জড়িয়ে চলে যাবি, তা কি হয়? আমি তোকে কোথাও যেতে দিবো না। কারণ তুই আমার হার্টবিট শাপলা। একটা মানুষের শরীর থেকে যদি হৃদয়টা আলাদা হয়ে যায়, সে কি বাঁচে? তোকে হারালে আমিও ম*রে যাবো… তুই আমার হৃদয়…”

বলেই গাড়ি স্টার্ট দিলো।
শাপলা চিৎকার করে উঠল। কণ্ঠে কান্না মেশানো দৃঢ়তা,
“গাড়ি থামান আপনি! আমি আপনার সাথে কোথাও যাবো না!”
সিয়াম স্টিয়ারিং ধরে বাঁকা হাসল। সেই হাসিতে পাগলামি, দখলদারি আর একরাশ ভালোবাসা মিশে আছে।
“তুই কোনোদিন মুক্তি পাবি না শাপলা। তুই আমার। তোকে কিভাবে ছেড়ে দিই বল?”
শাপলা ছ*টফট করতে লাগল। দু’হাতে সিট আঁকড়ে ধরে কাঁপা গলায় বলল,
“আপনি পাগল হয়ে গেছেন। ছেড়ে দিন আমাকে। আমি আপনার সাথে যাবো না। আমি… আমি আপনাকে ভালোবাসি না!”
কথাটা শেষ হতেই সিয়াম ঝুঁকে এলো ওর দিকে। চোখে আগুন, ঠোঁটে অদ্ভুত মায়া। আলতো করে শাপলার কপালে একটা চু*মু দিয়ে ফিসফিস করে বলল,
“আজ রাতে তোর সাথে বা*স*র করবো আমি।”
শাপলার শরীরে বিদ্যুৎ খেলে গেল। রাগে ফুঁসে উঠে বলল,
“কচু করবেন! কতবার বলবো, আমি আপনাকে ভালোবাসি না, হ্যাঁ?”
বলেই ছিটবেল্ট খুলে সিয়ামের হাতে জোরে একটা কা*মড় বসিয়ে দিল।
“আহ! শাপলা ছাড় বলছি! গাড়ি এক্সি*ডে*ন্ট করবে! ব্য*থা পাচ্ছি কিন্তু!”—সিয়াম ককিয়ে উঠল।
শাপলা ছেড়ে দিতেই সিয়াম গাড়ি একপাশে থামিয়ে দিল। মুহূর্তেই ওর দিকে ঝুঁকে পড়ল, চোখে চোখ রেখে গম্ভীর গলায় বলল,

“তোর তেজ অনেক বেড়ে গেছে, না? চিন্তা করিস না। আজ রাতে তোর সব তেজ আমি বের করবো।”
শাপলা ভয়ে ঢোক গিলল। কাঁপা কাঁপা গলায় বলল,
“মানে? কি বলছেন এসব?”
সিয়াম ওর কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করল। নিঃশ্বাসে আগুন ছড়িয়ে বলল,
“মনে আছে আমি বিদেশ যাওয়ার আগে কি বলেছিলি?”
“কি বলে ছিলাম?”
“‘করে দেখাব নাকি, মুখে বলব’?”
শাপলা শুকনো ঢোক গিলে তোতলাতে তোতলাতে করে বলল,
“মু… মু… মুখে বলেন।”
সিয়ামের ঠোঁটে দুষ্টু হাসি। কানের কাছে আরও কাছে এসে বলল,
“রো*মা*ন্স।”
শাপলা ধাক্কা দিয়ে তাকে সরিয়ে দিল। চোখে গলায় অভিমান,
“কখনো না!”
সিয়াম বাঁকা হাসি দিয়ে আবার গাড়ি স্টার্ট দিল। ইঞ্জিনের গর্জনের সাথে মিশে গেল তার গম্ভীর কণ্ঠ
“কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন?”—শাপলা প্রশ্ন করল।
সিয়াম মুচকি হেসে জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,
“বলবো না। গেলেই দেখতে পারবি।”

নীলাঞ্জনা হাতে ধোঁয়া ওঠা কফির মগ নিয়ে ড্রয়িংরুমে এলো। কফির মিষ্টি ঘ্রাণে ঘরটা ভরে গেল। কবিতার দিকে মগটা বাড়িয়ে দিয়ে মৃদু হাসল।
“এই নাও, তোমার কফি।”
কথা শেষ করেই দপ করে সোফায় বসে পড়ল সে। চোখে কৌতূহল, ঠোঁটে হাসি।
“তা তোমার স্বামীর সাথে কথা হয় কি?”
কবিতা কফিতে চুমুক দিয়ে অন্যদিকে তাকালো। গলায় উদাসীনতা।
“না, তেমন একটা হয় না। ও সবসময় বিজি থাকে।”
নীলাঞ্জনা ভ্রু কুঁচকালো। সোজা হয়ে বসে বলল,
“তা তোমার স্বামী যদি বিদেশেই থাকে, তাহলে কি হবে? বাচ্চা কাচ্চা তো নিতে হবে, নাকি? সংসার মানে তো শুধু একা থাকা না।”
কবিতা মুখ বাঁকিয়ে বলল,

“না না, এত তাড়াতাড়ি বাচ্চা নিবো না। ছোট বাচ্চা আমার একদম ভালো লাগে না। সারাদিন পটি করবে,… এসব পরিষ্কার করবে কে? ছিঃ, ওয়াক থু। আমার এসব ঘেন্না লাগে।”
” মনে হয় তুমি নিজে এসব কখনো করো না।”
কবিতা নাক সিটকালো।
“অন্যেরটা পরিষ্কার করবো কেন আমি? আমার কাজ কি সেটা?”
নীলাঞ্জনা এবার গম্ভীর হলো।
“এসব বললে কি হবে কবিতা? স্বামীকে যদি সন্তান সুখ না দাও, আদর মতা না দাও, তাহলে একদিন দেখবে সে হাতের বাইরে চলে গেছে। পুরুষ মানুষ বেশি দিন একা থাকতে পারে না।”
কবিতা তেরে উঠে বলল,

“বলেই হলো? আমাকে রেখে যদি অন্য মেয়ের দিকে চোখ বাড়ায়, তাহলে আমি ছেড়ে দেবো না কি!”
নীলাঞ্জনা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। উঠে গিয়ে কবিতার পাশে বসল। মাথায় হাত রাখল।
“তুমি এভাবে এখানে পড়ে না থেকে, শ্বশুরবাড়ি গিয়ে তোমার স্বামীকে দেশে আনো। সংসার করো, সন্তান নাও। তাহলেই না পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সুখ পাবে।”
কিছুক্ষণ চুপ থেকে নীলাঞ্জনা আবার মুখ খুলল। গলার স্বরটা এবার নরম, ডাকের মতো।
“চলো, আমাকে রান্নায় একটু সাহায্য করবে?”
কবিতা অবাক হয়ে তাকালো।
“আমি? কিন্তু আমি তো রান্না করতে জানি না।”
নীলাঞ্জনা হেসে মাথা নাড়ল। চোখে দুষ্টুমি।
“আরে পাগলি, তোমাকে রান্না করতে হবে না। শুধু হাতে হাতে জিনিসগুলো এগিয়ে দিলেই হবে। আমার সঙ্গী হবে, ব্যস।”

রোমান্টিক ভাইয়া পর্ব ৩৭

কবিতা এক মুহূর্ত ইতস্তত করল। তারপর ছোট করে বলল,
“ঠিক আছে, চলো।”
কথা শেষ হতেই দু’জন উঠে দাঁড়ালো। নীলাঞ্জনা সামনে, কবিতা পিছু পিছু।
আমি ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ব্যস্ত আছি তাই বড় করে লিখেত পারছি না। খুব তাড়াতাড়ি লিখতে হয় । যদি ভুল হয় ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

রোমান্টিক ভাইয়া পর্ব ৩৯

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here