Home কার্নিশে আলতা মাখানো কার্নিশে আলতা মাখানো পর্ব ২৮

কার্নিশে আলতা মাখানো পর্ব ২৮

কার্নিশে আলতা মাখানো পর্ব ২৮
তন্ময়ী তিতিক্ষা

ধরফর করে ঘুম থেকে জেগে উঠল আর্শি। পুরো শরীর ঘামে ভিজে একাকার। হৃদস্পন্দন অস্বাভাবিকভাবে ছুটে চলেছে। এত বাজে স্বপ্ন সে কেন দেখলো? পুরো জীবন্ত মনে হচ্ছে স্বপ্নটা। স্বপ্নের রেশ যেন এখনো কাটে নি। আর্শি সূক্ষ্ম একটা ঢোক গিলার চেষ্টা করল। আকস্মিক আযরানের কথা পড়তেই তড়িৎ বেগে পাশ ফিরে চাইল। আযরানকে ঘুমন্ত অবস্থায় দেখে কান্নারা বেরিয়ে এলো। মুখ চেপে ফুঁপিয়ে উঠল আর্শি। সে দেখেছে আযরানের রক্তমাখা নিথর দেহ। আর্শির চাপা ফোঁপানির শব্দে ঘুমের মাঝেই কপাল কুঁচকে উঠল আযরানের। ধীরে ধীরে চক্ষুদ্বয় মেলল সে। চারপাশটা ঝাপসা। কান্নার শব্দে দৃষ্টি ঘুরাতেই দৃষ্টি স্থির হলো সামনে বসে থাকা আর্শির ওপর। দু’হাত দিয়ে মুখ চেপে কাঁদছে মেয়েটা। তড়িৎ বেগে উঠে বসল আযরান। দু’হাতে আর্শির বাহু চেপে অস্থির কন্ঠে বলে উঠল,

“কি হয়েছে মুটি? কাঁদছিস কেন? ভয় পেয়েছিস?”
আর্শি চমকাল। পরক্ষণেই আযরানকে দেখে ঝাঁপিয়ে পড়ল তার বক্ষের মাঝে। হাউমাউ করে কেঁদে উঠল মেয়েটা। অতিশয় বিস্ময়ে হতবাক আযরান। নিস্তব্ধতায় ছেঁয়ে আছে পুরো কক্ষ। আযরান আর্শিকে শক্ত করে বুকের মাঝে চেপে ধরল। ধীর স্বরে আওড়ালো,
“হুশশ! কাঁদে না জান। কি হয়েছে? স্বপ্ন দেখেছিস?”
কন্দনরত আর্শি মাথা নাড়ল খুব ধীরে। পরক্ষণেই আঁটকে যাওয়া স্বরে আওড়ালো,
“আম..আমি তো..তোকে হারাতে চাই না আযরান। প্লিজ আমাকে ছেড়ে যাস না।
আযরান শুনল সবটা। কষ্টে ভারী হয়ে আসছে আর্শির বুক। আযরানের বুকের কাছের টিশার্ট আঁকড়ে ধরেই ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল। আর্শির পিঠে হাত রেখে কানের লতিতে শুষ্ক ওষ্ঠযুগল ছুঁয়িয়ে দিল আযরান। স্মিত হেসে বলে উঠল,
“আমি কোথাও যাবো না মুটি। তোকে ছেড়ে তো কখনোই না।পাক্কা প্রমিজ!”

উষ্ণতা প্রেমময় চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে প্রকৃতির সাথে। প্রকৃতির ওপর তার প্রেমময় তেজ বাঁড়িয়ে চলছে তো চলছেই। হায় এ কেমন বেহায়া উত্তাপ! কথাটা ভাবতে ভাবতেই গোসল সেড়ে শাড়ির আঁচল কোমড়ে গুঁজে দিল আর্শি। জানালার পর্দা গুলো সরিয়ে সম্পূর্ণ আলো আসার সুযোগ করে দিলো ঘর জুঁড়ে। আর্শির দোয়ায় আনন্দিত সূর্য কিরনেরা ছুঁয়ে দিলো আর্শির সমস্ত বদনে। তবে তা পছন্দ হলো না আর্শির ব্যাক্তিগত পুরুষটার। সূর্যের তেজি রশ্মি চোখে পড়তেই আঁখিদ্বয় খিঁচে ফেলল আযরান। কিছুটা বিরক্তি সূচক শব্দ করে পুনরায় পাশ ফিরে শুয়ে পড়ল। এখনো গভীর তন্দ্রায় কাটছে আযরানের সকাল। আর্শির মন প্রশান্তিতে ভরে উঠল। স্মিত হেসে পা ধীর কদমে এগিয়ে গেল আযরানের অতি নিকটে। ঝুঁকে পড়ল আযরানের মুখ বরাবর। আযরানের মুখটা হৃদয় পিঞ্জিরায় গেঁথে নেওয়ার সুযোগ লুফে নিতে ভুললো না। ঘুমন্ত চেহেরাটার পানে মন্ত্রমুগ্ধের ন্যায় চেয়ে রইলো আর্শির। অকস্মাৎ সর্তক হয়ে উঠল দৃষ্টি। চোরা চোখে আযরানের পানে একবার তাকিয়ে আলতো করে চুমু খেল আযরানের ললাটে। দ্রুত সরে আসার প্রয়াস চালালো সে। এর পূর্বেই একটা হাতের বাঁধায় চক্ষুদ্বয় কপাল ছুঁলো। ঠোঁটে বিস্তর হাসি লেগে আছে আযরানের। আর্শির কপালে অবাধ্য খুচরো চুলগুলো কানে গুঁজে দিয়ে লহুস্বরে বলে উঠল,

“স্ট্রেঞ্জ! আজকালকার বউরা বুঝি এভাবেই স্বামীকে চোরের মতো চুমু খায়?”
হকচকিয়ে গেল আর্শি। ঘাবড়ে গিয়ে ঢোক গিলল সামান্য। শুকিয়ে যাওয়া কন্ঠে মিনমিন করে বলে উঠল,
“আমি কিছু ক..করি নি। ওখানে তো ম.মশা ছিল। হ্যাঁ মশা।”
“চোর ধরা পড়লে এমনই বলে।”
কথাটা বলে ছেড়ে দিল আযরান। উঠে হেলান গিয়ে পিঠ ঠেকালো বিছানার কোনায়। আর্শির দিকে নজর পড়তেই সূক্ষ্ম ভাঁজ পড়ল কপালে। নিম্নস্বরে বলে উঠল,
“আজ হুট করে শাড়ি?”
“মন চাইলো একটু।”
কিছুটা জড়তা নিয়েই উত্তর দিল আর্শি। আযরান আর্শির মাথা থেকে পা পর্যন্ত চক্ষুদ্বয় বুলিয়ে নিল। আঁড়চোখে চাইতেই আর্শির মন আঁটকে গেল আযরানের নিস্পলক দৃষ্টিতে। কিন্তু তা দীর্ঘস্থায়ী হলো না। অনুভূতিরা বেসামালভাবে গ্রাস করতে শুরু করল তাকে। লজ্জায় লজ্জাবতীর ন্যায় গুটিয়ে নিল নিজেকে। কোনো কথা না বলেই তড়িঘড়ি করে পালালো আযরানের চোখের আড়ালে। আযরান হাসল। সুখের হাসি। আনন্দ উপছে পড়ছে মুখশ্রী জুঁড়ে। আর্শি তাকে ধীরে ধীরে মেনে নিতে শুরু করেছে। মুখে না বললেও আযরান ইদানীং তা অনুভব করতে পারে। আর্শির আঁড়চোখের দৃষ্টি সে খেয়াল করলেও অবুঝ সেজে থাকে। থাকুক না কিছু অজানা, তাতে ক্ষতি কি?

কিচেনে এসে নাস্তা বানানোর প্রস্তুতি নিল আর্শি। সবে ৭টা বাজে। গতকালই বলেছিলো আযরান তাদের বন্ধুরা সকাল সকাল হামলা দিবে। আর এখান থেকেই সবকিছু রেডি করে কালকে রওনা দিবে রাইসাদের গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে। আর্শি খুব এক্সাইটেড! তার অনেকদিনের ইচ্ছা গ্রামে ঘুরতে যাওয়া। হাজারো জল্পনা কল্পনার মাঝে নাস্তা বানাতে মনোযোগী হলো সে। কিছুক্ষণের মাঝেই সেখানে এসে উপস্থিত হলো আযরান। আর্শি এবারও আঁড়চোখে তাকালো। নিমিষেই ধরা পড়ে গেল আযরানের চক্ষে। থতমত খেয়ে চক্ষুদ্বয় সরাবে এর পূর্বেই শ্রবণশক্তিতে প্রবেশ করল আযরানের ফিচেল কন্ঠস্বর,

“আযরানের বউটা দিন দিন চোরে পরিণত হচ্ছে। বার বার চুরি করতে যেয়ে ধরা পড়ে যাচ্ছে। ইশশ!”
মৌন মুখে ঠাঁই দাঁড়িয়ে রইল আর্শি। ধরা পড়ে যাওয়ায় আর কথা বাড়ালো না। তবে বক্ষস্পন্দন বেঁড়ে গেছে কয়েকগুণ। ময়দা মাখতে থাকা হাতটা মৃদুভাবে কাঁপছে। আযরানকে থামতে না দেখে এবার ভ্রুঁ যুগল কুঁচকে গেল তার। হুট করে হাতে থাকা ময়দা মাখা আযরানের মুখে পুরে দিল। চক্ষুদ্বয় রাঙিয়ে হুমকি দিয়ে বলে উঠল,
“আর একটা কথা বলবি তো কাঁচা আটা গোলা খাওয়াবো। চুপ থাক!”
আযরান বিস্ময়কর দৃষ্টিতে তাকালো আর্শির পানে। নেত্রপল্লব পিটপিট করল একবার। সামনে থাকা মেয়েটা যেন একদম পাক্কা এক বাঙালি বউ। শাড়ি পরিহিত আর্শি কোমড়ে আঁচল গুঁজে তারই দিকে চোখ রাঙিয়ে তাকিয়ে আছে। হুট করেই আযরানের হৃদস্পন্দন দ্রুত গতিতে ছুটতে শুরু করল। শ্বাস প্রশ্বাস গাঢ় হয়ে এলো। হুট করেই জ্ঞান হারিয়ে লুটিয়ে পড়ল মাটিতে।
আকস্মিক ঘটনায় আর্শি স্তব্ধ হয়ে পড়ল। হুশ ফিরতেই ছুটে এলো আযরানের নিকট। রাতের স্বপ্নের কথা মনে পড়ে গেল। নিমিষেই ভয়ে শিউরে উঠল সমস্ত কায়া। বুক ধরফর করে উঠল। ভয়ে কাঁপা হস্তে আযরানকে ধাক্কিয়ে ডেকে উঠল,
“এই আয..আযরান। কি হয়েছে? উঠ না। এই!”
রুদ্ধশ্বাসে ঢোক গিলল আর্শি। চক্ষুদ্বয় অশ্রুসিক্ত হয়ে গেল। তৎক্ষনাৎ ছুঁটে গেল ফোনের কাছে। কাঁপা কাঁপা হাতে ফোন লাগালো কারোর নাম্বারে।

চক্ষুদ্বয় ধীরেসুস্থে মেলল আযরান। মাথা ভারী হয়ে আছে। ঝাপসা চোখে সামনে তাকাতেই বিটঘুটে হাসি দেখে লাফিয়ে উঠল সে।
“আআআআ!”
আযরানের চিৎকারে লাফিয়ে উঠল সামনে থাকা মিহির। সেও ভয়ে চিৎকার করে উঠল গলা ফাঁটিয়ে। তাদের চিৎকারে সকলে একপ্রকার ছুটে এলো কক্ষ। কিছুক্ষণ তাকিয়ে বুঝার চেষ্টা করল ঘটনা। নীলা অবাক হয়ে জিজ্ঞাস করল,
“কি হলো চিৎকার করলি কেন তোরা?”
“এই গবেটটাকে কেন এনেছিস।”
বিরক্তিতে মুখটা আরও গম্ভীর হয়ে উঠল আযরানের। হতবিহ্বল মিহির কিছুক্ষণ ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে থেকে বলল,
“আমি কি করেছি? তুইই তো ঘুমে কিছু একটা বিরবির করছিলিস তাই কান পেতেছিলাম। আমি জানতাম নাকি তুই এমনে ভূতের মতো চিল্লানি দিবি।”

দরজার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা প্রহর ভ্রু কুঁচকাল। কিছুটা গম্ভীর স্বরে বলে উঠল,
“মিহিইররা! তোর কি বেডাদের প্রতি ইন্টারেস্ট কাজ করে? নাহলে তুই সবসময় আমার আর আযরানের সাথে এমন চিপকাতে চাস কেন?”
“আস্তাগফিরুল্লাহ! কিসব বলিস। এমন কিছু না ছিহ ছিহ!”
কথাটা শুনে সকলে চুপ। দুই সেকেন্ড নীরবতা বিরাজ করতেই হুট করে ফিক করে হেসে ফেলল রাইসা। এরপর একে একে সকলে। মুহূর্তেই পুরো রুম হাসিতে ফেটে পড়ল। কিন্তু দরজার কোণে দাঁড়িয়ে থাকা মেহর সত্যি সত্যি ভেবে বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে রইল। যা মিহিরের চোখ এড়ালো না। নাক মুখ কুঁচকে বলে উঠল,
“এই ব্যাটারি! এভাবে তাকানোর কিছু নেই। এরা মজা করছে সত্যি সত্যি না।”
মেহর বোকা বনে গেল। কতটা উপহাস মূলক কথা মিহিরের। তাকে ব্যাটারি কেন বললো অদ্ভুত। রাগে নাক ফুলালো মেহর কিন্তু এত এত বড়দের মাঝে বেয়াদবি করতে মন চাইলো না। মুহুর্তে মিহিরকে ভেংচি দিয়ে মুখ ঘুরিয়ে ফেলল। কপাল কুঁচকাল মিহির। তবে কিছু বলল না। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতেই প্রহর বলে উঠল,
“অজ্ঞান হলি কি করে আযরান?”

এবার সকলেই নড়েচড়ে উঠল। দৃষ্টি গিয়ে স্থির করল আযরানের উপর। আর্শি নিজেও গভীর আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে আছে। সকলের দৃষ্টি অগ্রাহ্য করে গম্ভীরমুখে বসে রইল আযরান। কি করে বলবে সবাইকে? নিজেরই বউয়ের বউ বউ রূপ দেখে আনন্দে জ্ঞান হারিয়েছে? ছিঃ কি লজ্জাজনক কথা। কারো কথার জবাব না দিয়েই গম্ভীর কন্ঠে আর্শির উদ্দেশ্যে বলে উঠল,
“ক্ষিধে পেয়েছে আর্শি। নাস্তা রেডি কর সবার জন্য।”
ব্যাস! সবাই যে যার কাজে ব্যস্ত হয়ে গেল। মেয়েদের দল বেরিয়ে গেল রুম ছেলে। আর মিহির প্রহর ঠাস করে শুয়ে পড়ল বিছানায়। শুধু অতিশয় বিস্ময়ে হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে রইল মেহর। এদের সবার কর্মকান্ড তাদের মাথার ওপর দিয়ে যাচ্ছে। তাকে এভাবে মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে প্রহর প্রশ্ন করল,
“কি হয়েছে? ঠিক আছো?”
“কি হলো ব্যাপারটা?”
আহাম্মকের মতো তাকিয়ে আছে মেহর। তার দৃষ্টি দেখে প্রহর আর মিহির হেসে ফেলল। প্রহর হাসতে হাসতেই জবাব দিল,

“কিছুই না! এই বান্দার পেটে বোমা মারলেও কথা বের হবে না। তাই সবাই সময় না নষ্ট করে সকলের কাজে চলে গেছে।”
“অহহ!”
মিহিরের হুট করে দৃষ্টি আঁটকালো মেহরের ডাগরডাগর আঁখিদ্বয়ে। অসম্ভব মায়ায় জড়ানো চোখ দু’টো। মুগ্ধ নজরে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল সে। পরক্ষণেই হুশ ফিরতে দৃষ্টি সরিয়ে বিরক্তির সহিত বলল,
“ছেলেদের সাথে আড্ডা দিবে বলে দাঁড়িয়ে আছো? এসে তাহলে বসো। আড্ডা দেই।”
মেহর কিছুক্ষণ ইতস্তত করল। ছেলেদের রুমে এভাবে দাঁড়িয়ে থাকাটাই তার কাছে কেমন অদ্ভুত লাগছে। কিন্তু মিহিরের কথার ভঙ্গিমায় রাগ হলো প্রচুর। কিছু বলতে নিবে এর পূর্বেই আযরান ধমকে উঠল,
“আহ মিহির। ছোট মানুষ ও।”
“ও কোনদিক দিয়ে ছোট ।”
“চুপ কর।”

কথাটা বলেই আযরান দৃষ্টি ঘুরালো মেহরের দিকে। মেয়েটার মুখশ্রী মলিন হয়ে আছে একদম। হয়তো মিহিরের কথায় খারাপ লেগেছে। মেহরের মুখের দিকে তাকিয়ে আযরানের নিধির কথা মনে পড়ে গেল। কতগুলো দিন বোনটার সাথে দেখা হয় না। যন্ত্রণাদায়ক একটা শ্বাস বেরিয়ে এলো অভ্যন্তর থেকে। স্মিত হেসে বলল,
“ওর কথায় কিছু মনে করো না মেহর। তুমি তোমার আপুদের কাছে যাও।”
মেহর মাথা নাড়ল। একবার চক্ষুদ্বয় ঘুরিয়ে মিহিরের দিকে তাকিয়ে নুপুরের ঝুনঝুন শব্দ তুলে বেরিয়ে গেল কক্ষ থেকে। মিহির যেতেই নিরবতা নেমে এলো রুম জুঁড়ে। মিহির হুট করে পা তুলে দিল আযরানের উপর। আযরান উপরে উপরে বিরক্ত প্রকাশ করে লাথি দিয়ে সরিয়ে দিল তাকে। প্রহর হাসিতে ফেঁটে পড়ল। নিজেও এবার লাথি দিয়ে মিহিরকে একবারে মেঝেতে ফেলে দিলো।

কার্নিশে আলতা মাখানো পর্ব ২৭

“তোদের বিচার আল্লাহ করবে হারামীর দল।”
আযরান দূ্র্বোধ্য হাসল। হাত দিয়ে টেনে তুলল মেঝেতে পড়ে থাকা মিহিরকে। উঠেই স্টান হয়ে শুয়ে পড়ল ছেলেটা। কিন্তু প্রহর তাকে খোঁচাতে ভুলল না। তাদের দিকে তাকিয়ে মনে মনে শুকরিয়া আদায় করল আযরান। এই বন্ধুগুলো না থাকলে কি হতো? একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এলো নাসারন্ধ্র হতে। চক্ষুদ্বয় বন্ধ করে ডুব দিলো গতকালকের ঘটনায়।

কার্নিশে আলতা মাখানো পর্ব ২৯

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here