Home কার্নিশে আলতা মাখানো কার্নিশে আলতা মাখানো পর্ব ৪

কার্নিশে আলতা মাখানো পর্ব ৪

কার্নিশে আলতা মাখানো পর্ব ৪
তন্ময়ী তিতিক্ষা

রাতের কালো অম্বর গুঁড়ুম গুঁড়ম শব্দে ডেকে চলেছে। সঙ্গে সঙ্গে বজ্রপাতের আওয়াজ তরঙ্গিত হতেই সমস্ত অঙ্গ নড়ে উঠল। দেহের প্রত্যেকটা ভাঁজে ভাঁজে কম্পনের সৃষ্টি হলো। বাহিরের প্রকৃতির তান্ডব চলছে যেন। বর্ষণের ধারা না নামলেও…নামতে যে খুব একটা দেরি নেই তা ভালো করেই বুঝে গেল আর্শি। মন পুলকিত হচ্ছে বারংবার। বৃষ্টি আসলে যেমন একদিকে আর্শির মন নেচে উঠে তেমনি কিছুটা ভয়ও লাগে। বৃষ্টি তার মাত্রাধিক পছন্দ। আজও বৃষ্টি আসলে সে ভিজবেই ভিজবে। মুচকি হাসি ফু্ঁটে উঠল আর্শির ওষ্ঠের কোণে। মনোযোগ দিলো খাবার গুছাতে। সকলে হয়তো কিছুক্ষণের মাঝেই এসে পরবে।
ডাইনিং টেবিলের উপর একে একে প্লেট, গ্লাস আর খাবারের বাটি সাজিয়ে রাখছিল আর্শি। মাঝেমাঝে জানালার বাইরে তাকাচ্ছে। দূরে আকাশের বুক চিরে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। সেই আলো এক মুহূর্তের জন্য পুরো আঙিনা আলোকিত করে আবার মিলিয়ে যাচ্ছে। ঠিক তখনই সিঁড়ি দিয়ে নামার শব্দ হলো। প্রথমে শাহাদাত হায়দার নেমে এলো। গম্ভীর মুখে এসে চেয়ার টেনে বসে পড়লেন তিনি। তার পেছন পেছন নামল দিনা হায়দার আর আয়রা। আয়রা নামতে নামতেই মুখ বাঁকিয়ে বলল,

“উফফ মা! এই গরমে একদম থাকা যায় না। তার ওপর আবার বৃষ্টি নামবে।”
দিনা হায়দার বিরক্ত হলো। মেয়ের দিকে তাকিয়ে বলে উঠল,
“বৃষ্টি হলে একটু ঠান্ডা পড়বে। তোর আবার কি সমস্যা?”
আয়রা মায়ের বিরক্তি ভাব বুঝল। কিন্তু তার এসবে পাত্তা দেওয়ার সময় নেই। ন্যাকামো করে ঠোঁট উল্টে বলল,
“সমস্যা না! আমার কাল ক্লাস আছে। বৃষ্টি হলে আবার রাস্তায় কাঁদা হবে মা।”
শাহাদাত হায়দার একবার চারিদিকে চক্ষুদ্বয় বুলালেন। হুট করে দৃষ্টি আঁটকাল নিজের বড় মেয়ে আর্শির পানে। তাকিয়ে রইল একদৃষ্টিতে। এতকাল খেয়ালই করেনি মেয়েটা তার মায়ের মতো হয়েছে পুরো। কি সুন্দর মুখশ্রী! পুরো আশার মতো দেখতে। কিন্তু এই মেয়ের কারনেই আশা মারা গিয়েছিল যা তিনি আজও মেনে নিতে পারেনি। আর না এখনও পারছে। তাই আর্শির প্রতি শাহাদাত হায়দারের একটা উদাসীন ভাব রয়েছেই। কিছুটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল শাহাদাত হায়দার। দৃষ্টি ঘুরিয়ে পুনরায় নিজেকে আবৃত করল গম্ভীরমুখে। আর্শির উদ্দেশ্যে বলে উঠল,
“তুমি বসছো না কেন খেতে?”

আর্শি চমকে উঠল নিজের বাবার কন্ঠস্বরে। মাথা উঁচিয়ে তাকাতেই দেখতে পেল তারদিকেই তাকিয়ে আছে বাবা। শরীরটা ক্ষীণ নড়ে উঠল আর্শির। বাবা তার সাথে ঠিক করে দু’টো বাক্যও ব্যয় করে না সেখানে নিজের থেকে খেতে বসার কথা বলছে? আর্শি মনে মনে আনন্দিত হলো। তবুও মৃদুস্বরে বলে উঠল,
“আমি প..পরে খাবো বাবা। আপনারা খেয়ে নিন।”
দিনা হায়দার কপাল কুঁচকে তাকালেন আর্শির দিকে। মেয়েটার এই ভদ্রতা আর চুপচাপ স্বভাবটা তার কাছে কখনোই ভালো লাগে না। বিরক্ত গলায় বলে উঠলেন,
“কি পরে খাবি? নাটক করিস না। এখনই বসে খা।”
আর্শি মাথা নিচু করে রইল। ঠোঁট নড়ল সামান্য। খুব আস্তে করে বলল,
“ক্ষুধা লাগেনি ছোটমা… পরে খেয়ে নেব।”
আয়রা মাঝে ফোঁড়ন কাটল। ঠোঁট বাঁকিয়ে হেসে চোখ উল্টে বলল,

“ও তো এমনিই করে মা। আগে বলবে পরে খাবো, তারপর সবাই উঠে গেলে ফ্রিজ খালি করে ফেলবে।”
মৌন মুখে সবটা হজম করল আর্শি। এসবে সে অভ্যস্ত। আগে খারাপ লাগতো। আড়ালে বসে কাঁদতো। কিন্তু এখন সয়ে গেছে। হাত বাঁড়িয়ে হালতো হাতে নিজের মাথাও ওড়নাটা আরেকটু ভালো করে টেনে নিল। হঠাৎ করে কলিং বেলের শব্দ পুরো ঘরের নীরবতা ভেঙে দিল। আয়রা বিরক্ত হয়ে বলে উঠল,
“এই সময় আবার কে এলো?”
“আর্শি! দাঁড়িয়ে আছিস কেন? গিয়ে দরজা খুলে দেখ।”
দিনা হায়দারের কথায় আর্শি মাথা নাড়ল। পরক্ষণেই ছোট ছোট কদম ফেলে এগিয়ে গেল দরজার দিকে। বাইরে তখন হালকা বাতাস বইছে। আকাশে আবার বিদ্যুৎ চমকালো। দরজা খুলতেই মূহুর্তে আর্শির চক্ষুদ্বয় বিস্ময়ে বড় হয়ে গেল।

“তু..তুই!”
দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে আযরান। চুলগুলো এলোমেলো হয়ে আছে। আযরানের কাঁধে একটা ব্যাগ ঝুলছে। চোখে সেই চেনা দুষ্টু ঝিলিক। আর্শি কয়েক সেকেন্ড শুধু তাকিয়েই রইল। যেন বিশ্বাসই করতে পারছে না। আযরান ভ্রুঁ যুগল তুলে তাকাল। ঠোঁটের কোণে হালকা হাসি ফুটে উঠল নিমিষেই। ভ্রুঁ নাচিয়েই বলে উঠল,
“কেন? ভূত দেখছিস নাকি?”
আর্শি তখনও হতভম্ব। একটু তোতলাতে তোতলাতে বলল,
“তুই না দুপুরেও ঢাকায় ছিলি? তাহলে এখানে… কিভাবে?”
“গাড়ি দিয়ে।”

স্বাভাবিক কন্ঠে বলে উঠল আযরান। ভাবটা এমন কিছুই হয়নি। আর্শি যেন আকাশ থেকে পড়ল। সে খুব চমকেছে আযরানকে দেখে। আচমকা এভাবে চলে আসার মানে কি? আযরান এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আর্শির দিকে। তীক্ষ্ণ চক্ষুদ্বয় ঘুরে চলেছে আর্শির মুখশ্রীর প্রতিটি কোণায়। আর্শির চমকিত দৃষ্টি আযরানের চোখ এড়ায়নি। আবার সামান্য এগিয়ে এল আযরান। আর্শির বেশখানিকটা নিকটে এসে থেমে গেল। উচ্চতায় আযরান আর্শির থেকে অনেকটা লম্বা। মাথা নিচু করে নিষ্পলকভাবে তাকিয়ে রইল। তারপর হুট করে গম্ভীর, দৃঢ় কন্ঠে বলে উঠল,
“বললাম আমার কাছে যেতে..এলি না। তাই আমিই চলে এলাম তোর কাছে।”
অন্যমনস্ক আর্শি আচমকা আযরানকে এত কাছে অনুভব করতেই দু’কদম পিছিয়ে গেল। আযরানের কথাটা শুনে আর্শির বুকের ভেতরটা কেমন করে উঠল। শরীরের রন্ধ্রে রন্ধ্রে শিহরণ অনুভব করল। কিসব বলছে আযরান? কতটা সহজে এমন কথা বলে ফেলল ছেলেটা। সূক্ষ্ম ঢোক গিলল আর্শি। পরক্ষণেই নিজেকে ধিক্কার করল আযরানকে নিয়ে এমন ভাবনা আনার। আযরান বাঁকা হাসল। বলে উঠল,

“কিরে মুটি, কার ভাবনায় হারালি?”
আর্শি কটমট করে চাইল। কিছু বলতে যাবে ঠিক তখনই পেছন থেকে তখন আয়রার বিরক্ত কণ্ঠ শোনা গেল,
“কে এসেছে রে আপু?”
আর্শি কিছু বলার আগেই আযরান মাথা উঁচু করে ভেতরের দিকে তাকাল। তারপর গম্ভীর গলায় বলল,
“আমি এসেছি।”
মূহুর্তে লাফিয়ে উঠল আয়রা। আযরান এসেছে? অবাকের শীর্ষে পৌঁছালেও মনে মনে ভীষণ খুশি হল সে। চেয়ার ঠেলে প্রায় দৌড়েই দরজার কাছে এসে দাঁড়াল।
“আযরান ভাইয়া!”

আনন্দে চকচক করছে আয়রার চোখ। আযরান একচোখ কুঁচকে তাকাল তার দিকে। এই গায়েপড়া মেয়েটাকে তার একদম পছন্দ না। আয়রাকে সম্পূর্ণ ইগনোর করল আযরান। দিনা হায়দার এগিয়ে এলেন। অবাক হয়ে প্রশ্ন করল,
“তুমি না চলে গেছিলে ঢাকা? তাহলে আজ আবার..”
“আর্শিকে নিতে এসেছি ছোটমা। কাল আমাদের পরিক্ষা শুরু। ওর যেতেই হবে।”
আযরানের শান্ত কন্ঠে বলা বাক্য কপাল কু্ঁচকে তাকাল দিনা হায়দার। এই মেয়ে আবার ঢাকায় ফিরে যাবে? অপরদিকে বিস্ময়ে হতবাক আর্শি। পরিক্ষা? তাদের আবার কিসের পরিক্ষা। কই সে তো জানে না। আহাম্মকের মতো তাকিয়ে রইল সে। কিছু বলার জন্য মুখ খুলতে যাবে হুট করে আযরান চক্ষুদ্বয় রাঙিয়ে চায়। আর্শি ঘাবড়ে যায়। সাথে সাথে চুপ মেরে ভাবনা মগ্ন হয়। সে তো দুপুরে বলেছিল তাকে নিয়ে যাওয়ার কথা। তার মানে কি….? বিস্মিত হলে আর্শি। চক্ষে বিঁধল আযরানের হাসি মুখ। মায়াময় হাসি ফুঁটে উঠল আর্শির ঠোঁটে। নিজেকে এবার ভাগ্যবতী মনে হচ্ছে তার।

রাত দশটা। চারিদিকে প্রচন্ড বর্ষণ। বৃষ্টি দেখে মনটা নিমিষেই ভালো হয়ে গেল আর্শির। চুপিচুপি পা ফেলে ছাদে উঠে এলো। মূহুর্তে দমকা হাওয়ার তোড়ে শরীর হিম হয়ে গেল। ঘোর তমসা আর প্রবল বর্ষণের কারনে এখানে হারিয়ে গেলেও খুঁজে পাওয়া মুশকিল। পা বাঁড়িয়ে ছাদে নেমে গেলো আর্শি। মূহুর্তে একরাশ দমকা হাওয়ার তালে আসে বৃষ্টি ভিজিয়ে দিল আর্শির সমস্ত কায়াকে। বৃষ্টির পানির শীতল ছোঁয়ায় প্রচন্ডভাবে কেঁপে উঠল। কোমড় ছাড়ানো চুলগুলো ভিজে যাচ্ছে ক্রমশ। বারবার আনন্দে নেচে উঠছে মন। হুট করে দুহাত মেলে ধরল আর্শি। চক্ষুদ্বয় বুঁজে অনুভব করার চেষ্টা করল বৃষ্টির সবগুলো ফোঁটা।

দূর থেকেই একজোড়া তীক্ষ্ণ চোখ সূক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণ করছে আর্শিকে। আর্শির প্রত্যেকটি অঙ্গভঙ্গি নিরবে মুখস্থ করে নিচ্ছে। সেদিকে হুশ নেই মেয়েটার। আর্শি যদি লক্ষ্য করতো এই দৃষ্টি তাহলে নিশ্চিত লজ্জায় গুটিয়ে পরতো একদম। ঠান্ডা বাতাসের ঝাপটা বারবার আর্শির ভেজা চুল উড়িয়ে দিচ্ছে। আর্শি চোখ বন্ধ করেই দাঁড়িয়ে আছে। হুট করে কর্ণের অতিনিকট থেকে শুনতে পেল কিছু বাক্য,
“এইভাবে মাঝরাতে ছাদে উঠে বৃষ্টি ভেজার অভ্যাসটা এখনও ছাড়িসনি দেখছি।”
চমকে উঠল আর্শি। চক্ষুদ্বয় মেলে পাশ ফিরে চমকে তাকাল। বুকটা ধক করে উঠল নিমিষেই। অন্ধকারের মাঝে একটু দূরে দাঁড়িয়ে আছে আযরান। ছাদের কার্নিশের কাছে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ছেলেটা। বৃষ্টির ফোঁটা তার চুল ভিজিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু আযরানের সেদিকে কোনো খেয়াল নেই। আর্শির বুকের ভেতরটা কেমন কেঁপে উঠল। ঘাবড়ে গিয়ে বলল,

“তু..তুই!”
আযরান সোজা হয়ে দাঁড়াল। তারপর অলস পায়ে এগিয়ে আসতে লাগল আর্শির দিকে। বৃষ্টির মধ্যে হাঁটলেও তার দৃষ্টি এক মুহূর্তের জন্যও আর্শির মুখ থেকে সরে না। আর্শি যেন এবার একটু অস্বস্তিতে পড়ে গেল। ভেজা ওড়নাটা বুকে টেনে ধরল। গম্ভীর হয়ে বলল,
“তুই এখানে কি করছিস?”
“এটা তো আমার জিজ্ঞাস করার কথা?”
আর্শি ভ্রুঁ কুচকাল। ভেজা শরীরের আযরানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে লজ্জা করছে। অন্যদিকে বৃষ্টির জন্য চক্ষুদ্বয় মেলে ধরে রাখতেও কষ্ট হচ্ছে। বহুকষ্টে পিট পিট করে আযরানের দিকে তাকাল আর্শি। কন্ঠে কিছুটা বিরক্ত ঢেলে বলে উঠল,
“তোর সমস্যা কি?”
আযরান কিছুক্ষণ চুপ করে তার দিকে তাকিয়ে রইল। সেই দৃষ্টিটা এতটাই গভীর যে আর্শির এবার অস্বস্তি হতে শুরু করল। আকস্মিক আযরান হাত বাড়িয়ে আর্শির ভেজা চুলের একটা গোছা আঙুলে পেঁচিয়ে ধরল। কেঁপে উঠল আর্শি। হৃদস্পন্দনের গতি বেগতিক হয়ে গেল। বুকে তীব্র কম্পনের সৃষ্টি হলো মূহুর্তে। ঘাবড়ে গিয়ে তড়িঘড়ি করে বলে উঠল,

“এই!”
ঢোক গিলল আর্শি। আযরানের হাত থেকে নিজের চুল গুলো ছাড়ানোর চেষ্টা করতে লাগলো। অকস্মাৎ এক অবাক কান্ড করে বসল আযরান। আর্শির চুলের প্যাচানো অংশটাকে আরও শক্ত করে চেপে আরও কিছুটা নিজের কাছে টেনে নিল আর্শিকে। নিস্তব্ধ, বাক্যহীন আর্শি। অজানা ভয়ে বুকটা মোঁচড় দিয়ে উঠল। নিমিষেই চক্ষুকোটর তীব্র ভয়ে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়ল। অন্তরস্থ কম্পন নিয়ে দৃষ্টি পেল ধরল আযরানের পানে। ঠিক সেই মূহুর্তে বজ্রপাত হলো। এক মুহূর্তের জন্য আলো ঝলসে উঠতেই আর্শি স্পষ্ট দেখল আযরান তাকিয়ে আছে তারই দিকে। অদ্ভুত তীব্র দৃষ্টি। আযরান আর্শির দিকে ঝুঁকে এল। ভয়ের তাড়নায় আর্শি স্তম্ভিত। সম্মুখে দাঁড়ানো ব্যাক্তিটা আরও কিছুটা দূরত্ব কমিয়ে আনতেই ডান হাত তুলে বাঁধা দিল আর্শি। হাতটা গিয়ে ঠেকল আযরানের বুকের বা পাশে। আযরানের তড়িৎবেগে ছুটতে থাকা হৃদস্পন্দন অনুভব কর‍তে পেরে স্তব্ধ হয়ে পড়ল মেয়েটা। ঠিক তখনই শ্রবণশক্তিতে প্রবেশ করল আযরানের মোহনীয় কন্ঠস্বর,
“চলো বলে ফেলি

কত কথা কলি….
“জন্মেছে বলতে তোমায়
তোমাকে চাই….
“ঝলসানো রাতের এ পোড়া বরাতে
তুমি আমার অন্ধকার আর রোশনাই….
তোমাকে চাই..!
আর্শি কিংকর্তব্যবিমুঢ়। আযরানের চুলের পানি অনবরত গড়িয়ে পড়ছে আর্শির মুখশ্রীতে। আযরানের মধুর কন্ঠস্বরে নিনির্মেষ ঘোরে আটকা পড়ল আর্শি। বিস্ময়কর দৃষ্টিতে রইল। আযরান আর্শির দিকে দৃষ্টি স্থির রেখে পুনরায় গেয়ে উঠল,

কার্নিশে আলতা মাখানো পর্ব ৩

“কার্নিশে আলতা মাখানো
দিনেরা ঢলে পড়ে রাতে…
“তারপরে রাত্রি জাগানো
বাকিটা তোমারই তো হাতে…
জেগে জেগে আমি শুধু ঘুমিয়ে পড়তে চাই…
থেকে থেকে সেই মেঘেতে যাই, বেড়াতে যাই
তোমাকে পাই…..

কার্নিশে আলতা মাখানো পর্ব ৫