নীরব উন্মাদনা দ্বিতীয় খন্ড পর্ব ১২
সুরাইয়া জিয়াসমিন
বেশ সাহস করেই পরি প্রশ্নটা করলো, অবশ্য তার প্রশ্ন করার অধিকার নেই তাও করলো। কারণ সে জানতে চাইছে নাবিলের জীবনে কি তার আগে কেউ ছিলো?নাবিল পরির দিকে সরু চোখে তাকালো,পরপর তার ভেজা চুলে হাত ডুবিয়ে দিলো।পরি ভাবলো হয়তোবা kiss করবে তবে হঠাৎ করেই নাবিলের হাতের বাঁধন জরালো হলো।পরি চোখ মুখ খিচে নিলো।নাবিল দাঁতে দাঁত চিপে সুধালো
_”একটু লাই দিতে না দিতেই মাথায় উইঠা গেছোস যে আমারে প্রশ্ন করোস। তুই কি জানোস একন তোরা তুইলা একটা আছার মারার ক্ষমতা রাখি আমি?”
মূহুর্তের মধ্যে পরির চোখ ভিজে উঠলো, মিষ্টি রাঙ্গা ঠোঁট দুটো কেঁপে উঠলো। নাবিল এক হাত দিয়ে পরির চুলের মুঠি ধরে অন্য হাত দিয়ে আস্তে আস্তে নিচ দিয়ে তার শার্টের ভিতরে হাত ঢুকিয়ে দিলো।যেই হাত ক্রমাগত পেট ছাড়িয়ে আর একটু উপরে চলে গেলো। স্পর্শকাতর স্থানে নাবিলের হাত পড়তেই পরি কিছুটা কম্পিত হলো। তবে না বাঁধা দেওয়ায় চেষ্টা না মুখ দিয়ে শব্দ বের হলো।নাবিল পরিকে নুইয়ে পড়তে দেখে বেশ মজা পেলো।পরির চোখ দু’টো ভেঙ্গে আসছে, চোখের ঘনো পাপড়ি গুলো কেমন টিপটিপ করছে।সাথে সরু নাকটা ক্রমাগত ফুলে যাচ্ছে আবার স্বাভাবিক হয়ে উঠছে।ফল স্বরুপ নাকের ডগা কেমন লালচে হয়ে আছে। এমন সরু আর ফর্সা নাকে নাক ফুলটা চকচক করছে। ঠোঁট দুটো ভিজে গোলাপের পাপড়ি ন্যায় কেঁপে কেঁপে উঠছে। ফর্সা হাতে স্বর্নের চুরি গুলো চকচক করছে।নাবিল দুর্বল হলো।
কখনোই সে পরিকে এতো খুঁটে খুঁটে দেখেনি, কারণ সে জানে এই মেয়ের সৌন্দর্য একদিন তাকে ধংস করে দিবে।তাই কখনোই বেশি সময় মুখের দিকে চেয়ে থেকে মায়া লাগায়নি। বরং পরিকে আঘাত করার সময় দু এক আঘাত বেশি দিয়েছে,যার কারন হয়তোবা “তুই এতো সুন্দর কেন” যদি মায়ায় পড়ে যায়।যদি তাকে বস করে নেয়।সেই ভয়ে পরিকে কখনোই এভাবে দেখা হয়নি।যেনো সুন্দর হয়েও দোষের তলে আছে পরি।
নাবিল নিজের ভাবনা থেকে বেড় হলো,পরপর নিজের বাম হাতটা শার্টের ভিতরে থেকে বেড় করে আনলো।পরি একটু ছাড় পেয়ে টিপটিপ করে তাকালো।নাবিল চুল ছেড়ে পরিকে কাছে টেনে নিলো,পরপর তার উন্মুক্ত পায়ে হাত বুলিয়ে সুধালো
_”কি কইতে চাইতাছোস তুই,তোর কি মনে হয়,অন্য মাগি মানুষ বিয়া কইরা হেনে রাখছিলাম,হেয় ওতো গুছায় রাখছে?”
পরি নিঃশ্বাস কিছুটা বন্ধ হয়ে আসলো, প্রচন্ড সাহস নিয়ে জিজ্ঞেস করেই ফেললো সে যে
_”আমার আগে আপনার জীবনে অন্য কোনো মেয়ে ছিলো?”
নাবিল পরির ফর্সা পা আঙ্গুল দিয়ে চেপে ধরলো,সাথে সাথে সেই স্থান লাল বর্ন ধারন করে হাতের ছাপ বসে গেলো।নাবিল দাঁতে দাঁত চেপে সেদিকে এক পলক তাকালো।পরির শরীর দেখে মনে হচ্ছে এখনি টোক্কা দিলে রক্ত ঝড়বে।পরির ফর্সা পায়ের উপর নাবিলের শ্যামলা হাতটা কেমন কালচে দেখা যাচ্ছে। একদম বিচ্ছিরি লাগছে। যেই জেদে নাবিল আরো জোরে চেপে ধরলো,যেনো তার সহ্য হলো না পরির এতো সৌন্দর্য,নাবিল পরির নিষ্পাপ মুখের দিকে তাকিয়ে হাঁসফাঁস করে বললো
_”তোর এই প্রশ্ন করার সাহস কেমনে হইলো, নিজেকে কি আমার গিন্নি ভাবতাছোস?”
পরি শান্ত কন্ঠে বললো
_”না এমনি,জানতে ইচ্ছে করলো।”
_”জাইনা কি করবি?”
পরি নাবিলের দিকে এক পলক তাকাতেই কেমন করে কেপে উঠলো, এমন ভাবে তাকিয়ে আছে যেনো পরিকে চোখ দিয়েই গিলে খাবে।পরি ভয়ে মাথা নিচু করে নিলো, অশান্ত কন্ঠে বললো
_”আপনার ইচ্ছা না হলে বলবেন না,তবু এভাবে তাকাবেন না!”
নাবিল পরির দিকে এক পলক তাকিয়ে ঠোঁট বাঁকিয়ে সুধালো পরপর চাঁপা নিঃশ্বাস ফেলে ভারি কন্ঠে বললো
_”তোর আগে, অনেক মাইয়া আমার জীবনে আইছে গেছে।তবে ওরা শুধু বিছানা পর্যন্তই শোভা পাইছে। কিন্তু তোরে দেইখা যেই তাক লাগছে মনে তা শেষ হবার না।এর লাইগাই তোরে বিয়া করছি, ভাবছিলাম একবার পাইয়া গেলে মন ভইরা যাইবো কিন্তু তোর মতো মাইয়াকে আর ছাড়তে ইচ্ছে করে নাই ফল স্বরুপ তুই এখানে,তোর নাকে হাতে আমার নামের জিনিস শোভা পাইছে।”
পরির শুকনো ঢোক গিলে মৃদু ফুঁপিয়ে উঠলো।কোনো মেয়েই এই সব সহ্য করতে পারবে না।পরি ছলছল চোখে নাবিলের দিকে তাকিয়ে ভাঙ্গা সরে সুধালো
_”তার মানে শুধু সৌন্দর্য, যবে এই দেহ নষ্ট হয়ে যাবে তবেই সব শেষ।আগে যদি জানতাম তাহলে কখনোই এরকম সৌন্দর্য নিয়ে জন্মগ্রণ করতাম না। আল্লাহকে বলতাম আমাকে যাতে দুনিয়ার সব থেকে কুৎসিত মানুষ বানিয়ে পাঠায়।”
নাবিল চেয়ে রইলো তবে উত্তর দিলো না,পরি একটু থেমে ফুঁপিয়ে উঠে বললো
_”ভবিষ্যতে যদি আমার থেকে সুন্দর মেয়ে পান তবে?”
নাবিল কাঠ কাঠ কন্ঠে বললো
_”তবে আর কি? তোরে ছাইরা দিমু। মুক্ত তুই।”
পরি মৃদু ফুঁপিয়ে উঠলো, ঠোঁটে ঠোঁট চেপে বলে উঠলো
_”আচ্ছা আমার সাথে থাকাকালীন কি আপনি অন্য কারো সাথে সম্পর্ক রাখবেন?”
_”কেন,রাখলে তুই কি করবি। ইচ্ছা করলে তোর সামনে অন্য মাইয়া লইয়া শুমু।তাও তোর কিছু বলার বা করার ক্ষমতা আছে নাকি?”
পরির বুকটা কেঁপে উঠলো,অজানা কষ্ট এসে ভর করলো বুকে।সে জানে না অন্য মেয়ে তার জায়গায় থাকলে কি করতো,তবে সে নিরুপায়,নাবিল তো আর তাকে ছেড়ে দেওয়ার পাত্র না যে কঠোর হবে। বরং কঠোর হলে তারি ক্ষতি,তাই তো মেনে নিতে শিখেছে সে,পরি দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে,শুকনো ঢোক গিলে, কাতর কন্ঠে বললো
_”সেটাই তো, আমার আর কি করার।তবে আফসোস হয় আপনার সন্তানের জন্য। পৃথিবীতে এসে যদি সে আপনাকে দেখে, ঘৃনা করার বদলে যদি আপনার করা রাস্তায় পা দেয় তবে? আর যদি সে মেয়ে হয়, ইস্ কত পুরুষ লাগবে ত,,,,”
কথা শেষ হওয়ার আগেই নাবিল এক থাবা মেরে দিলো পরির মুখে,পরি কিছুটা ঝুকে গেলো।নাবিল পরির গাল চেপে ধরলো।পরি চোখ বুজে নিলো,এখন তাকালে আরো ভীত হবে সে।
নাবিল পরির গাল ছেড়ে গাল চেপে ধরে সুধালো
_”মাগি কোনগার,বেশি জবান হইছে? স্যাটা ভাইঙ্গা রাইখা দিমু।একবারে দুই পা ধইরা দুই দিকে টান দিয়া ছিরা ফালামু। আমার লোগে মশকরা চুদাস* ? খানকি কোনগার!”
পরি নাবিলকে ছাড়ানোর চেষ্টা করলো না,তবে চোখের কার্নিশ বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়লো।নাবিল ফোঁস করে নিঃশ্বাস ফেলে করিকে ছেড়ে দিয়ে সরে আসতে চাইলো তবে পরি যেনো আজ মার খেতে উঠে পড়ে লেগেছে।পরি নাবিলকে সরে যেতে দিলো না বরং তার কলার চেপে ধরলো।ভেজা চোখে নাবিলের চোখের দিকে তাকিয়ে কিছুটা চেঁচিয়ে উঠে বললো
_”সত্য কথা বলায় সাওয়া জ্বলে গেলো নাকি।নিজে যা করবেন বাচ্চারা তো তাই শিখবে।যদি আল্লাহ আপনাকে একটা মেয়ে দেয় তবে আপনার মতো ১২ ঘাটে মুখ দিবে।১২ ঘাটে মুখ দেওয়া মানুষকে কি বলে জানেন?ব্যা**! তবে সত্যি বলতে আমার জানা নেই পুরুষদের কি বলে।তারা করলে হয়তোবা নিজেদের বিরপুরুষ ভাবে তবে মেয়েরা করলে ব্য** তাই না?”
নাবিল রেগে ঠাস করে আর একটা থাপ্পর মেরে পরিকে বিছানা থেকে ফেলে দিলো।পরি বিছানা থেকে নিচে পড়ে ব্যথায় কুকিয়ে উঠলো।নাবিল বিছানা থেকে নেমে দাঁড়িয়ে পরির চুল মুঠি চেপে ধরে আর এক থাপ্পর বসিয়ে দিলো।পরি ফুঁপিয়ে উঠলো।নাবিল আবারো আর এক থাপ্পর বসালো।পরি কেমন করে নিঃশ্বাস ফেললো।পরপর নাবিল পরির গলা চেপে ধরলো রাগে হাঁসফাঁস করে বললো
_”কি কইলি তুই,নডির ঘড়ে নডি,কি কইলি, আমার মাইয়া ব্য** হইবো? খানির বাচ্চা,কবর দিয়া ফালায়তে মন চাইতাছে। ইচ্ছা হইতাছে দেওয়ালে এক বারি মাইরা মাথা ফাটায় মাইরা ফেলি।”
পরি উন্মুক্ত পা দুটো এক আর একটার সাথে চেপে ধরে ফুঁপিয়ে উঠলো,পরপর এক হাত পেটের উপর রেখে চোখ মুখ খিচে নিলো।নাবিল মনের ইচ্ছা অপূর্ণ রাখলো না,পরির চুলের মুঠি ধরে ফ্লোরে দিলো এক বারি,পরি আর্তনাদ করে উঠলো,কপালের চামড়া ফেটে হালকা রক্ত বেড় হয়ে আসলো,যা ভুরু আর চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়লো।
তখনি বাইরে থেকে কেউ ডেকে উঠলো
_”ভাই,বাজার নিয়া আইছি,লোগে খাওন,আইয়া একটু দেইখা যান।”
নাবিল সাগরের গলা পেয়ে থেমে গেলো,পরপর ক্লান্ত পরিকে ওখানেই ফেলে রেখে ,বাইরে বেড় হয়ে আসলো।নাবিল বেড় হতেই পরি কপালে হাত চেপে ফুঁপিয়ে উঠলো।পরির সহ্য হচ্ছিলো না নাবিল এরকম মেয়েবাজ।তাই তো সে নাবিলকে একটু জ্ঞান দেওয়ার জন্য,বোঝানোর জন্য যুক্তি দিচ্ছিলো যাতে সে এগুলো ছেরে দেয়,তবে এমন কিছুই হলো না।পরির কষ্টে বুক ফেটে গেলো,এ কার সাথে সংসার করতে চাইলো সে। সব থেকে বেশি আফসোস হলো “সে কেনো এই সব বিষয়ে জানতে চাইলো,যা চলছিলো,যেভাবে চলছিলো সেভাবেই চলতো।”কেনো জানতে চাইলো সে।না জানায় ভালো ছিলো,আসলে মানুষ ঠিকি বলে “কিছু কথা না জানাই উত্তম”
নাবিল নিচে এসে দেখলো তিন জন মিলে ডাল খেচুরি পাকিয়ে বাজার এনেছে।নাবিল দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেললো,পরপর দেখলো অনেক রকমের ফলো এনেছে।
নাবিল ফলের দিকে তাকিয়ে মৃদু কন্ঠে বললো
_”একটা কাম কর,সব ফল একটা একটা কইরা কাইটা নিয়া আয়।তোর ভাবিরে খাওয়ামু। এগুলো খাইলে শরীরে শক্তি হইবো।”
ইমন মাথা ঝুকালো বললো
_”আচ্ছা ভাই, কিন্তু খাওন আনছি,ওইডার কি করমু।”
_”আমার আর তোর ভাবির লাইগা বাইরা রাইখা বাকিটা তোরা খাইয়া ফালা,আর হ্যাঁ কাল পরশু তোর ভাবিরে ডাক্তার দেখাইতে নিয়া যামু। তোরা হেনেই থাকিস,পারলে একটা কাজের লোক দেইখা দিয়ে যাইস।তোগো ভাবি এতো বড় পেট লইয়া কাম করতে পারবো না।বলবি সব কাম যাতে কইরা দিয়া যায়।টাকা নিয়া চিন্তা নাই।”
তিন জনি মাথা ঝুকালো।নাবিল পকেটে হাত গুজে উপরের দিকে যেতে লাগলো,তবে যেতে যেতে আবারো পিছন ফিরে তাকিয়ে বললো
_”দুধ আনছোস?”
ইমন এগিয়ে এসে মৃদু কন্ঠে বললো
_”পাই নাই ভাই,আর আপনিও তো বলেন নাই।”
_”আইচ্ছা সমস্যা নাই,কাল থেইক্কা দুধ রোজ কইরা দিবি, প্রতিদিন বিকালে আর সকালে আইয়া রাতে দুধ দিয়া যায়।তাজা আর গড়ম গড়ম দুধ খাওয়াইতে লাগলো পরিরে।”
আবারো তিন জন মাথা ঝুকালো,নাবিল সিরি বেয়ে এগিয়ে যেতে যেতে বিরবরি করে বললো
_”বেশি বেশি খাওন খাওয়াইতে লাগবো যাতে বেশি বেশি মুখ চালায় আর পার খায়।মাগির মুখের লাইগা কেলানি খায়।”
নাবিল ধীরো পায়ে রুমে ঢুকলো পরপর নজরে পড়লো পরির প্রায় উন্মুক্ত দেহটা গুটিসুটি মেরে ফ্লোরে পড়ে আছে। উঁচু পেটটা যেনো আরো আকর্ষণীয় লাগছে। কেমন গর্ভবতী পুতুল পুতুল লাগছে তাকে।মনে হচ্ছে পেটের ভিতরে আর একটা পুতুল লুকিয়ে আছে।
নাবিল এগিয়ে আসলো, ঝুঁকে পরিকে কোলে তুলে নিলো, জ্ঞান হারায়নি সে তবে চুপচাপ মারার মতো পড়ে ছিলো।নাবিল পরিকে স্পর্শ করতে পরির রাগে শরীর ফেটে গেলো, কান্না পেলো প্রচুর, চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা করলো
“ছাড়ুন আমাকে,আপনি ভুলেও আমাকে স্পর্শ করবেন না, জঘন্য মানুষ কোথাকার।”
তবে বলতে পারলো না পরি,সেই অধিকার তার নেই।তবে কিশোরী বয়েস কথা মনে পড়লো পরির,আগে ভাবলো তার যখন একটা বর হবে তখন সে কথায় কথায় গাল ফুলাবে, অভিমান করবে আর তার বর তার রাগ ভাঙ্গাবে তবে আফসোস মুখ দিয়ে টু শব্দ বেড় করার অধিকারো তার নেই।
নাবিল পরিকে বিছানায় শুয়ে দিতে দিতে বললো
_”হুদাই জাওরা মুখটা চালাস,মাথা খাটাইয়া সাওয়ার পেচাল পাড়োস আর আমার হাতে ঘায়গুতা খাস।”
পরি মৃদু ফুঁপিয়ে উঠলো,নাবিল ঘড় খুঁজে কিছু মলম পট্টি বেড় করলো, অতঃপর পরির কপাল আস্তে আস্তে পরিষ্কার করে দিতে লাগলো।পরি মনের দুঃখে কেঁদে উঠলো।নাবলি কান্না শুনে বিরক্ত হয়ে বললো
_”স্যাটা ভাঙ্গা মুখটা বন্ধ রাখ খানকি।পারলে বোবা হইয়া যা,না হইলে আমার মাথা গড়ম হইয়া গেলে তুই একা নাকি দুকা হেডা কিছু দেখমু না।”
পরি কেলানি গেয়েও কাঁদতে কাঁদতে বলে উঠলো
_”আপনি ভালো হয়ে যান।”
নাবিল পরির মুখে ঠুয়া মারলো ,পরি চুপ হয়ে গেলো,নাবিল হাঁসফাঁস করে সুধালো
_”কইছি না মুখটা বন্ধ রাখবি,নিজের ভালা চাস তো জবানটা অফ রাখবি।”
মানুষের মনে লোভ ভরা,এই যে মানুষ একটু পেলে আর একটু চায়।মন যেনো ভরতেই চায় না, ঠিক তেমনি হচ্ছে আরহামের সাথে।ভেবেছিলো অন্ততপক্ষে সপ্তাহ খানিক বউটাকে বিশ্রাম নিতে দিবে,তবে যখনি নুবা দিন পেরোতেও হেঁটে চলতে শুরু করলো তখনি রাত হতেই আরহামের মনটা আনচান করে উঠলো।
নুবা পেটে Hot ব্যাগ চেপে শুয়ে আছে,আয়রা যেই কখন ধরে শুয়ে শুয়ে বুকের দুধ টানছে।আর আরহাম পিছন থেকে তার বউকে জরিয়ে ধরে মেয়ের মতো এখানে ওখানে দাঁত বসাচ্ছে ।নুবা বারবরা কুনুই দিয়ে আরহামকে ঠেলে সাবধান করছে যে সে ব্যথা পাচ্ছে।
কিছুটা সময় এভাবেই কেটে গেলো,একটু পর নুবা কিছুটা ব্যথাতুর কন্ঠে বললো
_”আয়রার আব্বু।”
_”হুম”
আরহাম ছোট্ট করে উত্তর দিলো,নুবা কিছুটা আরহামের দিকে ঘুরে বললো
_”আমার না পা দুটো খুব ব্যথা করছে,একটু টিপে দিবেন?”
আরহাম মাথা উঁচু করে নুবার দিকে তাকিয়ে ভুরু কুঁচকে সুধালো
_”কি?”
নুবাও ভুরু কুঁচকে বললো
_”কি মানে কি? শুনলেন না কি বল্লাম, পিরিয়ডের কারনে মাজা সহ তলপেট ব্যাথা করছে,সাথে মাথাটাও ধরে গিয়েছে।এখন হঠাৎ করেই পা দুটোও ব্যাথা করছে,একটু টিপে দেন।”
আরহাম জোরপূর্বক হেঁসে,চোখ টিপটিপ করে বলে উঠলো
_”আচ্ছা তোমার কি কখনো বুক ব্যথা করে না?”
নুবা বুঝতে না পেরে কিছুটা প্রশ্ন করে বললো
_”মানে?”
আরহাম জিভ দিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে মুচকি হেসে নুবার দিকে চোখ উল্টে তাকালো ,পরপর এক দু আঙ্গুল করে নুবার বুকের দিকে এগিয়ে দিতে দিতে সুধালো
_”ইয়ে মানে,একটু টিপে দিতাম আরকি।”
কথাটা শুনে নুবা সবটা বুঝে গেলো,আরহামকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলো, মুখ বাঁকিয়ে বিরবরি করে বললো
_”ইস্ কি সখ? অসভ্য লোক কোথাকার। এখন জাওরামি না করে, পারলে আমার পা দুটো টিপে দিন।”
আরহাম কি বউয়ের কথা ফেলতে পারে,সে উঠে বসলো,পরপর নুবার পায়ের কাছে যেয়ে বসলো,নুবা ফট করে দুই পা আরহামের কোলে তুলে দিলো। আরহাম মুচকি হেসে নুবার পা দুটো সদরে কোলে তুলে নিলো,পরপর নুবার পা আলতো হাতে টিপে দিতে লাগলো।
নুবা যেনো শান্তি পেলো,একটু ঘুমানোর প্রস্তুতি নিলো সে তবে এদিক আরহাম হঠাৎ করেই ঠোঁটে দাঁত চেপে নুবার প্লাজুর ভিতর দিয়ে হাত আস্তে আস্তে উপরে দিয়ে উঠাতে লাগলো, আরহামের আঙ্গুল গুলো যে হাটুর উপরে উঠতে চাইছে টের পেলো নুবা, কিছুটা নড়েচড়ে উঠলো নুবা, শান্ত কন্ঠে বললো
_”একটু শান্তি দিবেন আপনি?”
_”না”
বলেই নুবার পায়ে হাত বুলিয়ে দিলো,নুবার পায়ে সুরসুরি লাগলো।নুবা বালিশে মুখ চেপে খিলখিল করে হেসে উঠলো ,কোনো মতে হাসি আটকে বললো
_”মেয়ে উঠে যাবে তো।”
আরহাম নুবাকে ছেড়ে দিলো,পরপর নুবার দুই পায়ের নুপূর হাত দিয়ে ছুঁয়ে মুচকি হাসলো,একটু সময় নিয়ে নুবার দুই পা এক সাথে তার পায়ের আঙ্গুলে চুমু খেলো। আরামের এরকম একটা রোমান্টিক মনভাবের ভিতরে নুবা খিলখিল করে হেসে উঠে বললো
_”একটু আগে মেয়ের মুতু পা দিয়ে পাড়িয়েছি ,আবার মিনিট খানিক আগেই ওয়াশ রুম থেকে এসেছি,পাও ধুইনি,ছি ছি,কি করলেন এটা?”
নুবার কথায় আরহাম নাক ছিটকালো,পরপর দুই পা ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে, বমির ভ্যান করে নাক চিবে ধরে বলে উঠলো
_”ছি,কার সাথে বসবাস করছি।একটা কথা বললি তুই?”
নুবা আরহামের কুঁচকানো মুখ দেখে খিলখিল করে হেসে উঠে সুধালো
_”আমি মজা করছি!হাহাহা!”
নাবিল ফলের প্লেট নিয়ে রুমে প্রবেশ করে দেখলো পরি দুই পা বুকের সাথে ঠেকিয়ে কুঁজো হয়ে শুয়ে আছে।নাবিলের ভুরু কুঁচকে গেলো এগিয়ে যেয়ে বিছানার পাশে ফলের প্লেট রেখে কর্কশ শব্দে বলে উঠলো
_”এমনে কুজা হইয়া শুইয়া আছোস কেন? পেটডারে কি মারতে চাইতাছোস?”
পরি সবটা শুনেও চুপচাপ শুয়ে রইলো,তখন বিছানা থেকে পড়ে যাওয়ার ফলে পেটের ভিতরে চিনচিন করছে ফল স্বরুপ সে এভাবে শুয়ে আছে।নাবিল এগিয়ে যেয়ে পরির বাহু ধরে ঠেলা দিয়ে সুধালো
_”ঠিক মতো শোস না মাগি? তুইলা কিছু একটা আছার মারমু।”
পরি চেপে রাখা নিঃশ্বাস ফেলে আস্তে আস্তে সোজা হয়ে শুয়ে পড়লো।নাবিল পাশে বসে পরির বাহু ধরে টেনে উঠিয়ে বললো
_”উঠ,উইঠা ফল গুলা খাইয়া নে।”
পরি চুপ রইলো,নাবিল পরিকে হেলামি করতে দেখে ভুরু কুঁচকে বললো
_”কথা শুনোস না নাকি? বয়রা হইয়া গেছোস?”
পরি ক্লান্ত কন্ঠে বলে উঠলো
_”খাবো না।”
ব্যস কথাটা বলতে দেরি,তবে নাবিলের একশন নিতে দেরি হয়নি, নাবিল তেতে উঠলো
_”কি কইলি?”
পরির নাবিলের কঠিন কন্ঠে শুনে আর তার মুখের দিকে তাকাতে পারলো না। বরং সে এক হাত বাড়িয়ে প্লেট থেকে আপেল তুলে মুখে দিলো।
নাবিল চেপে রাখা নিঃশ্বাস ফেলে পরির দিকে এক পলক তাকিয়ে বেশ শান্ত কন্ঠে বললো
_”পেট চাইপা রাখছসো কেন? কি হইছে?”
পরির কন্ঠ ভেঙ্গে আসলো, প্রশ্ন শুনে চোখ গড়িয়ে পানি পড়লো।মুখের আপেল চিবাতে চিবাতে ফুঁপিয়ে উঠে কাতর কন্ঠে বললো
_”আরো বেশি করে ধাক্কা দিয়ে এখান থেকে ওখান থেকে ফেলে দিবেন।পরের বার যাতে উল্টে পরি আর ওখানেই মরে যাই।”
নাবিল টের পেলো বিছানা থেকে পড়ে যেয়ে নিশ্চয় পেটে ব্যাথা পেয়েছে,নাবিল দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে পরির পেটে হাত রেখে আঙ্গুল বুলিয়ে দিতে দিতে বললো
_”বেশি জবান চালাস তো পার খাওয়ার জন্যই ।না খাইলে কি তোর শান্তি হয় নাকি। আচুদা কথা বার্তা কস আর ঘাই গুতা খাস।নিজের ভালা চাইলে চুপ থাকবি। কারণ যহন আমার মাথা গড়ম হইবো তখন আমি মনে রাখমু না তুই কে বা তোর পেটে কার রক্ত আছে। একদম তুইলা এক আছার মারমু।”
পরি আর কিছু বললো না,মুখ এঁটে চুপ রইলো তবু মন আর মস্তিষ্কে হাজারো কথা ঘুরেই যাচ্ছে।নাবিল চুপসে যাওয়া পরির দিকে তাকিয়ে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেললো।পরির জন্য মায়া না হলেও পেটের টার জন্য মায়া হলো,হবেই না কেন? তার শরীরের অংশ যে।নাবিল ফোঁস করে নিঃশ্বাস ফেলে কাঠকাঠ কন্ঠে বলে উঠলো
_”কাল তোরে ডাক্তারের কাছে নিয়া যামু।যা সমস্যা হয় সব ডাক্তারের কাছে খুইলা বলবি।”
পরি মুখটা কেমন ছটছট করে উঠলো,এটাই বলতে যে”সব থেকে বড় সমস্যা তো আপনি, আপনার কারনেই সব সমস্যা হয়,আদেও কি doctor এই সমস্যা সমাধান করতে পারবে?”
তবে মুখে কিছু বলতে পারলো না পরি।এখন বললে যদি আবারো ঘায়ে হাত তুলে।তবে নাবিল বেশ চতুর কারণ যখনি মারে তখনি মুখ,পিঠ না হয় গলা,পেটে ভুলেও আঘাত করবে না।তবু সে বুঝে না পরির সমস্যা হলে যে তার সন্তানেরো সমস্যা হবে।
নাবিল পাশ থেকে পাতলা খেতা নিয়ে পরির শরীরের উপর দিয়ে দিলো। কারণ পরির অর্ধ নগ্ন শরীর বারবার নাবিলের চোখে এসে বিঁধছে।পরি চোখ তুলে এক পলক নাবিলের দিকে তাকিয়ে আবারো খাবারে মনোযোগ দিলো।
নাবিল পরির গালের দিকে তাকালো, কেমন লাল হয়ে রক্ত জমে গেছে।সাথে কিছুটা ফুলেও গেছে।নাবিল পরির গালের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেললো। এদিকে পরি পাতলা খেতার নিচ থেকে নিজের পায়ের পাতা কিছুটা বেড় করে দিলো। কারণ কনসিভ করার পর থেকেই তার পায়ের তলা কেমন জ্বলে,তার উপর কিছু দিলে আরো জ্বলতে থাকে।
পরিকে মুচরাতে দেখে নাবিল তার পায়ের দিকে তাকালো। সাথে সাথে নাবিলের কুঁচকে যাওয়া ভুরু দুটো স্বাভাবিক হয়ে গেলো।পরির চিকোন দুধে আলতা ফর্সা পা দুটো এভাবে blanket এর নিচ থেকে বেড় হয়ে আসলো যেনো কোনো নবজাতক শিশুর পা। পুতুলের মতো পায়ের পাতা দুটোর নিচে লাল টকটক করছে।যেনো একটু টোকা মারলেই রক্ত গড়িয়ে পড়বে।নক গুলোও হালকা গোলাপি হয়ে আছে,আর পায়ের আঙ্গুল গুলোর কথা তো বাদি দিলো নাবিল।তবে আশ্চর্য এই সুন্দর পখ দুটোয় কিছুই নেই। কেমন শুকনো মরুভূমির মনে হচ্ছে,একটু পানি থাকলে মন্দ হয় না!/
নাবিলকে এভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে পরি আবারো পা দুটো blanket এর ভিতরে ঢুকিয়ে নিলো।নাবিলের ভুরু আবারো কুকচে গেলো তবে কিছু বললো না বরং পরির লাল গালে আঙ্গুল ছুঁইয়ে দিলো। হয়তোবা একটু আদর করে দিলো।
আরহাম নুবার পা জরিয়ে ধরে আয়রার মতো ক্ষুত ক্ষুত করেছে। এদিকে নুবা সবটা শুনেও মুখের উপর blanket টেনে শুয়ে আছে। আরহাম নুবার পা দুলিয়ে বিরবির করে বললো
_”ও বউ,বউরে?”
_”হুম ।”
_”নুবু?”
_”হুম শুনছি।”
_”আয়রার আম্মু?”
_”আরে শুনছি তো বাল!”
_”নুবা,নুবারে?”
নুবা এবার সত্যিই বিরক্ত হয়ে গেলো,মুখের উপর থেকে blanket সরিয়ে কেটকেট করে সুধালো।
_”কানে কম শোনা ধরেছেন নাকি? কতবার জবাব নিলাম?”
আরহাম একবার নুবার দিকে তাকিয়ে আদুরে কন্ঠে বলে উঠলো
_”এখনো কয়দিন বাকি?”
নুবা আবারো বালিশে মাথা ঠেকিয়ে বললো
_”কিসের কয়দিন?”
আরহাম মুচকি হাসলো,পা দুটো দুই হাত দিয়ে বুকের সাথে জরিয়ে ধরে মৃদু কন্ঠে বললো
_”তুমি জানো না কিসের কয়দিন?”
আরহামের কথা শুনে নুবা উপর দিকে ভুরু কুঁচকে তাকিয়ে ভাবলো কিসের কথা বলছে পরপর কিছু মনে পড়তেই ঠোঁট বাঁকিয়ে সুধালো
_”কেন,এতো জানতে হবে কেন, শয়তানে খোঁচা মারছে নাকি আপনাকে।”
_”আরে বলো না?”
_”আপনি জানেন না বুঝি?”
আরহাম আঙ্গুল টেনে হিসাব লাগিয়ে সুধালো
_”এখনো ৫/৬ দিন,ঠিক তো ?”
_”হুম।”
এখনো সপ্তাহ খানিক আবারো বাসর করার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ভেবেই আরহামের মস্তিষ্ক প্রায় অচল হয়ে গেলো।বউ এর পা জরিয়ে ধরে কাঁদো কাঁদো কন্ঠে বললো
_”কি লোভ লাগাইলিরে বোইন,এখন তো দেখি মনে হচ্ছে নিঃশ্বাস না নিতে পেরে মরেই যাবো।”
নুবা আরহামের কথায় কিছু সময় চুপ থেকে মুখ বাঁকিয়ে সুধালো
_”এমন ভাব করছেন যেনো এটাই আপনার প্রথম ছিলো।এর আগে কতোবারি না এই সব করেছেন।এমনক এক বাচ্চার বাপো হয়েছেন।তাও ঢং দেখলে বাঁচি না। নিজেকে শুদ্ধ পুরুষ ভেবে বসে আছেন নাকি?”
নুবার কথায় আরহামের মুখটা চুপসে গেলো, পাংশুটে মুখ নিয়ে নুবার দিকে তাকিয়ে মৃদু কন্ঠে বলে উঠলো
_”তুই কি আমাকে খোঁচা মেরে কথাটা বললি।কোনো ভাবে তুই আমাকে ভার্জিনিটি নিয়ে খোটা দিলি না তো?”
নুবা আরামের চুপসে যাওয়া কন্ঠ শুনে মিটমিট করে হেসে বললো
_”হ্যাঁ দিলাম, মিথ্যা তো কিছু বলিনি তাই না।আপনি যে used এটা সবাই জানে।”
আরহাম কিছুটা তেতে উঠলো ,নুবা আরহামকে তেতে উঠতে দেখে বেশ মজা পেলো ,আরহামের বুকে পায়ের আঙ্গুল বুলিয়ে দিতে দিতে মিটমিট করে হেসে আবারো বলে উঠলো
_”তবে আমি একদম ইনটেক,আপনিই উদ্ভাবন করেছেন ,তাই জন্য লোভ তো একটু হবেই কচি খুকি পেয়েছেন।এই বয়সে এসেও আমার মতো sweet 16th girl পেয়েছেন। আপনার কপাল তো রাজ কপালরে আয়রার পাপা।আপনি একদম সঠিক জায়গায় কোপ মেরেছেন।এক তিরে দুই নিশানা,মেয়ের মা”ও পেলেন আবার একটা তরতাজা বউ”ও পেলেন।”
কথা শেষ করে মিচকে শয়তানের মতো হাসলো নুবা।
আরহাম নুবার মিটমিট হাসির শব্দ শুনে তেতে উঠে বললো
_”তবে রে, আজকে তোকে,,,,”
বলতে বলতে আরহাম হাঁটুর সাহায্যে অর্ধ উঠে দাঁড়িয়ে নুবার দিকে ঝাঁপিয়ে পড়তে নিলো তবে নুবা তাড়াতাড়ি করে তার বাম পা আরহামের বাম বুকে বাঁধিয়ে দিলো।পা দিয়ে ঠেস দেওয়ায় নুবার আর ওখানেই আঁটকে গেলো আর এগোতে পারলো না। আরহাম এক পলক নুবার পায়ের দিকে তাকিয়ে আবারো এগিয়ে যেতে চাইলো তবে আফসোস নুবা শব্দ করে হেসে উঠে আবারো তাকে পা দিয়ে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিতে চাইলো।৩/৪ বার এরকম হওয়ায় আরহাম এবার এক হাত দিয়ে নুবা পা বুক থেকে সরিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লো নুবার উপর।নুবা চোখ মুখ খিচে নিলো।
আরহাম নুবার শরীরের উপর নিজের ভর ছেড়ে দিয়ে বিরবির করে বললো
_”কি বললি তুই?”
নুবা মিটমিট করে আরহামের চুপসে যাওয়া মুখের দিকে তাকিয়ে বিরবির করে বলে উঠলো
_”মেয়ে উঠে যাবে, কাঁচা ঘুম ভেঙ্গে গেলে কান্নাকাটি শুরু করবে।সরুন!”
আরহাম নুবাকে হাসতে দেখে গলায় মুখ গুজে দিলো,পরপর শীতল বরফের মতো কন্ঠে বললো
_”অনেক ফাজিল হয়ে গেছেন আপনি, আমাকে একটুও ভয় পান না।দিনদিন নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছেন।”
নুবার আরহামের কথায় ঠোঁটে ঠোঁট চেপে ফিসফিস করে বললো
_”আমার সীমাবদ্ধতা আপনি পর্যন্তই। আপনার সাথেই উড়বো আমি তবে আমার লাটাই সবসময় আপনার হাতেই থাকবে।একটু দূরে চলে গেলেই এক টানে কাছে নিয়ে আসবেন।তবে বেশি টানাটানি করার দরকার নেই যদি সুতো ছিরে যায় তখন?তবে আমি সবসময় আপনিতেই সীমাবদ্ধ থাকবো। আপনার এই বুকে হাত,পা,মাথা,সবি ঠেসে ধরার অধিকার আমার আছে।আর আমি সেটাই করবো।”
নুবার কথায় আরহাম মুচকি হাসলো,নুবার গলায় ঠোঁট স্লাইড করে মৃদু কন্ঠে সুধালো।
_”একটা ছিরে গেলে আর একটা দিয়ে পেঁচ দিবো তবু হাত ছাড়া হতে দেওয়া যাবে না।”
সকাল ১০ টা নাগাত বাজতেই নাবিল পরিকে নিয়ে রেডি হতে লাগলো হসপিটালে যাবে। সাগরকে দিয়ে কিছু জামা কাপড় ওই বাড়ি থেকে এনেছে। পরি সকালে ফ্রেশ হয়ে হালকা খাবার খেয়ে নিলো।পড়লে তার সুতির সবুজ রঙ্গা থ্রিপিস।নাবিল রেডি হয়ে এক পলক পরির দিকে এগিয়ে এসে বললো
_”চল।”
পরি নাবিলের দিকে ফিরে তাকালো,নাবিল পরির দিকে এক পলক তাকিয়ে ভুরু কুঁচকে নিলো। কারণ পরির উঁচু পেট থ্রিপিসের উপর দিয়ে উঁকি মারছে।ফল স্বরুপ বোঝা যাচ্ছে তার ৬ মাসের উঁচু পেট।
নাবিলের বিষয়টা ভালো লাগলো না তাই পরির বুকের ওরনা টেনে পেটের উপর দিতে দিতে বললো
নীরব উন্মাদনা দ্বিতীয় খন্ড পর্ব ১১
_”মা বলছিলো আর মাস খানিক গেলে তোরে মেকসি বানায় দিতে। কিন্তু কিসের কথা কইলো বুঝালাম না।”
পরি এক পলক নাবিলের দিকে তাকিয়ে মৃদু কন্ঠে বললো
_”গোল জামার মতো,, অনেক ঢিলা, পড়লে পেট বোঝা যায় না।সাথে পড়ে শান্তিও লাগে।ওর সাথে ছায়া পড়তে হয়।”
নাবিল ওরনার এক পাশ দিয়ে _
