Home অবাধ্য হৃদয় অবাধ্য হৃদয় পর্ব ৯

অবাধ্য হৃদয় পর্ব ৯

অবাধ্য হৃদয় পর্ব ৯
নুরিয়া ইসলাম

USC ক্যাম্পাস,
ইনায়া ক্যাম্পাসের ভেতরে প্রবেশ করেই সরাসরি প্রিন্সিপালের কেবিনের সামনে এসে দাঁড়াল।
প্রিন্সিপাল তাকে দেখে জিজ্ঞেসা করলো,
“তুমি এখানে কী করছো ?কোন সমস্যা হয়েছে কী?তোমার নাম কী?কোন ইয়ার তুমি। ”
ইনায়া শান্ত গলায় উত্তর দিল,
“ম্যাম, আমি ইনায়া শেখ। ফাস্ট ইয়ার। আমার ইয়ারের অলিভিয়া ও তার বন্ধুরা এবং আমার সিনিয়র এরিক অ্যাসফোর্ড ও তার ফ্যানগার্লেরা প্রতিনিয়ত আমাকে হেনস্তা করছে।”
প্রিন্সিপাল বিস্মিত হয়ে বললেন,

“এই মেয়ে, তুমি জানো কাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছো? তারা এই ইউনিভার্সিটির মালিকের ছেলে-মেয়ে। নিজের বিপদ ডেকে আনো না।”
ইনায়া দৃঢ় কণ্ঠে বলল,
“ম্যাম, আমি সত্যের পক্ষে দাঁড়াতে ভয় পাই না। অন্যায় যেই করুক, আমি প্রতিবাদ করব। আমার আদর্শ আমাকে অন্যায়ের সামনে মাথা নত করতে শেখায়নি। আমি ন্যায়বিচার চাই।”
প্রিন্সিপাল গম্ভীর হয়ে বললেন,
“তুমি আগুন নিয়ে খেলছো, এর ফল ভালো হবে না।”
ইনায়া আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে বলল,
“ম্যাম, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে গিয়ে যদি আমাকে পুড়তেও হয়, আমি তাতেও রাজি। কারণ, অন্যায়ের সামনে চুপ থাকা মানে নিজেকেই ছোট করা। আমি কখনো নিজের ব্যক্তিত্বকে কারো সামনে ছোট করতে চাই না। আমি শুধু আপনার কাছে ন্যায়বিচার চাইতে এসেছি।”
প্রিন্সিপাল একটু নরম হয়ে বললেন,

আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন

“তুমি খুব সাহসী মেয়ে, ইনায়া। তবুও, কিছু কিছু ক্ষেত্রে জেদ না দেখানো ভালো। তারপরও আমি বিষয়টা খতিয়ে দেখবো।”
এই বলে তিনি পিয়নকে ডেকে বললেন,
“ ফাস্ট ইয়ারের সব ছেলে-মেয়েকে এখানে হাজির করো।”
পিয়ন মাথা নেড়ে সম্মতি জানিয়ে দ্রুত বেরিয়ে গেল।
কিছুক্ষণের মধ্যেই অলিভিয়াসহ সব ক্লাসমেটদের প্রিন্সিপাল বড় মিটিং রুমে ডাকলেন।
রুমে স্যার-ম্যাডাম সবাই উপস্থিত ছিলেন।
প্রিন্সিপাল বললেন, “তোমাদের মধ্যে কেউ কি ইনায়ার অভিযোগ সম্পর্কে কিছু বলতে চাও?
কে কে এরিক, অলিভিয়া ও তাদের গ্রুপের সাথে ছিল? কেউ কি সত্যি ঘটনা জানো?
এখানে কেউ কি ইনায়ার অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করবে, নাকি কেউ কিছু দেখোনি?”
অলিভিয়া সবার দিকে ইশারা করতেই, সবাই একসাথে বলে উঠল, “ম্যাম, আমরা এই মেয়েটার সাথে ক্লাস করতে চাই না।”
প্রিন্সিপাল অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন,

“কেন, কী সমস্যা ওর সাথে ক্লাস করতে?”
তাদের মধ্যে একজন ছাত্রী বলল,
“ম্যাম, ও আমাদের মতো না। সবসময় হিজাব পরে থাকে, ওর আচরণও আলাদা, ওকে সবার থেকে আলাদা লাগে।”
আরেকজন বলে উঠলো ,
“ম্যাম, ওর ধর্মীয় রীতি-নীতি আমাদের অস্বস্তি দেয়।”
সবাই একসাথে বলে উঠল,

ম্যাম,ওকে দেখলে আমাদের ভয় হয় ও যদি আমাদের ক্ষতি করে।
সোশ্যাল মিডিয়াতে তো ওদের নিয়ে অনেক কিছু শোনা যায়। ওদের সবাইকে সন্দেহের চোখে দেখা হয়।
সোশ্যাল মিডিয়াতে তো দেখায়, মুসলিমরা নাকি সবসময় ভায়োলেন্স ছড়ায়, দাঙ্গা বাঁধায়।
এই রকম মানুষের সাথে আমরা কীভাবে থাকবো ও নিজেও তো ওর শরীর ঢেকে রাখে।
নিজের ধর্ম নিয়ে এমন কটূক্তি শুনে ইনায়া আর চুপ থাকতে পারে না।
আল্লাহ তাকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলার সাহস দিয়েছেন।
সে সবার দিকে দৃঢ় দৃষ্টিতে তাকিয়ে স্পষ্ট কণ্ঠে বলে,

“তোমরা কোন সহিংসতার কথা বলছো? ইসরায়েলের মতো সহিংসতা?
যারা দিনের পর দিন বিনা কারণে ফিলিস্তিনি শিশু-মহিলাদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে?
তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে, তাদের পুরো বাসভূমিকে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছে?
কী দোষ ওই নিষ্পাপ শিশুদের, যাদের ইসরায়েল হত্যা করছে।তাও আবার তোমাদের সমর্থনে?
এতকিছুর পরেও তোমাদের দেশের সোশ্যাল মিডিয়া ইসলামকে টেরোরিস্ট প্রমাণ করতে ব্যস্ত, আর ইসরায়েলকে শান্তিপ্রিয় রাষ্ট্র হিসেবে দেখায়।
কোথায় তোমাদের মানবাধিকার সংস্থা? ফিলিস্তিনিদের পাশে তো কাউকে দাঁড়াতে দেখলাম না!
শুধুমাত্র তারা মুসলিম বলেই কি তাদের কান্না, তাদের কষ্ট, কারও চোখে পড়ে না?”
ইনায়া সবার দিকে তাকিয়ে বলল,

“তোমাদের পশ্চিমা মিডিয়ার মতে, ইসরায়েলের নাকি নিজেদের ডিফেন্স করার অধিকার আছে।
কিন্তু একই কাজ যদি কোনো মুসলিম করে, তখনই তোমাদের মিডিয়া তাকে টেরোরিস্ট বলে গলা ফাটায়।
ইসরায়েলের বেলায় সবাই চুপ, অথচ মুসলিমদের বেলায় মিডিয়া ফেনা তুলে ফেলে।
বলতে পারো কেন এই দ্বিমুখী আচরণ? আছে তোমাদের কাছে কোনো জবাব?”
ইনায়ার কথা শুনে অলিভিয়া তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে বলে,
ISIS সম্পর্কে তোমার মতামত কী ইনায়া।
আমরা শুনেছি, ISIS নামে এক উগ্র জঙ্গি সংগঠন আছে, যারা ২০১৪ সালে ইরাক-সিরিয়ার বড় অংশ দখল করে ‘খিলাফত’ ঘোষণা করেছিল।
তারা নিরীহ মানুষ হত্যা, শিরচ্ছেদ, নারী পাচার, সন্ত্রাসী হামলা সব করেছিল।
ইনায়া শান্ত অথচ দৃঢ় কণ্ঠে বলল,

“অলিভিয়া, আমি জানতাম তুমি এই প্রশ্নটা করবে। তার আগে তুমি আমার কিছু প্রশ্নের জবাব দাও তো—
১. কে ৩.৫ মিলিয়ন মানুষকে ভিয়েতনামে হত্যা করেছিল? এটা কি মুসলিমরা করেছিল?
২. কে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু করেছিল?
৩. কে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু করেছিল?
৪. কে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করেছিল?
৫. কে ইরাকে লক্ষ লক্ষ মানুষ হত্যা করেছিল?
এসব কি মুসলিমরা করেছিল?
তোমাদের ভাষ্যমতে তো মুসলিমরা টেরোরিস্ট তাহলে কী এই কাজগুলো মুসলিমরা করেছিল?”
ইনায়ার প্রশ্ন শুনে পুরো রুমে নিস্তব্ধতা নেমে আসে।
সবাই মাথা নিচু করে থাকে, কারণ সত্যটা কারও অজানা নয়। এই ইতিহাসের পেছনে মুসলিমরা দায়ী নয়।
ইনায়া আবার বলল,

“আমি দাবি করছি না, আমার ধর্মের সব মানুষ ভালো। ভালো-খারাপ মিলিয়েই তো পৃথিবী।
সব ধর্মেই খারাপ মানুষ আছে, যারা সত্যিকারের ধর্মীয় মূল্যবোধ থেকে বিচ্যুত।
কোনো ধর্মই মানুষকে খারাপ হতে শেখায় না। তাহলে কেনো সবসময় ধর্মকে দোষারোপ করা হয়?”
“ISIS-এর মতো জঙ্গি সংগঠন ইসলামের নামে ভয়ংকর কাজ করে,
কিন্তু ইসলাম কোথাও বলে না, দাঙ্গা সৃষ্টি করো বা নিরীহ মানুষকে হত্যা করো।
তাদের কাজ ইসলামের সম্পূর্ণ বিরুদ্ধে তারা নিজেদের স্বার্থে ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা দেয়।
ইসলাম শান্তির ধর্ম, সন্ত্রাস বা সহিংসতার কোনো স্থান এখানে নেই।”
“তাহলে কেন শুধু মুসলিমদের টেরোরিস্ট বলা হয়?
তোমাদের দেশের মানুষেরা পারমাণবিক বোমা বানিয়েছে, ভিয়েতনামে লাখ লাখ মানুষ হত্যা করেছে। তাহলে তোমরা নিজেদের টেরোরিস্ট বলো না কেন?”
সবাই তখনো নিশ্চুপ হয়ে থাকে।
ইনায়া একটা তাচ্ছিল্যের হাসি দিয়ে বলল,

“অন্যের দিকে আঙুল তোলার আগে একবার নিজেদের দিকে তাকাও জবাব পেয়ে যাবে।”
এই কথা বলে সে নিজের ব্যাগ কাঁধে নিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে যায়।
এরিক সিসিটিভি ফুটেজে মিটিং রুমের পুরো ঘটনা দেখছিলো।
ইনায়ার সাহস দেখে তার চোখে এক মুহূর্তের জন্য মুগ্ধতা ফুটে ওঠে,
কিন্তু পরক্ষণেই মুখে ঠান্ডা, এক নির্লিপ্ত ভাব ফুটে উঠে, নিজের মনে বলে সে,
“Brave girl… but in this world, bravery means nothing without power.”

ইনায়া ক্যাম্পাস থেকে ক্লাসরুমে ফিরছিল। হঠাৎ তার কানে এলো ‘Unholy’ গানের কিছু লাইন।এই অচেনা সুরটা টেনে নিল তাকে মিউজিক রুমের দিকে। দরজাটা আলতো করে ঠেলে দেখল, এরিক গিটার হাতে সেই গান গাইছে।
ইনায়া বিরক্ত মুখে ফিসফিস করে বলল,
“আমার আগেই বোঝা উচিত ছিল এমন অসভ্য গান, অসভ্য লোকের মুখ ছাড়া আর কারো মুখ থেকে বেরোতে পারে না।”
এই বলে সে দরজা ভিড়িয়ে বেরিয়ে যেতে নিলে, এরিক গম্ভীর গলায় ডেকে উঠল,
“বেবিগার্ল।”
এরিকের ডাক শুনে ইনায়া থমকে দাঁড়াল। ভেতরে ভেতরে জানে, এবার এই ছেলেটা নিশ্চয়ই তাকে কটাক্ষ করবে।
এরিক ঠোঁটে বাঁকা হাসি টেনে বলল,
“বেবিগার্ল, আমার গান তোমার এত ভালো লেগেছে যে দরজার পাশে দাঁড়িয়ে শুনছিলে!”
ইনায়া চোখ রাঙিয়ে জবাব দিল,

“ভালো লেগেছে না ছাই! এই বাজে গান তো শুধু আপনার মতো বেয়াদবের মুখেই মানায়।
ভদ্র মানুষেরা এসব গায় না, বুঝলেন Mr. Uncouth Bad Boy!”
এরিক রেগে গিয়ে ইনায়ার দিকে হাত বাড়াতেই,
ইনায়া টেবিলের ওপর রাখা পেপারওয়েটটা তুলে শাসিয়ে বলল,
“একদম ছুঁবেন না! নাহলে এই পেপারওয়েট দিয়ে আপনার মাথা ফাটিয়ে দেবো।”
এরিক ইনায়ার এই কাণ্ড দেখে হেসে ফিসফিস করে বলল,
“Wow, so violent! তুমি তো দেখি angel না, pure little devil।”
এরপর ইনায়ার কাছে এসে নিচু গলায় ফিসফিস করে বললো,
“Don’t threaten me, বেবিগার্ল।
তুমি যা পারো, আমি তার থেকেও খারাপ পারি।
বলেই এরিক আবার গিটার তুলে গাইতে লাগল,

A lucky, lucky girl She got married to a boy like you She’d kick you out if she ever, ever knew ‘Bout all the **** you tell me that you do Dirty, dirty boy You know everyone is talkin’ on the scene I hear them whisperin’ ’bout the places that you’ve been And how you don’t know how to keep your business clean
এরিকের গান শুনে ইনায়া বিরক্ত হয়ে মনে মনে বলল,
“আস্তাগফিরুল্লাহ! এই ছেলেটা তো একেবারে বেহায়া। এসব গান গেয়ে নিজেকে কী ভাবে, কে জানে!”
তারপর সেইখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় এরিকের দিকে তাকিয়ে বললো,
“এইসব বাজে গান গেয়ে নিজেকে কুল ভাবেন, Mr. Bad Boy? খুব pathetic লাগে আপনাকে।
“আল্লাহ, আপনাকে একটু হেদায়েত দিক।”
এই বলেই ইনায়া জোরে দরজা লাগিয়ে সেইখান থেকে বেরিয়ে গেল।
ইনায়া চলে যেতেই, এরিক গিটারটা পাশে রেখে ঠোঁটে বাঁকা হাসি টেনে হাস্কিস্বরে ফিসফিস করে বলল,
“Run as much as you want, baby girl.
But you’ll always come back to the devil you hate.”

ইনায়া করিডোর ধরে দ্রুত হাঁটতে হাঁটতে মনে মনে বলল,
“এই ছেলেটার মতো বেয়াদব আর দেখিনি! যত দূরে থাকি, ততই যেন কাছে টানে।”
তার চোখে-মুখে একরাশ বিরক্তি, ফুটে উঠে,
“আল্লাহ, আমাকে শক্তি দাও, যেন কোনদিন এই ডেভিলের ফাঁদে না পড়ি!”

এরিক USC ক্যাম্পাসের বাইরে তার শেডো রাইডারটার উপর আধশোয়া হয়ে আকাশের দিকে সিগারেটের ধোঁয়া ছেড়ে দিচ্ছিল। চোখে তার কালো সানগ্লাস, মুখে তার ক্লান্তি আর উদাসীনতা স্পষ্ট ফুটে উঠেছে ।
ঠিক তখন পাশ দিয়ে মিস্টার তানভীর হেঁটে যাচ্ছিলেন। সিগারেটের ধোঁয়ায় তার গলা ধরে আসে, কাশি ওঠে। তিনি থেমে, বিরক্ত গলায় বলেন,
“এই ছেলে, তুমি ইউনিভার্সিটির সামনে এসব কী করছো? এটা ইউনিভার্সিটি জানো না, এখানে সিগারেট খাচ্ছো কেন?
এরিক ধীরে ধীরে সানগ্লাস খুলে ইনায়ার ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে ঠাণ্ডা গলায় বলল,

“What’s your problem, man?
আপনার এসব পছন্দ না হলে, রাস্তা ফাঁকা আছে চলে যান। শুধু শুধু জ্ঞান দিতে আসবেন না।”
তানভীরঃ “ইউনিভার্সিটির সামনে দাঁড়িয়ে তুমি এইসব করতে পারবে না, বুঝেছো?এটা পড়াশোনা করার জায়গা, নেশা করতে হলে ক্লাবে গিয়ে কর?”
এরিক এবার বাইক থেকে উঠে দাঁড়িয়ে, ঠোঁটে তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে, সিগারেটের ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে বলল,
“Did I ask for your permission?”
তানভীর: “তুমি তো খুব বেয়াদব ছেলে।তোমাকে কেউ বড়দের সম্মান করতে শেখাইনি?”
এরিক ধোঁয়া ছেড়ে ঠোঁটে এক চিলতে হাসি টেনে বললো,
এটা আমি আপনাকে বলা জরুরি মনে করছি না। আর Respect ?
I don’t even respect my own father, so what makes you think you’re special, huhh?”
তানভীর: “আমি তোমার বড়। তুমি আমার সাথে এভাবে কথা বলতে পারো না। তুমি কিন্তু ভুল করছো।”
এরিক: “Listen, Mr.—my life, my rules.
you can go?”

অবাধ্য হৃদয় পর্ব ৮

তানভীর: “আল্লাহ তোমাকে হিদায়েত দিক।”
এরিক প্যাকেট থেকে আরেকটা সিগারেট বের করে ঠোঁটে চেপে ধরে বলে,
“জ্বী, keep blessing me, maybe I’ll change!”
মিস্টার তানভীর চলে যেতেই এরিক কোল্ড ভয়েজে , সিগারেটের ধোঁয়া ছেড়ে বলে,
“Damn,……. লাইফে যখন-তখন জ্ঞান দিতে আসা জোকারদের অভাব নেই!”

অবাধ্য হৃদয় পর্ব ১০