Home অবেলায় ফোঁটা পুষ্প অবেলায় ফোঁটা পুষ্প পর্ব ২১

অবেলায় ফোঁটা পুষ্প পর্ব ২১

অবেলায় ফোঁটা পুষ্প পর্ব ২১
রুপা

আর্য অফিসে এসে ক্লায়েন্টের সাথে মিটিং শেষ করে ডিল ফাইনাল সাইন করে। দীর্ঘ তিন ঘণ্টা মিটিং শেষ করে মিটিং রুম থেকে বেরিয়ে ক্লায়েন্টদের বিদায় দিয়ে নিজের কেবিনে গিয়ে চেয়ারে বসে চোখ বন্ধ করে মাথাটা পেছনে এলিয়ে দিল। মুহুর্তেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে পুষ্পর গোলগাল মায়াবী মুখটা!
আর্য সাথে সাথে চোখ খুলে উঠে বসে। সে চায় না মেয়েটার সাথে নিজেকে জড়াতে, তাও কেন বারবার মস্তিষ্কে মেয়েটাই বিচরণ করছে সারাক্ষণ? আর্য নিজেকে চিনতে পারছে না, সে এরকম কোনোকালেই ছিল না। শুরু থেকেই মেয়েদের প্রতি তার তীব্র অনীহা; দুই বছর আগের সেই ঘটনার পর একবারে বিতৃষ্ণা, ঘৃণা জন্মে ছিল। অথচ মেয়েটা তার জীবনে আসার পর থেকে সব উল্টোপাল্টা হয়ে যাচ্ছে। না সে পেছাতে পারছে না, না আগাতে পারছে; তাকে ইমিডিয়েটলি কিছু করতে হবে। সে মেয়েটার সান্নিধ্যে থাকলে নিজেকেই হারিয়ে ফেলবে, পরে তাকে পস্তাতে হবে!

আর্য নিজের ফোনটা বের করে কাউকে কল করল। ওপাশ থেকে কল রিসিভ হতেই আর্য বলে উঠল—
– “চারদিন পরে আমার ফ্লাইট বুক করো!”
কল কেটে আর্য একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। তাকে মেয়েটার থেকে দূরে থাকতে হবে। এই যে সে নিজের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে, এই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে মেয়েটার থেকে দূরে গেলে। মেয়েটাকে নিয়ে ভাবতে না চাওয়া আর্যর ভাবনায় এলো গতরাতে মেয়েটা ব্যথায় কাঁদছিল, বাসায় মেয়েটার প্রয়োজনীয় কিছুই ছিল না। ভাবনাটা মাথায় আসতেই আর্য উঠে দাঁড়াল। চেয়ারের হাতল থেকে নিজের কোটটা নিয়ে কেবিন থেকে বেরিয়ে গেল।

পুষ্প আজকে কলেজে যায়নি। সকালে নাস্তা করে রুমে ঢুকেছিল, আর বেরোয়নি। এর মধ্যে আবারও পুষ্পর পেটে ব্যথা শুরু হয়। পুষ্পকে রুম থেকে বের হতে না দেখে শেহনাজ সরকার আর্যর রুমে এসে পুষ্পকে পেট চেপে ধরে কাঁদতে দেখে তিনি অস্থির হয়ে কী হয়েছে জিজ্ঞেস করেন। প্রথমে লজ্জা-সংকোচে না বললেও পরে শেহনাজ সরকার জোর দিয়ে জিজ্ঞেস করাতে পুষ্প বলে দেয়। শেহনাজ সরকার সাথে সাথে পুষ্পকে মেডিসিন দেন এবং হট ব্যাগ দিয়ে গরম পানির সেঁক দেন।

আরও প্রয়োজনীয় সবকিছু দিয়ে পুষ্পকে রেস্ট করতে বলেন। কোনো অসুবিধা হলে কিংবা পেটে বেশি ব্যথা করলে যেন তাকে জানায়, উনি গাইনি ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন। পুষ্প সম্মতি দেয় ঠিকই, কিন্তু এটাও বলে না যে তার ইরেগুলার পিরিয়ড। পুষ্পর মতে এসব স্বাভাবিক; কারণ একদিন এই বিষয়ে তার চাচাতো বোন কে বলায় সে জানিয়েছিল এসব স্বাভাবিক, কারো আগে হয় কারো দেরিতে। তার মতে তার দেরিতে হচ্ছে; অথচ বোকা মেয়ে বুঝতে পারল না এতে ভবিষ্যতে তার কতই না সমস্যা হতে পারে!
শেহনাজ সরকারকে ছেলের বউয়ের এতটা খেয়াল রাখতে দেখে অবশ্যই মুখ বাঁকিয়ে কটু কথা শোনাতে ভুললেন না মিনারা বেগম—অবশ্যই সবকিছু শেহনাজ সরকারের আড়ালে। আর নিশি হিংসায় ফুঁসছে মনে মনে; এসব কিছু তার হতো যদি পুষ্পর বিয়ে আর্যর সাথে না হয়ে তার সাথে হতো। এই ভাবনাটা নিশিকে আরও হিংস্র করে তুলছে। তাকে যে কোনো মূল্যে পুষ্পকে আর্যর জীবন থেকে সরাতে হবে।

আর্য হাতে কয়েকটা শপিং ব্যাগ নিয়ে বেরোলো একটা সুপার শপ থেকে। শপিং ব্যাগগুলো গাড়ির ব্যাক সিটে রেখে নিজে ড্রাইভিং সিটে বসে পড়ল। মেয়েদের ঘৃণা করা আর্য সরকার মেয়েদের পিরিয়ডের সময়ের প্রয়োজনীয় সব জিনিস কিনতে এসেছে! তার কিছু ধারণা না থাকায় সে গুগল সার্চ করে জেনেছে যেকোনো সুপার শপেই এগুলো পেয়ে যাবে। সে চাইলেই অ্যাসিস্ট্যান্টকে দিয়ে কিনতে পারত, কিন্তু অ্যাসিস্ট্যান্ট কী মনে করত? কেউ তো জানেও না তার বিয়ে হয়েছে, তাহলে এগুলো কার জন্য নিচ্ছে, কীভাবে বলবে যে মেনে না নেওয়া বউয়ের জন্য নিচ্ছে! সকালে ডিল সাইন করার পরে তার মিটিং ছিল না আজকে। অবশ্যই মিটিং না থাকলেও তাকে প্রজেক্ট নিয়ে কাজ আগানোর প্ল্যানিং করতে হতো টিম মেম্বারদের নিয়ে, কিন্তু সে সেই যে মিটিং শেষ করে একটার দিকে office থেকে বেরিয়েছে আর অফিসে যায়নি।
এখন বাজে সন্ধ্যা সাতটা। আর্য আর অফিসে যাওয়ার কথা ভাবল না, সে গাড়ি বাড়ির দিকে ঘুরিয়ে নিল। মন-মস্তিষ্ক দখল করে আছে ওই মেয়ে! যে আর্য একদিন-দুদিন পর পর মদের নেশায় বুঁদ হয়ে মাঝরাতে বাড়িতে ফিরত, সে এখন নেশা করছে না প্রায় এগারো দিন। মেয়েটার সাথে থাকলে অতীতের কিছু তার স্মৃতিতে হানা দেয় না, তাই সেটা ভুলতে নেশার আশ্রয় নিতে হয় না। আর্য বুঝতে পারে না—যেখানে নেশা করলে সে সব ভুলে বসে, সেখানে নেশা করার পরেও মেয়েটাই আর্যর ভাবনায় বেশি থাকে! আর্য ঠিক করে নিয়েছে বিদেশ প্রজেক্টে সে শামিল হবে, এতে সে মেয়েটার থেকে দূরে থাকতে পারবে। যে চারদিন আছে মেয়েটা সুস্থ হওয়া পর্যন্ত সে থাকবে, তারপর চলে যাবে।

আর্য ভাবনার মাঝেই সরকার বাড়িতে পৌঁছে গেল। গাড়ি পার্কিং এরিয়ায় পার্ক করে ব্যাগগুলো নিয়ে বাড়িতে ঢুকে পড়ে। ড্রয়িং রুমে পা পড়তেই আর্যর চোখ যায় সোফায় বসে থাকা ইভানের দিকে। ইভান আর নিশি বেশ হাসিখুশিভাবে কথা বলছে। আর্যর সাথে ইভানও ছিল প্যারিসে, সেই সূত্রে ভালোই পরিচয় আছে। ইভান একটু মিশুক স্বভাবের হওয়ায় সবার সাথে মিশে যায়, যেটা আর্যর ক্ষেত্রে বিরল; সে প্যারিসে থাকতেও তেমন কারোর সাথে কথা বলত না, শুধু ইভান ব্যতীত। ইভানের সাথে আর্যর বন্ধুত্বের সূচনা প্যারিসে, দুজনেই বাংলাদেশি ছিল।
আর্য সেদিকে একপলক তাকিয়ে আবার চারপাশে চোখ বুলিয়ে দেখল। কাঙ্ক্ষিত মুখের দেখা না পেয়ে ওপরে চলে যেতে নিলে ইভান বলে উঠল—

– “কিরে হারামি, চোখের সামনে দেখেও না দেখার মতো করে কেন চলে যাচ্ছিস?”
ইভানের কথা শুনেও আর্য থামল না। সে যেতে যেতে গম্ভীর কণ্ঠে বলল—
– “তোর সাথে কথা বলতে গেলে এনার্জি লস হবে, যেটা আপাতত কম।”
আর্যর কথার মাথা-মুণ্ডু কিছুই বুঝতে পারল না ইভান। সে ভাবল অফিস থেকে ফিরেছে, শাওয়ার নিয়ে ফ্রেশ হবে। সে এবার একটু চিৎকার করে বলল—
– “হাতে এগুলো কী? দেখে তো সুপার শপের শপিং মনে হচ্ছে? কিন্তু তুই তো তোর ‘বস’ ব্র্যান্ড ছাড়া কিছুই পরিস না, এগুলো কার জন্য??”
– “নান অব ইয়োর বিজনেস!”
– “তোর আর আমার কী! যেটা তোর সেটা আমার, যেটা আমার সেটা তোর! শুধু বউ ছাড়া…” শেষের কথাটা একদম আস্তে বলল!
এদিকে আর্যর হাতে শপিং ব্যাগগুলো দেখে নিশির বুঝতে অসুবিধা হলো না এসব পুষ্পর জন্যই এনেছে আর্য। সে অবাক না হয়ে পারল না—যে আর্য নিজের ড্রেস অবধি শোরুমে গিয়ে ট্রায়াল দিয়ে চলে আসে, সবকিছু সেলসম্যান বাড়িতে ডেলিভারি দিয়ে যায়, সেই আর্য নিজে পুষ্পর জন্য হাতে শপিং ব্যাগ বয়ে সুপার শপ থেকে জিনিস এনেছে! এই আর্যকে চিনতে অসুবিধা হচ্ছে নিশির। সে হিংসায় জ্বলছে, এসব তার হওয়ার কথা ছিল অথচ…

– “কিরে নিশি, কোথায় হারিয়ে গেলি?”
ইভানের কথায় ভাবনার সুতো ছিঁড়ে নিশি নিজের ভেতরের হিংসার আগুন সামলানোর চেষ্টা করে মেকি হেসে কিছু বলল না।
– “তা কয়দিনের জন্য বেড়াতে এসেছিস মামার বাড়িতে?”
– “পার্মানেন্ট!”
– “মানে?”
– “আরে কিছু না, মজা করছি!”
ইভান কিছু বলল না। সে এদিক-ওদিক তাকিয়ে দেখল, না—তার মায়াপরীর দেখা মিলল না। কোথায় মেয়েটা? আসার পর থেকে একবারও দেখল না। নিশি ব্যাপারটা খেয়াল করে জিজ্ঞেস করে—
– “কাউকে খুঁজছিস?”
ইভান কিছু বলবে তার আগে সিমরান চা-নাশতা নিয়ে এসে টি-টেবিলের ওপর রেখে দিয়ে নাশতা খেতে বলে। ইভান সৌজন্যের হাসি হেসে চায়ের কাপ নেয়। ওই একটা হাসি সিমরানের হৃদয়ে ঝড় তুলতে সক্ষম হয়; সে কোনো রকমে নিজেকে সামলে শিফার পাশে গিয়ে বসে কথা বলা শুরু করল আর আড়চোখে বারবার ইভানকে দেখতে থাকে!

আর্য রুমে ঢুকে দেখল পুষ্প রুমে নেই। আর্যর ভ্রু কুঁচকে গেল; নিচে তো ছিল না, তাহলে গেল কোথায়? শপিং ব্যাগগুলো সোফায় রেখে আর্য নিজের পরনের কোট খুলে বিছানার ওপর রেখে বারান্দার দিকে এগিয়ে গেল। গিয়ে দেখল পুষ্প মেঝেতে বসে খরগোশ দুটোকে গাজর খাওয়াচ্ছে। ওড়নাটা গলায় ঝুলিয়ে রেখেছে, দীঘল ঘন কালো কেশরাশি পিঠ জুড়ে মেঝে পর্যন্ত ছড়িয়ে আছে।
আর্য পুষ্পর দিকে তাকিয়ে নিজের মনেই বিড়বিড় করে বলল—
– “কেশকন্যা!”
সরকার বাড়িতে সবার চেয়ে লম্বা, ঘন চুল শুধু পুষ্পরই আছে। শেহনাজ সরকারেরও আছে, তবে পুষ্পর মতো হাঁটু সমান নেই। আর্যর অবচেতন মন খুব টানছে চুলগুলোতে হাত বুলিয়ে দিতে, কিন্তু আর্য নিজের অবচেতন মনের ইচ্ছেকে কড়া ধমক দিয়ে থামিয়ে দিয়েছে। সে এগিয়ে এসে কণ্ঠ যথাসম্ভব নরম করার চেষ্টা করে বলল—

– “স্টুপিড, এই শরীর নিয়ে মেঝেতে বসে আছো কেন?”
হঠাৎ আর্যর গলায় পুষ্প কুঁকড়ে গেল। সে বুঝতে পারছে ‘এই শরীর’ বলতে তার প্রবলেমের কথা বলছে সে। লজ্জা-সংকোচ নিয়ে পেছন ফিরে মাথা তুলে তাকায়; আর্যর ধমকের চেয়ে এই নরম কণ্ঠে বেশি অবাক হয় পুষ্প। এদিকে পুষ্পকে তাকাতে দেখে আর্য আবারও বলল—
– “কী করছ এখানে?”
আর্যকে স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে দেখে পুষ্প নিজেকে সামলে নিয়ে ঠোঁটের কোণে সূক্ষ্ম হাসি ফুটিয়ে মিনমিন করে বলল—
– “তুলতুল আর তুলিকে গাজর খাওয়াচ্ছি।”
আর্য কিছু বলতে চেয়েও রমণীর হাসি মুখের দিকে তাকিয়ে আর বলা হলো না; শুধু মনে মনে বিড়বিড় করল—স্টুপিড! একটা র‍্যাবিটের নাম রেখেছে নিজের মতো ‘তুলতুল’ আর ‘তুলি’। সবকিছু একটু বেশি সফট?
আর্য আর কিছু না বলে রুমে ঢুকে কাপড় নিয়ে ওয়াশরুমে ঢুকে পড়ে। আধা ঘণ্টা পরে শাওয়ার নিয়ে মাথা মুছতে মুছতে বেরিয়ে এলো; পরনে কালো শার্ট আর কালো ট্রাউজার। পুষ্প রুমে এসে আর্যকে মাথা মুছতে দেখে বুঝতে পারে গোসল করেছে। পুষ্পর ছোট মাথায় ঢোকে না—সকাল-বিকাল এতবার কেন গোসল করতে হবে? সে তো একবার গোসল করে কলেজ থেকে এসে। সে আর কিছু না ভেবে রুম থেকে বেরোতে গেলে আর্য গম্ভীর গলায় বলল—

– “নিচে যাওয়ার প্রয়োজন নেই!”
আর্যর কথার সাথে সাথে পুষ্পর পা থেমে যায়। আর্য সেদিকে তাকিয়ে ঠোঁট বাঁকিয়ে হাসে, তবে তা খেয়াল করার মতো নয়। আর্যর বিষয়টা ভালো লাগে, আবার বিরক্তও লাগে; মেয়েটা তার প্রত্যেকটি কথা শোনে এবং মানে। কিন্তু পরক্ষণেই অবচেতন মন বিরোধিতা করে বলে ওঠে—একটু কথা না শুনে জেদ ধরলে কী হয়? কেন প্রত্যেকটা কথা শুনতে হবে সবার? হোয়াই? আর্য এগিয়ে এসে মাথার ওড়নাটা আরও টেনে দিয়ে গম্ভীর গলায় বলল—
– “সোফায় তোমার প্রয়োজনীয় সব জিনিস আছে, ডার্ক চকলেট আছে। বসে বসে এসব খাও। এই সময়ে ডার্ক চকলেট হেলথের জন্য ভালো। এতে থাকা ম্যাগনেশিয়াম আর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট পিরিয়ডের ক্র্যাম্প বা পেটের তীব্র ব্যথা কমাতে সাহায্য করে, আর মুড সুইং ঠিক করে মন ভালো রাখে। আমি না আসা পর্যন্ত দরজা খুলবে না, ডিনার রুমে নিয়ে আসব। তুমি রুমের বাইরে বের হবে না। যাও।”
পুষ্প বাধ্য মেয়ের মতো দরজা থেকে উল্টো ফিরে আসে এবং সোফার এক কোণে বসে। পুষ্পকে এভাবে বসে থাকতে দেখে আর্য এগিয়ে গিয়ে শপিং ব্যাগ থেকে হট ব্যাগ, প্যাড, পেইন কিলার, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ডার্ক চকলেট—সবকিছু একটা বদলে তিন ডাবল করে বের করতে লাগল। পুষ্প এত কিছু নিজের মান্থলি প্রবলেমের প্রয়োজনীয় জিনিস দেখে কিছুটা লজ্জায় জড়োসড়ো হয়ে যায়; এদিক-ওদিক দৃষ্টি ঘোরায়, হাঁসফাঁস করতে থাকে। যেটা লক্ষ্য করে আর্য গম্ভীর কণ্ঠে বলল—

– “ডোন্ট প্যানিক, ইটস টোটালি নরমাল!”
একটু থেমে আবার বলল—
– “এখানে তোমার সব প্রয়োজনীয় জিনিস তিন ডাবল আছে, সিক্স মান্থ কেটে যাবে। শেষ হয়ে গেলে আম্মুকে বললে আবার এনে দেবে। এখন বসে বসে চকলেট খাও, আমি আসছি।”
আর্য যেতে যেতে আবারও হুশিয়ারি দিল যেন রুম থেকে বের না হয়। আর্য রুম থেকে বেরিয়ে কিছু একটা ভেবে দরজা বাইরে থেকে লক করে দিয়ে নিজের মনে মনে বিড়বিড় করে বলল—

অবেলায় ফোঁটা পুষ্প পর্ব ২০

– “এই ইভানকে সেদিন বলেছিলাম কোনো প্রয়োজন থাকলে অফিসে আসতে, একটা কথাও কানে নেয়নি। বাড়িতে এসেছে, এই মেয়েকে দেখলে আবার আমার বোন বোন করে কমেন্ট করবে, কমপ্লিমেন্ট দেবে। দেখা যাবে আমি আবার রেগে গিয়ে মেয়েটাকে হার্ট করে বসব। ইটস বেটার, এই মেয়ে রুমেই থাকুক।”

অবেলায় ফোঁটা পুষ্প পর্ব ২২

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here