এমপি রুশভিয়ান মির্জা পর্ব ৩
ফাতেমা তুজ জোহরা
রুশভিয়ানের কথাটা আইয়ুব মির্জার বু*কে গিয়ে লাগলো।বৃদ্ধ ব্যা**থাতুর দৃষ্টি দিয়ে তার নাতির অস*হায় মুখটার দিকে তাকায়। এখানে তার কিছুই করার নেই সবই ছেলেটার ভাগ্যলিপিতে লেখা আছে। হয়তো তার কপালে মায়ের ভালোবাসা নেই!কথাগুলো ভেবে আইয়ুব মির্জা ফাঁকা ঢোক গিলে প্রসঙ্গ পাল্টে বলল,” আজকে কি হইলো কোর্টে?
রুশভিয়ান এক হাত দিয়ে ঘাড় চুলকে বলল,” শা*লি*রে আমি মা*ই*রা ফালাইছি দাদা? ভাবছিলাম সব ভন্ডামি ছাইড়া এবার মন দিয়া সংসার করমু?কিন্তু এইডা মনে আমার কপালে লেখা নাই।ওই আকবরের লগে হাত মিল্লাইয়া আমারে বলে আমার পুরু*ষত্ব নাই” কথাগুলো বলতে বলতে রুশভিয়ানের কপালের রগ ফুলে উঠলো রা*গে। দুইহাত দুটোকে মু*ষ্টিবদ্ধ করে তার কানের কাছে এখনো বাজছে তার প্রথম স্ত্রী সায়েমার কথা গুলো। আইয়ুবের হাতটা ঘাড় থেকে নামিয়ে সামনের বড় ফুলদানিটা তুলে দেয় এক আ*ছার। তবু ও বান্দার রা*গ কমার নই সামনের বড় কাঁচের টেবিল টা তুলে দরজার দিকে ফেলে দেয়। সাথে সাথে পুরো ড্রয়িংরুম কাঁচের ঝনঝন শব্দ নিস্তব্ধ হয়ে গেল।
আইয়ুব লাঠিতে ভর দিয়ে ঠুক ঠুক করে রুশভিয়ানের দিকে এগিয়ে এসে এক ধরে টেনে দানবীয় শরীর টাকে নিয়ে গেল সোফার দিকে। আর রুশভিয়ান সে তো রা*গে ফোঁস ফোঁস করছে।
রুশভিয়ান কে জোর করে সোফায় বসিয়ে বলল,” এত রা*গ
দেখাইলে হইবো? তুই না এমপি রুপনগরের। সবকিছুতে ধৈর্য ধইরায় কাম করোন লাগবো। আর সায়েমার কথা ভুইল্লা যায়। হে ন**ডি পর মাইন*ষের ছোঁয়া পাইচ্ছিলো হেরে লইয়া তুই কোন কালে সংসার করবার পারতি না। তাই মাথা ঠান্ডা কইরা ভাব ওই আকবরের কি করোন যায়? আইয়ুব কথাটুকু বলেই রুশভিয়ানের দিকে তাকায়।
রুশভিয়ান কপালে দুই আঙ্গুল ঘষা দেয়। সেও ভেবে পাচ্ছে না আকবরের কি করবে। এখন কিছু বলতে গেলে নিজের এমপি পদ নিয়ে টানাটানি শুরু হবে। তাই রুশভিয়ান উপায় থাকা সত্বেও আ*হত বাঘের মতো বসে আছে।
আইয়ুব তার প্রশ্নের উত্তর না পেয়ে আবার বলল,” কি হইলো?
রুশভিয়ান কপালে গাঢ় ভাঁজ ফেলে বলল, ” ভাবতাছি? কি করোন যায় যায় শা*লা*র।
আকবর তার পাঁকা দাঁড়িতে হাত বুলিয়ে বলল,” ওদের কে ওদের ভাষাতে শিখাইতে হইবো…. বাকি টুকু বলল না সে তাকিয়ে রইলো আলির দিকে
বাড়িতে প্রবেশ করলো আলি।হাতির মতো পায়ের কদমে তার উপস্থিত জানান দিচ্ছে। সে এগিয়ে এসে রুশভিয়ানের সামনে দাঁড়ায়। কপালে তার চিন্তার ভাব সুস্পষ্ট। দুই হাতের সাথে হাত কচলে রুশভিয়ানের দিকে তাকাচ্ছে সে, আর মাঝে মাঝে হাতের উল্টো পিঠে কপালে জমে থাকা ঘাম গুলো মুছচ্ছে । মুখ দিয়ে কোন শব্দ বের হচ্ছে না।
রুশভিয়ান ঘাড় ঘুরিয়ে আলীর দিকে তাকিয়ে শান্ত গলায় বলল, ” কি খবর লইয়া আইছো কালা চাঁদ আমার?তাড়াতাড়ি বইল্লা ফেলো তোমার আব্বার মাথায় র*ক্ত উঠে পড়লে বাঁ**চবার পারবা না!
আলী এলোমেলো দৃষ্টি ফেলে আইয়ুব মির্জার দিকে তাকায় অতঃপর রুশভিয়ানের দিকে তাকিয়ে গলা খাঁকারি দিয়ে বলল,” হুজুর আমাগো সব ড্রা**গ*স আর মা*ই*য়া গুলোরে আকবরের বড় ছেলে পলাশ সব জি* ম্মি কইরা লইছে ? কথাটুকু বলতে গিয়ে বেচারা কয়বার ঢোক গিলেছে তা বলার বাইরে। সে ভ য়ে ভ*য়ে রুশভিয়ানের দিকে তাকাচ্ছে। মালিকের পর্রবর্তী পদক্ষেপ দেখার জন্য!
রুশভিয়ান শব্দ করে হাসতে লাগলো আলীর কথা শুনে। হাসাতে হাসতে পকেট থেকে একটা সি*গা*রেট বের করে ঠোঁটে চেপে ধরলো।
রুশভিয়ানের এমন বিদ*ঘুটে হাসিতে পুরো ড্রয়িংরুম কেমন একটা ভৌতিক রুপ ধারন করলো। হাসির শব্দটা দেয়ালের সাথে বাড়ি খেয়ে আরো জোরে শব্দ উৎপন্ন করলো।
আলীর পুরো শ*রী*র কাঁপতে লাগলো ভ*য়ে কি করবে ভেবে পেল না সে। হুজুরের হাসিতে তার হৃদযন্ত্রটা থমকে গেছে সহসায়। কপাল দিয়ে দরদর করে ঘাম বের হচ্ছে।
আইয়ুব আলীর দিকে তাকাচ্ছে বারবার। তার নাতি যে উ*ন্মা*দ পা*গ*ল তার থেকে কে ভালো জানে সামনের ছেলেটার কোন ক্ষ*তি না করে এটাই তিনি মনে মনে কামনা করছে।
রুশভিয়ান কিয়তক্ষন হাসি থামিয়ে মুচকি হেঁসে বলল,” তা খবর কই পাইলা? বলেই আলীর দিকে তাকায়।
এই একটা প্রশ্নে আলীর পুরো শরীর হিম হয়ে গেল ভ*য়ে। হুজুরের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মতো ক্ষমতা তার শরীর পেল না। অবশ হয়ে এলো কন্ঠ, অস*হা*য়ের ন্যায় তাকিয়ে রইলো সামনের মানুষটার দিকে। হয়তো একটু বাঁ*চা*র প্রয়াসে।
এরই মধ্যেই উড়ে এলো একটা না*ই*ফ যা আলীর বু*কে ভেদ করে র**ক্ত গলগল করে পড়তে লাগলো। আলী তার হাতির মতো শরীর নিয়ে লু*টিয়ে পড়লো কংক্রিটের মেঝেতে।ডান হাত দিয়ে চেপে ধরলো বু*ক। ব্যাথায় চোখ মুখ কুচকে বিরবির করে একটা শব্দ আওড়ালো মা।যে আলী এক হাতে পাঁচশো লোক কে খ*ত*ম করার সাহস রাখে সে আলীকে আজ বাচ্চা বইকি কম লাগছে না। সে অনুধাবন করতে পারেনি হুজুর তার সাথে এমন করবে। সে বড্ড বোকা তার অনুধাবন করা উচিত ছিলো। হৃদয়হীন পুরুষের মনে কারো জন্য মায়া নেই । তার সবটা জুড়ে আছে ড্রা*গ*স ব্যবসা, না**রী পা**চা**র, এইগুলো তার জীবনের প্রধান অংশবিশেষ।
রুশভিয়ান লুঙ্গিটাকে একহাতে ধরে উঁচিয়ে উঠে এসে আলীর কাছে দাঁড়ায়। আইয়ুব মির্জা মুখ খোলার আগেই রুশভিয়ান এক হাত উঁচু করে বলল,” কথা কম দাদা,এমনিতেই মাথা গরম হইয়া আছে আপনে আর কিছু বইলা মাথা ন*ষ্ট কইরেন না। দমে গেল আইয়ুব। সোফার হাত ধরে বসে রইলো বৃদ্ধ লোকটি। কুচকানো চা*ম*ড়া চোখ দুটো দিয়ে আলীকে দেখছে। বেচারা ক**ষ্টে কেমন করে ছটফট করছে। আইয়ুবের বু*কে*র ভেতরটা ভারি হয়ে গেল। আলী ছেলেটাকে সে ছোটবেলা থেকে দেখছে। এক কথার উপরে কোনদিন দুইকথা বলেনি।
রুশভিয়ান হাঁটুমুড়ে বসে দাঁতে দাঁত চেপে বলল,” কাল রাইতে আমি খবর পাইছি, আর তোরা আজকে রাইতে খবর বাইর করতে পারলি সোঁ*দা*নি*র ফু*য়া ” বলেই না*ই*ফ টাকে চেপে ধরে আরেকটু ভেতরে প্রবেশ করালো। আলী আ*হ্ বলে চি*ৎ*কা*র দিয়ে উঠে কিয়তক্ষন পর রুশভিয়ানের পা ধরে বলল,” আমারে ক্ষ*মা কইরেন হুজুর আমি লোক পাঠাইছিলাম। রাস্তা সবাইকে কারা খু**ন কইরা দেয়” বলেই আলী কাঁ*দ*তে লাগলো।
রুশভিয়ান উঠে এলো তার থেকে তারপর বলল,” মাই*য়া খোঁ*জ,একজন মা*ইয়া কম পইরা গেছে কালকে রাইতের মধ্যেই একশ মা*ই*য়া লন্ডনে পাঠানো লাগবো। কিন্তু ভুল কইরা ও রুপনগরের মা*ইয়া*দের দিকে হা*ত বাড়াবি না। ঢাকা থেইক্কা মা*ই*য়া তুলবি ” বলেই মির্জা মহল থেকে বাইরে চলে গেল রুশভিয়ান মির্জা।
আলী ও বুকের ব্যাথা নিয়ে হুজুরের পিছু পিছু ছুটে চলে গেল।
আইয়ুব মির্জা মনে মনে আল্লাহ কে বলল,” আল্লাহ আমার নাতিডাকে ভালা পথে আইনো, হের মায়ের কত শখ ছিলো তারে লইয়া। কিয়তক্ষন থেমে আবার বলল, ” রুশারে আমারে ক্ষ*মা কইরা দিস তোর বুকের মানিক রে আগলাই রাখতে পারলুম না” কথাটুকু বলে আইয়ুব মির্জা সামনে তাকাতেই দেখলো তারা বেগম দাঁড়িয়ে আছে। আইয়ুব মির্জা তাকে না দেখার ভান করে এগিয়ে গেলে।
তারা বেগম বলল,” আমি আগেই বইলাছিলাম আব্বা গু*ন্ডা*র পোলা কখনো ভালা মাইনষ হইতে পারে না। এখন দেখতে পাইতাছেন তো?
আইয়ুব পিছু না ঘুরেই বলল,” রুশভিয়ানের বাপ গু**ন্ডা আছিলো না। তোমার অ*পবিত্র মুখ দিয়া ওর বাপরে লইয়া কথা বলবা না?
তারা বেগম এগিয়ে এসে কাটকাট গলায় বলল,” আমারে অ*পবিত্র বলবার আগেই নিজের দিকে দেইখা লইবেন আইয়ুব মির্জা। আমি কিন্তু কিছুই ভুলি নাই সব মনে আছে বইলা রাখলাম …. কথাটুকু বলে তারা বেগম চলে গেল ড্রয়িং রুম থেকে। তার কথার মধ্যে ছিলো একপ্রকার হু*ম*কি স্বরুপ।
আইয়ুব মির্জা তারা বেগমের দিকে তাকিয়ে বলল, ” তোমারে কোন কথাডা বলবার লাগবো না বৌমা। আমি সব বইলা দিবো সময় আসুক,, বলেই তার ঘরের দিকে হাঁটা দেয়।
তা গোলাপ ফুল দেখছি অনেক সুন্দর হয়ে গেছে আসো তো একটু জড়িয়ে ধরে পরীক্ষা করি তোমাকে পাখি ….
ইনান রান্না করছিলো রাতের জন্য কিন্তু এমন কথা শুনে মেয়েটা ঝটপট ঘুরে তাকাতেই দেখলো রকি দাঁড়িয়ে আছে দুইহাত বাড়িয়ে। চোখে মুখে স্পষ্ট কা*মু*ক*তা লোকটার।
রকি হলো রুমি বেগমের ভাইয়ের ছেলে বলা নেই কওয়া নেই এসে হাজির হবে তালুকদার ভিলায়। বয়স সাতাশ কি আটাশ হবে। মাথার চুল গুলো এলোমেলো হয়ে আছে কুচকানো শার্ট প্যান্ট পরনে । আর এসেই ইনান কে জ্বালাতন করে মে*রে ফেলবে লোকটা। ইনান ভ*য়ে ভ*য়ে থাকে যতক্ষণ রকি তালুকদার ভিলায় থাকে।
ইনান প্রসঙ্গ পাল্টে ঠোঁটে জোরপূর্বক হাসি এনে বলল,” ওহ্ ভাইয়া আপনি?
রকি তার চুল গুলো ডান হাত দিয়ে পিছনে ঠেলে সামনে এগিয়ে এসে বলল,” ভাইয়া কেন বলছো পাখি। আমি তোমার বর হতে চাই?
রকির কথা কর্নকুহর হতেই ইনান ভ*য় থরথর করে কাঁপছে।
রকির একটা কথায় তার কিশোরী মন ভ*য়ে সংকুচিত হতে লাগলো। ডাগর ডাগর চো*খ দুটো ছ*লছ*ল করছে তার একটু হলেই মেয়েটা চো**খ দিয়ে পানি গড়িয়ে গালে পড়বে। এক আঙ্গুলের সাথে বারে বারে ওড়নাটাকে পেঁচিয়ে ধরেছে।ছলছল চোখ নিয়ে একবার করে রান্নাঘরে বাইরে উঁকি দিচ্ছে মেয়েটা। হয়তো ভাবছে কেউ যেন এই পথ দিয়ে আসে।
রকি এক পা একপা করে ইনানের দিকে এগিয়ে এসে বলল,” এমন করলে হয় সুন্দরী তুমি জানো আমি এখানে কেন এসেছি?
রকির কোন কথা তার কর্নপাত হচ্ছে না। সে ভ*য়ে ঠকঠক করে কেঁপে উঠছে বারংবার। ছোট্ট শরীরটাকে নিয়ে পিছিয়ে যাচ্ছে পিছন দিকে।
রকি বি**চ্ছিরি হেঁসে বলল,” তোমাকে দেখতে এসেছি পাখি? দেখতে এসেছি আমার পাখি কতটুকু বড় হয়েছে। এখন প্যাকটিক্যালি চেক করবো এগিয়ে এসো আমার দিকে? বলেই এক হাত বাড়িয়ে এগিয়ে গেল ইনানের দিকে। ইনান ভ**য়ে চোখ বন্ধ করে নেয়।চোখ বন্ধ করার সাথে সাথে দুইফোঁটা অ*শ্রু গড়িয়ে পড়লো ইনানের। আজকে তার র*ক্ষা নেই সে ভালো বুঝতে পারছে।
রকি ইনানের ওড়নাতে হাত দিতে নিবেই তখন রুমি বেগম এসে রকির হাত ধরে ফেলল। রকি বিরক্তিতে কপাল কুচকে বলল,” ফুফি তুমি কেন এলে?
রুমি বেগম মুচকি হেঁসে বলল, ” বাইরে চল তোর সাথে কথা আছে। এগুলো করার অনেক সময় পাবি ” বলেই হাত ধরে টেনে রকিকে বাইরে টেনে নিয়ে গেল।
ইনান রুমি বেগমের কন্ঠ শুনে তড়াক করে চোখ খুললো। রুমি রকিকে হিরহির করে টেনে বাইরে নিয়ে যাচ্ছে। ইনান মনে মনে আল্লাহকে ডাকলো আজকের মতো ওই ন**র প*শু*র হাত থেকে রেহাই পেয়েছে সে।
হ্যালো হুজুর আরো দুটো মে*য়ে গ লায় ফা *স দিয়ে মা *রা গেছে। আপনি তাড়াতাড়ি করে ঢাকায় আসুন। ডেভিড কালকের মধ্যে মে*য়ে না পেলে ডিল ক্যন্সেল করে দিবে …. ফোনের ওপাশ থেকে কথাগুলো বলল মাহমুদ।
রুশভিয়ান রাগী কন্ঠে বলল,” এই খা*ন*কির পোলা মেয়েদের দেইখা রাখতে পারোস না। কিভাবে তারা ফা*স দিতাছে , তোরা কি বা*ল ফালাইছোস ওখানে? আমি এখন কোথা থেইক্কা মা*ই*য়া জোগার করমু বল মা*ঙ্গের না*তি?
মাহমুদ ভ**য়ে শুকনো ঢোক গিলে বলল,” হুজুর প্রায় একশটা গার্ড পাহারা দিচ্ছে। তবুও কেমন করে কি হচ্ছে বুঝতে পারছি না।
রুশভিয়ান বলল,” আমি আইতাছি সব কটাকে ন*র*কে পাঠামু ” বলেই ফোন রেখে গাড়ির ওয়ালার উদ্দেশ্য বলল,” গাড়ির চালা ঢাকা যামু ” বলেই সিটে গা এলিয়ে চোখ দুটো বন্ধ করে দেয় রুশভিয়ান। চিন্তায় তার মাথা ফেটে যাচ্ছে কোথায় পাবে তিনটে মে*য়ে। কালকে রাতে ডেভিডকে মে*য়ে দিতে না পারলে কোটি টাকার ডিল ক্যান্সল হয়ে যাবে। কোটি টাকার ডিল ক্যান্সেল মানে আবার দুইমাস পর মে*য়ে নিবে তারা। রুশভিয়ান তড়াক করে চোখ খুলে কাউকে ফোন দিয়ে বলল,”তিনটে মা*ই*য়া লাগবো হাবিব তুমি আমার শেষ ভরসা?
লোকটা বলল,” হয়ে যাবে হুজুর আপনি চিন্তা মুক্ত থাকেন
রুশভিয়ান কিছু বলল না।তার ঠোঁটের কোনে ফুটে উঠলো মুচকি হাসি। এইবার একটু শান্তি লাগছে বুকের ভেতরে হাবিবের কথা শুনে….
এমপি রুশভিয়ান মির্জা পর্ব ২
আমাকে ছে**ড়ে দিন কারা আপ*নারা,আমি আপনাদের পা*য়ে পড়ছি.. কথাটুকু বলেই ইনান ঢো*লে প*ড়*লো নিচে। মু*খো*শ*ধা*রী লোকগুলো তাকে গাড়িতে তুলে চলে গেল অজানা গন্তব্য …..
