নীরব উন্মাদনা পর্ব ১২
সুরাইয়া জিয়াসমিন
_ নুবা বলছিলো ও রাজি,,তবে রাগের বশে আমি না করে দিয়েছি
নুবা বিছানায় শরীর হেলিয়ে দিলো,, হাজেরা বেগম পাশে বসে আছে এমন সময় নুবা বলে উঠলো
_ মা,,,
_ hmm,,
_ ভাবছি পার্ট টাইম একটা জব খুজবো,,,নিজের একটা দো চালা ঘড় ভারা নিয়ে থাকবো,,,তখন কেউ বলতে পারবে না আমরা তাদের টাকার উপর বেঁচে আছি,, তুমি কি বলো
_ খারাপ বলিসনি,,কথা শুনতে ভালো লাগে না,,, এমন তো না যে বসে খাই,,,বাড়ির প্রতেকটা কাজ করায়,,তাও তাদের কাছে বসে চাই,,এর থেকে ভালো বাইরেই কাজ করে খাবো
_ তুমি যদি বলো তাহলে আমি রেস্টুরেন্টে অথবা অন্য জায়গা টিউশনি করিয়ে একটা ঘড় ভারা নিবো,,,
হাজেরা বেগম দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বললো
_ তুই যদি ভরসা দিস তবে আমিও ২/৩ বাড়িতে কাজ করে নিবো,,পড়া লেখা তো পারি না যে তোর মতো কাজ জুগাবো,,,
নুবা সিলিং এর দিকে তাকিয়ে বললো
_ আর পড়া লেখা করতে হবে না,,, এমনিতেই আমি পড়া লেখায় এতো ভালো না ,যে এগুলো দিয়ে চাকরি করবো,,,
হাজেরা বেগম দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বললো
_ এর থেকে ভালো হবে তোর বিয়ে দিয়ে দি,,,তার পর তোর জামাই এর টাকায় খাবো
নুবা তার মায়ের দিকে তাকিয়ে বললো_
_ ওরা তো আরো খোটা দিবে
_ মজা করলাম,,, একবার সুযোগ পেলে কখনো কারো টাকায় খাবো না
_ টাকা কি খায়?,
মেয়ের প্রশ্নে হাজেরা বেগম হেঁসে উঠলো,,নুবাও হেসে উঠলো,,দুই জন খিলখলি করে হেসে উঠলো,, অনেক দিন পর এরকম হাসছে তারা,,,
আরশি দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বললো
_ তো কি করবা এখন,, তোমার বড় ছেলে তো এক নাম্বারে ডিট,এখন নুবাকে বলবা নাকি
আমিনা বেগম চিন্তিত কন্ঠে বললো
_ ধুর,,মেয়েটাকে রাগের বশে কত গুলা কথা শুনালাম নিশ্চয় রাগ করেছে ,,,তখন আমার মাথাও ঠিক ছিলো না
_ তোমার ওভাবে বলা ঠিক হয়নি,,,
_ জানি,, কিন্তু কি যে বলে ফেললাম ,, মেয়েটা নিশ্চয় কষ্ট পেয়েছে,, হয়তোবা আমাদের স্বার্থপর ভাবছে
_তো,, ভাববেই তো,,,যা বলেছো
তখন দুপুর,,সবাই খেতে বসেছে,,,আরশি আয়ারকে ফিড করানোর চেষ্টা করছে,,নুবা আমিনা বেগমকে খাবার সার্ভ করছে,,, অন্যদিকে একটু আগেই লাঞ্চ রেডি করে অফিসে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে,, হারুন মির্জা আর আরাফ মাঝে মাঝে দুপুরে বাড়ি ফিরে,,
নুবা আমিনা বেগমের পাতে মাছের টুকরা দিতে দিতে নরম কন্ঠে বললো
_ আরাহাম ভাই রাজি হয়েছে,,
আমিনা মুখের ভাত চিবাতে চিবাতে বললো
_না,,,ওই ডিট,, অমানুষ টার সাথে কে কথা বলবে,,শুনে আমার কথা,,কোন অলুক্ষনে ভেবে যে ওকে বাড়িতে ফিরতে বলেছিলাম,,,
নুবা আমিনা বেগমের কথা মনযোগ দিয়ে শুনলো, পরপরই বলে উঠলো
_ চাচি,,আমি জানি না সকালে আমার কথায় তুমি কষ্ট পেয়েছো কিনা,,, কিন্তু তখনো আমি ওতটা ভেবে দেখিনি,,তবে এখন যদি প্রশ্ন করো তবে আমার মুখ দিয়ে না উচ্চারণ হবে না,, আমার মতো মেয়ের দিয়ে যদি তোমাদের ক্ষুন্ন পরিমানো সাহায্য হয় তাতে আমি মোটেও অসন্তুষ্ট হবো না,,,
আমিনা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে নুবার দিকে তাকিয়ে বললো
_ সকালে অনেক টা রাগ হয়েছিলো,, তোকে ভুলভাল বলে ফেলেছি ক্ষমার চোখে দেখিস,,
নুবা আশ্চর্য হয়ে বললো
_ একি বলছো,, তুমি আমার মায়ের মতো,,মা তো ভুল করলে দুটো কথা বলবেই,,, ওগুলো মনে রাখলে হয়,,
আমিনা খাওয়া শেষ করে উঠে বললো
_ দুপুরের খাবার খেয়েছিস
_ হ্যাঁ,,,
_ তোর মা খেয়েছে
_ হ্যাঁ,,এখন শুধু আরহাম ভাই বাকি,,
_ওর কথা বাদ দে,, ইচ্ছে হলে খাবে না হলে নাই,,
আমিনা বেগম আরশির কোলে আয়ারার দিকে এগিয়ে গেলো,,,পিছন থেকে নুবা বলে উঠলো
_ উত্তর দিলে না যে চাচি,,রাগ করে আছো,,
আমিনা বেগম আয়রাকে কোলে নিয়ে বললো
_ রাগ করে লাভ আছে,,ছেলেটা ভালো না,,না হলে তোকে জোর করতাম না,,,
বলেই আমিনা এগিয়ে আসলো,,আয়ারকে আস্তে করে নুবার কোলে তুলে দিলো,,নুবা অবাক চোখে তাকালো আমিনার দিকে,,,আমিনা নরম কন্ঠে বললো
_ পারবি তো সামাল দিতে,,
নুবা আমিনা বেগমের কথায় মুচকি হাসলো বিরবির করে বললো
_ তুমি আছো না পারবো,, তুমি শুধু তোমার পাগল ছেলেটাকে সামাল দিও যাতে আমার উপর হামলে না পড়ে
আমিনা বেগম হেঁসে নুবার মাথায় হাত বুলিয়ে বললো
_ রাগের মাথায় সার্থপড়ের মতো অনেক কথা বলেছি,,,মনে কিছু রাখিস না,,
নুবা বোরকা পড়ে হাজেরা বেগম করে আলতো করে জরিয়ে ধরলো,,হাজেরা বেগম মেয়ের কপালে চুমু খেএ কম্পিত কন্ঠে বললো
_ যা করছিস ভেবে চিন্তে তো,,
নুবা মায়ের দিকে তাকিয়ে সরল কন্ঠে বললো
_ আপাতত বাচ্চা টাকে নিয়ে ভাবছি,,,
_ আশা করি সব ভালো হবে,,,
আরহাম গাড়ি ড্রাইভ করছে,,,পাশে আরশি,, পিছনে নুবা হয়রা আর আমিনা বেগম,,আরাফ আর হারুন শাহরিয়ার মির্জা জানে না যে নুবাকে নিয়ে হসপিটালে যাওয়া হচ্ছে,,
অবশ্য হাজেরাও যেতে চেয়েছিলো কিন্তু নুবা না করে দিয়েছে কারণ তার মা সাথে থাকলে সে আরো নার্ভাস হয়ে যাবে,,এমনিতেই হাজেরা একটু বেশিই আবগী,,,
নুবা অনেক নার্ভাস ফিল করছে,,,ভয়ে একটু কাঁপছেও,,,আমিনা বেগম নুবার অস্থিরতা দেখা তার বাম হাতের তালু চেপে ধরলো,, চোখের ইশারায় নুবাকে শান্ত করলো,, পরপরই তাকে আরো স্বাভাবিক করার জন্য দুষ্টু আয়রাকে তার কোলে ধরিয়ে দিলো,,,
আয়রা ড্যাবড্যাব করে তাকালো নুবার দিকে,,,নুবা মনে মনে হাসলো,,
আরহাম doctor এর সাথে কথা বলছে,, doctor আরহামকে পাই টু পাই সব বুঝিয়ে দিলো,,,
নুবাকে বিশেষ এক কেবিনে নিয়ে যাওয়া হলো,,সাথে আমিনা বেগম আর আরহাম আছে,, এদিকে বাইরে বেঞ্চে আরশি আয়ারাকে নিয়ে বসে আছে,,,
Doctor দুই জন একজন নার্স,,আমিনা বেগম আর আরহাম,, doctor নুবাকে সমানের রাখা বেডে বসতে বললো,,,নুবা ভয়ে ভয়ে এক পলক আমিনা বেগমের দিকে তাকালো,,,আমিনা বেগম আবরাও চোখের ইশারায় নুবাকে শান্তনা দিলো,,
Doctor নার্স কে কিছু একটা আনতে বললো সে চলে গেলো,, পরপরই doctor নাইম সাহেব বলে উঠলেন
_ আপনাদের ভিতরে যেকনো একজন থাকলে আমার সুবিধা হবে,,,
আরহাম এক পলক নুবার দিকে তাকিয়ে বললো
_ আমি থাকছি,,,
নুবা সাথে সাথে দুটো ফাল দিয়ে উঠলো,,চোখ বড় বড় আমিনা বেগমের দিকে তাকিয়ে বললো
_ না না চাচি তুমি থাকো,,,
Doctor নাইম হাতে গ্লাভস পড়তে পড়তে বললো
_ একজন থাকলেই চলে,,,
আমিনা বেগম ছেলের দিকে তাকিয়ে জোরপূর্বক হেঁসে বললো
_ আমি থাকি তুই যা,,
আরহাম ডিটদের মতো কাঠকাঠ কন্ঠে বলে উঠলো
_ তুমি যাও আমি থাকবো,, আমার আমার মেয়ের ব্যপারে কোনো compromise করতে চাইছি না,, প্রত্যেকটা ধাপ আমি পর্যবেক্ষণ করতে চাইছি,,,
নুবা বেড থেকে নেমে গেলো,,এক ফালে যেএ আমিনা বেগমের হাত ধরে বিরবির করে বললো
_উনি থালকে আমি থাকবো না বলে দিলাম চাচি,,,
বলেই ভীতু চোখে আরহামের দিকে তাকালো,,আরহাম কটমট দৃষ্টিতে নুবার দিকে তাকালো,,নুবা চুপটি করে আমিনা বেগমের পিছনে দাঁড়িয়ে রইলো,,,
আরহাম গম্ভীর বললো
_ কোনো রকম আলাদা noise চাইছি না আমি,, চুপচাপ এসে এখানে বসো,,,
নুবা আমিন বেগমের হাত আলতো করে চেপে ধরে বললো
_ চাচিইইই,,,
Doctor তাদের কান্ড কারখানা দেখ বললো
_ আচ্ছা ঠিক আছে mr আরহাম মির্জা,,,আপনি যেসব সামনে থেকে সব দেখতে চান তবে এখানে এসে বসুন ,,আর মিস নুবা যেহেতু ভয় পাচ্ছে তবে তার চাচিই না হয় তার সাথে থাকুক,,,
কেবিনে পিনপন নিরবতা,,,নুবার বোরকা খুলে ফেলা হয়েছে,,সে মাথায় ওরনা দিয়ে চুপচুপ বসে আছে,,,বুকটা ধুকপুক করছে,, এদিকে আরহাম চোখের পলক না ফেলেই অদ্ভুত ভাবে তার দিকে তাকিয়ে আছে এতে নুবা আরো অস্থির বোধ করছে,,,
Doctor ইনজেকশন বেড় করলো,,সাথেসাথে নুবার গলা শুকিয়ে আসলো,,মনে হলো দুনিয়া অন্ধকার দেখছে সে,,,,ভয়ে আমিনা বেগমের হাত চেপে ধরে রইলো,,
Doctor নুবার এক হাত টেবিলের ওপর রাখলো। তারপর বাহুর উপরে কালো band বেঁধে শিরা খুঁজতে লাগলো।,নুবা কাঁদো কাঁদো চোখে আমিনা বেগমের দিকে তাকালো,,আমিনা বেগম তো তাকে ইনজেকশন ব্যপারে কিছুই বলেনি শুধু ওষুধের ব্যপারে বলেছে,,এই ভেবেই তার কান্না আসলো
Doctor শান্ত কন্ঠে বললো
_মুঠো বন্ধ করো,”
নুবা আস্তে করে হাত মুঠো বদ্ধ করে নিলো,,
কয়েক সেকেন্ড পরে শিরা ভালো মতো দৃশ্যমান অর্থাৎ doctor খুঁজে পেলো, চিকন সূচ তার শিরার ভিতরে ঢুকে গেল।
নুবা চোখ মুখ খিচে ,হালকা কেঁপে উঠলো,, পরপরই
স্বচ্ছ tube দিয়ে ধীরে ধীরে গাঢ় লাল রক্ত syringe-এর ভিতরে জমতে লাগলো।যা দেখে নুবার শরীরে পশম দাঁড়িয়ে গেলো,,,আমিনা বেগম নুবার বেহাল অবস্থা বুঝতে পেরে নরম কন্ঠে বলে উঠলো
“
_ব্যথা করছে?
নুবা ছোট করে মাথা নাড়লো।
Doctor তুলো চেপে ধরে সূচ বের করে বললো,
_Done,,,
নুবা যেনো হাপ ছেড়ে বাঁচলো,,,
অতঃপর doctor নুবাকে এরকম ভয় পেতে দেখে বললো
_ এটা একদমি normal বিষয়,,ভয় পেও না,,এখন আগে কিছু টেস্ট হবে,,এতো সময় তুমি রেস্ট নেও,,,
Doctor নাইম নার্স এর দিকে তাকিয়ে বললো
_ এটা নিয়ে যাও,,Hormone test,
Thyroid test ,Blood sugar,,Prolactin level,,সবি চেক করতে হবে,,, তুমি এটা নিয়ে টেস্ট করে আসো বাকি গুলো আমি দেখে নিবো ,,আর হ্যাঁ তাড়াতাড়ি করবে উনাদের হাতে সময় কম,,,
_ আচ্ছা sir,,
নার্স চলে গেলো,,,যতো সময় রিপোর্ট না আসছে তত সময় নুবাকে রেস্টে রাখা হলো,,,
নুবাকে বেশি করে পুষ্টিকর জিনিস খাওয়ানো হচ্ছে,,,নুবা এক পলক আমিনা বেগমের তাকালো অতঃপর সামনে বসে থাকা আরহামের দিকে তাকালো,, পরপর নুবা মনে মনে আড়ালো
_ এমন ভাবে চেয়ে আছে যেনো মনে হচ্ছে আমি বলির পাঠা যাকে একটু পর জবাই করা হবে,,আর সেই মাংস খাওয়ার জন্য চিলের মতো তাকিয়ে আছে,,হায় আমার এক সিসি রক্ত নিলো আদেও কি এই রক্তের ঘারটি পূর্ন করতে পারবো,,,
ঘন্টা খানিকের মধ্যে রিপোর্ট গুলো চলে আসলো,,, doctor মনোযোগ দিয়ে রিপোর্ট চেক করলো,, অতঃপর সময়ের ব্যবধানে নুবাকে ২ টা ইনজেকশন দেওয়া হলো,,,নুবা ভয়ে পাশ ঘুরে আমিনা বেগমের বাহুতে মুখ লুকালো,,,
Doctor ইনজেকশন দিতে দিতে বললো
_ ডান,,এতো ভয় পেলে হবে,, সত্যি কথা বলবে একটুও কি ব্যাথা লাগে,,
নুবা শুকনো ঢোক গিলে বললো
_ একটু একটু,,,
নাইম সাহেব হাসলো,,
_ তোমার বনের বাঘের থেকে মনের বাঘের ভয় বেশি মামুনি,,
ঘন্টা খানিক লাগিয়ে আরো কিছু process শেষ করা হলো,, প্রতিটা ধাপে বারবার নুবা চম্কেছে,,ভয় পেয়েছে,,,তার সর্বাঙ্গ কেপেছে,,এই অনুভূতি তার সারাজীবন মনে থাকবে,,,
টানা ২থেকে ৩ ঘন্টা লাগিয়ে আস্তে আস্তে ধীরে ধীরে doctor নুবাকে পুরোপুরি ভাবে breastএ milk আসার জন্য প্রস্তুত করলো,,,এর ভিতরে যে কত গুলো ইনজেকশন,,কত টেস্ট করা হয়েছে তা নুবার হিসাবের বাইরে, নুবা এতো কিছুর পর ক্লান্ত হয়ে পড়েছে,,
Doctor নুবাকে খাওয়ানোর জন্য বস্তা খানিক ওষুধের স্লিপ লিখে দিলো,,,নুবা শুধু চেয়ে চেয়ে দেখলো,, মনে হচ্ছে এগুলো ওষুধ না এগুলো তার গলায় আটকে যাওয়া বিষ,,,সে ভেবেই শুকনো ঢোক গিললো,,এতো ওষুধ খেতে হবে,,,
Doctor আমিনা বেগমের দিকে তাকিয়ে বললো,,
_ প্রতিদিন ২/৩ বেলা ওষুধ খাওয়াতে হবে,, অবশ্য সব লিখে দেওয়া হবে,,তবু খেয়াল রাখবেন,,,এই সময় মানসিক চাপ কমানো একটা দরকারি বার্তা,,,স্ট্রেস থাকলে হরমোন বাধা পায় ,,তাই শান্ত থাকতে, ঘুম ঠিক রাখা খুব দরকার,,এই সময় ৬/৮ ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন,, বিশ্রাম প্রয়জন,,,
বলেই থামলো নাইম সাবেক কিছু রিপোর্ট থেকে করতে করতে বললো
_আর হ্যাঁ খাওয়ার দিকে বিশেষ ভাবে ধ্যান দিবেন,,খালি পেটে থাকা যাবে না,,3 বেলা + 2–3 বার হালকা স্ন্যাকস দিতে হবে,,,প্রোটিন যুক্ত খাবার ওর জন্য বেশি প্রয়োজন,, যেমন ডিম,, মাছ,, মুরগি,, ডাল,,,ভিটামিন ও মিনারেল শাকসবজি যুক্ত খাবারো দিতে হবে,,পালং, লাল শাক, ডাটা শাক,,,ফল কলা, আপেল, পেঁপে, কমলা,,এগুলো,,আর হ্যাঁ শক্তি বাড়ানোর জন্য,,বাদাম,, খেজুর,,ঘি পরিমাণ মতো খাবারের সাথে দিবেন,,, দরকার পড়লে রিটিং বানিয়ে নিবেন,,আর ওষুধ অবশ্যই দেখে নিবেন খাওয়ার আগে না পরে,,বা কোন সময়,,
এই সব শুনে নুবার মাথা প্রায় ঘুরতে শুরু করলো,,তার কাছে কিছু সময়ের জন্য মনে হলো সে pregnant তাই এই সব বলা হচ্ছে,,
নুবা ঠোঁট চেপে শাঁস ফেলে বললো
_ আর কিছু বাকি আছে আঙ্কেল,,,
নাইম সাহেব হেসে নিজের কাজ করতে করতে বললো
_ দিনে 8–12 বার স্তন উদ্দীপনা দরকার আছে,,,এখানে,কার্যকর baby suckling ,যা সবচেয়ে ভালো,,সাথে breast pump ব্যবহার করা জরুরি,,,
নীরব উন্মাদনা পর্ব ১১
এটা না করলে শুধু খাবার খেয়ে দুধ তৈরি হবে না,, এগুলো সব থেকে জরুরি,,,আর হ্যাঁ কোনো রকম সমস্যা হলে কল করবেন,,,দুধ আসতে শুরু হলে বুক ফুলে উঠবে,,ভারি ভারি মনে হবে,,,তখন চেষ্টা করবেন বেবিকে ফিড করানোর,,,
Doctor আরো কিছু কথা বললো,,
এদিকে doctor এর মুখে এরকম সরাসরি বাক্য গুলো শুনে নুবার লজ্জায় গাল লাল হয়ে গেলো,,,সে চুপচাপ শুধু শুনে গেলো,,,,
