Home প্রেমসুধা সিজন ২ প্রেমসুধা সিজন ২ পর্ব ৯০

প্রেমসুধা সিজন ২ পর্ব ৯০

প্রেমসুধা সিজন ২ পর্ব ৯০
সাইয়্যারা খান

হসপিটালের করিডোরে বসা পৌষ। মনমেজাজ ধরে রাখা দায় হয়ে যাচ্ছে। সেই কখন তাকে ডক্টরের কেবিন থেকে বের করেছে তৌসিফ। এখানে বসিয়ে রেখে নিজে আঠার মতো লেগে আছে ভেতরে। পৌষ পাশে তাকালো। তুহিন মাথা এলিয়ে বসেছে। বেচারাও হয়তো বুঝতে পারছে না তার ভাইয়ের এত সময় কেন লাগছে। কি এমন কথা বলছে সে? পৌষ টিকতে না পেরে উঠে দাঁড়ালো। শুধু মাত্র উঠেই দাঁড়িয়েছিলো ওমনিই তুহিন চাপা স্বরে চেঁচিয়ে উঠলো,

“অ্যাঁই!”
পৌষ একটু থতমত খেলো। ওর দিকে ফিরে বললো,
“কি?”
“উঠলে কেন?”
“নাচব একটু। নাচবেন আমার সাথে?”
“নয়মাস পর নেচো। এখন নাচলে কানের নিচে ঘন্টা বাজাব।”
“হাহ্! আসছে আমার কানের নিচে ঘন্টা বাজাতে। আমি পৌষ কি ললিপপ খাব? ঢাক-ঢোল সব বাজাব আপনার কানের নিচে।”
“তর্ক না করে চুপচাপ বসো।”
“বসব না।”
“পৌষ, মেজাজ খারাপ করবে না। এমন সময় দাঁড়াতে হয় না।”
গোল্লা গোল্লা চোখে পৌষ তাকালো ওর দিকে। তুহিন একটু ভড়কালো। এদিক ওদিক তাকিয়ে বললো,
“এভাবে না তাকিয়ে বসো।”
“প্রেগন্যান্ট হলে দাঁড়ানো যায় না একথা আপনাকে কে বলেছে?”

“বলতে হবে কেন? আমি কি অশিক্ষিত?”
“আমি কিভাবে বুঝব আপনি কতটুকু শিক্ষিত?”
“অনার্স, মাস্টার্স দুটোতেই ফাস্ট ক্লাস ফাস্ট আমি।”
“ফাস্ট যে কতটা তা তো টেরই পাচ্ছি। দাঁড়ানো যাবে না। আসছে যত্তসব।”
তুহিন চোখ পাকিয়ে তাকালো। পৌষ পাত্তা দিলো না। দুই পা এগিয়ে কেবিনের দরজায় নক করতে যাবে তখনই তুহিন দ্বিতীয় দফায় চেঁচালো,
“অ্যাঁই, পৌষ! আবার হাঁটলে কেন? এই সময় কেউ হাঁটে? বেয়াদব! কথা শোনে না। একদম শিকল দিয়ে বেঁধে রাখব শাহরিয়ার ভাইজানের মতো।”
পৌষ অদ্ভুত ভাবে তাকালো। দাঁত মুখ খিঁচে বললো,
“হাঁটা যায় না? বলদ কোথাকার!”

“না যায় না। যদি উস্টা খেয়ে পড়ে যাও? আমার কলিজা ব্যথা পাবে না?”
“এ্যাহ্, আসছে কলিজাওয়ালা ওরফে তুহিন তালুকদার। দেখা নেই, কথা নেই সে নাকি ওনার কলিজা।”
“একবার শুধু আসুক। আমি নিয়ে নিব৷ ও আমার বাচ্চা!”
“উস্টা মারব! উস্টা!”
শান্ত শিষ্ট পরিবেশ থেকে ওদের দু’জনের ঝগড়া লেগে গেলো হঠাৎ। আশেপাশে মানুষ কম বিধায় তেমন গন্ডগোল লাগে নি তবে তৌসিফ পৌষ চড়া কণ্ঠ শুনেই বেড়িয়ে এসেছে। তৌসিফ আসতে দেড়ী দু’জন ওর কাছে বিচার দিতে দেড়ী করলো না।
“মেঝ ভাইয়া, এই ফুপাতো বোন কিন্তু মোটেও সুবিধার না৷ ও বসা থেকে দাঁড়িয়ে যায় আবার হাঁটে। স্প্রিং এর মতো লাফায়। মুখে মুখে তর্ক করে। এই সময় এগুলো কে করে? ও বুঝে না কেন কিছু? আমাকে বলে আমি নাকি অশিক্ষিত!”
তুহিন রাগ ঝাড়লো। পৌষ তৌসিফের বাহু চেপে ধরলো। অবাক হয়ে বললো,

“চাপাবাজ কোথাকার! আমি কখন লাফালাম? মিথ্যুক। মিথ্যা বলে আপনার ভাই৷ এটাকে সাথে এনেছেন কেন? টিকটিকি একটা, চিপকে চলে এসেছে। উহিন্না তুহিন্না পুহিন্না চুহিন্না, এক দুই তিন৷ ঘন্টা বাজে টিং টিং।”
তৌসিফ খুব মনোযোগ দিয়ে শুনলো দু’জনের বক্তব্য। দুজনই আশায় দাঁড়িয়ে ন্যায় বিচার পাবে বলে কিন্তু ওদের দুজনকে হটকালো তৌসিফ নিজে। পৌষের দিকে তাকিয়ে বললো,
“তুমি এসব পঁচা কথা বলছো কেন পৌষরাত। বাচ্চার ক্ষতি হবে না?”
পৌষের মনে হলো ও স্বপ্ন দেখছে। আবার মনে হলো ও উড়ে যাবে। এক পা’গল এতক্ষণ দাঁড়ানো আর হাঁটা নিয়ে কাহিনি করেছে অথচ নতুন পা’গলের মতে তো কথা বলাও নিষেধ। পৌষ কথা ছাড়া থাকতে পারে না। এই তৌসিফ কি তাহলে ওর কথা বলাও নিষিদ্ধ করবে? কোন পা’গলের মেলে এসে পড়লো পৌষ। তুহিন ভাইকে সায় দিলো,

“ঠিক বলেছো মেঝ ভাইয়া। এই পৌষ, এখন থেকে অল্প কথা বলবে।”
পৌষ তাকালো তৌসিফের দিকে। তৌসিফ ভালোই চিন্তিত। ওদের বসতে বলে পরপর বললো,
“আমি ডক্টরকে জিজ্ঞেস করে আসছি।”
“কি?”
পৌষ জিজ্ঞেস না করে পারলো না। তৌসিফ এতক্ষণ কিই বা করছিলো তাও জানতে মরিয়া হয়ে আছে পৌষ। তৌসিফ না করলেও পৌষ শুনলো না। তৌসিফের সাথে ঢুকলো কেবিনে। ডক্টর মিতা তৌসিফকে দেখো দীর্ঘশ্বাস ফেললেন যা স্পষ্ট দেখলো পৌষ। কারণ জানতে মেহনত লাগলো না। তৌসিফ ডক্টরকে সরাসরি জিজ্ঞেস করলো,
“ডক্টর, পৌষরাত জোরে কথা বললে কি সমস্যা হবে?”
ডক্টর মিতা কপালে আঙুল চাপলেন৷ টিকতে পারলেন না আর। হেসে ফেললেন তিনি। বললেন,

“কতই বা চেঁচাবে? চেঁচাক একটু।”
“বাচ্চার সমস্যা হবে না?”
“বাচ্চার গলা দিয়ে তো আর চেঁচাবে না।”
“আর হাঁটাহাঁটি করলে?”
“মাত্রই বললাম, হাঁটাহাঁটি রোজ নিয়ম করে করাবে।”
তুহিনের পছন্দ হলো না। সেও পিছু পিছু ঢুকেছে। উঁকি দিয়ে জিজ্ঞেস করলো,
“হাঁটলে যদি পড়ে গিয়ে ব্যথা পায়?”
“তাহলে ধরে রাখবেন তুহিন।”
“কথা ঠিক।”
পৌষ এখানে বোকার মতো দাঁড়িয়ে আছে। ওর হঠাৎ মনে হচ্ছে ডক্টর যেকোন মূহুর্তে জুতা দিয়ে পিটাবে এই দুই ভাইকে। নিতান্তই তাদের ডায়াগনস্টিক সেন্টার নাহয় এতক্ষণে ধাক্কা দিয়ে বের করতো দুই মক্কলকে।

নিশ্চিত হতে আজ হসপিটালে এসেছিলো তৌসিফ আর পৌষ। ওদের কথাবার্তা ভুলবশত শুনেছিলো তুহিন অতঃপর জোর করে গাড়িতে উঠেছে ঠেলেঠুলে। তৌসিফ গতকাল থেকে পৌষকে মাথায় রাখছে না উকুনে খাবে বলে আর মাটিতে রাখছে না পিঁপড়ে খাবে বলে। এহেন অবস্থায় পৌষ কিছু করার বা বলার সুযোগও পাচ্ছিলো না অথচ মাঝে জুটেছে তুহিন। কে বলে শাহরিয়ার পা’গল। এরা দুই ভাই তারচাইতেও বড় পা’গল৷
গাড়িতে উঠাতে গিয়ে দুই ভাই কোন কান্ডের কমতি রাখলো না। তৌসিফ কোলে তুলবে পৌষকে। পৌষ উঠবে না কিছুতেই৷ পৌষের কাঁধে থাকা ছোট ব্যাগটা তুহিন কেড়ে নিলো। নিজে কাঁধে নিয়ে বললো,
“পৌষ, খাবে কিছু?”
এ যেন আগুনে ক্যারোসিন ছিটালো কেউ। তৌসিফ জ্বলে উঠলো তাতে দাউদাউ করে।
“হ্যাঁ, তাই তো। আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম৷ পৌষরাত…”
এতক্ষণ এদের কান্ডে অবাক হলেও এবারে সীমিত ধৈর্য্যের পৌষ ধৈর্যহারা হয়ে গেলো। রাগে হিসহিসিয়ে বললো,

“একদম হেমু ভাইয়ের কাছে চলে যাব কিন্তু! ফাইজলামি হচ্ছে!”
পৌষ গটগট করে হেঁটে গাড়ির কাছে চলে গেলো। তৌসিফ মাথায় হাত দিয়ে ডেকে উঠলো,
“হানি, পড়ে যাবে। রেগে গেলো, ধ্যাত। ডক্টর রাগাতে না করেছে।”
“মুড সুইং! মুড সুইং!”
তুহিন বলতে লাগলো। গাড়িতে উঠলো তিনজন। পৌষ মাত্রই বোতল খুলেছে পানি খাবে বলে। খপ করে বোতল ছিনিয়ে নিলো তুহিন। পৌষ চোখ পাকিয়ে চেঁচালো,
“পানি খাওয়াও নিষেধ?”
তুহিন মাথা নাড়লো। শান্ত ভাবে বললো,
“প্লাস্টিকের বোতলে পানি খাওয়া নিষেধ। মাইক্রো প্লাস্টিক পানিতে চলে আসতে পারে। তুমি আজকে থেকে স্টিল, কাচ ব্যবহার করবে। মেঝ ভাইয়া তোমার ফ্ল্যাট থেকে আজ সব প্লাস্টিক আমি রিসাইকেলে দিয়ে দিব।”
“ঠিক বলেছিস।”

তুহিন গাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে যেতে বললো,
“বসো। পানি আনছি।”
ও ফিরে এলো দশ মিনিট পর। কাঁচের বোতলে করেই পানি এনেছে। গাড়ি খুলে বসে বললো,
“হয়েছে তো। বাসায় যেয়ে নাও।”
পৌষ ক্লান্তি নিয়ে তৌসিফের কাঁধে মাথা দিয়ে ছিলো। আর তৌসিফ? সে সযত্নে পৌষের গালে হাত বুলাচ্ছিলো।
তুহিন সেদিন কথার খেলাপ করে নি। সে সত্যি সত্যি তৌসিফের ফ্ল্যাটে অভিজান চালিয়েছে। ওয়াশরুম বাদে বাকি কোথাও তেমন প্লাস্টিক সে পায়নি। ওয়ানটাইম কাপ, বক্স সব বিক্রি করিয়েছে ভাঙারির দোকানে টনিকে দিয়ে। তুহিনের ধ্যানে জ্ঞানে একটাই চিন্তা, পৌষ আর অনাগত বাচ্চা, দুজনের সুস্থ থাকতেই হবে। সে ছোট ছোট কিছু ইনডোর গাছপালা এনে পৌষের আশেপাশে সাজিয়ে রেখেছে। বাতাসে যাতে সতেজতা থাকে। একটা এয়ারফিল্টার তৌসিফের আগেরই ছিলো তবে তুহিন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয়গুলো খুব করে মানছে। সারাদিন নেট ঘেটে ঘেটে বের করছে এগুলো। সামনের ঘাটপাড়ের পানি পরিষ্কার করিয়েছে। ঘোষণা করেছে, “শাকসবজি পৌষের খাওয়া নিষেধ।”

পৌষের সেকি রাগ এটা শুনে। তুহিন তখন জানিয়েছে, আজ থেকে বাড়ীতে যেসব শাকসবজি হয় পৌষ শুধু ওগুলোই খাবে। তালুকদার বাড়ীর আশেপাশে নানান গাছপালা। শাকসবজিও আছে। তুহিন তদারকি করছে এখন৷ গরুর দুধটা পর্যন্ত বাসার। তার রাজা হাঁস ডিম পাড়লে এতদিন সবাইকে বিলিয়ে দিতো। এখন থেকে তা পৌষের কাছে আসবে। একটা রাজহাঁস বছরে তিন চারটার বেশি ডিম পাড়ে না। এখন থেকে যা হবে সব পৌষের। শুধু মাত্র পৌষের।

আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে পৌষ। একবার পাশ হয়ে, একবার মুখ বরাবর হয়ে। পেটটা কি বাড়লো? ওজনে কি একটু উন্নতি হলো? গাল দুটো নাকি ফুলেছে? তুহিনের মতো মানুষ খেয়াল করেছে। মন্তব্যও করেছে। পৌষ পেটে হাত রেখে একা একাই হাসলো। নিজের মাঝে ঘটা পরিবর্তন খুব ভালো মতো লক্ষ্য করছে ও। চোখ দুটো ভিজতে চাইলো, পরপর শুকিয়ে আড়াল হলো হাসির পেছনে। হেমু ভাই ঠিক বলেছিলো, নূর ঝলকাচ্ছে পৌষের মুখে। লোকে যাই বলুক না কেন একথা তো কেউ অস্বীকার করতে পারবে না যে তৌসিফের সাথে পৌষকে মানানসই দেখায় না। কোথায় সৌন্দর্যে মণ্ডিত, উন্নত স্বাস্থ্যের পুরুষ তৌসিফ আর কোথায় ফিনফিনে দেহের সাধারণ দেখতে পৌষ? এ যেন আকাশে পাতালে তুলনা! চরম অন্যায় হয়ে যায় মেলাতে গিয়ে। অথচ এখন দেখো, পৌষের মাঝে হওয়া উন্নতির ফলাফলস্বরূপ কতই না সৌন্দর্য বর্ধিত হয়েছে। মানানসই লাগছে। গতকাল ডাক্তারও বলেছিলো, পৌষের ওজন বাড়ছে। তৌসিফ কোনদিন পৌষকে হেয় করে নি। সে ভালো মনের পুরুষ। তার মনে থাকা সকল দূষিত দুষ্টামি ধুয়েমুছে সাফ হয়েছিলো বহু আগেই। বাকিচুকি যদি থেকেও থাকে তা একান্ত পৌষের জন্য। তার ভালোবাসা পৌষের জন্য। কিছুদিন যাবৎ তার মাঝে হওয়া চরম পরিবর্তন দেখছে পৌষ। হুটহাট চোখ পড়লেই দেখা মিলে নরম দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা তৌসিফকে। সে কেমন করে তাকিয়ে থাকে আজ-কাল। পৌষ জানে, বিয়ের আগে শুনে এসেছে তৌসিফের ব্যাক্তিত্ব। সম্রাটের পর তালুকদার বংশের একমাত্র দাপটে পা ফেলতো না তৌসিফ। সেই তৌসিফের কঠিন রূপ কড়গুনে কয়েকবার দেখেছে পৌষ। পৌষের কাছে তৌসিফ কোনদিন সিংহ সাজে নি। সে তার রাজ্য একান্ত ভাবে পৌষরাত হকের নামে লিখেছে। পৌষ তো এখনও ভাবলে অবাক হয়, তৌসিফ কিভাবে তার পা’গলামো সহ্য করে? পৌষের করা বেয়াদবি সে মুখ বুজে মাথা পেতে নেয়। কোনদিন টু শব্দ করে না। নিজ বোনদের সাথে পর্যন্ত পৌষের হয়ে তর্ক করে। পৌষ তৌসিফের নিকট কোন রত্ম তা তৌসিফ ব্যাতিত কেউ জানে না। পৌষ পেটে হাত রাখলো। ফিক করে হেসে ফেললো। আদুরে হাত বুলালো পেটে। একান্ত ভাবে কথা বললো পেটের ভেতরে থাকা অস্তিত্বের সাথে,

“কি? কি দেখছো কটু পাখি? আমি হলাম তোমার বাবার তোতাপাখি। তুমি আসবে বলে মা কত সুন্দর হয়ে গেছি। দেখছো তুমি? দেখা যায়? আচ্ছা, বলো তো শোনা যায় মাকে? মায়ের কথা বুঝো তুমি? আমার কুটু পাখি কি ঘুমায়?”
“তোতাপাখির কথায় কুটু পাখি কিভাবে ঘুমাবে?”
তৌসিফ হাতের ট্রে টেবিলে রাখলো। পৌষের কাছে এগিয়ে এসে চুল গুলো গুছিয়ে দিতে দিতে বললো,
“কি ব্যাপার? আজ-কাল আমাকে পাত্তাই দিচ্ছো না।”
“আপনাকে পাত্তা দিব না আমি? মাথার স্ক্রু ঢিলা হলো নাকি?”
“হতেও পারে। যেই পরিমাণ শক দিচ্ছো আমাকে, পা’গল না হয়ে যাই।”
“হলে হবেন। বাগানবাড়ীতে রেখে আসব।”
“তোমার স্মৃতি থেকে বাগনবাড়ী মুছতে পারলে আমি খুব খুশি হতাম।”
“হা হা হা! আমি ভুলব তাও সম্রাট চেয়ারম্যানের বাগানবাড়ি?”

প্রেমসুধা সিজন ২ পর্ব ৮৯ (২)

“বড় ভাসুর হন।”
“অস্বীকার করলাম কখন?”
“না, মনে করালাম এমনিতেই।”
“লাগবে না মনে করানো। আমার স্মৃতিশক্তি খুব ভালো।”
তৌসিফ হার মানলো। পৌষের হাত ধরে বললো,
“এসো খাবে। আমার কুটু পাখিও তো খাবে।”

প্রেমসুধা সিজন ২ পর্ব ৯০ (২)