Home মন পবনে বৃষ্টি মন পবনে বৃষ্টি পর্ব ৩৮

মন পবনে বৃষ্টি পর্ব ৩৮

মন পবনে বৃষ্টি পর্ব ৩৮
তাসনিয়া নুর

মুখে মাস্ক ও মাথায় ক্যাপ পড়ে রাস্তার ধারে তরমুজ বিক্রি করতে বসেছে আবইয়াজ ও আহির । কখন থেকে বসে আছে কিন্তু একটা তরমুজ ও বিক্রি হলো না। এদিকে গরমে দুজনের অবস্থা কাহিল। তারউপর আবার মুখে মাস্ক। আহির হাতপাখা দিয়ে বাতাস করেই যাচ্ছে কিন্তু লাভ হচ্ছে না। কিছুক্ষণ পর একজন বুড়ো লোক লাঠির উপর ভর দিয়ে তরমুজ কিনতে আসলো। কিন্তু আবইয়াজ ও আহিরকে এমন অদ্ভুতভাবে বসে থাকতে দেখে লোকটা ভয় পেলেন, কোনো কারণ ছাড়াই তিনি চিৎকার করে বললেন,

— চোর ডাকাইত এমনে দিনের বেলা বইয়া আছে আর তোমরা হগ্গলে কিছুই কইতাছো না। আরে এডিরে লাঠি পেটা করো ।
এমনি মন মেজাজ ভালো নেই এখন আবার এই লোকের যুক্তি ছাড়া কথা শুনে রেগে গেল আবইয়াজ।সে কর্কশ স্বরে বলল,
— এই কি আজেবাজে বকছেন আপনি, আমাদের দেখে কোন দিক থেকে আপনার চোর মনে হলো?
— হ চোরের মায়ের বড় গলা। চোর না হইলে দিন দুফুরে এমনে মুখ ক্যান ঢাইক্কা রাখছো?
— আশ্চর্য! আমরা কেনো মুখ ঢেকে রেখেছি সেই কৈফিয়ত আপনাকে কেনো দিবো? হু আর ইউ?
—- চোরে দেহি আবার ফটর ফটর ইংরেজি ও মারে। শিক্ষিত চোর নাকি?
ঝগড়ার একপর্যায়ে লোকটা বোঝলো তিনি হারতে বসেছেন। আশে-পাশের লোক ও আবইয়াজদের পক্ষে কথা বলছে। কিছুতেই হারা যাবে না, কথাটা ভেবেই লোকটা মুখ বাঁকিয়ে বলল,
— এরা যদি চোর না হইয়া থাকে তাইলে জিগাও আমার থাইক্কা দশ হাজার ট্যাহা ক্যান চাইছে?
আহির ও আবইয়াজের ওয়াল ঝুলে যাবার উপক্রম। তারা কখন টাকা চাইল?
আহির কোমড়ে হাত দিয়ে বলল,

— ব্যাটা বুইড়া খাটাশ, মরনের ভয় নাই? এতো বড় মিথ্যা বলতে মুখ কাপল না?
বুড়ো লোকটা আশে-পাশের মানুষের দিকে তাকিয়ে বলল,
— দেখছো তোমরা আমি বুড়া মানুষরে কি কথা কয় এই পোলাডা ।আমি বাপু পাচঁ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি, আমি কি মিছা কথা কইতারি কও।
একপর্যায়ে পরিবেশ এতটাই গরম হয়ে উঠল আহির ও আবইয়াজ বুঝতে পারল এখানে আর বেশিক্ষণ থাকা যাবে না। পরিস্থিতি তাদের হাতের বাহিরে চলে গিয়েছে। আহির ও আবইয়াজ সাইডে ভোঁ দৌড় মারল । আহির দৌড়াতে দৌড়াতে পিছন ঘুরে বুড়ো লোকটাকে উদ্দেশ্য করে বলল,
— বুড়ো তোকে অভিশাপ দিয়ে গেলাম তুই কোনোদিন তরমুজ খেতে পারবি না। যেদিন খাবি ওইদিন চারশত বার বাথরুমে দৌড়াবি ।

এদিকে ননীর পিছন পিছন ঘুরে ভালোবাসি বলতে বলতে মুখে ফেনা তুলে ফেলেছে মাহির।কিন্তু মেয়েটা তাকে বরাবরই রিজেক্ট করে দিচ্ছে। শেষে উপায় না পেয়ে মনে মনে এক ফন্দি আটল মাহির । সবার অগোচরে ছাদে গেল মাহির অতঃপর ছাদের একেবারে কাছে এসে ননীকে ম্যাসেজ করল। মাহিরের মেসেজ পেয়ে ননী ঘর থেকে বেরিয়ে আশে-পাশে মাহিরকে খুঁজতে থাকে কিন্তু কোথাও খুঁজে না পেয়ে বিরক্তিতে কপাল কুঁচকে ফেলে ।ঠিক তখনই মাহির ছাদের উপর থেকে ননীকে ডেকে উঠে। মাহিরের ডাকের উৎস খুঁজতে ননী ছাদে তাকিয়ে দেখল মাহির একেবারে সামনে দাঁড়িয়ে আছে। এমন দৃশ্য দেখে ননী আতকে উঠল । ননী ভয় মিশ্রিত কন্ঠ বলল,
— মাহির ভাই এতো কাছে কি করছেন? পড়ে যাবেন তো। নিচে নামুন ।
মাহির ফিল্মের হিরোর মতো হাত ছড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল,
— আগে বলো তুমি আমাকে ভালোবাসো বিয়ে করতে চাও।
ননী মুখ বাঁকিয়ে বলল,

— না আমি আপনাকে একটু ও ভালোবাসি না ।
মাহির সেভাবে দাঁড়িয়ে-ই নিচে ননীর দিকে তাকাল। হুট করেই মাথাটা ঘুরে উঠল তার। মাহির আবারও ননীকে শুনিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল,
—- এ পৃথিবী তোমরা বলে দেও এই ছলনাময়ী নারীকে, আজকে যদি এই মেয়ে আমাকে ভালোবাসি না বলে তাহলে আমি ছাদ থেকে লাফ দিব।
— কিন্তু মাহির ভাই পৃথিবী তো একটা তাহলে আপনি তোমরা বললেন কেনো? তোমরা বলতে একাধিক পৃথিবী বুঝিয়েছেন ।
মাহির দাতঁ কিড়মিড়িয়ে বলে উঠে,

— আমি মরতে এসেছি আর তুমি আমাকে স্পেলিং শিখাচ্ছো?
ঠিক তখনই ফিরোজা বেগমের কন্ঠ স্বর শুনে মাহির হকচকিয়ে উঠল । সামান্য একটু নড়তেই ব্যালেন্স হারিয়ে ছাদ থেকে পড়ে যেতে নিলে গ্রিলে ধরে আটকে আছে। মাহির এখন ঝুলে আছে, নিচের দিকে তাকাতেই তার কলিজা ছলাৎ করে উঠল ।এখান থেকে পড়লে বাঁচতে আর হবে না। এদিকে মাহিরকে হুট করে পরে যেতে দেখে ননী ভয়ে চিৎকার দিয়ে উঠল । নিজের ওরনাটা দুহাতে মেলে ধরে বলল,
— মাহির ভাই আপনি ভয় পাবেন না। আপনি শুধু লাফ দিন আমি আপনাকে ক্যাচ ধরব।
একদিকে ফেসে আছে ওপর দিকে ননীর বেক্কল মার্কা কথা শুনে মাহির রেগে কর্কশ স্বরে বলল,
— মাইয়া তুই কি ভাতের বদলে গু খাস? আমি এখান থেকে লাফ দিলে তোর মতো চুনোপুঁটি মেয়ে নিজের সামান্য ওরনা দিয়ে বাঁচিয়ে নিবি? এই মেয়ে এই, তোর মাথায় কি ঘিলু নামক জিনিসটা নেই?
ননী অভিমানী সুরে বলল,

— আমি তো আপনাকে বাচাঁনোর জন্য বলছিলাম আর আপনি কিনা আমাকেই কথা শুনাচ্ছেন? এটা কিন্তু ঠিক না মাহির ভাই। আমি আপনার অভিমান করেছি।
— তোর অভিমানের গুল্লি মারি। আমার মা যা তাড়াতাড়ি গিয়ে কাউকে ডেকে নিয়ে আয়। বেশিক্ষণ এভাবে ঝুলে থাকতে পারব না আমি।
ননী তাড়াতাড়ি করে চিত্রা ও মেহুকে ডেকে আনলো।মাহিরের অবস্থা দেখে রিতিমতো আতকে উঠল তারা । চিত্রা ও মেহু মিলে মাহিরকে উপরে টানতে আরম্ভ করে আর ননী নিচ থেকে ওরনা আবারো ভালো করে ধরে বলল,
— চিতুপু তোমরা চিন্তা করো না, মাহির ভাই পড়ার সাথে সাথে আমি ক্যাচ ধরে ফেলব।
মাহির এদের তিনজনের কান্ড দেখে বলল,
— ইয়া মাবুদ কোন অলক্ষুণে আমি এ ঘরে জন্ম নিলাম। তুমি কেনো আমাকে এখানে পাঠালে মাবুদ। সবকটা পাগলের দল । আরে খবিশের ঘরে খবিশ, তোরা আমাকে তুলতে পারবি? ওই হেডাম তোদের আছে? যা গিয়ে আহির আবইয়াজকে নিয়ে আয় বেক্কলের দল ।
চিত্রা রেগে বলল,

— হ্যাঁ আমরা তো ভুলেই গিয়েছিলাম তোমার মতো জলহস্তীকে আমাদের দ্বারা তোলা সম্ভব না। বেশি বেশি করলে একেবারে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দিবো ।
মাহির মুখটা কাঁদো কাঁদো করে বলল,
— আমার মতো অসহায় বালকের সাথে তোরা এতো অন্যায় করছিস? আল্লাহ এতো পাপ সইবে না ।
এদের কথার মাঝেই আবইয়াজ ও আহির উপস্থিত হলো। কোনো রকমে টেনেটুনে মাহিরকে উপরে তুলল। আহির কপালের ঘাম সরিয়ে হাপাঁতে হাপাঁতে বলল,
— ভাই আগেই বলেছিলাম একটু কম করে খা। যদি আমার কথা তখন শুনতি তাহলে আজকে আমাদের এত কষ্ট হতো না তোর মতো হাতিকে উপরে তুলতে।
— আমাকে খাবারের খোটা দিচ্ছিস? লাভ নেই তবুও আমি খাবো ।
ওদের তর্কের মাঝে আবইয়াজ মেহুর দিকে তাকালো কিন্তু মেহু তাকে পাত্তা না দিয়ে মুখ ভেংচি কেটে চলে গেল। আবইয়াজ সেদিকে তাকিয়ে শুধু মলিন হাসলো ।

অনেকদিন পেরিয়েছে কিন্তু কিছুই হচ্ছে না। একটা অনলাইন পেইজ খুলেছিল কিন্তু আজ অবধি একটা অর্ডার আসলো না। আবইয়াজ, মাহির ও আহির, হতাশ হয়ে দু-গালে হাত দিয়ে পাশাপাশি বসে আছে ।ও হ্যাঁ মাহির ও এখন ওদের সাথে যোগ দিয়েছে। ওদের অনলাইন পেইজে সব কিছু আছে যার দরুন আবইয়াজ পেইজের নাম দিয়েছে জগাখিচুড়ি শালগম. কম।
বসে বসে কিছু একটা প্ল্যান করে কাজে লেগে পরল আবইয়াজ আহির ও মাহির। বড় একটা ব্যানার হাতে নিয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল তারা। ব্যাপারটা ননী খেয়াল করেছে, দৌড়ে গিয়ে মেহু ও চিত্রাকে জানিয়েছে। ননী, মেহু, চিত্রা লুকিয়ে লুকিয়ে ওদের পিছন নিলো।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে আবইয়াজ ও আহির। তাদের থেকে কিছুদূর গাড়ির ভিতর বসে আছে মাহির। আবইয়াজ চোখে ইশারা করতেই মাহির গাড়ি স্টার্ট করল। হাই স্পিডে গাড়ি এসে থামল আবইয়াজের সামনে ।আবইয়াজ মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। এদিকে আহির হাউমাউ করে কেঁদে উঠল। আশে-পাশের মানুষ সব তাদের ঘিড়ে দাঁড়াল। ব্যাপারটা বোধগম্য হতেই আবইয়াজ শুয়া থেকে উঠে বসে ব্যানারটা দেখিয়ে বলল,

— এটা আমাদের অনলাইন পেইজ জগাখিচুড়ি শালগম. Com। মহিলা পুরুষ হতে বাচ্চা পর্যন্ত সবার জন্য রয়েছে সব কিছু ।এমন কিছু নেই যে পাবেন না। তাই দ্রুত অর্ডার করুন আমাদের পেইজ থেকে।
এদের কাহিনী দেখে উপস্থিত সকলের চক্ষু চকড়গাছ। সবাই পাগল বলে চলে গেল। আহির আবইয়াজ ও মাহির হতাশ হয়ে রাস্তার ধারে বসে রইল। এদিকে দূর থেকে ওদের কান্ড দেখে ননী, মেহু, চিত্রা হেঁসে কুপোকাত ।
কিয়ক্ষনবাদ হঠাৎ কোথা থেকে গুলির শব্দ ভেসে এল ।চোখের সামনেই আহির মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। আকস্মিক ঘটনায় হতবম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে রইল চিত্রা। মেহু ও ননীর দৌড় দেখে সৎবিৎ ফিরে পেতেই চিত্রা আহিরের কাছে ছুট লাগলো।মাহির তো ভাইকে জড়িয়ে ধরে বিলাপ করা আরম্ভ করে দিয়েছে। আবইয়াজ এখনো ঘোরের মাঝে আছে। আহির নিভু নিভু চোখে ওদের দিকে তাকিয়ে আছে। আহির হাত দিয়ে নিজের বুক চেপে ধরে রেখেছে।
চিত্রা দৌড়ে এসে আহিরের কাছে বসে পড়ে। হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে বলে উঠে,

— আহির ভাই তোমার কি হলো। আহির ভাই প্লিজ কথা বলো এভাবে থেকো না। তুমি চিন্তা করো না আহির ভাই ঠিক হয়ে যাবে তুমি। তোমাকে এখনই হাসপাতালে নিয়ে যাবো আমরা। ও আহির ভাই তাকাও আমার দিকে ।
চিত্রাকে আহির ভাই আহির ভাই বলে মুখে ফেনা তুলতে দেখে আহির কপাল কোঁচকে বিরক্ত নিয়ে শোধালো,
— বজ্জাত বেডি, সারাজীবন ভাই ডাকেনি এখন আমার উপর থেকে ডাক এসেছে, এখন আসছে ভাই ডাকতে । কোথায় ও ছাইয়া ও ছাইয়া ডাকবে তা না করে আহির ভাই আহির ভাই বলে মুখে ফেনা তুলছে। শালি ঘসেটি বেগমের খালাতো বোন, মীরজাফরের সতীনের বউ।
কথাটা বলে আহির এবার আবইয়াজের দিকে তাকিয়ে কর্কশ স্বরে বলল,

— বলি বসে বসে আমার চেহারা কি গিলছিস আমাকে হসপিটালে নিয়ে যা না হলে অন্তত অ্যাম্বুলেন্স ডাক। এখানে শুয়ে থাকতে বিরক্ত লাগছে আমার।
এবার বুকে চাপ দিয়ে আহির আবারো বলল,
— ওও মা কি ব্যথা।
দ্রুত গাড়িতে করে আহিরকে হাসপাতালে নেওয়া হলো। তরিগরি করে ওকে ওটিতে ঢোকানো হলো।ডাক্তার রুমে ঢুকে যেই আহিরের বুকে হাত দিলেন তিনি আশ্চর্য বনে গেলেন। ডাক্তারকে নিজের দিকে হা হয়ে তাকিয়ে থাকতে দেখে আহির নাক সিটকে বলল,
— আমি জানি আমি অনেক হ্যান্ডসাম তাই বলে আপনি পুরুষ হয়ে আমার দিকে নজর দিবেন? আপনার ঘরে কি বাপ ভাই নেই। এভাবে হা হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন কেনো তাড়াতাড়ি গুলি বের করুন। মরে যাবো তো আমি।
— গুলি থাকলে তো বের করব।
আহিরের কপালে সূক্ষ্ম ভাঁজ পড়ল ডাক্তারের উত্তর শুনে।
— মানে!!
— আপনার কোনো গুলি-ই লাগেনি । নিজের দিকে তাকিয়ে দেখুন।
আহির নিজের দিকে তাকিয়ে দেখল আসলেই তো তার গুলি লাগেনি। মানে সে ঠিক আছে? আহির খুশি হয়ে ঢ্যাং ঢ্যাং করে রুম থেকে বেরিয়ে গেল।
ওটি থেকে আহিরকে এভাবে বের হতে দেখে কপাল কোঁচকে আসে সকলের। আহিরের পিছন পিছন ডাক্তার বেরিয়ে আসে। আবইয়াজ ডাক্তারের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল,

— ও এতো তাড়াতাড়ি সুস্থ হলো কিভাবে? ওর না গুলি লেগেছে?
ডাক্তার দু-দিকে মাথা নেড়ে বড় দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন,
— ওনার কোনো গুলি লাগেনি। অতিরিক্ত ভয়ে ওর মস্তিষ্ক ওকে জানান দিয়েছে ওর গুলি লেগেছে, এ কারনেই ও এতক্ষণ না বুঝেই প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে ।
নিজের কথা শেষ করেই ডাক্তার চলে গেল। আহির এখনো দাতঁ কেলিয়ে ওদের দিকে তাকিয়ে আছে । চিত্রা চোখের পানি মুছে রেগে বলল,

— হুদ্দাই তোর মতো ভাদাইম্মার জন্য আমি আমার মুল্যবান আখি জল বিনষ্ট করলাম ।থুর।
আহির চিত্রার দিকে তাকিয়ে বলল,
— আমার থেকে ওই চোখের জলের মুল্য তোর কাছে বেশি? শুন চৈত্রের খরা মৃত্যুর আগ অবধি এই আখি জল পাবি কিন্তু এই মহামুল্যবান আমি হারিয়ে গেলে কখনো খুঁজে পাবি না।
আহিরের ভাব দেখে চিত্রা তাচ্ছিল্য হেঁসে বলে,

মন পবনে বৃষ্টি পর্ব ৩৭

—হ ভাদাইম্মা।
— এই চিতাশাল একদম রাগ উঠাবিনা।
চিত্রা দ্বিগুণ তেড়ে এসে,
— কি করবি তুই?
আহির জিভ বের করে চিত্রাকে ভেংচি কাটে । চিত্রা রেগে পাশে থাকা ট্রেচার দিয়ে আহিরের মাথায় বারি মারে । আহির চোখ উল্টে সেখানেই লুটিয়ে পড়ে ।

মন পবনে বৃষ্টি পর্ব ৩৯