Home মেরিগোল্ড সেনোরিটা মেরিগোল্ড সেনোরিটা পর্ব ১৩

মেরিগোল্ড সেনোরিটা পর্ব ১৩

মেরিগোল্ড সেনোরিটা পর্ব ১৩
ফারহানা নিঝুম

দগ্ধ দুপুরের দাবদাহে যেন সমগ্র সিউল থম মেরে আছে। সিউল আর্ট ইউনিভার্সিটির বিস্তীর্ণ ক্যাম্পাসজুড়ে গরমের দমবন্ধ করা আবেশ। কংক্রিটের পথঘাট পর্যন্ত উত্তাপে ঝিমিয়ে উঠেছে। সেই অসহনীয় আবহাওয়ার মাঝেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার এক কোণে বসে আছে ঝুমঝুম। বিরক্তি, ক্লান্তি আর অপেক্ষার দীর্ঘশ্বাস মিলেমিশে তার মুখাবয়বে স্পষ্ট অস্বস্তির রেখা এঁকে দিয়েছে।
ললাট জুড়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ঘামের বিন্দু জমে উঠেছে; কয়েক ফোঁটা আবার কানের পাশ বেয়ে ধীরে ধীরে নেমে আসছে গলদেশে। ঘামে সিক্ত পিঠের সঙ্গে টিশার্টটা এমনভাবে লেপ্টে আছে যেন দ্বিতীয় চামড়া। অতিষ্ঠ ভঙ্গিতে দু’হাত ঘষে টেবিলের উপর রাখা প্রিয় কিটক্যাট চকলেটটা ছিঁড়ে মুখে পুরে নিল সে। মেজাজ তখন রীতিমতো বিস্ফোরণের দ্বারপ্রান্তে।
ঠিক সেই মুহূর্তেই পেছন দিক থেকে হঠাৎ একজোড়া কোমল বাহু এসে তাকে জড়িয়ে ধরল।

“মাশা!”
চিরপরিচিত কণ্ঠস্বর কানে আসতেই ঝুমঝুম তীক্ষ্ণ ভঙ্গিতে ঘাড় ফিরিয়ে তাকাল। সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটির চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা। সে চশমাটা নাকের ডগায় ঠেলে দিয়ে কিঞ্চিৎ অপরাধবোধ মিশ্রিত স্বরে বলল,
“সরি, ইয়ার। আসতে একটু লেট হয়ে গেল।”
বাক্যটা শুনে ঝুমঝুমের বিরক্তি যেন আরও বহুগুণ বেড়ে গেল। ক্ষুব্ধ কণ্ঠে প্রায় চিৎকার করেই বলে উঠল,
“এক ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছি আমি! আর তুই এখন এসে শুধু সরি বলছিস? তোর জন্য আজ ক্লাসেও যাইনি!”
মেয়েটা নির্বিকার ভঙ্গিতে ফকফকা দাঁত বের করে হাসল। সেই হাসিতে বিন্দুমাত্র অনুশোচনার ছাপ নেই।
“সরি জানু। প্লিজ রাগ করিস না।”
“স্টপ ইট, প্রিয়া!”

হ্যাঁ, সামনে দাঁড়িয়ে থাকা রমণীর নাম প্রিয়া শিকদার। সিউল আর্ট ইউনিভার্সিটির চারুকলা বিভাগের সবচেয়ে চঞ্চল, প্রাণবন্ত এবং দেরি করার স্বভাবে কুখ্যাত মেয়েদের একজন। ঝুমঝুম সেই দেরি করা আসা মেয়েটির সদ্য হওয়া বেস্ট ফ্রেন্ড! সদ্য বলার কারণ হচ্ছে এখানে প্রিয়া মাত্র সাত মাস হতে চলল এসেছে। তারপর পরিচয় হয়েছে দু’জনের, অতঃপর দুজনেই বেস্ট ফ্রেন্ড। আজকেও প্রিয়ার জন্য ঝুমঝুম নিজের ভালোবাসার মানুষটির দেখা পেলো না আর না তার সাথে যেতে পারল!
প্রিয়া রিনিঝিনি গলায় বলল,

” প্রণয় ভাইয়া কি চলে গেছে?”
প্রিয়ার প্রশ্নে কটমট দৃষ্টিতে তাকালো ঝুমঝুম।
প্রণয় তাদের ডিপার্টমেন্টের একজন। শুধু একজন বলে ভুল হবে সকলের ক্রাশ হচ্ছে প্রণয়! এই প্রণয়ের জন্য পুরো ইউনিভার্সিটি পাগল সেখানে প্রণয় পাগল ঝুমঝুমের জন্য! প্রণয়কে যখনই সামনাসামনি দেখে ঝুমঝুম তখনই হৃদয়ে উষ্ণতা অনুভব করে! ভালোবাসা নামক অনূভুতি তার কাছে প্রণয়! সেই প্রণয় কিনা আজ তাকে বলেছে বাইকে উঠতে বাড়িতে ছেড়ে দেবে অথচ ঝুমঝুম যেতে পারল না শুধুমাত্র প্রিয়ার জন্য! এই মেয়েটা সবসময় এমন করে!
“তুই সবসময় আমার প্রেমে বাগড়া হয়ে দাঁড়াস প্রিয়া! আরেকটু আগে আসলে কি হতো? তুই জানিস আজ প্রণয় ক্লাস করবে না বলে বাড়ি চলে গেছে। আমাকেও বলেছিল যেতে অথচ শুধুমাত্র তোর জন্য আমি যেতে পারলাম না!”
ঝুমঝুমের প্রতিটি বাক্য থেকে ক্ষোভ ঝরছে! কিন্তু প্রিয়া করবেটা কি? সে কি ইচ্ছে করে এমন করেছে? তার দ্বারা হয়ে গেছে ভুল! সকাল সকাল এক অসভ্য লোকের গাড়ির সম্মুখে পড়েই তো দেরি হয়ে গেল!
“আরে ইয়ার আমার দোষ কোথায়? আজ হঠাৎ একটা গাড়ির সামনে পড়ে গিয়েছিলাম তারপর দেখ..দেখ কি হয়েছে!”

নিজের হাতের কনুই দেখাতে উদ্ধত হয়ে উঠল প্রিয়া! পরণের ফ্রকটার হাতায় র’ক্তের ছোপ ছোপ দাগ দেখে আঁতকে উঠে ঝুমঝুম! তৎক্ষণাৎ ছু মেরে প্রিয়ার হাতটা নিজের দিকে টেনে নিল!
“এটা?এটা কি করে হলো তোর? কি করিস তুই? দেখি!”
হাতের উপর থেকে কাপড়ের আবরণ সরিয়ে জায়গাটা দেখতে লাগল ঝুমঝুম! অনেকখানি কেটে গেছে! রাগে মস্তিষ্ক দপদপ করে জ্বল’ছে কন্যার! চোখে ক্রোধের উষ্মা প্রজ্বলিত হয়!
এক মূহুর্ত বিলম্ব না করে ক্যাম্পাস ছেড়ে বেরিয়ে এলো। সর্বপ্রথম প্রিয়াকে নিয়ে ডক্টরের কাছে গেল। হাতে ওয়ান টাইম ব্যান্ডেজ করিয়ে আনে!

“এবার বল কি হয়েছে?”
প্রিয়া তপ্ত নিঃশ্বাস ছেড়ে বলল,
“আর বলিস না হুট করে একটা গাড়ি সামনে চলে এসেছিল এরপর ব্যথা পেলাম!”
ঝুমঝুম ডান ভ্রু উর্ধ্বে তুলে বলল,
“তুই কিছু বলিসনি?”
প্রিয়া হতাশ হলো, এই মেয়েটা খুব একটা তর্ক করতে পারেনা কারো সাথে! আজকেও তাই হলো। ওই অজ্ঞাত লোকটাকে ছেড়ে দিলো!
“কি বলব? কিছু বলার আগেই তো পালিয়ে গেল! তুই জানিস মুখে মাস্ক আর মাথায় ইয়া বড় ক্যাপ পরা ছিলো লোকটার!”
প্রিয়ার কথায় ভ্রুদ্বয় আড়াআড়িভাবে কুঁচকে নিল ঝুমঝুম। ক্ষিপ্ত মেজাজে বলল,
“বাহ্! চমৎকার! তুই কিছুই বললি না অথচ আমি কিছু বললে ঘ্যানঘ্যান করে কানের মাথা খেতি!”
প্রিয়ার মুখশ্রী আনত হলো!
ওমনি পিছন থেকে এক পুরুষালী কন্ঠস্বর ভেসে এলো,

“হেই মাশা!”
চকিতে ফিরে তাকালো ঝুমঝুম আর প্রিয়া দুটোতে! যেই পিছন ফিরল ওমনি বিদ্যুৎপৃষ্টের ন্যায় কেঁপে উঠলো প্রিয়া!
“আপনি?”
চক্ষু সম্মুখে সেই নারীকে দেখে স্তব্ধ, বাকরুদ্ধ প্রায় জিয়ান! হ্যাঁ এটা তো সেই নারী যে গাড়ির সম্মুখে পড়েছিল!
ঝুমঝুম মাস্কের আড়ালে আবৃত জিয়ানকে চিনতে সক্ষম হলো না , জিয়ান তাদের সন্নিকটে এসে দাঁড়ালো। এতক্ষণে তাকে চিনতে সক্ষম হলো ঝুমঝুম। মেয়েটা যেই না কিছু বলতে যাবে ওমনি প্রিয়া খ্যাঁক করে উঠল,
“এইতো সেই লোক! এই মাশা এই সেই লোক যে আমাকে এক্সিডেন্ট করেছিল!”
ঝুমঝুম আঁখি পল্লব ফেলতেই বুঝি ভুলে গেছে! জিয়ান থমথমে মুখকরে চেয়ে আছে। প্রিয়া থামবার পাত্রী নয়! সে আপন মনে গল্প বলেই যাচ্ছে!
“দেখছিস লোকটা কিভাবে মাস্ক পরে চোরের মতো ঘুরঘুর করছে? আমাকে ফেলে পালিয়ে গিয়েছিল!”
জীবনে প্রথম বার কারো মুখ থেকে চোর সম্বোধন পেয়ে মাস্কের আড়ালে ঢাকা ওষ্ঠোদ্বয় আলাদা হয়ে গেল জিয়ানের। ঝুমঝুম নিজেও হা হয়ে গেল প্রিয় বান্ধবীর কথা! তৎক্ষণাৎ তাকে থামানোর প্রয়াস চালিয়ে বলল,

“আরেএএ তুই কাকে কি বলছিস? তুই জানিস উনি কে?”
প্রিয়া নাক ছিটকে বলল,
“উনি কোন হরিদাস পাল শুনি?”
ঝুমঝুম কপাল চাপড়াতে চাপড়াতে বলল,
“উনি টিম আলফার একজন সিঙ্গার, জিয়ান!”
প্রিয়া কথাটা প্রথমে ততটা গুরুত্ব না দিলেও কর্ণ কুহুতে ‘জিয়ান’ নামটি ঝংকার তুলল রীতিমতো। বিস্ময়ে চিৎকার করে বলল,
“কীঈঈঈ?”
ঝুমঝুম আর কিছু বলবে তার পূর্বেই জমিনে লুটিয়ে পড়ল কন্যা!

প্রচণ্ড মস্তিষ্ক যন্ত্রণায় প্রায় বিপর্যস্ত হয়ে আছে শয্য। করোটির ভেতর যেন অসংখ্য অদৃশ্য কীট নিরবচ্ছিন্নভাবে কুরে কুরে খাচ্ছে স্নায়ুগুলো।
লিভিং রুমে পা রাখতেই নাসারন্ধ্রে ভেসে এলো চিরচেনা মাতৃত্বের মাদকতাময় সুবাস। মুহূর্তেই ক্লান্ত অধরে ফুটে উঠল ক্ষীণ প্রশান্তির রেখা।
কিচেন কাউন্টারের টুকটাক শব্দ কানে যেতেই বুঝে গেল মানুষটা আজ সম্ভবত অফিসে যায়নি।
শয্য নিঃশব্দে সোফায় গিয়ে বসল। কিছুক্ষণ পর কেউ একজন তার পেছনে এসে দাঁড়ালো। ধোঁয়া ওঠা কফির কাপ বাড়িয়ে দিয়ে মৃদু স্বরে প্রশ্ন করল,
“হেডেক হচ্ছে?”
শয্য দৃষ্টি তুলল। সম্মুখে সেই সুশ্রী নারী, যিনি অবলীলায় সামলে রাখেন পুরো একটি পরিবার, অফিস এবং তার মতো উগ্র, বেপরোয়া, দুর্বিনীত ছেলেকেও। অথচ এতকিছুর পরও মানুষটাকে কখনো ক্লান্ত লাগে না; সমান মমতায় আগলে রাখে সকলকে।
“ভীষণ!”

জেসমিন বাদশাহ ছেলের হাতে কফির কাপ ধরিয়ে দিয়ে আলতোভাবে এলোমেলো ওল্ফ-কাট চুলে আঙুল চালাতে লাগলেন। স্পর্শের আবেশে শয্যের আঁখিপল্লব ধীরে ধীরে নিমীলিত হয়ে এলো।
ফাঁকেফাঁকেই কফিটাও শেষ করল সে।
ঘুমে ভারী হয়ে আসছে শয্যের চোখ। গত পুরো রাতটাই নির্ঘুম কেটেছে তার। ঘণ্টার পর ঘণ্টা গেইম খেলায় ডুবে ছিলো সে। অথচ আজকের দিনটা ভীষণ ব্যস্ত। খুব শীঘ্রই তাদের বিশাল এক কনসার্ট, যার প্রস্তুতি নিয়েও যথেষ্ট চাপ যাচ্ছে। তার উপর সে একটি নামকরা কোম্পানির ব্যান্ড অ্যাম্বাসেডর; সেই কোম্পানির প্রোডাক্ট ওনারের সঙ্গে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ মিটিং।
শয্যের এই এক ভয়ানক স্বভাব অতিরিক্ত মানসিক চাপে তার নিদ্রা একেবারেই উধাও হয়ে যায়।
“মাম্মা?”
“হুঁ।”

সেই মোহাচ্ছন্ন কন্ঠস্বর। জেসমিন বাদশাহর কোলে মাথা রেখে ঘুমানোর তীব্র ইচ্ছা জাগ্রত হয় মন কাননে। শয্য নিবিড়ভাবে আবদার জুড়ে দিল,
“কোলে মাথা রেখে ঘুমোতে চাই।”
জেসমিন বাদশাহ দেখলেন নিজের নাড়িছেঁড়া উগ্র ছেলেটাকে! সন্তান তার ভেতরে ভেতরে বড্ড একা! একাকিত্ব ক্রমশ তাকে গ্রাস করে নিচ্ছে! না কাউকে সে তার ব্যথার কথা না কাউকে বলতে পারছে আর আর সইতে পারছে!
দৃষ্টি জোড়ায় আদ্রর্তা জমেছে! জেসমিন বাদশাহ গিয়ে সোফায় বসলেন। ওমনি লম্বালম্বিভাবে শুয়ে তার কোলে মাথা রাখল শয্য! জেসমিন বাদশাহ স্বাচ্ছন্দ্যে পুত্রের মাথায় হাত বুলিয়ে চুল টেনে দিতে লাগলেন!
ধীরে ধীরে গভীর তন্দ্রায় তলিয়ে যেতে লাগল শয্য!
ঠিক সেই সময় দরজার সম্মুখে এসে থামল আব্রাহাম। মূলত তার উদ্দেশ্য ছিল জেসমিন বাদশাহকে ডেকে নিয়ে যাওয়া জুঁইকে নিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করার জন্য।
কিন্তু পরক্ষণেই দৃষ্টির সামনে ভেসে ওঠা দৃশ্যটি তাকে নিঃশব্দে স্থবির করে দিল।
জেসমিন বাদশাহর কোলের উপর মাথা রেখে নিশ্চিন্তে শুয়ে আছে শয্য। আর তিনি অপার স্নেহে ছেলের এলোমেলো চুলে আঙুল বুলিয়ে দিচ্ছেন। দৃশ্যটা এতটাই কোমল, এতটাই মায়াময় যে শব্দ দিয়ে তার গভীরতা ব্যাখ্যা করা অসম্ভব।

আব্রাহাম জানে, জেসমিন বাদশাহ তাকে ভীষণ ভালোবাসেন। কখনো সেই ভালোবাসায় ত্রুটি রাখেননি তিনি। তবুও এই মুহূর্তে বুকের ভেতর অদ্ভুত এক শূন্যতা ধীরে ধীরে বিস্তার লাভ করল। কারণ কিছু দৃশ্য থাকে, যা হাজার শব্দের চেয়েও অধিক স্পষ্ট।
এই দৃশ্যটাও ঠিক তেমন। যে কেউ একনজর দেখলেই বুঝে যাবে নারীটি শয্যকে নিঃশর্ত, নিঃস্বার্থ, ভয়ংকর রকম গভীর ভালোবাসেন।
আব্রাহামের হঠাৎই মনে হলো, জীবন তাকে সবকিছু দিয়েছে। পরিবার দিয়েছে, ভাইবোন দিয়েছে, সম্পর্ক দিয়েছে, এমনকি “মামুনি” বলে ডাকবার মানুষটাকেও দিয়েছে। তবুও কোথাও যেন সে অপূর্ণ।
কারণ কিছু ভালোবাসা থাকে বিশাল আয়োজনের মধ্যে নয়, লুকিয়ে থাকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্পর্শে মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়ায়, ক্লান্ত চোখে মমতার দৃষ্টি রাখায়, কিংবা নিরবতায় কাউকে আগলে রাখায়।
আর সেই ক্ষুদ্র আদরগুলোতেই লুকিয়ে থাকে সবচেয়ে গভীর মায়া।
যে মায়া হয়তো আব্রাহাম কোনোদিনও পাবে না। দীর্ঘ এক নিঃশ্বাস ছেড়ে আব্রাহাম আপন মনে বিড়বিড় করে বলল,

মেরিগোল্ড সেনোরিটা পর্ব ১২

“সুনন্দার মতো কিছু নারী অন্যের সংসারে ভাঙন ধরায়, আর জেসমিন বাদশাহর মতো কিছু নারী সেই ভাঙা সংসারকে আবার জোড়া লাগায়।
আফসোস, দুজনেই নারী কিন্তু একজন ভাঙার পথে হাঁটে, আরেকজন গড়ে তোলার নীরব কারিগর হয়ে থাকে।”

মেরিগোল্ড সেনোরিটা পর্ব ১৪