Home মেরিগোল্ড সেনোরিটা মেরিগোল্ড সেনোরিটা পর্ব ১৪

মেরিগোল্ড সেনোরিটা পর্ব ১৪

মেরিগোল্ড সেনোরিটা পর্ব ১৪
ফারহানা নিঝুম

“বাবা, আমার সোনা বাবা, একটুখানি দাঁড়াও!”
আকুল আর্তিতে উচ্চারিত কণ্ঠস্বর বাতাস চিরে ধাবিত হলো সম্মুখপানে ছুটে চলা ক্ষুদ্র অবয়বটির দিকে। কিন্তু দুরন্ত শিশুটির পদযুগল যেন স্থিরতার সংজ্ঞাই বিস্মৃত হয়েছে। ওগুলো আর পদযুগল নয়, যেন অদৃশ্য পক্ষপ্রসারিত কোনো চঞ্চল পাখির ডানা এক মুহূর্তও স্থির থাকার অবকাশ নেই।
“মাম্মা, আমাকে তুমি ধরতে পারো না!”
পিছনে ছুটে আসা রমণীটি ক্রমশ শ্রান্ত হয়ে পড়লেন। বক্ষ উত্থান-পতনে ব্যস্ত, শ্বাসপ্রশ্বাস অস্থির। অবশেষে হাঁপাতে হাঁপাতে ক্লান্ত কণ্ঠে বললেন,

“এভাবে মা’কে দৌড় করাচ্ছো, শয্য? দেখো, মায়ের খুব কষ্ট হচ্ছে সোনা!”
বাক্যখানি কর্ণকুহরে প্রবেশ করতেই যেন আকস্মিক কোনো অদৃশ্য শক্তি শিশুটির গতিকে স্তব্ধ করে দিল। সহসাই থমকে দাঁড়াল ক্ষুদে শয্য।গোলগাল মুখখানি ধীরে ধীরে ঘুরিয়ে মায়ের দিকে তাকালো সে।নিষ্পাপ শিশুচক্ষুদ্বয়ে মুহূর্তেই ফুটে উঠল অনুতাপের আবছা ছায়া।বোধহয় কোমল হৃদয়ের সেই অবোধ প্রাণটি প্রথমবারের মতো উপলব্ধি করল তার দুরন্তপনাও প্রিয়তম মানুষটির ক্লান্তির কারণ হতে পারে।
ঘুমন্ত আচ্ছন্ন চক্ষুদ্বয় উন্মীলন করে দৃষ্টিপাত করা তার পক্ষে ক্রমেই দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছে! কপাল কিঞ্চিৎ কুঞ্চিত হয়ে এলো যুবকের! কর্ণপথে তীব্র এক মেয়েলি কন্ঠস্বর ঝংকার তুলছে। অনবরত ধ্বনিত হয়ে উঠছে। তন্দ্রাভাব টুকু ধীর গতিতে বিলীন প্রায়; স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে কেউ অতি সন্নিকটে বসে আছে তার!
অতিশয় নিকট থেকে পুনঃপুনঃ করে ডাকছে,

“ভাইয়া? ও ভাইয়া ওঠুন!”
ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা শয্য শুনতে পাচ্ছে তথাপি নেত্রযুগল চোখ খুলতে পারছেনা! উদরের উপর অদ্ভুত কিছু একটা হেঁটে যাচ্ছে। কোমল ,লঘু অনায়াসে বিচরণ করে চলেছে। যার স্পর্শে সূক্ষ্ম সুড়সুড়ির অনূভুতি জাগ্রত হচ্ছে তার।
হঠাৎ ঝড়ের বেগে মাথাটা নিজের উদরের সাথে সেই কোমল , অজানা বস্তু চেপে ধরল! সত্যি বস্তুটি অতিশয় নরম। অবাক করা কোমলতার অনুভব স্পষ্ট।
দেহজুড়ে এক বিচিত্র তরঙ্গায়িত অনূভুতি প্রবাহিত হয়ে গেল ঝুমঝুমের! নিঃশ্বাস রুদ্ধপ্রায়! নিজের মাথাটা প্রাণপণে চেষ্টা করছে শয্যের পেটের উপর থেকে তুলে আনার!
অকস্মাৎ অনুভূত হলো শয্য কেশরাশিতে সস্নেহে হাত বুলাতে ব্যস্ত ।
কন্ঠনালি বেয়ে বড় একখান ঢোক নেমে গেল পাকস্থলীতে!
ক্ষীণ স্বরে আর্তনাদ উঠলো কন্যা,

“ভাইয়া ছাড়ুন। শয্য ভাইয়া কি করছেন ছাড়ুন!”
মেয়েলি কণ্ঠটি ক্রমশ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে লাগল যুবকের কানে। হঠাৎ নেত্র উন্মোচন করতেই নিজের অতি নিকটে ঝুমঝুমকে দেখে সে হতচকিত হয়ে পড়ল। মুহূর্তেই তাকে মুক্ত করে দিল।
পরমুহূর্তেই ভারসাম্য হারিয়ে কন্যাটি মেঝেতে ছিটকে পড়ল। সে প্রথম থেকেই সোফার পাশে বসে ছিল; যুবক সোফাতেই নিদ্রিত ছিল। আকস্মিক মুক্তির অভিঘা’তে ভারসাম্য রক্ষা করতে না পেরে সে পিছনের দিকে পতিত হলো।
যুবক কিছুটা বিস্মিত ও অপ্রস্তুত হলো। পরক্ষণেই কৃত্রিম গাম্ভীর্য ধারণ করে বলল,
“তুই এখানে কি করছিস? মাম্মা কোথায়?”
ঝুমঝুম দারুণ লজ্জা পেলো আজ! উঁহু আজ নয়। গত দু’দিন যাবত সে লজ্জায় ডুবে যাচ্ছে! কি সব অদ্ভুত কান্ড হচ্ছে তার সাথে!
ত্বরিত গতিতে বসা থেকে ওঠে দাঁড়ালো কন্যা! শিরনত হয়ে এলো। রিনরিনে গলায় বলল,

“আসলে ফু আম্মু বলল আপনাকে ডেকে নিয়ে যেতে।”
দৃষ্টি তীক্ষ্ণ হয়ে এলো শয্যের! ওই হ্যাজেলবর্ণের চক্ষুদ্বয়ে স্থির তাকাতে পারেনা কন্যা! কুন্ঠায় কুন্ঠিত হয়! মনে হয় যেনো এই দুটি নেত্র যুগল তীরের ফলা। হুটহাট তার হৃদয় এফোঁড়ওফোঁড় করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে!
চিবুক এসে ঠেকেছে বক্ষে! আগের ন্যায় মিনমিনে গলায় বলল,
“আজকে, জুঁই ভাবী রান্না করেছে। দুপুরের খাবার উনিই দেবেন। তাই ফু আম্মু বলল আপনি আজকে সকলের সাথে বসে লাঞ্চ করবেন!”
শয্য ট্রাউজার পকেটে হাত ঢুকিয়ে টানটান ভঙ্গিতে দাঁড়ালো! ওমন নিষ্প্রভ চাহনিতে তাকে চেয়ে থাকতে দেখে ঝুমঝুমের এক মূহুর্তের জন্য নিজেকে মুরগি বলে মনে হচ্ছে। সামনের মানুষটি শেয়াল,যে কোনো মূহুর্তে শিকার করবে তাকে!
দমবন্ধ হয়ে আসছে কন্যার! স্পন্দন তীব্র হচ্ছে!
শয্য একদৃষ্টিতে চেয়ে আছে ওই নত মুখপানে! স্নিগ্ধ কোমল ওই মুখমণ্ডল! শয্যের ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙ্গতে চায়। তার কানের কাছে কেউ প্রলোভন দেখায়।

“দাঁড়িয়ে আছিস কেন তুই,শয্য? ছুঁয়ে দে এই কন্যাকে! সে তো দিন শেষে তোরই।”
কিন্তু যখনই হাত বাড়ায় ছুঁতে তখনই মনে হয় এই কন্যা তো এক এমন নারীর যে অন্যের ঘর ভাঙতে পছন্দ করে!
মেজাজ অষ্টম আকাশ ছোঁয়! আচম্বিতে বলিষ্ঠ হাত খামচে ধরে ঝুমঝুমের বাহু! নির্দয় মানব অনূভুতি শূন্য চোখে তাকায় তার দিকে! বিরক্তিকর কন্ঠে বলে,
“ওদের গিয়ে বল আমি খাবোনা! আর মাম্মা বলিস জোর না করতে।”
ঝুমঝুম স্থির দৃষ্টিতে চেয়ে থাকে তার দিকে। বিস্ময়, অভিমান সব মিলিয়ে তার মুখাবয়বে এক অদ্ভুত স্তব্ধতা। এই মানুষটি এতটা রূঢ় কেন? তার ভেতরে কি একটুকুও কোমলতা অবশিষ্ট নেই?
শয্য তার দৃষ্টির সম্মুখীন হতে চায় না, অথচ অদ্ভুত এক আকর্ষণে চোখ ফিরিয়েও রাখতে পারে না। এক মুহূর্তের জন্য তার ইচ্ছে হয় ঝুমঝুমের গাল ছুঁয়ে, চোখে চোখ রেখে, ভেতরের জমাট বাঁধা অনুভূতির কঠিন স্তরগুলো ভেঙে দিতে।
কিন্তু সে নিজেকে সংযত করে। ঝুমঝুম ধীরে ধীরে দৃষ্টি সরিয়ে নেয়। অস্ফুট স্বরে বলে,

“ঠিক আছে। আমি বলে দেব।”
ঝুমঝুম নিজের স্মাইলি স্টিকার লাগানো ভ্যানিটি ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে গেল!
তখনই শয্যের দৃষ্টি নেমে আসে পায়ের কাছে। সেখানে ক্ষুদ্র কিছু কুটকুট শব্দে নড়াচড়া করছে। তাকাতেই দেখে পিউনিও বেবি, সেই ক্ষুদ্র কাঠবিড়ালীটি, এখনো সেখানেই রয়ে গেছে।
শয্যের ডান ভ্রু সামান্য উঁচু হয়ে যায়। সে ধীরে ধীরে হাঁটু গেড়ে বসে কাঠবিড়ালীর সামনে। তীক্ষ্ণ, শীতল দৃষ্টিতে তাকিয়ে হিসহিসে কণ্ঠে বলে,
“সব সময় তুই আমার অক্সিজেনের আশেপাশে কেন ঘুরঘুর করিস?”
কাঠবিড়ালীটি শুধু মাথা এদিক-ওদিক করে।
শয্য আরও একটু ঝুঁকে আসে। কণ্ঠে জেদ মিশিয়ে বলে ওঠে,
“ও কিন্তু শুধু আমার। মনে রাখিস।”
ঠিক সেই মুহূর্তেই ভেতরে আবার দ্রুত পায়ে ফিরে আসে ঝুমঝুম। চার চোখ মিলিত হয়। কন্যা কিছুটা লজ্জিত স্বরে বলে,
“পিউনিও বেবি!”
সে আঙুল তুলে কাঠবিড়ালীর দিকে ইশারা করে।
শয্য অবিচল নেত্রে চেয়ে আছে। ঝুমঝুম চুপচাপ এগিয়ে গিয়ে কাঠবিড়ালীটা নিয়ে দৌড়ে বেরিয়ে এলো!

“কি বোকা জুঁই ফুল, আমার থেকে পালাচ্ছো কেন?”
কিচেনে অকস্মাৎ আব্রাহামের আগমনে স্থবির বনে গেল জুঁই! লজ্জায় আড়ষ্ট হয় তনু মন দুই! চোখ দুটি যেই না নিবদ্ধ হলো আব্রাহামের দৃষ্টি যুগলে ওমনি থমকালো!
মস্তিষ্ক জুড়ে বিচরণ করছে সেই দৃশ্যকল্প! হ্যাঁ যখন জুঁই সকালে আব্রাহামকে বলেছিল কথাগুলো।
“আমি চাই আপনি আমাদের সম্পর্ক নিয়ে আরেকবার ভাবুন!”
আব্রাহাম শুনলো! সামান্য হাসলো অতঃপর এমন করল যা কস্মিনকালেও কল্পনা করেনি জুঁই!
বরফ খন্ডের ন্যায় স্থবির হলো তার সর্বাঙ্গ! আব্রাহাম তৎক্ষণাৎ গোলাপী রঙা পাতলা ওষ্ঠদ্বয় আঁকড়ে ধরে? কারো মুখে রা নেই! মোহাবিষ্টের ন্যায় একে অন্যের ওষ্ঠোদ্বয়ের স্বাদ নিতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছিল!
জুঁই থমকে গিয়েছিল পুরোপুরি। অনূভুতির টালমাটাল সাগরে ভেসে যাচ্ছে তৎক্ষণাৎ তার সমগ্র ভারটুকু সযত্নে সামলে নিয়েছিল আব্রাহাম!
সেই সকালের পর থেকে আর আব্রাহামের সম্মুখীন হয়নি জুঁই! তারা বাদশাহ হুমুক দিয়েছেন আজ সকলের জন্য দুপুরের রান্না সে করবে। নতুন বউয়ের প্রথম রান্না হবে তা। কিন্তু কল্পনা করেনি আব্রাহাম এভাবে কিচেনে চলে আসবে!

“আপনি এখানে কেন?”
“আমার বউ এখানে,তাই আমিও এখানে!”
জিভের ডগায় যেন জুঁইয়ের প্রতিটা প্রশ্নের জবাব সর্বদা রেডি থাকে আব্রাহামের।‌ কুন্ঠিত হচ্ছে কন্যা!‌নাকের পাটা ফুলিয়ে তিরস্কার জানিয়ে বলল,
“আপনি তো ভারী নির্লজ্জ! হুটহাট এতবউ বউ করছেন কেন? বাড়ির কেউ শুনলে কি বলবে জানেন? বলবে একরাতেই আমি আপনাকে বশ করেছি।”
“ঠিকই বলবে।”
পাল্টা জবাবে এহেন প্রত্যুত্তর শুনে চক্ষুদ্বয় সঙ্কুচিত হয়ে এলো জুঁইয়ের! আব্রাহাম ধীর গতিতে কিচেনে প্রবেশ করল! জুঁইয়ের সন্নিকটে এসে নিম্ন স্বরে বলল,
“তুমি এক রাতেই বশ করেছো আমাকে! সব জায়গায় এখন জুঁই ফুলকে কল্পনা করি। উঠতে, বসতে,খেতে এবং কি অফিসে মিটিংয়েও আমি তোমাকে দেখি।”
জুঁইয়ের কথা বুঝি কন্ঠনালিতে কুণ্ডলি পাকিয়ে আটকে আছে! ওষ্ঠদ্বয় কিঞ্চিৎ ফাঁক হয়ে এলো! লজ্জায় কথা বলতেই ভুলে গেছে রমণী!
আব্রাহাম তাকে টিজ করে গুনগুন করে করে বলে ওঠে,

“পাগল তোর জন্য রে, পাগল এ মন।”
পরক্ষণেই জুঁইয়ের একদম নিকটে এসে বলে,
“তোমাকে একটা চুমু খেয়ে আমার মন ভরেনি, জুঁই। চলো আরেকটা চুমু খাওয়া যাক।”
চুমুর কথা শোনা মাত্রই,তার বক্ষে দুহাত তুলে ধাক্কা দিলো জুঁই!
আতঙ্কিত কন্ঠে বলল,
“অসভ্য লোক। আপনি এত অসভ্য তা তো আগে বুঝতে পারিনি!
সশব্দে হেসে উঠলো আব্রাহাম! জুঁইয়ের শাড়ির আঁচল টেনে ধরে বলল,
“চলো রুমে যাই। আরেকটু অসভ্য হই।”
সহসা চোখ পাকিয়ে শাসালো জুঁই। কি দুষ্টু লোকরে বাবা। একদিনেই তাকে এমন জ্বালাতন করছে!
“আপনি যাবেন? আমাকে রান্না শেষ করতে হবে নয়তো চাচী আম্মু বকবেন!”
চাচী আম্মু বলতে যে তারা বাদশাহকে বুঝিয়েছে তা আন্দাজ করতে সক্ষম হয়েছে আব্রাহাম।
জুঁই কিছু ব্যক্ত করবে তা পূর্বেই ড্রয়িং রুম থেকে শুনতে পেলো রাজিব বাদশাহর কন্ঠস্বর।
“সবসময় তোমার ছেলে এমন করে, জেসমিন! তুমি ওকে সামলাতে পারো না!”
রাজিব বাদশাহর এহেন কথার পরিপ্রেক্ষিতে জেসমিন বাদশাহ সূক্ষ্ম খোঁচা মেরে বললেন,

“আমি সামলাতে না পারলে সে এতটা বড় হতো? নিজে তো দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো কাজ করে বসেছিলে! ভুলে গেছো অতীত?”
জেসমিন বাদশাহর উপর চরম পর্যায়ে রেগে গেলেন রাজিব বাদশাহ। চিড়বিড়িয়ে উঠলেন তিনি,
“জেসমিন,এখন খুব বাড়াবাড়ি করছো তুমি?”
আব্রাহাম আর জুঁই দ্রুত বেরিয়ে এলো।
ড্রয়িং রুমে ঝুমঝুম,তারা বাদশাহ, রিমঝিম এবং জেসমিন ও রাজিব বাদশাহ রয়েছেন!‌ আব্রাহাম ইশারায় ঝুমঝুমকে তার কাছে ডাকল!
চাপা স্বরে শুধোয়,
“কি হয়েছে?”

ঝুমঝুম একপল জুঁইয়ের দিকে তাকিয়ে লজ্জালু কন্ঠে বলল,
“শয্য ভাইয়া আসবেনা বলে জানিয়েছেন। এটা বলাতে রেগে গেছে চাচ্চু!”
আব্রাহাম দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়ল। ধিমি আওয়াজে বলল,

মেরিগোল্ড সেনোরিটা পর্ব ১৩

“আমি তো আগে থেকেই জানতাম শয্য আমাদের সাথে খাবে। জুঁই শুধু শুধু ওর জন্য রান্না করলে!”
আব্রাহাম বিরক্ত হয়ে স্থান ত্যাগ করল।‌সকলকে পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে গেল!
জুঁই নির্ভীকচিত্তে সকলকে দেখছে! সে খুব যত্ন নিয়ে সকলের জন্য রান্না করেছে। শ্বশুর বাড়িতে এই প্রথম তার রান্না করা আর সেখানে কি-না বাড়ির এক সদস্য খাবেনা বলছে?

মেরিগোল্ড সেনোরিটা পর্ব ১৫