হাওয়াই মিঠাই পর্ব ২৩
তামান্না ইসলাম শিমলা
সাভার সেনা শপিংমলের সেকেন্ড ফ্লোরে একটি শাড়ির দোকানে বসে আছে তাসলিমা, ইরা, রুনু। তাদের পেছনে দাঁড়িয়ে আছে তেহরাব,ইরার জন্য লেহেঙ্গা কেনা শেষ। ওর পছন্দ অনুযায়ী মিষ্টি রঙের লেহেঙ্গা নিয়েছে। তাসলিমা সোনালী রঙের একটি লেহেঙ্গা হাতে নিয়ে তেহরাবকে ডাকে,
“তেহরাব দেখতো লেহেঙ্গা টা কেমন? “
তেহরাব এক পলক তার মায়ের হাতে থাকা লেহেঙ্গা টার দিকে তাকায়,
“ভালোই, কিন্তু তনার জন্য আমি লেহেঙ্গা নিব না!”
তাসলিমা ভ্রু কুঁচকায়,
“লেহেঙ্গা নিবি না মানে, কি নিবি তাহলে? “
নিজের হাতে থাকা ফোনটা পকেটের ভিতর ভরে দোকানে এদিক ওদিক তাকায়, একটি লাল রঙের হালকা কাজের শাড়িতে নজর পড়ে তার। মনে মনে কল্পনা করে নাই তনয়াকে এই শাড়ি পরলে কেমন লাগবে, আনমনে হেঁসে উঠে তেহরাব। তার এলোকেশীকে দারুণ মানাবে,
“কিরে কই হারালি?”
তেহরাবের ধ্যান ভাঙে, শাড়ির দিকে তাকিয়ে বলে,
“ওই শাড়িটা পছন্দ হয়েছে, ওটা নাও!”
তেহরাবের কথায় তাসলিমা শাড়িটার দিকে তাকায়, অতঃপর বলে,
“মেয়েকে দিচ্ছি ৩০০০০ টাকার লেহেঙ্গা, আর বউকে দেবো ১০ হাজার টাকার শাড়ি? “
তেহরাব ভাসে,
“পোশাক দশ হাজার টকার হোক বা ত্রিশ হাজার টাকার, মানুষটা তো একটাই। এলোকেশী যায় পরুক না কেন, ওর স্পর্শ পেলে সব কিছুই দামি।!”
তেহরাবের কথা শুনে ইরা আর রুনু ঠোঁট টিপে হাসে, এ ছেলে তো প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে। তাসলিমাও হাসলেন, অবশেষে তেহরাবের পছন্দ করা শাড়িটা নিয়েই বাড়ি ফিরলেন। অবশ্য তত্ত্বের যাবতীয় সব কেনাকাটা করেই বাড়ি ফিরেছে, ইরার শশুড় বাড়ি থেকে লেহেঙ্গা দেওয়ার কথা তবে ইরা মানা করে দিয়েছে, লেহেঙ্গার টাকা দিয়ে ফটোশুট করবে, এ নিয়ে হাসাহাসি করছে সবাই।
বিকেলে যেহেতু সাহিলদের বাড়ি থেকেও লোক আসবে তাই ইরাকে আর তনয়াদের বাড়ি পাঠাইনি, ইউসুফ, আর তেহরাবের কিছু কাজিন রা মিলেই যাবে।
বের হওয়ার সময় দেখে তেহরাব নিজেও সাদা পাঞ্জাবী পরে নিচে আসছে, ইউসুফ কপাল কুঁচকাল। এই ছেলে আজকেও যাবে নাকি?
“কোথায় যাচ্ছিস?”
বাবার কথায় সানগ্লাসটা পরে নেয় তেহরাব,
“যাচ্ছি না, বড় ভাই হিসেবে আমার একটা দায়িত্ব আছে না?”
“তাই বলে এভাবে রেডি হতে হয়?”
পাশ থেকে তাসলিমার কথা শুনে তেহরাব ফিচেল হাসে, চুল গুলো ঠিক করতে করতে বলে,
“তেহরাব সবসময় রেডি থাকে, যায়হোক আব্বু তোমার সাথে কিছু কথা আছে।!”
ইউসুফ প্রশ্নবোধক দৃষ্টিতে তাকায় তেহরাবের দিকে,
তেহরাব ইউসুফকে নিয়ে খালি যায়গায় নিয়ে যায়।
“কি হয়েছে? কি বলবি?”
তেহরাব চশমাটক খুলল, তাকে সিরিয়াস দেখাল।
“ফাহিম কল করেছিল, বাজারে আজাকেও সোহেলের লোকেরা চাঁদা তুলতে এসেছিল। এসব নিয়ে হাঙ্গামা হচ্ছে….
তেহরাবকে সম্পূর্ণ কথা শেষ হতে দেয় না ইউসুফ,
“একদম না তেহরাব, তুমি কোথায় যাবে না। কালকে তোমার বিয়ে, আজকে কোনো গন্ডগোল আমি চায় না!”
“কিন্তু আব্বু…
“না বললাম তো, আমি দেখছি কি করছি। তুমি বের হবে না বাড়ি থেকে, আমার কথা যেন মাথায় থাকে। আমরা এখন বের হব, তুমি সাহিলদের বাড়ি থেকে আসা আত্মীয়দের সামলে নিও।”
তেহরাবকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে ইউসুফ হাঁটা লাগায়, তেহরাব দৌড়ে তার সামনে এসে দাঁড়ায়।
“আবার কি?”
“আচ্ছা যাব না, তোমার বিয়াইন মানে তনয়ার মাকে দুটো ছাগল কিনে দিও!”
ইউসুফ তব্দা খেয়ে বলে,
“কিহ?”
তেহরাব মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলে,
“ ফিরোজ কাকার থেকে দুটো ছাগল নিয়ে তাকে উপহার দিও, বাকিটা পরে বলব নি। আসছি!”
তেহরাব চলে যায় ভেতরে, ইউসুফ হতভম্ব হয়ে কিছুসময় দাঁড়িয়ে রইল সেখানেই। ছাগল কেন দিতে যাবে? আজব তো!!
“ তোর শশুড় বাড়ি থেকে তত্ত্ব দিয়ে গেছে, শাড়িটা অনেক সুন্দর!”
রাফার কথায় তনয়া হাসে, রাফা এসে তনয়ার পাশে বসে,
“ যা হয় ভালোর জন্যই হয়, আমি তো ভাবতেই পারিনি তেহরাব ভাই তোকে ভালো বাসে। যাক অবশেষে তোরা এক হবি! মাঝখান থেকে আমার বিয়ের ডেটটা পিছিয়ে গেল!”
রাফা মন খারাপ করে, সালমা বিয়েটা পিছিয়ে এক মাস পরে দিয়েছে। এদিকে তনয়ার বিয়েতেও আসল না,মুখে না করলেও হয়ত রাগ করেছে।
“সন্ধ্যা নেমেছে, আমি বাড়ি যায়!”
প্রীতির কথায় ধ্যান ভাঙে তনয়ার, দূরের রাস্তা। এখন সত্যি যাওয়া উচিত,
“আচ্ছা যা, কালকে কিন্তু ঠিক সময়ে চলে আসিস।”
প্রীতি হাসি মুখে মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলে, তনয়াও হাসে। প্রীতি চলে যেতেই তনয়া বিছানা থেকে নেমে টেবিলের কাছে এসে রাফাকে উদ্দেশ্য করে বলে,
“তোমার না সকালে আসার কথা ছিল? এখন কেন আসলে?”
রাফা তনয়ার পাশে এসে দাঁড়াল,
“আর বলিস না, একটু সাটুরিয়া গিযেছিলাম। আসার পথে বালিয়া সেকি গন্ডগোল। চাঁদাবাজি নিয়ে দুদলের মধ্যে রক্তারক্তি কান্ড, দুজনকে দেখলাম মাথা ফেঠে রক্ত ঝরছে। আরেক জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে, পরে অন্য রাস্তা দিয়ে ঘুরে এসেছি।”
তনয়া ভ্রু কুঁচকাল, দুদলের মধ্যে বলতে? দলতো এক সোহেল আরেক তেহরাবের, তাহলে কি তাদের মাঝেই? বুকটক ধক করে উঠল তনয়ার, এমন সময় হন্তদন্ত হয়ে গরে আসে তানহা।
“আপু আপু, শিহাব ভাই এসেছে।”
তনয়া তাহদনহার দিকে তাকায়, শিহাব এসেছে? কিন্তু তার ফুপিতো বলল তারা আসতে পারবে না!
তনয়া কিছু বলল না, রাফা বুঝল তনয়ার অস্বস্তি বোধের কারনটা।
“ আরে যা হওয়ার হয়ে গেছে, এখন স্বাভাবিক হো।”
তনয়া উপর নিচ মাথা নাড়ে,
“আচ্ছা আমি বাড়ি যায়, থাক। কালকে সকাল সকাল এসে পরব!”
রাফা বিদায় নিয়ে চলে যাই, তনয়ার মন কেমন করছে। তেহরাব ঠিক আছে তো, দ্রুত ফোনটা হাতে নিয়ে কল করলো তেহরাবকে। একবার দুবার তরে বারো বার কল করার পরেও তেহরাব যখন কল রিসিভ করল না তখন তনয়ার মনে ভয় জেঁকে বসে।
“উনি ঠিক আছে তো? কল কেন ধরছে না?”
“আসব?”
কারো পুরুষালী কন্ঠস্বর শুনে পেছনে তাকায় তনয়া, শিহাব দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। তনয়া স্বাভাবিক ভাবেই বলল,
“জি আসুন!’
শিহাব ভেতরে আসলো, পকেট থেকে একটি বক্স বের করে তনয়ার দিকে এগিয়ে দিল।
“এটা তোমার জন্য, আমার তরফ থেকে তোমার বিয়ের গিফট! “
তনয়া এক নজর শিহাবের দিকে তাকিয়ে বক্সটা হাতে নিল, খুলে দেখলো একটি সোনার চেইন। এত দামি একটা উপহার,, তনয়া অবাক দৃষ্টিতে তাকায় শিহাবের দিকে। শিহাবের ঠোঁটে মিষ্টি হাসি,
“কালকে চট্টগ্রাম যাব, আব্বুর একটা কাজে। আম্মুও যাবে সাথে, তাই তোমার বিয়েতে উপস্থিত থাকতে পারবো না। তাই তাই ভাবলাম আজকে দেখা করে যায়, গিফটটা আর বাকি রাখবো কেন।”
তনয়া সৌজন্যমূলক হাসলো,
“ধন্যবাদ ভাইয়া!”
“আচ্ছা থাকো, আমি আসছি।”
“এখনই চলে যাবেন? “
সব পিছন ফিরে তাকালো, স্মিত হেসে বললো,
“আরেকটু থাকতে বলছো? থেকে লাভ কি বল, আমার গন্তব্যযে অন্য কোথাও!”
শিহাব দীর্ঘশ্বাস ফেলে, একনজর তনয়ার দিকে তাকিয়ে বেরিয়ে আসে। কি থেকে কি হয়ে গেল? এই মেয়েটি তার হওয়ার কথা ছিল, অথচ বিধাতা চাইলো অন্য কিছু! চেইনটা কিনেছিল বাসর ঘরে তনয়াকে এটা উপহার দেবে বলে, অথচ আজ সময় ও পরিস্থিতির কারণে এটা দিতে হলো তার বিয়ের উপহার হিসেবে.। এটাই বুঝি কপালের লিখন?
রাত এগারোটা, গোটা বাড়ি এখন নীরব। নিজেরে রুমে এসে বিছানায় বসল তেহরাব, সাদা পাঞ্জাবীটা রক্তে লাল হয়ে আছে। ফ্যানের সুইচটা দিয়ে বিছানায় গা এলিয়ে দিল, ব্যান্ডেজ থেকে রক্ত পরছে, সেলাইটা হয়ত খুলে গেছে।
কিছু সময় ওভাবেই শুয়ে থাকল, অতঃপর উঠে বসল। পাঞ্জাবীটা খুলে মেঝেতে ছুঁড়ে মারল, ড্রয়ার থেকে ব্যান্ডেজ আর এন্টিসেফ্টিক বের করল।
এদিক ওদিক ঘাড় বাকিয়ে ঘাড় ফোটালো, হাতের ব্যান্ডেজটা খুলে নতুন করে ব্যান্ডেজ করল। সেই লেভেলের ব্যথা করছে, এদিকে পায়ের অবস্থাতো বেহাল। পুরো বারোটা বেজে গেছে,আজ নাহয় কারো নজরে পরেনি কালকে তো পরবে। তখন কি করবে?
পায়ের ব্যান্ডেজটা ফার্মেসী থেকে করে এসেছে, এটা আর পাল্টাতে হবে না। দীর্ঘশ্বাস ফেলল তেহরাব, বাবার সা করা সত্ত্বেও সে গিয়েছিল বালিয়া। সে যাওয়াতে যেন ঝামেলা আরো বেড়ে গেল, শুরু হলো মারামারি। এক পর্যায়ে পায়ে আঘাত লাগে, আর ফাহিম তো মাথা ফাঠিয়ে হাসপাতালে ভর্তি। অবশ্য সোহেলের বারোটাও বাজিয়ে দিয়ে এসেছে সয়ং তেহরাব, ফাহিমের মতো সোহেলও মাথা ফাঠিয়ে হাসপাতালে ভর্তি!
এতটা সময় হাসপাতালেই ছিল তেহরাব , ইউসুফ বাড়ি এসে তেহরাবকে না দেখতে পেয়ে কল করেছিল। কিন্তু তেহরাবের ফোন তো বাড়িতেই ফেলে গেছে, পরে ইউসুফ ফাহিমের নাম্বারে কল করলে সেটা তেহরাব ধরে।
তখন তো বলেছিল ফাহিমের মাথা ফাটায় সে হাসপাতালে এসেছে, কিন্তু কাল যখন পায়ের অবস্থা দেখবে তখন তো শুরু হবে নতুন সিনেমা।
“সোহেলের বাচ্চা কামটা করলি কি, শালা হুদাই ক্যচাল করলি!আমার বিয়া কালকে, আর তুই কিনা আমারে ল্যাংরা বানাই দিলি? এহন যদি আমার বউ আমারে বিয়া না করে”
বিড়বিড় করে কথাটা বলে পা টেনে টেনে ওয়াশরুমে যায় তেহরাব, ফ্রেশ হয়ে ঘরে এসে ফোনটা খুঁজতে থাকে। কোথায় যে রেখেছিল, এদিকে পায়ের যন্ত্রণায় হাঁটতেও কষ্ট হচ্ছে তার।
“হ্যা*ডা আব্বার কথা শুনলেই ভালো হতো, কালকে বিয়ে আর আজকে মারা খেয়ে বসে আছি। আমার বাসরের কি হবে?”
ঠোঁট উল্টে ঠাস করে শুয়ে পরে তেহরাব, এমন সময় রিংটোনের শব্দ কানে আসে। আওয়াজের উৎস ধরে
ওয়ারড্রবের সামনে গিয়ে দাঁড় মায়, ফোনটা এখানে। ফোন হাতে নিয়ে দেখে তনয়ার নাম্বার, অধরে হাসি ফুটে উঠে তেহরাবের। এক মুহুর্তেি যেন সব ব্যাথা, যন্ত্রণা লাঘব হয়ে গিয়েছে।
লাইটটা বন্ধ করে বিছানায় গা ছড়িয়ে শুয়ে পরল তেহরাব, কল রিসিভ করে কানে ধরতেই ওপাশ থেকে ভেসে আসলো তনয়ার কান্না মিশ্রিত কন্ঠস্বর।
“হ্যালো, হ্যালো, কোথায় ছিলেন এতক্ষণ? ফোন কেন ধরছিলেন না? জানেন কতটা চিন্তা হচ্ছিল আমার? আপনি ঠিক আছেন তো?”
তনয়ার ব্যস্ত ও উতলা কন্ঠস্বর শুনে নিজেই তব্দা খেয়ে গেল তেহরাব, মুহুর্তেই হাসি ফুটে উঠল ঠোঁটে। যাক মেয়েটা তাকে নিয়ে ভাবে,
“কাঁদছিস কেন? বিয়ের আগেই সবাইকে জানাতে চাচ্ছিস তোর স্বামী তোকে কাঁদায়! ছিহ ছিহ জান, ছিহ। লোকে কি বলবে বলতো!”
তনয়ার কান্না থেমে যায়, হিচকি তুলতে তুলতে বলে,
“সবসময় মজা কেন করেন, কোথায় ছিলেন। কল ধরছিলেন না কেন? জানেন কতগুলো কল করেছি?”
তনয়ার কথায় তেহরাব ফোন চেক করে, সত্যি অনেক বার কল করেছে!
“সরি জান, আমি একটু ব্যস্ত ছিলাম। ফোনটা কাছে ছিল না!”
তেহরাব মিথ্যা বলল, সে এখন চাইছে না তনয়াকে চিন্তায় ফেলতে, সত্যিটা বললে সারারাত চিন্তা করবে।
“মিথ্যা কেন বলছেন? আপনি তো বালিয়া ছিলেন, জানি আমি!”
তনয়ার গম্ভীর কন্ঠে এমন কথা শুনে চমকায় তেহরাব, এ মেয়ে জানল কি করে? তেহরাব কিছু বলার আগেই তনয়া বলে,
“কোথাও ঝামেলা হচ্ছে অথচ তেহরাব সরকার নেয় এটা কি সম্ভব? কেন শুধু শুধু ঝামেলায় জড়ান বলুনতো? আপনি ঠিক আছেন?”
তেহরাব ধরা পড়ে যাওয়া চোরের মত মিনমিনে স্বরে বলে,
“ওই আরকি, তেমন কিছু না। পায়ে একটু লেগেছে!”
“রাখছি!”
তনয়া কল কাটতে নিলে তেহরাব ধমকে উঠে,
“কীসের রাখছি? কথা বল আমার সাথে, ভালো লাগছে না।”
তনয়া অভিমানী সুরে বলে,
“ভালো তো লাগবেই না, সারাদিন মারপিট করে বেরাবেন আর রাতে এসে বলবেন ভালো লাগে না।”
তেহরাব দুষ্টু হাসে, ঠোঁট কামড়ে বলে,
“একটু ভুল বললি জান, সারাদিন মারপিট করে এসে রাতে তোর সাথে বায়োলজি প্র্যাকটিক্যাল করব। বুঝলি?”
তনয়া ভ্রু কুঁচকেমায়, বায়োলজি প্র্যাকটিক্যাল বলতে? তনয়া মানে না বুঝে জিজ্ঞেস করে,
“মানে?”
তেহরাব হাস্কি স্বরে বলে,
“ ডিএনএ-র গঠন, কাজ, বৈশিষ্ট্য বোঝাব।!”
“ছিহ!”.
হাওয়াই মিঠাই পর্ব ২২
তনয়া দ্রুত কল কেটে দেয়, লোকটা কি সাংঘাতিক। কীসব বাজে কথা বলছে, লোকটা এমন কেন?
তেহরাব ফোন রেখে হোহো করে হেসে উঠে, মেয়েটাকে জ্বালাতে তার ভালো লাগে। বিশেষ করে তনয়া যখন লজ্জা পায় তখন তার গাল দুটো লাল হয়ে যায়, ব্যাপারটা দারুণ লাগে।
“ যতই ছিহ ছিহ করিস না কেন, তনয়া রানী তোকে তো সেই আমার কাছেই আসতে হবে।”
