আসবো ফিরে আবারো পর্ব ২৫
সুরভী আক্তার
রাত টুকু কেটেছে । ফুটেছে সকালের আলো ।
সেই যাত্রাপালা থেকে ফিরে ঘুমোতে ঘুমোতে ভোর চারটা পেরিয়েছে । সারাটা রাস্তা দুজনায় ঝগড়া করে এসেছে । রৌদ্র মেঘা কে ছাড়ে নি আর । ওভাবেই পুরো রাস্তা পাঁজাকোলা করে তুলে এনে চেয়ারম্যান বাড়ির দরজার সামনে নামিয়ে দিয়েছে । শাহিন আলম বাড়ি ফেরার আগেই ফিরে এসেছে ওরা । কারোর চোখে পড়ে নি । রমনীর ইচ্ছে রাখতে সবার চোখ চুরিয়ে যাত্রা দেখতে বেরোলো বেপরোয়া যুবক ।
তবে যাত্রা আর দেখা হলো কই ! হলো আরেক নাটক । বাড়িতে কেউ জানাজানি হওয়ার আগেই ওরা যে যার ঘরে ঠাই জুড়েছিলো ।
এখন বাজে সকাল নয়টা । দিগন্ত চিরে সূর্যালোকের সোনালী রশ্মি নেমে এসে মিশেছে মাটির বুকে । আজ বোধহয় শহরে ফেরার দিন । রৌদ্র না আসলে আরো কটা দিন থাকা হতো । কিন্তু বেপরোয়া ছেলে যেহেতু এসেছে , তাই তোফায়েল কাবির শুভ্র কে কড়া আদেশ দিয়েছেন আজকেই সবাইকে শহরে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ।
শুভ্র দুপুরে এসে নিয়ে যাবে ওদের ।
ব্রেকফাস্ট করে লাইটার আর সিগারেটের প্যাকেট নিয়ে ছাদের সিঁড়ির দিকে পা বাড়ালো রৌদ্র । শাওয়ার নিয়েছে সকালে উঠেই । সাবার পরীক্ষা ছিলো না আজ । বসার ঘরে বসে ছিলো ওরা সকলে । রৌদ্র ওদের পাশ কাটিয়ে সিঁড়ির পথে এগিয়েছে । সিগারেট খাওয়ার জন্য এখন ছাদে উঠছে সে , তা কারোরই অজানা নয় ।
মেঘা বাঁকা দৃষ্টিতে সূক্ষ্ম নেত্রে পরখ করলো । হাতে কেবলই লাইটার আর সিগারেটের প্যাকেট । আর কিছু নেই । রৌদ্র সিঁড়ি বেয়ে ওঠা মাত্রই ছটফট করে উঠে দাঁড়ালো মেঘা । জোর পূর্বক হেসে বাকিদের দিকে তাকিয়ে বলল আস্তে ধীরে…..
” আমি আসছি একটু ।
বলেই পা বাড়ালো সন্তর্পণে । নিজেদের জন্য বরাদ্দকৃত ঘরে ঢুকলো না রমনী । সবার চোখ চুরিয়ে ঢুকলো রৌদ্রের ঘরে । এ ঘরটাতেই ছিলো সেই বেপরোয়া লোক । মেঘা ঘরে ঢোকে চোরের ন্যায় । হাঁসফাঁস করে ভয়ে । দরজা চাপিয়ে দেয় কম্পিত হাতে । এপাশ ওপাশ ঘাড় ঘুরিয়ে পুরো ঘরে নজর বোলায় । খোঁজে কাঙ্ক্ষিত কিছু । ঘন ঘন ঢোক গিলে জিভে অধর ভিজিয়ে লম্বা শ্বাস টানে ।
এলোমেলো পায়ে বিছানার দিকে এগোয় । বালিশ বিছানা এলোমেলো করে খোঁজ করে কিছু একটার । তবে পায় না হোদিশ । বারবার ভয়ে ভয়ে দরজার দিকে তাকায় রমনী । যদি লোকটা ভুলেও চলে আসে , তাহলে হাতে নাতে ধরা পড়ে যাবে । তবে , মনে হয় আসবে না এ সময় । ছাদে গিয়ে একের পর এক সিগারেট খাবে । আসবে তার পর ।
বেড সাইড টেবিলের উপর ও নেই প্রত্যাশিত বস্তুটা । ড্রয়ার গুলোও খুলে দেখলো । পেলো না । ওপাশ ফিরতেই টেবিল ল্যাম্পের পাশে নজরে পড়লো কিছু । অমনি ছটফটিয়ে তড়তড়ে পায়ে এগোলো রমনী । ঘুরে গিয়ে রৌদ্রের ফোনটা হাতে নিলো । লম্বা শ্বাস ফেললো । বসলো বিছানার উপর । স্ক্রিন ওপেন করতেই দেখলো ফোন লক ।
পাসওয়ার্ড দেওয়া । কপাল গুটিয়ে আসলো রমনীর । পড়লো গাঢ় ভাঁজ । কি পাসওয়ার্ড হতে পারে ফোনের ? আন্দাজে নিজের মন মতো পাসওয়ার্ড দিয়ে ট্রাই করলো আনলক করার ! কিন্তু হলো না । বিফল হলো রমনী ।
মোটে চারবার চেষ্টা করলো , পারলো না খুলতে । একজনের ফোনের পাসওয়ার্ড আরেকজন জানবেই বা কি করে ? আর একবার ট্রাই করতে পারবে । যদি না খোলে , তাহলে এক মিনিটের জন্য লক হয়ে যাবে ফোন । এক মিনিট পর পুনরায় চেষ্টা করতে হবে ।
মেঘা হাঁফ টানলো । হাত কাঁপছে ঠক ঠক করে । শুকিয়ে আসছে গলা । শেষ বার ট্রাই করলো সে , এবারো বিফল । ব্যার্থতায় গা ছাড়লো । নড়েচড়ে বসল তবুও । এক মিনিট বাদ পুনরায় ট্রাই করবে আবার । যে করেই হোক আজ এই ফোন আনলক করেই ছাড়বে সে ।
দেখবে কি আছে এই ফোনে । কে বারবার ফোন করে রৌদ্র কে ? কে আছে ওনার ? সকালে ব্রেকফাস্টের টেবিলে বসে কম করে হলেও চার বার ফোন করেছিলো কেউ । রৌদ্র কেটে দিয়েছে বরাবর । পাঁচ বারের বেলায় সবার আড়ালে গিয়ে কথা বলেছে রিসিভ করে ।
কিন্তু কার সাথে ? মেঘার জানা মতে বাড়ির কারোর ফোন ধরে না রৌদ্র । তাহলে কে , বন্ধুরা ? কিন্তু এতো কিসের দরকার বন্ধুদের সাথে ? সেদিন ভুল বশত লক্ষ্য করেছিলো মেঘা , ফোন আসার সাথে সাথে স্ক্রিনে একটা বাচ্চার ছবি ভেসে উঠেছিলো । এক ঝলকের জন্য হলেও ঠিক দেখেছে সে । ভুল দেখেনি মোটেও । কে সেই বাচ্চা ?
ফোন রিসিভ করলে রৌদ্র বেশ শান্ত হয়ে কথা বলে ! কার সাথে এতোটা কোমল হয়ে কথা বলে সে ?
এসব ভাবতে ভাবতেই এক মিনিট পেরোলো । এবার আনলক করতে না পারলে পাঁচ মিনিটের জন্য অফ হয়ে যাবে ফোন । কি করবে মেঘা ?
হাতের কম্পন বাড়ে । ঘাম ছোটে কপালের ধারে ।
তবুও চেষ্টা করলো সে । ভেবেচিন্তে দুটো সংখ্যা টাইপ করা মাত্রই পেছন থেকে ভেসে আসলো ধারালো তবে মৃদু কোমল পুরুষালি কন্ঠ…..
” সানি ,, হোয়াট আর ইউ ডুয়িং হেয়ার , ইন মাই রুম ?
মেঘা এক ঝটকায় চমকায় । ঝটকা মেরে দাঁড়াতে গেলে দূর্বল হাত ফসকে ঠাস করে রৌদ্রের ফোনটা পড়ে যায় মেঝেতে । আরো বেশি ভড়কায় মেয়েটা । রৌদ্রের কন্ঠ শোনা মাত্রই কলিজার পানি শুকিয়ে গেছে তার । বৃহৎ নয়নে তাকালো সে রৌদ্রের দিকে । আত্মারাম ধক্ করে খাঁচাছাড়া হওয়ার উপক্রম । সহসা ভয়ে জোরালো হয় মৃদুভাষী কন্যার হৃৎস্পন্দন । পিটপিট করে তাকায় সে । রৌদ্র চেয়ে আছে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে । মেঝের দিকে তাকালো এক ঝলক । নিজের ফোনটাকে পড়ে থাকতে দেখে ফের চোখ সূক্ষ্ম করে তাকালো মেঘার দিকে ।
রৌদ্রের তীর্যক দৃষ্টি নিজের উপর নিক্ষেপ হওয়া মাত্রই দ্রুত চোখ নামায় মেঘা । মেঝেতে পড়ে থাকা ফোনটা তোলে ঝট করে । ভাগ্যিস কিছু হয় নি ফোনের । ঠোঁট ভিজিয়ে হাঁফ ছাড়ল সে ।
রৌদ্র এগিয়ে এসেছে । ঠোঁটের ভাঁজে চপল হাসি তার । এখানটায় হঠাৎ মেঘার উপস্থিতির কারন বুঝেও বুঝলো না । সে তো এসেছিলো নিজের ফোন নিতে ।
রৌদ্র কাছাকাছি এগোতেই মেঘা শিউরে ওঠে । চিবুক নামিয়ে সিটিয়ে দাঁড়ায় ফোনটাকে চেপে ধরে । পায়ের আঙ্গুল খুটতে থাকে শান বাঁধানো মেঝেতে ।
রৌদ্র মুখোমুখি হয়ে প্রশ্ন করে গলা ভার করে….
” কি করছিলি এখানে ? আমার ফোন তোর হাতে কেনো ?
মেঘা রৌদ্রের ফোন বিছানায় ছুড়ে মারে । ঝটপট করে বলে….
” কি…কিছু করছিলাম না ।
” আচ্ছা , তাহলে আমার ফোন তোমার হাতে কেনো ছিলো সুইটহার্ট ?
” এমনি !
” এমনি এমনি তুমি এ ঘরে এসেছো ? আমার অনুপস্থিতিতে এ ঘরে কি প্রয়োজন ? তাও আবার আমার ফোনে ! হাতে নিয়েছো কেনো আমার ফোন ?
মেঘা দৃষ্টি তুলে চোখে চোখ রাখলো দ্বিধাহীন । শক্ত করলো নিজেকে ।
” নিতে পারি না ?
” পারো তো , হাজার বার নিতে পারো । প্রয়োজন টা জানতে পারি ?
” আছে আমার প্রয়োজন ।
” তাহলে মিটিয়ে নাও ।
মেঘা আশকারা পেয়ে ফের ফোনটা হাতে তুলে নিলো পূণরায় । অধিকার দেখিয়ে জানতে চাইলো চড়া গলায়…..
” পাসওয়ার্ড কি আপনার ফোনের ?
” দাও খুলে দিচ্ছি !
” আমাকে বলুন । আমি খুলবো !
রৌদ্র শিথিল হয় । কোমল করে চাহনি । ফিকে হাসিতে মাধুর্যময় রাশ টানে । মেঘার চোখে চোখ রেখে কন্ঠ নামিয়ে উত্তর করে বাধ্যের ন্যায়…..
” 19 September 2019 …..
মেঘা শোনা মাত্রই ফোনে টাইপ করতে উদ্যত হয়ে পড়লো । চারটে সংখ্যা টাইপ করা মাত্রই হাত থমকালো রমনীর ।
তারিখ , মাস , এবং বছরটা বড্ড চেনা ঠেকলো ।
এই তারিখ টা তো…..
আর ভাবলো না রমনী ।
মস্তিষ্ক সজাগ হওয়া মাত্রই ছ্যাঁত করে উঠলো । ফোন খানা দুহাতে চেপে ধরে বিলম্ব না করে তাৎক্ষণিক তাকালো রৌদ্রের দিকে । লোকটা এক দৃষ্টে চেয়ে আছে । মেঘা মূর্ত বনে যায় অবিশ্বাসে । মুখ ফাঁক হয়ে আসে রমনীর । এই তারিখটা , এই মাসটা , এই বছরটা যে বড্ড চেনা তার । চেনা বলেই তো পাসওয়ার্ড টাইপ করার সময় মেঘার আচমকাই মনে পড়লো, দীর্ঘ পাঁচ বছর আগে এই তারিখ টাতেই এই বেপরোয়া অবাধ্য লোকটা নেশার ঘোরে জোর করে বিয়ে করেছিলো ওকে ।
হ্যাঁ তো , ঠিক এই তারিখ টাতেই । মেঘার দিব্যি মনে আছে । সালটা ছিলো তখন ২০১৯ । আর এখন , সেই সালটা পরিবর্তন হয়ে পাঁচ বছর পেরিয়েছে । বদলেছে পাঁচটা ক্যালেন্ডার ।
মেঘার ঠিক মনে আছে , হয়তো খারাপ স্মৃতি স্বরুপে । কিন্তু এই লোকটা ? এনার মনে থাকলো কি করে ? কেনো মনে রাখলেন উনি এই তারিখটা ? তাও আবার নিজের ফোনের পাসওয়ার্ড হিসেবে সেট করে রেখেছেন এটা ? কেনো ? এটা কি কেবলই কাকতালীয় ভাবে ?
প্রশ্ন জাগতেই উল্টো উত্তর খুঁজে নিলো রমনীর ব্যাকুল উন্মাতাল হৃদয় । সেদিন তো ইভা আপুর সাথে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল এনার । মেঘা হাজার বার শুনে এসেছে এই ক বছরে । রৌদ্র নিজেই বিয়ে করতে চেয়েছিলো ইভা কে । কিন্তু ইভা পালিয়েছিলো তার প্রেমিকের সাথে ।
ইভা’র জায়গায় জুটেছে ইভারা । তাও নেশার ঘোরে । নেশা না করলে হয়তো এমন কিছুই হতো না ।
তার মানে তিনি ইভা আপু আর তার ভেঙে যাওয়া বিয়ের দিন টাকে স্মরনে রাখার জন্য ফোনের পাসওয়ার্ডে বসিয়েছেন এটা ? নাকি ভুলক্রমে হওয়া ওদের বিয়ে টাকে স্মরনে রাখার জন্য ?
মেঘার চোখ অজানা ধারনায় ছলছল করে ওঠে । রৌদ্র কে চেনে না সে । শুধু জানে রৌদ্র বেপরোয়া । আর এই বেপরোয়া লোকটাকে ঘৃণা করে ও । ওর এই সর্বহারা জীবনের জন্য দায়ী এই বেপরোয়া লোক । এই বেপরোয়া লোকটা সেদিন একটু পরোয়া করলে মেঘার জীবন এমন হতো না আজ ।
মেঘা নিজেকে ধাতস্থ করলো । মন না মানলেও মনকে মানালো । ইভার দিক থেকে ভেবে দেখলো সে ।
ফোন আনলক করার ইচ্ছে জাগলো না আর । লোকটা এখনো তাকিয়ে আছে কেমন করে । মেঘা বুঝতে দিলো না কিছু । ফোনটাও আনলক করলো না । উল্টে সেভাবেই ওটাকে ছুড়ে মারলো বিছানার উপর । ফোঁস করে রৌদ্র কে টপকাতে গেলে সহসা হাত টেনে ধরলো রৌদ্র…..
” কি হলো , প্রয়োজন নেই ?
মেঘা ঝাড়া মেরে নিজের হাত ছাড়িয়ে নেয় । শক্তি খাটিয়ে আকস্মিক রৌদ্রের বুকে ধাক্কা দিয়ে ওকে সরিয়ে দেয় পিছনে । ভেজা গলা তুঙ্গে তুলে বলে…..
” রাইনো মুখো , আই হেইট ইউ । কোনো দিন ছোঁবেন না আমায় । কোনো দিন না ।
” এইই ইভারা , কি হলো হঠাৎ ?
” ডোন্ট কল মি ইভারা…. ডাকবেন না আমায় এই নামে ?
কেনো বলেন আমায় ইভারা ? এই নামে ডাকেন কেনো ? ইভা আপুর নামের সাথে মিলিয়ে ? হ্যাঁ ? ভুলতে পারেন নি ইভা আপুকে ? ওকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন তো ?
৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ , সেই জন্যই ফোনে এই পাসওয়ার্ড সেট করেছেন ?
” এই ইডিয়ট , কিসব বলছিস তখন থেকে ?
রৌদ্র আবার হাত টেনে ধরতেই মেঘা ঝাঁজিয়ে ওঠে…..
” চুপ , বলেছি না ছোঁবেন না আমায় !
” ইভারা , গলা বড় করবি না আমার উপর ! আর ইভা ? হু ইজ ইভা ? আই ডোন্ট নো হার ! বাট,আই নো ইউ ? ইউ আর মাই ইভারা ! মাই সানি । এই রৌদ্রের রৌদ্রময়ী তুই ।
” নই । কিচ্ছু নই আমি আপনার ।
যাকে মনে রেখে ফোনের পাসওয়ার্ড দিয়েছেন । তার সাথে তোরজোর করুন গিয়ে । আমাকে রেহাই দিন । ঐ ইভা আপু…..
বাকি কথা টুকু শেষ করার আগেই রৌদ্র ওকে হিচড়ে টেনে ধরলো । রমনীর উদ্যত দুহাত পেছনে কোমরের সাথে মুচড়ে ধরলো । ছটফট করলো মেঘা । রৌদ্র পরোয়া করলো না । মেয়েটাকে বুকের সাথে চেপে ধরে রাগে ঝেড়ে উঠলো রক্তিম চোখে তাকিয়ে….
” ওও শাট্ আপ । বারবার ঐ বাস্টার্ড টার নাম মুখে নিবি না ।
” কেনো , গায়ে লাগে ? বিয়ে করতে গিয়ে হারিয়েছেন । আফসোস হয় তাই ? আফসোস মেটাতে ঐ মেয়েকে মনে রেখে ফোন পাসওয়ার্ড….
আবারো শেষ করতে পারলো না কথা । চোখের কোনে ভেজা ভেজা কিছু ঠেকলো । ঘোলাটে অনুভুত হলো আঁখি যুগল । নিমিষেই ঝাপসা চোখ পরিষ্কার করে বাম চোখের কার্নিশ ঘেঁষে এক ফোঁটা উষ্ণ নোনা তরল গড়ালো টুপ করে । রুদ্ধ হলো জবান । মেয়েটার কষ্ট হচ্ছে অজানা কারনে ।
আসবো ফিরে আবারো পর্ব ২৪
রৌদ্র একবিংশীর চোখে পানি দেখে শিথিল হয় । তবে বিচলিত অন্তঃস্থল । অগোছালো ছটফটে মেয়েটাকে আলগোছে আগলে নিয়ে কপালে কপাল ঠেকায় পরম আবেশে । ধীরে বলে শান্তনা সুরে…..
” 9 September 2019….দ্যাট ওয়াজ আওয়ার ওয়েডিং ডেট , নাথিং ইলস্….
