Home নীরব উন্মাদনা নীরব উন্মাদনা পর্ব ১০

নীরব উন্মাদনা পর্ব ১০

নীরব উন্মাদনা পর্ব ১০
সুরাইয়া জিয়াসমিন

সবাই বাড়িতে ফিরতেই নুবা এগিয়ে আসলো,,,বুকটা তার চিনচিন করছে কি হলো না হলো জানার জন্য,,,
সবাই এসে ক্লান্ত শরীর নিয়ে লিভিং রুমে বসলো,,,আরহাম মেয়েকে নিয়ে রুমে চলে গেলো,,,নুবা এক পলক সেদিকে তাকিয়ে আরশির দিকে এগিয়ে আসলো,,,আরশি নুবাকে দেখেই বলে উঠলো
_ আয়রা ঠিক আছে,, শুধু একটু বদহজম হয়েছিলো,,,
নুবা যেনো শান্তির নিশ্বাস ফেললো,,,আরশির পাশে বসে বললো
_ যাক,,আমি তো ভেবেছিলাম কি না কি হয়ে গেছে
_‌ তেমন কিছু না,,ওর কৃত্রিম দুধ পেটে হজম হয় না

রাতের সবাই এক সাথে ডাইনিং টেবিলে বসলেও হারুন মির্জা নেই,,,আরহাম আসার পর থেকে সে এখানে আসে না,,এখনো পর্যন্ত বাপ ছেলের ভিতরে কথা হয়নি,,,
আরশি আগে খেএ উঠে আয়রাকে ধরেছে এখন বাকি সবাই খাচ্ছে,নুবা সবাইকে এ তা এগিয়ে দিচ্ছে,,,
আরাফ এক পলক নুবার দিকে তাকিয়ে বললো
_নুবা ডালের বাটিটা দে তো,,
নুবা বিনা ব্যাকে বাটি এগিয়ে দিলো,,, পরপরই আরাফ বলে উঠলো
_ লেবু বাটিটা দে,,,
নুবা বাটিটা এগিয়ে নিয়ে আসতেই আরাফ নুবার পঞ্চদশে স্পর্শ করলো,,সবার অগোচরে,,, সাথে সাথে নুবার হাত থেকে বাটিটা পড়ে গেলো,,,সে কাতর চোখে আরাফের দিকে তাকালো,,,আরাফ হাত সরিয়ে নিলো,,,
সবাই চোখ তুলে নুবার দিকে তাকালো,,নুবা বেশ ভয় পেয়ে,আস্তে করে নিচে পড়ে যাওয়া চিনে মাটির বাটির টুকরো গুলো হাতে তুলে নিলো,,,উঠে দাঁড়িয়ে বললো
_ আমি লেবু কেটে আনছি
বলেই রান্না ঘড়ে চলে গেলো ,,একটু পর লেবু কেটে এনে আরাফের সামনে দিয়ে রুমে চলে গেলো,,,
হাজেরা বাইরে কাজ করছে,,,নুবা রুমে যেএ দরজা লাগিয়ে দিলো,,,তার এতোটা খারাপ লাগছে সে নিজেও জানে না,,,যার যখন ইচ্ছা যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে ছুঁয়ে দিচ্ছে,,,যা ইচ্ছে বলে ফেলছে,,,নিজের আশ্রয়স্থল হারানোর ভয়ে,,সমাজের নিচু চোখ থেকে বাঁচতে নুবা চুপ করে সহ্য করছে,,,
নুবার চোখ দিয়ে টুপটাপ বৃষ্টির ন্যায় পানি ঝড়তে লাগলো,,,কেনো আরাফ তাকে এভাবে প্রতি পদে পদে হেনেস্তা করছে,,কি দোষ তার,,,

আমিনা বেগম খেতে খেতে ছেলের দিকে তাকিয়ে বললো
_ কি ভাবলি বাবা,,বলে তো আসলি কাল doctor এর কাছে যাবি,,
আরহাম মুখে ভাত পুড়ে বললো
_ একটা মেয়ের ব্যবস্থা করো,,,
_ কোথা থেকে ব্যবস্থা করবো,,লোকের বাড়িতে যেএ এই বলবো যে আমার নাতনির জন্য একটা সময়ীক দুধ দিতে পারবে এমন মা প্রয়জন,,,
আরহাম বিরক্তি নিয়ে বললো
_ হ্যাঁ দরকার পড়লে বলবে
_ পাগল হয়েছিস তুই,,কারো বাড়িতে বড়ো থালা নিয়ে যেএ বলা যায় আমার ছেলের জন্য আপনার মেয়েকে বউ করতে এসেছি তবে কাউকে বলা যায় না টাকার বিনিময়ে নাতনির মা কিনতে এসেছি,,
আরহাম বেশ ভেবে চিন্তে বললো
_নুবাকে বলো,,,ওর ফিজিক্যাল ফিটনেসে,,সাথে আয়রার সাথে একটা আলাদা ভাবও জমেছে,,,
আরহামের কথায় আমিনা হতভম্ব হয়ে কিছু বলতেই যাবে তার আগেই আরাফ বলে উঠলো

_ কেন নুবাকে কেন,,ও কেন তোমার মেয়ের জন্য নিজের বোডি ফিটনেস নষ্ট করতে যাবে,,আয়রাকে ফিড করাতে হলে নুবার পুরো শরীর ভেঙ্গে পড়বে,,ও কেন এমন করবে,,আর ও এমন মেয়েও না,,,যে বললেই টাকার জন্য রাজি হয়ে যাবে,,,
আরাফের কথায় আরহাম বেশ রেগে গেলো,, ডাইনিং টেবিলে এক হাত বাড়ি দিয়ে বললো
_ তোমাকে বলেছি আমি কিছু বলতে,,মা আর আমার ভিতরে কথা বলছো কেন,,,
আরহামের চিৎকারে আরাফ প্রচন্ড রেগে গেলো,, কিন্তু বড় ভাই দেখে কিছু বলতে পারলো না,,,খাবারে পানি ডেলে উঠে গেলো আরাফ,
আরাফ কোনো মতেয় চায় না নুবা আয়ারকে ফিড করাক,, কারণ এতো করে নুবার সুন্দর ফিগার টা নষ্ট হয়ে যাবে,,,আর আরাফ তো নুবার শরীরের স্টেকচার টা প্রচন্ড পছন্দ করে,,,
আরাফ যেতেই আমিনা বলে উঠলো
_ আরাফ ঠিকি‌ বলেছে আরহাম,,নুবা এটা করতে চায়বে না,,আর ওকে যদি এই কথা বলি তবে ভাববে এতো দিন ওদের এই বাড়িতে রেখেছি তাই এখন ওদের ফয়দা উঠানোর চেষ্টা করছি,,
আরহাম মায়ের দিকে রাগি দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললো

_ তাহলে তুমি কি চাও আমার মেয়েটা না খেতে পেয়ে মরে যাক,,
আমিনা বেগম বিচলিত হয়ে বললো
_ ছি ছি এই সব কি বলছিস,,,আমি এমন কেন চাইবো,,,
_ তাহলে কেনো ওকে বলতে পারবে না,,,এতো দিন এই বাড়িতে থেকেছে,,খেয়েছে তোমাদের টাকায় বড় হয়েছে,,, এতো কিছুর পড়েও কেনো ও আমাদের একটু সাহায্য করতে পারবে না, why mom,,,
আমিনা বেগম শান্ত কন্ঠে বললো
_ আরহাম বোঝার চেষ্টা কর বাবা,,মেয়েটার বিয়ে হয়নি,বাইরের মানুষ এরকম কিছু জানলে অবশ্যই খারাপ ভাবে নিবে,নুবাকে খারাপ চোখে দেখবে, তুই বুঝবি না আরহাম,,,ওর পুরা দায়িত্ব আমরা নিয়েছি,,এখন ওকে কি করে স্বার্থপরের মতো এমন একটা কাজ করতে বলবো,,
আরহাম অনেক টা রেগে বললো
_ আমার মেয়ে কি ওকে খেএ ফেলবে নাকি,,,আর কোন সমাজের কথা বলছো,,তারা কি আমাদের দু বেলা ভাত দেয়,,
আমিনা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বললো
_ আমি কিছু জানি না,,,আপনি বিয়ে করবেন না শুধু শুধু একটা মেয়েকে বলবেন যে সে যাতে আপনার মেয়েকে আগলে নেয়,,আজকাল কোথায় এরকম মেয়ে পাবেন আপনি,,,এবার আপনি আপনার মেয়েকে নিয়ে বুঝুন কি করবেন,,,না হলে ওই কৃত্রিম দুধি খাওয়ান,,, আমার এর থেকে বেশি কিছু করার নেই,,,
বলেই আমিনা বেগম প্লেটে হাত ধুয়ে পাশ থেকে টিস্যু নিয়ে উঠে গেলো,,
আরহাম রাগে ফুঁসতে লাগলো,,, পরপরই খাবার রেখে উঠে গেলো,,আয়রাকে আরশির কোল থেকে নিয়ে রুমে চলে গেলো,,,
মাঝখান থেকে আরশি চুপচাপ দেখলো কি হলো,,,

হাজেরা বেগম সময় পেলেই ছোটো ছোটো খেতা পাতেন,,,নিজের মেয়ের জন্য আস্তে আস্তে উনি সব গুছিয়ে রাখছেন,,,
হাজেরার কাজের ভিতরে বাইরে থেকে আমিনা বেগম ডাক দিলো
_ ভিতরে আসবো হাজেরা,,
হাজেরা মিষ্টি কন্ঠে বললো
_ আসুন আপা,,
আমিনা ভিতরে প্রবেশ করলো,,, বিছানায় বসে বললো
_ কি করছো,,
_ এই তো আপা বসে ছিলাম তাই ভাবলাম ফেলে রাখা খেতা গুলোতে একটু হাত দেই,,
আমিনা হেঁসে বললো
_ ভবিষ্যতে নাত নাতনির জন্য নাকি
হাজেরা হেসে বললো
_ হো,,, ওদের তো দামি কিছু দিতে পারবো না,,তাই নিজ হাতে কিছু করে রাখছি,,যাতে আমি না থাকলেও ওদের একটু কাজে আসে
আমিনা হেঁসে বললো

_ ও, খুব ভালো,,,তা নুবা কোথায়,,
হাজেরা খেতা শিলাই করতে করতে বললো
_ আর বইলেন না আপা,,মাইয়াডা রাত করে গেছে গোসল করতে,, কতবার না করলাম,, আমার একটা কথাও শুনে না,,জ্বর ঠান্ডা লাগিয়েই তবেই এই মেয়ে শান্ত হবে,,
_রাত বিরাত গোসল করা ঠিক না,,
_ হুম,,, 🫠
অনেক টা সময় দুই জন বসে রইলো,, হাজেরা বেগম এবার মিষ্টি কন্ঠে বললো
_ কিছু বলতে আসছিলেন আপা,, এমনে তো আপনে আসেন না,,
আমিনা বেগম দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বললো
_ বলতে তো আসছি অনেক কিছু,, কিন্তু কোথা থেকে যে শুধু করি,,,
হাজেরা বেগম খেতায় সিলি তুলে বললেন
_ আরে বলেন,,এতো দ্বিধা কিসের,,,নাকি পর ভাবেন দেখে,,
_ আরে না,,কি যে বলো,,পর কেন ভাববো,, তোমাদের ভিতরে আমাদের সম্পর্ক রক্তের সম্পর্কের চেয়েও বেশি,,
হাজেরা একটু হাসলো,,আমিনা বেগম অনেক টা সময় নিয়ে বললো
_ সকালে আয়রার অবস্থা তো দেখলেই,, বাচ্চা টা নেতিয়ে পড়েছে,,
_ হো,,নুবা বললো বদ হজম হইছে,,যেই গড়ম পড়ে,,তার উপর বাইরের দুধ বাচ্চাটা হয়তোবা হজম করতে পারে নাই

_ হো,,,এমনি হইছে,,, doctor অনেক কথাই বললো,, শুনলাম আর কি করবো,,,
অতঃপর আমিনা বেগম আস্তে আস্তে হাজেরার কাছে সব খুলে বললো,,,
হাজেরা বেগম দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বললো
_ আরহাম বাবারে একটা বিয়া করাইয়া দেন আপা,,তাইলেই তো হয়
আমিনা নিরাশ হয়ে বললো
_ এটাই তো সমস্যা হাজেরা,,আরহাম বিয়ে করবে না,,ওকে জোরে করতে পারবো না,,ছেলেটা আমার অনেক নাজুক,,ও মানসিক ভাবে একটু দুর্বল তাই চাইলেও ওকে এই সব জিনিস নিয়ে বেশি জোরাজুরি করতে পারবো না,,,আরহাম এখন বলছে কোনো মেয়েকে এনে দিতে,,যে আয়রার সাময়ীক ভাবে খেয়াল রাখবে
হাজেরা বেগম চিন্তিত কন্ঠে বললো
_ বিয়ে ব্যতিত কারো সন্তান রাখতে কে চাইবে আপা,,যতোই আধুনিক যুগ হোক,,কেউ রাজি হলেও তো সমস্যা,,টাকার জন্য রাজি হবে,,আয়রার কি খেয়াল রাখবে,,
_ সেটাই তো,,,না হয় ব্যস্তথা করলাম কোনো মতে,, কিন্তু আয়রার একটু আদরও দরকার,,, doctor বলেছে মানুসিক ভাবে আয়ারকে সুস্থ রাখতে,,, আমার প্রচন্ড ভয় হয় কারন ছেলেটার সমস্যা ওর প্রভাব পড়ে যদি আয়রার সমস্যা হয়,,,
_hmm ঠিক তো,,, দেখেন কি করবেন,,,ছেলেকে বুঝান নিষ্পাপ বাচ্চাকে তো বাঁচাতে হবে,,
আমিনা মাথা ঝুকাতো,, পরপরই হঠাৎ বলে উঠলো,,,
_ ভাবছিলাম নুবা যদি আমার নাতনিটাকে একটু দেখে,,,
আমিনার কথায় হাজেরা বেগমের সেলাইএর হাত থেমে গেলো,,,হাজেরা কিছু সময় চুপ থেকে অদ্ভুত ভাবে আমিনার দিকে তাকালো,,,

আমিনা শুকনো ঢোক গিলে হাজেরার হাতের উপর হাত রাখলো,,
হাজেরা হাত সরিয়ে নিলো,,আমিনা বেগম বেশ নিরাশ হলো,,হাজেরা শান্ত কন্ঠে বললো
_ আপনি এগুলা কি বলছেন আপা,,, আমার মেয়েটার জীবন নষ্ট হয়ে যাবে,,,কোনো সম্পর্ক ব্যতিত এটা কি করে সম্ভব হয়,,,সমাজ বলতেও তো একটা কথা আছে আপা,,,আপনি তো বুঝেন,,আপনিও তো একটা মেয়ের মা,,আপনি কি আপনার মেয়েকে এমন কোনো কাজ করতে দিতেন,, কেমন দেখায় এটা,,,
আমিনা বেগম কাতর কন্ঠে বললো
_ আমার মনে হলো নুবা হয়তোবা আয়ারকে রাখতে পারবে,,তাই খুব ভরসা নিয়ে এসেছিলাম,,আমি ভাবিনি তুমি ফিরিয়ে দিবে
হাজেরা বেগম শুকনো কন্ঠে সুধালো
_আপা এখানে ফিরিয়ে দেওয়া না ফিরিয়ে দেওয়ার কথা না,,, আপনার ছেলে ভালো না,, আমার মেয়ে একটা ভুল করলে বিনা কারনে আমার সামনেই ধমকি থমকি দিবে,,আমি মা হয়েছে কি করে সহ্য করবো,,,আজ দেখলেন তো আপনার ছেলে কি বলে হসপিটালে গিয়েছিলো,,এর পড়েও আমি আমার মেয়েকে কি করে এই কথা বলবো যে,,”নুবা তুই আয়রার দায়িত্ব নে”
আমিনা বেগম হাজেরার হাতের উপর হাত রেখে বললো
_ আরহাম কিছু বলবে না,,আমি ওকে বুঝিয়ে দিবো,,আর আমি তো জানি নুবা এমন কিছু করেনি,,সবি কাকতালীয় ভাবে হয়েছে,,নুবার কোনো দোষ ছিলো না

_ দেখুন আপা,, আমাকে না বুঝিয়ে আপনার ছেলেকে যেএ বুঝান,,যাতে এস বিয়ে করে নেয়,,আমি আমার মেয়েকে জেনে শুনে এমন কিছু করতে দিতে পারবো না
আমিনা একটু রেগে গেলো,,আর বললো
_ কি এমন বলে ফেলেছি তোমাকে আমি,,, বলে না বিপদে পড়লে পিঁপড়াও লাথি মারে,,,আমি চাইলে এখনি ১০০ টা মেয়ে এখানে এনে দাঁড় করাতে পারি,, কিন্তু সম্পর্ক বিহীন শুধু টাকার বিনিময়ে কোনো মেয়েই আয়রার ভালো মতো খেলায় রাখবে না,,তাই এখানে এসেছিলাম,,নুবা বাড়ির মেয়ে ভেবেছিলাম অন্ততপক্ষে তুমি তো আমার সমস্যা টা বুঝতে পারবে,,আরশি যদি আরাফের বিয়ের পর পড়ালেখার জন্য uk তে না যেতো তবে আমি আরশিকেই বলতাম,,,ফুপি হিসাবে একটু আয়রাকে ললান পালনই না হয় করতো,,,তবে আরশিও চলে যাবে,,,
বলতে বলতে আমিনা কেঁদে উঠলো,,উঠে দাঁড়িয়ে বললো
_ ভুল কিছু বললে মাফ করে দিও,,,আমি ভাবিনি এই ছোটো বিষয়ে তোমার মেয়ের জীবন নষ্ট হয়ে যাবে,,,আর কখনো কিছু বলবো না,,,মরে গেলে যাক যেমন বিয়ে করবে না তেমন ওর মেয়ে মরে পচে যাক,,,
বিরবরি করতে করতে আমিনা নাক টানলো পরপরই বললো
_ মাফ করে দিও,, তোমার মেয়ের জীবন টা নষ্ট করতে আসছিলাম,,
বলেই আমিনা চলে যেতে লাগলো,,,হাজেরা খারাপ লাগলো,, বাচ্চা টা না খেতে পেয়ে মরে যাবে,, অসুস্থ হবে,,তাই সে বলে উঠলো
_ যদি নুবার কোনো সমস্যা না থাকে,,আর আমার মেয়ের শরীরের কোনো ক্ষতি যদি না হয় তবে আমার কোনো সমস্যা নেই,,আপনি নুবার সাথে কথা বলে দেখেন,,,

_ hmm,,আমি ভেবে দেখবো
আমিনা নুবার দুই গালে হাত দিয়ে কপালে চুমু খেএ বললো
_ আমি জানি তুই না করতে পারবি না,,
নুবা আমিনা বেগমের দিকে তাকিয়ে বললো
_ কিন্তু তুমি জানো তো চাচি,,,আমি ব্যথাকে খুব ভয় পাই,,,কাটা ছিরা রক্ত আমার প্রচন্ড ভয় লাগে,, এমন কিছু হবে না তো
_ আরে না পাগলি,,আমি doctor কে সব জিগ্গেস করে এসেছি,কোনো ক্ষতি হবে না,,
নুবা ফোঁস করে নিঃশ্বাস ফেলে বললো

নীরব উন্মাদনা পর্ব ৯

_ আচ্ছা আমি ভেবে দেখি
_ সকালে বলেছি doctor এর কাছে যাবো,, তুই রাত টুকু ভাব মা,,, বাচ্চা টা কষ্ট পাচ্ছে,,
নুবা না চাইতেও মাথা ঝুকালো,,আমিনা বেগম নুবার দুই গালে চুমু খেলো,,নুবা মনে মনে হাসলো,,রাজি না হলে কালকেই হয়তোবা এই চুমু দেওয়া গালে থাপ্পড়ো মারতে দ্বিধাবোধ করবে না

নীরব উন্মাদনা পর্ব ১১

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here