Home রৌদ্রময় বালুচর রৌদ্রময় বালুচর পর্ব ৮

রৌদ্রময় বালুচর পর্ব ৮

রৌদ্রময় বালুচর পর্ব ৮
সোহানা ইসলাম

রোহান আর জাহেদ দুপুরে খাওয়া দাওয়া শেষ করে নদীর পারে আসে গুরতে। নিজেদের মাঝে টুকটাক কথা বলে নদীর পারে ঠান্ডা বাতাসে বসে আছে দুইজন। জেরিন আর জিনিয়া ‘ কে অনেক বার ডেকে এসেছে জাহেদ। কিন্তু তারা না-কি আসবে না,, এই দুপুরের কাঁট ফাটা রোদে নদীর পারে।
জিনিয়া অবশ্য এসবে না কারণ সেখানে রোহান আছে তাই। রোদের বাহানা দিয়ে নিজেও আসে’নি আর জেরিন’কেও আসতে দেয় ‘নি।
নদীর পারে নীম গাছের নিচে বসে নদীর ঠান্ডা বাতাস উপভোগ কর’ ছিলো জাহেদ আর রোহান।
কিন্তু মাঠের গেইটের সামনে থেকে মেয়েলী চিৎকার চেচামেচি শুনে তারা বসা থেকে উঠে দেখতে আসে গেইটের সামনে কী হয়েছে..??
গেইটের সামনে আসতেই দেখে দুইজন মেয়ে দারোয়ানের সাথে ঝগড়া করছে। ঝগড়ার মাঝে জাদেহ বলে উঠে…..

—-কী হয়েছে দারোয়ান আঙ্কেল..?? ওরা এখানে এমন চেচামেচি করছে কেনো..??
—- দেখুন না সাহেব,, এই দুইটা মেয়ে কখন থেকে বলেই যাচ্ছে,, আমি না-কি তাদের কলিজা কে মাঠে ডুকতে দেই’নি..??
— ফিহা:- এই এখন একদম অস্বীকার করার চেষ্টা করবে না বলে দিলাম…!!
— মিম :- হ্যাঁ.! একদম তাই। আমার জানু আমাদের বলেছে আপনি তাকে ডুকতে দেন ‘নি..!
—দারোয়ান :- দেখেছেন সাহেব দেখেছেন! সেই কখন ওরা দুই জন, কার কলিজা,, কার জানু,, ভিতরে ডুকতে দেয়নি,, এসব বলে যাচ্ছে!
—এদের কথা কাটাকাটি করতে দেখে বিরক্ত হয়ে রোহান বলে…
“– এই আপনারা চুপ করবেন সবাই..!! কী বাচ্চাদের মতো ঝগড়া করছেন..??
কী হয়েছে তা শুরু থেকে সব বলোন একজন…!!
—-রোহানের ধমক শুনে সবাই একদম চুপ হয়ে যায়। সবাইকে চুপ থাকতে দেখে
এবার জাহেদ বলে…..

—- এই মেয়ে এমন ঝামেলা না করে বলো তোমাদের problem কী..?
— ফিহা :- আপনি চুপ থাকুন.? আমাদের কথার।মাঝে বাম হাত ঢুকাবেন না একদম বলেদিলাম..”
আমরা এই দারোয়ান এর সাথে কথা বলতে এসেছি,, আপনাদের সাথে না,! ওকে..?
—জাহেদ :- এই মেয়ে তুমি যানো,তুমি কার সঙ্গে এমন ভাবে কথা বলছে..??
—-ফিহা ডোন্ট কেয়ার ভাব নিয়ে বলে,,
” যানার প্রয়োজন ও মনে করছি না আপাতত…!
ফিহার এমন ডোন্ট কেয়ার ভাব দেখে আঙুল তাক করে বলে….
“এই মেয়ে তুমি কিন্তু এখন বেশি বারাবাড়ি করছো…?
—- আহহা তোরা চুপ করবি.? কী বাচ্চাদের মতো ঝগড়া করছি বিরক্ত লাগছে এসব…??
“রোহান এবার মিমের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করে কি হইছে..??
” মিম :- আসলে ভাইয়া হয়েছে কী “” গতো বৃহস্পতিবার আমার বান্ধবী এই মাঠ দিয়ে বাড়িতে যেতে চেয়েছিলো কিছু সমস্যার কারণে। কিন্তু দারোয়ান চাচা তাকে ভিতরে ডুকতে দেয়নি..! তাই আজকে জিজ্ঞেস করে এসেছি আমরা,, কিন্তু তিনি অস্বীকার করছে সব।
—-দারোয়ান :- না সাহেন তারা মিথ্যা বলছে।একটু আগেও আমায় বলছিলো তাদের কলিজার কথা, আর এখন বলছে তাদের বান্ধবীর কথা.??
—রোহান :- হুম বোঝলাম..!! তা আপনাদের কলিজা, বান্ধবী তিনি কোথায়..?? যাকে নিয়ে এতো ঝামেলা সে কোথায়..??

“” জারা এতোক্ষণ সব কিছু মিম আর ফিহার পিছনে দাড়িয়ে শুনছিলো নিরব দর্শক’দের মতো।
একটা কথা বলেনি সে। বলেনি বললে ভুল হবে তাকে বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। মিম আর ফিহা তার হয়েই সব বলছিলো। তাই তাদের পিছনে থাকার কারণে কেউ দেখেনি। হাইটে ছোট দেখে তাকে এতক্ষণ কারো চোখে পরেনি।
“মিম :- এই যে ভাইয়া আমার বান্ধবী। জারার হাত ধরে সামনে এনে বলে।
জারাকে দেখে জাহেদ আর রোহান টাস্কি খেয়ে যায়। এই মেয়ে এত সময় ধরে এখানেই দাঁড়িয়ে আছে অথচ তাদের চোখে পরলো না.? চোখে পরবেই না কি করে জারা তার দুই বান্ধবীর তুলনায় অনেক ক্ষাটো। তাদের দুইজনের পিছনে দাড়িয়ে থাকায় দেখতে পায়’নি তারা।

—জাহেদ জারাকে দেখে উচ্চ সুরে হেসেই ফেলে। আর বলে….
—এই ছোট মেয়ে তোমাদের বান্ধবী..?? ওকে নিয়ে এতক্ষণ ঝামেলা করছিলে তোমরা।
” জাহেদের কথায় জারার ভিষণ খারাপ লাগলো।হ্যাঁ সে দেখতে হাইটে ছোট, কিন্তু এতো টাও না। তাই বলে তাকে যে কেউ তার হাইট নিয়ে কথা বলবে.? তাকে সবাই তার হাইট নিয়ে কথা শুনায়।তার আত্মীয়সজন, পাড়াপ্রতিবেশী তার কলেজের ফ্রেন্ডরাও। তার না-কি কখনো বিয়ে হবে না তার এই হাইটের কারণে। তাকে না-কি এখনো দশ বছরের বাচ্চা বাচ্চা লাগে।সে তার সব কাজিনদের তুলায় অনেক ক্ষাটো।তাকে এসব কথা প্রায় শুনতে হয় কারো না কারে মুখ থেকে। জারা চোখ ছলছল করছে।
আর দুই এক কথা শুনলে টুপ করে পানি ঘঁড়িয়ে
পরবে তার।
“ফিহা জারার দিকে তাকিয়ে দেখে তার চোখে পানি। তার হাইট নিয়ে কথা বলায় হয়তো কষ্টে পেয়েছে। ফিহা এবার খুব রাগ দেখিয়ে জাহেদ কে বলে…..

—-ফিহা:- এই আমার জানু’কে নিয়ে একদম বাজে কথা বলবেন না আপনি..?
” জাহেদ :- আরে বাবা,,আমি কী বললাম আবার, আজিব.?? যা সত্যি তাই বলেছি আমি। ওকে তো এতক্ষণ দেখাই যাচ্ছিলো না তোমাদের জন্য।
–ফিহা :- বলছি না ওকে নিয়ে আর একটা কথা ও আপনি বলবেন না শয়তান লোক।
“জাহেদ :-এই মেয়ে তুমি আমাকে শয়তান বললে.??
তেমাকে তো আমি ছাড়ব না….!
রোহানের এবার সত্যি অনেক বিরক্ত লাগছে এসব। জাহেদটা ও হয়েছে একদম বিরক্তিকর,সব সময় উল্টো পাল্টা কথা তার।এই ঝামেলা মিটমাটের উদ্দেশ্যে রোহান বলে….
” আচ্ছা এসব বাদ দাও এখন.!! আমি দারোয়ান চাচাকে বলে দিচ্ছি, আর কখনো যেনো তোমাদের বা তোমার বান্ধবী ‘কে না আটকায়।হয়েছে এবার..??
“” মিম :- হুম ঠিক আছে। আর ভালো করে বলে দিবেন কিন্তু…!! এখন আমার আসি তাহলে…!
“” রোহান :- হুম যাও, তোমরা সবাই..!!
ফিহা জাহেদের দিকে একবার তাকিয়ে বলে,”আপনাকে আমি দেখে নিব…!!
চলে যায় তারা তিনজন।

সমন্ধি আমার তেমাকে একজন মেয়ে পুরো লোক সমাজের সামনেই ঠান্ডা মাথায় থ্রেট দিয়ে গেলো..?
ভাবা যায় এসব…? বলেই … হু….হা হা.. করে হেসে দেয় রোহান।
“” ভাইয়া আমি যদি ও এখনো তোমার সমন্ধি হয়নি,,, কিন্তু একদিন না একদিন হয়েই যাবো ইনশাআল্লাহ। ”
তাই বলে কী,” না হওয়া সমন্ধিকে একটু সম্মান দিয়ে কথা বলতে পারো না তুমি.??
“”আরে সমন্ধি রাগ করো কেনো.?? আমি তো মজা করছিলাম তোমার সাথে।
—হুম চলো এখন বাসার দিকে যাই। একটু রেস্ট নিয়ে আবার আসব বিকেলে সবাই কে নিয়ে হাঁটতে। —
— হুম চল—

জারা বাসায় এসে মন খারাপ করে বাসে আছে ড্রইং রুমের সোফায়। না ফ্রেশ হচ্ছে, না তার মায়ের কথার উত্তর দিচ্ছে। ঠাঁই জায়গায় বসে আছে।
—মারজিয়া বেগম :- কি হইছে জারা.?? এমন মন খারাপ করে বসে আছিস কেনো.??কেউ কিছু বলেছে..?
—জারা :- নিশ্চুপ…..
— মেয়েকে চুপ থাকতে দেখে মারজিয়া বেগম এসে মেয়ের পাশে বসে তাকে আগলিয়ে নেয়। নিজের বুকে মেয়ের মাথা রেখে পুনরায় আবার বলেন…..
“আরে বাবা না বলে বোঝব কী করে আমি, ‘কী হয়েছে তোর.?? আমাকে বল মা তোর মন খারাপ কেনো.??
” মায়ে এমন সোহাগ পেয়ে নিজেকে আর দমিয়ে রাখতে না পেরে, ‘মাকে জড়িয়ে ধরে হু’হু– হা’হা করে কান্না করে দেয় জারা।
মেয়েকে এমন হঠাৎ করে কান্না করতে দেখে বিচলিত হয়ে জিজ্ঞেস করে….
“কী হয়েছে সোনা মা আমার.?? বল মা’কে..!!
” মায়ের বুকে মাথা ঠেকিয়ে বলা শুরু করে…
—- আম্মু আমি কী অনেক ক্ষাটো..?? আমাকে কী কারো চোখে পরে না.?? আমার এই হাইটের কারণে কী কখনো বিয়ে হবে না.??সবাই আমাকে নিয়ে মজা করে, আমাকে না-কি দেখা যায় কারো সাথে দাঁড়ালে..??বলো না মা,বলো..?? কেনো সবাই আমার সাথে এমন করে..?আমার তো কষ্ট হয়…! তারা কী এটা বোঝে না..??

“মেয়েকে এমন ভেঙ্গে পরতে দেখি মারজিয়া বেগম আরো নিজের কাছে আগলে নেন। মেয়ের মাথা হাত বুলিয়ে দিয়ে বলেন…
” জারা মা,মানুষ আমাদের দূর্বলতার দিকেই বেশি আঘাত করে। তা যেনে হোক অথবা না যেনেই হোক। তাই বলে ‘ যে আমাদের ভেঙ্গে পরতে হবে তা কিন্তু নয়। মানুষ আমাদের জীবনকে ভাঙ্গার জন্যই আসে। তা বলে’যে সবাই এক তা-ও কিন্তু নয়।কিছু মানুষ আমাদের জীবনকে নতুন করে সুন্দর ভাবে গঁড়তেও আসে। আমাদের নিজেকে সব পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিতে হবে। নিজেকে শক্ত করতে হবে। মানুষ নরম মনের মানুষকে ‘ ই
বেশি আঘাত করে। সবসময় সবার কথা ধরতে নেই মা,।
তুমি বোঝতে পারছো মা তোমাকে ঠিক কী বলতে চাচ্ছি.?? মায়ের কথা বোঝতে পারছো তুমি.?? এখন কান্না বন্ধ কর, তোমার তো আবার মাইগ্রেনে ব্যথা আছে। কান্না করার ফলে মাথা ব্যথা করবে। কান্না থামাও, আর গিয়ে ফ্রেশ হয়ে আসো খাবার খাবে।
“মায়ের এমন শান্তনা মূল্যক কথা শুনে কান্না করা বন্ধ করে দেয় জারা । মায়ের বক্ষপিঞ্জরের থেকে মাথা তুলে, হাতের সাহায্যে চোখের পানি মুছে নিয়ে বলে….

” আম্মু আমি আর অন্যের কথায় নিজেকে কষ্ট দিব না। আমি নিজেকে শক্ত করে তুলবে যাতে করে অন্যের কথা শুনে আর খারাপ না লাগে।
নিজেকে আরও ইস্টং করব, তুমি দেখে নিও। আমি আর কান্না করব না। ”
” আচ্ছা! এখন গিয়ে ফ্রেশ হয়ে আয়, আমি খাবার বারছি..!”
” তার মা এমনই,এখন কী বলে ডাকে সেই নিজেই বোঝাতে পারে না। একবার তুই বলে তো আরেক বার তুমি বলে ”
” জারা আচ্ছা আম্মু বলে, ‘চলে আসে নিজের রুমে। কিছুক্ষন রেস্ট নিয়ে ফ্রেশ হয়ে ড্রইং রুমে চলে আসে। ”
” জোহান এখনো স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে’ নি ” একবারে টিউশন পড়তে তার পর আসবে।
” একাই খাবার খেয়ে রুমে এসে সুয়ে পরে, কিন্তু তার চোখে ঘুম নেই। সবে মাত্র কলেজে ভর্তি হওয়ায় পড়াশোনার এতো চাপ নেই তার। একা, একা সুয়ে থাকতে বিরক্ত লাগছে তার,’ তাই তার দুই বেস্ট ফ্রেন্ড কে ফোল লাগায়..”

রোহান আর জাহেদ একসাথে তাদের মধ্যেকার কথা নিয়ে হাসাহাসি করে তাদের বাসায় চলে আসে। বাড়ির ভিতরে ডুকতে তাদের সামনে এসে দাঁড়ায় আরমান। তাদের এতো খুসি দেখে ভ্রু কুঁচকে তাকায়। কী নিয়ে এতো খুসি এরা দু’জন।
” কী নিয়ে এতো হাসাহাসি করছিস দু’জন মিলে.?? এতো খুসি খুসি দেখাচ্ছে কেনো তোদের দুটোকে…??
” রোহান :- এখন কী আমরা হাসতে ও পারব না তোর ঝালায়.? হাসলেও তোকে বলতে হবে আমরা কেন হাসছি, আজিব.??
“আরমান :- এতো কথা বলার মানে কী.? আমি জাস্ট এমনিই জিজ্ঞেস করছি.?? বললে বলবি না বললে নাই বা* ল..!!
” জাহেদ :- আরে ভাইয়া রাগ করো না। তেমন কিছু হয়নি, শুধু একটু আগে ঘাটে তিনজন মেয়ে… এক, এক করে সব কথা খুলে বলে জাহেদ আরমানকে ”
এসব শুনে সে ঠিক বোঝতে পারছে তারা কাকে নিয়ে মজা করছে। রাগে চোখ দুটো লাল হয়ে আসছে আরমানের। তার হাফ ইঞ্চি মেয়ে ‘ কে নিয়ে তারা দু’জন মিলে মজা করছে।
আরমান একবার রোহানের দিকে তাকায় তো আরেক বার জাহেদের দিকে।
আরমানের চাহনি দেখতে কেমন যেনো লাগছে তাদের কাছে। কিছু নিয়ে মনে হচ্ছে প্রচুর রেগে আছে সে।চোখ দুটো কেমন লাল হয়ে আছে।
তাদের দিকে আরমানকে এমন ভাবে তাকাতে দেখে জাহেদ আমতা আমতা করে বলে. ….

— জাহেদ :-ভাইয়া তুমি আমাদের দিকে এমন ভাবে তাকিয়ে আছো কেনো..?? আমরা কী কিছু ভুল করে ফেলেছি..??
— রোহান :- এই এমন ভাবে আমাদের দিকে তাকাবি না..? আমাদের লজ্জা করে..??
‘ ভাইয়া তুমি চুপ করো তো, দেখতে পারছো না কেমন লাল চোখে তাকিয়ে আছে আমাদের দিকে , ‘ধরতে পারলে কাঁচা চিবিয়ে খেয়ে ফেলবে…. ফিসফিস করে রোহানে কানে কানে বলে জাহেদ..!!
“” হ্যাঁ, ভুল করেছিস,’ অনেক বড় ভুল করেছিস..!
তোরা জানিস কাকে নিয়ে মজা লুটছিস..??

রৌদ্রময় বালুচর পর্ব ৭

” না ভাইয়া, আমরা যানি না, ‘ কে ঐ মেয়ে..?? জাহেদ —–
“ঐ মেয়ে না, ‘ ভাবি বলে ডাকবি আজ থেকে তোরা দুইটা। যেখানে দেখা হবে ভাবি বলে ডাকবি। সুন্দর ভাবে সম্মান দিয়ে কথা বলবি ওর সাথে। ” গরু কোথাকার….তোদের আমি পরে দেখে নিবো। আগে দারোয়ান টার একটা ব্যবস্থায় করতে হবে..!! বিকেলে সবাই তৈরি হয়ে থাকিস গুরতে বের হবো। জিনিয়া আর জেরিন’ কেও বলে দিস!! বলে আর দাঁড়ালো না সোজা চলে যায় রুমের দিকে আরমান—-
— পিছনে রেখে যায় দুই আহাম্মক,দের

রৌদ্রময় বালুচর পর্ব ৯

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here