Home মহামায়া মহামায়া পর্ব ৬৫

মহামায়া পর্ব ৬৫

মহামায়া পর্ব ৬৫
তুশকন্যা

সকালে পুরোটা সময় ভার্সিটিতে দেওয়ার পর, কেনীথ এখন নিজের হেডকোয়ার্টারে কেবিনে ব্যস্ত সময় পার করছে। কেবিনে ফাইল আর ল্যাপটপের স্তূপের মাঝে অত্যন্ত ব্যস্ত ভঙ্গিতে কাজ করে চলেছে কেনীথ। অন্যদিকে বাহিরের করিডোর হতে, বারবার তার কেবিনের কাঁচের দরজার আড়াল থেকে উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে আনায়া। অনেকটা সময় এভাবেই পেরোলে, আর দ্বিধা না করে একপ্রকার সাহস জুগিয়েই রমণী ভেতরে ঢুকে পড়ল। অন্যান্য দিন আনায়ার উপস্থিতি টের পেলে কেনীথ অন্তত একবার মুখ তুলে তাকায়; কিন্তু আজ ফাইল থেকে তার প্রখর দৃষ্টি সরছেই না। কেনীথের রাশভারী গম্ভীর ভাব দেখে আনায়া সহজেই অনুধাবন করল—লোকটা কাজের বেশ চাপে আছে।
​আনায়া অভিমানী ভঙ্গিতে মুখ ফুলিয়ে কেনীথের ডেস্কে ঘেঁষে ঘরের এদিক-ওদিক চক্কর কাটতে লাগল। তার এমন ছটফটে কাণ্ডকারখানা সরাসরি চোখে না দেখেও, ফাইলের পাতা উল্টানোর মাঝেই কেনীথ গম্ভীর ও রাশভারী স্বরে বলে উঠল,

​”মেজাজ কিন্তু এমনিতেই বিগড়ে আছে। এভাবে চোখের সামনে চরকির মতো না ঘুরে, ওই ফাইলগুলো সেলফে ঠিকমতো গুছিয়ে রাখ।”
​আনায়া এমন অপ্রত্যাশিত আদেশে অপ্রস্তুত হয়ে থমকে দাঁড়াল। আশেপাশে নজর ঘুরিয়ে দেখল—সোফার সামনের টি-টেবিলের ওপর সত্যিই একগাদা কাজের ফাইল এলোমেলোভাবে পড়ে আছে। কথা না বাড়িয়ে সেগুলোকে নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব মনে করে সে এগিয়ে গেল। ফাইলগুলো হাতে তুলে নিয়ে সেলফে একের পর এক সাজাতে সাজাতে মনে মনে ফুসে উঠে বিড়বিড় করল,
​”নিজের মেজাজ খারাপ; অথচ ঝাল-মসলা ঝাড়ছে সব আমার ওপর! অসভ্য পুরুষ একটা!”
​মনে মনে গজগজ করতে করতেই সে ফাইলগুলো স্থরে স্থরে সাজাতে লাগল। একইসাথে কাজের ফাঁকে ফাঁকে পেছনে ঘাড় ঘুরিয়ে কেনীথের দিকে তাকাল কয়েকবার; মুখ ফুলিয়ে মৃদু স্বরে গুনগুন করে গাইতে লাগল,
⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀‘দেখতে বর বর,কিন্তু আস্ত বর্বর
⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀একটা জুটে গেছে কপালে…!
⠀⠀⠀⠀দেখতে হ্যান্ডসাম….
⠀⠀⠀⠀কিন্তু প্রেমেতে সে এক আস্ত ফেলুরাম,
⠀⠀⠀⠀ফেঁসে গেছি আমি অকালে!

দাঁত চিবিয়ে চিবিয়েই শেষ দুটো লাইন বিড়বিড় করল আনায়া। একইসাথে বলল,
“একদিন আমারও আসবে! আপনি পিছনে পিছনে ঘুরবেন অথচ আমি পাত্তা দেবো না। নাকানিচুবানি খাইয়ে ছাড়ব আপনাকে, তবুও আপনার সঙ্গ ছাড়ব না।”


সারাদিন তেমন কোনো কাজকর্ম জোটেনি আনায়ার কপালে। টি-টেবিলের এলোমেলো ফাইলগুলো সেলফে গুছিয়ে রাখার পর তার কাজ একপ্রকার শেষ। এমনিতেও অফিসে কাজের দোহাই দিয়ে আসাটা তো স্রেফ মহাপুরুষকে মনভরে স্বচক্ষে দেখার অজুহাত।
রাত নয়টা নাগাদ আনায়া অবশেষে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হলো। সারাদিন কেনীথের সাথে থেকে এখন তার মনটা ভীষণ ফুরফুরে।
​হেডকোয়ার্টার পেরিয়ে হাঁটতে হাঁটতে সে প্রায় বেশ খানিকটা পথ অতিক্রম করে ফেলেছে। চারপাশে ঝিরিঝিরি তুষার ঝড়ছে, ল্যাম্পপোস্টের আলোয় ঝকমক করছে চারপাশ।
​ঠিক তখনই রাস্তায় ঘটে গেল এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা। আনায়ার একেবারে সামনে এসে হঠাৎ একটি কালো রঙের বিএমডব্লিউ থমকে দাঁড়াল। ড্রাইভওয়ে থেকে নেমে এলো রমণী। ঝকঝকে ল্যাম্পপোস্টের হলুদ আলোয় তাকে চিনতে আনায়ার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হলো না। তবে মেয়েটির এলোমেলো চুল আর অদ্ভুত ভাবভঙ্গি দেখে সে বেশ অবাক হলো।

গাড়িটা যেহেতু পেছন থেকে এসেছে, আনায়ার মনে হলো সে ভুল না করলে স্টেলা হয়তো এতক্ষণ হেডকোয়ার্টারের আশপাশেই তার জন্য ওত পেতে অপেক্ষা করছিল। আনায়া অবশ্য সেসবকে পাত্তা দিল না। সে ভ্রু কুচকে নিজের পথ ধরে এগোতে চাইল। কিন্তু স্টেলা দ্রুত এসে তার চলার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াল। চারপাশে ধীরে ধীরে ঝিরিঝিরি তুষারপাত হচ্ছে, আর তার ঠিক সম্মুখে ওয়েস্টার্ন জ্যাকেট ও শর্টসে সজ্জিত এক রমণী অদ্ভুত ক্ষোভ নিয়ে দাঁড়িয়ে।
​আনায়া বিরক্ত হয়ে কিছু বলার আগেই স্টেলা বাঁকা হেসে বলে উঠল,
​”আন্যয়া এ্যহস্যান?অ্যাম আই রাইট?”
​আনায়া বিরক্তি চেপে, মুখে কৃত্রিম এক চিলতে হাসি ফুটিয়ে বলল,
​—“জি না, ওটা আনায়া এহসান হবে।”
​স্টেলা ক্ষিপ্ততায় ফুঁসে উঠে বলতে চাইল,
​—“সো, মিস এহসান…”
​—“আবারও ভুল! মিস নয়, মিসেস এহসান।”
কথা কেড়ে নিয়ে সংশোধন করে দিল আনায়া। স্টেলা মুহূর্তের জন্য অবাক হয়ে থমকে গেল। নিজের সন্দেহ দূর করতে সে সোজা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিল,
​—“তোমার সাথে ভিকের ঠিক কী সম্পর্ক?”
​আনায়া মোটেও অবাক হলো না। স্টেলাকে এ অবস্থায় দেখে সে এমন কিছু শোনার জন্যই যেন প্রস্তুত ছিল। ওষ্ঠকোণে মুচকি হাসি ঝুলিয়ে আনায়া সোজা কাটকাট গলায় উত্তর দিল,
​—“হি ইজ মাই হাজবেন্ড!”

​আনায়া অত্যন্ত সহজভাবে কথাটা বললেও স্টেলা তা মেনে নিতে পারল না। তার বিকৃত মস্তিষ্ক মুহূর্তেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠল। আনায়ার দিকে চাপা আক্রোশ নিয়ে হঠাৎ দুপা এগিয়ে এলো। আগেপিছে কিছু না ভেবে, আচমকা সজোরে এক চড় বসিয়ে দিল আনায়ার গালে!
​এমন আকস্মিক আঘাতে আনায়া সম্পূর্ণ অপ্রস্তুত হয়ে পড়ল। স্টেলা যে হঠাৎ এমন আক্রমণাত্মক হয়ে উঠবে, তা সে কল্পনাও করতে পারেনি। আনায়া এক হাতে গাল চেপে ধরে বিস্ময় ভরা চোখে হিংস্র হয়ে ওঠা স্টেলার দিকে তাকাল। স্টেলা চাপা গর্জনে হিসহিসিয়ে বলল,
​”ইউ ফাকিং গার্বেজ! হাউ ডেয়ার ইউ সে দ্যাট বুলশিট! ভিকে জাস্ট মাইন, গট ইট?”
​কিন্তু ততক্ষণে শান্ত আনায়ার ভেতরে জমে থাকা রাগ আগ্নেয়গিরির মতো ফেটে পড়েছে। স্টেলা কিছু বুঝে ওঠার আগেই আনায়া ক্ষিপ্ত বাঘিনীর মতো তার ওপর তেড়ে গেল। স্টেলা নিজেকে সামলানোর কোনো সুযোগই পেল না! এমনিতেও লাগাতার কয়েকদিন হতে নানান পদের দেশি-বিদেশি ম-দ খেতে খেতে তার পুরো মস্তিষ্কই এখন বিকৃত।
​এদিকে আনায়া গায়ের সমস্ত জোর দিয়ে শক্ত হাতের মুঠোয় স্টেলার এলোমেলো চুলগুলো খামচে ধরল। দাঁতে দাঁত পিষে স্টেলাকে নিজের মুখোমুখি স্থিরভাবে দাঁড় করে, সপাটে এক চড় বসিয়ে দিল তার গাল বরাবর।
​চড়টা মেরেই আনায়া তাকে ছেড়ে দিল। আঘাতের ধাক্কায় স্টেলা নিজের ভারসাম্য রাখতে না পেরে পিচঢালা বরফাবৃত রাস্তায় ছিটকে পড়ল। বাহু আর পায়ে বেশ ভালোই চোট পেল সে; খানিকটা রক্তও ঝরল জায়গাগুলো হতে। স্টেলা রক্তচক্ষু নিয়ে তাকাতেই, আনায়া তার দিকে আঙুল উঁচিয়ে গর্জে উঠল,

​“ইউ ফা*কিং স্ল্যা*ট! একটা কথা কান খুলে শুনে রাখ; প্রিয় নির্লজ্জের ঘরের বেহায়া! আমার বড় আম্মুর বাচ্চা শুধু আমার। শুধু আমার! বুঝেছিস?”
হাতের কব্জি দিয়ে একটানে মুখ মুছে নিল আনায়া। কথা না বাড়িয়ে ফুঁসে ওঠা রাগটা কোনোমতে দমিয়ে পেছনে ফিরল সে। বাড়ির পথের রাস্তা ধরে কয়েকপা এগিয়ে যেতেই, আচমকা পেছন হতে তার চুলে টান পড়ল। আনায়া থমকে দাঁড়াল। কিন্তু কিছু বুঝে ওঠার আগেই সেই চুলের টান এতোটাই দৃঢ় হলো যে, আনায়া নিজের শরীরের ভারসাম্য হারিয়ে পেছনের দিকে ছিঁটকে পড়ল। তীব্র ব্যাথায় চোখ-মুখ খিঁচে নিল এক লহমায়; মুহূর্তেই চারপাশে সবটা ঝাপসা ও অন্ধকার হয়ে গেল।

রাত দশটা পেরিয়ে এগারোটা বাজতে চলল। অফিসে কাজের চাপ বেশি রইলেও, সবটাই দ্রুততর সেরে নিয়েছে কেনীথ। বাকিটা ইমানির দায়িত্বে বুঝে দিয়েছে; কোনো বিশেষ কারণ ব্যতীতই অদ্ভুত এক শারিরীক অস্থিরতা কাজ করছে তার মাঝে। হয়তো কোনোকিছু নিয়ে অতিরিক্ত প্রেশার নিয়েছিল বলেই, অসুস্থ শরীরের পক্ষে তা আর সহনীয় হয়নি। তাছাড়া হঠাৎ মাথার পেছনের পুরোনো সেই ব্যথাটাও কেমন যেন অনেকটাই বেড়েছে।
যদিও সেসবের তীব্র কোনো প্রতিক্রিয়া অবয়বে প্রকাশ না করেই, সে হেডকোয়ার্টার পেরিয়ে দৃঢ় পায়ে নিজের কারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। পাশ থেকে গার্ডরা সকলে সম্মানসূচক কুর্নিশ জানালেও, সেদিকে তার কোনো খেয়াল নেই; পুরুষ তখনও তার নিজের অস্পষ্ট খেয়ালে মত্ত। আর অজানা সেই ঘোরের মাঝেই হঠাৎ ফোন-কলের আওয়াজে তার ধ্যান ভাঙল।
কেনীথ গাড়ি আনলক করে, চড়ার মূহুর্তেই হঠাৎ ফোনের আওয়াজে দাঁড়িয়ে পড়ল। চেক করে দেখল পাভেল ফোন করেছে। পাভেল বর্তমানে মিউনিখের বাহিরে কর্মবিশেষের জন্য গতকাল হতে বার্লিনে অবস্থান করছে। কেনীথ বিলম্ব করল না। সে কলটা রিসিভ করে কানে ধরতেই, পাভেলের উদ্বিগ্ন এক কন্ঠস্বর ভেসে এলো,

“ভাই, কোথায় তুমি?”
কেনীথ কিঞ্চিৎ ভ্রু কুঁচকে, ড্রাইভিং সিটে বসতে বসতে আওড়াল,
“এইতো কিছুক্ষণের মধ্যেই বাড়ি ফিরছি।”
—“ভাই, একটা মস্তবড় ঝামেলা হয়ে গেছে।”
পাভেলের বিচলিত কন্ঠস্বরে কেনীথের সিটবেল্ট বাঁধতে উদ্যত হওয়াটা হাতখানা থেমে গেল। সে প্রত্যুত্তরে রুক্ষ স্বরে জানতে চাইল,
“কি হয়েছে? তোর আওয়াজ কেন এমন শোনাচ্ছে? বার্লিনে কারো সাথে কোনো ঝামেলা করেছিস?”
পাভেল কিঞ্চিৎ বিরক্তি ও উদ্বেগের সাথে জানাল,
“আহ্, আমার সাথে কার কি ঝামেলা হবে? আর আমি আগ বাড়িয়ে কার সাথেই বা ঝামেলা করব?”
—“তাহলে হয়েছেটা কি?”
সামান্য রাগ-বিরক্তি মিশ্রিত কন্ঠে প্রশ্ন ছুড়ল কেনীথ। পাভেল উদ্বিগ্নতা মিশিয়ে দ্রুততর হতাশ সুরে বলল,
“জ্যাক ফোন করেছিল, ওর বোন স্টেলা আছে না…?”
—“তোর কি কাজকর্ম নেই? এই অসময়ে ওদের কেচ্ছা শোনাতে ফোন করেছিস? কাজকর্ম না থাকলে ঘুমা।”
পাভেলের কথা শেষ হওয়ার আগেই কেনীথ বিরক্তি নিয়ে বলে ফেলল। সে ফোন কেটে দেবে, তার পূর্বেই পাভেল চেঁচিয়ে উঠল,
“আরে আমার পুরো কথাটা তো শোনো!”
—“দ্রুত বল ইডিয়ট।”

—“জ্যাক ফোন করে বলল যে, ওর বোনের সাথে আমাদের আনায়ার বিশাল এক ঝামেলা বেঁধেছে। ওরা দুজন নাকি রাস্তার মধ্যে WWE খেলছে। কি বলছি, ধূর ছাই! আমি বলতে চাচ্ছি যে, ওদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে আর ওরা নাকি চুলোচুলি করে, হাত-পা ছিলিয়ে একজন আরেকজনের অবস্থা তেরোটা বাজিয়ে দিয়েছে। কিন্তু কাউকেই থামানো যাচ্ছে না।”
পাভেলের মুখে সবটা শুনে স্তম্ভিত হলো কেনীথ। বিস্ময়ের সুরে বলল,
“কি বলছিস এসব? আনায়া স্টেলার সাথে…?”
—“ঠিকই বলছি আমি, এখন তুমি কি করবে তুমিই বলো। জ্যাক আমায় যেতে বলছে, কিন্তু আমি তো বার্লিনে। এখন তুমি কি ওখানে যাবে নাকি আমি লোক পাঠানোর ব্যবস্থা করব?”
কেনীথ নিশ্চুপ রইল। সে কিছু বলছে না দেখে, পাভেল আবারও উদ্বিগ্ন স্বরে চেঁচাতে লাগল,
“ভাই কিছু তো বলো, আমার মাথা ছিঁড়ে যাচ্ছে এসব শুনে…!”
—“……..
—“ভাই…?”

কেনীথ আর কিচ্ছুটি বলল না। ফোনটা তৎক্ষনাৎ কেটে দিয়ে সে হন্তদন্ত হয়ে সিটবেল্টটা বেঁধেই গাড়ি স্টার্ট দিল। আর পরমুহূর্তেই একহাতে ড্রাইভ করতে করতে, অন্যহাতে পাভেলকে মেসেজ পাঠাল—লোকেশনের জন্য।
সেকেন্ড দশের মধ্যেই পাভেল লোকেশন পাঠাল। একইসাথে হেডকোয়ার্টার সীমানা ছাড়িয়ে গাড়ি ছুটল সেই নির্দিষ্ট গন্তব্যে। আক্রোশে দু’হাতে স্ট্রিয়ারিং সজোরে চেপে ধরতেই, কেনীথের চোয়ালখানা শক্ত হয়ে উঠল। না চাইতেও যেথায় মন-মেজাজের এমন দুর্দশা তার মাঝে আমার এসব ঘটনা!

মহামায়া পর্ব ৬৪

কেনীথ ভেবেই বসল, সেদিন স্টেলার বিষয়ে তার মুখে কোনো যথার্থ উত্তর না পেয়েই হয়তো আজ আনায়া নিজের সকল আক্রোশ নিয়ে স্টেলার সাথে ঝামেলাটা বাঁধিয়েছে। সবমিলিয়ে কেনীথ চরম বিরক্তির সাথে চাপা স্বরে বিড়বিড় করল,
“সব সীমা পার করে ফেলেছে অসভ্যটা। এ-কে আমি মানুষ করব কি-করে! একবার শুধু পৌঁছে নেই; থাপড়ে সবকটা দাঁত ফেলে দেবো বেয়াদবটার!”

মহামায়া পর্ব ৬৬

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here