Home Vilen vilen part 12

vilen part 12

vilen part 12
আনু

বিধ্বস্ত হয়ে শুয়ে আছে রোজি। চোখ মুখ শুকনো। চুল এলোমেলো শরীরে কিছু নেই প্রায় ৪০ মিনিট পর আবার চোখ খোলে তখন বিকাল ৫ টা। নিলয় ওয়াশরুমে গিয়েছে। রোজি দেখলো ওর সারা শরীরে কামড়। ব্যথায় টন টম করছে। পা টা একটু নারাতে নেয় কিন্তু অসহনিয় ব্যথায় ফুপিয়ে ফুপিয়ে কেঁদে ওঠে মেয়েটা।
নিলয় ওয়াশরুম থেকে বের হয় চুল মুছতে মুছতে।
নিলয় জানে রোজির সাথে সে আজ কী করেছে কিন্তু তার কিছু যায় আসে নাহ এখন। রোজির এটা প্রাপ্প। নিলয় বলে,

নিলয় : ডং কম কর, তোর শরীরে এতো জালা যে নিজেকে না ডেকে রেখেছিস জনি আমি আবার ওগুলো করি?
রোজি : ছি কী নোংরা মনমানসিকতা।
নিলয় তেড়ে যায়,
নিলয় : এই শালী কাকে কী বলছিস?
রোজি ভয়এ চুপ হয়ে যায় আর কিছু বলে নাহ।নিলয় রেডি হয়ে বের হয়ে যায়।
নিলয় একটি মেডকে ডাকে আর বলে,
নিলয় : রুমে যাও যেয়ে দেখ ওর কী কী লাগে ওকে ফ্রেস করাও।
মেডটি কথামতো রুমে যেয়ে দেখে রোজি শুয়ে আছে সিলিংএর দিকে চেয়ে,
মেড : ম্যাম উঠুন।
ধরে ধরে ওঠাতে ওঠাতে রোজি চিংকার করে ওঠে,
রোজি : আহহহ আমাকে ধরো নহহ প্লিজ আমার সারা শরীর ব্যথা।
মেডটি আস্তে আস্তে রোজিে ফ্রেস করায়।খাবার দেয় রেজি নাহ করে দেয়,
মেড : ম্যাম আপনি নাহ খেলে স্যার আমায় চাকরি থেকে বের করে দিবে।
রোজি : আচ্ছা দাও।

আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন

খাওয়ায় তারপর ঔষধ খায়িয়ে দেয় রোজির সারা শরীরে মেডটি মলম লাগিয়ে রেস্ট নিতে বলে।
রোজি রাতে কিছুটা সুস্থ অনুভব করে সে আস্তে আস্তে বিছানা থেকে নামে সে বারান্দায় যায় দেখে পালানো যাবে নাকি!
রোজি দেখে এটা ২ তালা সে রুম থেকে সকল পর্দা নিয়ে গিট দিয়ে নিচে নেমে যায় এই বাড়ীতে দারোয়ান ছাড়া কেও নেই সে বের হয়ে প্রায় ৩৫ মিনিট খুড়াতে খুড়াতে হাটে। একটু এগিয়ে দেখে সামনে বড় রোড সে একটি গাড়ি দাড় করায় ওপারে।
সে ওপারে যেতে নিবে তার আগেই একটি গাড়ি তার সামনে এসে থামে রোজি হকচকিয়ে যায় সে দেখে গাড়ি থেকে নিলয় নামছে।

নিলয় এর চোখ লাল,কপালের রগ ফুলে ওঠা সে এগোতে নিলেই রোজি উল্টোদিকে দৌড় দেয় নিলয় দ্রুত গিয়ে রোজিকে ধরে ফেলে।
রোজি : আহ আমায় ছুবেন না আমার ব্যথা লাগছে।
নিলয় ওকে ওখানেই এক থাপ্পর মারে,
নিলয় : আবার? আবার? আবার? পলিয়েছিস?
নিলয় আর কিছু নাহ বলে ওকে বাসায় নিয়ে যায় চুল ধরে টেনে টেনে উপরে উঠায়। রোজি হাটতে পারছে না তাও নিলয় ওকে টেনে হিচরে উপরে নিয়ে ফ্লোরে দেয়,
রোজি : আহহহ!
ফেলে দিয়ে দরজা আটকে কোথায় যেনো চলে যায়।

নিলয় বারে বসে ড্রিংক করছে ইচ্ছে মতো ড্রিংক করছে। রাত ১ টার পর বাসায় যায় দরজা খুলে রুমে প্রবেশ করে দেখে রোজি বিছানায় বসা। ওকে দেখে উঠে দাড়ায় আর বলে,
রোজি : আমায় জেতে দিন আমায়… আহহহহ!
এমনি নিলয় রোগে আছে তার উপর আবার এহেন কথায় চটে গিয়ে নিলয় তেড়ে যায়। যেয়ে রোজিকে থাপ্পর দেয় এক নাগারে ৩ টা রোজি ছিটকে কাচের টেবিলে পরে। টেবিল ভেঙে চুরমার। রোজির মনটাও এমনি চুরমার হচ্ছে।রোজি মাথায় ব্যথা পায় রোজির নাক দিয়ে রক্ত চলে আসে।
নিলয় : কোন সাহসে বের হয়েছিস?
রেজির বাহু খামচে ধরে, রোজি বলে,

রোজি : আমি থাকতে চাই নাহ আপনার সাথে।
নিলয় রোজির কন্ঠনালি চেপে দরে আর চিবিয়ে চিবিয়ে বলে,
নিলয় : শালী,বান্দি তুই কী বললি? তোকে আমার সাথেই থাকতে হবে আজ নাহ কাল নাহ সারা জীবন!
রোজি : আমি থাকবো নাহহহহ!
রোজির এমনি শরীরের অবস্থা ভালো নাহ গলা চেপে ধরায় ছটপট ও কম করছে ছুটাতে পারছে নাহ। রোজির চোখ উল্টে আসে চোখ অন্দকার হয়ে আসে। নিলয় রোজিকে ছেড়ে দেয়। রোজি দপাস করে মেঝেতে বসে কাশতে থাকে আর বলে,

রোজি : আমাকে মারার সাহস কোথায় পান? আমি যাবো।
বলেই রোজি টোলতে টোলতে উঠে দারায় সে নিলয়কে ক্রস করে যেতে নেয় সেই সময় নিলয় রোজিকে টেনে আনে নিজের কাছে। এনে ওর চুলের মুঠি ধরে। রোজি ভয় পেয়ে যায়।নিলয় বলে,
নিলয় : ওই কাচ গুলো দেখেসিছ? এগুলোর উপর হাট।
কাচের যেই টেবিল টা ভেঙেছিলো ওই কাচগুলি দেখিয়ে বললো কথাটা।
রোজি : কী বলছেন পাগল হয়ে গিয়েছেন?
রোজি কাঁদতে কাঁদতে বল্লো। রোজির এবার ভিসন ভয় করছে। নিলয় আবার ও বলে,
নিলয় : ওগুলোর উপর না হাটলে তোর পুরো পরিবারকে আমি খুন করে ফেলবো!
রোজি : নাহ নাহ নাহ আমি হাটবো হাটবো তারপর আমায় যেতে দিবেন।
নিলয় কিছুই বলে নাহ। রোজি আস্তে আস্তে কাচগুলোর সামনে যায়। রোজির খুব ভয় করছে একবার সে নিলয় এর দিকে তাকায় আর একবার কাচের দিক। খুব ভয় করছে কিছু বলতেও পারছে নাহ। এর মাঝে নিলয় বলে,
নিলয় : হাট বলছি তোর শাস্তি এটা!

vilen part 10+11

নিলয় ড্রিংক করা তাই সে কি করছে বুঝতে পারছে নাহ নিলয় এমনি রাগি পাশান হার্টলেস।
রোজি আর কিছু নাহ বলে এক পা রাখলো ওমনি তার নরম গোরালিতে ফুটে ওঠে সরু কাচের টুকরো। রোজি চোখমুখ খিঁচে ফেলেছে। আরও এক পা ফেলতেই রোজি অস্ফুটো আওয়াজে গুঙিয়ে ওঠে,
রোজি : আহহ।
নিলয় দেখছে কিন্তু নিজেকে শক্ত করে রেখেছে। চোয়াল শক্ত করে তাকিয়ে আছে।রোজি আবার এক পা সামনে যায় রক্ত দিয়ে টাইল ভিজে যাচ্চে।
রোজির মাথা ভনবনিয়ে আসে। নিলয় বলে,
নিলয় : থাম।

vilen part 13