Home My Husband My Husband part 9+10

My Husband part 9+10

My Husband part 9+10
সামহা সামি

_ আমি বলছিলাম না ব্যাথা পাবে এখন চিল্লাচ্ছো কেন ।
প্রহেলের কথায় আনেয়া ভ্রু কুঁচকে বলে।
_ আমি অসুস্থ না আমি ঠিক আছি-‘
আনেয়া পুড়ো অগ্রাহ্য করে নিজের মাঝে মিশিয়ে জোরে কাম*ড় বসিয়ে দিতে থাকে এক হাতে বু*কে চাপ দেয় গলার মাঝে মুখে নিয়ে নাক ঘষতে থাকে, এমন সময় কেউ দরজায় নক করে, প্রহেল নিচে পড়ে থাকা ড্রেস গুলো কোন’রকমে পড়ে আনেয়ার অর্ধনগ্ন শরীরে ব্ল্যাঙ্কেট দিয়ে মুড়িয়ে দেয়, দরজা খুলতে একজন স্টাফ কিছু খাবার নিয়ে আসে, প্রহেল রুমে আসার আগে রিসিপশনে খাবার পাঠানোর কথা বলে আসছে, স্টপটির হাতে ট্রেতে ধোঁয়া ওঠা গরম চুপ, বু*কে আঙ্গুর ফল দিয়ে একটা দ্রুধা’মিল্ক শেখ বাঁনানো, আনেয়া এই সময় স্টাফ দেখে বিরক্ত হয়ে মুখ বাঁকিয়ে উল্টে ঘুরে সুয়ে পড়ে প্রহেল রুমের দরজা লক করে হাতে থাকা খাবারের ট্রেটা ছোট টেবিলে রেখে আনেয়ার দিকে এগিয়ে এসে বলে,

_____’উঠ আগে কিছু খেয়ে নেও না হলে শরীরে জোর পাবে না _!
আনেয়ার মেজাজ এমনিতেই বিগরে গেছে তার উপর আবার প্রহেলের অর্ধেক কাজ করে উঠে যাওয়া সব মিলিয়ে পুড়ো মেজাজ খারাপ হয়ে যায় খিট’খিটে গলায় বলে।
_ অসভ্য লোক আমি খাবো না আপনি একাই খান আমার আদ*র চাই।
বাঁকা হেঁসে আনেয়ার উপর থেকে ব্লাঙ্কেট সরিয়ে দিয়ে বিছানায় খা*লি গাঁয়ে বসিয়ে ঠোঁ*ট কামড়ে ধরে বলে।
_আমি ফুলফিল আছি ছোট ফ্লাওয়ার খেয়ে একটু শক্তি সঞ্চয় করে নেও আজ জ্ঞান হাড়ালে চলবে না।
বলেই আনেয়ার মুখের কাছে এক চামচ চুপে ফুঁ দিয়ে ধরে, আনেয়া এক চামচ খেয়ে নাক মুখ শিট্রকে বলে।

আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন

_ছিঃ ইয়াক আমি এই সব খাবো না।
ভাগ্যকূল হয়ে জিজ্ঞেস করে প্রহেল।
_ তাহলে কি খাবে তুমি।
আনেয়া ঠোঁ*ট কামড়ে নেশাময় তীক্ষ্ণ চাহনিতে একটু এগিয়ে এসে বলে।
_ আমি তো আজ আপনাকে খাবো –
প্রহেল হাতে ধরে রাখা চুপের বাটি টা পাশে ছোট টি টেবিলে রেখে আনেয়ার দিকে ঝুঁকে পড়ে বলে।
_- আমাকে খেলে তোমার খিদে মিটবে তবে তাই হোক।
বলেই আনেয়াকে বিছানায় শুয়ে পাশে রাখা, দু*ধ ও আঙ্গুর দিয়ে বানানো দ্রুধা’মিল্ক হাতে নিয়ে আনেয়ার উন্মুক্ত শরীরের পে*ট থেকে গলায় ঠেলে দেয় , প্রহেলের এহান কাজে আহাম্মক বনে যায় আনেয়া, অবাকের সুরে বলে।
_ এটা কি করছেন আপনি।

প্রহেল আনেয়ার পেটের উপর পড়ে থাকা দ্রুধা’মিল্কটি দিয়ে মুখে খেতে থাকে , বুকের মাঝ থেকে গড়িয়ে গিয়ে না*ভির গর্তে ঢুকতে প্রহেল আনেয়ার বু*কে মুখ চেপে ধরে, রিসোর্টের ছাদে ধোঁয়া ওঠা কফির মগ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে রিহান ও সাগর, কফিতে চুমুক দিয়ে সাগর বলে।
_ মেয়ে মানুষ সব পাড়ে বুঝলি রিহান তাঁরা এমন কিছু নেই যা পাড়ে না।
‘সাগরের কথায় রিহান কফির মগ টা ঘুড়িয়ে ধরে বলে?
তুর মনে হঠাৎ এই ধরনের প্রশ্ন কেনো।
সাগর একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে।

_এই যে একজন মাফিয়া মানুষ এক ছোট মেয়ের প্রেমে পড়লো তাও অবুঝ একটা মেয়ে।
রিহান সাগরের কাদ জরিয়ে নিয়ে বলে।
সবার জন্য কাউকে না কাউকে আল্লাহ ঠিক করে রাখেন, যেখানে এই প্রহেল খানের দিকে কেউ তাকিয়ে কথা বলার সাহস রাখে না সেখানে কি-না একজন মাফিয়া তার বউয়ের অপহরণে কান্না করে।

হ্যাঁ প্রহেলের মতো গ্যাংস্টার রিটার্নস মানুষ ও কেঁদেছে তার ছোট ফ্লাওয়ারের জন্য ভালোবাসাহীন মানুষ সহযে কারো ভালোবাসা ফেলে তাকে ছাড়া নিঃশ্বাস নিতে পারে না, দিরে দিরে প্রহেলের হাতের বিচরণ আনেয়ার অঙ্গ পতঙ্গে স্পর্শ করতে থাকে, বু*ক ছেঁড়ে আনেয়ার নীল হয়ে যাওয়া ঠোঁটে ঠোঁট মিলিয়ে দেয় কমর চেপে নিজের আরো কাছে এনে বিছানা থেকে উঠে দাঁড়ায় প্রহেলের ঠোঁট এখনো আনেয়ার ঠোঁটে সীমাবন্ত , রাতের আকাশে আজ হাজারো তারার মেলা, জোৎস্নার আলো সমুদ্রের পানিতে পড়তে,তা ঝলমল করে উঠে দূর’পান থেকে ভেসে আসছে সমুদ্রের পানির গর্জন চারো’পাশ থেকে জোনাকি পোকার পিনপিনে শব্দ, সব মিলিয়ে প্ররিবেশ টা আজ অন্যরকম রোমাঞ্চিত বলা যায় , প্রহেল আনেয়াকে খুলা বারান্দায় এনে দাঁড় করিয়ে দেয় যার ধরুন গালি শরীরে জোৎস্নার আলো পড়তে আরো আবেদনময় করে তুলছে, আনেয়া লজ্জা মিশ্রিত একটা ঢুক গিলে প্রহেলের দিকে তাকায়, প্রহেল ঠোঁট বাঁকা করে আকর্ষনীময় দৃষ্টিতে বলে।

_ ইউ আর রেডি জান আমি কিন্তু রেডি পাশা খেলার জন্য।
আনেয়া জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে বলে তুতলি বলে।
__ ” ক-কিসের পাশা খেলা ,
_ তুমি চিনবে না আমি তোমাকে চিনিয়ে দিচ্ছি।
আনেয়া চোখ বড়ো বড়ো করে বলে।
_ পাশা মানে কি,
প্রহেল বুকে আড়া’আড়ি করে হাত বাচ করে বলে।
_কাছে আসো দেখিয়ে দিচ্ছি-
_’ না আপনি দূর থেকে বলেন !
_ ‘ গরম হয়ে যাচ্ছি জান’ —
বলেই আনেয়ার ডান হাত ঠান মেরে নিজের উপরে ফেলে এক হাতে প্রেনটের বেইল খুলে আনেয়ার দুই হাত নিজের বলিষ্ঠ হাত দিয়ে ধরে বাঁধতে বাঁধতে কানের কাছে স্লো ভয়জে গেয়ে উঠে।

_ আজ পাশা খেলবো রে শ্যাম,
_ আজ পাশা খেলবো রে শ্যাম।
বলেই আনেয়াকে কাঁচের দেয়ালের সাথে চেপে ধরে গলায় কিস করতে করতে নিচের দিকে নেমে হাত দিয়ে আনেয়ার কমরে চাপ দিয়ে ধরে।
_ আহ্, ব্যা*থা, ।
আনেয়া চোখ বেঁয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে ব্যাথায়, প্রহেল নিজের ঠোঁটে দু*ধ আঙ্গুর মিশ্রনের বানানো দ্রুধা’মিল্ক লাগিয়ে আনেয়ার মুখে ঢুকিয়ে বলে।
_ ছোট ফ্লাওয়ার খেয়ে নে মজা পাবি, ।
আনেয়া দু হাতে প্রহেলের মুখ ধরে মুখে পুরছে তো করছে আনেয়ার উত্তেজিত হতে দেখে প্রহেল আরো নিজের ভালোবাসা দিতে থাকে নি*চ থেকে উপরে উঠে আনেয়ার খুলা পিঠে চুমু ।

_ আহ্ –
আর একটু সোহয্য করে নেও মাই লেডি,তুমার ফিলিংস আসছে।
বলেই একটু একটু করে ঢুকাতে থাকে এখনো আনেয়ার জায়গা বেশি বড়ো না হওয়ায় এখনো প্রহেল ঢুকাতে গেলে সুবিধা করতে পারে না, তার এতো ধৈর্য নাই সব নিয়ে ঢুকানোর ওইটার মাথা একটু ঢুকতে প্রহেল আনেয়ার উদ্দেশ্য বলে।
মাই ফ্লাওয়ার আমাকে থামতে বলো না।

_ আহ্ – মা, মরে গেলাম, আমার পাশা খেলা দেখানো লাগবে না আমি পাশা খেলা দেখানো না।
বলেই চিৎকার করতে থাকে, প্রহেল নিজের বাঁকা হেঁসে আরো বাড়াতে বাড়াতে বলে।
_ এখন চিল্লাচিল্লি করে লাভ নেই জান আমি নিজের মাঝে নেই,-
বলেই দিতে থাকে।
উ*ম
আনেয়ার এমন শব্দে প্রহেল আরো উত্তেজিত হয়ে উঠে উপর থেকে উঠে আনেয়ার হাত বারান্দার গ্রিল থেকে খুলে ফ্লোরে সুয়ে দিয়ে বলে।
আমাদের এখন পজিশন চেঞ্জ করা উচিত ফ্লাওয়ার ঠান্ডা লাগবে কিছু করার নেই।
কথা শেষ করতে না করতে আনেয়া প্রহেলের উপরে উঠে প্রহেলের নিজের ওই খানে রেখে নিজেই করছে আর শব্দ করে ওঠে।

_ আহ্,উফ্,
প্রহেল দুই হাতে আনেয়ার বু*ক হাত রেখে এবার আনেয়াকে নিচে ফেলে, আনেয়ার উপড়ে উঠে আনেয়ার কপালে কিস দিয়ে প্রহেলের তপ্ত নিঃশ্বাস আচরে পড়তে থাকে, আনেয়া প্রহেলের চুল খামচে ধরে বলে।
_ আহ্ _ আস্তে করো।
আমার সফ্ট ভালো লাগে না জান আমার জোরে করতে ভালো লাগে।
বলেই মুখ চেপে ধরে , আজ দুইজন এক অদ্ভুত অনুভূতি নিয়ে একজন আরেকজনের দেহে মিশে গেল, শেষের দিকে প্রহেল জোরে ধা*ক্কা দিয়ে।
_ আহ্ – আহ্, জ্বলে যাচ্ছে।
এতো টাই জোরে দিছে প্রহেল আনেয়া নিতে না পেরে অজ্ঞান হয়ে যায়, প্রহেল ক্লান্ত হয়ে ওইটা আনেয়ার ওই খানে রেখেই স্লো ভয়জে ফিসফিস করে বলে।
এটাই আমার পাশা খেলা মাই লেডি আজকের জন্য এতটুকুই ।
বলেই আনেয়ার বুকে মুখ গুঁজে ঘুমিয়ে পরে,

কে শুনে কার কথা প্রহেল তো আবারো আনেয়াকে নিজের করে পেতে ব্যস্ত ,
” আ*হ্, হচ্ছে টা কি ছাড়েন আমার জান বেড়িয়ে যাচ্ছে।

ছোট ফ্লাওয়ার আজকের জন্য কাল থেকে ৭ দিন প্রজন্ত ছুবো না।
বলেই আনেয়ার গলায় পাগলের মতো কিস করতে থাকে সময় যতো যাচ্ছে, প্রহেল ত’তো বেশামাল হয়ে উঠছে। আনেয়ার বাবা চিন্তিত সুরে নাজমা বেগম কে জিজ্ঞেস করে উঠে।
“ওদের কি ফোনে পাওয়া গেছে,
নাজমা বেগম চিন্তিত সুরে বলেন।

_ হয়তো কোন কাজে আটকিয়ে গেছে, চিন্তা করো না?
আমি আগেই বলেছি এই ছেলে ভালো না
বলেই কাজে মন দেয়,।
” কিরে রিহান সব কি আজ ভেবেই নিছে রুম থেকে বের হবে না। ,
বেচারা, রিহান, সাগর মূল্য তো ওরা শেই সকাল থেকে এই প্রজন্ত না হলেও কয়েক আবার আনেয়াদের রুমের সামনে আসছে, রুমের দরজা বন্ধ দেখে ফিরে গেছে, রিহান হেঁসে উঠে বলে।
শালা তুর দেখছি হেব্বি বাসর দেখার প্যারা বলবো নাকি বস কে,
বলেই সাগরের পিঠে ধুম করে কিল বসিয়ে দেয়,
“আ*হ্ ‘ শালা এতো জোরে কেউ দেয়,

বলেই একজন আরেকজনকে তাড়া করতে থাকে, প্রহেল আনেয়ার গলা থেকে বুকে নেমে বুকে দাঁত চেপে ধরে।
” আ*হ্, আল্লাহর ওয়াস্তে এবার ছেঁড়ে দেন আমি পারছি না,
মাই লেডি আর একটু সো*না আর একটু,
বলেই বুক ছেঁড়ে নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে ।
,আ*হ্” উ*ফ্, আ*হ্,
মাই লেডি এবার অন্তত সেন্সলেস হয়েও না, আমাকে অনুভব করো ফ্লাওয়ার,
প্রহেলের সান্তনা বাণী শুনে আনেয়া কান্না মাখা কন্ঠে বলে।
এটা আপনার অনুভব করার কথা ব্যাথা দিয়ে বলেন অনুভব করতে ।
প্রহেল পুড়ো কথা অগ্রাহ্য করে আনেয়ার, ওই খান থেকে ওইটা বের বু*ক মুখে পুরে চু*ষতে থাকে, আর বলে।
মাই লেডি তোমার এই গুলো এতো সফ্ট কেন ।

প্রহেলের কথায় আনেয়া বলে।
মেয়েদের এই গুলো সফরটি হয় আপনি জানেন না।
আমি কি করে জানবো আমি কি কারো কাছে গিয়েছি নাকি।
এখন তো পেয়েছেন অসভ্য লোক কয় বার আপনি আমার থেকে র*ক্ত বের করছেন।
আনেয়ার কথায় প্রহেল শেষের দিকে জোরে কামড় দিয়ে বলে।
তোমার সার্পনার ছোট আমার পেন্সিল বড়ো তাই নিতে পারে না,এতে শুধু র*ক্ত না অন্য কিছু বের হওয়ার কথা।
” ছিঃ নির্লজ্জ ঠোঁট’কাটা মানুষ।

আনেয়া লজ্জায় চোখ মুখ খিছে কথা গুলো বলে, সাঁড়া রুমে কাঁচের ছোট ছোট টুকরো ভেঙ্গে পড়ে আছে, গার্ডরা সবাই ভয়ে কাঁপছে, চেয়ারে লাথি মেরে রনি চেঁচিয়ে উঠে বলে।
ওই মেয়ে কে আমার চাই এক রাতের হলেও চাই প্রহেলের লাশ ভইয়ে হলেও ওই মেয়ে কে চাই।
রাগে ক্ষোভে কথা গুলো বলছে আর পুরো বাংলোতে ভাঙ্গচুর করছে, অন্য দিকে জনি, যে এতো দিন নিজেকে ঢেকে রেখেছে, কি কারনে নিজেকে সবার আড়ালে লুকিয়ে রেখেছে, তা পরেই জানতে পারবেন,পুড়ো শরীরে কালো কাপড়ে আবদ্ধ করা , কেঁপে উঠা ফোন টা রিসিভ করে বলে।

Hey , my Son, How are you ।
I’M Fine Date, And you
I’m, fine, My Son,
তুমি বিডিতে কবে আসছো ডেড।
কিছু দিন মাই সান,ফ্রান্সিকা তোমার সাথে দেখা করতে বিডি তে যাচ্ছে,।
ওপাশে থাকা লোকটার কথায় চম্কে ও বিরক্ত মুখে রনি উত্তর দেয়।
What Are you Crazy Date ?
সরি মাই সান বাট এটা ভুলে যাবে না ফ্রান্সিকা আমাদের সোনার ডিম পাড়া হাঁস,
কিন্তু ডেড!

নো মোর ওয়ার্ড, রনি আমি ফোন রাখছি
রনি বিরক্তিকর ভঙ্গিতে উঠে দাঁড়ায় রাগের মাঝে কেউ যেনো ঘী ঢেলে দিছে ,রনি রেগে মেগে রুম চলে যায় এতন কি করতে হবে, না থাকবে লাঠি আর না থাকবে লাঠির মালিক, দীর্ঘ সময় ধরে নিজেদের ভালোবাসা দেওয়া নেওয়া করে প্রহেল আনেয়াকে শাওয়ার করিয়ে সাদা সফ্ট তাওয়াল পেঁচিয়ে রুমে এনে বেডে বসিয়ে দিয়ে বলে।
তুমি কিছুক্ষণ এখানে থাকো আমি সাওয়ার নিয়ে আসছি।
আনেয়া মুখ ফুলিয়ে অন্য পাশে বেঁকে বসে, তা দেখে প্রহেল বাঁকা হেঁসে হেঁয়ালি সুর তুলে ওয়াশ রুমে যেতে যেতে উঁচু কন্ঠে সুদায় ,

বউ আমার পেন্সিল অন্য কারো সাপনারের ভেতর গেলে এতক্ষণে পেন্সিল তাঁর মুখে থাকতো তোমার তো নিজেকে নিয়ে গর্ব করা উচিত, যে তুমি আমার পেন্সিলের ডিএনএ পাইছো ?
বলেই গড’গড পায়ে ওয়াশ রুমে ঢুকে যায় পিছন ফিরে দেখলো না কেউ একজন চোখ দুটো বড়ো বড়ো করে তাঁর যাওয়ার দিকে তাকিয়ে আছে, আনেয়া গালে হাত দিয়ে বলে।
” তওবা , তওবা মুখের কি ভাষা ছিঃ শুনেই কান দিয়ে গরম ধোঁয়া বের হওয়ার উপক্রম ।
আনেয়ার আস্তে কথা বলা, প্রহেল ওয়াশ রুম থেকে চেঁচিয়ে উঠে বলে।
শুধু কান দিয়ে গরম ধোঁয়া না আরো অন্য জায়গা দিয়েও ধোঁয়া বের হবে।

My Husband part 7+8

প্রহেলের একের পর এক ঠোঁট কাঁটা কথায় আনেয়া লজ্জায় পারছে না মাটির নিচে চলে যেতে, এক হাতে কান চেপে অন্য হাতে বিছানার চাদর খামচে ধরে বলে।
চুপ করুন আপনি আল্লাহ ধরি ফালাও আমি এই লোক কে তোমার দরবারে তুলে ধেই।

My Husband part 11+12