এক রহস্যময় ভালোবাসা শেষ পর্ব
Chadny islam
চাঁদ সূর্য যেমন সত্য, ভালোবাসাও তেমনি সত্য,সময় চলমান সময় নিজ গতিতে চলে!চলতে চলতে হঠাৎ থমকে যায় সবকিছু, আজ ইরা এবং আদিল এর মৃত্যুর প্রায় তিন বছর কেটে গেলো!
যেই সিকদার মহল টা হাসিতে খুশিতে সবসময় জ্বলজ্বল করতো, সেই বাড়ি টাও আজ প্রান শূন্য, চারপাশে হাহা কার করছে, কোথাও সুখ শান্তির ছিটে ফোটা নেই,আদিল এবং ইরার মৃত্যুর সংবাদ শোনার পর আশরাফ সিকদার স্ট্রোক করে ছিলেন! গত পনেরো দিন জীবন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে বেচে ফিরেছেন! অহনা সিকদার এর বেশ বয়স হয়েছে তিনি এখন আর অফিসে যান না! বরং বাড়িতে স্বামীর পাশেই থাকেন তার দেখা শোনা করেন! এখন আদিব সব কিছু সামলায় অফিস চেম্বার, রাজনীতি সব কিছু! এখনো বিয়ে করেনি, হয়তো করবেও না আর কখনো!
“আপনি এখনো ঘুম থেকে ওঠেন নি,
জুথী চেচামেচি করে ডাকছে, সকাল প্রায় দশ টার কাছাকাছি, ঈশান প্রতিদিন সকালে আট টার আগে উঠে নিজের কাজে চলে যায়,কিন্তু আজ তো শুক্রবার ছুটির দিন তাই মেয়ে কে নিয়ে লম্বা একটা ঘুম দিয়েছে! ইশান জুথীর কোল আলো করে জন্ম নিয়েছে ছোট্ট ফুটফুটে এক কন্যা সন্তান! যার নাম রাহা বয়স মাএ দুই বছর ছয় মাস, আদো আদো কথা বলতে শিখে গেছে! জুথীর ডাকাডাকি তেও যখন ঈশান এর কোনো আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে না, তখন জুথী এগিয়ে গিয়ে কম্ফোর্ট টেনে সরালো যা দেখে রীতিমধ্যে অবাক হলো,
বাপ মেয়ে দুই টাই কম্ফোর্ট জড়িয়ে মুখ লুকিয়ে ফোনে কার্টুন দেখছে! জুথী রাগে বিরক্তিতে অতিষ্ঠ হয়ে বললো!!!
___আপনি আমার কথা শুনতে পাচ্ছেন???
রাহা বাবার বুক থেকে দ্রুত বেরিয়ে এলো, মা কে দেখে, মায়ের কোলে যাওয়া জন্য আদো আদো গলায় বললো!!
___মাম্মাম, আমাতে কোলে….
আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন
মেয়ের মুখের আদো আদো কথা, জুথী চট করে বুঝে ফেলে হাত বাড়িয়ে দেয় মেয়ের দিকে, মেয়েও ছুটে আসে মা কে দেখে! বিছানা থেকে এক লাফে মায়ের কোলে চলে যায়, মেয়ের এমন কান্ড দেখে ঈশান ঠোঁট ঠোঁট কামড়ে হাসে, মেয়ে ও মায়ের মতোন চলাক হয়েছে, এখন তো বাবা কে বকা দিবে তাই মেয়ে আগে আগে মায়ের পক্ষে চলে যাচ্ছে! জুথী মেয়ের গালে একটা চুমু খেয়ে বললো!!
___মা, এত বেলা করে ঘুমাতে নেই!!
রাহা বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে আছে ঈশান এর দিকে, সে শুধু মুখ দিয়ে বলতে পারছে না, সব দুষ তার বাবার! রাহা মায়ের কথা বুঝতে না পারলেও মা যে তাকে বকা দিচ্ছে সেইটা বেশ ভালো করে বুঝতে পারছে,মায়ের দিকে তাকিয়ে ঠোঁট উল্টে যেই চিৎকার দিবে, তখনি ঈশান জুথীর কোল থেকে কেড়ে নিজের কাছে নিয়ে বললো!!
___মাম্মাম পচা! আমার রাজকন্যা কে বকা দেয়!!
ঈশান মেয়ে কে বুকের সাথে মিশিয়ে নেই, আর জুথী কে উদ্দেশ্য করে বলে!!
___এক দম আমার মেয়েকে বকা দেয়ার সাহস দেখাবা না!!
জুথী কপাল কুঁচকে ফেললো, সে কখন বকা দিলো তার মেয়ে কে, বিরক্তিতে জুথী চোয়াল শক্ত করে বললো!!
____আমি আপনাদের বাপ মেয়ে কাউকে কিছু বলবো না, দয়া করে সকালের নাস্তা টা করে আমাকে উদ্ধার করেন!
জুথী মুখের উপর কত গুলা কথা শুনিয়ে দিয়ে রুমে থেকে বেরিয়ে গেলো! ঈশান আর রাহা জুথীর যাওয়ার প্রানে কিছু সময় তাকিয়ে রইলো এরপর দুইজন এক সাথে ফিক করে হেসে ফেললো!
বাইরে বেশ ঠান্ডা তাই ঈশান মেয়ে কে শীতের জামা পড়িয়ে দিলো, এবং নিজেও পরে নিলো! ঈশান বাসায় থাকলে রাহার দেখা শুনা তিনিই করেন!জামা পড়ানো শেষ করে ওয়াশরুম থেকে ব্রাশ করে ফ্রেশ হয়ে চলে যায় নিচে খাওয়ার টেবিলে!!
জুথী এক হাতে ফোন দরে কথা বলছে, তো অন্যদিকে ঈশান রাহার এবং ঈশান এর বাবা মা খাবার দিচ্ছেন! রাহা যেনো সকলের নয়নের মনি, শেখ পরিবার এর বড় রাজকন্যা!!
জুথী ঈশান এর বিয়ে টা সবাই মানতে নাকোচ হলেও, রোশান বাড়ি ছাড়ার পর থেকে জুথী কে সবাই মেনে নিয়েছে, ইকবাল খান যথেষ্ট সম্মান এর সাথে মেয়ের জামাতা কে ঘরে তুলে নিয়েছেন! এখন এই ছোট্ট রাহা যেনো সবার প্রাণ!প্রতিটি মানুষ তাকে চোখে হারায়! সবার ভালোবাসা আদরে দেখতে দেখতে দুই বছর এর উপরে হয়ে গেছে!
ইকবাল খান এর মতোন একজন মানুষ যে কিনা দিনে নিয়ম করে খাবার খেতে ভুলে যান তবুও, রাহার কথা ভুলেন না!
ঈশান এবং জুথী মাঝে মাঝেই যায় সিকদার মহলে আশরাফ সিকদার কে দেখতে, সেই সাথে আদিল ইরা কবর এর কাছে যেতে ভুলে না!
আজকে আদিল ইরার মৃত্যুর তিন বছর পূর্ণ হলো সবাই যাবে বিকেলে কবরের কাছে!!
রোশান এখন লন্ডনে রাজ করছে, তাকে সবাই এক নামে চেনে, তার সুনাম খ্যাতি ছড়িয়ে আছে সারা দেশ জুড়ে, তার সৌন্দর্য এবং তার আচরণে হাজার তরুণী রা পাগলে হয়ে পেছনে ছুটে বেড়ায়,মাঝে মাঝে দেখা যায় মেয়ের বাবা ও এমন পাগলামি করে মেয়ে বিয়ের দেয়ার জন্য!রোশান ইতি মধ্যে হাজার হাজার সংবাদ সম্মেলনে বলে ফেলেছেন, তিনি কখনো আর বিয়ে করবেন না! তার মনের রাজ্য দখল করে এখনো এক মহারানী বিরাজ করছে! তার ভালোবাসা সম্পূর্ণ তার মহারানীর জন্যই বরাদ্দ!
রোশান এর একজন প্যারসোনাল স্টাফ যার নাম মেঘা, সে বেশ পছন্দ করে রোশান কে, বিষয় টা রোশান বেশ কয়েক বার দেখেছে! মেয়ে টি তা প্রকাশ করার আগেই রোশান বুঝে তাকে স্পষ্ট ভাবে নিষেধ জানিয়েছে!
ভালো লাগা জীবনে অনেক বার হতে পারে তবে
ভালোবাসা শুধু একবার!
আমার জীবনে সেই ভালোবাসা টা এসেছিলো, দিন শেষে সেই ভালোবাসায় আমাকে চোড়ন্ম বিচরন্ন করে দিয়েছে! তাই এই জীবনে প্রেম ভালোবাসা আর নয়, ভালো থাকা টাই প্রায়োজন!
মেঘাকে এত বার বোঝানোর পর ও কাজ হয়নি! সে আগে প্রকাশ করতো বেশি আর এখন প্রকাশ করে কম!! তার চোখ বলে দেয়,সে ঠিক কতটা ভয়ংকর ভাবে রোশান কে চাই!!
দেখতে দেখতে বিকেল পাঁচ টার কাছাকাছি, বাইরে ঝিমঝিম ঠান্ডা আবহাওয়া সেই সাথে কুয়াশায় মুড়িয়ে যাচ্ছে চার পাশ টা! গাড়িতে বসে আছে ঈশান জুথী আর রাহা! জুথীর মন টা সকাল থেকে বেশ খারাপ!
যখনি জুথীর ইরার কথা মনে পরে, তখন না চাইতেও হৃদয় হুহুহু করে কেঁদে উঠে, মানুষ মরনশীল, কিছু সত্য মন মানতে না চাইলেও বাস্তবতা মানাতে বাধ্য করে, এই তো সেদিক আদিল ইরার সুখের একটা সংসার ছিলো, ভালোবাসায় ঝলমল করতো, আর আজ তাদের ছাড়াই নিয়তির নিয়ম অনুযায়ী তিনটি বছর কেটে গেলো!! কত সৃতি কত ভালোবাসায় মোরানো ছিলো সব কিছু, আর কি হয়ে গেলো নিমিষেই !
আশরাফ সিকদার এবং অহনা সিকদার কবরের পাশেই দাড়িয়ে আছে এবং কান্না করছেন, অন্যদিকে,রিফাত বেশ কিছু টা দূরে দাড়িয়ে সবার কান্না দেখছে,
রিফাত কে দেখলে এখন আর চেনা যায় না, চেনা মুখ টাও ভেসে উঠে না,ভারসাম্য হারিয়ে মানসিক ভাবে পাগল হয়ে গেছে, শরীরে পরিহিত সাদা শার্ট ময়লায় কালো হয়ে গেছে, তার চাদর টাও বেশ কিছু জায়গায় ছিরে গেছে,মাথার চুল দাঁড়ি সব বড় লম্বা হয়ে গেছে,সেই সাথে কিছু চুল পেকেও গেছে,তাকে দেখলে তার পূর্ব পরিচিত মানুষ রাও এখন আর চিনতে পারে না! অবহেলা অযত্নে একটি গাছি বেঁচে থাকে না আর সেই খানে আমরা মানুষ! আমাদের চাওয়া পাওয়া বড্ড বেশি!!
আশরাফ সিকদার এর মতোন শক্ত পোক্ত পুরুষ টাই কিনা দিন শেষে হেরে গেছেন ভালেবাসার কাছে, এখন দেহে শুধু প্রান টাই আছে ভালো থাকা সব কিছু মাটির সাথে মিশে গেছে সন্তান এর সাথে! আশরাফ সিকদার কে দেখে ঈশান পেছন দেখে ডাকে,
আংকেল
ঈশান এর কন্ঠ সুর কানে প্রবেশ করতেই আশরাফ সিকদার এবং অহনা সিকদার পেছন ফিরে তাকান, ঈশান আশরাফ সিকদার এর চোখের পানি মুছে দিয়ে বললেন!!
___যা আমাদের কাছে স্থায়ী নয়, তা আমরা হাজার চেষ্টা করলেও দরে রাখতে পারবো না!!
আশরাফ সিকদার ঈশান কে বুকে জড়িয়ে দরে কাঁদতে কাদতে বললেন!!
____কেন হলো আমাদের সাথে এমন, এই বয়সে আমি এ দুঃখ কষ্ট সইরে পারছি না, বাবার কাঁদে ছেলের লাশ, এর থেকে ভয়ংকর কষ্ট আল্লাহর দুনিয়ায় আর কিছুই নেই!
জুথী সহ উপস্থিত সবাই হুহু করে কেঁদে উঠলো, ওই দিকে রিফাত বুঝতে পারছে না! এই খানে কি হচ্ছে! ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে আছে!! রাহা জুথীর কোলে বসে আছে, মা কে কাঁদতে দেখে, ছোট ছোট হাত দিয়ে চোখের পানি মুছে দেয়ার চেষ্টা করলো!! মেয়ের এমন কান্ড দেখে জুথী মেয়ের কপালে একটা চুমু দিয়ে বুকে টেনে নিয়ে, আরও শব্দ করে কেঁদে উঠলো!!! রাহা আদো আদো গলায় জুথী কে বললে!!
___মাম্মান তুনি কাদছো কে??
ছোট্ট রাহা কেনো কাঁদছে সেটা হয়তো বুঝতে পারছে না তবে মায়ের যে কষ্ট হচ্ছে সেইটা বেশ ভালো করে বুঝতে পারছে! ঈশান জুথীর কোল থেকে রাহা কে কোলে তুলে নিয়ে, আশরাফ সিকদার কে দেখিয়ে উদ্দেশ্য করে বললো!!
____ওনি হচ্ছেন তোমার বড় দাদা ভাই!!
আশরাফ সিকদার হাত বাড়িয়ে কোলে তুলে নিলেন রাহা কে, সবাই পর পর এক এক কবরের সামনে দুহাত তুলে দোয়া করতে শুরু করলেন,
ঈশান দু’হাতে তুলে আল্লাহর কাছে করুন ভাবে মিনতি করে জানালো,
হে আল্লাহ জীবনের সমস্ত গুনাহ, তুমি এই পৃথিবীর বুকে রেখে তারপর মৃত্যু দিও! আদিল ইরার সমস্ত পাপ কে তুমি ক্ষমা করো, ওর মতোন বন্ধু আমি আমার জীবন থেকে হারিয়ে ফেলেছি!
জুথী হাত তুলে আল্লাহর দরবারে,কাঁদতে কাদতে ইরা কে উদ্দেশ্য করে বললো,,
আমাকে প্লিজ ক্ষমা করে দে, আমার তোর কথাটা রাখতে পারেনি, শেষ বার যখন তুই বলেছিলি তোর সন্তান এর কথা কাউকে না জানাতে,তখন আমি ভাইয়া কে জানিয়ে দিয়ে ছিলাম, হয়তো ওনাকে না জানালে তুই কখনোই জানাতি না, কেন এমন করলি পাপ পূর্ণ নিয়েই মানুষ এর জীবন ভাইয়া কে ভুল সুদরে নেয়ার একটা সুযোগ দিলি না, তুই একটি বার ও নিজের সন্তান এর কথা চিন্তা করলি না, তোর বাবা মায়ের কথা ভাবলি না, আদ্রিতা আপুর মৃত্যুর পর ওনারা নিশ্বেস হয়ে গিয়ে ছিলো, এখন তুই ও চলে গেলি, আমি বড্ড ক্লান্ত দিন শেষে তোকে হারিয়ে ফেলার কষ্ট টা ভয়ে বেড়াতে হয়।
তুই না বলেছিলি আমরা নেক্সট ইয়ারে ঘুরতে যাবো, দেখ আজ তুই নেই কিন্তু তোকে ছাড়া কত গুলা ইয়ার কেটে গেলো, শুধু আমাদের ঘুরতে যাওয়া টা হলো না!
জুথীর ভাবনার ছেদ ঘটে মেয়ের কান্নায়, আশরাফ সিকদার কে তেমন ভালো ভাবে চিনে না, তাই কান্না করছে, জুথী মোনাজাত শেষ করে মেয়েকে কোলে তুলে নিলো, কান্নারত রাহা মায়ের কোলে যেতেই কান্না থেমে যায়,জুথী ওড়না দিয়ে মেয়ের মুখের পানি গুলো মুছে দেয়,রাহা ছোট্ট মানুষ, তবুও কবরের পাশে ফুলের গাছ গুলো কে দেখে মাকে জিজ্ঞেস করছে,
মাম্মান, ওই টা কি??
জুথী কবরের উপর ফুলের দিকে হাত বাড়িয়ে বললো!!
___ওইটা ফুল মাম্মাম!!
রাহা হাত দিয়ে কবরের দেখিয়ে জিজ্ঞেস করছে!!
___আর ওইটা???
রাহার কথায় জুথীর বুক ধপাস করে উঠলো,রাহার গালে একটা চুমু দিয়ে বললো!!
___ওই খানে তোমার আরেক টা মাম্মাম!!
না,তুমি তো আমার মাম্মাম!
রাহা আবার কিছু সময় চুপ করে কবরের দিকে তাকিয়ে থেকে,কিছু একটা ভেবে আবারও জিজ্ঞেস করলো,
___ওই খানে কেন মাম্মাম৷
রাহা যে জুথীকে কবরের দিকে তাকিয়ে বলছে জুথী কে জিজ্ঞেস করছে জুথী তা বুঝতে পেরে বললো,
___হুম, আল্লাহর কাছে চলে গিয়েছে তারা, ভালো মানুষ বেশি দিন বাঁচে না!
“তাহলে আমি ও তো যাবো মাম্মাম!!
জুথীর প্ররাণ ছেত করে উঠলো,রাহা কে বুকে জড়িয়ে কবর থেকে সামনের দিকে চলে আসলো, ছোট্ট মেয়ের মুখে এসব শুনতে একদম ভালো লাগছে না জুথীর!
জুথী সোজা গিয়ে বসলো গাড়িতে, এদিকে, ঈশান রিফাত এর সাথে বেশ কিছু সময় কাটিয়ে, এরপর আশরাফ সিকদার এবং অহনা সিকদার কে বিদায় জানিয়ে গাড়িতে গিয়ে বসলো! ঈশান তখন রাহার বলা কথা টা শুনে ছিলো, জুথীর কোল থেকে নিজের কোলে টেনে নিয়ে বললো!!
____জানো মাম্মাম, পৃথিবীতে বাঁচতে গেলে এত ভালো মানুষ হতে হয় না, তাহলে সবাই তোমাকে ঠকাবে! সবসময় একটা কথা মনে রাখবা,
এক রহস্যময় ভালোবাসা পর্ব ৬৪
“পাপ কে পাপ বলার সাহস রাখবা,পাপ কে ঘৃণা করবা পাপী কে নয়!
“হুম আমি ও তাই করেছি ঈশান শেখ, আপনাকে সুযোগ দিয়েছি!!
“হুম ভালোবাসলে ছাড় দিতে হয়, মৃত্যু কোনো সলিউশন নয়!আত্নহত্যাও কিন্তু মহাপাপ!!
“আপনি ও পাপিষ্ঠ পুরুষ ছিলেন, গোটা পৃথিবী শুধু আপনার ভালো রুপ টাই দেখলো!! আর আমি,,
জুথী কে থামিয়ে দিয়ে ঈশান রাহার কপালে একটা চুমু দিয়ে এর পর জুথী কে নিজের কাছে টেনে গালে একটা চুমু একে মুচকি হেসে বললো!!
___তুমি শুধু আমার পাপ কেই দেখলা, কিন্তু তোমার প্রতি যে আমার নিষ্পাপ ভালোবাসা সেইটা দেখলা না!!
