Home সে আমার বন্দিনী সে আমার বন্দিনী পর্ব ২৫

সে আমার বন্দিনী পর্ব ২৫

সে আমার বন্দিনী পর্ব ২৫
তানিয়া হুসাইন

ভীর কিছু একটা ভেবে ফোন হাতে নেয়।
___ফোনটা কেটে রাখতেই তার ঠোঁটে ধীরে ধীরে জন্ম নেয় এক শীতল, কুটিল হাসি।
তোর এই জেদ আজ আমি ভাঙবো।
এমন ভাবে ভাঙবো যে নেক্সট টাইম আমার অবাধ্য হতে হাজারো বার চিন্তা করবি।
এখনো বুঝিস নি, তুই কার সঙ্গে খেলতে যাচ্ছিস।
তোকে ছাড় দিয়েছি বলেই এই অবস্থা।
ভালো ব্যবহার হজম হয়নি না,
এখন দেখবি, ভীর আলভারেয কী জিনিস।

___তার রাগ এমন এক জায়গায় পৌঁছায়, যেখানে যুক্তি আর সংযমের জায়গা থাকে না।
আশপাশের লোকজনের দিকে না তাকিয়েই দরজা ঠেলে বেরিয়ে যায় ভীর
___নিকো দূর থেকে তাকিয়ে
ভীরের চলে যাওয়া দেখে। চোখে অস্বস্তি আর অজানা শঙ্কা।
এই মেয়েটা ভীরের মধ্যে এমন কিছু জাগিয়ে তুলছে, যা আমাদের জগতে নিষিদ্ধ। দুর্বলতা মৃত্যু ডাকে আর ভীর এখন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছে।
তাদের লক্ষ্যের মাঝে এই মেয়েটা না আবার বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
____ভীরের গাড়ি দ্রুত চালাচ্ছে,
স্টিয়ারিং ঘুড়াচ্ছে শক্ত হাতে,রাগে তার চোখে আগুন, মুখে ঠান্ডা প্রতিজ্ঞা।
তোর এই নীরব যুদ্ধের অবসান এবার আমি টানব। আজ তোর সব তেজ আমি মাটিতে গুঁড়িয়ে দেব।
_____প্যালেসের এক অন্ধকার ঘরে, বিছানার এক কোণে সিঁটিয়ে বসে ইশায়া হেঁচকি তুলে কাঁদছে।
কেনো এমন হচ্ছে,

বাবা-মা থেকেও সে তাদের থেকে এতো দূরে।
বাবার কথা মনে হচ্ছে বার বার।
কতদিন চকলেট খায় না সে।বাবা যে আর আনে না তার জন্য,
বাবা কি ভুলে গেছে আমাকে।
বাবা এসে ডাকে না আর কখনো বাবার ডাক শোনা হবেনা ।
মায়ের কোলে মাথা রেখে গল্প শোনা হয় না
মায়ের আঁচলের সাথে লেপ্টে থাকা হয় না।
মায়ের হাতে খায় না কতদিন।
আজ সবকিছু অন্ধকার।
নিজেকে কলঙ্কিত মনে হচ্ছে তার বার বার, ওই লোকটার ছোয়ায় নিজেকে অপবিত্র মনে হচ্ছে।
নিজেরই নিজের প্রতি একটা ঘৃণা কাজ করছে।

__আমি কি আর আগের আমি আছি।
আমাকে কি আর কেউ গ্রহন করবে ফিরে গেলে।
তার মনটাই যেন পচে যাচ্ছে এই নির্যাতনে।
ইশায়ার এসব ভাবনার মাঝেই,
ঝড়ের বেগে দরজা খুলে রুমে প্রবেশ করে ভীর।
এমন সময়ে তার উপস্থিতি সবাইকে অবাক করে। সাধারণত এই সময় ভীর প্যালেসে থাকে না। তার উপস্থিতিই বলে দেয়, আজ কিছু একটা ভয়ানক ঘটতে চলেছে।
___ভীরের আসায় রুমের ভেতরে থাকা গার্ডরা মাথা ঝুকিয়ে বেরিয়ে যায় একে একে সবাই।
যাওয়ার পর-ই দরজা লক হয়ে যায়।
___ভীর কয়েক পা এগিয়ে এসে সিংহাসনের মতো দেখতে চেয়ারে বসে পড়ে, পায়ের উপর পা তুলে।
তার দৃষ্টি সোজা ইশায়ার দিকে।
ইশায়া দ্রুত ওড়নাটা গায়ে পেঁচিয়ে নেয়, চোখ নামিয়ে ফেলে।
ভীর তাকে একবারে পায়ের পাতা থেকে মাথা পর্যন্ত দেখে।
কালো রঙের সেলোয়ার কামিজে ইশায়ার ফর্সা গায়ের রঙ যেন আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। খোলা চুল তার। চোখে পানি, মুখে ভয় তাকে অসম্ভব কোমল ও করুণ দেখাচ্ছে।

___ভীর কয়েকপল ইশায়াকে দেখে তারপর চোখের ইশারায় পা বাড়িয়ে কিছু বোঝায়।
ইশায়া বুঝে,
কিছু করার নেই তার।সে তো এই লোকের দাসী।
দাসত্য তো তাকে করতেই হবে।
ইশায়া ধীরে এগিয়ে গিয়ে নিচে বসে তার জুতা খুলে দেয়, মোজাও খুলে।
____হঠাৎ এক ঝটকায় ভীর তার গলা থেকে ইশায়ার ওড়নাটা টেনে ফেলে দেয়।
এটা আমার সামনে পড়বে না,আর কখনো যেনো না দেখি।
তার গলা ভারী।
___ইশায়া চুপ করে থাকে, কিছু না বলে নিচু হয়ে আরেক পায়ের জুতোতে হাত দেয়। কিছু বলার ইচ্ছা হলেও সে বলে না,

___ভীর তার শরীরে তার দেওয়া চিহ্ন লক্ষ্য করে, যা এখনও স্পষ্ট। তার চোখে একধরনের অদ্ভুত উন্মাদনা।
____ইশায়া উঠে যেতে চাইলে, ভীর তার দিকে একটা প্যাকেট বাড়িয়ে দেয়।
___ইশায়া তাকায় ভীরের হাতের দিকে।
___নাও।
___ইশায়া হাত বাড়িয়ে নেয়।
কিছু না বলে তাকিয়ে থাকে।
___পড়ো এটা।
___ ইশায়া প্যাকেট টা খুলে , ভেতরে লাল রঙের ছোট একটি শর্ট ড্রেস। এতটাই ছোট, এতটাই খোলামেলা যে দেখেই তার শরীর ঘিন ঘিন করে ওঠে। সে হাত থেকে ড্রেসটা ফেলে দেয়।
____আমি এটা পড়বো না!ইশায়ার কণ্ঠ কাঁপছে, কিন্তু দৃঢ় তার গলার স্বর।
____ভীর ঠান্ডা গলায় বলে,
পড়বে না?
না!
___ভীর হেসে ওঠে। তার ঠোঁটের কোণে সেই ঠান্ডা হিংস্রতা।
___ঠিক বলছো তো,
পড়বে না?
তার প্রশ্ন যেন ফাঁদে ফেলা জাল।
___না.না.না!
ইশায়া তীব্র কণ্ঠে চিৎকার করে বলে।
___ভীর ঠান্ডা স্বরে শুধু এক শব্দ বলে,
ওকে।

____কিন্তু তার চোখের দৃষ্টিতে ঝলসে ওঠে রাগ।
যার চেহারায় কোনো দয়া নেই, কেবল এক শিকারিকে দেখা যায় যে তার শিকারকে পালাতে দিচ্ছে না,
শুধু খেলাটা দীর্ঘ করতে চাচ্ছে।
ভীরের ঠোঁটের কোনে ঠান্ডা হাসির রেখা।
সে ধীরে ধীরে রিমোটটা তোলে।
দেওয়ালের একপাশে বিশাল স্ক্রিন জ্বলতে শুরু করে।
স্ক্রিন অন হতেই ইশায়া হতবাক হয়ে যায়।
ইশায়ার চোখ বিস্ফারিত,নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসে তার।
স্ক্রিনে দেখা যাচ্ছে আবির,
তার চোখে কালো কাপড় বাঁধা, হাত পেছন দিয়ে শক্ত করে বেঁধে রাখা হয়েছে। চারপাশে দাঁড়িয়ে আছে চার-পাঁচজন কালো পোশাকের মুখোশধারী গার্ড।
আবির ছটফট করছে।
বার বার জিজ্ঞেস করছে কারা তোমারা,
আমাকে কেনো এখানে এনেছো?

___ইশায়ার বুকের ভেতরটা কাঁপতে শুরু করে।
দাদা ভাই,
কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে আসে।
____ঠিক তখনই ভীর ফোন তোলে,
কারও সঙ্গে একবারে ঠান্ডা গলায় কথা বলছে,
কিছুর নির্দেশ দেয়।
পরপরই স্ক্রিনের ওদিকে থাকা গার্ডরা আবিরকে লাঠি দিয়ে মারতে শুরু করে।
মারতে মারতে একেকটা ঘা তার পিঠ, পাঁজর, পা, মাথা সব জায়গায় পড়ছে।
এলোপাথাড়ি লাঠি দিয়ে আঘাত করছে তাকে।
আবিরের চিৎকারে ইশায়ার বুক কেঁপে উঠছে।
__না, না।
থামুন! দয়া করে থামান,
ওদেরকে থামান।
ইশায়া চিৎকার করে উঠে ভীরের দিকে ছুটে আসে।

____ভীর তখনো আরাম করে পায়ের উপর পা তুলে বসে আছে, ঠোঁটে একটা নিষ্ঠুর হাসি।
ইশায়ার ছটফটানি যেন তাকে আনন্দ দিচ্ছে।
____দয়া করুন,দয়া করুন আমার ভাইকে বাঁচান।
ওদেরকে থামতে বলুন।
আমার দাদাভাই মরে যাবে।
__প্লিজ,প্লিজ!
দোহাই লাগে, আমার বড়দাদা ভাই প্লিজ দয়া করুন, তার বউ আছে, ছোট একটা বাচ্চা আছে,
আমার মা-বাবা পাগল হয়ে যাবে।
ইশায়া হাঁটু গেড়ে ভীরের পায়ের কাছে বসে পড়ে। তার পা জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে।
___ওদিকে গার্ডদের থামার কোনো লক্ষণ নেই।
আবিরের মাথা ফেটে রক্ত গড়িয়ে পড়ছে। শরীরটা নিথর হয়ে আসছে ধীরে ধীরে।
ইশায়া ছটফট করে, কাঁদতে কাঁদতে বলে,
আমি আপনার সব কথা মানবো।
যা বলবেন,
আমি পড়বো ওই ড্রেস, আমি পড়বো।
যা বলবেন তাই করবো, প্লিজ আমার ভাইকে ছেড়ে দিন।
ভিক্ষা চাইছি আমার ভাইয়ের জীবন,প্লিজ।

____ভীর ঠান্ডা গলায় হেয়ালি করে বলে,
তুমি তো বলেছিলে পড়বে না। এত দৃঢ় ছিলো কথা।
এক হাতে ইশায়ার চিবুক তুলে তার দিকে তাকায় ভীর।
___পড়বো প্লিজ।
ছেড়ে দিতে বলুন দাদাভাইকে।
মরে যাবে ও।
_ভীরের মুখের রং পাল্টে যায়,
শক্ত গলায় বলে,
এরপর যদি তুমি আবার ও আমার কোন কথা অমান্য করো।
আমি যা বলবো তা না করো। তাহলে পরের বার সে শুধু মার খাবে না, মরেই যাবে। তুমি কল্পনাও করতে পারবে না কী কী হতে পারে।
আর আমি ঠিক কী কী করতে পারি।
___ইশায়া মাথা নেড়ে বলে,
আর হবে না,
আমি করবো,আমি সব করবো, যা আপনি বলবেন।

____ভীর ঠান্ডা, শীতল গলায় বলে,
Then kiss me. Right here.
সে তার ঠোঁটের দিকে ইশারা করে বলে।
___ইশায়া থমকে যায়।
স্ক্রিনে দেখা যাচ্ছে আবিরের গায়ে রক্ত, মাথা নুয়ে পড়ে আছে সে, হয়তো জ্ঞান হারিয়েছে।
____ভীরের শক্ত গলা,
Fast.
ইশায়ার শরীর কাঁপতে থাকে। সে উঠে দাঁড়ায় ধীরে ধীরে এগিয়ে আসে ভীরের মুখের কাছে।
অস্বস্তি হচ্ছে তার,
কিন্তু তার হাতে অন্য কোন রাস্তা নেই,নিজের পরিবারের জন্য সে জানও দিতে পারবে।
ইশায়া লম্বা একটা শ্বাস নিয়ে চোখ বন্ধ করে, ঠোঁট কাঁপতে কাঁপতে আলতো করে চুমু খায় ভীরের ঠোঁটে।
__ইশায়ার ছোয়া ভীরের শরীরের আলাদা একটা শিহরণ জাগিয়ে তুলে।
শক্ত হয়ে আসে শরীর তার।
ভীর তখন চোখ বন্ধ করে সেই মুহূর্তটা উপভোগ করে।
তারপর আবার চোখ খুলে বলে,
Again.
গলার স্বর নমনীয় তার।
ইশায়া আবার চুমু খায়,
ইশায়া সরে যেতে নিলে, ভীর ইশায়ার কমোর চেপে কাছে টানে, ইশায়ার ঠোঁট জোড়া তার ঠোঁটের ভাজে নিয়ে নেয়।
পরম আবেশে চুমু খায় সে।এমন ভাবে ধরেছে যাতে ইশায়া এক ইঞ্চি ও নড়তে না পারে।
কিছুক্ষন পর ছেড়ে দেয় ভীর।
ইশায়া ভীরের কাধে মাথা ঠেকিয়ে লম্বা শ্বাস নিচ্ছে,
আর চোখ থেকে গড়িয়ে পরছে অশ্রুধারা।

___ভীর ফোন তুলে কল লাগায় এক গার্ডকে,
ওপাশ থেকে ফোন তুলতেই আদেশ দেয় ভীর,
থামো। একে হসপিটালে পাঠানোর ব্যবস্থা করো।
বলেই ফোন কেটে দেয়।
অবশেষে স্ক্রিনে দেখা যায় গার্ডরা থেমে গেছে।
আবিরের নিথর দেহটা তুলছে তারা। রক্ত পড়ছে আঘাতের জায়গা গুলো থেকে।
___ইশায়া ফুঁপিয়ে কাঁদছে।
ভীর তখন স্ক্রিনটা বন্ধ করে দেয়।
___ ইশায়ার কান্নার শব্দ প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে আসে দেয়ালে দেয়ালে।
ইশায়ার জেদ ভাঙে।
ভীরের সামনে দাঁড়িয়ে অসহায় চোখে তাকিয়ে থাকে সে।
তার চোখের কোনে গড়াতে থাকা অশ্রু যেন আজ তার হারের সীল মোহর টেনে দেয়।
____ভীর ঠান্ডা গলায় বলে ওঠে,
ড্রেসটা পরো।
___ইশায়া কেঁপে ওঠে।
অন্তর থেকে উঠে আসে কান্না, ক্ষোভ, অপমান,
তবুও নিজের ভাইয়ের রক্তাক্ত চেহারা চোখের সামনে ভাসতেই সে আর কিছু বলে না।
ভিতরে ভিতরে ভেঙে পড়ে, নিঃস্ব হয়ে যায়, তবুও মাথা নিচু করে ড্রেসটা হাতে তোলে।

___ ওয়াশরুমের দিকে যেতে নিলেই ,
তখনই ভীরের হুকুম আসে।
এখানেই পরো। আমার সামনে।
ভীর ঠাণ্ডা মাথায় সিগারেটে টান দেয়।
তার চোখ যেন ছলকে পড়া বিষ, মুখে হালকা কটাক্ষের হাসি।
__ইশায়া থমকে দাঁড়ায়।
তার মুখ থেকে রং সরে হয়ে যায়।
সারা শরীর শীতল হয়ে আসে, চোখে জমে ওঠে বিস্ময় আর লজ্জার তীব্র বেদনা।
___ভীর আবারও বলে, সিগারেটের ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে,
Quickly. Don’t make me wait.

___ইশায়ার দেহ নিথর।
তার সামনে কোনো রাস্তা খোলা নেই।
ভাইয়ের জীবন, পরিবারের হাসি সব যেন তার দুই চোখের পাতায় আটকে আছে।
সে না করলে কি হতে পারে সে জানে।
এক নিঃশ্বাসে নিজেকে শক্ত করে পড়নের জামায় হাত দেয়,
___ভীরের দৃষ্টি একটুও সরে না।
সে যেন তৃষ্ণার্ত চোখে গিলছে ইশায়ার প্রতিটি মুহূর্ত।
তার চোখের দৃষ্টি ছুঁয়ে যাচ্ছে ইশায়ার ত্বক, চুল, শরীরের প্রতিটি বাঁক।
_____ইশায়ার শরীরে লাল রঙের ছোট ওয়েস্টার্ন ড্রেসটা যেন তাকে অন্য এক রূপে উপস্থাপন করছে।
এক লাস্যময়ী নারী।
লম্বা খোলা চুল, চোখে জলমিশ্রিত শূন্যতা,
আর সুন্দর পা দুটো উন্মুক্ত,
শরীরের প্রতিটা বাক দৃশ্যমান।
ইশায়া নিজের দিকে তাকায় না ঘৃণায়।
এ সে নয়,
এই পোশাকে সে নিজের অস্তিত্বকেই যেন চিনতেই পারছে না।

____ভীর উঠে দাঁড়ায়।
হাতে থাকা সিগারেটে লম্বা একটা টান দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়।
তার চোখে গভীর মোহ।
আবেশে ডুবে সে এগিয়ে আসে ইশায়ার দিকে।
ভীরের এক এক পা করে যতো এগোচ্ছে,
ইশায়া ভেতর ভেতর ঠিক ততটাই ভয়ে কুকড়ে যাচ্ছে।

সে আমার বন্দিনী পর্ব ২৪

___ইশায়া জড়োসড়ো হয়ে দাঁড়ানো।
ভীর দু হাতে ইশায়ার মুখটা উপরের দিকে তুলে ধরে।
তার চোখে চোখ রেখে ধীরে ফুঁ দেয় ইশায়ার মুখে।
ইশায়া চোখ বন্ধ করে নেয়।
ভয়ের চেয়েও বেশি লজ্জা ও অপমানের অনুভূতিতে বিদ্ধ সে।
___ভীর ধীরে ঠোঁট ছোঁয়ায় ইশায়ার ঠোঁটের উপরের ছোট্ট তিলে।
ভীরের উত্তপ্ত নিঃশ্বাসে ইশায়ার পুরো শরীর কেঁপে ওঠে।

সে আমার বন্দিনী পর্ব ২৬