mad for you part 27
তানিয়া খাতুন
রাতটা যেন এক অদ্ভুত ভারে নিৱব হয়ে আছে।
চারদিকে অন্ধকার, বাতাসও থমথমে।
মনে হয়—এই রাতেই কোনো অঘটন ঘটতে যাচ্ছে।
বাড়িটার ভেতরে ভয় আর দমবন্ধ করা নীরবতা ছড়িয়ে আছে…
বিপদ যেন ক্ৰিশ আর রুহির ঘাৱের ওপরই নিঃশ্বাস ফেলছে।
রুহিকে টেনে-হিঁচড়ে ভেতরের সেই ছোট ঘরে আনা হয়।
ঘরের মাঝখানে পাতলা ল্যাম্প জ্বলছে, আলোটা কেমন হলুদ আর কম্পমান।
সেই আলোতেই দেখা যায়—
কাজী সাহেব ঘেমে নেয়ে বসে আছেন, চোখেমুখে ভয়, হাত কাঁপছে।
সিমরান রুহিকে চেয়ারটায় চেপে বেঁধে বসিয়ে রাখে।
রুহির হাত-পা কাঁপছে, নিঃশ্বাস কেঁপে উঠছে।
আমান: নিন কাজী সাহেব… বিয়ে পড়ান।
তাড়াতাড়ি করবেন।
এক সেকেন্ডও দেরি হলে ভালো হবে না।
কাজী সাহেব অবাক হয়ে, ভীত মুখে তাকান।
কাজী সাহেব: বাবা, বিয়ে কি এমন তাড়াহুড়ো করে হয়?
এটা নিয়ম–রীতির ব্যাপার…
কাবুল তো লাগবে, মেয়ের সম্মতি লাগবে—
রুহি তখন হঠাৎ ঝাঁকিয়ে উঠে চিৎকার করে—
রুহি: আমি এই জানোয়াৱ টা কে বিয়ে করব না!
শুনছেন? আমি করব না!
এত বড় চিৎকারে ঘরের ভেতর বাতাস থমকে যায়।
সিমরান খেঁকিয়ে ওঠে—
আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন
আমানের চোখ লাল হয়ে ওঠে।
আমান রাগে ফেটে পড়ে রুহির মুখ চেপে ধরল জোরে।
তার আঙুলের চাপ রুহির গালে বসে যায়।
আমান: চুপ! একটা শব্দও না।
বেশি কথা বললে—
বিয়ের আগেই বাসর সেরে ফেলব বুঝলি?
তার চোখে এমন নোংরা ইচ্ছা, এমন দানবীয় দৃষ্টি—
যা দেখে রুহির বুক কেঁপে ওঠে।
কাজী সাহেব অসহায়ভাবে সব দেখে বলেন—
কাজী সাহেব: আচ্ছা… কিন্তু এ কী হচ্ছে?
মেয়ে তো রাজি না বাপু…
এভাবে বিয়ে—?
আমান ঘুরে তাকায়, চোখের নিশানা সরাসরি কাজী সাহেবের দিকে।
তার কণ্ঠে হুমকি, চোখে ভয় ধরানো আগুন—
আমানতোকে এত ভাবতে হবে না, বুড়ো।
তুই তোর কাজ কর…
নইলে তোর জানাজা আগে হবে, পরে আমার বিয়ে।
সিমরান ঠোঁটের কোণে দুষ্ট হাসি ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।
রুহির দিকে তাকিয়ে চোখ টিপে যেন বলে—
“সব শেষ, এবার আর কেউ তোকে বাঁচাতে পারবে না।”
আমানের এই ধমকানিতে কাজী সাহেব কাঁপতে কাঁপতে সামনে রাখা কাগজে চোখ ফেলেন।
তার ঠোঁট শুকিয়ে গেছে, গলার স্বর কাঁপে।
কাজী সাহেব: ঠিক আছে… শুরু করি…
কাজী সাহেব বিয়ে পড়ানো শুরু করলে রুহির শরীর থরথর করে, চোখে পানি এসে যায়।
আর দূরে কোথাও…
রাস্তায় গাড়ির চাকা রাত চিরে এগিয়ে আসছে—
অন্ধকার ভেদ করে।
কাজী সাহেব গলা খাঁকারি দিয়ে সামনে থাকা কাগজটা ঠিক করলেন।
ঘরের বাতাস ভারী—রুহির চোখে পানি, হাত কাঁপছে, নিঃশ্বাস ছোট ছোট।
কাজী সাহেব (কাঁপা গলায়): আচ্ছা… আমান মোল্লা
আপনি কি রুহি কবুল করেন?
আমান সঙ্গে সঙ্গে বুক ফুলিয়ে মাথা তোলে।
আমান (জোরে): হ্যাঁ! আমি কবুল করি।
সিমরান তৃপ্তির হাসি হাসে।
কাজী সাহেব এবার রুহির দিকে তাকান—
তার চোখে ভয়, অসহায়ত্ব।
কাজী সাহেব: মেয়ে পক্ষ… ৱুহি
আপনি কি আমান মোল্লা কে স্বামী হিসেবে কবুল কৱেন।
রুহি তৎক্ষণাৎ মাথা নাড়িয়ে দেয়।
রুহি: না! আমি কবুল—না—
কথাটা শেষ করতে না দিতেই আমান তার মুখ আবার শক্ত করে চেপে ধরে।
আমান (গর্জে ওঠে): কবুল বলবি!
বল কবুল।
রুহি মাথা ঝাঁকায়, চোখ দিয়ে পানি পড়ছে, শ্বাসও নিতে পারছে না।
সিমরান এগিয়ে এসে রুহির গালে থাপ্পড় মারতে যায়—
ঠিক তখনই—
ঢাঁআআআম!!!
বাড়ির সামনের দরজাটা এমন জোরে ভেঙে পড়ে যে কাজী সাহেব চমকে উঠেন, সিমরান পিছনে হোঁচট খায়, আমান হাত সরিয়ে ফেলে।
ধুলো উড়তে উড়তে দরজার চৌকাঠে দাঁড়িয়ে থাকে—
ক্ৰিশ।
চোখ লাল, নিঃশ্বাস আগুনের মতো, পাশেই রফিক হাসান দাঁড়িয়ে।
রফিক: দাঁড়ান ক্ৰিশ ! পুলিশ আসছে…..
কিন্তু বাক্য শেষ হওয়ার আগেই ক্ৰিশ সোজা দৌড়ে ঘরের ভেতরে ঢুকে যায়।
আমান কিছু বুঝে ওঠার আগেই—
ক্ৰিশ এমন জোরে একটা লাথি মারে যে—
আমান চিৎকার করে মাটিতে ছিটকে পড়ে চেয়ারের ওপর গিয়ে আছড়ে লাগে।
চেয়ারের কাঠ ভেঙে শব্দ হয়—
রুহি ভয় আর স্বস্তির মিশ্র অনুভূতিতে তাকিয়ে থাকে ক্ৰিশের দিকে।
ক্ৰিশ দাঁতে দাঁত চেপে আমানকে দেখে—
আমার বাটারফ্লাইকে ছোঁয়াৱ সাহস কোথায় পাস…
আমি তোকে আজ বাঁচতে দেব না।
ঘরের বাতাস কাঁপতে থাকে…
সবকিছু যেন থমকে যায়—
শুধু ক্ৰিশের রাগ, রুহির চোখের পানি আর আমানের ব্যথার গোঙানি শোনা যায়।
আমান চেয়ারের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে মাটিতে পড়ে গুঙাচ্ছে।
ক্ৰিশ এগিয়ে যায় ঝড়ের মতো—চোখ দুইটা জ্বলে উঠছে আগুনে।
আমান (কষ্টে উঠে): তোকে… তোকে আজ—
কথা শেষ করার আগেই ক্ৰিশ আমানের কলার ধরে তুলে দেয় দেয়ালে চেপে ধৱে।
ক্ৰিশ: তুই ওকে ছুঁয়েছিস?
তার মুখ চেপেছিস?
বল—!!
আমান গলা ছাড়ানোর জন্য ক্ৰিশের হাত চেপে ধরে, পা তুলে লাথি মারতে যায়।
ক্ৰিশ এক ঝটকায় তার পা সরিয়ে দেয়, আমান আবার মাটিতে পড়ে যায়।
সিমরান চিৎকার করে—
সিমরান: আমান! উঠে দাঁড়াও!
ওকে থামাও—
ক্ৰিশ রফিককে বলে—
কেউ বের হতে পারবে না। দরজা বন্ধ রাখো!
রফিক দরজায় গিয়ে দাঁড়ায়, বন্দুক তুলে সতর্ক থাকে।
এবার আমান উঠে দাঁড়ায়—এইবার তার চোখে রাগ, অপমান, বিস্ফোরণ।
আমান: তোৱ বাটারফ্লাই এখন আমাৱ , তোকে আজ আমি শেষ কৱবো।
সে দৌড়ে গিয়ে ক্ৰিশেৱ ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।
দুজন মাটিতে গড়াগড়ি খেতে খেতে একে অপরকে ঘুষি মারতে থাকে।
ঢুস্! ঢুস্!
ক্ৰিশের ঠোঁট ফেটে রক্ত বের হয়,
আমানের চোখের ওপর ক্ৰিশের একটা ঘুষিতে কেটে রক্ত নামে।
কাজী সাহেব ভয়ে চিৎকার দিচ্ছেন—
“আল্লাহ! এটা কী!”
রুহি চেয়ারে বাঁধা, কান্না থামাতে পারছে না।
আমান ক্ৰিশকে ধাক্কা দিয়ে দেয়ালে ঠেসে ধরে, দুই হাত দিয়ে ক্ৰিশের গলা চেপে ধরে।
আমান (হাঁফাতে হাঁফাতে): এত শক্তি কোথায় পেলি?
তোর বউ তো আমার হয়ে গেছে…
তুই আর কিছুই করতে পারবি না!
ক্ৰিশের চোখ ঠিক সেই মুহূর্তে লালচে জ্বলতে থাকে—
একটা ভাঙা, অদম্য শক্তি তার মধ্যে জেগে ওঠে।
সে দুহাতে আমানের হাত সরিয়ে দেয়,
ডান হাতে মুষ্ঠি শক্ত করে—
ঢ্যাম!!
একটা ঘুষি সরাসরি আমানের নাকে লাগে—রক্ত ছিটকে বের হয়।
আমান পিছনে পড়ে যায়।
ক্ৰিশ এবার থামে না।
উঠে দাঁড়িয়ে আমানের কলার ধরে টেনে আবার দেয়ালে ছুড়ে মারে।
ধাঁআআম!!
দেয়ালের প্লাস্টার ভেঙে পড়ে।
ক্ৰিশ (গর্জে): ও শুধু আমাৱ বুঝেছিস আৱ কাৱোৱ না।
আমান তড়াক করে পাশ থেকে একটা কাঠের চেয়ার ধরে ক্ৰিশেৱ মাথায় ভাঙতে যায়।
রুহি চিৎকার করে— ক্ৰিশ……….
ক্ৰিশ শেষ মুহূর্তে ঘুরে সাইডে যায়—
চেয়ারটা দেয়ালে আছড়ে ভেঙে যায়।
ক্ৰিশ সেই সুযোগে আমানের পেটের মধ্যে হাঁটু দিয়ে আঘাত করে।
আমান হাঁটু মুড়ে পড়ে যায়, নিঃশ্বাস আটকে আসে।
ক্ৰিশ আমানের চুল ধরে মাথা তুলে—
মাদা*** তোকে কেটে পিস পিস কৱলেও আমাৱ শান্তি হবে না।
আমানের পুরো শরীর ঢিলে হয়ে যায়।
সে মাটিতে পড়তে না পড়তেই—
—রুমের বাইরে পুলিশের সাইরেন শোনা যায়।
রফিক দরজা খুলে দেয়।
রফিক: ক্ৰিশ ! পুলিশটিম চলে এসেছে!
সব শেষ—আজ ওরা বাঁচবে না!
সিমরান ভয়ে পিছনের রুমে পালাতে যায়।
ক্ৰিশ ধীরে ধীরে, হাঁপাতে হাঁপাতে রুহির দিকে তাকায়।
রুহি কাঁদতে কাঁদতে বলে— ক্ৰিশ…….
ক্ৰিশ রুহির দিকে দৌড়ে যায়, দড়ি কেটে তাকে মুক্ত করে।
রুহি ক্ৰিশের বুকে পড়ে কান্নায় ভেঙে যায়।
ক্ৰিশ তার মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়—
তার চোখেও পানি।
ক্ৰিশঃ আমি এসে গেছি… আমার বাটারফ্লাই…
এবার কেউ তোকে ছুঁতে পারবে না।
রুহির চোখ তখনও ভেজা, শরীর কাঁপছে।
ক্ৰিশ ৱুহিৱ সাৱা মুখে অসংখ্য চুমুতে ভৱিয়ে দেয়।
ৱুহি কাঁপা গলায় বলে—
“আপনি খুব খারাপ… এত দেরি করলেন কেন আসতে?”
ক্ৰিশ রুহিকে নিজের বুকে আৱো শক্ত করে চেপে ধৱলো। তার বুকের ভেতর ধুকপুক শব্দ স্পষ্ট শোনা যাচ্ছিল।
ক্ৰিশঃ “Sorry, butterfly… ভুল হয়ে গেছিল।
আর হবে না, আর কখনো হবে না।”
ৱুহি তখনও থামছে না। তার ভেতরে জমে থাকা আতঙ্ক আর কষ্ট মাথা তুলছে।
সে কাঁদতে কাঁদতে শ্বাস নিতে নিতে ক্ৰিশেৱ–এর বুকে ছোট্ট ছোট্ট ঘুসি মেরে বলে—
আজ যদি আমি অপবিত্র হয়ে যেতাম?
তাহলে? তাহলে কি আপনি আমাকে আর ভালোবাসতেন?”
ক্ৰিশ থেমে গেল। ওর চোখে তখন শুধু রুহির জন্য গভীর ভালোবাসা।
সে দু’হাত দিয়ে রুহির মুখটা আলতো করে নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে নরমভাবে কপালে চুমু দিল।
ক্ৰিশঃ “আমি থাকতে তোকে কিছু হতে দিতাম না, butterfly…”
কিন্তু রুহি চোখে চোখ রেখে আবার জিজ্ঞেস করল,
“না… আপনি শুধু এটা বলুন।
আমি যদি সত্যিই অপবিত্র হয়ে যেতাম…
আপনি কি তখনও আমাকে ভালোবাসতেন?”
এবার ক্ৰিশ আর কোনো কথা না বাড়িয়ে রুহির ঠোঁটে খুব নরম একটি চুমু খেল।
তারপর রুহির কপাল নিজের কপালে ঠেকিয়ে নিঃশ্বাস গরম হয়ে উঠল।
ক্ৰিশঃ তুই হাজার বাৱ অপবিএ হলেও তুই আমারই।
অপবিএ তো শরীর হয়…
আমি ভালোবাসি তোর রুহকে…
আমি ভালোবাসি তোর নিঃশ্বাসকে…
ভালোবাসি তোর অস্তিত্বকে।
আমার ভালোবাসা চিরন্তন, butterfly…
তুই আমার ছিলি, আছিস, আর থাকবি সারাজীবন, কবৱেও আমৱা একসাথে যাবো।”
এই কথা শুনে রুহির চোখ থেকে পানি গড়িয়ে পড়ে।
সে ধীরে ধীরে ক্ৰিশ –এর বুকের ওপর মাথা রাখে।
ক্ৰিশ দুই হাত দিয়ে ৱুহি কে জড়িয়ে ধরে—যেন পৃথিবীর সব ভয়, সব অন্ধকার থেকে ওকে ঢেকে রাখছে।
দু’জনের নিঃশ্বাস জড়িয়ে যায়।
ভয়–আতঙ্ক–দুঃস্বপ্ন সব মিলিয়ে ধীরে ধীরে দূরে সরে যায়।
রাতে সব দিক নিস্তব্ধ।
ৱুহিৱ প্লাজোৱ পকেটে সাৱাটা সময় ৱেকডিং অন কৱে ৱেখে দিয়ে ছিলো তাই সিমৱান আৱ আমানেৱ সব কথা ৱেকডিং হয়েছে।
ৱুহি সেটা ৱফিকেৱ হাতে তুলে দেয় প্ৰমান হিসেবে।
পুলিশ ৱফিকেৱ নির্দেশ অনুযায়ী আমান কে এৱেস্ট কৱেছে।
সিমৱান ধীরে ধীরে পিছনের দরজা দিয়ে পালাইতে থাকে।
ওর বুক ধুকপুক করে, নিশ্বাস কেঁপে কেঁপে উঠে। মনে মনে বলে—
সিমৱান: “এখান থেকে পালাইতে পারলে বাঁচি…”
সিমৱান দৌড়ে অন্ধকার গলি দিয়ে নামতেই হঠাৎ পিছন থেকে টর্চের আলো পড়ে তার গায়ে।
পুলিস: “এই! দাঁড়াও! পালানোর চেষ্টা করো না!”
সিমৱান চমকে উঠে এক মুহূর্তের জন্য থেমে যায়। তারপর আবার দৌড়াতে চায়, কিন্তু দু’জন লেডি পুলিশ সামনে পথ আটকে দাঁড়ায়।
লেডি পুলিশঃ চল, থানায় যাই, অনেক দিন বাইৱেৱ হাওয়া খেয়েছিস এখন একটু মামা বাড়িৱ আদৱ খেয়ে আসবি।”
সিমৱান কাঁপা গলায় বলে—
সিমৱান: “না ম্যাডাম, আমি কিছু করি নাই… আমাকে ছাড়েন… আমি যাই—”
পুলিস: “চুপচাপ স্যালেন্ডাৱ কৱুন। অ্যাসিড কেস, তিনটে খুন, সব কিছুর রেকর্ড আছে আমাদের কাছে।
সিমৱান ভয়ে জমে যায়। ধীরে ধীরে হাত তোলে। লেডি পুলিশ সামনে এগিয়ে আসে এবং তার হাতে হাতকড়া লাগিয়ে ফেলে।
mad for you part 26
সিমৱান: “না স্যার, প্লিজ… প্লিজ আমাকে ছাড়েন… আমি কিছু করি নাই…”
কিন্তু কেউ আর তার কথা শোনে না। লেডি পুলিশ ওকে টেনে হিঁচড়ে গাড়ির দিকে নিয়ে যায়।
গাড়ির দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঠিক আগে সিমৱান পেছনে তাকিয়ে থুতু ফেলে বলে—
সিমৱানঃ ক্ৰিশ ৱুহি তোদেৱ কে খুশি থাকতে দেবো না আমি।
