Home My Husband My Husband গল্পের লিংক || সামহা সামি

My Husband গল্পের লিংক || সামহা সামি

My Husband part 1+2
সামহা সামি

গভীর জঙ্গলের মাঝে কাঠের তৈরি ছোট ফ্রান্স কোঠরে বানানো ঘরে অর্ধনগ্ন
অবস্থায় সেন্সলেস হয়ে পড়ে আছে ১৫বছরের এক মেয়ে কিছুক্ষণ আগে।
গ্রীষ্মের তত্ত্ব খারা রোদে ছুটে চলেছে একটি কালো মারসিটিস কিছু দূর যেতেই হঠাৎ করে একটি মেয়ে সামনে আসায় কোনরকমে ব্যালেন্স রাখে গাড়িতে থাকা শেই আগুন্তক রেগে মারর্সিডিস থেকে বেরিয়ে কিছু বলবে তার আগেই যেনো শে কন্ট্রোলেস হয়ে যায় কোন কিছু না বলেই ৫ফ্রুট ৪ইঞ্চি মেয়েটিকে এক ঝটকায় নিজের কালো মার্সিডিজ গাড়িতে বসিয়ে ঝড়ের বেগে এসে টর্নেডো হয়ে চলে যায় গভীর জঙ্গলের মধ্যে একটি গরুর ছোট ফার্ম আগুন্তকটি কোন কিছু না ভেবেই টেনে হিছড়ে নিয়ে যেতে থাকে চার ফ্রুট শ্যামলা মেয়েটিকে ভিতরে ঢুকেই আগুন্তক নিজের সার্টের বুদাম একটি একটি করে খুলছে আর এগোচ্ছে এবার মেয়েটি ভয়ে ভয়ে কোন রকমে বলে উঠে

ক.কে আপনি আমার দিকে এগোচ্ছেন কেনো প্লিজ দূরে যা।
মেয়েটির কথা পুড়ো টা শেষ করতে না দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে আগুন্তকটি কানের কাছে ফিসফিস করে বলে উঠে
আই ক্যান কন্ট্রোললেস মাই Back ডায়মন্ড

আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন

বলেই জামা টা ছিঁড়ে ফেলে এক হাত দিয়ে বু*কে চাপ দিতে থাকে মুখে নিয়ে নেয় বুক ছেঁড়ে নেশালো দৃষ্টিতে ঠোঁটের আঙ্গুল দিয়ে স্লাইড করে ঠোঁ*টে ঠোঁ*ট চেপে ধরে এবার আগুন্তকের হাত ধিরে ধিরে নি*চের দিকে নামতে থাকে মেয়েটির ভয়ে আগুন্তকের হাত খামচে ধরে ছেলোয়ারটা এক টানে খুলে ফেলে হাতের এক আঙ্গুল একটু ঢু*কিয়ে দিয়ে চাপ দেয় এবার মেয়েটি জোরে চিৎকার দিয়ে।

আ*হ্
ছেঁড়ে দেন আমায় আঙ্কেল আমার এতো বড় সর্বনাশ করবেন না
বলেই জোরে জোরে চিৎকার করতে থাকে আগুন্তকটি এবার নিজে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিজের চাহিদা পূরণ করতে
আহ্ মরে গেলাম মা

বলেই মেয়েটি আগুন্তকের হাত কামরে ধরে এতে যেনো আরো উত্তেজিত হয়ে উঠল আগুন্তক নিজের চেষ্টা করে কিন্তু মেয়েটি ভার্জিন আর জায়গাটা খুব ছোট হওয়া ঢুকাতে পাড়ে না এবার একটু জোরে ধাক্কা দিতেই একটু ঢুকে আগুন্তকটি আস্তে ঢুকাছে আর তার গতি বাড়িয়ে দেয় ধাক্কা দিতে দিতে ঠোঁ*টে ঠোঁ*ট রেখে ব্যারিকেড কিস করতে লাগলাম ঠোঁ*ট ছেঁড়ে বু*ক চেপে কামরিয়ে ধরে কিন্তু মেয়েটি নড়ায় আগুন্তকের অসুবিধা হওয়া বেরিয়ে যায় রেগে গিয়ে এবার এক ধাক্কায় পুরোটা ঢুকিয়ে দেয়

আহ্।
আগুন্তকটি বলে উঠে
Back ডায়মন্ড নড়িস না প্লিজ জান আমার লোট নিতে থাক
বলেই নিজের মতো করতে থাকে মেয়েটি একটার পর একটা চিৎকার দিয়ে চলেছে আগুন্তক টি এবার রেখে গিয়ে আশে পাশে তাকায় ওদের কিছু দুরে দুটি গরু বাঁধা পাশে একটি জং ধরা চুরি আগুন্তক টি উঠে এগিয়ে যায় সেখানে দক্ষ হাতের ছুরিটা নিয়ে গরুর পিছনের লেজ টা এক টানে কেটে ফেলে আবারো এগিয়ে আসে মেয়েটির দুই হাত এক করে হাতে থাকা গরুর লেজটা বেঁধে দেয় আগুন্তক টি আবারো নিজের কাজ করতে থাকে একটা সময় এতো নিতে না পেরে অজ্ঞান হয়ে যায় চার ফ্রুটের মেয়েটি ৪ ঘন্টা ৪৫ মিনিট করে ক্লান্ত হয়ে আগুন্তক টি মেয়েটির বুকে মুখ গুঁজে চোখ বন্ধ করে সুয়ে থাকে।

(এবার ওদের পরিচয়টা কিল্লিয়ার করে দেই
প্রহেল খান তাসরাপ দেখতে মাসাল্লাহ আকর্ষণীয় বডি লম্বায় ৬ফ্রুট ৪ ইঞ্চি সাড়া শরীলে ড্রাগনসের ভয়ংকর ট্যাটু করা চোখের মনি গুলো বাদামী মিশ্রনের বয়স ৩০বছর ।

অন্য দিকে মেয়েটির নাম সৈয়দ আনেয়া তোরফি দেখতে শ্যামলা চোখ গুলো বেশ বড় বড় চুল গুলো হালকা কুকরানো মা বাবা আর এক ভাই নাম ইয়ান এদের নিয়েই তার ছোট পরিবার বয়েস বা কতো হবে ১৬ এবার ক্লাস ১০ পড়ছে আনেয়া তো গল্পে ফেরা যাক )
আরো ৫ ঘন্টা পর মেয়েটি ব্যাথায় কুকিয়ে উঠে তার মনে হচ্ছে কিছু একটা তার শরীরের উপর আছে কিছু বুঝে ওঠার আগেই ।

ব্যাথায় চোখ মুখ কুঁচকে পিটপিট করে চোখ মেলে আনেয়া কিছু বুঝে ওঠার আগে আবারো নিচ দিয়ে কিছু ঢুকানোর তীব্র ব্যথায়

—।আ*হ্..
করে গগন ফাঠানো চিৎকার দিয়ে উঠে আনেয়া ভাঙ্গা ভাঙ্গা কন্ঠে কোন রকমে বলে উঠে আনেয়া।
— আল্লাহর দুহাই লাগে আমাকে ছেরে দেন আমি আর পারছি না
বলেই কান্ন করতে থাকে একটা সময় শেই কান্ন তীব্র চিৎকারে প্ররিনিত হয় আনেয়ার কান্ন দেখে প্রহেল কিছু টা সফটলি গলায় কিস করতে থাকে আস্তে আস্তে নিচের দিকে তাকিয়ে বুকের মাঝে নাক ঘষে আলতো ভাবে বু*কে চাপ দিয়ে ধরে আবারো দ্বিতীয় বারের মতো আনেয়া তে ডুবে যায় শেষের দিকে কান্ত হয়ে ওইটা আনেয়ার ওই খানে রেখেই স্লো ভয়জে বলে উঠে প্রহেল।

—.. মাই শে*ক্সপিয়র আমি তোমাকে নিঃশ্বাস ও নিতে দিবো না বিশ্বাস করো প্রতিটি সময় প্রতিটি মুহূর্ত আমি তুমাকে আমার লোড দিবো মাই black ডাইন্ড -.
—…….
বলেই কেটে যাওয়া ফুলা ঠোঁ*টে ডিপলি কিস করে ঘুমিয়ে পরে
চারো দিকে সূর্যের তীব্র আলোয় কিছু মিষ্টি পাখির কিচিরমিচির শব্দে নড়েচড়ে ওঠে গরুর ফ্রার্মে থাকা অর্ধনগ্ন হয়ে পড়ে থাকা দুটি মানুষ প্রহেল হালকা একটু নড়ে আবারো আনেয়ার বুকে নাক ঘষে মুখ ডুবিয়ে দেয় কিছু সময় পেরোতেই বুকের উপর ভারি কিছু অনুভব করতেই ফট করে চোখ খুলে আনেয়া ইচ্ছে না থাকা সত্ত্বেও চিৎকার করতে পারে না এঁকে তো কাল থেকে না খাওয়া তার সাথে এমন অত্যাচার এই সব ভেবেই আনেয়ার চোখের কোন বেয়ে দু ফুটা পানি ঘরিয়ে পড়ে আনেয়া চোখ বন্ধ করে মনে মনে বলে উঠে।
…….
—’ আচ্ছা আমি কি কখনো এই লোক থেকে মুক্তি পাবো না এই নরক থেকে।
এটা ভেবেই আনেয়া ফুঁপিয়ে উঠে কারো ফুপানোর শব্দে প্রহেল আনেয়ার গলায় কিস করে মাথা তুলে বলে উঠে।
—’ Good Morning My sex lady ।

বলেই উঠে পড়ে অগোছালো হয়ে পড়ে থাকা ড্রেস গুলো এনে প্যান্ট টা সুদু পড়ে আর সাদা সার্ট টা আনেয়া কে পড়িয়ে কোলে নিয়ে হাঁটা দেয় গারির দিকে বেশ কিছুক্ষণ পরে একটা বড়ো রাজপ্রাসাদে মতো বাড়িতে এসে কালো মার্সিডিজটি থামে লাল আর কালো মিসরনের একটি বড়ো বাড়ি চারো দিকে জংলি পরশু পাহারা দিচ্ছে আর বুঝার উপায় নেই এটা কোন জায়গা বড়ো বড়ো গাছ ছাড়া কিছু দেখা যায় না বাড়িটির নেম প্লেটে বড়ো বড়ো করে লেখা black Dom বাড়ি প্রহেল আনেয়া কে কোলে নিয়ে বাড়ির ভিতরের দিকে হাঁটা দেয় ভিতরে ঢুকেই যেনো আনেয়ার গায়ের লুম শিরশির করে ওঠে ভয়ে এমন ভয়ঙ্কর বাড়ি শে অনেক হরল মুভি কিংবা ছবিতে নিজের চোখে দেখবে এটা কখনো ভাবেনি প্রহেল আনেয়াকে নিয়ে একটা রুমে এসে থামে আশেপাশে কালো ছাড়া কিছুই নেই আনেয়া ভয়ে ভয়ে বলে উঠে।

—. আমি এখানে থাকবো না আমি আমার বাড়ি যাবো আমাকে নিয়ে চলেন।
আনেয়ার কথায় প্রহেল তার গোলাপী ঠোঁট নেড়ে বলে উঠে।
—’ মাই সে*ক্স লেডি তুমি আমার শিরদাঁড়ায় আসছো যাওয়ার জন্য নয়।
বলেই ঠোঁটে ঠোঁট মিলিয়ে দেয় আস্তে আস্তে আনেয়ার বুকের কাছের বুদাম দুটো এক এক করে খুলে ফেলে এবার আনেয়া বুঝে যায় তার সাথে কি হতে যাচ্ছে।
প্রহেল ঠোঁট ছেড়ে গলায় কিস করতে করতে বুকে এসে এক হাতে চাপ দিয়ে ধরে

-‘ আহ্।
ব্যাথা তুর শব্দ করে ওঠে আনেয়া একটা টিপছে আরেক টা মুখে নিয়ে চুষতে লাগল বুক*ক ছেড়ে নিজের প্যান্ট টা খুলে ফেলে একবারে আনড্রেস হয়ে যায় আনেয়ার দিকে একবার তাকিয়ে আবারো নিজের কাজ করতে লাগলো প্রহেল নিজের আনেয়ার দুই পা ফাঁ*ক করে নিজের ওইটা ঘঁষে একটু একটু করে ঢুকাতে থাকে এক সব তার গতি বেড়ে যায় আনেয়া।

উ*ফফ আ*হ্ ম*রে গেলাম আ*হ্ আ*স্তে
ব্যাথায় এক নাগারে কথা গুলো বলে আনেয়া। প্রহেল কে বাঁধা দেওয়ায় শক্তি অবশিষ্ট নেই তার শরিলে দীর্ঘ সময় এই সব করার ফলে একটা সময় কান্ত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে প্রহেল এবার ওইটা বের করে আনেয়ার ওই জায়গায় মুখ রেখে জি*হ্বা দিয়ে চাটতে লাগলো এবার মুখটা তুলে আবারো নিজের ওইটা ঢু*কিয়ে দেয় শেষের দিকে জোরে জোরে তিনটা ধা*ক্কা দিয়ে ওইটা ওখানে রেখেই বলে উঠে।

I’m Sorry My Se*x Lady আমি ইচ্ছে করে তুমাকে ব্যাথা দিতে চাইনি তো কি করবো বলো তুমাকে দেখলে আমার হুশ থাকে না।
বলেই একটা ডিপলি কিস করে আনেয়া কে নিয়ে ওয়াশ রুমে চলে যায় ফ্রেশ হয়ে আনেয়াকে এখটা সাধা টাওয়াল পেঁচিয়ে নিয়ে এসে বেডে শুয়ে দেয় কিছুক্ষণপড়ে কিচ্ছু খাবার নিয়ে এসে আনেয়াকে বুকে নিয়ে আস্তে করে ডেকে উঠে।
মাই সে*ক্সপিয়র উঠো জান কিছু খেয়ে নাও আমি একটু বাড়িরে যাবো।
আনেয়া দূর্বল চোখ জোরা টেনে টেনে খুলে প্রহেল কিছু টা খাবার আনেয়ার মুখের কাছে ধরে ইচ্ছে না থাকা সত্ত্বেও খেতে হয় এক প্লেটেই দুই জন খেয়ে নেয় খাওয়া শেষে প্রহেল আনেয়াকে ব্ল্যাঙ্কেট টেনে রুম থেকে বেরিয়ে যায় ।

কিছু গার্ড আনেয়া কে ঘিরে রেখেছে কিছুক্ষণ আগে।
প্রহেল যাওয়ার বেশ কিছুক্ষণ পরেই আনেয়ার ঘুম ভাঙ্গে কোন রকমে উঠে নিচে নেমে ধারায় এক পা সামনে দিবে তল পেটে ব্যাথা অনুভব করে পা টেনে টেনে রুম থেকে বেরিয়ে এসে দরজা খুঁজতে থাকে কিন্তু বের হওয়ার আগেই কিছু জঙ্গি পশু চার পাশ ঘিরে ধরে তখনি প্রহেল বেড়িয়ে এসে বলে উঠে।
কি মাই লেডি এক রাতেই বেশি দিয়ে ফেলছি নাকি কম দিয়ে ফেলছি পালাতে চাও আমার থেকে ওকে তুমার ইচ্ছে না হয় হোক কি বলো।

বলেই এক হাতে কাঁদে তুলে বেড রুমের দিকে হাটা দেয় রুমে এসে ছুড়ে মেরে রুম থেকে বেরিয়ে যায় কিচেনের দিকে খুজে খুজে কিছু কাঁচা লংকা পেস্ট করে রুমে চলে আসে প্রহেলএর হাতে কাঁচা লংকা দেখে ভয়ে কেঁদে ওঠে আনেয়া জিজ্ঞেস করে।
—:’ এটা দিয়ে কি করবেন প্লিজ দূরে যান।

আনেয়ার কথা বলতে দেরি প্রহেল কাছে আসা দেরি না এসেই আনেয়ার শরীল থেকে তার কালো সার্টা খুলে ফেলে আনড্রেস করে নিজেও আনড্রেস হয়ে যায় বাটি থেকে কিছুটা কাঁচা লংকার পেস্ট হাতে নিয়ে আনেয়ার ওই জায়গায় লাগিয়ে নিজের ওইটা ঢুকিয়ে দেয় একে তো কাঁচা লংকা দেওয়ায় জ্বলছে তার উপর আবার এতো ব্যাথা।

My Husband part 3+4