Home My Husband My Husband part 3+4

My Husband part 3+4

My Husband part 3+4
সামহা সামি

এক সময় এতো ব্যা*থা নিতে না পেরে আনেয়া অজ্ঞান হয়ে যায় তবুও প্রহেল থেমে নেই নিজের সবটা দিয়ে আনেয়া কে আদর করে কান্ত হয়ে আর একটু কাছে গিয়ে ওই খানে রেখেই স্লো ভয়জে বলে উঠে।
—” তুমি আমার নেশাময় ফ্লাওয়ার আমি তুমার সাইকো র্ডাক Husband প্রতিদিন আমি তুমাকে লিখে দিবো ব্যাথা খিন সময়ের আদর সর্বাঙ্গে ।

বলেই আনেয়ার বুকে মুখ গুঁজে ঘুমিয়ে পরে সকাল ৭:৩০ আনেয়া নড়াচড়া করতে গেলে বুঝতে পারে তার উপরে ভাড়ি কিছু একটা আছে আদো আদো চোখ মেলে নিজের বুক দিয়ে তাকায় প্রহেল ঘুমিয়ে আছে তার বুকে ঘুমন্ত অবস্থায় প্রহেলকে দেখতে একটা নিষ্পাপ বাচ্চার থেকে কম লাগছে না গোলাপি ঠোঁট দুটো উল্টে ঘুমিয়ে আছে এইভাবে যে কেও দেখলে নির্গত কিছু অঘটন ঘটিয়ে পেলতো প্রহেল কিছু টা নড়েচড়ে বুক থেকে মুখ তুলে আনেয়া দিকে তাকিয়ে বলে।
Good morning purple heart ,

আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন

বলেই আনেয়া কে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে সাড়া মুখে কিস করে ঠোঁ*টে এসে বেশ সময় নিয়ে কিস করে ছেড়ে দেয় উঠে বসে তাওয়াল নিয়ে ফ্রেশ হতে চলে যায় গোসল করে খালি গাঁয়ে শুধু একটা টাওয়াল পেঁচিয়ে বের হয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল ঝাড়তে থাকে এই অবস্থায় প্রহেলকে দেখতে অনেক টাই হ*ট লাগার থেকে কম না আনেয়ার তাকিয়ে থাকার মাঝে প্রহেল কিছু টা ঝুঁকে এসে বলে।

এই ভাবে কি দেখছো মাই ফা*কিং ডার্ক ।
প্রহেলের এমন কাজে বেশ লজ্জা পেলো আনেয়া ‘ কথা বলেই আনেয়ার ঠোঁটে কিস করে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বলে।
রেডি হয়ে নেও আমরা বের হবো
বলেই ফর্মাল গেট’আপে ঘর থেকে বেরিয়ে যায় ব্যস্ত শহর পেড়িয়ে একটা ছোট গ্রামে প্রহেলের গাড়ি টি ঢুকছে, পাশে আনেয়া চুপটি করে বসে আছে কিছুক্ষণ পর পর হাতের নক কামরাছে কপাল কুঁচকে প্রহেল বলে।
এই ভাবে খাচ্ছোরের মতো নক কেন কামরাছো আমি কিন্তু ফুল মুডে আছি।

বলেই আবারো ড্রাইভিং মনোযোগ দেয়, বেশ অনেকক্ষণ ড্রাইভিং করে একটি পুরাতন দুই তলা ভবনের সামনে এসে গাড়ি থামিয়ে এক পলক আনেয়ার দিকে তাকায় সাঁড়া রাস্তা মেয়েটা কেমন ছটফট করতে করতে আসছে কিছু জিজ্ঞেস করলেও কিছু না কিছু না বলে ঘাম মুছে।
এটাই তো তুমার বাসা রাইট।
” হুম
প্রহেলের কথায় দুই দিকে মাথা নাড়ে আনেয়া ভয়ে ভয়ে গাড়ি থেকে নেমে যেই না কলিং বেল চাপতে যাবে তখনি পিছন থেকে প্রহেল হাত ধরে ঠোঁটে ঠোঁট মিলিয়ে দেয় দীর্ঘ ২০ মিনিট পঁচিশ সেকেন্ড পর ছেঁড়ে দেয় ‘ পুরুষালী গম্ভীর কন্ঠে চম্কে উঠে আনেয়া ‘ লোকটি বিরক্ত মুখে বলে।
আজ কাল ছেলে মেয়েদের লজ্জা শরম সব গৃহবাসে রেখে আসে কোথায় কি করতে হয় সেটাও দেখে না ।

বলেই লোকটা নাক মুখ কুঁচকে চলে যাওয়ার জন্য প্রস্তান করবে তখনি প্রহেল দাঁতে দাঁত চেপে শক্ত কন্ঠে বলে উঠে।
এটা তুর বাপের রাস্তা নয় আজকের মতো ছেড়ে দিলাম আমার টার্গেটে পড়ার পরিমাণ খুব ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক হবে গড ইট রাতে শুয়ার জন্য বউ টা কেও পাবিনা।
বলেই কলিং বেলে চাপ দেয় কিছুক্ষণ পর একজন ভদ্র মহিলা দরজা খুলে ‘ বেরিয়ে আসে গোটা তিন দিন পর নিজের পরিবারকে দেখে আনেয়া কান্নায় আপ্লুত হয়ে বলে।
আই মিস ইউ আম্মু আমি এই পঁচা মাগুরা লোকের সাথে যাবো না।
আনেয়ার কথায় চোখ ছোট ছোট করে আনেয়ার আম্মু নাজমা বেগম প্রহেল কে কিছু বলবে তার আগে প্রহেল ক্ষিপ্ত কন্ঠে বলে উঠে।
এই তিন দিনে এতো আদর করলাম তবুও আমি পঁচা একবার হাতের কাছে পাই আমি কি তা বুঝিয়ে দিবো ।

প্রহেলের এমন কথায় তরীর’গতিতে নাজমা বেগম তাকায়।
কি বললে তুমি এই মাত্র বাবা।
নাজমা বেগমের কথায় প্রহেল ঠোঁট কিছু টা প্রসারিত করে বলে।
একি মা আপনি এখনো বুঝতে পারচ্ছেন না আমি আপনার মেয়ের কে ‘
প্রহেলের কথায় নাজমা বেগম দু দিকে মাথা নাড়ে যার অর্থ সে বুঝতে পারছে না।
তবে শুনুন আমি আপনার মেয়ের এক মাত্র ডার্ক রোমান্টিক জামাই ‌।
বলেই কাউকে কিছু বলতে না দিয়ে সোফায় বসে পড়ে ‘ নাজমা বেগম আগামাথা না বুঝে আনেয়ার দিকে চোখ গরম করে তাকিয়ে ভিতরে চলে যায় বিকাল ৫:৩০ ।
আনেয়ার বাবা অফিস থেকে বাড়ি ফিরে সোফায় অচেনা একটা ছেলেকে দেখে ব্যাগটা রেখে পিছন গুরতেই কেউ ঝাঁপিয়ে ধরে বলে।

আব্বু তুমি এসছো।
এতো দিন পর নিজের আদরের মেয়েকে দেখে নিজের বুকে জড়িয়ে ধরে বলে।
কোথায় গিয়েছিলে আম্মু আব্বুর বুঝি কষ্ট হয় না।
দূর থেকে বসে বাবা মেয়ের এই দৃশ্য দেখে অচেনা কারনে চোখ ছলছল করে ওঠে তবুও মুখের গাম্ভীর্য বজায় রেখে বলে।
মেয়েকে দেখলেই হবে শশুর আব্বু।
অচেনা ছেলেটির এরুপ সম্মোধন করায় নাজমা বেগমের দিকে তাকিয়ে তো আনেয়ার দিকে তাকিয়ে বলে।
এই ছেলে কে তুমি আবার আমাকে শশুর আব্বু বলে ডাকছো।

আহ্ কি মজা শশুর আব্বু বুঝি তার মেয়ের মতো আনহেলদি আপনার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটি আমার খুব ভালোবাসার একটা জিনিস তাই না মাই block ডায়মন্ড।
আনেয়া ভেবে পাচ্ছে না এই মুহূর্তে তার কি করা দরকার তবুও তুতলিয়ে বলে।
ইয়ে আ-আব্বু তুমি ফ্রেশ হয়ে আসো আমরা পড়ে কথা বলি।
কাঁপা কাঁপা গলায় কথা গুলো বলে জোরে নিঃশ্বাস টানে।
থমথমে মুখে বসে আছে আনেয়ার আব্বু এই ছেলে কি করেছে তার মেয়ের সাথে সব শুনে রাগে ফেটে পড়ছে।

রাত ১২:৩০ হঠাৎ কিছু শরীরে অনুভ করতে নড়েচড়ে উঠে আনেয়া ঘুমের মধ্যে এমন চিন চিন ব্যা*থায় আনেয়া নাক মুখ কুঁচকে।
” আ*হ্ ”
বু*ক ছেড়ে আনেয়ার দিকে তাকিয়ে গলায় মুখ ডুবিয়ে জোরে নিঃশ্বাস টানে আস্তে করে ডেকে উঠে।
—” My Lady আমার কন্ঠেকশ্ন ,
বলেই ঠোঁ*টে ঠোঁ*ট মিলিয়ে দেয় ব্যারিকেড কিস করতে করতে বুকে এসে চাপ দিয়ে ধরে আস্তে আস্তে নিচের দিকে নামতে নামতে জিহ্বা দিয়ে বুক থেকে চেটে না*বির নিচে এসে থামে আনেয়ার দুই হাত চেপে ধরে করে নিজেরএকটু ঢুকাতেই ,
— ‘ আ*হ্,

আনেয়া শব্দ করে ওঠে এক হাতে প্রহেলের মাথার চুল খামচে ধরে আনেয়াকে এই ভাবে উত্তেজিত হতে দেখে প্রহেল আনেয়ার ওই জায়গায় মুখ ডুবিয়ে করে এবার আস্তে আস্তে পুড়ো শরীরে আস্তে আস্তে বিচরণ করতে থাকে একসময় প্রহেল তার গতি বাড়িয়ে দেয় এই সময় আনেয়া প্রহেল কে সামলাতে আনেয়া হিমশিম খাচ্ছে এই রাত এই সময় আবারো সাক্ষী হলো নিস্তব্ধ অন্ধকার ঘর বাহিরের তীব্র বাতাস যেনো দুটি মানুষ কে এক হতে দেখার শাক্ষী হয়।

চারো দিকে ঘন কুয়াশায় গেড়া ঠিক বুঝা যাচ্ছে না এটা কি শুধু কুয়াশা নাকি বরফে গেড়া এক রহস্যময় ঘোহা ৪ ফ্রুট মাটির নিচে খিন শুরু লাল রঙের রাস্তা দিয়ে হেঁটে চলেছে জনি কিছু টা এগিয়ে গিয়ে নিজের এক হাত রাখে একটা রিমোটিং দরজায় সাথে সাথে কিছু শব্দ হয়ে খুলে যায় দরজা টা লোকটি ভিতরে ঢুকার সাথে করে দরজা টাও আগের মতো হয়ে যায় লোকটি বন্ধ একটা দরজার সামনে দাঁড়িয়ে কিছু একটা টাইপিং করতেই ভিতরে থাকা দরজা টা খুলে যায় জনি পুড়ো লেপ দেখে নিয়ে একটা মাক্স পড়ে এগিয়ে যায় সামনে সাদা কাঁচের দেওয়ালের ভিতরে বাঁধা লোকের দিকে যার আসে-পাশে কিছু বিষাক্ত বিচ্ছু ধারা আবৃত্ত পুড়ো শরীল বিষে নীল হয়ে আছে মরে গেছে নাকি বেঁচে আছে বুঝার উপায় নেই।

……….
সকাল ৭:৩০
আর মোরা দিয়ে ঘুম ঘুম চোখে উঠে বসে আনেয়া পাশে তাকিয়ে দেখে প্রহেল এখনো ঘুমিয়ে আছে অগোছালো হয়ে পড়ে থাকা কাপড় গুলো নিয়ে ওয়াশ রুমে চলে যায় ৩০মিনিট পড় বেড়িয়ে এখনো প্রহেল কে ঘুমিয়ে থাকতে দেখে ঠোঁট উল্টে ছাদে চলে যায় ।
…………..

এখানে কি করছো তুমি।
প্রহেলের হঠাৎ ডাকে ব্যালেন্স হারিয়ে নিচে পড়ে যেতে নিলেই প্রহেল তৎক্ষণাৎ এক হাত ধরে বুকের উপর ফেলে পড়ে যাওয়ার ভয়ে আনেয়া প্রহেলের গলা জড়িয়ে ধরে প্রহেল করকস গলায় আবারো বলে উঠে।
—” নিচে চলো নাস্তা করবে না হলে এই আমাকে নিবে কি করে My Lady New go ,

বলেই আনেয়া কে কোলে তুলে নিচে নেমে এসে টেবিলে বসিয়ে নিজেও তার পাশে বসে পড়ে এই দৃশ্য দেখে নাজমা বেগম কেমন হাঁসফাঁস করছে ‘ বিশাল এক খাবারের টেবিল হাজারো সুস্বাদু সুস্বাদ খাবার দিয়ে সাজানো যার সুগন্ধ পুড়ো টেবিল মো মো করছে বিয়ে টা যে ভাবেই হোক এক মাত্র মেয়ের জামাই তাই আপ্যায়নের কমতি নেই ‘ খাওয়া শেষ হতেই প্রহেল আনেয়া কে নিয়ে ছাদে চলে যায় এক পাশে একটা দোলনা রাখা এই তো কিছুদিন আগে কেঁদে কেটে দোলনার কথা বলছে তখনি বাবা দোলনা নিয়ে আসছে ‘ আসে চারোপাশ ফুলের ঘ্রাণে মো মো করছে টগর ফুল ল্যান্টেনা ফুল কলকে ফুল অ্যাডেনিয়াম ফুল ও বিভিন্ন রকমের ফুল প্রহেল আনেয়া কে ফুলের তৈরি বানানো দোলনায় বসিয়ে দোল দিয়ে হালকা শুরে একটু গেয়ে উঠে ।

— “Tujhme rahoon main ijazat de ,
—” Jeene ki Mujhko aadat de ,
—” Mere ishq ko Tu rakhna ,
—” Khud mein hifazat se ..
—” Khali Khali dil ko Bhar denge mohabbat se …
— Khali Khali dil ko Bhar denge mohabbat se ,,

My Husband part 1+2

গান শেষ হতেই প্রহেল আনেয়ার ঘারে মুখ গুঁজে দিয়ে ছোট ছোট আদুরে কিস করতে থাকে
“কি করছেন অসভ্য লোক ছারুন আমরা ছাদে।
হুঁশ কথা বলো না পাখি আমি এখন ইম্পর্টেন্ট কাজ করছি।

My Husband part 5+6