Home My Husband My Husband part 13+14

My Husband part 13+14

My Husband part 13+14
সামহা সামি

আনেয়ার চোখে পানি চিকচিক করছে প্রহেল তাকে এতো ভালোবাসে এই যে এতো মানুষের মাঝে কি সুন্দর করে ভালোবাসি কথাটা বললো , প্রশ্নবোধক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে প্রহেল আনেয়া মুচকি হেসে হাত বাড়িয়ে দেয় প্রহেল হাতের
রিংটা আনেয়ার অনামিকা আঙ্গুলে পড়িয়ে কিস করে উঠে দাঁড়ায়, কিছুক্ষণ পর দুইজন মেয়ে গার্ড এসে আনেয়াকে ফুল দিয়ে তৈরি ড্রেস চেঞ্জ করার রুমে নিয়ে যায় আনেয়া রুমে ঢুকে মুগ্ধ দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ করে বলে উঠে।
, আপনি একটু না মিস্টার অদ্ভুত শব্দের আমার ট্যাটু ওয়ালা আপনি আমার গোটা সাম্রাজ্যের রাজা’বাঁশি?

“রনি ও মিস্টার ইয়াং কক্সবাজারের বিশাল এক প্লটের মাঝে অবস্থান শাড়ি শাড়ি গার্ড হাতে অস্ত্র নিয়ে ঘোড়া ফেড়া করছে প্রখল সিকিউরিটি দিয়ে রয়েছে চারো’পাশ রনি ও ইয়াং সামনের চেয়ারে পায়ের উপর পা তুলে বসে আছে তাঁদের সামনে একটি মধ্য বয়স্ক লোক ও একজন যুবতী মেয়ে গাঁয়ের রং সাদা ধবধবে চুল গুলো অ্যাস কালার ও পর্নে ওয়েস্টার্ন ছোট ড্রেস দেখে বুঝা যাচ্ছে সে এই ড্রেইসে কমফোর্টেবল মেয়েটির নাম ফ্রান্সিকা , আজকেই বিডিতে আসছে, ইয়াং ফ্রান্সিকার দিকে প্রশ্নবোধক চাহনিতে বলে।
” তোমাকে এখানে যেই কাজে আনা হয়েছে তা খুব শীঘ্রই কমপ্লিট করে লন্ডনে ব্যাক করবে,গট ইট?
_ ফ্রান্সিকা সফ্ট ড্রিংসে চুমুক দিয়ে বলে?
” আই নো মিস্টার ইয়াং মাই উইস এনিও য়ে বাই আমি একটু বাহিরে যাবো আফটার অল বিডি বলে কথা।
কথা শেষ করে হেলেদুলে হেঁটে বেড়িয়ে যায় রিহান ফোন কেটে সাগরের দিকে সরু কপালে তিনটি বাজ ফেলে বলে।

আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন

” এই অখাদ্য গান তুই কোথায় পেলি সাগর আর তুর এই ফাটা গলায় গান বললে মনে হয় শিয়াল বলছে আয়, আয়?
সাগর রেখে তাকায় কতো বড়ো সাহস তাঁর গান কে বলে ও খাদ্য আর তাঁর গলা কি শিয়ালের, আয় আয় ডাক, রিহানের উপর চিল্লাচিল্লিয়ে উত্তর দেয়।
” বাঙ্গির পোলা তুর গার্লফ্রেন্ডের চেহারা থেকেও আমার পাছার রঙ সুন্দর আর তুই আমাকে শিয়ালের সাথে তুলনা দেছ?

” ছ্যা তুর কথা বিশ্বাস হলো না অন্য কিছু বল দেখি বিশ্বাস হয় কি না?
সাগর বিদঘুটে হাসে, চেন্জ রুম থেকে বেরিয়ে আসতে আনেয়া দেখতে পায় প্রহেল ইতিমধ্য তার ড্রেসাপ চেন্জ করে ফেলেছে পর্নে হোয়াইট কালারের সার্ট হুডি হাতে বাইক রেস করার ভারি মুজা মাথায় হেলমেট , প্রহেল পিছন ঘুড়ে আনেয়াকে এক পলক দেখে নিজ মনে বলে উঠে।
” হায় মে তো মার গেয়া এই মেয়ে কে সব কিছুতে এতো সুন্দর লাগে কেন?
আনেয়া ভারি ড্রেস চেঞ্জ করে প্রহেলের সাথে ম্যাচিং করে কালো হুডি ও পায়ে সু পড়া কমর প্রজন্ত চুল গুলো ছেঁড়ে দেওয়া মুখ জুড়ে এক অদ্ভুত মায়া , প্রহেল এ
গিয়ে এসে আনেয়াকে এক ধরে নিজের কাজে এনে কপালে ঠোঁট ছুঁইয়ে বলে,

” আমি কিন্তু তোমার এই লুকে পদে’পদে কন্ট্রোললেস হচ্ছি ছোট ফ্লাওয়ার তোমার এই বাঁকানো হ*ট লুক জাস্ট উফ্?
আনেয়া লজ্জায় চোখ মুখ খিছে প্রহেলের বুকে মুখ লুকিয়ে রাখে যা দেখে প্রহেল দুষ্টু হেসে বলে?
” মাই লেডি আমি তোমার বস্ত্রহরণ করিনি এখনো তাই লজ্জা টা তুলে রাখো একটু সময়ের জন্য।
বলেই আনেয়া কে ঠোঁট কামড়ে চোখ মারে, কালো রঙের বাইকের চাবি নিয়ে বাইকে উঠে আনেয়াকে ইশারা করে পিছনে উঠতে, আনেয়া ভাবছে কি ভাবে সে বাইকে উঠবে তাঁর ভয় করে বাইকে প্রহেল আনেয়ার মনোভাব বুঝতে পেরে বলে।

” ভয় নেই মাই লেডি আমি আছি তো জাস্ট ইনজয় ?
এই একটা শব্দ যেনো আনেয়াকে অনেক কিছুর ভরসা দিল দিরে দিরে বাইকের পিছনে উঠে বসে দুই হাত দিয়ে শক্ত করে প্রহেল কে জরিয়ে ধরে চারো’পাশে ধোঁয়া উড়িয়ে শো’শো করে চলে গেল বাইক টি , লন্ডনে নাইট ক্লাব পার্টিতে মেয়েদের নিয়ে ফুর্তি করতে বিজি জনি, এই বুড়ো বয়সে এখনো মেয়েদের প্রতি ভীমরতি কমেনি তাঁর মেয়ের বয়সী মেয়েদের নিয়ে ফুর্তি করতে বিজি, একজন মেয়ে হাতে ড্রিঙ্কস নিয়ে আসছে পর্নে ওয়েস্টার্ন একদম ছোট জামা এর থেকে না পড়লেই নয়, লোকটা মেয়েটি কাছে আসতেই মেয়েটির চিকন কমর চেপে কাছে এনে কলায় ঠোঁট ছুঁইয়ে বলে?

” কিস মি সুন্দরি ?
মেয়েটি হাসে টাকার জন্য মানুষ কি-না করতে পারে এই যে সে টাকার জন্য বাবার বয়সী এক লোকের সাথে নিজের সতীত্ব বিলিয়ে দিচ্ছেএকটা মেয়ের কাছে হয়তো নিজের সতীত্ব চেয়ে বড়ো আর কিছু থাকে না মেয়েটি মাথা নাড়িয়ে সম্মতি দিয়ে বলে।
” ইয়া সিওর মিস্টার জনি?
মেয়েটির কথা শেষ করার আগে জনি মেয়েটির কমর চেপে কাছে টেনে ঠোঁট দুটু আকরে ধরে, ঘৃণায় মেয়েটির চোখ থেকে পানি গরিয়ে পড়ে, সবাই হয়তো ভাবে সব মেয়েরা শরীরের চাহিদায় আর শুধু টাকার জন্যে কেবল নাইট ক্লাব ও বড়ো বড়ো হোটেলে যায় নিজেদের সতীত্ব বিলিয়ে দিতে, অন্য দিকে বেশ সময় নিয়ে ঘুড়া ঘুড়ি করে পার্কিং লডে বাইক রেখে নেমে বাড়ির ভেতরে যেতে সাগর রিহান
কে রাগাতে বলে?

” শুন রিহান তোর ওই খাবারের অনিহারে বুগা গার্লফ্রেন্ডকে আমার পছন্দ না তুই বরং ওকে ছেঁড়ে দে আমি তোর জন্য একটা মোটা দেখে মেয়ে এনে দিবো?
রিহান সাগরের কথা শুনে পায়ের থেকে জুতা খুলতে খুলতে উত্তর দেয়!
__ শালা সানি লিওনের অন্তর্বাসের চাপ নেওয়া সাগর সা***য়া তুই আমাকে বলছ মোটা মেয়ে এনে দিবি জনি সিং এর জায়গায় নিজেকে বসিয়ে করছ আবার ফালপাড়ো

__ সাগর নাক ছিটকে দু কদম পিছিয়ে গিয়ে হাত দিয়ে গন্ধ তারানোর মতো করে বলে?
___ ছ্যা রিহান ছ্যা আমি তো ভাবছি তুই এর থেকেও আরো ভালো কিছু বলবি!
রিহান পারছে না তো এখনি এই সাগর কে সুলে চড়াতে, কতো বড়ো সাহস তাঁর একটা মাত্র গার্লফ্রেন্ড তাঁকেও নিয়ে কি-না এই সাগর মজা করে, রাত প্রায় ১২ বাজে প্ররিবেশ শান্ত কোন আওয়াজ নেই একদম স্তব্ধ সরু রাস্তা দিয়ে বাইক রাইটিং করে যাচ্ছে প্রহেল আনেয়া পিছন থেকে প্রহেলের পিঠের সাথে লেপ্টে আছে, দুই হাত ধারা বুকের কাছের অংশ খামচে ধরে রেখেছে, প্রহেল নিরিবিলি জায়গায় বাইক থামিয়ে আনেয়ার উদ্দেশ্য বলে?
__ আমি এই মাঝ রাস্তায় কন্ট্রোললেস হতে চাচ্ছিলাম না কিন্তু তুমি আমাকে ঠিক থাকতে দিলে না মাই লেডি আই নিড ইউ মিসেস প্রহেল?

বলেই প্রহেল আনেয়াকে নিজের কোলের উপর বসিয়ে ঘাড়ের পিছনে হাত রেখে ঠোঁটের কাছে নিজের ঠোঁট এগিয়ে নিয়ে আসে, আনেয়া কিছু বলবে তাঁর আগেই ঠোঁট চলে যায় প্রহেলের ঠোঁটের মাঝে পাগলের মত কিস করতে থাকে প্রহেল একটা সময় তাঁর অনাকাঙ্ক্ষিত ছুয়া দিরে দিরে ভারতে থাকে প্রহেলের হাত আনেয়ার হুডির ভেতরে চলে যায় বু*কে চাপ দিতেই আনেয়া প্রহেল কে নিজের থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য মুচড়ামুচড়ি শুরু করে দেয়, প্রহেল ঠোঁট ছেড়ে নেশালো কন্ঠে বলে।

__ প্লিজ বেবি বাঁধা দিও না!
আনেয়া লজ্জায় নিচের দিকে তাকিয়ে বলে!
__ অসভ্য লোক আমরা রাস্তায় আছি তাও বাইকে রিসোর্টে চলেন?
প্রহেল শুনেও না শোনার ভান করে আনেয়ার হুডি খুলে দেয় ব্যাথায় আনেয়া চিৎকার করে উঠে?
__ আহ্,উম –
:_ প্রম্যাক্স বেবি প্রোম্যাক্স ,
এই শব্দের অর্থ না বুঝে আনেয়া ব্যাথা তুর শব্দ করে বলে।

” আ*হ্ এই প্রোমাক্স আবার কি?
প্রহেল বুক থেকে হাত সরিয়ে নেয় তার হাতের স্পর্শে কেঁপে কেঁপে উঠছে নিচের দিকে নামতে , আনেয়া বলে উঠে?
__ আপনি ব্যাথা ছাড়া করতে পারেন না __
-“_ আমি জোরে ছাড়া করতে পাড়ি না সো প্রোম্যাক্স নেও বেবি নট থামো থামো?
কথা শেষ হতেই প্রহেল আনেয়ার নিচে ধাক্কা দিতে থাকে মাঝে মেতে উঠে?
” আহ্,উফ্
আর একটু সোহ্য করো মাত্র তো

_”আহ্;
ব্যাথা সহ্য করে নেও বেবি নট থামা থামি ভালোবাসা নিবে আর ব্যাথা নিবে না এটা হয় না ।
__” তাই বলে আপনি এমন করবেন এই ভালোবাসা আমার লাগবে না।
নো মাই লেডি ইজ মাই প্রোম্যাক্স প্রোডাক্ট ওকে রাইট নাউ?

প্রহেল কথা গুলো এক নাগাড়ে বলে এই মাঝ রাতে শান্ত পরিবেশ শীতল বাতাস গভীর রাত ও , সব ভুলে এই মাঝ রাস্তায় নিজের প্রিয়সিতে মেতে উঠেছে, তাঁর দেন জ্ঞান সব যেনো এখানেই থেমে গেছে , দেখতে দেখতে কেটে গেছে এক সপ্তাহ। প্রহেল আনেয়া কক্সবাজার থেকে আসছে তিন চার দিন হবে, দূপূর ২:৩০ আনেয়া গোসল করে নিচে নেমে আসে সকাল থেকে মন ও মেজাজ দুই কেন যানি বিগড়ে আছে, এই খারাপ লাগছে তো এই আবার বিনা কারণে সব কিছু বিরক্ত লাগছে, ওই দিন রাতে জরুরি কাজ থাকায় প্রহেল আনেয়া সকালেই কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয় সেই দিনি প্রহেল আনেয়া কে সাগরের সাথে বাসা পাঠিয়ে দেওয়ার পর আর বাড়ি ফিরে নাই, আর এইদিকে বেচারা আনেয়া টেনশনে অস্থির হয়ে পড়ে , আনেয়াকে এতো অস্থির হতে দেখে রিহান প্রহেলের ইমারজেন্সিতে লন্ডনে যাওয়ার কথা বলে দেয়। আনেয়া তৎক্ষণা রাগে দুঃখে একাকার হয়ে আর কাউকে জিজ্ঞেস করেনি প্রহেলের কথা বা এই এক সপ্তাহ ফোন ও দেয়নি ? সারা দিন রুমের খিল মেরে কান্না কাটি করে বলছে?

___” আমার জন্য যার পরাণ পুড়েনি তাঁর জন্য কেন আমার পরাণ পুড়ছে যাঁকে কাছে রাখার তীব্র ইচ্ছা সে কেন দূরে সরে যায় করিয়া একা আপনার সংঘ বড়ো নিষ্ঠুর?
,, আনেয়া সেই-দিন অনুমান করেছে সে এই লোকটিতে অভ্যস্ত এই লোকের ছুয়া এই লোকের বেসামাল কথা, তার তীক্ষ্ণ চোখের চাহনি সব কেমন ধোঁয়াসা করছে তাঁকে লোকটি তাঁকে না বলে ওই ভিন’দেশে যেতে পারলো লোকটির কি একটুও কষ্ট লাগছে না তাঁকে ছাড়া ঘুম আসে লোকটির কোই সে তো এই কয় এক দিন দুই চোখের পাতা এক করতে পারে নাই, লোকটার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করছে মাঝ রাতে ঘুমের ঘোরে বিছানা হাতরিয়ে লোকটিকে কাছে পায়নি, সারা রাত লোকটির জামা কাপড় বুকে চেপে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠেছে কোই তখনো তো লোকটির বর্ষার হাত মাথায় পায়নি তাহলে সে কেন একাই এই লোকটির কথা মনে করে কাঁদবে, এই সব ভেবে ছোট করে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে আনেয়া খাবার টেবিলে বসবে ঠিক এমন সময় বাড়ির কলিং বেল বেজে ওঠে, আনেয়া ভ্রু যুগল কুঁচকে ঘড়ির দিকে তাকায় এই টাইমে তো কারো আসার কথা না তাহলে, একজন মেড দরজা খুলার জন্য এগিয়ে আসতে, আনেয়া হাত দিয়ে থামিয়ে দেয়, চেয়ার ঠেলে দরজার দিকে এগিয়ে যায়। দরজা খুলতেই অতি চিনা পরিচিত মুখাবয়ব দেখা যায় এতো দিন পর প্রহেল কে দেখে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারে না, কোন দিক না তাকিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রহেলের প্রস্তুত বুকে । প্রহেল এক হাত পিঠে রাখবে ঠিক তখনি আপে দাঁড়ানো মেয়েটি হাত চেপে ধরে, প্রহেল কে জড়িয়ে ধরতে না দেখে অবাক হয়ে আনেয়া বুক থেকে মাথা তুলে প্রশ্নবোধক চাহনিতে তাকিয়ে আছে,

____” ইউ ব্লাটি গার্লস কি করছো দূরে সরো কুইক আর এই ভাবে ওর বুকে ঝাঁপিয়ে পরছো কেন?
অচেনা মেয়েটির কথায় আনেয়া হতবঙ্গ হয়ে পাশে তাকায় প্রহেলের পাশে অন্য এক অতি সুন্দরী রমণী কে দেখে চিনতে না পারলেও তাঁর বুকের ভেতর কেমন ছ্যাত করে উঠলো এতক্ষণ সে এই মেয়েটি কে খেয়াল করেনি, কাঁপা কাঁপা গলায় প্রহেলের উদ্দেশ্য করে বলে।
___” এই মেয়েটি কে ট্যাটু’ওয়ালা ও আপার হাত ধরে পাশে দাঁড়িয়ে আছে কেন ___?
প্রহেল আনেয়ার দিকে নিজের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে স্বাভাবিক গলায় গভীর কন্ঠে বলে উঠে?
সি ইজ মাই নিউ গার্লফ্রেন্ড , সামনে থেকে সরো আমরা এখন টায়া?
প্রহেলের কথা শেষ হওয়ার আগে আনেয়া দুই হাতে প্রহেলের কলার চেপে ধরে বলে .

My Husband part 11+12

___ আর ইউ ম্যাড কি যা তা বলছেন ঘরে বউ রেখে এখন বলেন আপনার নিউ গার্লফ্রেন্ড মজা করছেন আপনি আমার সাথে?
ঠাস’ঠাস
” তীব্র ব্যাথায় ছিটকে নিচে পড়ে যায় আনেয়া , প্রহেল থাপ্পড় মেরেছে আনেয়া ছল’ছল চোখে তাকায় চোখ দুটো কেমন গোলা গোলা লাগছে?

My Husband part 15+16