My Husband part 21+22
সামহা সামি
প্রহেল দক্ষ হাতে আনেয়ার চিকন কমর চেপে নিজের কাছে!এনে ঠোঁটে,ঠোঁট মিলিয়ে দেয়, সময়ের সাথে সাথে প্রহেলের হাতের স্পর্শে কেঁপে কেঁপে উঠছে আনেয়ার ছোট শরীরটা? এতো দিনের রাগ অভিমান যেনো? একটু একটু করে গলে গলে পড়ছে? দিরে দিরে প্রহেলের হাত আনেয়ার! জামার চেইনে চলে যায়, আনেয়া বাঁধা দিতে চাইলে, আনেয়ার নরম ঠোঁট কামড়ে ধরে ব্যাথায় ছটফট করে উঠে আনেয়ার? প্রহেল সে দিকে ধ্যান , না দিয়ে, আনেয়াকে নিজের সাথে আরো চেপে ধরে, যেনো, যাচ্ছে নিজেদের মাঝে লুকিয়ে রাখবে, প্রহেল দির হাতে সাবধানতার সাথে আনেয়ার, জামা খুলে ফেলে,বুকের নরম অংশ খামচে ধরে, অভিমানী , আনেয়া প্রহেলের হাতের স্পর্শে নিজেও যেন, বাক্যকুল হাড়িয়ে মিশে যেতে চাচ্ছে? ঠোঁট ছেড়ে প্রহেল নেশালো কন্ঠে জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে বলে!
___’লোড বেশি পড়বে ছোট ফ্লাওয়ার! বাট পড়ে অনেক সুখ পাবে?তাই সোহয্য করে নিবে, মনে রেখো আমরা এখন, তোমাদের বাড়ি, এই রুম সাউন্ড’প্রুভ রুম নয়, তাই বেশি জোরে লাগলে, চেঁচামেচি করবে না,?
___” কথা শেষ করে প্রহেল আনেয়ার গলায় মুখ ডুবিয়ে দেয়, কিছুক্ষণ পর পর নির্মম ভাবে কামর বসিয়ে দিচ্ছে, ।
__* আ*হ্ -_ উ*ফ্ ,_ উঁহু?
আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন
প্রহেল হাসে, সেই প্রথম দিনের মত? মেয়েকি আছো তাঁর একটু স্পর্শেই খেয়েই হাড়িয়ে ফেলে? প্রহেল গলা থেকে বুকের কাছে এসে মুখ চেপে ধরে, জোরে নিঃশ্বাস টেনে নিচ্ছে, যেনো, কোন ক্ষুধার্ত বাচ্চা তাঁর,খাবার ফেয়ে, নিজের ধ্যান জ্ঞান সব হারিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে,? রাত গভীর থেকে গভীর হচ্ছে, কেউ সুখ কুঁড়াতে ব্যস্ত , কেউ বা অন্যকে সুখ দিতে ব্যস্ত! এই নির্মম পৃথিবী বড়া’বড়ি খুব নিষ্ঠুর, হয়তো কারো কাছে এই, পৃথিবীটা যেন একটা বুঝা, তেমনি কারো কাছে ভালোবাসায় মুড়া একটা স্বচ্ছ গেরা ফুটন্ত একটা গোলাপ, স্তব্ধ রাত, আনুমানিক ১২:১০বাজে , জঙ্গলের রাস্তা দিয়ে দুটো বাইক ছুটে চলেছে, চলেছে বলতে ভুল হবে, দেখে যেনো মনে হচ্ছে, নাগীন গানে বাইক কে নাচাচ্ছে! রিহান হাতে থাকা শেষ কোল ড্রিঙ্কসে , শেষ চুমুক দিয়ে ফেলে দেয়, সামনের দিকে তাকিয়ে,বাকিকের স্প্রিট বারিয়ে দিয়ে চেঁচিয়ে উঠে।
___”মুরগীর বাপ তোর হয়ে যাবে নাকি আস্তে যা বাপ,আস্তে,তুই ভুলে যাছ,না তুই মুরগীর বাপ, নাগীন,না,
“সাগর রিহানের কথায় বিদঘুটে হাসে, ঠেস মেরে বলে?
__:-রিহু বেবি কামন হয়ে যায় একটা উম উম, আমি দিবো নাগীন, আর রিহু বেবি দিবে, রিসিং,?
__”- মুরগীর বাপ ,বসের হাতে ক্কা ওয়ালা না, হতে চাইলে এখনো, ভালো হয়ে বাইক চালা, না হলে, নাগীন না, জাহান্নাম ঘুড়িয়ে আনবে?
পড় মুহূর্তে, একটু স্থির হয়ে বাইক চালাতে মনোযোগ দেয়, কিন্তু কথায় আছে না, সয়তান জখন নড়েচড়ে কুত্তাও তখন তাল গাছে, উঠে। তেমনি এই শব্দটা হয়তো কিছু মানুষের খ্যাতরে সঠিক উল্লেখ হয়, কিছু মুহূর্ত যেতেই, সাগর বাইক নিয়ে আঁকা বাঁকা করে চালাতে চালাতে, উঁচু শুরে গান ধরে?
” ধীরে ধীরে চালাও গাড়ি?
“মাথা ঠান্ডা করে?
” ৮০ বেশি তুললে গতি ?
” পড়বে গিয়ে খাদে?
” ধীরে ধীরে চালাও গাড়ি?
” ইঞ্জিল ভালো রবে?
“৮০ বেশি তুললে গতি?
“এক্সিডেন্ট হবে?
সাগর এমন আঁকা বাঁকা নাচ, শুরুতে , আর এখন এমন উদ্ভট গান, হো,হো,করে হেঁসে বলে রিহান হাঁসি কিছু টা চেপে, বলে?
“_ ইঞ্জিল না, মুরগীর বাপ, তোর এই নাগীনের মত বিশ্রী কমর টা গিয়ে পড়বে?
সাগর চোক মুখ কুঁচকে নাক শিট্রকে উঠে, এই সব ছাইপাশ কথায়, তাঁর কিছু হবে না, অন্য দিকে, রাত যতো গভীর থেকে গভীরতর হচ্ছে প্রহেলের বেসামাল হাতের স্পর্শে আনেয়া খেই হাড়াতে থাকে! রফিক সাহেব, হয়তো প্রহেলের এখানে আসা এই বিষয়ে অবগত না,! আনেয়া দুই হাত দিয়ে প্রহেলের মাথার ঘন চুল খামচে ধরে আছে, ? প্রহেল, বুক থেকে, মুখ তুলে নিচের দিকে নেমে আসে,!
__”আ*হ্, মেরে ফেলবেন নাকি আমায়?
__” হুঁশ তোমাকে মেরে ফেললে তো আমি নিজে,নিজেকে মেরে ফেলবো ছোট ফ্লাওয়ার,লিখবো তোমার হাতে আমি আমার মরণ?
__” আনেয়া মাতাল করা চাহনিতে তাকিয়ে আছে, মেলামেশা অবস্থায় , প্রহেল কখনো এমন, নেশালো কন্ঠে গান বলেনি? তাহলে আজ হঠাৎ করে লোকটা তাঁর জন্য গান বললো! এতো সুন্দর করে গান ও গাইতে পারে লোক, আনেয়ার চোখের পাতা খুলে রাখা অসম্ভব হয়ে আচ্ছে, দিরে দিরে ঠোঁট কামড়ে, চোখ বুজে ফেলে, থর’থর করে কাঁপছে বন্ধ চোখের পাতা, প্রহেল মাথা তুলে হাসে? ভালোবাসা আদান-প্রদান করে শেষ প্রহরে ক্লান্ত হয়ে প্রহেলের, উদাম , বক্ষে মাথা দিয়ে চোখ বন্ধ করে পড়ে আছে আনেয়ার?প্রহেল দির গতিতে,আনেয়ার চুলে কিস করে বিলি কাটতে থাকে! এই যে সে কত অভিমান নিয়ে বলেছিল, এই লোক যখন তাঁর সাথে, বেইমানি করছে, তখন সে কেন, আবার নির্লজ্জোর মত লোকটির সান্নিধ্যে যাবে! কিন্তু ভাগ্য সুপ্রসন্ন ঘুড়ে ফিরে সেই লোকটির সান্নিধ্যেই নিয়ে আসে! প্রহেল আস্তে করে, কোমল কন্ঠে ডেকে উঠে?
__” মাই ছোট ফ্লাওয়ার অভিমান করেছো আমার সাথে,কথা বলবে না ?
” আনেয়া নিশ্চুপ তাঁর ভাড়ি, ভাড়ি শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ শুনা যাচ্ছে! প্রহেল আবারো ডেকে উঠে?
__”কি হলো জান, এতোই অভিমানী আমার,ছোট ফ্লাওয়ার কই আমি তো তাঁর,এই রাগের সাথে পূর্ব পরিচিত নয় , ছোট ফ্লাওয়ার,এই ছোট ফ্লাওয়ার?
“_ উঁহু এই যে, তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত মানুষটি এতোটা আবেগ নিয়ে, কি সুন্দর করে ডাকছে, আর সে উত্তর না দিয়ে পারে! ছোট করে বলে?
“হুম ‘
“_জিজ্ঞেস করবে না, এতো দিন কেনো আসি নাই, কোথায় ছিলাম!
আনেয়া প্রহেলের প্রস্তুত বুক থেকে মুক তুলে, উল্টে সুয়ে বলে?
__”জানার প্রয়োজন মনে করছি না, ভালোই থাকবেন, আফটার অল নিউ পার্সন ফেলে?
আনেয়ার অভিমানী কথায় প্রহেল ক্ষিন , ঠোঁট প্রসারিত করে হাসে, পিছন থেকে আনেয়ার ,কমড় আরেকটু চেপে নিজেরের কাছে এনে, কানের কাছে ঠোঁট লাগিয়ে ফিসফিস করে বলে?
__” রাগ করবে অভিমান করবে আদর দিয়ে পুষিয়ে দিব! ইটস ওকে, বাট আমার থেকে দূরে যাওয়ার চিন্তাও মাথায় এনো না?
প্রহেলের কথা শেষ হতে আনেয়া প্রহেলের থেকে,নিজেকে ছাড়িয়ে ধাক্কা দিয়ে প্রহেল কে নিজের থেকে সরিয়ে, আধ শোয়া হয়ে, ব্ল্যাঙ্কেট দিয়ে উন্মুক্ত শরীর টা ঢেকে! চোখের পানি মুছে আহত কন্ঠ অথচ, চোখ মুখ শক্ত করে বলে।
“_ রাগ অভিমান করে যেনো আমি! আপনার সাথে থাকি, আর ইউ ক্রেজি ! আপনি আধো এটার যোগ্য?
প্রহেল কি বলবে বুঝতে পারছে না, এই মুহূর্তে আনেয়াকে শান্ত না করলে! উত্তেজিত হয়ে ভুল ভাল কিছু বলে ফেলবে। তখন দেখা যাবে রাগের মাথায়, অপ্রকাশিত প্রহেল ও কিছু করে ফেলবে, সব কিছু ভেবে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে, আনেয়া কে বুঝানোর চেষ্টা করে বলে?
“_ জান শান্ত হও আমার কথা টা একটু মন দিয়ে শুনো! তুমি যা দেখছো, যা শুনছো সব ভুলে আমার কথা টা শুনো?
আনেয়া তেতে উঠে! রাগে ক্ষোভে ফুঁসছে সে! কি শান্ত হবে সে।আজ এই লোকের এক দিন কি, আনেয়ার দাঁত কির’মির করে উঠা কন্ঠে বলে?
“_ আমি শান্ত হবো না ! আগে বলেন ওই মেয়ের সাথে আপনার কি সম্পর্ক?
আনেয়ার এঁকের পর এক কথায়, প্রহেল নিজের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙ্গছে , তবুও নরম কন্ঠে বলে?
“_ ফ্রান্সিকার সাথে আমার কোন রুপ সম্পর্ক নেই ছোট ফ্লাওয়ার, জাস্ট কিছু ভুলের ক্রাইম দ্যাট সেড?
আনেয়া এতে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে, প্রহেলের উন্মুক্ত কাঁধে চেপে ধরে, রাগে শিহরিত হয়ে,নিজের অজান্তেই একটা একটা তিক্ত কথা বেড়িয়ে আসে?
“- একজনের শরীরের মোহ কাটতে না কাটতে,অন্য কারো মোহে পড়ে যাওয়া চরিত্রহীন পুরুষ, আপনাকে নয় আপনি’ময়? গোটা একটা মানুষের স্পর্শে কে আমি ঘৃণা করি?
প্রহেল,এবার আর নিজের রাগ কন্ট্রোল করতে পারে না! ঠাস করে থাপ্পড় বসিয়ে দেয়, আনেয়ার গলা চেপে দাঁতে দাঁত চেপে বলে?
” চুপ আর একটাও কথা বলবি না তুই, এতো দিনে এই চিনলি তুই আমায়! আমার চরিত্রের উপর তকমা দিতেও কোন দ্বিধাবোধ করলি না মা**গি রাত দিন এক করে তোর পিছনে পড়ে থাকা আর তুই আমাকে লম্পট বানিয়ে দিলি?
জোরে গলা চেপে ধরায় আনেয়ার শ্বাস কষ্ট হচ্ছে, কিন্তু প্রহেলের সে দিকে লক্ষ্য নেই? সাঁড়া রাস্তা দু’জনে মজা মাছতি করে, কেবল বাড়ি ফিরে সাগর,রিহান, ধপ করে সোফায় বসে পড়ে? সাগর বিদঘুটে চেহারা বানিয়ে ইনোসেন ফেস বানিয়ে বলে?
“:- রিহু বেবি আমার ক্লান্ত লাগছে, তুমি কি কষ্ট করে একটু আমায় উপড়ে নিয়ে যাবে?
রিহান সাথে সাথে ছিটকে কিছু টা দূরে দাঁড়িয়ে পড়ে, বিরক্ত ও ক্লান্ত হয়ে আসা মুখে বলে।
__” দেখ মুরগীর বাপ আমি এখন টায়াড সো, কোন পেছাল করবি না, তুই কি আমার বউ যে তোকে কোলে নিব, রাবিশ?
সাগর যেনো আর মজা ফেল, গালে হাত দিয়ে ভাবন্ত হয়ে বলে?
“-: আসলেই তো রিহু বেবি আমি তোমার বউ হলে কি তুমি আমাকে, কোলে নিতে, চলো রিহু বেবি আমরা আজ এই বিয়ে করে ফেলি?
রিহান কে আর ,পায় কে, পায়ে থাকা জুতা সাগরের উপরে ছুঁড়ে সিঁড়ি দিয়ে নিজের রুমের দিকে দৌড়,যেতে যেতে হাত উঠিয়ে বলে?
“_ মুরগীর বাপ তোর কি আমার সিস্টেমের উপর কোন সন্দেহ আছে।
“_ চেক না করলে বুঝবো কি করে রিহু বেবি, আসো আমি চেক করছি ভবিষ্যৎ ভাবির সম্পদ বলে কথা, আমার একটা দায়িত্ব আছে না?
কথা বলতে বলতে,হেসে গড়াগড়ি খাওয়ার মত অবস্থা সাগরের?নিজেও উঠে রুমে চলে যায়। আনেয়ার চোখ অস্বাভাবিক বড় বড় করে? নিঃশ্বাস নিতে দেখে প্রহেল নিজের দরে রাখা হাতের বাঁধন হালকা করে দেয়? আনেয়া হুড়মুড়িয়ে প্রহেলের উন্মুক্ত বুকের মাঝে পড়ে! বন্ধ চোখের পাতা গলিয়ে পানি পড়ছে, প্রহেল তপ্ত স্বাঃস ফেলে বলে?
“_ আমরা যে দিন কক্সবাজার থেকে ঢাকা আসি তাঁর আগের রাতে, রনির কিছু লোক মিলে আমার, লন্ডনের ফ্যাক্টরিতে আগুন লাগিয়ে দেয়, খবর পেয়ে আমাকে লন্ডনে ব্যাক করতে হয়েছে। পেয়েছো তুমার উত্তর?
আনেয়া এতেও ক্ষান্ত হয় না জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিচ্ছে ভাঙ্গা ভাঙ্গা কন্ঠে বলে?
“_ তাহলে ওই ফ্রান্সিকা নামের মেয়েটি যাকে আপনি আপনার গার্লফ্রেন্ড বলে পরিচয় দিছেন ওঠা কি হ্যাঁ?
প্রহেল ক্ষুদ্র হাসে হাড়ানোর ভয় যেখানে নেই,সেখানে কখনো ভালোবাসা নামক সুন্দর একটা স্থান হয় না, শরীরের স্বাদ ক্ষণিক সময়ের জন্য হলেও! ভালোবাসা সাঁড়া জীবনের জন্য হোক, প্রহেল দির হাতে আনেয়ার উসকো খুসকো চুলের মাঝে হাত গলিয়ে দেয়, বিলি কাটতে কাটতে বলে?
“_ আমি যখন লন্ডনের ফ্যাক্টরি দেখে আমার ফ্ল্যাটে যাই, তখন কিছু পুড়নো ক্লায়েন্টের সাথে দেখা হয়! অনেক দিন পর দেখা হওয়া আমরা মূলত একটা বাড়ে গিয়ে বসি? সম্ভবত কেউ ওই বাড়ের লোক রনির টাকায় কি-না লোক ছিল!তখন আমার জোসে কেউ ড্রাগ দিয়ে দেয়!
প্রহেল এক ধমে কথা গুলো বলে থামে, আনেয়া প্রহেলের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে! প্রহেল আবারো বলতে সুরু করে?
“_ অতিরিক্ত ড্রাগের কারণে আমি সেই রাতে নিজের মাঝে ছিলাম না! আর এটার সুযোগই নাই রনি, ওঁরা অদের প্ল্যান মোতাবেক ফ্রান্সিকাকে আমার রুমে পাঠিয়ে দেয়! সেই দিনের কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত পিক তুলে তোমাকে ওই দিন পার্সেল করে পাঠায়,আর,এটাই হয় আমার জন্য খুব খারাপ একটা জিনিস একটুও আমার উপর বর্ষা রাখতে পারলে না এই তোমার বিশ্বাস।
আনেয়া ডুকরে কেঁদে ওঠে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে প্রহেলের বাহু ধরে বলে
My Husband part 19+20
“_ আ’আমি স”সরি আমি জানতাম না এতো কিছু হয়েছে আপনি আত্মায় মাপ করে দেন?
আনেয়া অনুতাপে ডুকরে কাঁদতে থাকে!প্রহেল আনেয়াকে শান্ত করতে ঠোঁটে ঠোঁট চেপে ধরে?
