তোমাকে ঘিরে আমার অনুভূতি পর্ব ৬ || Anika Fahmida

1844

তোমাকে ঘিরে আমার অনুভূতি পর্ব ৬
Anika Fahmida

আদ্র কিছুটা ঘাবড়ে গেল। আদ্র যে অনুর ঠোঁটের এই অবস্থা করেছে তাতো অনুর মাকে কিছুতেই বলতে পারবে না। আদ্র কিছুটা ভেবে স্বাভাবিক স্বরে আমেনা বেগমকে বলল,
–আসলে খালামনি বৃষ্টি শেষে রাস্তা খুব পিচ্ছিল হয়ে ছিল। সেই রাস্তা দিয়েই আমি আর অনু হেঁটে আসছিলাম। তখনই অনু হুট করেই পা পিছলে একটা ইটের উপর পড়ে যায়। সেই ইটে লেগেই অনুর ঠোঁট কেটে এই অবস্থা হয়।
আদ্রের কথা শুনে আমেনা বেগম ভয় পেয়ে বলল,
–আমার মেয়েটা শেষে কিনা ইটের উপর পড়ে এই অবস্থা হলো! আমি এখনই ঔষধ নিয়ে আসছি।
আমেনা বেগম রুম থেকে বেরিয়ে গেল। আদ্র দীর্ঘশ্বাস ফেলে অনুর বিছানার পাশের এক কোণায় বসল। আদ্রের জামা বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ায় অনুর বাবার দেওয়া একটি জামা আদ্র এখন পড়ে আছে। অনু চোখ বন্ধ করে আছে। অনু হয়তো গভীর ঘুমিয়ে পড়েছে। আদ্র অনুর দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। আদ্র অনুর দিকে তাকিয়েই মনে মনে বলল,

–আমি হয়তো আজ বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলেছি। অনুর সাথে এমনটা করা ঠিক হয় নি।
আদ্র হাত বাড়িয়ে অনুর ঠোঁটে হাত ছুঁয়ে দেখল সত্যি ঠোঁট কিছুটা কেটে গিয়ে ফুলে গেছে। আদ্র অনুর ঠোঁট থেকে হাত সরিয়ে অনুর বিপরীত দিকে ঘুরে বসল। বেশিক্ষণ অনুর দিকে তাকানো একদম চলবে না। আবার ভয়ংকর কিছু করার ইচ্ছে আদ্রের মনে জাগবে যা আদ্র চায় না। অনুর মা হাতে ঔষধ নিয়ে রুমে আসে অনুকে খাইয়ে দেওয়ার জন্য। আদ্র অনুর মাকে বলল,
–খালামনি তুমি নিজের ঘরে গিয়ে বিশ্রাম নেও। আমি অনুকে ঔষধ খাইয়ে দিচ্ছি।
অনুর মা মন খারাপ করে আদ্রকে বলল,
–আচ্ছা ঠিক আছে আদ্র বাবা। অনুকে ঔষধ খাইয়ে ওর একটু খেয়াল রেখো। আর তুমিও তারপরে গেস্ট রুমে গিয়ে শুয়ে পড়ো।
আদ্র মুচকি হেসে আমেনা বেগমকে বলল,
–ঠিক আছে খালামনি।
আমেনা বেগম ঔষধ টেবিলে রেখে রুম থেকে চলে গেল। আদ্র এবার গ্লাসে পানি ভর্তি করে নিয়ে এসে অনুর মুখে হাত দিয়ে ছিটাতে লাগল। অনুর মুখে পানি পড়াতে অনু চোখ খুলে তাড়াতাড়ি উঠে বসল। অনুর মাথা প্রচন্ড ব্যথা করতে লাগল। নিজের মাথায় হাত দিয়ে অনু চারিপাশে দেখে বুঝল অনু নিজের বাসায় আছে। নিজের সামনে তাকিয়ে আদ্রকে দেখে অনু ভয়ে পিছিয়ে গেল। অনু ভয়ে কাঁপা কাঁপা গলায় বলল,

আরও গল্প পরতে ভিজিট করুন

–আদ্র ভাইয়া তুমি এখানে?
আদ্র অনুর দিকে তাকিয়ে বলল,
–আজকে আমি তোর রুমেই থাকব। কেন আমাকে তুই ভয় পাচ্ছিস?
অনু শুকনো ঢুক গিলে আদ্রকে বলল,
–না ভয় পাবো কেন? আমি তোমাকে ভয় পাই না।
মুখে ভয় পাই না বললেও তখন বৃষ্টির সময় ঐ মুহুর্তে আদ্র অনুকে কাছে টেনে গভীর চুমু দিয়ে ঠোঁটে কেটে রক্ত আনার দৃশ্য অনুর মনে পড়ে যায়। মনে পড়তেই অনু ভয় পেয়ে চোখ বন্ধ করে ফেলে।
আদ্র টেবিল থেকে ঔষধ নিয়ে এসে অনুর পাশে বসে অনুর দিকে তাকিয়ে বলল,
–তোকে ঔষধ খেতে হবে। এখন হা কর।
অনু বারণ করল না। হা করে আদ্রের হাত থেকে ঔষধ খেয়ে নিল। তারপর আদ্র অনুকে পানি খাইয়ে দিল।
অনু আদ্রের দিকে তাকিয়ে আছে। আদ্র নিজের হাতে করে তুলায় স্যাভলন দিয়ে অনুর ঠোঁটের কাটা জায়গায় লাগাতে লাগল। অনু ব্যথায় আহ্ করে উঠল। অনু ঠোঁটে হাত দিয়ে আদ্রকে বলল,
–এটা ঠোঁটে আর লাগিও না। খুব জ্বলছে।
আদ্র অনুর কথা শুনে অনুর ঠোঁটে আর স্যাভলন লাগালো না। আদ্রের বাসায় অনু যখন গিয়েছিল তখন আদ্রের মা রেহেনা পারভিন জোর করে অনুকে খাবার খাইয়ে দিয়েছিল তাই অনুর এখন খিদে নেই। আদ্র হঠাৎ বিছানা থেকে উঠে অনুর রুম থেকে চলে গেল। অনু বুঝতে পারল না আদ্র কোথায় গেল আবার। কিছুক্ষণ পর আদ্র গ্লাসে করে হাতে গরম দুধ নিয়ে আসল। অনুর দুধ খেতে ভালো লাগে না। অনু ভয় পেয়ে আদ্রকে বলল,

–আদ্র ভাইয়া এই দুধ বুঝি তুমি খাবে?
আদ্র অনুর দিকে তাকিয়ে গম্ভীর স্বরে বলল,
–আমি খাবো না। এই দুধ এখন তোকে খেতে হবে।
অনু ভয় পাওয়া স্বরে আদ্রকে বলল,
–আমি দুধ খাবো না। আমার খিদে নেই।
–তোর খিদে না থাকলেও এখন তোকে দুধ খেতেই হবে।
আদ্র নিজের হাতে অনুকে জোর করে দুধ খাইয়ে দিল। অনু খেতে না চাইলেও কষ্ট করে খেয়ে নিল। তারপর আদ্র অনুর পাশে বসে অনুর দিকে তাকিয়ে রইল অপলক দৃষ্টিতে। আদ্রকে চোখের সামনে নিজের রুমে এতো রাতে দেখে অনুর বুকের ভিতর ভয় লাগছে। আদ্র বুঝতে পারল অনু ভয় পাচ্ছে। তাই আদ্র অনুর বিছানা ছেড়ে সোফায় বসে পড়ল। অনু কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে আদ্রকে বলল,
–ঐসময় আমার সাথে এমন করলে কেন আদ্র ভাইয়া?
আদ্র ফোন টিপছিল। অনুর কথা শুনে আদ্র অনুর দিকে তাকিয়ে বলল,
–কোন সময় তোর সাথে আমি কি করলাম?
অনু গম্ভীর স্বরে আদ্রকে বলল,
–তুমি ভালো করেই জানো আমি কি বলতে চাইছি।

অনু নিজের ঠোঁটে হাত দিয়ে আদ্রের দিকে তাকিয়ে আছে। আদ্র চোখ বন্ধ করে নিজের রাগ কমানোর চেষ্টা করছে। অনুর কথায় আদ্রের রাগ বেশি হচ্ছে। অনু যে তখন বৃষ্টির সময় অনুর ঠোঁটে আদ্রের চুমু দেওয়ার কথা জিজ্ঞেস করছে তা আদ্র বুঝতে পারছে। আদ্র রেগে অনুকে বলল,
–এসব কথা বন্ধ করে চুপচাপ ঘুমিয়ে পড় অনু।
আদ্র রেগে গেছে বুঝতে পেরে অনু বিছানায় শুয়ে পড়ল। অনু নিজের চোখ অনেক্ষণ বন্ধ করে রাখল কিন্তু ঘুম আসছে না। অনু চোখ খুলে আদ্রকে বলল,
–আদ্র ভাইয়া তুমি ঘুমাবে না?
আদ্র গম্ভীর স্বরে অনুকে বলল,
–না। ঘুম আসছে না।
অনু শুয়া থেকে উঠে বসে মন খারাপ করে বলল,
–আমারও ঘুম আসছে না।
আদ্র শান্ত স্বরে বলল,
–ঘুমানোর চেষ্টা কর। ঘুম চলে আসবে।
অনু বিরক্ত স্বরে বলল,
–আমি অনেক চেষ্টা করেছি ঘুমানোর কিন্তু কিছুতেই ঘুম আসছে না।
অনু বিছানা থেকে উঠে এসে আদ্রের পাশে সোফায় বসল। তারপর আদ্রের বুকে মাথা রাখল। আদ্র অনুর কাজে অবাক হলো।আদ্র অনুকে বলল,
–তুই তো আমাকে ভয় পাচ্ছিলি। এখন আবার আমার কাছে এসেছিস কেন?
অনু চোখ বন্ধ করে আদ্রকে বলল,

–মনে হলো তোমার বুকে মাথা রেখে ঘুমালে আমার ঘুম চলে আসবে। একটু ঘুমাতে দাও প্লিজ।
আদ্র অনুর কথায় মুচকি হাসল। আদ্র অনুকে একহাতে জড়িয়ে ধরে অনুর মাথায় হাত বুলাতে লাগল। একটু পর ঠিকই অনু আদ্রের বুকে ঘুমিয়ে পড়ল। আদ্র বুঝতে পারল অনু ঘুমিয়ে পড়েছে। তাই আদ্র অনুকে কোলে তুলে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিল। অনুর নিষ্পাপ মুখের দিকে আদ্র কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল। আদ্রেরও খুব ঘুম পাচ্ছে কিন্তু কেন যেন অনুকে ছেড়ে অন্য রুমে যেতে ইচ্ছা করছে না। তাই আদ্র অনুর বিছানার পাশে বসে রইল। আদ্র না ঘুমিয়েই অনুর দিকে তাকিয়ে রইল।
সকাল হয়ে গেছে। অনুর ঘুম ভেঙে যায়। অনু চোখ খুলে দেখে সে বিছানায় শুয়ে আছে। অনু মনে মনে বলল,
–আমি তো সোফায় আদ্র ভাইয়ার কাছে শুয়ে ছিলাম। তাহলে আমি বিছানায় এলাম কি করে?
অনু আশেপাশে তাকিয়ে আদ্রকে খুঁজতে লাগল কিন্তু আদ্রকে দেখতে পেল না। বিছানা থেকে উঠে অনু ড্রইং রুমে চলে যায়। অনুর মা রান্নাঘরে রান্না করছে। অনু আমেনা বেগমকে জিজ্ঞেস করল,

–আম্মু আদ্র ভাইয়া কোথায়?
আমেনা বেগম অনুকে বলল,
–আদ্র নিজের বাসায় চলে গেছে অনু।
অনু মন খারাপ করে নিজের রুমে আবারও চলে গেল।
মনে মনে অনু বলল,
–আদ্র ভাইয়া তুমি চলে গেলে। আমার কিছু ভালো লাগছে না৷ তুমি তো আমাকে পড়াতেও আসো না। এখন নিজের কাছেই খারাপ লাগছে। কেন যে ঠিকমতো পড়তাম না। ঠিকমতো পড়লে হয়তো আদ্র ভাইয়া আমাকে পড়াতে আসতো।
এভাবে বেশ কয়েকদিন চলে গেল। অনুর বাসায় আদ্র আর আসে না। আদ্র না আসায় অনুর কাছে কিছু ভালোও লাগছে না। আদ্র অনুর বাসায় আসে না দেখে অনুও আর আদ্রের বাসায় যায় না।
অনুর কলেজ ছুটি হলে অনু রাস্তা দিয়ে হাঁটছিল। হঠাৎ কলেজের রাস্তার একপাশে আদ্রকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে অনু অবাক হলো। পরমুহূর্তেই অনু খুশি হয়ে দৌড়ে চলে গেল আদ্রের কাছে। অনু হাসিমুখে আদ্রকে জিজ্ঞেস করল,
–আদ্র ভাইয়া তুমি এখানে কি করো?
আদ্র অনুর দিকে তাকিয়ে বলল,
–মন চাইলো তাই আসলাম।
অনু আদ্রকে বলল,
–আমাকে দেখতে এসেছো?
আদ্র রাগী স্বরে অনুকে বলল,
–আমি কি বলেছি যে তোকে আমি দেখতে এসেছি?
আদ্রের কথায় অনু মন খারাপ করে বলল,

–সরি আদ্র ভাইয়া। আমার মনে হয়েছিল হয়তো তুমি আমাকে দেখার জন্য এখানে এসেছো।
–তুই কি কোনো দেখার বস্তু যে তোকে দেখতে হবে?
আদ্রের কথায় অনুর এবার খুব রাগ হচ্ছে। অনু রেগে আদ্রের সামনে থেকে চলে যেতে লাগল ঠিক তখনই অনুর হাত আদ্র চেপে ধরল। অনু বিরক্ত হয়ে বলল,
–সমস্যা কি তোমার আদ্র ভাইয়া? আমার হাত ধরেছো কেন? তুমি তো আর এখানে আমাকে দেখতে আসো নি। আর তুমি তো ঠিকই বলেছো আমি দেখার কোনো বস্তুু না। আমার হাত ছাড়ো।
আদ্র অনুর দিকে তাকিয়ে বলল,
–তুই দেখার মতো বস্তুু না হলেও তুই দেখার মতো প্রাণী।
অনু বুঝতে না পেরে আদ্রকে বলল,
–মানে কি? বুঝলাম না।
–তোকে বুঝার লাগবে না। আইসক্রিম খাবি?
আইসক্রিম খাওয়ার কথা শুনে অনুর রাগ চলে গেল। অনু খুশি হয়ে আদ্রকে বলল,
–হ্যা আদ্র ভাইয়া আমি আইসক্রিম খাবো।
আদ্র মুচকি হেসে বলল,
–তাহলে চল।

আদ্র দোকান থেকে অনুকে আইসক্রিম কিনে দিল৷ অনু আইসক্রিম খেতে লাগল।অনু আইসক্রিম খাচ্ছে তখনই অনুর মুখের চারিপাশে আইসক্রিম লেগে যাচ্ছে। অনু মুখ থেকে আইসক্রিম মুছে নিলেও আইসক্রিম খাওয়ার সময় আবারও মুখে আইসক্রিম লেগে যাচ্ছে। মুখে বার বার আইসক্রিম লেগে যাওয়াতে অনু বিরক্ত হচ্ছে৷ আদ্র অনুর কান্ড দেখে শব্দ করে হেসে ফেলল। অনু আদ্রের দিকে তাকিয়ে আদ্রের হাসি দেখে ভালো লাগলেও পরে আবার মন খারাপ করে বলল,
–আমার মুখে আইসক্রিম বার বার লেগে যাওয়াতে তুমি হাসছো আদ্র ভাইয়া?
আদ্র হেসে বলল,
–আইসক্রিম খাচ্ছিস খা। কিন্তু মুখ এতোবার মুছে নেওয়ার কি আছে?
অনু আদ্রকে বলল,
–রাস্তায় কত মানুষ দেখেছো আদ্র ভাইয়া? আমার মুখে আইসক্রিম লেগে এমন দশা দেখে সবাই হাসবে না?
–সবাই কি তোর মতো বলদ নাকি অনু? যারা বলদ তারা হাসবে। যারা বুদ্ধিমান তারা হাসবে না।
অনু মন খারাপ করে আদ্রকে বলল,
–তুমি আমাকে বলদ বললে আদ্র ভাইয়া?
আদ্র অনুর দিকে তাকিয়ে বলল,
–বলদ নয় তো কি?তোর মনে হয় তুই অনেক চালাক?
অনুর রাগ হলো। আদ্রের হাতে আইসক্রিম ধরিয়ে দিয়ে অনু বলল,
–আমি আর আইসক্রিম খাবো না।
আদ্র রাগী স্বরে অনুকে বলল,
–আমি কি এখন আইসক্রিমটা ফেলে দিবো?
অনু অন্যদিকে তাকিয়ে আদ্রকে বলল,
–তোমার ইচ্ছে হলে ফেলে দাও।

তোমাকে ঘিরে আমার অনুভূতি পর্ব ৫

আদ্র অনুর দিকে একবার রাগী দৃষ্টিতে তাকিয়ে নিজেই অনুর অবশিষ্ট আইসক্রিম খেতে লাগল। আদ্র অনুর আইসক্রিম খাচ্ছে দেখে অনু অবাক হয়ে বলল,
–আদ্র ভাইয়া এই আইসক্রিম তো আমি খেয়েছি। আইসক্রিমটা তো এঁটো হয়ে গেছে। তাহলে আমার এঁটো হয়ে যাওয়া আইসক্রিম তুমি কেন খাচ্ছো?
আদ্র আইসক্রিম খেতে খেতেই অনুকে বলল,
–তোর কাছে আমি কিছু জানতে চেয়েছি? তাহলে বেশি কথা বলছিস কেন? চুপ করে থাক।
আদ্রের কথা শুনে অনু চুপ করে রইল। অনু আদ্রের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে আদ্রের আইসক্রিম খাওয়া দেখছে। আদ্রের মুখে তো একটুও আইসক্রিম লাগছে না। অনু মনে মনে বলল,
–আদ্র ভাইয়া এতো সুন্দর করে আইসক্রিম খায় কি করে?একটুও তো মুখের আশেপাশে লাগছে না। আর আমি খেলেই মুখের চারিপাশে মানচিত্র এঁকে যায়।
আদ্র নিজের করে অনুর কলেজের সামনে এসেছিল। তাই আদ্র অনুকে নিজের গাড়ি দিয়ে ড্রাইভ করে বাসায় পৌঁছে দিয়ে চলে যায়। অনু একবার পেছন ফিরল আদ্রকে দেখার জন্য কিন্তু আদ্র তো চলে গেছে। দীর্ঘ শ্বাস ফেলে অনু বাসায় চলে গেল।

আদ্র গাড়ি ড্রাইভ করছে আর অনুর কথা ভাবছে। এখনও অনুর কথা ভেবে আদ্র মুচকি হাসছে। আদ্র মনে মনে বলল,
–তোর বাচ্চামিতে আমার একটুও বিরক্ত লাগে না অনু। কেন জানি না আমার খুব ভালো লাগে তোর বাচ্চামোগুলো। ইউ আর রিয়েলি এ্যা কিউট গার্ল অনু।

তোমাকে ঘিরে আমার অনুভূতি পর্ব ৭