Home Vilen vilen part 6

vilen part 6

vilen part 6
আনু

সে আর কিছু না ভেবে ঐখান থেকে দুইটি ট্যাবলেট নিয়ে নে সেগুলো খুবই পাওয়ারফুল ট্যাবলেট ছিল পিছনে যাওয়ার জন্য রওনা হয় তখনই নিলয় বলে ওঠে,
নিলয় : কোথায় যাচ্ছো? তুমি
রোজি : ক কই একটু কিচেনে যাচ্ছি কফি খাব। এখন কী কফি ও খেতে পারবো নাহ?
নিলয় : যাও, আমি তা বলেছি নাকি আমার যা আছে সব তো তোমারই তোমার যা ইচ্ছা তাই করো শুধু আমার সাথে থেকে যেও!
রোজার কিছু না ভেবেই কিচেনে গিয়ে দুই কাপ কফি বানায় নিলয়ের কাপে সে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয় প্রায় দুইটি।
রোজি কাপগুলো গিয়ে নিলয়ের সামনে রাখে। তবে রোজি খেয়াল করেন নিলয় তার কাপ নিয়ে নিচ্ছে এটা দেখে একটু রোজি হঠাৎ চিৎকার করে নীলাকে জড়িয়ে ধরে। নিলয় ভর্কে গিয়ে কি হল সে তাড়াতাড়ি কাপটা রেখে রোজিকে কোলে তুলে নেয়।

নিলয় : কি হয়েছে এমন করছ কেন?
রোজি : তেলাপোকা!!!! তেলাপোকা!!!! তেলাপোকা!!!!! ওটাকে সরান!!!!!ওটা ওটা ওটাকে সরান!!!! আমি ওটাকে খুবই ভয় পাই!!! আআআআ!!!!
নিলয় নিচে তাকিয়ে দেখে কোন কিছুই নেই।সে রুজিতে আশ্বাসের সরে বল,
নিলয় : রোজ এখানে কিছুই নেই তুমি শুধু শুধু ভয় পাচ্ছ নিচে নামো কফি ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে।তুমি আগেই বলতে পারতে যে আমার কোলে চড়তে চাও বাহানা দেয়ার কি ছিল!
রোজি : বাহানা না ছাই!!!আপনার কোলে কে উঠতে চায় এটা বলে রোজি তাড়াতাড়ি করে নিলয়ের কাপটা উঠিয়ে নেয় আর ঘুমের ওষুধ মেশানো কাপটা নিলয় এর সামনে রাখে যেনো নিলয় ওটা নিয়ে খাওয়া শুরু করে।
রোজি ভেবেছিল তাই হলো নিলয় ঘুমের ওষুধ মেশানো কাপটাই নিয়ে নেয় এবং কফি খাওয়া শুরু করে।
কিছুক্ষণ পরে নিলয়ের চোখে ঘুম এসে পড়ে নিলা ঘুমিয়ে পড়ে।

আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন

রোজের সুযোগে বাসা থেকে বেরিয়ে দেখে বাহিরে অনেক গার্ড সেখান থেকে যেতে পারবেনা তাই সে পিছনের গেট দিয়ে বের হবার চেষ্টা করে। কারণ সে মুভিতে দেখেছে বড় বড় বাড়িতে বড় বড় ডুপ্লেক্স বাড়িতে সামনে ও পেছনে দুই দিকেই গেইট থাকে মাঝে মাঝে পকেট গেইটে থাকে!
রোজি পেছনের গেটে গিয়ে দেখল ওইখানে গার্ড খুবই কম সে ওখান থেকে যেতে পারবে না কারণ তারা তাকে ধরে ফেলবে।
রোজিব বুদ্ধি করে একটা ইটের টুকরা নেয় সেটা সামনের গেটে খুবই জোরে ছুড়ে মারে গেটটা লোহার হয় প্রচন্ড শব্দে গার্ডরা সেখানে দৌড় দেয়।
এই সুযোগে রোজি সেখান থেকে বেরিয়ে আসে পেছনের গেট দিয়ে।
এদিকে নিলয় ঘুম কারণ মেডিসিন গুলো খুবই পাওয়ারের ছিল একটা খেলে মানুষ সারারাত দিন ঘুমায় এদিকে তাকে রোজি দুইটি খাইয়ে দিয়েছে।

রোজি বাসা থেকে বের হয়ে প্রাণপণে ছুটছে। সে তার বাড়ির কাছে গিয়ে থামে। তবে তার বাবা তাকে বাসায় ঢুকতে দেয় না রোজি বাইরে থেকে চিৎকার করে বাবাকে বলতে থাকে,
রোজি :বাবা ও বাবা বাবা তুমি যানো নাহ? আমি কেমন ওই লোক আমাকে জোর করে তুলে এই কাজ করেছে বাবা তুমি বিশ্বাস করো!!!বাবা তুমি এটা ও যানো আমি মিথ্যে বলি না বাবা আমায় ভেতরে নেও আমি ওই লোককে ঘুমের ঔষধ খায়িয়েছি যেনো পালিয়ে আসতে পারি! আমাকে ভেতরে নেও ঐই লোক আমাকে যে কোনো সময় এসে নিয়ে চলে যাবে বাবা ও বাবা ও মা মা ও মা বাবাকে বুঝাও !!!
রোজির বাবা রোজিকে খুবই ভালোবাসেন রোজির এই আর্তনাদে রোজিকে সে বাড়িতে নিয়ে আসেন রোজি তাদেরকে সকল কিছু ভেঙ্গে বলে তবে সেই রাতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা তাদের বলতে পারে না লজ্জায়।
তার বাবা সকল কিছু শুনে এবং রোজিকে মাফ করে দেয় কারন তার মেয়ের এখানে কোথাও কোন ভুল নেই।
রোজি খুশি মনে উপরে ঘুমিয়ে পড়ে । কারন সে খুবই ক্লান্ত।
নিলয়ের ঘুম ভাঙ্গে ঘুমের ওষুধের পাওয়ার শেষ হওয়ার পর নিলয়ের ঘুম ভাঙ্গে সে ঘুমো ঘুমো চোখে ডুলে উঠে বসে

এবং আশেপাশের রোজিকে খুঁজতে থাকে।
কিন্তু রোজিত এখানে নিলয় সারা বাড়ি খুঁজে কিন্তু রোজিকে কোথাও পায়না। সে বুঝে যায় রোজি পালিয়েছে।
সিসিসিটা ক্যামেরা চেক করে সে দেখতে পায় রোজি কী নিখুঁত বুদ্ধির মাধ্যমে এখান থেকে পালিয়েছে কারণ তার সাম্রাজ্য থেকে পালিয়ে যাওয়া অসম্ভব!
পালিয়ে গেলো রোজি!
নিলয় : রোজ পালিয়ে যাবে কোথায় তোমায় আমি পাতাল থেকে টেনে হিচরে নিয়ে আসবে!!!
নীলয় দ্রুত গাড়ি নিয়ে রওনা করার রোজির বাসার উদ্দেশ্যে কারণ রোজী বাসা ছাড়া কোথাও যাবেনা।
নিলয় : এই মেয়ে কে আজ আমি মেরে আমি নিজেও মরবো!!ওকে আমার খারাপ রুপ দেখাতেই হবে!!!মেয়েটার দিকে তাকালেই আমার সব রাগ উধাও হয়ে যায়।কিন্তু তাও আমি যে আজ ওকে কী করবো!!!
নিলয় রোজির বাসায় যেই না ঢুকতে যাবে তখন রোজির বাবা তাকে বাধা দেয় তার মেয়েকে সে নিয়ে যেতে দিবে না।
কিন্তু নিলয় রোজির বাবাকে বলে,

নিলয় : দেখুন বাবা আমি রোজেকে খুব ভালোবাসি আমি ওকে ছাড়া বাঁচবো না আমার বাবা-মা নেই আমি অনাথ। আমার জন্য রোজের কষ্ট হবে আমি এমন কোন কাজ করবো না আমি ওকে খুশি রাখবো কিন্তু আমি আমার রাগের কাছে হেরে যাই রোজের কিছু ভুলের কারণে আমি রোজেকে কিছু শাস্তি দিয়েছি।
রোজির বাবা কিছুটা শান্ত হন তবে বলেন,
রোজির বাবা : তুমি আমার মান-সম্মান সব নষ্ট করে দিয়েছ।
নিলয় দ্রুত রোজির বাবার পায়ে পড়ে। কারণ নিলয় রোজির বাবাকে আর মা কে তার বাবা মায়ের মত দেখে বড়দের খুব বেশি সম্মান করে। আর বলতে থাকে,

নিলয় : বাবা আমি আপনার ছেলের মত আমাকে মাফ করে দিন আমি খুবই রেগে ছিলাম কারণ আমি আপনার মেয়েকে খুবই ভালোবাসি। আমি চাইনা আপনাদের কষ্ট দিয়ে আপনার মেয়েকে নিয়ে যেতে আমি আপনার স্বইচ্ছায় আপনার মেয়েকে নিয়ে যেতে চাই!! আমাকে দয়া করে বাবা আপনি নিরাশ করবেন না।
এটা বলে নিলয় রোজির মায়ের কাছে যায় আর বলে,
নিলয় : মা ও মা আমার মা নেই সে ছোটবেলায় আমার মা মারা গিয়েছে আমার বাবাও নেই আপনার একটা ছেলে থাকলে আপনারা আপনার ছেলের আত্মার পূরণ করতেন না দয়া করে আমার কাছ থেকে আপনার মেয়েকে আলাদা করবেন আমি বাঁচবো না! আমার ভুলগুলোকে একবার মাফ করে দেওয়া যায় না।
নিলয়ের এমন আর্তনাথএ শুনে রোজির মা বাবা দুজনে কষ্ট পান। তারা নিলয়কে মেনে নেন!
রোজির বাবা : তুমি আজকে থেকে আমার ছেলে তবে আমার মেয়ে যদি তোমার জন্য কষ্ট পায় তাহলে তোমার খবর আছে!!!!

vilen part 5

রোজির মা : বাবা এসে খাবার খেয়ে যাও কি উপরে গিয়ে রোজির বাসায় ঘুমিয়ে পড়ো!
নিলয় বাধ্য ছেলের মত রোজির মায়ের কথা শুনে গিয়ে ডাইনিং টেবিলে গিয়ে খাওয়া শুরু করে। খাওয়া শেষে উপরে যায়। রোজিকে দেখে
নিলয় এর রাগ রোবে যায় কারন রোজির যদি কিছু হয়ে যেত বাহ নিলয় যেহেতু গ্যাংস্টার, তার অনেক শত্রু রয়েছে।
যদি নিলয় এর উপর প্রতিশোধ নিতে রোজিকে কিছু করতো?
এটা ভেবেই নিলয় পাগল প্রয়। রাগে তার মাথা ফেটে যাচ্ছে!!

vilen part 7