Home Vilen vilen part 7+8

vilen part 7+8

vilen part 7+8
আনু

নিলয় উপরে গিয়ে দেখে রোজি একটা শর্ট প্যান্ট ও গেন্জি পরে ঘুমাচ্ছে। রোজি অনেক ডোলা গেন্জি পরে। নিলয় ওর শার্ট খুলে ওর কাছে গিয়ে দেখে রোজি ইনার পরা নেই!
নিলয় : এই মেয়ে আমাকে পাগল করে দিবে। বলেই,
নিলয় তার রাগ ভিতরে ই চেপে রাখে এরপর নিলয় ওর গেন্জির ভিতর ডুকে হাত দিয়ে রোজির বাকানো শরীরে বিচরন করতে থাকে!

নিলয় : মারবো নাহ আজ তোমায় ভালোবেসে কষ্ট দিব ( মনে মনে)
রোজি ঘুমের মধ্যেই কেপে ওঠে রোজির হঠাৎ শুরশুরি ও অসস্থি ফিল হয় কারন নিলয়ের বুক রোজির বুকে লাগছে কারণ রোজি ইনার পরে নি।
রোজি ভয় পেয়ে যায় এবং ঘুম থেকে উঠে যায়
ও যেই নাহ চিৎকার করবে নিলয় রোজির ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে কামড়াতে থাকে। রোজি বুঝে যায় নিলয় এটা, রোজি নিলয়কে ধাক্কা দিতে থাকে এক সময় নিলয় রোজির ঠোঁট ছেড়ে দেয় রোজি বলা শুরু করে
রোজি : আমাকে ছাড়ুন আমার গেন্জি থেকে বের হন এখনি।
নিলয় : নাহ বেবি আজকে তো আমাদের বাসর আসো শেরে ফেলি?
রোজি : নাহহহহহহ নাাাহহহহহহ কখনোই নাহ!!!!
নিলয় রোজি উঠে যাওয়ার আগে খপ করে ওকে দরে টান দিয়ে বিছানায় ফেলে দেয়।আর ওর গেন্জি একটানে খুলে ফেলে!
রোজি ভরকে যায়,

আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন

রোজি : কি করছেন? প্লিজ আপনি সরুন আমার অসস্থি লাগছে।
নিলয় : কোনো baby গরম হয়ে যাচ্ছো?
রোজি : উফ!!! বলেছি আমার অস্থির লাগছে!!!
আর কিছু বলতে নাহ দিয়ে,
রোজি : আহহহহ!!!! আ আমার সুরসুরি লাগছে ছাড়ুন ছড়ুন বলছি।
নিলয় কোনো উওর করে না রোজিকে শুয়িয়ে দেয় রোজির এদিক ওদিক হাত দিতে থাকে।
এদিকে রোজি কাঁপছে আর ভাবছে,
রোজি : আজকেও আমার সাথে ওটা করবে আল্লাহ আমায় বাঁচাও।
নিলয় দেখলো রোজির ঠোঁট লাল হয়ে আছে। নিলয় আবার রোজির ঠোঁট দখল করে নেয়। প্রায় ১২মিনিট রোজির ঠোঁট ছেড়ে দেয় নিলয়,

নিলয় : রোজ ঠোঁটে কি দেও তুমি? এতো লাল কেনো?
রোজিকে কোন কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে সে আবার রোজির গলায় মুখ ডুবাই। সে তার ঠোঁট দিয়ে রোজির সারা শরীরে চুমু দিতে থাকে ঠোঁট দিয়ে সুরসুরি থাকে এদিকে রোজি কাঁপাকাঁপি করছে কিছু বলতে পারছে নাহ।
রোজি কিছু বলতে চাইলে নিলয় রোজির ঠোঁ’টে ঠোঁ’ট ডুবিয়ে দেয়। যার কারণে রোজি কিছু বলতে পারেনা। তাই রোজি যানে নিলয়কে সে আটকাতে পারবে নাহ তাই সে চুপ করে থাকে আর কিছু বলে নাহ শুয়ে শুয়ে কান্না করতে থাকে।

নিঃশব্দ সে কান্না, কোনো আওয়াজ নেই।
নিলয় চুমু শেষ করে নিচে নেমে আসে রোজির শার্ট-প্যান্ট টা খু’লছে নাহ বলে ক..ন্ট্রোল লেস হয়ে এক টানে ছিরে ফেলে। নিলয় নিজের কন্টল হারিয়ে রোজির ঠোঁ’টে আ’স্তে আ’স্তে চুমু দিয়ে রোজিকে শান্ত করতে থাকে। কিন্তু তাও রোজি কাদঁতে থাকে।
রোজি: পায়ে ধরি আপনার আমায় ছেড়ে দিন।
রোজি হঠাৎ বলে ওঠে,
রোজি : আজ আপনি এমন করছেন কেন? আমি ম”””””রে যাচ্ছি!!!
রোজি আবার উঠে যেতে নিলেই নিলয় রোজিকে দুই হাত দিয়ে আ””””টকে ধরে আবার শুইয়ে দেয় এবং রোজির হাত বিছানার সাথে আ””””টকে দেয় আর বলে,
নিলয় : শালী আমার বাসা থেকে পালিয়ে আসার আগে মনে ছিল না? আমি কী করতে পারি? একে তো আমাকে না জানিয়ে বিয়ে করতে নিয়েছিলি।আবার আমার বিয়ে করা বউ হয়ে আমারি বাসা থেকে পালিয়ে আসিস ? আজ তোকে আমি ভেঙে ফেলবো!
নিলয় আজকে রোজির কোনো আহাজারি কানে নিচ্ছে নাহ পুরো রাত রোজির ওপর নিজের পুরু”””ষত্ব খাটিয়ে ভোর সাড়ে ৫ টার পর রোজিকে ছাড়লো!

রোজি রাতে ৩-৪ বার অ’জ্ঞান হয়ে গিয়েছিল কিন্তু নিলয় থামে নি!
সকালে নিলয়ের ঘুম ভাঙলে দেখে রোজি এখনো ঘুম। কিন্তু নিলয়ের মায়া হয় নাহ। সে রোজিকে ডেকে উঠায়।
রোজির ঘুম ভাঙতেই রোজি যখন উড়তে যাবে সে দেখে তার সারা শরীরে প্রচন্ড ব্যথা সে উঠে আহ করে শুয়ে পড়ে। সে তিন চার বার ওঠার চেষ্টা করে কিন্তু পারেনা। শরীর ও পেটে প্রচন্ড ব্যথা!!
নিলয় এটা বুঝতে পারে তারপর রোজিকে কোলে করে নিয়ে ওয়াশরুমে গিয়ে দুজনে একই সাথে গোসল করে আসে নিলয় রোজিকে আবার কোলে করেই নিয়ে এসে বিছানায় বসায়।
রোজি শুধু নিচের দিকেই তাকিয়ে আছে তার মুখে কোনো কথা নেই।
এরই মধ্যে নিচ থেকে ডাক আসে,
রোজির মা চেচিয়ে বলছেন,

রোজির মা : নিলয় বাবা,রোজি মা তোমরা নিচে আসো।
নিলয় : মা আসছি!
রোজি খুবই অবাক যে নিলয় কে তারা বাবা বাবা করছে!!!
কিন্তু রোজি ভয়য়ে কিছু বলার সাহস পায় নাহ!!!
নিলয় আর রোজি চুল আচরে নিলো,মানে সকাল বেলায় গোসল করলে যা যা করা লাগে।রোজি সানস্কিন লাগিয়ে নিলো।
তাদের আসতে লেইট হওয়ায় আশা রোজির বোন তাদের ডাক দিতে এলো,
আশা : আপ্পি ও আপ্পি ভাইয়া নিচে আসো!!!
নিলয় : আসছি।

এটা বলে তারা ৫ মিনিট পর নিচে নেমে এলো।
তবে রোজির হাটতে কষ্ট হচ্ছে কালকে তার সাথে যা যা হলো!
রোজির বাবা রোজির দিকে তাকিয়ে দেখলেন রোজির মুখ ভার তবুও তিনি কিছুই বললেন নাহ কারন একটা ঘটনা ঘটে গিয়েছে এটা ঠিক করা যাবে নাহ! এর ই মাঝে নিলয় বল্লো,
নিলয় : বাবা আমরা আজকেই চলে যাবো।
বাবা : কি বলছো মেয়েটা আমার অবুঝ।
নিলয় বলার মতো কিছু পাচ্ছে নাহ!

বাবা : নিলয় বাবা মেয়েটা কিছু দিন এইখানে থাক কারন তোমাদের বিয়েটা কী করে হয়েছে জানোই তো। বলছি কী তোমাদের আবার আমরা বিয়ে দেব দুম দাম করে। তোমার অসুভিদে আছে?
নিলয় : নাহ বাবা ভালোই হবে কারন আমার বিয়ে হয়েছে সবাইকে জানতে হরে। তাহলে ঠিক আছে আমার রোজকে এখানে রাখেন কিছুদিন তবে ওর খেয়াল রাখবেন।
বাবা : অবশ্যই বাবা আমারা আমাদের মেয়ে এর খেয়াল আমি রাখবো!!
রোজি তারাতারি খেয়ে উপরে ওঠে যায় সবার সাথে কুসলবিনিময় করে!
খাওয়া শেষে নিলয় রোজির কাছে যায় আর বলে,
নিলয় : শোন আমি তোকে রেখে এখান থেকে যাচ্ছি কোনো উল্টা পাল্টা কাজ করলে কসম তোকে আমি মেরে ফেলবো!
রোজি ভয় পেয়ে যায়,

নিলয় : কথা বলিস নাহ কেনো এদিক আয়?
রোজি : নিশ্চুপ!
নিলয় আবার ডাকে,
নিলয় : এদিক আয়?
রোজি : নরে নাহ নিচে তাকিয়ে আছে!
নিলয় : রোজ এদিক আয়?
রোজি : এগোয় নাহ সে মুখ ফিরিয়ে নেয়।

নিলয় নিজ থেকেই রোজির কাছে যায় আর রোজিকে টান দিয়ে নিজের কাছে আনে আর ওর ঠোঁ/টে নিজের ঠোঁ/ট ডুবিয়ে দেয়, রোজি ধ/ক্কা দিতে থাকে প্রায় ১৮ মিনিট পর রোজি মু/ক্ত হয় কিন্তু কিছু বলতে পারে নাহ ভয়ে কারন রোজি যানে নিলয় রেগে এমন করছে!
তারপর নিলয় রোজিকে সকল কিছু বুঝিয়ে দিয়ে নিজের বাসায় চলে যওয়ার জনয়ে রওনা হয়।রোজি নিলয় নিচে নামতেই রোজির বাবা বলেন,
রোজির বাবা : মেয়েটাকে রেখে যাওয়ার জন্যে ধন্যবাদ!!! বাবা আর বিয়ের সকল তথ্য তোমায় আমি জানিয়ে দেবো!

vilen part 6

নিলয় : আচ্ছা বাবা যাই, মা চলে যাই ভালো থাকবেন।
রোজির মা : চলে যাই বলে নাহ বাবা বলো আসি!!সাবধানে যেও বাবা।
নিলয় : আচ্ছা।
রোজির মা : রোজি যাও নিলয়কে এগিয়ে দিয়ে আসো!!!
রোজি মাথা নত করে নিলয় এর সাথে যেতে থাকে নিলয় গাড়ির সামনে গিয়ে রোজির কপালে চুমু দিয়ে বলে,
নিলয় : রোজ যাযা বলেছি একটাও যেনো নরচর নাহ হয় got it?
রোজি : জ জজ জি!
নিলয় চলে যায় রোজি ও বাড়িতে ঢুকে পরে!

vilen part 9