violent love 2 part 2
Mariam akter juthi
‘কে আপনি?’
দুটো কথা, গোটা একটা মানুষকে থমকে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল। অবিশ্বাস্য নয়নে সামনে ভ্রু কুঁচকে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটার মুখভঙ্গিমা দেখে বিস্ময়ে বিমূঢ় হয়ে দাঁড়িয়ে আছে আরিশ। এর জবাবে পরবর্তী কথা কি হবে হয়তো সেটাই মাথায় আনার চেষ্টা করছে। আরিশ সূক্ষ্ম নজরে জুথির দিকে তাকিয়ে থাকতে, জুথি কেমন অসস্তি ফিল করল। কিন্তু মুখে কিছু বলল না। তার শুধু একটাই ভাবনা মাথায় কড়া নাড়লো। আরিশ, আরিশ এই নামটা সে কোথাও শুনেছে। কিন্তু কোথায় তার মনে আসছে না। শুধু মনে হচ্ছে নামটা তার খুব চেনা, এই নামটা তার ভীষণ আপন। জুথি হঠাৎ মাথায় হাত দিল। চোখ দুটো খিচে বন্ধ করে নিল। তার মাথায় কেমন চিন চিন ব্যথা শুরু হলো। শরীরটাও কেমন কাঁপছে মনে হল। জুথিকে হঠাৎ এভাবে মাথায় হাত দিতে দেখে আরিশ ভ্রু কুঁচকে ওর কাছে এগিয়ে, ওর বাহুতে হাত রেখে বলল,
‘এই মৌ এমন করছিস কেন? আমার দিক তাকা। মৌ।’ – আরিশের কথায় জুথি কোন প্রতিক্রিয়া না করে একইভাবে মাথা চেপে রাখতে আরিশ রাগে নিশ্বাস ছেড়ে ওকে ঝাঁকিয়ে বলল,
‘লুক অ্যাড মি, তখন থেকে বলছি শুনতে পাচ্ছিস না। নাকি শুনেও গায়ে লাগাচ্ছিস না।’ আরিশ কথাটা বলতে জুথি মাথা থেকে হাতটা সরিয়ে দাঁত কটমট করে পুনরায় আরিশের ডান গাল বরাবর, ঠাসসসস। করে একটা থাপ্পড় মেরে ফুঁসতে ফুঁসতে বলল,
‘বলেছি না আমাকে ছুঁতে না। বারবার শরীল স্পর্শ করছেন কেন। লজ্জা নেই। নাকি এটাই আপনার স্বভাব। খুঁজে খুঁজে মেয়েদের শরীর স্পর্শ করা।’ – বলে আঙ্গুল আরিশের মুখের উপর তুলে শাসিয়ে ফের বলতে নিল,
‘আমাকে না একদম দুর্বল মেয়ে ভাববেন না। যে মেয়েদের শরীর স্পর্শ করে মজা নিবেন। আর আমি সেটা দেখে আপনাকে ছেড়ে দি,,।’ – ব্যাস জুথির আর বলা হলো না। তার আগেই আরিশ জুথির দিকে তেরে এসে ওর বাহু চেপে ঘুরিয়ে দেয়ালের সাথে চেপে ধরে রাগে জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিতে নিতে বলল,
‘হাফফুটের বাচ্চা। তোর সাহস কি করে হলো বারবার গায়ে হাত তোলার? প্রথমবার করেছিস কিছু বলেনি ফের কি করে সাহস দেখালি? আর তখন থেকে কি বলছিস। মেয়েদের শরীরের স্পর্শ নিতে ভালো লাগে। তাহলে শোন, হ্যাঁ আমার ভালো লাগে তোর শরীরের স্পর্শ নিতে। তোকে জড়িয়ে ধরতে তোকে আদর করতে আমার ভালো লাগে। কি করবি এখন তুই? থাপ্পর মারবি। মারতো।’ শেষ কথাটা জোরে চিৎকার করে। আরিশ এভাবে চিৎকার করে কথাটা বলতে জুথি চমকে ওঠে চোখ দুটো বড় বড় করে আরিশের মুখের দিক তাকাতে দেখল আরিশের হিংস্র আভা চেহারাটা। সাথে সাথে আরিশকে নিজের থেকে ঠেলে সরাতে চেয়ে নিঃশ্বাস নিতে নিতে বলল,
‘আমার থেকে সরুন বলছি। আর নয়তো চিৎকার করে স্যারদের ডাকবো।’ জুথির এমন কথায় আরিশ হিংস্র বাঘের মত গর্জন দিতে দিতে চিৎকার করে বলল,
‘ডাক তোর কোন বাপদের ডাকবি ডাক। দেখি তোর সেই বাপেরা এসে আমার কোন *বাল হালায়। আর তোর থেকে সরার তো প্রশ্নই আসেনা।’
‘ছিঃ, জঘন্য লোক। ভালোভাবে বলছি আমাকে ছাড়ুন। আমি ব্যথা পাচ্ছি।’
‘ওকে ছেড়ে দিব তোর নাটক থামালেই।’
‘কে আপনি কেন এমন করছেন?’ জুথির এই কথাগুলো আর আরিশের সহ্য হলো না। সে যথেষ্ট পরিমাণ নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেছে কিন্তু সে ব্যর্থ। তার শখের নারী তাকে বারবার আক্ষেপ করছে সে কে তাকে চেনেনা বলে। যার জন্য ছয় ছয়টা মাস সুদূর হসপিটালের বেডে পড়ে থাকতে হয়েছে। তার এই না চেনার অভিনয়টা আর সহ্য করতে পারল না। ফের জুথির ধরে রাখা বাহুটা জোরে চেপে ধরে চেঁচিয়ে বলল,
‘মৌ লাস্ট ওয়ার্নিং দিচ্ছি। আমার মাথা গরম করাস না। তোর এই ঢং আমার একদম সহ্য হচ্ছে না। ফের এরকম নাটক করলে একদম পুঁতে রেখে দিব।’ আরিশকে এভাবে শান্তশ্রিষ্ঠ থেকে ভয়ংকর মানুষে পরিণত হতে দেখে জুথি ঢোগ গিলে আরিশের থেকে ছাড়া পেতে চেয়ে মোচরামুচরি শুরু করলো। জুথি কে আবারো আগের মত মোচরামুচুরি করতে দেখে আরিশ ওর গাল দুটো চেপে ধরে বলল,
‘মেয়ে মানুষ মানেই অভিনয়ে সেরা। মনে তো চাচ্ছে তুলে একটা আছাড় মারি।’
‘আমার কথাটা শুনুন! আমি সত্যি বলছি আমি আপনাকে চিনি না। আমার গালটা ছাড়ুন ব্যাথা লাগছে আমার।’ – জুথির গালগুলো চেপে রাখায় কথাগুলো কেমন গমগমে শোনালো। আরিশ জুথির গোলাপি ঠোঁট দুটোর দিক তাকিয়ে ওর ঠোঁট নেড়ে নেড়ে কথাগুলো শুনে ওকে টেনে ওর মুখের কাছে এনে ওর ঠোঁট দুটো নিজের সাথে মিশিয়ে নিলো। আরিশের এমন কাজে জুথি ছাড়া পাওয়ার জন্য ছোটাছুটি করতে আরিশের থেকে সরতে পারল না। এক সময় ভয়ে কান্না করে দিতে আরিশ ওর থেকে সরে এসে বা হাতের বুড়ো আঙ্গুল দ্বারা নিচের ঠোঁট মুছে বলল,
‘কি বলছিলি আবার বল।’ – জুথি আর উত্তর করল না। দেওয়ালের সাথে মিশে ধীরে ধীরে মেঝেতে বসে পড়ে হিঁচকি তুলে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদছিল। জুথিকে ফুপিয়ে কাঁদতে দেখে তানিশা আরিশের দিকে একবার তাকিয়ে ওর পাশে বসে ওর কাঁধে হাত রেখে মাথাটা বুকে নিয়ে বলল,
‘পাখিটা আমার কথা শোন! উনি আরিশ ভাই। তোর হাজব্যান,,’ ওর সম্পূর্ণ কথা শেষ হওয়ার আগেই আয়ান ক্লাসরুমের মধ্যে দৌড়ে এসে হাটুতে ভর দিয়ে হাঁপিয়ে বলল,
‘বনু।’ জুথি আয়ানের কণ্ঠ পেয়ে চোখ তুলে আয়ানকে দেখতে পেয়ে সাথে সাথে বসা থেকে উঠে চোখ দুটো মুছে দৌড়ে গিয়ে আয়ান কে জড়িয়ে হাউমাউ কান্না করে বলল,
‘আ-আয়ান ভ-ভাই। তুমি এসেছ। – বলে আয়ানের বুকে মাথা রাখা অবস্থায়ই আরিশের দিক না তাকিয়ে আঙ্গুল তুলে আরিশ কে ইশারা করে বলল,
‘ওই ল-লোকটা আমার সাথে, ন-নোংরামো করেছে। অ-আমাকে জোর করে দ-দেওয়ালের সাথে চেপে রেখেছিল। আবার আমাকে জোর গলায় শাসাস ছিল। অ-আমাকে মেরে ফ-ফেলবে।’ – জুথির ভাঙ্গা ভাঙ্গা কথায় আয়ান কিছু বলবে এমন সময় আরিশ আয়ানের থেকে থাবা মেরে জুথিকে নিজের সামনে এনে ওর বাহু স শক্তি দিয়ে চেপে ধরে ঝাক্কিয়ে বলল,
‘তোকে শুধু মেরে ফেলবো না। তোকে এখনই মারবো। এই নাটক বন্ধ না করলে। আমি তোকে লাস্ট ওয়ার্নিং করেছিলাম কিন্তু তুই শুনলি না। আমি তোর কাছে আসতে না আসতে তোর বাহানা তোর ঢং শুরু হয়ে গেছে। ওই তোর হাতের পুতুল আমি হ্যাঁ, তুই বললি তোর জন্য জীবন দিতে আমি দিলাম। সেখান থেকে ভাগ্যর জোরে ফিরে এসেছি। এখন বলছিস আমাকে চিনিস না কি ভেবেছিস আমি মেনে নিব আমি মেনে নিব তুই আমাকে চিনতে পারছিস না। তাই মেনে নিয়ে তোর থেকে দূরে যাব তাহলে ভুল ভুল ভুল। এই ধারণা তোর ভুল। আমি তোকে কোনদিনও ছাড়ছিনা। আমাকে যদি পুড়তেই হয়। তবে সেই আগুনের তাপে আমি তোকে পোড়াব। ঠিক ততদিন তোর নিঃশ্বাস আটকাবো যতদিন না তোর সমাধি আসবে।’ আরিশের কথায় জুথি ভয়ে কান্না থামিয়ে স্তব্ধ হয়ে তাকাতে শব্দহীন চোখ থেকে টপটপ পানি পড়তে লাগলো। হয়তো নিঃশ্বাসটাও নিচ্ছে না। জুথিকে এমন নিঃশ্বাস আটকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে আরিশ ওকে ধাক্কা দিয়ে নিজের থেকে সরিয়ে চেঁচিয়ে বলল,
‘ছ্যা শালার জিন্দেগি।’ বলে আবারো ওকে টেনে ডান হাতে ওর ডান বাহু চেপে বলল,
‘মৌ আমি কিন্তু রেগে আছি। কান্নাটা থামা। আই রিপিট কান্না থামা। কান্না থামা। শেষ কথাটা এতই জোরে বলল যে জুথি কেঁপে উঠে আবারো ফুপিয়ে উঠতে আয়ান আরিশের কাছে এগিয়ে জুথি কে আরিশের থেকে ছাড়িয়ে ওর পাশে দাঁড় করিয়ে আরিশ কে শান্ত করার জন্য বলল,
‘আরিশ ভাই আমার কথাটা শোনো। তুমি একটু তোমার মাথাটা ঠান্ডা করো আমি বলছি তোমাকে। আমি বলছি তোমাকে সবটা খুলে। তবুও এভাবে হাইপার হয়েও না। তুমি মাত্র সুস্থ হলে। এখন এতটা উত্তেজিত তোমার শরীরের জন্য ভালো না।’
‘তাহলে ওকে বল ও জানো ওর নাটক বন্ধ করে। নয়,’ ওর কথা সম্পন্ন হওয়ার আগেই পিছন থেকে কেউ ক্লাসরুমের মধ্যে ঢুকতে ঢুকতে বলল,
‘এখানে এতো চেঁচামেচি হচ্ছে কিসের?’
লোকটার কথায় আয়ন সহ আরিশ তানিশা লোকটার দিকে তাকাতে, আরিশ ভ্রু কুঁচকে ভালোভাবে দেখে নিল। ছেলেটা ওর বয়সী হবে। আরিশ একটু ভালোভাবে লক্ষ করতেই স্মরণে এল এটা তো অমিত। ওর সাথে একসাথেই পড়াশোনা করেছে এই কলেজে। তবে ততটা পাত্তা দিল না। কারণ অমিতের সাথে ওর সম্পর্কটা কলেজে থাকাকালীন খুব একটা ভালো ছিল না। একবার তো কলেজের মাঠে আরিশের হাতে ধামুদধুমুদ খেয়েছিল। আরিশের নামে বাজে কথা বলার জন্য। তাছাড়া আরিশ সব সময় ক্লাসে ফার্স্ট হতো। আরিশের একটা টপ গ্ৰপ ছিল। কিন্তু অমিত অনেক বার চেষ্টা করেছিল। আরিশ কে সেকেন্ড করে নিজে ফার্স্ট হওয়ার। কিন্তু কোন বারেই অরিশ কে ফার্স্ট হওয়া থেকে আটকাতে পারিনি। তার ওপর কলেজে থাকাকালীন অমিত ওদের এক ক্লাসমেটকে খুব পছন্দ করত। মেয়েটার নাম ছিল তন্ময়ী। কিন্তু তন্ময়ী আরিশ কে পছন্দ করত। সব সময় আরিশ কে গুরুত্ব দিত। সেই সব মিলিয়ে দুজনের সম্পর্কে ততটা সমীকরণ ছিল না। অমিতও আরিশ কে কিছু সময়ের মধ্যেই চিনে যায়। আরিশ অমিত কে পাত্তা না দিয়ে আয়নের দিক তাকাতে অমিত আবারো বলল,
‘আরে আরিশ না? তা হঠাৎ এখানে।’
‘,,,,,,,,’
আরিশ কোন কথা না বলে চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে অমিত হেসে দিয়ে এগিয়ে ওদের সামনে গিয়ে দাঁড়াতে জুথিকে ভ্রু কুঁচকে দেখে নিয়ে হেসে বলল,
‘কি হয়েছিল এখানে? আরিশ তুই কি এখনো মারামারি করিস? না মানে আমাদের স্টুডেন্ট এভাবে কাঁদছে ক্লাসরুমে চেঁচামেচি হচ্ছে তার জন্যই জিজ্ঞেস করলাম।’ – অমিত কথাটা বলতে এতক্ষন আরিশ ওর রক্তাভ চোখ নিয়ে তেরে এসে অমিতের কলারট টেনে ধরে বলল,
‘তুই কে? যে তোর কাছে কৈফত দিতে হবে? কে কাঁদছে না কাঁদছে সেটা বলতে হবে? আ,’ আরিশ সম্পূর্ণ কথা শেষ করার আগেই আয়ান দৌড়ে এসে আরিশ কে অমিতের থেকে টেনে সরিয়ে এনে ওকে চেপে রেখে বলল,
‘অমিত ভাই, সরি স্যার আপনি কিছু মনে করবেন না। ভাইয়ের সাথে হয়তো আপনার পূর্ব পরিচিত থাকতে পারে। এই মুহূর্তে সিচুয়েশনটা স্বাভাবিক পর্যায়ে নেই। আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাইছ,’ ওকে সম্পূর্ণ শেষ করতে না দিয়ে আরিশ হুংকার ছেড়ে বলল,
‘আয়ান ছাড় আমাকে। কার কাছে ক্ষমা চাইছিস? ওর কাছে। আমি,’ আরিশও কথাটা সম্পূর্ণ শেষ করার আগে রাদিফ হাসিমুখে রোদকে নিয়ে জুথির ক্লাসরুমে এসে বলল,
‘জুথি রোদের ক্লাস শেষ হয়েছে। তোমার নোট করা হয়ে গেলে চলো বাড়ি যাই।’ বলে ক্লাসে ঢুকে এমন থমথমে নিরব পরিস্থিতি দেখে রাদিফ চারপাশটা তাকাতে আরিশ কে দেখা মাত্র ঠোঁট প্রসারিত করে বলল,
‘আরে আরিশ। তুই সুস্থ হয়ে গেছিস। যাক আলহামদুলিল্লাহ।’
রোদও আরিশ কে দেখামাত্র মুখে হাসি এনে বলল,
‘আরিশ ভাইয়া তুমি বাড়িতে এলে কখন? আর এখানেই বা এলে কখন।’
রোদ রাদিফের কথায় আরিশ কোন উত্তর করল না। মুখটা অন্যদিক করে রাখতে জুথি রাদিফের কাছে দৌড়ে গিয়ে বলল,
‘রাদিফ ভাই চলো আমি বাড়ি যাব। আমি এখানে একটুও থাকবো না।’ জুথির কথায় আয়ান এগিয়ে এসে ওর কাছে দাঁড়িয়ে বলল,
‘বনু শোন,’ আয়ান কথাটা বলার আগেই আরিশ রাগে শূন্য হয়ে ক্লাসরুম থেকে ফুঁসতে ফুঁসতে বেরিয়ে যেতে আয়ন ও আর ওখানে দাঁড়ালো না আরিশের পিছু ছুটতে ছুটতে জুথিদের উদ্দেশ্য বলে গেল,
‘রাদিফ ভাই। তুমি বনু রোদ কে নিয়ে বাড়ি যাও।’
সময়টা সন্ধ্যা পেরিয়ে আটের ঘরে গেছে। আরিশ সেই যে রেগে মেগে কলেজ ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিল। এরপর আর বাড়ি ফেরিনি। সারাদিন পর সন্ধ্যায় এসে একটা শুনশান লেকে বসে সময় কাটাতে আয়ান ও ক্লান্তিতে আরিশের পাশে বসে বলল,
‘ভাই অনেক তো হল। তুমি দেশে ফিরতে না ফিরতেই এত চাপ নিচ্ছ। এই ব্যবসার কাজটা গোচাতে শুরু করতে বললে, আবার রাজনীতির কলাময় আবারও কাম ব্যাক করবে। বর্তমান রাজনীতির পরিস্থিতি একদমই ভালো না। আমার তোমাকে নিয়ে চিন্তা হচ্ছে।’
‘আমার চিন্তা করতে হবে না।’
‘আরিশ ভাই বাড়ি চলো।’
‘,,,,,,,,’
‘ভাই বড়ো আম্মু তোমাকে ফোনে না পেয়ে ইতিমধ্যে আমাকে পঞ্চাশের বেশি কল দিয়ে ফেলেছেন। তুমি বাড়ি ফিরছ না কেন এটা জানতে।’
‘ভালোবাসি তো ওকে। তাহলে ও কেন বলল আমাকে চেনে না। ও কেন আমি ব্যতীত অন্য কারো কাছে আশ্রয় খুঁজে নিল। আমি ব্যতীত ভরসার স্থান দিলো। ও জানে ওর একটা কথা আমার হৃদয়ে কতটা ব্যথিত করেছে।’
‘ভাই বনু।’
‘ভালো লাগছে না আয়ান। আমার তাকে চাই। এট এনি কস্ট আমার তাকেই চাই।’
‘,,,,’ আয়ান কে চুপ করে থাকতে দেখে আরিশ তাচ্ছিল্য হেসে হঠাৎ হাঁটু ঘিরে মাটিতে বসে চেঁচিয়ে আর্তনাদ করে বলল,
violent love 2 part 1
‘যার জন্য, দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করতে রাজি ছিলাম। যার জন্য নিজের প্রতিটি সত্তা সস্তা করেছিলাম। যার জন্য মরতে একপা পিছু হইনা। যার জন্য অন্যায় করতে দুবার ভাবি না। যার থেকে দূরত্ব বাড়বে ভাবলে নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। যার জন্য নিজের জীবনের মূল্য কমালাম। যাকে নিজের হাতে বড় করলাম। যার একটা হ্যাঁ তে দুনিয়া ধ্বংস করতে পারি। আজ, সে বলছে। আমি কে?’

Comment:richard kaenat er golpo link plzzz
apnie ki mithuburi???
Next part