Home অগ্নিশিখার অন্তরালে অগ্নিশিখার অন্তরালে পর্ব ৭

অগ্নিশিখার অন্তরালে পর্ব ৭

অগ্নিশিখার অন্তরালে পর্ব ৭
YASH

বাসায় ফিরেই ইনায়া প্রথমে কেয়ারাকে ঝটপট ফ্রেশ করিয়ে আনল। ঘড়ির কাঁটা ততক্ষণে সন্ধ্যার ঘরে ছুঁইছুঁই। পড়ার টেবিলে বাতি জ্বালিয়ে ইনায়া ছোট্ট কেয়ারাকে নিয়ে বসল। এতটুকু ছোট মানুষ, তার ওপর আবার সারাদিনের ক্লান্তি পড়ার নামে ও আর কতটুকুই বা পড়বে!
তাও রোজকার মতো অ-আ আর ছোট ছোট ছড়ার বইটা খোলা হলো।
আজকে ইনায়া অনেক খাটাখাটনি করে কেয়ারাকে একটা নতুন ছড়া মুখস্থ করিয়েছে কাজী নজরুল ইসলামের সেই বিখ্যাত কাঠবিড়ালী ছড়াটা। পড়া শেষে ইনায়া একটু আদুরে গলায় জিজ্ঞেস করল, “বল তো দেখি কেমন শিখলি ছড়াটা?”

কেয়ারা খিলখিল করে হেসে মাথা দুলিয়ে বলতে শুরু করল, “তাঠ বিলালি তাঠ বিলালি তেয়ারা তুমি থাও?”
ইনায়া হেসেই খুন! ও কেয়ারার গাল টেনে শুধরে দিল, “আরে দুষ্টু, তেয়ারা না, ওটা হবে পেয়ারা।”
কেয়ারা যেন এবার আরও দ্বিগুণ উৎসাহ পেয়ে গেল। চোখ গোল গোল করে ইনায়ার দিকে তাকিয়ে আবার শুরু করল, “তাঠবিলালি তাঠ বিলালি পেয়ালা তুমি থাও? দূধু ভাতু থাও? মিত্তি থাও? চতলেত থাও? লাড্তু থাও? তেয়ারা সব থায় তুমিও সব থাবে তেমন? তাঠবিলালি? ভালো মেয়েলা সব থায়”
ইনায়া এবার আর নিজের হাসি চেপে রাখতে পারল না। হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরার জোগাড়! মনে মনে ভাবল, এই মেয়েকে কষ্ট করে কী শেখালাম আর ও নিজের মতো বানিয়ে কী সব আবল-তাবল বলছে! ইনায়া এবার মুখটা একটু গোমড়া করে রাগ করার ভান করল, “এই, কী বলছিস এসব শুনি? তোকে কি আমি এই ছড়া শিখিয়েছি?”
ইনায়ার রাগ দেখে কেয়ারাও কম যায় না। ও চট করে বইটা বন্ধ করে দিয়ে নাক ফুলিয়ে বলল, “আজকে আর পলবো না, গুমাবো আমি।”
কথাটা শেষ করেই ও বিছানায় ধপাস করে শুয়ে পড়ে চোখ দুটো শক্ত করে বন্ধ করে ফেলল যেন এখনই ও গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন!

দুই বোনের এই খুনসুটির মাঝেই হঠাৎ ঘরের দরজায় এসে দাঁড়াল ইয়াশ। ওকে ঘরে ঢুকতে দেখে ইনায়া বেশ অবাকই হলো। ইয়াশ সাধারণত কখনোই ওদের ঘরে ওভাবে আসে না। ভীষণ গম্ভীর আর নিজের মধ্যে থাকা একটা ছেলে। ইনায়া কৌতূহল সামলাতে না পেরে জিজ্ঞেস করল, “তোর কিছু লাগবে ইয়াশ?”
ইয়াশ বরাবরের মতোই গম্ভীর, ওর গলায় কোনো আবেগের রেশ নেই। ও সোজাসুজি জবাব দিল, “হ্যাঁ।”
ইনায়া একটু অবাক হয়ে আবার প্রশ্ন করল, “কী লাগবে?”
ইয়াশ কোনো কথা না বাড়িয়ে বিছানায় অভিনয়ের ঘুম ঘুমানো কেয়ারার দিকে এগিয়ে গেল। তারপর আলতো করে ওকে দুই কোলের মধ্যে তুলে নিয়ে ইনায়ার দিকে তাকিয়ে বলল, “এই মুরগির বাচ্চাকে লাগবে।”
কথাটা বলেই ও কেয়ারাকে কোলে নিয়ে এক মুহূর্তও না দাঁড়িয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। আর কেয়ারা? ইয়াশের অমন হুট করে কোলে তুলে নেওয়াতে ও বেশ বিরক্ত। ও নিজের ছোট্ট মুখটা মেঘের মতো গোমড়া করে রইল। মনে মনে ঠিক করে নিল, আজকে ও কিছুতেই এই ইয়াশের সাথে একটা কথাও বলবে না!
ইয়াশের কোল থেকে নামার জন্য কেয়ারা রীতিমতো ছটফট করতে লাগল। ও নিজের ছোট্ট দুটো হাত দিয়ে ইয়াশকে ধাক্কা দেওয়ার চেষ্টা করে মুখ ফুলিয়ে বলল,

“আমি আপ্পির তাছে যাব, তোমাল সাতে তথা বলবো না।”
কেয়ারার মুখে এই কথা শুনে ইয়াশের বুকের ভেতরটা যেন কেমন করে উঠল। ওর গম্ভীর চোখদুটোতে এক পলকের জন্য তীব্র অভিমান আর হালকা রাগের আভাস ফুটে উঠল। ও কেয়ারাকে আরও শক্ত করে ধরে একটু ক্ষুব্ধ গলায় বলল, “কেন কথা বলবি না আমার সাথে? তুই ছাড়া কে আছে আমার এই বাড়িতে? আমার সাথে তো তুই ছাড়া কেউ কথা বলে না, এখন তুই-ও কথা বলবি না?”
ইয়াশের গলার সেই আকুলতা ছোট্ট কেয়ারা কতটুকু বুঝল কে জানে! কিন্তু ইয়াশ অন্য একটা মেয়েকে আদর করেছে
এই হিংসা আর ক্ষোভ তো ওর বুকের ভেতর তখনো দগদগ করছে। ও আর নিজের কান্না চেপে রাখতে পারল না। ফুপিয়ে উঠে কেঁদে ফেলে আসল কারণটা ফাঁস করে দিল, “তুমি তুট্টি (তুষ্টি) কে তোলে নিয়েচো (কোলে নিয়েছ), তোমাল সাতে আড়ি!”
ইয়াশ এবার থতমত খেয়ে গেল। ও বুঝতে পারল কেয়ারার এই মারাত্মক রাগের আসল কারণ কী! ও কেয়ারাকে শান্ত করার জন্য নরম গলায় বোঝাতে চাইল,
“আচ্ছা বাবা ভুল হয়ে গেছে, আমি আর কখনো ওর সাথে কথা বলব না, প্রমিজ!”
কিন্তু কেয়ারা তো দমার পাত্রী নয়। ওর চোখের সামনে ইয়াশ অন্য কাউকে কোলে নিয়েছে, মানে কোলে নেই নি কোলে উঠতে চেয়েছে কিন্তু এটাই কেয়ারার কাছে কোলে নেওয়া। ও ভাবছে ইয়াশ কোলে নিয়েছে কেনো কোলে নিলো?

এটা ও কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না। ও নিজের জেদ ধরে রেখে আরও জোরে কাঁদতে কাঁদতে বলল, “নাহ! তুমি তথা বলেচো তেনো ওর সাতে (কথা বলেছ কেন ওর সাথে)? আমি তোমাল তাচে তাকবো না।”
সময় বাড়ার সাথে সাথে কেয়ারার কান্নার গতি যেন জ্যামিতিক হারে বেড়েই চলল। ওর ফর্সা গালদুটো কেঁদে কেঁদে একদম টকটকে লাল হয়ে উঠেছে। ইয়াশ এবার চরম বিপাকে পড়ে গেল। এখন কি করে এর কান্না থামাবে? মেয়েটার সাথে কথা বলেও বিপদে পড়েছে। বাড়িতে এইরকম একটা ‘ট্যাও’ থাকলে কোনো কিছুতেই শান্তি নেই।
ও দিশেহারা বোধ করতে লাগল।

ও দ্রুত কেয়ারাকে নিজের ঘরে নিয়ে এসে নরম বিছানাটায় বসাল। তারপর নিজে বিছানার পাশে হাঁটু গেড়ে বসে কেয়ারার ছোট্ট দুটো পা আলতো করে চেপে ধরল। একদম আকুতিভরা গলায় ইয়াশ বলল, ” তোমার পা ধরি পাখি, আর কেঁদো না প্লিজ! আমি আর কখনো তুষ্টিকে কোলে নেব না, কাউকেই কোলে নেব না। শুধু তোমাকেই কোলে নেব। তুমি কেঁদো না, আমার সাথে কথা বলো তুমি প্লিজ? তুমি ছাড়া কেউ নেই আমার”
ইয়াশের এই চরম আত্মসমর্পণ আর কাউকেই কোলে না নেওয়ার প্রতিজ্ঞা শুনে কেয়ারার কান্নার বেগ একটু কমল। ও চোখ মুছে ইয়াশের দিকে আড়চোখে তাকাল। তারপর এক মুহূর্তের মধ্যে কান্নার সুর বদলে বেশ হিসেবি গলায় বলল, “চতলেত (চকলেট) দিলে তথা বলতে পালি। (কথা বলতে পারি)
বাচ্চা মেয়ের এই আকস্মিক ডিমান্ড আর মুড সুইং দেখে ইয়াশের ঠোঁটের কোণে একটা হাসির রেখা ফুটে উঠল। ও এক সেকেন্ডও দেরি না করে ঘরের এক কোণে থাকা নিজের ব্যাগটার কাছে গেল। জিপার খুলে ভেতর থেকে একটা বড় ডেইরি মিল্ক চকলেট বের করে এনে কেয়ারার ছোট্ট হাতের মুঠোয় গুঁজে দিল।
চকলেটটা হাতে পেয়েই কেয়ারার সব রাগ যেন কর্পূরের মতো উড়ে গেল। ও চট করে চকলেটটা একহাতে ধরে অন্যহাতে ইয়াশের গলা জড়িয়ে ধরল। আর জড়িয়ে ধরেই নিজের চোখের জল আর নাকের জল ইয়াশের টি-শার্টে খুব আরাম করে মুছে নিল। ইয়াশ তাতে একটুও বিরক্ত হলো না, বরং নিজের একটি আঙুল দিয়ে কেয়ারার চোখের কোণে লেগে থাকা বাকি জলটুকু মুছে দিল। আর টেবিলে থাকা টিস্যু পেপার দিয়ে কেয়ারার নাক ভালো করে মুছিয়ে দিলো।

ঠিক তখনই ইয়াশের নজর গেল কেয়ারার ঝুলন্ত পায়ের দিকে। কেয়ারার ছোট্ট পায়ে একটা রুপোর নুপুর পরা, কিন্তু নুপুরটা কেয়ারার পায়ের মাপের চেয়ে বেশ বড়। বড় হওয়ার কারণে ওটা সুন্দর করে সুতো বা কিছু একটা দিয়ে পেঁচিয়ে বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ইয়াশের মনে পড়ে গেল, পরশুদিন আবির মির্জা দুই বোনকে দুটো নুপুর উপহার দিয়েছিলেন।নুপুরটার দিকে তাকিয়ে ইয়াশের চোয়ালটা সামান্য শক্ত হয়ে উঠল। ও কোনো শব্দ না করে, কেয়ারার এক পা থেকে নুপুরটা খুলে ফেলল। কেয়ারা তখন চকলেটের মোড়ক ছেঁড়ার ধান্দায় এতই মগ্ন যে পায়ের দিকে ওর কোনো খেয়ালই ছিল না। ইয়াশ নুপুরটা খোলার পর ওটা আলতো করে নিজের জিন্সের পকেটে ঢুকিয়ে নিল। পুরো ব্যাপারটা ও এমনভাবে করল যে কেয়ারা বিন্দুমাত্র টের পেল ন
সব কাজ শেষ করে ইয়াশ কেয়ারার চকোলেট মাখা মুখের দিকে তাকিয়ে একদম আপন সুরে জিজ্ঞেস করল, “তুই খাবি কিছু? খিদে পেয়েছে তোর?”
কেয়ারা চকলেটের শেষ কামড়টা মুখে দিয়ে মাথা নাড়িয়ে অলস ভঙ্গিতে বলল,

“থাবো না।”
ওর চোখদুটো তখন ঘুমে জড়িয়ে আসছিল।
ইয়াশ আলতো করে ওর কপালে হাত বুলিয়ে দিয়ে বলল, “আচ্ছা, এবার ঘুমা।”
কেয়ারা বিছানায় এপাশ-ওপাশ করতে করতে হঠাৎ কী যেন মনে করে ইয়াশের দিকে তাকাল। ওর আধো-আধো গলায় জিজ্ঞেস করল, “তুট্টির (তুষ্টির) সাথে একতা আন্তি (আন্টি) এতেচিলো না? সেতা ওর তে (কে) হয়?”
ইয়াশ ওর গায়ের চাদরটা টেনে দিতে দিতে নিরাসক্ত গলায় বলল, “ওইটা ওর মা হয়।”
“মা?”
কেয়ারা শব্দটা উচ্চারণ করল। ওর নিষ্পাপ চোখ দুটোতে এক অদ্ভুত কৌতূহল খেলে গেল। ও একটু সোজা হয়ে বসে ইয়াশের টি-শার্টের হাতাটা টেনে ধরে বলল,
“ইয়াত (ইয়াশ) ভাইয়া, সবাল (সবার) মা আচে, তেয়ারার (কেয়ারার) মা তোথায়? তেয়ারার মা তে এনে দাও তুমি।”

কেয়ারার এই আকস্মিক প্রশ্নে ইয়াশ যেন মুহূর্তের মধ্যে স্তব্ধ হয়ে গেল। ঘরের ভেতরের বাতাসটাও যেন এক সেকেন্ডের জন্য থমকে দাঁড়াল। ও কী উত্তর দেবে বুঝতে পারল না। আসলেই তো, কেয়ারা তো জন্মের পর থেকে কোনোদিন ওর মাকে দেখেইনি। ‘মা’ নামের মানুষটা কেমন হয়, তার স্পর্শ কেমন হয় ও তো তার কিছুই জানে না। কিন্তু ইয়াশ? ইয়াশ তো তার নিজের মাকে দেখেছে। আর দেখেছে বলেই ওর বুকের ভেতরটা তীব্র এক ঘৃণায় বিষিয়ে উঠল। ইয়াশের মা তো তাকে আর তার বাবাকে ফেলে রেখে অন্য একজনের হাত ধরে চলে গেছে। মায়ের প্রতি ইয়াশের মনে ভালোবাসার চেয়ে তীব্র ঘৃণা আর অবজ্ঞাই বেশি জমে আছে।
ইয়াশ আর এক মুহূর্তও ভাবল না। ও কেয়ারার ছোট শরীরটাকে টেনে একদম নিজের বুকের সাথে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। ওর চুলে মুখ গুঁজে অত্যন্ত শান্ত গলায় বলল, “নেই, মা নেই তোর। আমারও মা নেই, তো কী হয়েছে? পৃথিবীতে সবার মা থাকে না। তোর তো আমি আছি। তাহলে আর মাকে খুঁজছিস কেন?”
ইয়াশ ওর চুলে হাত বুলিয়ে দিলো। কেয়ারার মনের ভেতরের কৌতূহলটা নিমেষেই কেটে গেল। ও ইয়াশের পাশে চোখ দুটো বুজে বিড়বিড় করে বলল, “তেয়ারার মা নেই, তেয়ারা এথন গুমাবে”

কথাটা শেষ করতে করতেই ও গভীর ঘুমে তলিয়ে গেল। কেয়ারার শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দে ঘরটা শান্ত হয়ে এল।
কেয়ারা পুরোপুরি ঘুমিয়ে পড়েছে নিশ্চিত হয়ে ইয়াশ ওকে বিছানায় সাবধানে শুইয়ে দিল। তারপর ও উঠে গিয়ে নিজের পড়ার টেবিলের আলোটা জ্বেলে বসল। পকেট থেকে বের করল সেই রুপোর নুপুরটা, যেটা ও কেয়ারার পা থেকে খুলে এনেছিল। টেবিলের ড্রয়ার থেকে কিছু ছোট ছোট যন্ত্রপাতি আর একটা চেইনের হুক বের করল ও। ও নুপুরটার বড় অংশ কেটে, জোড়াতালি দিয়ে সেটাকে একটা চমৎকার, ইউনিক স্টাইলের ব্রেসলেটে রূপান্তর করল। মেয়েদের গয়না হলেও ওটার ডিজাইনটা ও এমনভাবে করল যা ও নিজের হাতেও পরতে পারে।
কাজ শেষ করে ইয়াশ ব্রেসলেটটা নিজের ডান হাতে পরে নিল। ওটার দিকে তাকিয়ে ওর ঠোঁটের কোণে এক চিলতে তৃপ্তির হাসি ফুটে উঠল। ও আলতো করে ব্রেসলেটটার ওপর নিজের ঠোঁট ছুঁইয়ে একটা মৃদু চুমু দিল। যেন এই রুপোর টুকরোটা শুধু একটা গয়না নয়, এটা তার বাটারফ্লাইের অস্তিত্ব।।

টেবিল থেকে উঠে ও যখন আবার বিছানার দিকে এগোল, তখন ওর নজর গেল কেয়ারার প্যান্টের দিকে। কেয়ারার প্যাম্পার্সের ইন্ডিকেটর লাইনটা নীল হয়ে এসেছে তার মানে ওটা ভিজে ভারী হয়ে গেছে। ৪ বছরের বাচ্চা হলেও রাতের বেলা ও এখনো প্যাম্পার্স পরেই ঘুমায়।
ইয়াশ কোনো শব্দ না করে অভিজ্ঞদের মতো আলতো হাতে ঘুমন্ত কেয়ারার প্যান্টটা খুলে ফেলল। ও এত সাবধানে কাজটা করল যে কেয়ারার ঘুম বিন্দুমাত্র ভাঙল না। ভেজা ডায়াপার খুললো। এরপর ও ইনায়ার ঘরে গেলো ইনায়া ও পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে গেছে৷ এরপর ঘরের ড্রয়ের থেকে আরেকটি নতুন ডায়াপার বের করে এনে কেয়ারাকে পরিয়ে দিল।

অগ্নিশিখার অন্তরালে পর্ব ৬

সব কাজ শেষ করে ও ঘরের বাতিটা নিভিয়ে দিল। তারপর অন্ধকারের মধ্যে কেয়ারার পাশে এসে শুয়ে পড়ল। এক হাত দিয়ে ও কেয়ারাকে নিজের দিকে টেনে নিল, মুরগির বাচ্চা একটা।

অগ্নিশিখার অন্তরালে পর্ব ৮