Home এমপি রুশভিয়ান মির্জা এমপি রুশভিয়ান মির্জা পর্ব ৩২

এমপি রুশভিয়ান মির্জা পর্ব ৩২

এমপি রুশভিয়ান মির্জা পর্ব ৩২
ফাতেমা তুজ জোহরা

রুশভিয়ান তার শার্টের পকেট থেকে বের করলো একটা রুমাল, চে*পে ধরলো ইনানের নাকে সাথে সাথে ইনান নি*স্তেজ হয়ে ঢ*লে পড়লো রুশভিয়ান উ*ন্মুক্ত বুকে। আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরলো রুশভিয়ান একহাত দিয়ে খু*লে ফে*ল*ল জা*মার জি*পার অতঃপর জা*মাটাকে আস্তে আস্তে খু*লে নিচে ফে*লে দিয়ে আরো শ*ক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলল,” আজ আমার বুকটা ভরে গেল তোদের তিনজনরে পাইয়া, সারাজীবন এইভাবে আমার লগে থাকবি তোরা। নাহলে তোদের বি*র*হে তোর আমি পা*গ*ল হয়ে যাবো ” কথাটুকু বলতে গিয়ে কঠিন হৃদয়ের মানুষটার চোখে পানি জমে উঠলো, সে আরো শ*ক্ত করে জড়িয়ে ধরলো ইনান চোখ থেকে একফোঁটা পানি গড়িয়ে পড়লো চোখের কার্নিশ বেয়ে।যা অন্ধকারে মধ্যে থেকে গেল। সে চোখের পানিটুকু মুছে ইনানের সারা মুখে ভালোবাসার পরশ একেঁ দিতে দিতে নেমে এলো ব**ক্ষে। চু*মু*র সাথে সাথে কা*ম*ড় বসাতে লাগলো, এদিকে ব্যা*থা*য় ইনান কেঁপে উঠছে কিন্তু চোখ খোলার ক্ষম-তা হয় না। রুশভিয়ান একহাত আলতো করে রাখলো পেটে তারপর বিরবির করে, ” এই পেটে নাকি দুইডা বাচ্চা আছে, আর সেগুলো আমার , ” কথাটুকু বলতে গিয়ে তার ঠোঁটে ফুটলো প্রশান্তির হাসি।

সে আস্তে আস্তে ইনান কে বিছানায় শুয়ে দিয়ে নিজে উঠে বসলো। ইনানের মুখের দিকে তাকিয়ে পাশে থাকা ল্যাম্পটা জ্বালিয়ে দিয়ে, ঘরের একাংশে ছড়িয়ে পড়লো আলো। পকেট থেকে বের করলো এক জোড়া সোনার নুপুর। ল্যাম্পের আলোয় নুপুর জোড়া অত্যাধিক চকচক করে তার আভা ছড়াতে লাগলো। রুশভিয়ান এগিয়ে গিয়ে ইনানের পায়ের কাছে বসে নুপুর গুলো পড়িয়ে দিলো। রুশভিয়ান পায়ের নুপুর গুলো হাত দিয়ে নাড়াতেই পুরো ঘরে নুপুরের শব্দে মুখরিত হয়ে উঠলো। একটু ঝুঁকে গিয়ে ইনানের দুই পায়ে আলতো করে চু*মু খেয়ে তাকালো আরেকবার ইনানের দিকে। ইনানের মুখের সাদা রঙটা আগের থেকে অনেক উজ্জল হয়ে উঠেছে, রুশভিয়ানের ইনানের সৌন্দর্য দেখে মনে মনে ভাবে হয়তো এটা মাতৃত্বের অপার সৌন্দর্য যা ইনানের মধ্যে আস্তে আস্তে ফুটে উঠেছে।
এমন সময় রুশভিয়ানের ফোনটা কর্কশ শব্দে বেজে উঠলো। বিভ্রম হলো ,সে লুঙ্গির ভাঁজ থেকে ফোনটা এনে কানে ধরতেই ওপাশ থেকে আমির বলল,” ভাই তাড়াতাড়ি চইলা আইসেন, আপনি যারে আনতে বইলা ছিলেন তারে আনছি।

রুশভিয়ান বলল,” আসতাছি আমি, ” বলেই বিছানা থেকে নেমে দাঁড়ালো । মুখে বলল আসছি কিন্তু তার মনটা পড়ে থাকবে ইনানের কাছে। রুশভিয়ান দরজার কাছে এগিয়ে আবার ফিরে এলো বিছানার কাছে। একটু নিচু হয়ে আলতো করে ইনানের মাথায় চু*মু খেয়ে বলল,” চইলা আসছি তাড়াতাড়ি কইরা? আমার ছানাগুলোকে সাবধানে লইয়া থাকবি ” বলেই ইনানের কোমল ঠোঁ*ট আ*ক*ড়ে ধরলো তার ঠোঁ*টের সাথে বেশ কিছুক্ষন চু*মু খেয়ে ছেড়ে দিয়ে আবারো ইনানের কপালে চু*মু দিয়ে জা*মাটা সুন্দর করে পরিয়ে ইনানের বু*কে নাক ঘষা দিয়ে বলল,” আসছি বউ, তোরে রাইখা যাইতে মন চাইতেছে কিন্তু কি করার, ” রুশভিয়ান কথাগুলো আফসোসের স্বরে বলে এগিয়ে গেল।

তারা বেগম তার ঘরে অস্থির হয়ে পায়চারী করছে ইশিতার মেয়ে ইনান রুশভিয়ানের বৈধ্য স্ত্রী এটা সে জানে। এমনকি ইনানের পেটে রুশভিয়ানের জমজ বাচ্চা আছে এটা বলেছে তিয়াসা তাকে। তারার সাথে তিয়াসার একটা গোপন সূত্র রয়েছে। তারা ইচ্ছে করেই তিয়াসার সাথে হাত মিলিয়েছে। আর তিয়াসা রুশভিয়ান কে তার করে নেওয়ার জন্য। কিন্তু বোকা রমনী তো জানে যাকে পাওয়ার জন্য এই মহিলার সাথে মিশেছে। সেই মেয়েটা রুশভিয়ানের ক্ষ*তি করার জন্য মুখিয়ে আছে৷
তারার কপাল বেয়ে ঘাম বের হচ্ছে । শ*ত্রুর দল আস্তে আস্তে ভারী হচ্ছে আর সে কিছুই করতে পারছে না। এই চিন্তায় মাথা ফে*টে যাচ্ছে । এক গ্লাস পানি ঢেলে খেয়ে নিলো।
এমন সময় তারা অনুভব করলো তার ঘরে কেউ প্রবেশ করলো তার ঠোঁটে ফুটলো ক্রুর হাসি। সে শব্দ করে গ্লাসটা রেখে দিয়ে পিছন ফিরে দেখলো একজন বৃদ্ধা মেয়ে লাঠিতে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। পরনে সাদা শাড়ি। হাতে রয়েছে কাঁচের বোতল, আর কিছু শি*কড় বা*কড় নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারা পুরো মুখ জুড়ো খুশির জোয়ার। সে এগিয়ে গিয়ে বলল,” নিয়ে আইছো তো সবকিছু!

মেয়েটা তার ফোকলা দাঁত বের করে বলল,” হ্যাঁ গিন্নি মা নিয়া আইছি, মেয়েটা হাতে থাকা কাঁচের বোতল আর শি*কড় গুলো বাড়িয়ে বলল,” এই শি*ক*ড় গুলা মাইয়াটার বিছা*নার বা*লিশের ত*লায় রাইখেন আর বোতলের ওষুধ গুলান খাওয়ারের সাথে মিশাইয়া দিলে পেডের বা*চ্চাগুলো আর বাঁ*চবা*র পারবে না ” বলেই তারার দিকে তাকালো। তারা মুখে পৈ*শা*চি-ক হাসি সে জিনিস গুলো নিয়ে তার গলা থেকে একটা সোনার চেন খুলে দিয়ে বলল,” তোমার কাজের উপর আমার বিশ্বাস আছে, তোমার লেইগা ওই রুশার বড় পোলারে পা*গ*লা কইরা রাখছি, এখন রুশার মেজো পোলার ক্ষ*তি করমু ” বলেই নিঃশব্দে হাসলো।
মেয়েটা সোনার চেন নিয়ে চলে গেল বাইরে। আর তারা মন উল্লাসে নেচে উঠলো। কিন্তু সে তো জানে এই উল্লাসে এমন এক সত্য লুকায়িত আছে যা সামনে এলেই , সে তাদের ক্ষ*তি করার আগে নিজের জীবন শে**ষ করে দিবে।

আপনি কেমন করে জানলেন ইশিতার মেয়ে ইনান না…. কথাগুলো খুবই অবাকের স্বরে বলল ইউসুফ । তার সামনের সোফায় রুশভিয়ান পায়ের উপর পা দিয়ে বসে আছে তার রত্নকুঞ্জ ভিলায়। তার সামনে ইউসুফ বসে আছে।
ইউসুফের কথা শুনে রুশভিয়ান ঠোঁট বাঁকা করে বলল, ” আমি সব জানি, এখন সব বলে ফেলুন!
ইউসুফ চিন্তে পেরেছে এটা ইনানের মামা হয়।হাসপাতালে থাকাকালীন দেখেছে। তাই সে কোনকিছু গো*পন না করে মেঝের দিকে তাকিয়ে বলতে শুরু করলো ,”আয়মান আর ইশিতার বিয়ের কিছুদিন পর তারা ঘুরতে গিয়েছিলো সাজেক। কিন্তু কে জানে ওখানেই যাওয়া তাদের জীবনে কাল হয়ে দাঁড়াবে। সাজেক থেকে ফিরে আসার সময় তাদের গাড়িটা মা*রা*ত্ম*ক ভাবে এ*ক্সি*ডে*ন্ট হয়ে যায় । আর ওখানেই ইশিতা মা*%রা যায় ” কথাটুকু বলতে গিয়ে ইউসুফের চোখে পানি চলে এলো। আর রুশভিয়ান তো মাথা নিচু করে রেখেছে।

—ইশিতার এমন আ*ক*ষ্মি*ক মৃ%*ত্যু*তে ভে*ঙে পড়লো আয়মান।সারাদিন ঘরের মধ্যে নিজেকে বন্দি করে রাখতো । আমি এসে তাকে কত বোঝাতাম এই রকম করলে ইশিতা ক*ষ্ট পাবে নিজেকে একটু সামলাও। কিন্তু কে শুনে কার কথা এইভাবে দেড় বছর নিজেকে ঘরের মধ্যে রাখলো। তারপর আস্তে আস্তে নিজেকে বদলে ফেলল, আর অফিসে কোলে করে নিয়ে আসতো ছোট ইনান কে। আমাট মা*থা কাজ করতো এই বাচ্চাটা আবার কোথা থেকে এলো। কোনকিছু জিজ্ঞেস করলেও কিছু বলতো না। এভাবে কিছুদিন কেটে যাওয়ার পর আয়মান আমাকে বলল, ” ইনান কে সে অ*না*থ আশ্রম থেকে দ*ত্তক নিয়েছে, আর দত্তক নেওয়ার কারন ইনানের ডান পায়ে ছয়টা আঙুল যা আয়মানকে সবসময় মনে করাবে তার ইশিতা এই বাচ্চাটার মধ্যে রয়েছে। ইনান বড় হতে লাগলো তখন আয়মান ইশিতার ছবি দেখিয়ে বলল ওটা তোমার মা। যে তোমাকে আমাকে ছেড়ে অনেকদূ*রে চলে গিয়েছে। আর ইনান সেটা মেনে বড় হতে লাগলো!
কথাগুলো বলে রুশভিয়ানের দিকে তাকিয়ে বলল,” আপনাকে আমার একটা অনু*রোধ রইলো ওকে এই ব্যাপারে কিছু বলবেন না! মেয়েটা যে বড্ড অ*ভা*গা এই কথাগুলো শুনলে আরো ভে*ঙে পড়বে তার উপরে….. ইউসুফ চেপে গেল ইনানের প্রেগ*ন্টের কথাটা।
কিন্তু রুশভিয়ান বুঝতে পেরে মাথা উঁচু করে বলল,” তার উপরে ইনান পো*য়া*তি তাই না! বলেই হাসলো একগাল।

ইউসুফের কানে রুশভিয়ানের কথাটুকু পৌঁচ্ছানো মাত্র বি*স্ফো*রি*ত দৃষ্টিতে তাকালো রুশভিয়ানের দিকে। কপাল বেয়ে ঘাম বের হচ্ছে , সারা শরীর থরথর করে কেঁপে উঠলো।
রুশভিয়ান তার শরীরের কাঁ*পুনি টের পেয়ে বলল,” আরে এত কাঁপতে হইবো না, শুধু এইটুকু শুইনা রাখুন যে মুখ দিয়া আমার বাচ্চাগুলোরে ন*ষ্ট করতে চাইছিলেন ওই মুখ ভে*ঙে দেয়না এটা আপনার সৌভাগ্য! এখন চইলা যান, না হইলে কি করতে কি করুমু নিজেই জানিনা ” বলেই বাইরে হাঁক ছেড়ে ডাকলো আমির কে। আমির সাথে বাইরে থেকে এসে রুশভিয়ান কে বলল,” বলো ভাই!
ইউসুফের দিকে আঙুল তুলে বলল,” এইটারে যেখান থেইকা নিয়া আসছোস ওখানে রাইখা আয়। আর আমি ইনানের কে হই, তার বাচ্চাগুলোন আমার কে হই সবকিছু তারে বুঝাইয়া দিবি ” বলেই রত্নকুঞ্জ থেকে চলে গেল মির্জা মহলে যাওয়ার জন্য। আর এদিকে ইউসুফ বো*কাবনে বসে আছে। সে রুশভিয়ানের কথার মাথা মুন্ডু কিছুই বুঝতে পারলো না।

ইনান কেবলই ঘুম থেকে উঠে মুখ হাত ধুয়ে ঘরের দরজা খুলে বের হতে নিলেই চমকে পিছনে পিছিয়ে গেল রুশভিয়ান কে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে।ইনান রুশভিয়ান কে খালি গা*য়ে দেখে দ্বিতীয় দফায় চমকে গিয়ে চোখে হাত দেয় ঘুরে দাঁড়ালো । রুশভিয়ান ইনানের দিকে তাকিয়ে বাঁকা হাসি দিয়ে মনে মনে বলল,” সারারাত আমার এই বু*কে ঘুমাইয়া , এখন আইছে আমার লজ্জাবতী লতা”
রুশভিয়ান কাটকাট গলায় বলল,” তা মহারানী এই ঘরে থেইকা কি খা*ও*ন পাবা, নাকি নিচে যাইতে হইবো!
ইনান ওদিকে ঘুরে বলল,” আপনি এইখান থেকে যান, আমি আসছি?
রুশভিয়ান ভ্রু কুচকে বলল,” কেন, আমার লগে আইলে তোরে খা*ই*য়া ফা*লামু? নাকি আমিরের লেইগা অপেক্ষা করতাছোস ” শেষের কথাটা চিবিয়ে চিবিয়ে বলল ।
ইনান ভ*য় পেয়ে গেল সে আরেকটু সামনে এগিয়ে যেতে নিলেই রুশভিয়ান তার হাতটাকে শক্ত করে চেপে ধরে বলল,” এই কই যাইতাছোস? তোর লেইগা আমি পঁয়তাল্লিশ টা সিঁড়ি টপকে আইছি, এখন তোরে না নিয়া গেলে ওই সিঁড়ি গুলোন আমারে ধি*ক্কার জানাবো। বলবো ওরে খুব তো আমাদের উপরে উইঠ্যা গেলি কই তারে তো আনতে পারলি না।আর আমি একজন এমপি হইয়া এই অ-সম্মান কিছুতে মানতে পারমু না ” বলেই হাত ধরে টানতে লাগলো।

আর এদিকে ইনান এমন উদ্ভট কথা শুনে পুরো থ বনে গেছে। সে রুশভিয়ানের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। আর রুশভিয়ানের ঠোঁটে শ*য়*তা*নি হাসি। ইনান নিজেকে সামলে বলল,” ছাড়ুন ম…বাকি কথা শেষ হওয়ার আগে রুশভিয়ান শক্ত করে তার মুখটাকে চে*পে ধ*রে বলল, ” আরেকটা কথা বললে তোরে আমি ছাদ থেইকা ফা*লাই*য়া দি*মু! বলেই ইনানের মুখ চে*পে ধরে হাঁটতে লাগলো।
ইনান ও তার পায়ের সাথে তালমিলিয়ে হাঁটতে লাগলো। রুশভিয়ান ও ইনানের মুখটা ছেড়ে দিলো হাঁটতে হাঁটতে। আর ইনান মাথা নিচু করে হাঁটছে, , মাথা উ়ঁচু করলে রুশভিয়ানের ফর্সা লো*ম*শ যুক্ত বু*ক দেখে তার হাত পা কেমন কেঁপে কেঁপে উঠছে । তবুও তার বে*হা*য়া চোখ বারবার ওদিকে যাচ্ছে । রুশভিয়ান বুঝতে পারছে কিন্তু কিছুই বলল না, সে আর মেয়েটাকে ল*জ্জা দিতে চাই না।
এদিকে ইনান বারবার আল্লাহর কাছে মা*প চাইছে, তার দৃষ্টি যেন তার মামার দিকে না যায়। সেজন্য নানা ধরনের দোয়া পাট করছে আর সামনে এগিয়ে যাচ্ছে ।

এমপি রুশভিয়ান মির্জা পর্ব ৩১

আজকে খাওয়ার টেবিলে ভিন্নতা এসেছে , আজকে সবাইকে হাসি মুখে তারা বেগম খাওয়ার বেড়ে দিচ্ছে । আইয়ুব,আমির, অবাক চোখে তাকিয়ে আছে তারা বেগমের দিকে ।রুশভিয়ান নেই সে একটা জরুরী কাজে গিয়েছে । তারা বেগম হাতে তরকারি বাটি নিয়ে জিজ্ঞেস করছে কারো কিছু লাগবে কি না । ইনান মাথা নিচু করে খাবার খাচ্ছে , এমন সময় তারা একবাটি আমের টক এনে ইনানের সামনে দিয়ে বলল,” এগুলো তোমার লেইগা করছি ইনান, সব কিন্তু খাওয়া লাগবো। ইনান মাথা ঝাঁকিয়ে একটু চামচ থেকে টক গুলো নিয়ে তার পাতে নিলো। আর তারা তা দেখে তার ঠোঁটে ফুটলো ক্রু*র হাসি…

এমপি রুশভিয়ান মির্জা পর্ব ৩৩

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here